ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬~~Hedaet Forum~~


Email: Password: Forgot Password?   Sign up
Are you Ads here? conduct: +8801913 364186

Forum Home >>> Forex Trade >>> ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬

InstaForexSushantay
Team Member
Total Post: 3447

From:
Registered: 2014-11-17
 

২ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?

[URL="https://ifxpr.com/4poyjzN"]বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট গত বুধবার অনেকটা EUR/USD পেয়ারের মতোই GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট বেশ বিশৃঙ্খল এবং মিশ্র ধরনের ছিল, তবে অস্থিরতার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কমই ছিল। সামষ্টিক অর্থনৈতিক কিংবা মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব একেবারেই অনুপস্থিত ছিল এবং এই মুহূর্তে টেকনিক্যাল চিত্র অনেকটাই পরস্পরবিরোধী। আমরা মনে করি, ছুটির সময়ে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়, কারণ ওই সময় মার্কেটে সাধারণত অনিয়মিত মুভমেন্ট দেখা যায়। মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি—সব টাইমফ্রেমেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাই পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাই আমরা আশা করছি, ছুটি শেষ হওয়ার পরের সপ্তাহে নতুন বছরের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। খুব সম্ভবত সোমবার থেকেই মার্কেটে আরও উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট শুরু হবে, যা ট্রেডারদের জন্য স্পষ্ট ট্রেডিং সিগন্যাল এবং মুনাফার সুযোগ তৈরি করতে পারে। এই মুহূর্তে, মার্কিন ডলারের তুলনায় ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য আরও অধিক আকর্ষণীয় পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
[IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2026633176.jpg[/IMG]
GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার পাউন্ডের কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত করেছিল। প্রশ্ন হলো - বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার আগে এই সিগন্যালগুলো অনুসরণ করে ট্রেড করা কি যৌক্তিক ছিল? স্বাভাবিকভাবেই, সেসব সিগন্যালের মান খুব একটা ভালো ছিল না এবং গত কয়েক সপ্তাহ এবং মাসজুড়েই অস্থিরতার মাত্রাও বেশ কম ছিল। এমনকি ছুটির সপ্তাহে অস্থিরতার মাত্রা আরও কমে গেছে। আমাদের মতে, বাস্তবিক অর্থে ট্রেডিং শুরু করার সঠিক সময় হলো সোমবার, অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি।

শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়েছে, তাই টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুসারে নতুন বছরের শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে পাউন্ডের নতুন দরপতনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে আমরা মনে করি না যে, মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে, তাই আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টেরই প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা মনে করি যে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবারও শুরু হতে যাচ্ছে এবং এর ফলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য 1.4000 লেভেল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার কথা চিন্তা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3529–1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় সেশন শেষ হয়, তাহলে শর্ট পজিশন উপযুক্ত হবে এবং এক্ষেত্রে মূল্যের 1.3319–1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেড করার জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.2913, 1.2980–1.2993, 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590। শুক্রবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই মার্কেটে খুবই দুর্বল মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। মার্কেট থেকে এখনও ছুটির আমেজ পুরোপুরিভাবে যায়নি। [/URL]

Read more: https://ifxpr.com/4poyjzN





 

InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

৫ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার খুবই কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, কেবলমাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, আর সেটা হলো যুক্তরাষ্ট্রের ISM উৎপাদন সংক্রান্ত সূচক। প্রতিবেদনটি মাসে একবার প্রকাশিত হয় এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সূচকের ফলাফল ৫০.০-এর নিচেই থাকবে, যা নেতিবাচক ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে যদি এই সূচকের মান পূর্বাভাসকৃত 48.3-এর তুলনায় বেশি আসে, তাহলে এটি সাময়িকভাবে মার্কিন ডলারকে কিছুটা সহায়তা দিতে পারে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। বিভিন্ন দেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখনো বড়দিন ও নতুন বছরের ছুটির পর থেকে কার্যকরভাবে চালু হয়নি, তাই উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ইভেন্ট কিছুটা দেরিতে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে বর্তমানে মার্কেটে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করা হচ্ছে — সেটি হচ্ছে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেফতার এবং গ্রিনল্যান্ড ও কিউবায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা। রাতারাতি এসব ঘটনা ও পরিকল্পনার ওপর মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে, তাই ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতির উপর ভিত্তি করে স্বল্পমেয়াদে মার্কিন ডলারের বিনিময় হারে পরিবর্তন ঘটার সম্ভাবনা অব্যাহত রয়েছে। সবকিছু নির্ভর করবে ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের উপর। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD এবং GBP/USD — উভয় কারেন্সি পেয়ারেই দরপতন হতে দেখা যেতে পারে, কারণ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। তবে পুরো সপ্তাহজুড়ে, মার্কিন ডলারের জন্য পরিস্থিতি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, কারণ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে যেগুলোর ফলাফল মূলত মার্কিন মুদ্রার জন্য নেতিবাচক হতে পারে — যেমন ব্যবসায়িক কার্যক্রম, শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন। EUR/USD পেয়ারের জন্য 1.1655–1.1666 এরিয়া ট্রেডিংয়ের জন্য একটি উপযুক্ত জোন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, আর GBP/USD পেয়ারের জন্য 1.3437–1.3446 এরিয়া কার্যকর ট্রেডিং লেভেল হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। Read more: https://ifxpr.com/4bgjg7x









