ট্রেডারদের জন্য ডেইলী টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬~~Hedaet Forum~~


Email: Password: Forgot Password?   Sign up
Are you Ads here? conduct: +8801913 364186

Forum Home >>> Forex Trade >>> ট্রেডারদের জন্য ডেইলী টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬

InstaForexSushantay
Team Member
Total Post: 3562

From:
Registered: 2014-11-17
 

২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?

বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কিছুটা অস্বাভাবিক এবং মিশ্র ধরনের মুভমেন্ট লক্ষ্য করা গেছে, তবে মনে রাখতে হবে যে এটা ৩১ ডিসেম্বর ছিল। এটাই সার্বিক পরিস্থিতির মূল কারণ। স্বাভাবিকভাবেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে ঐদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত ছিল না, যা একদম প্রত্যাশিত ছল। সন্ধ্যায় মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হয় এবং পুনরায় কেবল রাতের বেলা সেশন শুরু হয়, এরপর আবার ছুটির জন্য সেশন বন্ধ হয়ে যায়। অতএব ছুটির পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও বাস্তবিক অর্থে ছুটির আমেজ এখনো বিরাজমান রয়েছে। সাপ্তাহিক ট্রেডিংয়ের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে, এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য একটি অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, কিন্তু আমরা এটিকে প্রবণতা পরিবর্তনের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করছি না। দৈনিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী EUR/USD পেয়ার এখনো 1.1400 থেকে 1.1830 লেভেলের মধ্যে অবস্থিত সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমানায় ট্রেড করছে। খুব শিগগির, যখন মার্কেটে পুরোপুরিভাবে ছুটির আমেজ বিদায় নেবে, তখন এই পেয়ারের মূল্যের আবারও এই এরিয়ায় নতুনভাবে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সপ্তাহ থেকে ট্রেডাররা নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন পেতে শুরু করবেন, তাই আবারও মার্কেটে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
http://forex-bangla.com/customavatars/1484607033.jpg
EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বুধবার 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে দুইটি রিবাউন্ডের ফলে দুইটি সেল ট্রেড সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। যারা মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এবং নতুন বছরের ঠিক আগে ট্রেড করতে চেয়েছিলেন, তাদের জন্য এই সিগন্যালগুলো কার্যকর হতে পারত। গতকাল রাতে EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা একটি বাই সিগন্যাল ছিল। তবে আজ মূলত দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তাই আমরা ইউরোর শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না।

শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে ট্রেন্ডলাইন অতিক্রম করেছে। খুব শিগগির এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় দৈনিক ফ্ল্যাট চ্যানেলের উপরের সীমা 1.1800–1.1830 এরিয়ায় পৌঁছাতে পারে। এবার সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাস ধরে দৃশ্যমান এই সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বের হয়ে যাবে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক; ফলে আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। ফলে আজও মার্কেটে খুব দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
 

Read more: https://ifxpr.com/49CltsQ





 

InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৫ জানুয়ারি। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1750 লেভেল টেস্ট করে, যেকারণে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এই কারণেই আমি EUR/USD পেয়ারের বাই পজিশন ওপেন করনি। ভেনেজুয়েলার উপর যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের পর মার্কিন ডলার দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে, এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর মূল্য হ্রাস পায়। অনিশ্চিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে, ফলে তারা ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত ডলারে বিনিয়োগ করছে। যদিও ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান সংঘটিত হলেও তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়নি, তবুও এই ঘটনাগুলো ভবিষ্যতে তেল-উৎপাদনকারী দেশগুলোর প্রতি মার্কিন নীতিমালার ক্ষেত্রে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, ফলে ডলারের বিপরীতে ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। যেহেতু মার্কেটে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব থাকবে না — যা সাধারণত ফরেক্স মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করে — তাই এখন ট্রেডাররা বর্তমানে বিদ্যমান বাহ্যিক উপাদানগুলোর ওপর নির্ভর করছে। এই মুহূর্তে মার্কেটে অস্থির ও অনিশ্চিত একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে 'নিরাপদ বিনিয়োগ' হিসেবে মার্কিন ডলারের দর স্বাভাবিকভাবে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর প্রভাবও উপেক্ষা করা যাবে না। গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ব্রেক করলে ইউরোর দরপতন আরও ত্বরান্বিত হতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1723-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1697-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1723-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ সামান্য কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1680-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1697 এবং 1.1723-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1680-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1655-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1697-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1680 এবং 1.1655-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4sv0YG8









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের পর্যালোচনা, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কোনো অপ্রত্যাশিত মুভমেন্ট দেখা যায়নি, যদিও অনেক ট্রেডার এই ধরনের প্রতিক্রিয়ারই প্রত্যাশা করছিলেন। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার রাজধানী করাকাসে সামরিক হামলার নির্দেশ দেন, যার উদ্দেশ্য ছিল দেশটির সামরিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা অচল করে দেওয়া। এই হামলার মাধ্যমে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, যেখানে তাকে "বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক আদালতের" সম্মুখীন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এখানে আমরা এটি যাচাই করব না যে ট্রাম্পের কি এই ধরনের সামরিক আদেশ দেওয়ার অধিকার রয়েছে, কিংবা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ বা অন্যান্য সংস্থা এ ব্যাপারে কী ভাবছে। মূলত, ট্রাম্প বহু আগেই বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, "আইন তো আইনই... তবে কখনও কখনও এর ব্যতিক্রম হয়।" তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো ঘটা বাকি রয়েছে। পুরো ২০২৫ সাল জুড়েই আমরা দেখেছি—ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের দরপতনের মূল কারণ। তাই আমরা বহু আগেই সতর্ক করেছিলাম যে, ২০২৬ সাল ২০২৫ সালের তুলনায় ভালো যাবে—এমনটা ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়। বাস্তবতা হলো, ২০২৬ সাল ঠিকমতো শুরু হওয়ার আগেই ট্রাম্প নতুন করে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছেন, যার মাধ্যমে আরেকটি দেশের নেতা গ্রেফতার হয়েছেন; এমনকি তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে গত বছর গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য কোনো রসিকতা ছিল না। সোমবার সকালে অনেক বিশ্লেষক ধারণা করেছিলেন যে, মাদুরো গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় মার্কেটে "ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা" শুরু হবে এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারে চাহিদা বাড়বে, ফলে ডলারের দর বৃদ্ধির পাবে। তবে আমরা মনে করি, ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন ডলারকে তখনই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ব্যবহার হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র নিজে কোনো ভূরাজনৈতিক সংঘাতে জড়িত থাকে না। এখন পুরো বিশ্ব জানে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশে ক্ষমতা পরিবর্তন করতে চায় (রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অথবা চীন ছাড়া), তবে তারা সরাসরি সামরিক অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনীতিবিদ কিংবা কর্মকর্তাকে ধরে নিয়ে আসতে পারবে। সেক্ষত্রে, ২০২৫ সালের বাণিজ্যযুদ্ধ ভবিষ্যতের দৃষ্টিতে হয়তো অনেকটাই "শিশুতোষ খেলা" মনে হতে পারে। এখন প্রশ্ন একটাই—এমন একটি মুদ্রার প্রতি ট্রেডারদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত যার রাষ্ট্রপ্রধান এখন আর রক্ষণশীল নীতিমালা নয়, বরং প্রকাশ্যে স্বৈরতন্ত্রের আদর্শ অনুসরণ করছেন? আমাদের মতে, বছরের শুরুতেই মার্কিন ডলার আরও একটি গুরুতর ধাক্কা খেয়েছে। হ্যাঁ, সোমবার ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে দিন শেষে তা পুরোপুরি হারিয়ে যায়—কারণ ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হয়, এটি এমন একটি সূচক যা ভেনেজুয়েলার ঘটনাগুলোর চেয়েও ডলারের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আমাদের পূর্বাভাস এবং প্রত্যাশা অপরিবর্তিত রয়েছে—২০২৬ সালেও মার্কিন ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য দৈনিক টাইমফ্রেমে সেনকৌ স্প্যান বি লাইনে এসে পৌঁছেছে এবং এখনও 1.1400–1.1830 রেঞ্জের মধ্যেই সাইডওয়েজ চ্যানেলে অবস্থান করছে। আমরা এখনো অপেক্ষা করছি, মার্কেটে কখন এই "টানাটানি" পরিস্থিতি থেকে শেষ হয়ে এই পেয়ারের মূল্য উক্ত চ্যানেলের উপরের সীমা অতিক্রম করে অবশেষে একটি চূড়ান্ত প্রবণতা শুরু হবে। ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত গত পাঁচ দিনের ট্রেডিংয়ের গড় ভোলাটিলিটি অনুযায়ী গড়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মাত্র 46 পয়েন্ট মুভমেন্ট পরিলক্ষুত হয়েছে, যা "নিম্ন" ভোলাটিলিটি হিসেবে বিবেচিত হয়। আমাদের প্রত্যাশা, মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1670 এবং 1.1762 লেভেলের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করবে। হায়ার লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল ঊর্ধ্বমুখী হলেও, বাস্তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। CCI সূচক গত ডিসেম্বরের শুরুতে ওভারবট জোনে প্রবেশ করেছিল, আর ইতোমধ্যে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা পুলব্যাক দেখতে পেয়েছি। গত সপ্তাহে একটি বুলিশ ডাইভারজেন্সও গঠিত হয়েছিল, যা আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.1658S2 – 1.1597S3 – 1.1536 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.1719R2 – 1.1780R3 – 1.1841 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে কনসোলিডেট করেছে, তবে হায়ার টাইমফ্রেমগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বহাল রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে টানা ছয় মাস ধরে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত আছে । বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কেটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ডলারের জন্য এখনও নেতিবাচক রয়ে গেছে। বিগত ছয় মাসে মার্কিন ডলারের মূল্য মাঝে মাঝে দুর্বল বৃদ্ধি দেখিয়েছে, কিন্তু তা শুধুমাত্র সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। দীর্ঘমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো মৌলিক ভিত্তি এখনো দৃশ্যমান নয়। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্য যদি মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তবে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে মূল্যের 1.1670 এবং 1.1658-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনায় আনা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের উপরে থাকে, তাহলে লং পজিশন এখনো প্রাসঙ্গিক থেকে যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1830-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে — যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা এবং কার্যত এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে একবার এখানে পৌঁছেছে। এখন এই পেয়ারের মূল্যের এই দীর্ঘস্থায়ী ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হওয়ার সময় এসেছে। চিত্রের ব্যাখা লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল: এই চ্যানেলগুলো চলমান প্রবণতা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যদি উভয় লাইন একই দিকে যায়, তাহলে সক্রিয় প্রবণতা শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত হয়। মুভিং এভারেজ (সেটিংস: 20,0, স্মুথেদ): এটি মুলত স্বল্পমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে এবং এই ভিত্তিতে ট্রেডিংয়ের বর্তমান দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়। মারে লেভেল: এগুলো মূলত মূল্যের মুভমেন্ট ও কারেকশনের জন্য লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে। ভোলাট্যালিটি লেভেল (লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত): কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সম্ভাব্য চ্যানেল নির্ধারণ করে, যেখানে আগামী ২৪ ঘণ্টা ধরে বর্তমান ভোলাটিলিটির ভিত্তিতে ট্রেড হতে পারে। CCI ইন্ডিকেটর: যখন এটি ওভারসোল্ড (–250-এর নিচে) বা ওভারবট (+250-এর উপরে) জোনে প্রবেশ করে, তখন এটি সম্ভাব্য ট্রেন্ড রিভার্সালের সংকেত দেয়। এই সংকেত সাধারণত বর্তমান প্রবণতার বিপরীত গতিপথে মুভমেন্টের পূর্বাভাস দেয়। Read more: https://ifxpr.com/4bkTDCG









