ট্রেডারদের জন্য ডেইলী টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬~~Hedaet Forum~~


Email: Password: Forgot Password?   Sign up
Are you Ads here? conduct: +8801913 364186

Forum Home >>> Forex Trade >>> ট্রেডারদের জন্য ডেইলী টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬

InstaForexSushantay
Team Member
Total Post: 3447

From:
Registered: 2014-11-17
 

২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?

বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কিছুটা অস্বাভাবিক এবং মিশ্র ধরনের মুভমেন্ট লক্ষ্য করা গেছে, তবে মনে রাখতে হবে যে এটা ৩১ ডিসেম্বর ছিল। এটাই সার্বিক পরিস্থিতির মূল কারণ। স্বাভাবিকভাবেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে ঐদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত ছিল না, যা একদম প্রত্যাশিত ছল। সন্ধ্যায় মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হয় এবং পুনরায় কেবল রাতের বেলা সেশন শুরু হয়, এরপর আবার ছুটির জন্য সেশন বন্ধ হয়ে যায়। অতএব ছুটির পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও বাস্তবিক অর্থে ছুটির আমেজ এখনো বিরাজমান রয়েছে। সাপ্তাহিক ট্রেডিংয়ের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে, এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য একটি অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, কিন্তু আমরা এটিকে প্রবণতা পরিবর্তনের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করছি না। দৈনিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী EUR/USD পেয়ার এখনো 1.1400 থেকে 1.1830 লেভেলের মধ্যে অবস্থিত সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমানায় ট্রেড করছে। খুব শিগগির, যখন মার্কেটে পুরোপুরিভাবে ছুটির আমেজ বিদায় নেবে, তখন এই পেয়ারের মূল্যের আবারও এই এরিয়ায় নতুনভাবে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সপ্তাহ থেকে ট্রেডাররা নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন পেতে শুরু করবেন, তাই আবারও মার্কেটে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1484607033.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বুধবার 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে দুইটি রিবাউন্ডের ফলে দুইটি সেল ট্রেড সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। যারা মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এবং নতুন বছরের ঠিক আগে ট্রেড করতে চেয়েছিলেন, তাদের জন্য এই সিগন্যালগুলো কার্যকর হতে পারত। গতকাল রাতে EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা একটি বাই সিগন্যাল ছিল। তবে আজ মূলত দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তাই আমরা ইউরোর শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না।

শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে ট্রেন্ডলাইন অতিক্রম করেছে। খুব শিগগির এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় দৈনিক ফ্ল্যাট চ্যানেলের উপরের সীমা 1.1800–1.1830 এরিয়ায় পৌঁছাতে পারে। এবার সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাস ধরে দৃশ্যমান এই সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বের হয়ে যাবে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক; ফলে আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। ফলে আজও মার্কেটে খুব দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
 

Read more: https://ifxpr.com/49CltsQ





 

InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৫ জানুয়ারি। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1750 লেভেল টেস্ট করে, যেকারণে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এই কারণেই আমি EUR/USD পেয়ারের বাই পজিশন ওপেন করনি। ভেনেজুয়েলার উপর যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের পর মার্কিন ডলার দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে, এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর মূল্য হ্রাস পায়। অনিশ্চিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে, ফলে তারা ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত ডলারে বিনিয়োগ করছে। যদিও ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান সংঘটিত হলেও তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়নি, তবুও এই ঘটনাগুলো ভবিষ্যতে তেল-উৎপাদনকারী দেশগুলোর প্রতি মার্কিন নীতিমালার ক্ষেত্রে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, ফলে ডলারের বিপরীতে ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। যেহেতু মার্কেটে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব থাকবে না — যা সাধারণত ফরেক্স মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করে — তাই এখন ট্রেডাররা বর্তমানে বিদ্যমান বাহ্যিক উপাদানগুলোর ওপর নির্ভর করছে। এই মুহূর্তে মার্কেটে অস্থির ও অনিশ্চিত একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে মার্কিন ডলারের দর স্বাভাবিকভাবে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর প্রভাবও উপেক্ষা করা যাবে না। গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ব্রেক করলে ইউরোর দরপতন আরও ত্বরান্বিত হতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1723-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1697-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1723-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ সামান্য কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1680-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1697 এবং 1.1723-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1680-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1655-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1697-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1680 এবং 1.1655-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4sv0YG8