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

৬ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা মঙ্গলবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে এসব প্রতিবেদনের প্রায় কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসের S&P ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকের দ্বিতীয় মূল্যায়ন প্রকাশিত হবে। তবে দ্বিতীয় মূল্যায়ন খুব কম সময়েই প্রথম মূল্যায়নের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য প্রদর্শন করে করে এবং যুক্তরাষ্ট্রে তো খুব কম কেউ S&P থেকে প্রকাশিত সূচকের প্রতি গুরুত্ব দেয়। এই সূচকের তুলনায় ISM সূচক ট্রেডারদের জন্য বহুগুণ বেশি প্রাসঙ্গিক। জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি বিষয়ক প্রতিবেদন কিছুটা মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতো, যদি না সাম্প্রতিক ফলাফলগুলো তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকতো। জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের উভয় ক্ষেত্রেই ভোক্তা মূল্যের সূচক (CPI) দীর্ঘদিন ধরেই ২%–এর কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা। ফলে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ইসিবির নীতিনির্ধারণে প্রায় কোনোই প্রভাব ফেলছে না। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ মঙ্গলবারের ক্যালেন্ডারে কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তবে সেগুলোও স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে ফেডের প্রতিনিধি থমাস বারকিনের একটি ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির সদস্যদের অবস্থানের বিশেষ কোনো পরিবর্তন শুধুমাত্র তখনই আসবে, যখন ডিসেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং শ্রমবাজার–সংক্রান্ত দাপ্তরিক প্রতিবেদনগুলো প্রকাশিত হবে। তার আগে, জানুয়ারি মাসে ফেডের পক্ষ থেকে সুদের হার হ্রাসে বিরতি দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে মার্কেটে আলোচিত একটি বিষয় হলো: নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তার এবং গ্রিনল্যান্ড ও কিউবায় "শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার" উদ্দেশ্যে ট্রাম্পের পরিকল্পনা। আমরা ইতোমধ্যেই গত রাতেই মার্কেটে এর প্রতিক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেছি। মার্কিন ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল, কিন্তু তারপর খুব দ্রুতই দরপতন শুরু হয়, কারণ লাতিন আমেরিকায় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়লেও এর কোনোটিই মার্কিন ডলার ক্রয়ের যথেষ্ট কারণ তৈরি করতে পারেনি। উপসংহার চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। চলতি সপ্তাহজুড়েই, মার্কিন ডলার কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে—যার কারণ হিসেবে আসন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলকে বিবেচনা করা যায়। সোমবারের ট্রেডিং থেকেই বোঝা গেছে, এই আশঙ্কাগুলো অমূলক নয়। ইউরোর ক্ষেত্রে 1.1745–1.1754 -এর একটি চমৎকার ট্রেডিং এরিয়া রয়েছে, অন্যদিকে 1.3529–1.3543 লেভেল থাকা পাউন্ডের ট্রেড করা যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4jtTEX8