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের পর্যালোচনা, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কোনো অপ্রত্যাশিত মুভমেন্ট দেখা যায়নি, যদিও অনেক ট্রেডার এই ধরনের প্রতিক্রিয়ারই প্রত্যাশা করছিলেন। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার রাজধানী করাকাসে সামরিক হামলার নির্দেশ দেন, যার উদ্দেশ্য ছিল দেশটির সামরিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা অচল করে দেওয়া। এই হামলার মাধ্যমে মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, যেখানে তাকে "বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক আদালতের" সম্মুখীন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এখানে আমরা এটি যাচাই করব না যে ট্রাম্পের কি এই ধরনের সামরিক আদেশ দেওয়ার অধিকার রয়েছে, কিংবা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ বা অন্যান্য সংস্থা এ ব্যাপারে কী ভাবছে। মূলত, ট্রাম্প বহু আগেই বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে, "আইন তো আইনই... তবে কখনও কখনও এর ব্যতিক্রম হয়।" তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো ঘটা বাকি রয়েছে। পুরো ২০২৫ সাল জুড়েই আমরা দেখেছি—ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালাই মার্কিন ডলারের দরপতনের মূল কারণ। তাই আমরা বহু আগেই সতর্ক করেছিলাম যে, ২০২৬ সাল ২০২৫ সালের তুলনায় ভালো যাবে—এমনটা ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়। বাস্তবতা হলো, ২০২৬ সাল ঠিকমতো শুরু হওয়ার আগেই ট্রাম্প নতুন করে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছেন, যার মাধ্যমে আরেকটি দেশের নেতা গ্রেফতার হয়েছেন; এমনকি তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে গত বছর গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য কোনো রসিকতা ছিল না। সোমবার সকালে অনেক বিশ্লেষক ধারণা করেছিলেন যে, মাদুরো গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় মার্কেটে "ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা" শুরু হবে এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারে চাহিদা বাড়বে, ফলে ডলারের দর বৃদ্ধির পাবে। তবে আমরা মনে করি, ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন ডলারকে তখনই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ব্যবহার হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র নিজে কোনো ভূরাজনৈতিক সংঘাতে জড়িত থাকে না। এখন পুরো বিশ্ব জানে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশে ক্ষমতা পরিবর্তন করতে চায় (রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অথবা চীন ছাড়া), তবে তারা সরাসরি সামরিক অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনীতিবিদ কিংবা কর্মকর্তাকে ধরে নিয়ে আসতে পারবে। সেক্ষত্রে, ২০২৫ সালের বাণিজ্যযুদ্ধ ভবিষ্যতের দৃষ্টিতে হয়তো অনেকটাই "শিশুতোষ খেলা" মনে হতে পারে। এখন প্রশ্ন একটাই—এমন একটি মুদ্রার প্রতি ট্রেডারদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত যার রাষ্ট্রপ্রধান এখন আর রক্ষণশীল নীতিমালা নয়, বরং প্রকাশ্যে স্বৈরতন্ত্রের আদর্শ অনুসরণ করছেন? আমাদের মতে, বছরের শুরুতেই মার্কিন ডলার আরও একটি গুরুতর ধাক্কা খেয়েছে। হ্যাঁ, সোমবার ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে দিন শেষে তা পুরোপুরি হারিয়ে যায়—কারণ ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হয়, এটি এমন একটি সূচক যা ভেনেজুয়েলার ঘটনাগুলোর চেয়েও ডলারের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আমাদের পূর্বাভাস এবং প্রত্যাশা অপরিবর্তিত রয়েছে—২০২৬ সালেও মার্কিন ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য দৈনিক টাইমফ্রেমে সেনকৌ স্প্যান বি লাইনে এসে পৌঁছেছে এবং এখনও 1.1400–1.1830 রেঞ্জের মধ্যেই সাইডওয়েজ চ্যানেলে অবস্থান করছে। আমরা এখনো অপেক্ষা করছি, মার্কেটে কখন এই "টানাটানি" পরিস্থিতি থেকে শেষ হয়ে এই পেয়ারের মূল্য উক্ত চ্যানেলের উপরের সীমা অতিক্রম করে অবশেষে একটি চূড়ান্ত প্রবণতা শুরু হবে। ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত গত পাঁচ দিনের ট্রেডিংয়ের গড় ভোলাটিলিটি অনুযায়ী গড়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মাত্র 46 পয়েন্ট মুভমেন্ট পরিলক্ষুত হয়েছে, যা "নিম্ন" ভোলাটিলিটি হিসেবে বিবেচিত হয়। আমাদের প্রত্যাশা, মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1670 এবং 1.1762 লেভেলের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করবে। হায়ার লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল ঊর্ধ্বমুখী হলেও, বাস্তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। CCI সূচক গত ডিসেম্বরের শুরুতে ওভারবট জোনে প্রবেশ করেছিল, আর ইতোমধ্যে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা পুলব্যাক দেখতে পেয়েছি। গত সপ্তাহে একটি বুলিশ ডাইভারজেন্সও গঠিত হয়েছিল, যা আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.1658S2 – 1.1597S3 – 1.1536 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.1719R2 – 1.1780R3 – 1.1841 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে কনসোলিডেট করেছে, তবে হায়ার টাইমফ্রেমগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বহাল রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে টানা ছয় মাস ধরে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত আছে । বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কেটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ডলারের জন্য এখনও নেতিবাচক রয়ে গেছে। বিগত ছয় মাসে মার্কিন ডলারের মূল্য মাঝে মাঝে দুর্বল বৃদ্ধি দেখিয়েছে, কিন্তু তা শুধুমাত্র সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। দীর্ঘমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো মৌলিক ভিত্তি এখনো দৃশ্যমান নয়। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্য যদি মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তবে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে মূল্যের 1.1670 এবং 1.1658-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনায় আনা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং এভারেজ লাইনের উপরে থাকে, তাহলে লং পজিশন এখনো প্রাসঙ্গিক থেকে যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1830-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে — যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা এবং কার্যত এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে একবার এখানে পৌঁছেছে। এখন এই পেয়ারের মূল্যের এই দীর্ঘস্থায়ী ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হওয়ার সময় এসেছে। চিত্রের ব্যাখা লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল: এই চ্যানেলগুলো চলমান প্রবণতা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যদি উভয় লাইন একই দিকে যায়, তাহলে সক্রিয় প্রবণতা শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত হয়। মুভিং এভারেজ (সেটিংস: 20,0, স্মুথেদ): এটি মুলত স্বল্পমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে এবং এই ভিত্তিতে ট্রেডিংয়ের বর্তমান দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়। মারে লেভেল: এগুলো মূলত মূল্যের মুভমেন্ট ও কারেকশনের জন্য লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে। ভোলাট্যালিটি লেভেল (লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত): কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সম্ভাব্য চ্যানেল নির্ধারণ করে, যেখানে আগামী ২৪ ঘণ্টা ধরে বর্তমান ভোলাটিলিটির ভিত্তিতে ট্রেড হতে পারে। CCI ইন্ডিকেটর: যখন এটি ওভারসোল্ড (–250-এর নিচে) বা ওভারবট (+250-এর উপরে) জোনে প্রবেশ করে, তখন এটি সম্ভাব্য ট্রেন্ড রিভার্সালের সংকেত দেয়। এই সংকেত সাধারণত বর্তমান প্রবণতার বিপরীত গতিপথে মুভমেন্টের পূর্বাভাস দেয়। Read more: https://ifxpr.com/4bkTDCG









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে পাউন্ডের ইতিবাচক পরিস্থিতি নভেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা মঙ্গলবার কিছুটা মন্থর হয়, যার কারণ হিসেবে ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের পরিষেবা খাতের PMI প্রতিবেদনকে বিবেচনা করা হচ্ছে। টানা অষ্টম মাসেও দেশটিতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত ছিল, তবে প্রবৃদ্ধির গতি দুর্বল ছিল এবং নভেম্বরের তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত (৫১.৪ বনাম ৫১.৩) ছিল। পাশাপাশি, প্রতিবেদনের চূড়ান্ত ফলাফলের প্রাথমিক পূর্বাভাসের (৫২.১) চেয়ে নিচে ছিল। নতুন অর্ডার ও পণ্য বিক্রির সহ–সূচকগুলো তুলনামূলকভাবে অপরিবর্তিত থাকলেও, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আরও অবনতি লক্ষ্য করা গেছে—টানা পনেরো মাসের ধরে এই খাতে কর্মসংস্থানের হার হ্রাস পাচ্ছে। সার্বিকভাবে PMI প্রতিবেদনের ফলাফল পাউন্ডের জন্য খুব বেশি ইতিবাচক ছিল না, তাই এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরে পাউন্ডে সামান্য দরপতন হওয়া একেবারেই স্বাভাবিক। তবে কিছু সময় পরই আবার পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়। এর পেছনে সম্ভবত একটি কারণ উল্লেখযোগ্য, সেটি হচ্ছে পরিষেবার খরচ বৃদ্ধির বিষয়টি, যা এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে; মে মাসের পর থেকেই মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে, এবং মূল মুদ্রাস্ফীতিও নভেম্বরের তুলনায় আরও দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। অতএব, সামগ্রিক চিত্রটি ব্যাংক অব ইংল্যান্ড (BoE)–এর দৃষ্টিকোণ থেকে মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়—অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হচ্ছে, কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে, আর মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বহাল রয়েছে; অর্থাৎ অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে উচ্চ মূল্যস্ফীতির হুমকি বিরাজ করছে। গত ডিসেম্বরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সুদের হার কমিয়ে ৩.৭৫%–এ এনেছে, তবে আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির সদস্যদের ভোট ৪–৫-এ বিভক্ত ছিল, যা স্পষ্ট করে যে নীতিনির্ধারণে ঐকমত্যের অভাব রয়েছে। মূল্যস্ফীতি ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা হকিশ বা কঠোর অবস্থানধারীরা হালে পানি পেয়েছে, ফলে এখন নীতিমালার ক্ষেত্রে নমনীয় অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা কিছুটা কমে গেছে—যা পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে, বুধবার সকাল পর্যন্ত পাউন্ড মোটামুটি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে এবং ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে সক্ষম, তবে পরিস্থিতি পুরোটাই অনুকূলে নয়। সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে অস্থিরতার মাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যেতে পারে, কারণ আজ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ADP বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন, ISM পরিষেবা খাতভিত্তিক PMI এবং JOLTs চাকরির শূন্যপদ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিয়ে অনেক প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে, কারণ অর্থনৈতিক মন্থরতার লক্ষণ দিন দিন বাড়ছে। শুক্রবার প্রকাশিতব্য ডিসেম্বর মাসের অফিসিয়াল কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনই মার্কেটে ট্রেডিং ভলিউমের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণ হতে পারে, কারণ মূল ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি বা কম আসতে পারে, তাই বড় ধরনের চমক পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাউন্ডের মূল্য দীর্ঘমেয়াদি গড়ের উপরে অবস্থান করছে—যা পাউন্ডের আরও দর বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। পূর্ববর্তী বিশ্লেষণে আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে, পাউন্ডের মূল্য 1.3620–1.3640-এর রেজিস্ট্যান্স জোনের দিকে এগোবে—এই পূর্বাভাস এখনও বহাল রয়েছে। ডলারের তুলনায় পাউন্ড অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সাথে বছরটি শুরু করেছে এবং তিন মাস পরে এটির মূল্য আবার আগের উচ্চতায় পৌঁছেছে—যে লেভেলে এটি সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ ফেডের বৈঠকের আগমুহূর্তে অবস্থান করছিল। কারেকশনের সম্ভাবনা খুবই কম, কারণ চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্য থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই GBP/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট পুরোপুরিভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পাশাপাশি বৈশ্বিক ভূ–রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। Read more: https://ifxpr.com/3YXkVaS