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের পর্যালোচনা, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কোনো অপ্রত্যাশিত মুভমেন্ট দেখা যায়নি, যদিও অনেক ট্রেডার এই ধরনের প্রতিক্রিয়ারই প্রত্যাশা করছিলেন। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার রাজধানী করাকাসে সামরিক হামলার নির্দেশ দেন, যার উদ্দেশ্য ছিল দেশটির সামরিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা অচল করে দেওয়া। এই হামলার মাধ্যমে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, যেখানে তাকে "বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক আদালতের" সম্মুখীন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এখানে আমরা এটি যাচাই করব না যে ট্রাম্পের কি এই ধরনের সামরিক আদেশ দেওয়ার অধিকার রয়েছে, কিংবা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ বা অন্যান্য সংস্থা এ ব্যাপারে কী ভাবছে। মূলত, ট্রাম্প বহু আগেই বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, "আইন তো আইনই... তবে কখনও কখনও এর ব্যতিক্রম হয়।" তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো ঘটা বাকি রয়েছে। পুরো ২০২৫ সাল জুড়েই আমরা দেখেছি—ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের দরপতনের মূল কারণ। তাই আমরা বহু আগেই সতর্ক করেছিলাম যে, ২০২৬ সাল ২০২৫ সালের তুলনায় ভালো যাবে—এমনটা ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়। বাস্তবতা হলো, ২০২৬ সাল ঠিকমতো শুরু হওয়ার আগেই ট্রাম্প নতুন করে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছেন, যার মাধ্যমে আরেকটি দেশের নেতা গ্রেফতার হয়েছেন; এমনকি তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে গত বছর গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য কোনো রসিকতা ছিল না। সোমবার সকালে অনেক বিশ্লেষক ধারণা করেছিলেন যে, মাদুরো গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় মার্কেটে "ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা" শুরু হবে এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারে চাহিদা বাড়বে, ফলে ডলারের দর বৃদ্ধির পাবে। তবে আমরা মনে করি, ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন ডলারকে তখনই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ব্যবহার হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র নিজে কোনো ভূরাজনৈতিক সংঘাতে জড়িত থাকে না। এখন পুরো বিশ্ব জানে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশে ক্ষমতা পরিবর্তন করতে চায় (রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অথবা চীন ছাড়া), তবে তারা সরাসরি সামরিক অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনীতিবিদ কিংবা কর্মকর্তাকে ধরে নিয়ে আসতে পারবে। সেক্ষত্রে, ২০২৫ সালের বাণিজ্যযুদ্ধ ভবিষ্যতের দৃষ্টিতে হয়তো অনেকটাই "শিশুতোষ খেলা" মনে হতে পারে। এখন প্রশ্ন একটাই—এমন একটি মুদ্রার প্রতি ট্রেডারদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত যার রাষ্ট্রপ্রধান এখন আর রক্ষণশীল নীতিমালা নয়, বরং প্রকাশ্যে স্বৈরতন্ত্রের আদর্শ অনুসরণ করছেন? আমাদের মতে, বছরের শুরুতেই মার্কিন ডলার আরও একটি গুরুতর ধাক্কা খেয়েছে। হ্যাঁ, সোমবার ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে দিন শেষে তা পুরোপুরি হারিয়ে যায়—কারণ ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হয়, এটি এমন একটি সূচক যা ভেনেজুয়েলার ঘটনাগুলোর চেয়েও ডলারের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আমাদের পূর্বাভাস এবং প্রত্যাশা অপরিবর্তিত রয়েছে—২০২৬ সালেও মার্কিন ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য দৈনিক টাইমফ্রেমে সেনকৌ স্প্যান বি লাইনে এসে পৌঁছেছে এবং এখনও 1.1400–1.1830 রেঞ্জের মধ্যেই সাইডওয়েজ চ্যানেলে অবস্থান করছে। আমরা এখনো অপেক্ষা করছি, মার্কেটে কখন এই "টানাটানি" পরিস্থিতি থেকে শেষ হয়ে এই পেয়ারের মূল্য উক্ত চ্যানেলের উপরের সীমা অতিক্রম করে অবশেষে একটি চূড়ান্ত প্রবণতা শুরু হবে। ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত গত পাঁচ দিনের ট্রেডিংয়ের গড় ভোলাটিলিটি অনুযায়ী গড়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মাত্র 46 পয়েন্ট মুভমেন্ট পরিলক্ষুত হয়েছে, যা "নিম্ন" ভোলাটিলিটি হিসেবে বিবেচিত হয়। আমাদের প্রত্যাশা, মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1670 এবং 1.1762 লেভেলের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করবে। হায়ার লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল ঊর্ধ্বমুখী হলেও, বাস্তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। CCI সূচক গত ডিসেম্বরের শুরুতে ওভারবট জোনে প্রবেশ করেছিল, আর ইতোমধ্যে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা পুলব্যাক দেখতে পেয়েছি। গত সপ্তাহে একটি বুলিশ ডাইভারজেন্সও গঠিত হয়েছিল, যা আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.1658S2 – 1.1597S3 – 1.1536 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.1719R2 – 1.1780R3 – 1.1841 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে কনসোলিডেট করেছে, তবে হায়ার টাইমফ্রেমগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বহাল রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে টানা ছয় মাস ধরে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত আছে । বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কেটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ডলারের জন্য এখনও নেতিবাচক রয়ে গেছে। বিগত ছয় মাসে মার্কিন ডলারের মূল্য মাঝে মাঝে দুর্বল বৃদ্ধি দেখিয়েছে, কিন্তু তা শুধুমাত্র সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। দীর্ঘমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো মৌলিক ভিত্তি এখনো দৃশ্যমান নয়। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্য যদি মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তবে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে মূল্যের 1.1670 এবং 1.1658-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনায় আনা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের উপরে থাকে, তাহলে লং পজিশন এখনো প্রাসঙ্গিক থেকে যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1830-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে — যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা এবং কার্যত এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে একবার এখানে পৌঁছেছে। এখন এই পেয়ারের মূল্যের এই দীর্ঘস্থায়ী ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হওয়ার সময় এসেছে। চিত্রের ব্যাখা লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল: এই চ্যানেলগুলো চলমান প্রবণতা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যদি উভয় লাইন একই দিকে যায়, তাহলে সক্রিয় প্রবণতা শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত হয়। মুভিং এভারেজ (সেটিংস: 20,0, স্মুথেদ): এটি মুলত স্বল্পমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে এবং এই ভিত্তিতে ট্রেডিংয়ের বর্তমান দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়। মারে লেভেল: এগুলো মূলত মূল্যের মুভমেন্ট ও কারেকশনের জন্য লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে। ভোলাট্যালিটি লেভেল (লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত): কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সম্ভাব্য চ্যানেল নির্ধারণ করে, যেখানে আগামী ২৪ ঘণ্টা ধরে বর্তমান ভোলাটিলিটির ভিত্তিতে ট্রেড হতে পারে। CCI ইন্ডিকেটর: যখন এটি ওভারসোল্ড (–250-এর নিচে) বা ওভারবট (+250-এর উপরে) জোনে প্রবেশ করে, তখন এটি সম্ভাব্য ট্রেন্ড রিভার্সালের সংকেত দেয়। এই সংকেত সাধারণত বর্তমান প্রবণতার বিপরীত গতিপথে মুভমেন্টের পূর্বাভাস দেয়। Read more: https://ifxpr.com/4bkTDCG