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

৮ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা বৃহস্পতিবার সীমিত সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, এবং এর কোনোটিই খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে—গতকাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয় অঞ্চলেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু সেসব প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রেক্ষিতে মার্কেটে কার্যত কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আজ ট্রেডাররা স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন কিছু প্রতিবেদন হাতে পারে, যেমন ইউরোজোনের বেকারত্ব এবং উৎপাদক মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। আমাদের মতে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের ভিত্তিতে মার্কেটে কোনো তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ বৃহস্পতিবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হবে না। নতুন বছরে ইতোমধ্যেই ফেডের বেশ কয়েকজন সদস্য মন্তব্য করেছেন, তবে এই বিবৃতিগুলো বাস্তবিক অর্থে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেনি—বিশেষত যখন ডিসেম্বর মাসে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের নীতিগত অবস্থান এবং ফেডারেল রিজার্ভের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। এর সঙ্গে আরও যুক্ত হয়েছে—বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত নতুন কোনো প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি। এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে, ফেডারেল রিজার্ভের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, জানুয়ারির বৈঠকে আর্থিক নীতিমালার নমনীয়করণ বন্ধ রাখা হবে এবং সার্বিকভাবে পুরো বছরের মধ্যে মাত্র একবার মূল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ব্যক্ত করা হয়েছে—ফেডের সর্বশেষ ডট-প্লট চার্ট এটিই নির্দেশ করছে। অতএব, ফেডের কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য অথবা পুরো কমিটির অবস্থান ভবিষ্যতে শুধুমাত্র তখনই পরিবর্তিত হতে পারে, যখন নতুন ননফার্ম পেরোল, বেকারত্ব হার এবং ভোক্তা মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। উপসংহার চলতি সপ্তাহের চতুর্থ দিনের ট্রেডিংয়ে, EUR/USD এবং GBP/USD উভয় কারেন্সি পেয়ারেরই দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরোর মূল্যের সক্রিয় নিম্নমুখী প্রবণতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যও একই পথে অনুসরণ করতে পারে। তবে, আমরা ট্রেডারদেরকে বাই সিগন্যাল উপেক্ষা না করার পরামর্শ দিচ্ছি, কারণ মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য নতুন কোনো কারণ এখনো সৃষ্টি হয়নি, এবং ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতাটিও খুব একটা নির্ভরযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত। ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন। MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত। নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন। স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে। Read more: https://ifxpr.com/3Z793D6









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

৯ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিবেদনকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রথমেই ইউরোজোনের প্রতিবেদনগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা যাক—যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির শিল্প উৎপাদন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের খুচরা বিক্রয়) সংক্রান্ত প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ না হলেও, তাত্ত্বিকভাবে ইউরোর মূল্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, আমরা নতুন ট্রেডারদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, বর্তমানে টেকনিক্যাল কারণে EUR/USD পেয়ারের দরপতন চলমান রয়েছে—যেখানে এই পেয়ারের মূল্য সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমা থেকে নিচের সীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই মুহূর্তে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কেটে খুব একটা প্রভাব ফেলছে না। যুক্তরাষ্ট্রে আজ যেসব প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেগুলো একেবারেই উপেক্ষা করার মতো নয়। তবে, আমরা এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছি না যে—এই প্রতিবেদনগুলো প্রকাশের পরও মার্কেটে খুব বেশি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া নাও দেখা যেতে পারে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে মার্কেটে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় ও দুর্বল ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। নন-ফার্ম পেরোল ও বেকারত্ব হারের প্রতিবেদনের ফলাফল সরাসরি ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালার ওপর প্রভাব ফেলে। ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখতে খুব বেশি শক্তিশালী ফলাফলের প্রয়োজন নেই; তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমনকি নিরপেক্ষ বা সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলাফলের প্রত্যাশাও বেশ কঠিন। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ শুক্রবার বেশ কিছু ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত রয়েছে—যেমন: ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফিলিপ লেন, এবং ফেডারেল রিজার্ভের দুই সদস্য নীল কাশকারি ও থমাস বারকিন-এর বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। অবশ্য এ বছর ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির অনেক সদস্যই বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন, তবে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ডিসেম্বর মাসের অবস্থান এবং সামগ্রিকভাবে ফেডের নীতিমালার ভিত্তিতে এই সদস্যদের মন্তব্যগুলো খুব একটা বাস্তব গুরুত্ব বহন করে না—বিশেষত তখন, যখন নতুন কোনো প্রতিবেদন নেই যেমন: বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি বা শ্রমবাজার সংক্রান্ত। আজ শ্রমবাজার ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে খুব সম্ভবত ফেড কর্মকর্তাদের এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করার এবং তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করার মতো পর্যাপ্ত সময় থাকবে না। যাই হোক না কেন, জানুয়ারি মাসে ফেডের মূল সুদের হার কমানো হবে—এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে না। একইভাবে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক-ও ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সুদের হারে পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হয় না। উপসংহার সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD এবং GBP/USD এই দুটি কারেন্সি পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে স্পষ্টভাবে ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যেরও প্রায় একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে, আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তাই, মার্কিন সেশনের সময় উভয় পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট অনেকটাই অনিশ্চিত এবং অপ্রত্যাশিত হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/49teEbE