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

মার্কিন সুদের হার সম্ভবত নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি বজায় রয়েছে যেখানে অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের প্রভাবে মার্কিন ডলার চাপের মধ্যে রয়েছে, সেখানে মিনিয়াপলিস ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নীল কাশকারি গতকাল মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমানে সুদের হার সম্ভবত নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তগুলো সম্পূর্ণভাবে আগত অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে। সোমবার CNBC–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাশকারি বলেন, "সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা ধারাবাহিকভাবে মনে করেছিলাম যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে সার্বিক পরিস্থিতি আমার প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি সহনশীল রয়েছে।" চলতি বছরে তিনি আবারও ফেডারেল রিজার্ভের ভোটাধিকারপ্রাপ্ত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার এই বক্তব্য ফেডের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির গতিপথ নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মাঝে মার্কিন অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মূলত কাশকারির মন্তব্য ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন নীতিমালার নমনীয়করণ সংক্রান্ত পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তার উদ্রেক ঘটিয়েছে। যদি সত্যিই সুদের হার বর্তমানে নিরপেক্ষ স্তরের কাছাকাছি থাকে, তাহলে অতিরিক্ত কোনো পরিবর্তন মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা বিষয়টিকে একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করে ফেডের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে তাদের পূর্বাভাস সংশোধন করেছে। কাশকারি আরও বলেন, "এটি আমাকে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বর্তমান মুদ্রানীতি অর্থনীতির ওপর নিচের দিক থেকে খুব একটা চাপ প্রয়োগ করছে না। আমি মনে করি সুদের হার এখন নিরপেক্ষ স্তরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছি।" বর্তমানে প্রায় সকল বিশ্লেষকের ধারণা হচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভ এই মাসে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে—২০২৫ সালের শেষভাগে টানা তিনবার সুদের হার হ্রাসের পরে এটি একটি বিরতির ইঙ্গিত। ফেডের বেশিরভাগ কর্মকর্তার ধারণা, মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেলে ভবিষ্যতে সুদের হার কমানো হতে পারে, তবে কখন এবং কতটা কমানো হবে—এই বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত ফেডের বৈঠকের পর প্রকাশিত অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে বেকারত্বের হার বেড়ে ৪.৬%–এ পৌঁছেছে—যা ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে কম বৃদ্ধি পেয়েছে—যা এখন সুদের হার হ্রাসের পক্ষে আরও যৌক্তিকতা তৈরি করছে। তবে একই সঙ্গে, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে মার্কিন অর্থনীতি গত দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ছিল, যা মূল্যস্ফীতির পুনরাগমনের আশঙ্কাকে আবার সামনে এনেছে। কাশকারি বলেন, "আমাদের আরও তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যেন বুঝতে পারি কোন দিকটা শক্তিশালী রয়েছে—মূল্যস্ফীতি না শ্রমবাজার—যার ভিত্তিতে আমরা নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারি।" তিনি আরও যুক্ত করেন, "মূল্যস্ফীতির বড় ঝুঁকি হলো এর দীর্ঘস্থায়ীতা—শুল্কের প্রভাব হয়তো কয়েক বছর পর সিস্টেমে প্রকটভাবে দেখা যাবে, তবে আমি মনে করি যে বেকারত্ব হঠাৎ করে বৃদ্ধির ঝুঁকি ইতোমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে।" EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট এই পেয়ারের ক্রেতাদের এখন মূল্যকে 1.1750 লেভেলের দিকে নিয়ে যাওয়ার উচিত। এই লেভেলে যাওয়ার পরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1780–এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত হতে পারে। এরপরের লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1810, যদিও মার্কেটের বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া সেখানে পৌঁছানো মূল্যের পক্ষে কঠিন হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1840 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। যদি এই ইন্সট্রুমেন্টটির মূল্য 1.1715 রেঞ্জে নেমে আসে, তাহলে মার্কেটের বড় ক্রেতারা পক্ষ সক্রিয় হতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য সেই লেভেলে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা বেশি সক্রিয় না হয়, তাহলে পুনরায় 1.1685 পর্যন্ত দরপতনের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত হবে অথবা 1.1660 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট পাউন্ডের ক্রেতাদের জন্য তাত্ক্ষণিক লক্ষ্য হবে এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল 1.3560 ব্রেক করানো। এই লেভেল অতিক্রমের পরই 1.3590–এর দিকে যাওয়ার সুযোগ আসবে, যদিও এ লেভেলের উপরে গিয়ে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3625 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য হ্রাস পেলে মূল্য 1.3530 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয় এবং এই রেঞ্জ ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হয়, তাহলে সেটি ক্রেতাদের জন্য ধাক্কা হতে পারে, এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য কমে 1.3500 এবং পরবর্তীতে 1.3470–তে পৌঁছাতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4spYqJj









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৮ জানুয়ারি USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 156.60 লেভেল টেস্ট করে—যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য ২০ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গতকাল প্রকাশিত ADP প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, ডিসেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থানের হার নভেম্বরের তুলনায় বেশি ছিল। এই ফলাফল জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি ঘটাতে সহায়তা করে। এখন ট্রেডারদের দৃষ্টি শুক্রবার প্রকাশিতব্য নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের দিকে কেন্দ্রীভূত থাকবে। আজ প্রকাশিতব্য জাপানের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের মধ্যে, ভোক্তা আস্থা সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সূচকটি জাপানি পরিবারগুলোর বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে এবং এটি ভোক্তাখাতের ব্যয়ের প্রবণতার পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—যা দেশটির মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রধান উপাদান। ট্রেডার এবং বিশ্লেষকরা এই সূচকটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন, কারণ এটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে কাজ করতে পারে এবং ব্যাংক অফ জাপানের মুদ্রানীতিগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। ভোক্তা আস্থার নিম্নমান জনমনে নিরুৎসাহ ও হতাশার ইঙ্গিত দিতে পারে, যা ব্যয় হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া, বিষয়টি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে—জাপানে ভোক্তা আস্থার উপর বিভিন্ন ধরনের উপাদান প্রভাব ফেলে, যেমন: মুদ্রাস্ফীতির হার, শ্রমবাজারের অবস্থা, ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি, এমনকি প্রাকৃতিক দুর্যোগও। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 157.20-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 156.86-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 157.20-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 156.56-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 156.86 এবং 157.20-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 156.56-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.15-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 156.86-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 156.56 এবং 156.15-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4jsrD22









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ জানুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠা শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই পেয়ারের মূল্য 156.86 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য ২০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। মার্কিন বেকারভাতা আবেদন এবং বাণিজ্য ঘাটতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রত্যাশার চেয়েও ইতিবাচক ফলাফল USD/JPY পেয়ারে ডলারের আরও এক দফা দর বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে। আজ, জাপানের লিডিং ইকোনমিক ইনডেক্সে প্রবৃদ্ধি এবং গৃহস্থালী ব্যয়ের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের তুলনামূলকভাবে ভালো ফলাফল প্রকাশিত হলেও, তা ইয়েনের জন্য সহায়ক হয়নি। বরং ইয়েন, ডলারের বিপরীতে দরপতনের শিকার হচ্ছে। এটি স্পষ্ট যে, মার্কেটের ট্রেডাররা বর্তমানে মূলত শক্তিশালী মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর করে ট্রেড করছেন—যা ডলারের বিপরীতে ইয়েনের আরও দরপতন ঘটাতে পারে। নিকট মেয়াদে USD/JPY পেয়ারে মার্কিন ডলারের মুভমেন্ট অনেকাংশেই নির্ভর করবে আসন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের মন্তব্যের ওপর। এই কারণেই, ট্রেডারদের এই সব বিষয় সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা উচিত, যাতে USD/JPY পেয়ারের সম্ভাবনাগুলো যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা যায়। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.01-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 157.54-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.01-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 157.28-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 157.54 এবং 158.01-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 157.28-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলের নিচে নামার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.93-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 157.54-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 157.28 এবং 156.93-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4qO1MUT









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

একাধিক কারণের সমন্বয়ে স্বর্ণের মূল্য নতুন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে মার্কিন বিচার বিভাগ ফেডারেল রিজার্ভকে ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত করার পর, স্বর্ণ ও রূপার মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা আবারও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, ইরানে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিও নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বর্ণের মূল্য আউন্স প্রতি $4,600 লেভেলে পৌঁছে গেছে এবং রূপার মূল্য $85-এর কাছাকাছি চলে আসে—এই মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ওই মন্তব্য, যেখানে তিনি বলেন, সম্ভাব্য ফৌজদারি মামলাকে আরও বৃহৎ দৃষ্টিকোণে দেখতে হবে; বিশেষ করে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ফেডের ওপর চলমান চাপ ও হুমকির প্রেক্ষাপটে। গত বছর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার সরাসরি ফেডের সমালোচনা করেন এবং তার প্রশাসনের সেই ধারাবাহিক আক্রমণই ডলারের দরপতনের বিশেষ ভূমিকা রাখে। আজকের এশিয়ান ট্রেডিং সেশনে ডলারের দরপতনের বিষয়টি মূল্যবান ধাতুতে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়, বিশেষ করে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত ইন্সট্রুমেন্টগুলোতে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে ট্রেডাররা স্বর্ণ ও রূপার প্রতি আস্থাশীল হয়ে উঠেছেন, যার ফলে এগুলোর মূল্য বৃদ্ধির মাত্রা এক নজিরবিহীন স্তরে পৌঁছে যায়। এদিকে, ইরানে প্রাণঘাতী বিক্ষোভ পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাচ্ছে এবং ইসলামিক রিপাবলিকের পতনের সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণ ও রূপার মতো নিরাপদ বিনিয়োগে মূলধন সংরক্ষণের আকর্ষণ বৃদ্ধি করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার জানান, তিনি ইরান পরিস্থিতি নিয়ে সম্ভাব্য বিভিন্ন পদক্ষেপ বিবেচনা করছেন। এসময় তিনি পুনরায় গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেন এবং ন্যাটো জোটের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এই ঘটনাগুলো এক সপ্তাহ আগেই ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতা দখলের পরে ঘটেছে। এটি এখন স্পষ্ট যে মূল্যবান ধাতুগুলো একটি শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কেন্দ্রে রয়েছে, যেখানে একাধিক অনুকূল পরিস্থিতি একসাথে কাজ করছে এবং এর ফলে মার্কেটে চাহিদা বিপুলভাবে বেড়ে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার হ্রাস, তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, ডলারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট এবং ফেডের উপর চাপ সৃষ্টির ঘটনা—এসব উপাদান স্বর্ণ ও রূপার মূল্য বৃদ্ধিকে সমর্থন করছে। ইতোমধ্যেই, বেশ কয়েকজন অ্যাসেট ম্যানেজার জানিয়েছেন যে তারা তাদের স্বর্ণ হোল্ড করা থেকে বেরিয়ে আসার চিন্তা করছেন না, বরং এই অ্যাসেটের দীর্ঘমেয়াদি মূল্য বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার উপর পুরোপুরিভাবে আস্থা রাখছেন। ভবিষ্যতে মূল্যবান ধাতুর মূল্য বিভিন্ন বিষয়ের দ্বারা নির্ধারিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের অগ্রগতি, মার্কিন বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে ফেডের চেয়ারম্যানকে ঘিরে যেকোনো সম্ভাব্য পদক্ষেপ এবং বিনিয়োগকারীদের সামগ্রিক মনোভাব। তীব্র অনিশ্চয়তার এ প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট কোনো পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন, তবে এটুকু নিশ্চিত যে স্বর্ণ ও রূপা আগামী দিনগুলোতেও বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং মূলধন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে যাবে। স্বর্ণের টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের জন্য তাৎক্ষণিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে স্বর্ণের মূল্যের $4,591-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলটি ব্রেক করানো। স্বর্ণের মূল্য এই লেভেল অতিক্রম করলে, $4,647-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে, যদিও এই লেভেল ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $4,708 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য $4,531 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই লেভেল ব্রেক করলে সেটি ক্রেতাদের জন্য একটি স্পষ্ট ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের মূল্য দ্রুত $4,531 লেভেলে নেমে যেতে পারে, যেখানে পরবর্তীতে $4,481 লেভেল পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/4pDLNrb