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের পর্যালোচনা, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কোনো অপ্রত্যাশিত মুভমেন্ট দেখা যায়নি, যদিও অনেক ট্রেডার এই ধরনের প্রতিক্রিয়ারই প্রত্যাশা করছিলেন। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার রাজধানী করাকাসে সামরিক হামলার নির্দেশ দেন, যার উদ্দেশ্য ছিল দেশটির সামরিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা অচল করে দেওয়া। এই হামলার মাধ্যমে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, যেখানে তাকে "বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক আদালতের" সম্মুখীন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এখানে আমরা এটি যাচাই করব না যে ট্রাম্পের কি এই ধরনের সামরিক আদেশ দেওয়ার অধিকার রয়েছে, কিংবা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ বা অন্যান্য সংস্থা এ ব্যাপারে কী ভাবছে। মূলত, ট্রাম্প বহু আগেই বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, "আইন তো আইনই... তবে কখনও কখনও এর ব্যতিক্রম হয়।" তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো ঘটা বাকি রয়েছে। পুরো ২০২৫ সাল জুড়েই আমরা দেখেছি—ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের দরপতনের মূল কারণ। তাই আমরা বহু আগেই সতর্ক করেছিলাম যে, ২০২৬ সাল ২০২৫ সালের তুলনায় ভালো যাবে—এমনটা ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়। বাস্তবতা হলো, ২০২৬ সাল ঠিকমতো শুরু হওয়ার আগেই ট্রাম্প নতুন করে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছেন, যার মাধ্যমে আরেকটি দেশের নেতা গ্রেফতার হয়েছেন; এমনকি তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে গত বছর গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য কোনো রসিকতা ছিল না। সোমবার সকালে অনেক বিশ্লেষক ধারণা করেছিলেন যে, মাদুরো গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় মার্কেটে "ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা" শুরু হবে এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারে চাহিদা বাড়বে, ফলে ডলারের দর বৃদ্ধির পাবে। তবে আমরা মনে করি, ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন ডলারকে তখনই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ব্যবহার হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র নিজে কোনো ভূরাজনৈতিক সংঘাতে জড়িত থাকে না। এখন পুরো বিশ্ব জানে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশে ক্ষমতা পরিবর্তন করতে চায় (রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অথবা চীন ছাড়া), তবে তারা সরাসরি সামরিক অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনীতিবিদ কিংবা কর্মকর্তাকে ধরে নিয়ে আসতে পারবে। সেক্ষত্রে, ২০২৫ সালের বাণিজ্যযুদ্ধ ভবিষ্যতের দৃষ্টিতে হয়তো অনেকটাই "শিশুতোষ খেলা" মনে হতে পারে। এখন প্রশ্ন একটাই—এমন একটি মুদ্রার প্রতি ট্রেডারদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত যার রাষ্ট্রপ্রধান এখন আর রক্ষণশীল নীতিমালা নয়, বরং প্রকাশ্যে স্বৈরতন্ত্রের আদর্শ অনুসরণ করছেন? আমাদের মতে, বছরের শুরুতেই মার্কিন ডলার আরও একটি গুরুতর ধাক্কা খেয়েছে। হ্যাঁ, সোমবার ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে দিন শেষে তা পুরোপুরি হারিয়ে যায়—কারণ ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হয়, এটি এমন একটি সূচক যা ভেনেজুয়েলার ঘটনাগুলোর চেয়েও ডলারের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আমাদের পূর্বাভাস এবং প্রত্যাশা অপরিবর্তিত রয়েছে—২০২৬ সালেও মার্কিন ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য দৈনিক টাইমফ্রেমে সেনকৌ স্প্যান বি লাইনে এসে পৌঁছেছে এবং এখনও 1.1400–1.1830 রেঞ্জের মধ্যেই সাইডওয়েজ চ্যানেলে অবস্থান করছে। আমরা এখনো অপেক্ষা করছি, মার্কেটে কখন এই "টানাটানি" পরিস্থিতি থেকে শেষ হয়ে এই পেয়ারের মূল্য উক্ত চ্যানেলের উপরের সীমা অতিক্রম করে অবশেষে একটি চূড়ান্ত প্রবণতা শুরু হবে। ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত গত পাঁচ দিনের ট্রেডিংয়ের গড় ভোলাটিলিটি অনুযায়ী গড়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মাত্র 46 পয়েন্ট মুভমেন্ট পরিলক্ষুত হয়েছে, যা "নিম্ন" ভোলাটিলিটি হিসেবে বিবেচিত হয়। আমাদের প্রত্যাশা, মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1670 এবং 1.1762 লেভেলের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করবে। হায়ার লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল ঊর্ধ্বমুখী হলেও, বাস্তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। CCI সূচক গত ডিসেম্বরের শুরুতে ওভারবট জোনে প্রবেশ করেছিল, আর ইতোমধ্যে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা পুলব্যাক দেখতে পেয়েছি। গত সপ্তাহে একটি বুলিশ ডাইভারজেন্সও গঠিত হয়েছিল, যা আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.1658S2 – 1.1597S3 – 1.1536 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.1719R2 – 1.1780R3 – 1.1841 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে কনসোলিডেট করেছে, তবে হায়ার টাইমফ্রেমগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বহাল রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে টানা ছয় মাস ধরে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত আছে । বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কেটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ডলারের জন্য এখনও নেতিবাচক রয়ে গেছে। বিগত ছয় মাসে মার্কিন ডলারের মূল্য মাঝে মাঝে দুর্বল বৃদ্ধি দেখিয়েছে, কিন্তু তা শুধুমাত্র সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। দীর্ঘমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো মৌলিক ভিত্তি এখনো দৃশ্যমান নয়। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্য যদি মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তবে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে মূল্যের 1.1670 এবং 1.1658-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনায় আনা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের উপরে থাকে, তাহলে লং পজিশন এখনো প্রাসঙ্গিক থেকে যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1830-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে — যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা এবং কার্যত এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে একবার এখানে পৌঁছেছে। এখন এই পেয়ারের মূল্যের এই দীর্ঘস্থায়ী ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হওয়ার সময় এসেছে। চিত্রের ব্যাখা লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল: এই চ্যানেলগুলো চলমান প্রবণতা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যদি উভয় লাইন একই দিকে যায়, তাহলে সক্রিয় প্রবণতা শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত হয়। মুভিং এভারেজ (সেটিংস: 20,0, স্মুথেদ): এটি মুলত স্বল্পমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে এবং এই ভিত্তিতে ট্রেডিংয়ের বর্তমান দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়। মারে লেভেল: এগুলো মূলত মূল্যের মুভমেন্ট ও কারেকশনের জন্য লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে। ভোলাট্যালিটি লেভেল (লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত): কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সম্ভাব্য চ্যানেল নির্ধারণ করে, যেখানে আগামী ২৪ ঘণ্টা ধরে বর্তমান ভোলাটিলিটির ভিত্তিতে ট্রেড হতে পারে। CCI ইন্ডিকেটর: যখন এটি ওভারসোল্ড (–250-এর নিচে) বা ওভারবট (+250-এর উপরে) জোনে প্রবেশ করে, তখন এটি সম্ভাব্য ট্রেন্ড রিভার্সালের সংকেত দেয়। এই সংকেত সাধারণত বর্তমান প্রবণতার বিপরীত গতিপথে মুভমেন্টের পূর্বাভাস দেয়। Read more: https://ifxpr.com/4bkTDCG