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

১২ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: সোমবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। এই বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু EUR/USD ও GBP/USD — এই দুটি প্রধান কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা অত্যন্ত দুর্বল ছিল। সাম্প্রতিক দিন ও সপ্তাহগুলোতে মার্কিন ডলারের দর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে মার্কেটে সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বর্তমানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করে মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। এবং সেই টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ইউরোর মূল্যের ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ। এই নির্দিষ্ট ফ্ল্যাট রেঞ্জের কারণেই ইউরো এবং পাউন্ড — উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী হচ্ছে, যদিও কিছু ট্রেডার ও বিশ্লেষক এখনো মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনীতিক দৃষ্টিকোণ থেকে উভয় কারেন্সি পেয়ারের দরপতনের কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: সোমবার বেশ কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে — ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লুইস ডি গুইন্ডোস এবং ফেডারেল রিজার্ভের টমাস বারকিন ও রাফায়েল বোস্টিকের বক্তব্য অনুযায়ী। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি বছর ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য ইতোমধ্যেই বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন, এবং বাস্তবিক অর্থে সেগুলোর প্রভাব খুবই সীমিত ছিল, বিশেষ করে ডিসেম্বর মাসে চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্য ও ফেডের সামগ্রিক অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে। ২০২৬ সালে ফেডের সুদের হার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপর মূলত তিনটি সূচকের ফলাফল প্রভাব ফেলবে: শ্রমবাজার, বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি। গত সপ্তাহে প্রকাশিত শ্রমবাজারভিত্তিক প্রতিবেদন থেকে কোনো ইতিবাচক বার্তা পাওয়া যায়নি। যদিও বেকারত্ব হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, তা সত্ত্বেও সূচকটি এখনো গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে অবস্থান করছে। এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি প্রকাশিত হবে এবং এরপরই ফেডের জানুয়ারি মাসের বৈঠকে সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অনুমান করা যেতে পারে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং পাউন্ডের মূল্যও একই পথ অনুসরণ করতে পারে। আজ সোমবার, ইউরো পেয়ার ট্রেডিংয়ের জন্য 1.1655–1.1666 রেঞ্জ বিবেচনায় রাখা যেতে পারে এবং পাউন্ড পেয়ার ট্রেডিংয়ের জন্য 1.3437–1.3446 রেঞ্জ বিবেচনা করা যেতে পারে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বর্তমানে কোনো পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টকে প্রভাবিত করছে না—গত সপ্তাহেও এটি ট্রেডারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে খুব বেশি ভূমিকা রাখেনি। Read more: https://ifxpr.com/453A4Ll