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৩ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের এখনো স্পষ্টভাবে নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, যদিও সোমবার এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভের ভবন সংস্কারের সময় অতিরিক্ত খরচের অভিযোগে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে অপরাধ তদন্ত শুরু হওয়ার খবরেই মার্কিন ডলারের দরপতন শুরু হয়। বাস্তবে অবশ্য, কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়নি এবং কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠিত হয়নি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফেড চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ট্রেডাররা বুঝতে পেরেছেন যে, এই তদন্তের পেছনে একটিমাত্র উদ্দেশ্য রয়েছে—সেটি হলো, জেরোম পাওয়েল যেন হোয়াইট হাউজের নির্দেশনা অনুযায়ী মূল সুদের হার হ্রাস করেন—যেখানে আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণের ক্ষেত্রে হোয়াইট হাউজের আসলে কোনো এখতিয়ার নেই। তবুও, ট্রাম্পের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা অসম্ভবও নয়। জেরোম পাওয়েল চার মাস পর ফেড চেয়ারম্যানের পদ ছাড়ছেন—তবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখনও তার উপর চাপ সৃষ্টি করে চলেছেন, যা সম্ভবত ফেডের নতুন চেয়ারম্যান ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের জন্য একটি বার্তা হিসেবেই প্রেরিত হচ্ছে। সোমবার দিনের বাকি সময়টিতে আর কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়নি বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়নি। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া ব্রেক করে, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি করে দেয়। বুলিশ মুভমেন্টটি খুব বেশি সময় স্থায়ী হয়নি, তবে দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য ওই এরিয়ার উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়েছে। সেখান থেকে আবার নতুন একটি বাউন্স ও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। তবে ঘনঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে যে ডাউনওয়ার্ড ট্রেন্ডলাইন গঠিত হয়েছে, সেটি এবার এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যা ট্রেন্ডলাইন দ্বারা নিশ্চিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য কার্যকরভাবে 1.1800–1.1830 এরিয়া ব্রেক করতে-পারেনি, যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমা। তাই টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এই পেয়ারের দরপতনের বিষয়টি যথার্থ এবং 1.1400 লেভেল পর্যন্ত দরপতন হতে পারে। সার্বিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক থাকলেও, দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে, যার ফলে বিনিয়োগকারীরা কার্যত মৌলিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছেন। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা আবারো 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই জোনের নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ বিবেচনা করা উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে না কিংবা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদি এই প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতির গতি যদি আরও দুর্বল ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে ফেড কর্তৃক মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম আবার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4pH6frt









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৩ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/2064325085.jpg[/IMG] সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবার মাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে — সেটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI)। এবং এই প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হজচ্ছে। আমরা নতুন ট্রেডারদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে, ফেডারেল রিজার্ভ সাধারণত তিনটি সূচকের ভিত্তিতে তাদের আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণ করে থাকে: মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং শ্রমবাজার। এর মধ্যে শেষ দুটি প্রতিবেদন বিগত সপ্তাহেই প্রকাশিত হয়েছে এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সেগুলোর ফলাফল খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। এখন কেবল মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনই বাকি রয়েছে।যদি এই প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতি নতুন করে আরও মন্থর হতে দেখা যায় (উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ৩% থেকে হ্রাস পেয়ে ২.৭% হয়েছিল), তাহলে এটি ফেডের মূল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন ডলার আবারও দরপতনের শিকার হতে পারে। অন্যদিকে, যদি মুদ্রাস্ফীতির হার স্থিতিশীল থাকে বা বৃদ্ধি পায়, তাহলে মার্কেটে ডলার কিছুটা সহায়তা পেতে পারে, তবে সামগ্রিক মৌলিক চিত্রে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে না। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/807583629.jpg[/IMG] ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: মঙ্গলবার একাধিক ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে — ফেডারেল রিজার্ভের দুই সদস্য থমাস বারকিন এবং অ্যালবার্টো মুসালেমের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। ফেডের আর্থিক নীতিমালা কমিটির একাধিক সদস্য বছরের শুরুতে ইতোমধ্যেই কিছু মন্তব্য প্রদান করেছেন; তবে জেরোম পাওয়েলের গত ডিসেম্বর মাসের অবস্থানের প্রেক্ষিতে এবং ফেডের সামগ্রিক নীতিমালার আলোকে সেসব মন্তব্য বাস্তবে তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করেনি। ২০২৬ সালে ফেডের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে প্রধান তিনটি সূচক হচ্ছে শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি। গত সপ্তাহে প্রকাশিত শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোতে সার্বিক পরিস্থিতির কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতির ইঙ্গিত মেলেনি, যদিও বেকারত্ব হার কিছুটা কমেছে — তবুও তা এখনো গত ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আজকের মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর, আগামী জানুয়ারি মাসে ফেডের সম্ভাব্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডারদের মনোযোগ ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যিনি শিগগিরই মেক্সিকো এবং গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন বলে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এটি নির্ভর করবে হোয়াইট হাউজ থেকে আসা খবর এবং মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর। আজ 1.1655–1.1666 এরিয়ার মধ্যে ইউরোর ট্রেড করার সুযোগ রয়েছে, এবং 1.3437–1.3446 এরিয়ার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং ট্রেড করা যেতে পারে। গতকাল ইতোমধ্যেই বাই ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তাই আজও নতুন সিগন্যাল গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/4jA0EBA









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৪ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের কিছুটা দরপতন হয়েছে, যা মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে হতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করেচ চলেছে, যেটি প্রতি ঘণ্টার টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি - দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক 2.7%-এ রয়ে গেছে। এই ফলাফলের মানে কী দাঁড়ায়? মূলত কিছুই না। যদি মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেত, তাহলে ফেড কর্তৃক নতুন করে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যেত। যদি মুদ্রাস্ফীতি মন্থর হত, তাহলে ফেড পুনরায় দ্রুত আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারত। প্রথম ক্ষেত্রে, ডলারের দর বৃদ্ধির আশা করা যেতে পারে; দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, দরপতন। কিন্তু যদি তিন সপ্তাহ ধরে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং হয় এবং গড়ে দৈনিক অস্থিরতার পরিমাণ 68 পিপস হয়, তাহলে আমরা কেমন মূল্য বৃদ্ধি বা দরপতনের কথা বলতে পারি? বর্তমানে টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট প্রবণতা বিরাজ করছে না। মার্কেটের ট্রেডাররা কার্যত মৌলিক ঘটনাবলীর প্রতি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, একটি সেল ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়ার নিচে স্থির হয়েছিল। এখানে স্থির হওয়ার সাথে সাথেই নিম্নমুখী মুভমেন্ট বন্ধ হয়ে যায়। আজ, এই পেয়ারের মূল্য সেই এরিয়া থেকে নিচের দিক থেকে বাউন্স করতে পারে, যা একটি নতুন দরপতনের ইঙ্গিত দেবে - স্বাভাবিকভাবেই, দুর্বলভাবে দরপতন হতে পারে। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের নিচে স্থিতিশীল হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হয়নি। বরং, এখানে আরেকটি ফ্ল্যাট রেঞ্জ গঠিত হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ আপাতত দৃশ্যমান নয়, সে কারণে, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতারই পূর্বাভাস দিচ্ছি। সার্বিকভাবে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেলে নিয়ে যেতে পারে। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা মূল্যের 1.3319–1.3331 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3437–1.3446 এর উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.3529–1.3543 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3203–1.3212, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3437–1.3446, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। বুধবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুচরা বিক্রয় এবং উৎপাদক মূল্য সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা অন্তত এই পেয়ারের মূল্যের কিছুটা মুভমেন্ট ঘটাতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/49SPHb4









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৫ জানুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের থেকে নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 158.70 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট প্রদান করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের 40 পিপস দরপতন ঘটেছে। নভেম্বরের মার্কিন উৎপাদক-মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদনের ফলাফল জাপানি ইয়েনের বিপরীতে ডলারকে বিশেষভাবে সহায়তা করতে পারেনি। ইয়েনের এক্সচেঞ্জ রেটে ব্যাংক অফ জাপানের হস্তক্ষেপের সম্ভবনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া চলমান আলোচনা দেশটির জাতীয় মুদ্রার ওপর চাপ কমিয়ে দিয়েছে। আজ প্রকাশিত কর্পোরেট পণ্য মূল্যসূচক ইয়েনের মূল্যের উত্থানকে তেমন সমর্থন দিতে পারেনি। প্রকাশিত পরিসংখ্যানগুলোর কেবল সামান্য বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে, যা বাস্তবিক অর্থে এক্সচেঞ্জ রেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলার জন্য অপর্যাপ্ত। ট্রেডাররা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আরও প্রমাণসাপেক্ষ ফলাফল ও মুদ্রাস্ফীতি চাপ বৃদ্ধির আশা করছিল, যা ব্যাংক অফ জাপান কর্তৃক কঠোর অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করত। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী ট্রেডাররা জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছেন; এ পর্যন্ত তারা কঠোরভাবে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে। বিনিয়োগকারীরা ব্যাংক অফ জাপানের অবস্থান পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত আছে কিনা তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, কারণ এমন ইঙ্গিত ইয়েনের শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধিকে প্ররোচিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 ও নং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 159.29-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.70-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 159.29-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.39-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.70 এবং 159.29-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.39-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.94-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.70-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.39 এবং 157.94-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4pzeoOp