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে পাউন্ডের ইতিবাচক পরিস্থিতি নভেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা মঙ্গলবার কিছুটা মন্থর হয়, যার কারণ হিসেবে ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের পরিষেবা খাতের PMI প্রতিবেদনকে বিবেচনা করা হচ্ছে। টানা অষ্টম মাসেও দেশটিতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত ছিল, তবে প্রবৃদ্ধির গতি দুর্বল ছিল এবং নভেম্বরের তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত (৫১.৪ বনাম ৫১.৩) ছিল। পাশাপাশি, প্রতিবেদনের চূড়ান্ত ফলাফলের প্রাথমিক পূর্বাভাসের (৫২.১) চেয়ে নিচে ছিল। নতুন অর্ডার ও পণ্য বিক্রির সহ–সূচকগুলো তুলনামূলকভাবে অপরিবর্তিত থাকলেও, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও অবনতি লক্ষ্য করা গেছে—টানা পনেরো মাসের ধরে এই খাতে কর্মসংস্থানের হার হ্রাস পাচ্ছে। সার্বিকভাবে PMI প্রতিবেদনের ফলাফল পাউন্ডের জন্য খুব বেশি ইতিবাচক ছিল না, তাই এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরে পাউন্ডে সামান্য দরপতন হওয়া একেবারেই স্বাভাবিক। তবে কিছু সময় পরই আবার পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়। এর পেছনে সম্ভবত একটি কারণ উল্লেখযোগ্য, সেটি হচ্ছে পরিষেবার খরচ বৃদ্ধির বিষয়টি, যা এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে; মে মাসের পর থেকেই মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে, এবং মূল মুদ্রাস্ফীতিও নভেম্বরের তুলনায় আরও দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। অতএব, সামগ্রিক চিত্রটি ব্যাংক অব ইংল্যান্ড (BoE)–এর দৃষ্টিকোণ থেকে মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়—অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হচ্ছে, কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে, আর মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বহাল রয়েছে; অর্থাৎ অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে উচ্চ মূল্যস্ফীতির হুমকি বিরাজ করছে। গত ডিসেম্বরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সুদের হার কমিয়ে ৩.৭৫%–এ এনেছে, তবে আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির সদস্যদের ভোট ৪–৫-এ বিভক্ত ছিল, যা স্পষ্ট করে যে নীতিনির্ধারণে ঐকমত্যের অভাব রয়েছে। মূল্যস্ফীতি ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারীরা হালে পানি পেয়েছে, ফলে এখন নীতিমালার ক্ষেত্রে নমনীয় অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা কিছুটা কমে গেছে—যা পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে, বুধবার সকাল পর্যন্ত পাউন্ড মোটামুটি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে এবং ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে সক্ষম, তবে পরিস্থিতি পুরোটাই অনুকূলে নয়। সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে অস্থিরতার মাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যেতে পারে, কারণ আজ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ADP বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন, ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক PMI এবং JOLTs চাকরির শূন্যপদ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিয়ে অনেক প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে, কারণ অর্থনৈতিক মন্থরতার লক্ষণ দিন দিন বাড়ছে। শুক্রবার প্রকাশিতব্য ডিসেম্বর মাসের অফিসিয়াল কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনই মার্কেটে ট্রেডিং ভলিউমের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণ হতে পারে, কারণ মূল ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি বা কম আসতে পারে, তাই বড় ধরনের চমক পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাউন্ডের মূল্য দীর্ঘমেয়াদি গড়ের উপরে অবস্থান করছে—যা পাউন্ডের আরও দর বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। পূর্ববর্তী বিশ্লেষণে আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে, পাউন্ডের মূল্য 1.3620–1.3640-এর রেজিস্ট্যান্স জোনের দিকে এগোবে—এই পূর্বাভাস এখনও বহাল রয়েছে। ডলারের তুলনায় পাউন্ড অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সাথে বছরটি শুরু করেছে এবং তিন মাস পরে এটির মূল্য আবার আগের উচ্চতায় পৌঁছেছে—যে লেভেলে এটি সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ ফেডের বৈঠকের আগমুহূর্তে অবস্থান করছিল। কারেকশনের সম্ভাবনা খুবই কম, কারণ চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই GBP/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট পুরোপুরিভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পাশাপাশি বৈশ্বিক ভূ–রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। Read more: https://ifxpr.com/3YXkVaS