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

১৪ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: বুধবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং এর কোনোটিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে মনে রাখবেন যে গত সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, তবুও আমরা মার্কেটে কোনো শক্তিশালী, প্রবণতা-ভিত্তিক মুভমেন্ট দেখতে পাইনি। এই সপ্তাহের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের প্রভাবেও মার্কেটে প্রায় কোনোই প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। নতুন বছরের প্রথম দুই সপ্তাহেও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ও ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে টানা সাত মাস ধরে ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে ইউরোর ট্রেডিং করা হচ্ছে এবং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পাউন্ডও সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং হচ্ছে। উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অত্যন্ত স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবার বেশ কয়েকটি ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। আজ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড এবং ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিগণ বক্তৃতা দেবেন। তবে, তাদের বিবৃতি মার্কেটে স্বল্প মাত্রার প্রভাব ফেলতে পারে - অথবা একেবারেও কোনো প্রভাব নাও ফেলতে। বর্তমানে ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতিও প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না যা সাধারণত যুক্তরাজ্য, ইউরোজোন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের প্রতি প্রায় কোনোই প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অন্যথায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলারের সম্পূর্ণ দরপতনের দিকে পরিচালিত করত, যা বেশ কয়েক মাস ধরেই ঘটছে। মনে রাখবেন যে ডলারকে এখনও বিনিয়োগকারীরা একটি নিরাপদ-বিনিয়োগ হিসাবে বিবেচনা করে - কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি প্রকাশ্যে গ্রিনল্যান্ডকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন বা ইরানের শাসন পরিবর্তনকে সমর্থন করেন তবে কি সেই কারেন্সিকে নিরাপদ বলা যেতে পারে? উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে, উভয় কারেন্সি পেয়ারের সম্পূর্ণরূপে বিশৃঙ্খল ট্রেডিং অব্যাহত থাকতে পারে। আজ ইউরো 1.1655–1.1666 রেঞ্জে এবং পাউন্ড স্টার্লিং 1.3437–1.3446 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। তবে, শক্তিশালী ট্রেডিং সিগন্যাল থাকা সত্ত্বেও, আমরা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য মুভমেন্টের আশা করছি না। উভয় পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রাও কম থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। Read more: https://ifxpr.com/4qrnjmo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট শুল্ক বিষয়ক রায় ঘোষণার সম্ভাব্য সময় পিছিয়েছে এদিকে, মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মার্কিন ডলারের দর কিছু ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে বৃদ্ধি পেলেও, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট গতকাল আবারও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক সংক্রান্ত মামলাগুলোর ব্যাপারে কোনো রায় দেননি। ফলে তাঁর স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক নীতিমালার ভাগ্য জানার জন্য বিশ্ববাসীকে অবশ্যই অন্তত পরবর্তী সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এই বিলম্বের ফলে বৈশ্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যবসায়িক আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, কারণ এই আরোপিত শুল্কগুলো সরবরাহ খাতে চাপ সৃষ্টি করে ক্রেতা পর্যায়ে পণ্যের মূল্য বাড়াচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে বিবেচিত মামলাগুলোতে ট্রাম্প যে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর এবং কয়েকটি প্রধান মার্কিন বাণিজ্য অংশীদারের অন্যান্য পণ্যের ওপর আরোপ করেছেন সেই শুল্কগুলোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। মামলাকারীরা যুক্তি দিচ্ছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাণিজ্য আইনের অধীনে তার ক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছেন এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। যদি সুপ্রিম কোর্ট এসব শুল্ককে বৈধতা দেয়, তাহলে শুল্ক একটি বৈদেশিক নীতির উপকরণ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে এবং অন্যান্য দেশকেও আরও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়ার প্ররোচনা দিতে পারে। রায় প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় নির্মাতা, খুচরা ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সহ বহু অংশীজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরা ভবিষ্যৎ বাণিজ্য খরচ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে তাদের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করতে সংগ্রাম করছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদেরকে শুল্ক প্রধান পণ্যের জন্য বেশি দাম দিতে হচ্ছে। কোর্ট এখনও জানায়নি পরবর্তীতে কখন রায় ঘোষণা করা হবে, তবে পরবর্তী শুনানি সম্ভবত আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার বা বুধবার নির্ধারিত হতে পারে, যখন বিচারপতিরা পুনরায় সংবিধিবদ্ধ হবেন। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে কিছু সংস্থার স্টক ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোর্টের রায় না দেয়ার কারণে কনজিউমার কোম্পানি লুলুলেমন অ্যাথলেটিকা ইনকর্পোরেটেড ও ম্যাটেল ইনকর্পোরেটেডের শেয়ারের দরপতন ঘটেছে, এবং পাওয়ার টুল নির্মাতা স্ট্যানলি ব্ল্যাক ও ডেকার ইনকর্পোরেটেডের স্টক আগের বৃদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে। মনে করিয়ে দিই, ৫ নভেম্বরের শুনানিতে কোর্ট শঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে ট্রাম্প 1977 সালের সেই আইনের অধীনে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপ্রধানকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে, সেই আইনের ওপর ভিত্তি করে শুল্ক আরোপ করার অধিকার সংর৯ক্ষণ করেন কি না তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। শুল্ক-সংক্রান্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট যদি ট্রাম্পের বিপক্ষে রায় দেয়, তবে এটি হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তনের পর থেকে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় আইনি পরাজয় হিসেবে বিবেচিত হবে। উল্লেখ্য যে, কোর্টের রায় না দেয়ার ফলে ফরেক্স মার্কেটে কোনো প্রভাব পরিলক্ষিত হয়নি। EUR/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন মূলত এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1650 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার দিকে মনোযোগ দেয়া দরকার। কেবল এটি করা গেলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1680-এ পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1710 পর্যন্ত বাড়তে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া এটি করা যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1740-এর সর্বোচ্চ লেভেল। যদি ইনস্ট্রুমেন্টটির দরপতন ঘটে, তবে আমি কেবল এই পেয়ারের মূল্য 1.1630-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় বড় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করছি। সেখানে কেউ সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্য 1.1610-এর লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত হবে, অথবা 1.1591 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যুক্তিযুক্ত হবে। GBP/USD-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3440-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবল এই লেভেল অতিক্রম করলেই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3460-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3490 লেভেল নির্ধারণ করা হয়েছে। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য 1.3415 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা এতে সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য গুরুতর ধাক্কা হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3390-এর দিকে নেমে যাবে, যেখান থেকে 1.3370-এ যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। Read more: https://ifxpr.com/4jRiWyv