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

GBP/USD। ব্যাখ্যাযোগ্য অসঙ্গতি: কেন জিডিপি প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল সত্ত্বেও পাউন্ডের দরপতন হচ্ছে? বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রতিবেদনের প্রায় প্রতিটি উপাদান "ইতিবাচক" ছিল, যা বেশিরভাগ বিশ্লেষকের দুর্বল পূর্বাভাসের বিপরীতে শক্তিশালী ফলাফল প্রদর্শন করেছে। কিন্তু এমন একটি স্পষ্ট ও একমুখী মৌলিক সংকেতের পরও GBP/USD পেয়ার চাপের সম্মুখীন হয়েছে। মূলত এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের ক্ষেত্রে ডলার সূচকের মুভমেন্ট বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে, যা নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতি স্থিতিশীল চাহিদা ও মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফলের কারণে বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে। তবুও, বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিকে উপেক্ষা করা উচিত নয় — এটি আবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, এবং দূর ভবিষ্যতে নয়, বরং ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ফেব্রুয়ারির বৈঠকেই আর্থিক নীতিমালায় পরিবর্তন আনতে পারে। প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের জিডিপি মাসিক ভিত্তিতে 0.3% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বেশিরভাগ বিশ্লেষক মাত্র 0.1% প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন (যা আগের মাসের সমান)। ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সূচকটি 0.1% বেড়েছে, যেখানে অক্টোবরে শূন্য প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে 0.2% সংকোচনের প্রত্যাশা করেছিল। অন্যান্য সামষ্টিক সূচকের ফলাফলও ইতিবাচক ছিল। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাজ্যের শিল্প উৎপাদন মাসিক ভিত্তিতে 1.1% বেড়েছে, যেখানে +0.1% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল; বার্ষিক ভিত্তিতে সূচকটি 2.3%-এ পৌঁছেছে, যা অক্টোবরে +0.4% বৃদ্ধি পেয়েছিল ( এবারও 0.4% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল)। উৎপাদন খাতেও একই রকম পরিস্থিতি বিরাজ করছে: উৎপাদন মাসিক ভিত্তিতে 2.1% বেড়েছে, যা অক্টোবরে +0.3% বৃদ্ধি পেয়েছিল (+0.5% বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল)। বার্ষিক ভিত্তিতে উৎপাদন 2.1% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বেশিরভাগ বিশ্লেষক 0.3% হ্রাসের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন (আগের মাসে 0.4% বৃদ্ধি পেয়েছে)। পরিষেবা খাতের কার্যক্রম সূচক 0.2%-এ উঠে এসেছে (0.0%-এর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল)। শুধু নির্মাণ খাতের সার্বিক পরিস্থিতি হতাশাজনক রয়ে গেছে। নভেম্বর মাসে নির্মাণ কার্যক্রম মাসিক ভিত্তিতে 1.3% কমেছে, যেখানে 0.3% হ্রাসের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। বার্ষিক ভিত্তিতে নির্মাণ কার্যক্রম 1.1% হ্রাস পেয়েছে, যা আগের মাসে +0.9% বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছিল (পূর্বাভাস ছিল 0.1%)। নভেম্বরের প্রতিবেদনের কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা উচিত। প্রথমত, অটোমোটিভ খাত উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে: যানবাহন উৎপাদন প্রায় 25% বেড়েছে, যা জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের উপর সাইবার আক্রমণের পরে পুনরুদ্ধারের কারণে হয়েছে (এই খাতের প্রবৃদ্ধির জন্য প্রধান কোম্পানিগুলোর একটি)। পরিষেবা খাতে (প্রধানত আর্থিক পরিষেবা, প্রযুক্তি ও পেশাদার পরিষেবা) ইতিবাচক গতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে। পরিষেবা খাত ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাজ্যের জিডিপির 70%-এর বেশি অবদান রাখে, তাই এই খাতের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নভেম্বর বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সংকোচনের প্রেক্ষাপট বিরাজ করছে। তবু ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেমে যায়নি — কোম্পানিগুলো হতাশাজনক পরিস্থিতি প্রত্যাশায় "শীতকালীন ঘুমে" চলে যাননি, বরং তাঁরা নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী 2025 সালের চতুর্থ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক সম্ভাবনা বেড়েছে (অক্টোবরের সামগ্রিক সূচকের ফলাফল ইতিবাচক ছিল), যা মন্দার ঝুঁকি কমিয়েছে এবং 2026 সালের শুরুতে ইতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। উপসংহার: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী ব্যাংক অব ইংল্যান্ড অন্তত ফেব্রুয়ারির বৈঠকের প্রেক্ষাপটে অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের অবস্থান বজায় রাখার সুযোগ পেয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদস্যরা এখন "স্বচ্ছ বিবেক" নিয়ে সতর্কভাবে বলতে পারবে যে সাম্প্রতিক জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল ইতিবাচক ছিল। অন্য কথায়, প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল একরকমভাবে পাউন্ডের পক্ষে কথা বলছে। তবুও প্রত্যাশা অনুযায়ী GBP/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির পরিবর্তে 1.3350-এর সাপোর্ট লেভেলের দিকে (D1 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের নিম্ন লাইন) নিম্নমুখী হয়েছে। ট্রেডাররা মার্কিন গ্রিনব্যাকের মুভমেন্ট অনুসরণ করছে, যা বৃহস্পতিবার মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এবং তা কেবল ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে নয় (যা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে), বরং সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণগুলোরও ফলাফল। বিশেষত, বৃহস্পতিবার ডলার বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল থেকে সহায়তা পেয়েছে, যেখানে প্রাথমিকভাবে বেকারভাতা আবেদনের সংখ্যা 198k ছিল — যা ডিসেম্বরের শুরু থেকে সর্বনিম্ন। অন্যান্য সামষ্টিক সূচকগুলোর ফলাফল ইতিবাচক ছিল। উদাহরণস্বরূপ, ফিলাডেলফিয়া ফেড উৎপাদন সূচক জানুয়ারিতে বৃদ্ধি পেয়ে 12.6-এ পৌঁছেছে, যেখানে ?1.6-এ যাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল (ডিসেম্বরে এটি 10.2 ছিল)। সেপ্টেম্বরের পর প্রথমবার সূচকটি ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। নিউ ইয়র্ক এম্পায়ার স্টেট উৎপাদন সূচকও ডলারের জন্য সহায়ক ছিল, যা 3.9 থেকে 7.7-এ উঠে এসেছে (পূর্বাভাস ছিল 0.8)। এছাড়া আমদানি মূল্য সূচক (মুদ্রাস্ফীতি প্রবণতার প্রাথমিক সংকেত) আনাকাঙ্খিতভাবে 0.4%-এ পৌঁছেছে, যা গত বছরের জানুয়ারির পর থেকে সর্বোচ্চ। এসব মৌলিক কারণ GBP/USD-এর উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল এই পেয়ারের ক্রেতাদের কাজে আসেনি। ডলার এখনও ট্রেডিংয়ের পরিস্থিতি নির্ধারণ করছে, আর পাউন্ড সেই "অনুযায়ী" মুভমেন্ট প্রদর্শন করছে। লক্ষ্য রাখুন যে বিক্রেতারা GBP/USD পেয়ারের মূল্যের 1.3350-এর সাপোর্ট (দৈনিক চার্টে বলিঙ্গার ব্যান্ডের নিম্ন লাইন) লেভেল ব্রেক করাতে ব্যর্থ হয়েছে। যদি এই এরিয়ায় নিম্নমুখী প্রবণতা দুর্বল হয়ে যায়, তবে ক্রেতারা সম্ভাব্যভাবে কারেক্টিভ রিবাউন্ড ঘটানোর চেষ্টা করবে যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3440 (H4 ও D1-এ বোলিঙ্গার ব্যান্ডের মিডিয়ান লাইন) ও 1.3470-এর (D1 টাইমফ্রেমে টেনকান-সেন) দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/49zEwTu









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৯ জানুয়ারি USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 158.04-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার বিক্রির সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। কিন্তু এই পেয়ারের বড় ধরনের দরপতন ঘটেনি। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প উৎপাদনের হার বৃদ্ধির প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং ফেডের কর্মকর্তাগণ বক্তব্য দিয়েছেন যে বর্তমানে সুদের হার কার্যকর পর্যায়ে রয়েছে—এই পটভূমিতে মার্কিন মুদ্রার দর বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্পখাতে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত প্রদানকারী ইতিবাচক প্রতিবেদন ট্রেডারদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা সম্পর্কিত উদ্বেগ ও অতিরিক্ত মুদ্রানীতি নমনীয় করার প্রয়োজনীয়তার আশঙ্কা কমিয়েছে। ফেড কর্মকর্তাদের মন্তব্যে বর্তমান সুদের হার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সমর্থন যোগাতে এবং মুদ্রাস্ফীতির হার লক্ষ্যমাত্রায় নামিয়ে আনতে যথেষ্ট বলে জোর দেওয়া হয়েছে। তবে আজ জাপানে মেশিনারি ও ইকুইপমেন্ট অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনে 11%-এর তীব্র পতন পরিলক্ষিত হয়েছে, যার ফলে ফলে ইয়েনের ওপর চাপ আবার ফিরে আসে এবং USD/JPY পেয়ারের মূল্যের সামান্য পুনরুদ্ধার দেখা দেয়। এই পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মন্তব্য এবং জাপানের জাতীয় মুদ্রার বিনিময় হারে যেকোনো হস্তক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.80-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.16-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.80-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 157.75-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.16 এবং 158.80-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 157.75-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.10-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.16-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 157.75 এবং 157.10-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/49JdBVs









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ জানুয়ারি। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.1635-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত করেছিল। 1.1635-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট এরিয়ায় প্রবেশ করে এবং এতে সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা নং ২ বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়; তবুও বাস্তবে ইউরোর দরপতন হয়নি। আজ সকালে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ডলারের দরপতন অব্যাহত ছিল। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রত্যাশিত ভূ-স্বত্ত্ব দাবি অনিশ্চয়তার ঢেউ উসকে দিয়েছে। সম্ভাব্য ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতা নিয়ে শঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা সক্রিয়ভাবে ডলারভিত্তিক অ্যাসেট বিক্রি করে আরও স্থিতিশীল অ্যাসেটে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছেন। ইউরোপীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে প্রধানত ইউরো ও সুইস ফ্রাঙ্কে বিনিয়োগ প্রবাহ লক্ষ করা গেছে। এছাড়াও স্বর্ণের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনিশ্চয়তার সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন, এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাড়াহুড়ো করে ডলারের লং পজিশন ওপেন করা উচিত হবে। আজ সকালে বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) এবং জার্মানি ও ইউরোজোনের বিজনেস সেন্টিমেন্ট সূচকসমূহ। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ইউরোপীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সক্ষমতা নির্ধারণের জন্য মূল রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক দেশটির অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতি প্রক্রিয়া এবং শিল্প খাতে চাপের মাত্রা সম্পর্কে ধারণা দেবে; যদি এই সূচকের ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি, তবে সেটি মুদ্রাস্ফীতি হার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে। জার্মানি ও ইউরোজোনের ZEW বিজনেস সেন্টিমেন্ট সংক্রান্ত সূচকগুলোর ফলাফল ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের অগ্রণী সংকেত হিসেবে কাজ করবে—সূচকগুলোর ইতিবাচক ফলাফল ইউরোকে সহায়তা করবে, আর হতাশাজনক ফলাফল EUR/USD-এর উপর চাপ সৃষ্টি করবে। দৈনিক কৌশল হিসাবে আমি মূলত পরিকল্পনা নং ১ এবং ২ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1716-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1677-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1716-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1649-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1677 এবং 1.1716-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1649-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1613-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1677-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1649 এবং 1.1613-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3NvaBo7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২০ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: মঙ্গলবারও খুব কম সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব, ক্লেইমেন্ট কাউন্টস এবং মজুরি সম্পর্কিত তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। জার্মানি ও ইউরোজোনে ZEW ইনস্টিটিউট থেকে ইকোনোমিক সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। অবশ্যই যুক্তরাজ্যের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, তবে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কেটের ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রতি অত্যন্ত দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং অস্থিরতার মাত্রাও নিম্নস্তরে রয়ে গেছে। এখনও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদিশিক নীতি ও বাণিজ্যযুদ্ধের উপর দৃষ্টিপাত করা হচ্ছে, যা 2026 সালের শুরু থেকে নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মঙ্গলবার কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, কিন্তু এমনও দেখা যাচ্ছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিকগুলোর প্রতিও ট্রেডাররা প্রায়শই প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করছে না। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের প্রভাবেও প্রায় কোনোই প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। ট্রাম্প কর্তৃক নতুন শুল্ক আরোপের কারণে সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন ডলারের সামান্য দরপতন হয়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতাই বিরাজ করছে। মনে রাখবেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য ডলার এখনও নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, কিন্তু যখন কোনো দেশের প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন অথবা ইরানে অভ্যুত্থানে হস্তক্ষেপের কথা বলছেন, তখন কি সেই দেশের মুদ্রাকে নিরাপদ বলা যায়? ট্রাম্প সম্ভবত তেহরানের বার্তা পাওয়ার পর ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলার পরিকল্পনা বাদ দিয়েছেন, যেখানে তেহরান বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে "যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়" হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন এটি আমেরিকার অংশ হিসেবে একটি নতুন অঙ্গরাজ্য হওয়া উচিত। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যেরই সম্ভবত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ গতকাল ইউরো এবং পাউন্ডের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটেছে। আজ 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ইউরোর ট্রেড করা যেতে পারে। আজ 1.3437–1.3446 এরিয়া থেকে পাউন্ড স্টারলিংয়ের ট্রেড করা যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4qp7uMY









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২১ জানুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 157.70-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের দরপতনের সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। বর্তমানে সবাই গ্রিনল্যান্ডের পরিস্থিতির দিকে মনোযোগী হওয়ায় গতকাল USD/JPY পেয়ারের মূল্যের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। দিনের প্রথমার্ধে ট্রেডাররা সক্রিয়ভাবে ইয়েন কিনছিলেন, কারণ যদিও ব্যাংক অফ জাপান সম্ভবত এই শুক্রবারের বৈঠকে মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে, জাতীয় মুদ্রার দুর্বলতা ও মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির ঝুঁকির কারণে আরও আক্রমণাত্মক আর্থিক নীতিমালা প্রণয়নের সম্ভাবনা যথেষ্ট উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিও ডলারের মূল্যের মুভমেন্টের ওপর নির্ভর করবে। ট্রাম্প আরেকটি বাণিজ্যযুদ্ধ উস্কে দিতে পারেন এই ঝুঁকির কারণে ডলারের ওপর চাপ বজায় রয়েছে, যা USD/JPY পেয়ারের এক্সচেঞ্জ রেটে প্রতিফলিত হতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.73-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.28-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.73-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.02-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.28 এবং 158.73-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.02-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল অতিক্রম করার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 157.63-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.28-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.02 এবং 157.63-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3NTC9n8