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

মার্কিন সুদের হার সম্ভবত নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি বজায় রয়েছে যেখানে অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের প্রভাবে মার্কিন ডলার চাপের মধ্যে রয়েছে, সেখানে মিনিয়াপলিস ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নীল কাশকারি গতকাল মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমানে সুদের হার সম্ভবত নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণভাবে আগত অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। সোমবার CNBC–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাশকারি বলেন, "সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা ধারাবাহিকভাবে মনে করেছিলাম যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে সার্বিক পরিস্থিতি আমার প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি সহনশীল রয়েছে।" চলতি বছরে তিনি আবারও ফেডারেল রিজার্ভের ভোটাধিকারপ্রাপ্ত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার এই বক্তব্য ফেডের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির গতিপথ নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মাঝে মার্কিন অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মূলত কাশকারির মন্তব্য ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন নীতিমালার নমনীয়করণ সংক্রান্ত পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তার উদ্রেক ঘটিয়েছে। যদি সত্যিই সুদের হার বর্তমানে নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি থাকে, তাহলে অতিরিক্ত কোনো পরিবর্তন মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা বিষয়টিকে একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করে ফেডের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে তাদের পূর্বাভাস সংশোধন করেছে। কাশকারি আরও বলেন, "এটি আমাকে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বর্তমান মুদ্রানীতি অর্থনীতির ওপর নিচের দিক থেকে খুব একটা চাপ প্রয়োগ করছে না। আমি মনে করি সুদের হার এখন নিরপেক্ষ স্তরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছি।" বর্তমানে প্রায় সকল বিশ্লেষকের ধারণা হচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভ এই মাসে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে—২০২৫ সালের শেষভাগে টানা তিনবার সুদের হার হ্রাসের পরে এটি একটি বিরতির ইঙ্গিত। ফেডের বেশিরভাগ কর্মকর্তার ধারণা, মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেলে ভবিষ্যতে সুদের হার কমানো হতে পারে, তবে কখন এবং কতটা কমানো হবে—এই বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত ফেডের বৈঠকের পর প্রকাশিত অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে বেকারত্বের হার বেড়ে ৪.৬%–এ পৌঁছেছে—যা ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে কম বৃদ্ধি পেয়েছে—যা এখন সুদের হার হ্রাসের পক্ষে আরও যৌক্তিকতা তৈরি করছে। তবে একই সঙ্গে, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে মার্কিন অর্থনীতি গত দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ছিল, যা মূল্যস্ফীতির পুনরাগমনের আশঙ্কাকে আবার সামনে এনেছে। কাশকারি বলেন, "আমাদের আরও তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যেন বুঝতে পারি কোন দিকটা শক্তিশালী রয়েছে—মূল্যস্ফীতি না শ্রমবাজার—যার ভিত্তিতে আমরা নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারি।" তিনি আরও যুক্ত করেন, "মূল্যস্ফীতির বড় ঝুঁকি হলো এর দীর্ঘস্থায়ীতা—শুল্কের প্রভাব হয়তো কয়েক বছর পর সিস্টেমে প্রকটভাবে দেখা যাবে, তবে আমি মনে করি যে বেকারত্ব হঠাৎ করে বৃদ্ধির ঝুঁকি ইতোমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে।" EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট এই পেয়ারের ক্রেতাদের এখন মূল্যকে 1.1750 লেভেলের দিকে নিয়ে যাওয়ার উচিত। এই লেভেলে যাওয়ার পরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1780–এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। এরপরের লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1810, যদিও মার্কেটের বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া সেখানে পৌঁছানো মূল্যের পক্ষে কঠিন হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1840 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। যদি এই ইন্সট্রুমেন্টটির মূল্য 1.1715 রেঞ্জে নেমে আসে, তাহলে মার্কেটের বড় ক্রেতারা পক্ষ সক্রিয় হতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য সেই লেভেলে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা বেশি সক্রিয় না হয়, তাহলে পুনরায় 1.1685 পর্যন্ত দরপতনের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত হবে অথবা 1.1660 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট পাউন্ডের ক্রেতাদের জন্য তাত্ক্ষণিক লক্ষ্য হবে এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল 1.3560 ব্রেক করানো। এই লেভেল অতিক্রমের পরই 1.3590–এর দিকে যাওয়ার সুযোগ আসবে, যদিও এ লেভেলের উপরে গিয়ে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3625 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য হ্রাস পেলে মূল্য 1.3530 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয় এবং এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হয়, তাহলে সেটি ক্রেতাদের জন্য ধাক্কা হতে পারে, এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য কমে 1.3500 এবং পরবর্তীতে 1.3470–তে পৌঁছাতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4spYqJj









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৮ জানুয়ারি USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 156.60 লেভেল টেস্ট করে—যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য ২০ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গতকাল প্রকাশিত ADP প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, ডিসেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থানের হার নভেম্বরের তুলনায় বেশি ছিল। এই ফলাফল জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি ঘটাতে সহায়তা করে। এখন ট্রেডারদের দৃষ্টি শুক্রবার প্রকাশিতব্য নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের দিকে কেন্দ্রীভূত থাকবে। আজ প্রকাশিতব্য জাপানের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের মধ্যে, ভোক্তা আস্থা সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সূচকটি জাপানি পরিবারগুলোর বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে এবং এটি ভোক্তাখাতের ব্যয়ের প্রবণতার পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—যা দেশটির মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রধান উপাদান। ট্রেডার এবং বিশ্লেষকরা এই সূচকটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন, কারণ এটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে কাজ করতে পারে এবং ব্যাংক অফ জাপানের মুদ্রানীতিগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। ভোক্তা আস্থার নিম্নমান জনমনে নিরুৎসাহ ও হতাশার ইঙ্গিত দিতে পারে, যা ব্যয় হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া, বিষয়টি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে—জাপানে ভোক্তা আস্থার উপর বিভিন্ন ধরনের উপাদান প্রভাব ফেলে, যেমন: মুদ্রাস্ফীতির হার, শ্রমবাজারের অবস্থা, ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি, এমনকি প্রাকৃতিক দুর্যোগও। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 157.20-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 156.86-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 157.20-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 156.56-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 156.86 এবং 157.20-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 156.56-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.15-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 156.86-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 156.56 এবং 156.15-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4jsrD22









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ জানুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠা শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই পেয়ারের মূল্য 156.86 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য ২০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। মার্কিন বেকারভাতা আবেদন এবং বাণিজ্য ঘাটতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রত্যাশার চেয়েও ইতিবাচক ফলাফল USD/JPY পেয়ারে ডলারের আরও এক দফা দর বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে। আজ, জাপানের লিডিং ইকোনমিক ইনডেক্সে প্রবৃদ্ধি এবং গৃহস্থালী ব্যয়ের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের তুলনামূলকভাবে ভালো ফলাফল প্রকাশিত হলেও, তা ইয়েনের জন্য সহায়ক হয়নি। বরং ইয়েন, ডলারের বিপরীতে দরপতনের শিকার হচ্ছে। এটি স্পষ্ট যে, মার্কেটের ট্রেডাররা বর্তমানে মূলত শক্তিশালী মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর করে ট্রেড করছেন—যা ডলারের বিপরীতে ইয়েনের আরও দরপতন ঘটাতে পারে। নিকট মেয়াদে USD/JPY পেয়ারে মার্কিন ডলারের মুভমেন্ট অনেকাংশেই নির্ভর করবে আসন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের মন্তব্যের ওপর। এই কারণেই, ট্রেডারদের এই সব বিষয় সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা উচিত, যাতে USD/JPY পেয়ারের সম্ভাবনাগুলো যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা যায়। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.01-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 157.54-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.01-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 157.28-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 157.54 এবং 158.01-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 157.28-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলের নিচে নামার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.93-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 157.54-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 157.28 এবং 156.93-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4qO1MUT









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

একাধিক কারণের সমন্বয়ে স্বর্ণের মূল্য নতুন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে মার্কিন বিচার বিভাগ ফেডারেল রিজার্ভকে ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত করার পর, স্বর্ণ ও রূপার মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা আবারও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, ইরানে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিও নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বর্ণের মূল্য আউন্স প্রতি $4,600 লেভেলে পৌঁছে গেছে এবং রূপার মূল্য $85-এর কাছাকাছি চলে আসে—এই মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ওই মন্তব্য, যেখানে তিনি বলেন, সম্ভাব্য ফৌজদারি মামলাকে আরও বৃহৎ দৃষ্টিকোণে দেখতে হবে; বিশেষ করে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ফেডের ওপর চলমান চাপ ও হুমকির প্রেক্ষাপটে। গত বছর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার সরাসরি ফেডের সমালোচনা করেন এবং তার প্রশাসনের সেই ধারাবাহিক আক্রমণই ডলারের দরপতনের বিশেষ ভূমিকা রাখে। আজকের এশিয়ান ট্রেডিং সেশনে ডলারের দরপতনের বিষয়টি মূল্যবান ধাতুতে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়, বিশেষ করে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত ইন্সট্রুমেন্টগুলোতে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে ট্রেডাররা স্বর্ণ ও রূপার প্রতি আস্থাশীল হয়ে উঠেছেন, যার ফলে এগুলোর মূল্য বৃদ্ধির মাত্রা এক নজিরবিহীন স্তরে পৌঁছে যায়। এদিকে, ইরানে প্রাণঘাতী বিক্ষোভ পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাচ্ছে এবং ইসলামিক রিপাবলিকের পতনের সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণ ও রূপার মতো নিরাপদ বিনিয়োগে মূলধন সংরক্ষণের আকর্ষণ বৃদ্ধি করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার জানান, তিনি ইরান পরিস্থিতি নিয়ে সম্ভাব্য বিভিন্ন পদক্ষেপ বিবেচনা করছেন। এসময় তিনি পুনরায় গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেন এবং ন্যাটো জোটের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এই ঘটনাগুলো এক সপ্তাহ আগেই ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতা দখলের পরে ঘটেছে। এটি এখন স্পষ্ট যে মূল্যবান ধাতুগুলো একটি শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কেন্দ্রে রয়েছে, যেখানে একাধিক অনুকূল পরিস্থিতি একসাথে কাজ করছে এবং এর ফলে মার্কেটে চাহিদা বিপুলভাবে বেড়ে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার হ্রাস, তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, ডলারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট এবং ফেডের উপর চাপ সৃষ্টির ঘটনা—এসব উপাদান স্বর্ণ ও রূপার মূল্য বৃদ্ধিকে সমর্থন করছে। ইতোমধ্যেই, বেশ কয়েকজন অ্যাসেট ম্যানেজার জানিয়েছেন যে তারা তাদের স্বর্ণ হোল্ড করা থেকে বেরিয়ে আসার চিন্তা করছেন না, বরং এই অ্যাসেটের দীর্ঘমেয়াদি মূল্য বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার উপর পুরোপুরিভাবে আস্থা রাখছেন। ভবিষ্যতে মূল্যবান ধাতুর মূল্য বিভিন্ন বিষয়ের দ্বারা নির্ধারিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের অগ্রগতি, মার্কিন বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে ফেডের চেয়ারম্যানকে ঘিরে যেকোনো সম্ভাব্য পদক্ষেপ এবং বিনিয়োগকারীদের সামগ্রিক মনোভাব। তীব্র অনিশ্চয়তার এ প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট কোনো পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন, তবে এটুকু নিশ্চিত যে স্বর্ণ ও রূপা আগামী দিনগুলোতেও বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং মূলধন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে যাবে। স্বর্ণের টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের জন্য তাৎক্ষণিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে স্বর্ণের মূল্যের $4,591-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলটি ব্রেক করানো। স্বর্ণের মূল্য এই লেভেল অতিক্রম করলে, $4,647-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে, যদিও এই লেভেল ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $4,708 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য $4,531 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই লেভেল ব্রেক করলে সেটি ক্রেতাদের জন্য একটি স্পষ্ট ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের মূল্য দ্রুত $4,531 লেভেলে নেমে যেতে পারে, যেখানে পরবর্তীতে $4,481 লেভেল পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/4pDLNrb