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হলেও দিনের মধ্যে মার্কেটের পরিস্থিতি বেশ কয়েকবার পরিবর্তিত হয়েছে। গতকাল কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি; তবে ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম অনুষ্ঠিত হচ্ছিল, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেশ কয়েকজন ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিয়েছেন। তৎপর্যপূর্ণভাবে, তখনও গ্রিনল্যান্ড ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমাধান হয়নি, ফলে মার্কেটে স্বভাবতই অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল এবং ট্রেডাররা সম্ভাব্য বাণিজ্য সংঘাত সংক্রান্ত উত্তেজনা কমার আশা করছিল। কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বোঝা গেছে যে সেই প্রত্যাশা অবান্তর ছিল না। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে বেশ ইতিবাচক সংলাপে বসেছেন এবং তারা গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি চুক্তির ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছেছেন। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি, কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন যে ডেনমার্কের এই দ্বীপটি ঘিরে তার পরিকল্পনার বিরোধীতাকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর থেকে আরোপিত শুল্ক তুলে নেওয়া হচ্ছে। ফলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সংঘাত এড়াতে পেরেছে এবং সঙ্গে সঙ্গেই মার্কেটে অনিশ্চয়তা হ্রাস পেয়েছে। ডলারের দর সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং EUR/USD পেয়ারের মূল্য আগামী কয়েক মাস ধরে 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যে অবস্থান করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুধুমাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে 1-পিপ মার্জিনে বাউন্স করে এবং এরপর দিনের বাকি সময় ধরে দরপতনের ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা সহজেই শর্ট পজিশন ওপেন করে দিনের শেষে অন্তত 40 পিপস মুনাফা করতে পেরেছেন। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্য সম্ভবত 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে ফিরে যাবে এবং তা পুনরায় ব্রেক করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেতে চাইবে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট- রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে এবং ট্রেডাররা কার্যত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন করে লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1745–1.1755-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হলে নতুন করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যায়, যেখানে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। আজ ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। যুক্তরাষ্ট্র গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় মূল্যায়নসহ কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে উৎপাদন মূল্য সূচকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইইউ-এর সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্য সংঘাত সৃষ্টির সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা স্বাভাবিক স্তরে ফিরে আসবে। Read more: https://ifxpr.com/4jOZySK









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২৩ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার প্রায় সারাদিন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনের শেষ নাগাদ ইউরোর দর 1.1754 লেভেল ফিরে আসে, যা সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল 1.1400–1.1830-এর উপর সীমার খুব কাছাকাছি অবস্থিত। অনেক ট্রেডারের কাছেই ইউরোর দর বৃদ্ধির কারণ নাও স্পষ্ট হতে পারে। গতকাল জানা যায় যে ট্রাম্প ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের ওপর আরোপিত শুল্কগুলো বাতিল করেছেন, যা পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের পরিকল্পনার বিরোধিতা করায় এই শুল্ক আরোপের হুমকি দেয়া হয়েছিল। এখন মনে হচ্ছে ভূরাজনৈতিক চাপ হ্রাস পেয়েছে এবং ইইউ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কোনো বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হবে না বলে আশা করা যায়। তবুও, সারাদিনই ডলারের দরপতন হচ্ছে। গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন একরকম উপেক্ষাই করা হয়েছে — জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার পূর্বাভাস অতিক্রম করেছিল, তবে ট্রেডাররা এটি তেমনভাবে বিবেচনায় নেয়নি। সমস্যা কী? সমস্যা হলো ট্রেডাররা ট্রাম্পকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত "সংবাদগুলোর" প্রতিক্রিয়া দিতে দিতে ক্লান্ত এবং মার্কিন শ্রমবাজারের দুর্বল পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কম সংখ্যক মানুষই বর্তমান মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারকে সত্যি বলে মনে করে। ট্রাম্পের গৃহীত অবস্থানের কারণে ডলারের দরপতন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ মূলত ট্রেডারদের পক্ষ থেকে মার্কিন ডলারের জন্য একটি উপহার। http://forex-bangla.com/customavatars/690059865.jpg EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত, এশিয়ান সেশন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 5 পিপসের জন্য 1.1666 লেভেলে পৌঁছাতে পারেনি; না হলে একটি চমৎকার বাই সিগন্যাল গঠিত হতো। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্য সম্ভবত 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে ফিরে যাবে এবং তা পুনরায় ব্রেক করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যেতে চাইবে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট- রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রাধান্য বিস্তার করছে এবং ট্রেডাররা কার্যত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া ব্রেক করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1800–1.1830-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ ইউরোজোন, জার্মানি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি মাসের ম্যানুফ্যাকচারিং ও সার্ভিস সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচকসমূহ প্রকাশিত হবে। এছাড়া ইউরোপে ক্রিস্টিনা লাগার্ড ভাষণ দেবেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। Read more: https://ifxpr.com/3M1oidZ









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২৬ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। মনে রাখা দরকার যে গত সপ্তাহের শুরুতে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছিল, তাই এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করাই যৌক্তিক ছিল। শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি ট্রেডারদের মনোভাবকে কার্যত প্রভাবিত করতে পারেনি। সকালে প্রকাশিত সকল প্রতিবেদন প্রায় নির্দ্বিধায় উপেক্ষিত হয়েছে, কারণ ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে প্রায় কোনোই মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যায়নি। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন মার্কিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকগুলো (পরিষেবা ও উৎপাদন খাত ভিত্তিক) এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হয়। ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকগুলোর ফলাফল পূর্বাভাসের সাথে প্রায় সঙ্গতিপূর্ণ ছিল, যখন ভোক্তা মনোভাব সূচকের ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে পূর্বাভাস অতিক্রম করে। সুতরাং, এই পেয়ারের দরপতন হলে সেটি অধিকতর যুক্তিযুক্ত হত। তবুও, গত কয়েক সপ্তাহ এবং গত বছর জুড়ে মৌলিক পটভূমিডলারের ওপর চাপ বজায় রেখেছে। অবশেষে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এরিয়ার কনসলিডেট করেছে, তাই দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান সাত মাসব্যাপী ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচনা করা যেতে পারে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার দিনের শুরুতে ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি ভুল সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কারণ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের মূল্য একরকম স্থবির ছিল। পরে একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, যা থেকে বেশ ভালোই লাভ করা গিয়েছে। মার্কিন ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, এরপর দিনের বাকি সময় এই পেয়ারের মূল্য কেবল বৃদ্ধিই পেয়েছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1851 লেভেল অতিক্রম করে, যা ইঙ্গিত দেয় আজ ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। গতরাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করেছে, 1.1400–1.1830 এরিয়ার ওপরে অবস্থান মজবুত হওয়ায় এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। সোমবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1851 লেভেল থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1908-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1851-এর নিচে মূল্য কনসলিডেট করলে মূল্যের 1.1808 ও 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ জার্মানিতে বিজনেস ক্লাইমেট সূচক সংক্রান্ত একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে; যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত তুলনামূলকভাবে অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। লক্ষ্যণীয় যে এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি প্রতিদিনই ডলারের দরপতন ঘটাতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3YZDYBq









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২৭ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছিল, কিন্তু এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেলের উপরে অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। তবে, এটি কোনো উল্লেখযোগ্য বিষয় নয়। আমরা প্রায় নিশ্চিত যে ইউরোপীয় মুদ্রার দর বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। গতকাল, এই পেয়ারের মূল্য 1.1400-1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বেরিয়ে এসেছে, যেখানে মূল্য 7 মাস ধরে অবস্থান করেছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন বছরে মার্কিন ডলার থেকে বিনিয়োগ দূরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের মতে, ডলারের ভাগ্য ইতোমধ্যেই পূর্বনির্ধারিত। ট্রেডাররা গতকাল প্রকাশিত মার্কিন ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের তুলনামূলক ইতিবাচক ফলাফলও উপেক্ষা করেছে। নভেম্বরের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়েও ইতিবাচক ছিল, কিন্তু মার্কেটে কোনো উচ্ছ্বাস দেখা যায়নি। বৈশ্বিক মৌলিক কারণগুলো ব্যাপকভাবে মার্কেটে প্রভাব ফেলছে এবং একারণে এই পেয়ারের মূল্য আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। প্রতি ঘন্টার টাইমফ্রেমে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা এখন ট্রেন্ডলাইন দ্বারা সমর্থিত। বর্তমানে কোনো টেকনিক্যাল বা মৌলিক কারণ নেই যা ইউরোর দরপতনের ইঙ্গিত দেয়। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, সোমবার বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু আমরা কিছু লেভেল সমন্বয় করেছি, তাই আমরা কেবল পুরনো লেভেলে গঠিত সিগন্যালটিই লক্ষ্য করেছি। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করেছিল, যা একটি সেল সিগন্যাল ছিল। এর পরে, এই পেয়ারের মূল্য কমপক্ষে ১৫ পিপস কমেছে, এবং আজ আরও দরপতন হতে পারে। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800–1.1830 এবং মূলত 1.1400–1.1830-এর এরিয়ার উপরে স্থিতিশীল অবস্থান গ্রহণ করায় এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে অথবা 1.1908-এর লেভেল ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারবেন। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করায় মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা সম্ভব হয়েছিল। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং ইউরোজোনে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড বক্তব্য দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদন বা লাগার্ডের বক্তব্য মার্কেটে খুব একটা প্রভাব বিস্তার করবে না বলে আমরা ধারণা করছি। Read more: https://ifxpr.com/3M9rfJw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৮ জানুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 153.45-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ডলার বিক্রি করিনি এবং স্বাভাবিকভাবেই নিম্নমুখী মুভমেন্টটি কাজে লাগাতে পারিনি। মার্কিন ভোক্তা আস্থা সূচকের তীব্র পতনের পর জাপানি ইয়েনের দর ডলারের বিপরীতে পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কনফারেন্স বোর্ড সূচকে নথিভুক্ত ভোক্তা আস্থার পতন বৃহত্তম বিশ্ব অর্থনীতির দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার উদ্বেগ বেড়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা ডলারের বাইরে অন্য মুদ্রাগুলোর প্রতি ঝুঁকছে—উদাহরণস্বরূপ জাপানি ইয়েন—যার ফলে ডলারের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারেন্সি মার্কেটে ব্যাংক অব জাপানের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের জল্পনা থেকেও ইয়েন বাড়তি সহায়তা পেয়েছে। যদিও জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রেখেছে, তবে তা বর্তমানে ইয়েনকে শক্তিশালী করার জন্য পর্যাপ্ত নয় এবং কারেন্সি মার্কেটে হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.60-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 152.89-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.60-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 152.41-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 152.89 এবং 153.60-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 152.41-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 151.54-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 152.89-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 152.41 এবং 151.54-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4rjUatw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৮ জানুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 153.45-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ডলার বিক্রি করিনি এবং স্বাভাবিকভাবেই নিম্নমুখী মুভমেন্টটি কাজে লাগাতে পারিনি। মার্কিন ভোক্তা আস্থা সূচকের তীব্র পতনের পর জাপানি ইয়েনের দর ডলারের বিপরীতে পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কনফারেন্স বোর্ড সূচকে নথিভুক্ত ভোক্তা আস্থার পতন বৃহত্তম বিশ্ব অর্থনীতির দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার উদ্বেগ বেড়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা ডলারের বাইরে অন্য মুদ্রাগুলোর প্রতি ঝুঁকছে—উদাহরণস্বরূপ জাপানি ইয়েন—যার ফলে ডলারের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। কারেন্সি মার্কেটে ব্যাংক অব জাপানের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের জল্পনা থেকেও ইয়েন বাড়তি সহায়তা পেয়েছে। যদিও জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রেখেছে, তবে তা বর্তমানে ইয়েনকে শক্তিশালী করার জন্য পর্যাপ্ত নয় এবং কারেন্সি মার্কেটে হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত জল্পনা অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.60-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 152.89-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.60-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 152.41-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 152.89 এবং 153.60-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 152.41-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 151.54-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 152.89-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 152.41 এবং 151.54-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4rjUatw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২৯ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের কারেকশন হয়েছে এবং মূল্য নিকটতম সাপোর্ট লেভেল 1.3763-এ পৌঁছেছে। সারাদিন সম্পূর্ণরূপে টেকনিক্যাল কারণে ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন হয়েছে, কারণ যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। সন্ধ্যায় ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক শেষ হওয়ার পর স্পষ্ট হয় যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণভাবে মার্চ মাসেই মুদ্রানীতি নমনীয়করণ কার্যক্রম শুরু করতে পারে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে সম্ভাব্য "শাটডাউনের" সম্ভাবনা এতে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। এক্ষেত্রে বহু সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীকে গত ছয় মাসে দ্বিতীয়বারের মতো ছুটিতে পাঠানো হতে পারে এবং ফেড অনির্দিষ্টকালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন থেকে বঞ্চিত হবে। পাওয়েল সতর্ক করেছেন যে প্রতিবেদন ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেবে না। সুতরাং সার্বিক পরিস্থিতি "শাটডাউনের" ওপর নির্ভরশীল, তবুও এতে ব্রিটিশ পাউন্ডের উপর কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে পাউন্ডের মূল্য আবারও গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেভেলের কাছাকাছি অবস্থান করছে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি চমৎকার ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, এরপর মার্কিন সেশনে মূল্য 1.3763 পর্যন্ত নেমে আবারও সেখান থেকে দুইবার বাউন্স করেছে। এই সিগন্যালটি কাজে লাগিয়ে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করে বেশ ভালোই মুনাফা অর্জন করতে পারতেন। 1.3763 লেভেল থেকে দু'বারের বাউন্সের ফলে গঠিত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে সম্ভবত ট্রেড করা হয়নি, যদিও ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক থাকা সত্ত্বেও ট্রেডিং সিগন্যালটি লাভজনক ছিল। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। মধ্যমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই, তাই আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে শিগগিরই 1.4000-এর দিকে যেতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা এখনও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করছে। বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3763-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3814-1.3833 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করলে নতুন লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.3891-1.3912-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3763, 1.3814-1.3832। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই আজ ট্রাম্প বিষয়ক সংবাদ ও টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর দৃষ্টিপাত করা উচিত। Read more: https://ifxpr.com/4pZI9Ip