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

১৩ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের এখনো স্পষ্টভাবে নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, যদিও সোমবার এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভের ভবন সংস্কারের সময় অতিরিক্ত খরচের অভিযোগে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে অপরাধ তদন্ত শুরু হওয়ার খবরেই মার্কিন ডলারের দরপতন শুরু হয়। বাস্তবে অবশ্য, কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়নি এবং কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠিত হয়নি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফেড চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ট্রেডাররা বুঝতে পেরেছেন যে, এই তদন্তের পেছনে একটিমাত্র উদ্দেশ্য রয়েছে—সেটি হলো, জেরোম পাওয়েল যেন হোয়াইট হাউজের নির্দেশনা অনুযায়ী মূল সুদের হার হ্রাস করেন—যেখানে আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণের ক্ষেত্রে হোয়াইট হাউজের আসলে কোনো এখতিয়ার নেই। তবুও, ট্রাম্পের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা অসম্ভবও নয়। জেরোম পাওয়েল চার মাস পর ফেড চেয়ারম্যানের পদ ছাড়ছেন—তবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখনও তার উপর চাপ সৃষ্টি করে চলেছেন, যা সম্ভবত ফেডের নতুন চেয়ারম্যান ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের জন্য একটি বার্তা হিসেবেই প্রেরিত হচ্ছে। সোমবার দিনের বাকি সময়টিতে আর কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়নি বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়নি। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া ব্রেক করে, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি করে দেয়। বুলিশ মুভমেন্টটি খুব বেশি সময় স্থায়ী হয়নি, তবে দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য ওই এরিয়ার উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়েছে। সেখান থেকে আবার নতুন একটি বাউন্স ও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। তবে ঘনঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে যে ডাউনওয়ার্ড ট্রেন্ডলাইন গঠিত হয়েছে, সেটি এবার এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যা ট্রেন্ডলাইন দ্বারা নিশ্চিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য কার্যকরভাবে 1.1800–1.1830 এরিয়া ব্রেক করতে-পারেনি, যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা। তাই টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এই পেয়ারের দরপতনের বিষয়টি যথার্থ এবং 1.1400 লেভেল পর্যন্ত দরপতন হতে পারে। সার্বিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক থাকলেও, দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে, যার ফলে বিনিয়োগকারীরা কার্যত মৌলিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছেন। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা আবারো 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই জোনের নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ বিবেচনা করা উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে না কিংবা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদি এই প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতির গতি যদি আরও দুর্বল ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে ফেড কর্তৃক মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম আবার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4pH6frt