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

৩০ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মাত্রার নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত ছিল, যা গত কয়েক সপ্তাহের তীব্র মূল্য বৃদ্ধির পর ঘটেছে। গতকাল মার্কেটে মৌলিক অর্থনৈতিক পটভূমির প্রভাব খুব একটা পরিলক্ষিত হয়নি, এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছুদিন পর প্রথমবারের মতো নতুন কোনো শুল্ক আরোপ করেননি, কোনো সামরিক অভিযান শুরু করেননি বা কাউকে হুমকি-ধামকিও দেননি। ফলশ্রুতিতে, গত পরশু ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত মার্কেটে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে ফেড কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়নি বা ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতিতে কোনো পরিবর্তন আনার ঘোষণা দেয়নি, তাই ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো কিছুই ছিল না। তবুও আগামী ২৪–৪৮ ঘন্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালাতে পারে। বর্তমানে ইরানের উপকূলের কাছে একটি বড় মার্কিন বিমানবাহী নৌবহর অবস্থান করছে, যা একবারে প্রায় 300 টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম। সম্ভবত ইরান পারমাণবিক চুক্তি চূড়ান্ত করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ওয়াশিংটন শীঘ্রই তেহরান ও অন্যান্য শহরের ওপর হামলা চালাবে। সেই কারণে মার্কেটের স্থিতিশীল পরিস্থিতি স্পষ্টতই অস্থায়ী হতে পারে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1970-1.1980 এরিয়া থেকে তিনবার বাউন্স করেছে এবং শেষ পর্যন্ত নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা 1.1908-এ পৌঁছায়। এই তিনটির মধ্যে শেষ দুইটি বাউন্সের ফলে গঠিত সিগন্যাল নতুন ট্রেডাররাও কাজে লাগাতে পারত। 1.1908 লেভেল থেকে সংঘটিত বাউন্সটি নিখুঁত ছিল, যা লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ করে দিয়েছিল। দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য আবার 1.1970-1.1980 এরিয়ায় ফিরে আসে এবং তৎক্ষণাৎ পুনরায় বাউন্স করে। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800-1.1830 এরিয়ার উপরে এবং মূলত 1.1400-1.1830 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেট করায় সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলে ধরা হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1908 লেভেল থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1970-1.1980 এবং 1.2044-1.2056-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1908-এর নিচে কনসোলিডেট করে তাহলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানের মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলসমূহ বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ জার্মানিতে বেকারত্বের হার, গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতিসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনে গত বছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিক প্রান্তিকের জিডিপি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে। এসব প্রতিবেদনের প্রভাবে মার্কেটে তুলনামূলকভাবে সংযত প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। একইসাথে রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে হবে Read more: https://ifxpr.com/4rsaMPP









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

স্বর্ণের ওপর চাপ তীব্র হচ্ছে আজও স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবার কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র দরপতনের পর স্বর্ণের মূল্য পুনরায় $5,000-এর নিচে নেমে এসেছে। রূপাও ধ্বংসাত্মকভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে, যা রেকর্ড উত্থানের সমাপ্তি ঘটিয়েছে—সার্বিক বিশ্লেষণ অনুসারে এই মুভমেন্ট অনেকটাই তীব্র ও দ্রুত ছিল। স্বর্ণের স্পট মূল্য প্রায় 8% কমে গেছে এবং গত বৃহস্পতিবার অর্জিত রেকর্ড উচ্চতা থেকে প্রায় এক‑পঞ্চমাংশ হ্রাস পেয়েছে আছে। সোমবার রূপার দর আরও 14.6% হ্রাস পেয়েছে, যা আগের সেশনে 23% দৈনিক দরপতনের পরে ঘটেছে—রেকর্ড অনুযায়ী যা সবচেয়ে তীব্র দরপতন ছিল। নতুন করে ঝুঁকি গ্রহণ না করার প্রবণতা মার্কেটে লিকুইডিটি কমিয়ে দিচ্ছে। বহু বিনিয়োগকারীর ধারণা, স্বর্ণ ও রূপার মূল্যের বর্তমান লেভেলেই উল্লেখযোগ্যভাবে ওভারবট কন্ডিশন বিরাজ করছে এবং ক্রেতারা দৃঢ়ভাবে ফিরতে হলে আরও যুক্তিসঙ্গত সাপোর্ট লেভেল দরকার। যেমনটি উপরে উল্লেখ করা হয়েছে, গত সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুগুলোর মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোয় ট্রেডারদেরও বিস্মিত করেছে। জানুয়ারিতে স্বর্ণ ও রূপার মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ত্বরান্বিত হয়েছিল, কারণ বিনিয়োগকারীরা ভূ‑রাজনৈতিক অস্থিরতা, জাতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতার ওপর হুমকির পুনরুত্থানের মাঝে স্বর্ণ ও রূপায় বিনিয়োগ করা শুরু করেছিল। চীনের স্বর্ণের প্রবণতাও এই উত্থানকে ত্বরান্বিত করেছিল। মার্কেটের অনুমানমূলক গতিবিধি উপেক্ষা করা যায় না। মূল্যের স্বল্পমেয়াদী ওঠানামা কাজে লাগাতে অ্যালগরিদমিক ট্রেডিং ও হেজ‑ফান্ডগুলোর কার্যক্রম অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শান্ত থাকা এবং আতংকিত বা অতিরঞ্জিত উদ্দীপিত না হয়েছে মৌলিক বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করা অপরিহার্য।নিকটমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি বেশ অনিশ্চিত। ভূ‑রাজনীতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন মূল্যবান ধাতুগুলো মূল্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে। এছাড়া দরপতনের সময় চীনা বিনিয়োগকারীরা কতটা সক্রিয়ভাবে স্বর্ণে বিনিয়োগ করবে সেটির মার্কেটের পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে। গত শুক্রবার মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনোয়ন দেয়ার ঘোষণার প্রভাবে স্বর্ণ ও রূপার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। সেই সংবাদ প্রতিবেদনের প্রভাবে ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের সেই প্রত্যাশা কমে গেছে যে মার্কিন প্রশাসন দুর্বল জাতীয় মুদ্রার বিষয়টিকে সহনশীল দৃষ্টিতে দেখবে সহ্য করবে।রূপার ক্ষেত্রে, চীনে রূপা ক্রয়ের প্রবণতা অভ্যন্তরীণভাবে সরবরাহ সংকটকে তীব্র করেছিল, তবে মার্কেটে নিম্নমুখী প্রবণতার ফলে বিনিয়োগ চাহিদা কমলে ওই প্রবণতা শিথিল হতে পারে। স্বর্ণের টেকনিক্যাল দৃশ্যপট অনুযায়ী, ক্রেতাদের স্বর্ণের মূল্যকে নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স লেভেল $4,591-এ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করা উচিত। ওই লেভেল ব্রেক করলে স্বর্ণের মূল্যের $4,647‑এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এবং যা ব্রেক করে ওপরে ওঠা বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে আপাতত প্রায় $4,708 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, স্বর্ণের মূল্য $4,481‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ দখল করার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনগুলোর জন্য বড় ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের মূল্য দ্রুতই $4,432 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে $4,372‑এর দিকেও দরপতন হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4teebmM









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩ ফেব্রুয়ারি। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1845 লেভেল টেস্ট করেছে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। ডলার ক্রয়ের প্রবণতা ব্যাপক বৃদ্ধির পেছনে ISM উৎপাদন সূচকের ইতিবাচক ফলাফল কাজ করেছে, যা 50-এর স্তর অতিক্রম করেছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এই ফলাফলকে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করেছে। তবে এই পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট ইউরোজোনে আগত প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের বক্তব্যের ওপর নির্ভর করবে, যা পরিস্থিতিকে অত্যন্ত অস্থির করে তুলছে এবং এজন্য ট্রেডারদের এই বিষয়গুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। যদি প্রকৃত ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি আসে, তাহলে এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রানীতি কঠোর করার প্রত্যাশা জোরদার করতে পারে, যা তাত্ত্বিকভাবে ইউরোকে সহায়তা করবে। স্পেনের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ সূচক না হলেও, বেকারত্বের হার বড় ধরনের হ্রাস পেলে সেটি স্পেনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং ইউরোকে সহায়তা করবে; বিপরীতে বেকারত্ব বাড়লে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দৃঢ়তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে। এই দুইটি মূল সূচকের পাশাপাশি বাজার মার্কেটের ট্রেডাররা ইসিবির প্রতিনিধিদের বিবৃতিও ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1849-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1824-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1849-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1801-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1824 এবং 1.1849-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1801-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1778-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1824-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1801 এবং 1.1778-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4ar8Y3I