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

১৩ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2064325085.jpg[/IMG] সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার মাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে — সেটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI)। এবং এই প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হজচ্ছে। আমরা নতুন ট্রেডারদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে, ফেডারেল রিজার্ভ সাধারণত তিনটি সূচকের ভিত্তিতে তাদের আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণ করে থাকে: মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং শ্রমবাজার। এর মধ্যে শেষ দুটি প্রতিবেদন বিগত সপ্তাহেই প্রকাশিত হয়েছে এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সেগুলোর ফলাফল খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। এখন কেবল মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনই বাকি রয়েছে।যদি এই প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতি নতুন করে আরও মন্থর হতে দেখা যায় (উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ৩% থেকে হ্রাস পেয়ে ২.৭% হয়েছিল), তাহলে এটি ফেডের মূল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন ডলার আবারও দরপতনের শিকার হতে পারে। অন্যদিকে, যদি মুদ্রাস্ফীতির হার স্থিতিশীল থাকে বা বৃদ্ধি পায়, তাহলে মার্কেটে ডলার কিছুটা সহায়তা পেতে পারে, তবে সামগ্রিক মৌলিক চিত্রে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে না। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/807583629.jpg[/IMG] ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবার একাধিক ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে — ফেডারেল রিজার্ভের দুই সদস্য থমাস বারকিন এবং অ্যালবার্টো মুসালেমের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। ফেডের আর্থিক নীতিমালা কমিটির একাধিক সদস্য বছরের শুরুতে ইতোমধ্যেই কিছু মন্তব্য প্রদান করেছেন; তবে জেরোম পাওয়েলের গত ডিসেম্বর মাসের অবস্থানের প্রেক্ষিতে এবং ফেডের সামগ্রিক নীতিমালার আলোকে সেসব মন্তব্য বাস্তবে তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করেনি। ২০২৬ সালে ফেডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে প্রধান তিনটি সূচক হচ্ছে শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি। গত সপ্তাহে প্রকাশিত শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোতে সার্বিক পরিস্থিতির কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতির ইঙ্গিত মেলেনি, যদিও বেকারত্ব হার কিছুটা কমেছে — তবুও তা এখনো গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আজকের মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর, আগামী জানুয়ারি মাসে ফেডের সম্ভাব্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডারদের মনোযোগ ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যিনি শিগগিরই মেক্সিকো এবং গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন বলে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এটি নির্ভর করবে হোয়াইট হাউজ থেকে আসা খবর এবং মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর। আজ 1.1655–1.1666 এরিয়ার মধ্যে ইউরোর ট্রেড করার সুযোগ রয়েছে, এবং 1.3437–1.3446 এরিয়ার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং ট্রেড করা যেতে পারে। গতকাল ইতোমধ্যেই বাই ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তাই আজও নতুন সিগন্যাল গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/4jA0EBA









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

১৪ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের কিছুটা দরপতন হয়েছে, যা মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে হতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করেচ চলেছে, যেটি প্রতি ঘণ্টার টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি - দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক 2.7%-এ রয়ে গেছে। এই ফলাফলের মানে কী দাঁড়ায়? মূলত কিছুই না। যদি মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেত, তাহলে ফেড কর্তৃক নতুন করে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যেত। যদি মুদ্রাস্ফীতি মন্থর হত, তাহলে ফেড পুনরায় দ্রুত আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারত। প্রথম ক্ষেত্রে, ডলারের দর বৃদ্ধির আশা করা যেতে পারে; দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, দরপতন। কিন্তু যদি তিন সপ্তাহ ধরে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং হয় এবং গড়ে দৈনিক অস্থিরতার পরিমাণ 68 পিপস হয়, তাহলে আমরা কেমন মূল্য বৃদ্ধি বা দরপতনের কথা বলতে পারি? বর্তমানে টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট প্রবণতা বিরাজ করছে না। মার্কেটের ট্রেডাররা কার্যত মৌলিক ঘটনাবলীর প্রতি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, একটি সেল ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার নিচে স্থির হয়েছিল। এখানে স্থির হওয়ার সাথে সাথেই নিম্নমুখী মুভমেন্ট বন্ধ হয়ে যায়। আজ, এই পেয়ারের মূল্য সেই এরিয়া থেকে নিচের দিক থেকে বাউন্স করতে পারে, যা একটি নতুন দরপতনের ইঙ্গিত দেবে - স্বাভাবিকভাবেই, দুর্বলভাবে দরপতন হতে পারে। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের নিচে স্থিতিশীল হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হয়নি। বরং, এখানে আরেকটি ফ্ল্যাট রেঞ্জ গঠিত হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ আপাতত দৃশ্যমান নয়, সে কারণে, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই পূর্বাভাস দিচ্ছি। সার্বিকভাবে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেলে নিয়ে যেতে পারে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা মূল্যের 1.3319–1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এর উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.3529–1.3543 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। বুধবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুচরা বিক্রয় এবং উৎপাদক মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা অন্তত এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা মুভমেন্ট ঘটাতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/49SPHb4









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3447
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৫ জানুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের থেকে নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 158.70 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট প্রদান করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের 40 পিপস দরপতন ঘটেছে। নভেম্বরের মার্কিন উৎপাদক-মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ফলাফল জাপানি ইয়েনের বিপরীতে ডলারকে বিশেষভাবে সহায়তা করতে পারেনি। ইয়েনের এক্সচেঞ্জ রেটে ব্যাংক অফ জাপানের হস্তক্ষেপের সম্ভবনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া চলমান আলোচনা দেশটির জাতীয় মুদ্রার ওপর চাপ কমিয়ে দিয়েছে। আজ প্রকাশিত কর্পোরেট পণ্য মূল্যসূচক ইয়েনের মূল্যের উত্থানকে তেমন সমর্থন দিতে পারেনি। প্রকাশিত পরিসংখ্যানগুলোর কেবল সামান্য বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে, যা বাস্তবিক অর্থে এক্সচেঞ্জ রেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলার জন্য অপর্যাপ্ত। ট্রেডাররা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আরও প্রমাণসাপেক্ষ ফলাফল ও মুদ্রাস্ফীতি চাপ বৃদ্ধির আশা করছিল, যা ব্যাংক অফ জাপান কর্তৃক কঠোর অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করত। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী ট্রেডাররা জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছেন; এ পর্যন্ত তারা কঠোরভাবে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে। বিনিয়োগকারীরা ব্যাংক অফ জাপানের অবস্থান পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত আছে কিনা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, কারণ এমন ইঙ্গিত ইয়েনের শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধিকে প্ররোচিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও নং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 159.29-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.70-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 159.29-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.39-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.70 এবং 159.29-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.39-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.94-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.70-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.39 এবং 157.94-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4pzeoOp