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

মার্কিন শ্রমবাজার থেকে মিশ্র সংকেত পরিলক্ষিত হচ্ছে গতকাল মার্কিন ডলারের ওপর অল্প সময়ের জন্য চাপ সৃষ্টি হয়। কারণ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে যে জানুয়ারিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোতে প্রত্যাশার তুলনায় কম কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে—এটি বছরের শুরুতে শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। বুধবার ADP রিসার্চ জানিয়েছে যে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের সংখ্যা 22,000 বেড়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের কাছাকাছিও পৌঁছায়নি। কর্মসংস্থান খাটের এই দুর্বল পরিসংখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন মাত্রই গত বছরের শেষ শ্রমবাজার পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের চিহ্ন দেখা যেতে শুরু হয়েছিল। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এই অপ্রত্যাশিত মন্থরতা এই ইঙ্গিত দেয় যে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক নির্ধারিত উচ্চ সুদের হার মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর বড় আঘাত হানছে। গত কয়েক মাসে স্থিতিশীলতার কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও, বেসরকারি খাতের কর্মসংস্থানের হার বৃদ্ধির মন্থরতা জানুয়ারিতে শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনাই নির্দেশ করে। ডাও ইনকর্পোরেটেড ও আমাজন ইনকর্পোরেটেড সহ কয়েকটি বড় কোম্পানি সম্প্রতি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে, তবু সাম্প্রতিক প্রাথমিক বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনে ব্যাপক মাত্রায় কর্মী ছাটাইয়ের ইঙ্গিত মিলছে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মসংস্থানের হার সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সবমিলিয়ে প্রথমদিকে নিয়োগ কার্যক্রমে অর্থপূর্নভাবে পুনরুদ্ধার থাকলেও কর্মসংস্থানের বৃদ্ধির গতি ধীর হয়েছে। প্রতিবেদন আরও উল্লেখ আছে যে পেশাদার ও ব্যবসায়িক সেবাখাতে জুনের পর থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে। বড় কোম্পানিগুলো কর্মীসংখ্যা কমিয়েছে, আর ৫০ জনের কম কর্মী থাকা ব্যবসাগুলো মোটামুটি বেশিরভাগ কর্মী ধরে রেখেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চাকরি পরিবর্তনকারী কর্মীদের মধ্যে গড়ে 6.4% জনের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় 1.0 শতাংশ পয়েন্ট কম। যেসকল কর্মী একই চাকরিতে ছিল তাদের বেতনের অগ্রগতিও মাত্রাতিরিক্ত ছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী চাকরি পরিবর্তনকারী কর্মীদের মধ্যে গড়ে 6.4% জনের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় 1.0 শতাংশ পয়েন্ট কম। যেসকল কর্মী একই চাকরিতে ছিল তাদের বেতনের অগ্রগতিও মাত্রাতিরিক্ত ছিল। উপরিউক্ত কারণগুলোর জন্য এই প্রতিবেদনটির ফলাফল কারেন্সি মার্কেটে তাৎক্ষণিকভাবে সীমিত মাত্রায় প্রভাব বিস্তার করেছে। EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস অনুযায়ী, ক্রেতাদের পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যকে 1.183 লেভেলে নিয়ে আসার কথা ভাবা উচিত। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1870 লেভেল টেস্ট করার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1910‑এ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ব্যতীত এই পেয়ারের মূল্যের এই লেভেলের ওপরে অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1950 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে, সম্ভবত মূল্য 1.1780‑এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে দেখা যাবে। সেখানে ক্রেতারা সক্রিয় না হলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1730‑এ নতুন নিম্ন লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1700 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। GBP/USD‑এর ক্ষেত্রে, পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3625 লেভেলে নিয়ে যাওয়া উচিত। কেবলমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3655-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে; এই লেভেলে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। বিস্তৃত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3690 লেভেল নির্ধারণ করা যেতে পারে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.3595‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ওই রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হানবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3565 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখান থেকে পরবর্তীতে প্রায় 1.3540‑এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/4bDdFsr









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ ফেব্রুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 156.86-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিয়েছে। এই কারণে আমি ডলার বিক্রি করিনি। জাপানে বাড়তি অস্থিরতার সাথে কারেন্সি মার্কেটে সাপ্তাহিক ট্রেডিং সেশন শুরু হয়েছে, যা গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনের ফলাফলের কারণে পরিলক্ষিত হচ্ছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল বিজয়ী হওয়ার খবর ইয়েনের বিনিময় হারে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলছে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও প্রত্যাশাকে উস্কে দিচ্ছে। ভোটারদের আস্থায় প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির জয় জাপানের অভ্যন্তরীণ ও বৈদিশিক নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে বিবেচিত হবে। তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাকাইচির অংশীদারিত্বকে সীমাহীন হিসেবে বর্ণনা করা বক্তব্যটি, যা নিঃসন্দেহে মার্কিন পক্ষের কাছেই ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে—এতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমর্থনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই রাজনৈতিক ঢেউয়ে ইয়েনের মূল্য আরও অস্থির হয়ে উঠে এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়। এই দর বৃদ্ধির প্রবণতা সম্ভবত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তাকাইচির নেতৃত্বে আরও পূর্বানুমেয়, স্থিতিশীল অর্থনৈতিক নীতিমালার প্রত্যাশার কারণে দেখা যাচ্ছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 157.21-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 156.70-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 157.21-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 156.32-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 156.70 এবং 157.21-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 156.32-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 155.88-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 156.70-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 156.32 এবং 155.88-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3ZlRgZg









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১০ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তীব্র উর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। গতকাল কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও ছিল না, শুধুমাত্র চীন থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায় যে দেশটির সরকার চীনা ব্যাংকগুলোকে মার্কিন সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকার "পরামর্শ" দিয়েছে। এই খবরের প্রভাবে মার্কেটে আবারো মার্কিন ডলারের চাহিদা হ্রাস পেতে পারে। তবে এটি ছাড়াও ডলারের দরপতনের যথেষ্ট কারণ ছিল। কয়েক সপ্তাহ আগে এই পেয়ারের মূল্য সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে এসেছিল—যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল। দীর্ঘমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে, তাই আমরা কেবলমাত্র এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধিরই প্রত্যাশা করছি। অবশ্যই করেকশন হবে; গত সপ্তাহে আমরা এমন একটি করেকশন হতে দেখেছি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে আমরা শীঘ্রই ইউরোর মূল্যের 1.20 লেভেলের ওপরে যাওয়ার প্রত্যাশা করছি। ২০২৬ সালে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কোনো সীমা থাকবে না বলে মনে করা হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত সিদ্ধান্ত যতটাই আলোচিত ও বিতর্কিত হবে, বিশ্বমঞ্চে ততটাই ডলারের দরপতন ঘটবে বলে আমরা ধারণা করছি। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের ঠিক শুরুতেই একটি চমৎকার সিগন্যাল গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 রেঞ্জ ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ দিয়েছিল। মার্কিন সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়া অতিক্রম করে। ফলে ট্রেডাররা তাদের লং পজিশন বেশ ভালো মুনাফার সাথে ক্লোজ করতে পেরেছিল বা আরও বেশি মুনাফার আশায় ওপেন করে রেখেছিল। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী করেকশন অব্যাহত রয়েছে, যা শীঘ্রই আবার উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রূপ নিতে পারে। মনে করিয়ে দেই যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তা হয়ে থাকে, তবে ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধার হয়েছে। অতএব, আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি বেশ চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, যা ইউরোর মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন করলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1970-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে ADP (সাপ্তাহিক) শ্রমবাজার প্রতিবেদন এবং খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে কিন্তু মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা কম। Read more: https://ifxpr.com/4qo0Hm5









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৩ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ন্যূনতম ওঠানামা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং সম্পূর্ণরূপে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং করা হয়েছে। মনে হচ্ছে মার্কেটে বুধবার প্রকাশিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রভাব এখনও বজায় রয়েছে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে ঐ দিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্ব হার 4.3%-এ নেমে গিয়েছিল এবং জানুয়ারিতে নন-ফার্ম পেরোল 130,000 বৃদ্ধি পেয়েছে। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, পুরো ২০২৫ সালের নন-ফার্ম পেরোল পরিসংখ্যানে প্রায় অর্ধ মিলিয়ন কর্মসংস্থান কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে গত বছর মার্কিন অর্থনীতিতে মাসিক ভিত্তিতে গড়ে মাত্র 19,000টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। আমাদের দৃষ্টিতে, এটি ডলারের দরপতনের আরেকটি কারণ ছিল। প্রত্যেক সপ্তাহে মার্কিন প্রতিবেদনের প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে কারণ পরিসংখ্যানগুলোতে একরকম ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু নির্দেশ করে। যেকোনো ক্ষেত্রে, ডলারের ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রয়েছে, মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনের আরেকটি দুর্বল ফলাফল উপেক্ষা করেছে, এবং ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে প্রবণতা নির্ধারণ করা এখন বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে এবং কোনো লেভেলের কাছাকাছি যায়নি। তাই নতুন ট্রেডারদের জন্য পজিশন ওপেন করার কোনো ভিত্তি ছিল না। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী করেকশন এখনও কার্যকর আছে, তবে শীঘ্রই আবার উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে। মনে রাখবেন যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তা হয়ে থাকে, তবে ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরুদ্ধার হয়েছে। অতএব, আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি বেশ চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, যা ইউরোর মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে বা 1.1899-1.1908 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য 1.1899-1.1908 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেশন 1.1830-1.1837 এরিয়া বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1970-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলতি সপ্তাহের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। Read more: https://ifxpr.com/3MuDTTx









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

GBP/USD পেয়ারের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস GBP/USD পেয়ারের মূল্যের সীমিত গতিশীলতার সাথে নতুন সপ্তাহ শুরু হয়েছে, এই পেয়ার 1.3660 লেভেলের ঠিক নিচে একটি সংকীর্ণ রেঞ্জে ট্রেড করছে। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট বেশ মিশ্র অবস্থায় রয়েছে, তাই মার্কেটের আগ্রাসী ট্রেডারদের অপেক্ষা ও ধৈর্য ধারণ করা উচিত, কারণ এই সপ্তাহে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং বুধবার সর্বশেষ ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের ভবিষ্যত মুদ্রানীতি সংক্রান্ত পদক্ষেপের ব্যাপারে প্রত্যাশা গঠন করবে, বিশেষত মার্চে সুদের হার 25 বেসিস পয়েন্টের হ্রাস সম্পর্কে পূর্বাভাসের আলোকে। অতএব, উক্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের মুভমেন্টের প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। এছাড়াও বুধবার প্রকাশিতব্য ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত, যা ফেডারেল রিজার্ভের নীতিমালা নমনীয়করণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ সম্পর্কে আরো স্পষ্ট সংকেত দিতে পারে। এটি স্বল্পমেয়াদে মার্কিন ডলার এবং GBP/USD-এর মূল্যের ওঠা-নামার ক্ষেত্রে নতুন গতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যের মাসিক খুচরা বিক্রয় সূচক এবং যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সংক্রান্ত PMI সূচক প্রকাশিত হবে, যা সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে স্বল্পমেয়াদী ট্রেডিং সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত মার্কিন ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতির প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ফলাফল জুনে ফেড কর্তৃক সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। একই সময়ে, ট্রেডাররা 2026 সালে ফেড কর্তৃক অন্তত দুইবার সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা সম্পর্কে উদ্বেগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের সমন্বয় ঐতিহ্যবাহীভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। GBP/USD-এর জন্য আরো একটি সহায়ক কারণ হলো যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার শিথিলতা, যা আগ্রাসীভাবে শর্ট পজিশন ওপেন করার সম্ভাবনাকে সীমিত করছে এবং শর্ট ট্রেড বা বৃহৎ মাত্রায় দরপতনেরপ্রত্যাশা করার ব্যাপারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। জেফ্রি এপেস্টেইন সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির মধ্যে, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারামার তাঁর ক্যাবিনেট ও লেবার পার্টি এমপিদের প্রতি সমর্থন নিশ্চিত রেখে রাজনৈতিক সমর্থন বজায় রেখেছেন, যা চিফ অব স্টাফ পদ থেকে মর্গান ম্যাকসুইনির পদত্যাগের ঘটনাটির পর ঘটেছে। টেকনিক্যাল দিক থেকে, এই পেয়ারের মূল্য তিনটি মুভিং অ্যাভারেজ এবং 1.3660 লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার চেষ্টা করছে। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স 1.3700-এ অবস্থান করছে। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেল অতিক্রম করলেই ক্রেতাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে, যদিও দৈনিক চার্টে অসিলেটরগুলো বর্তমানে পজিটিভ জোনে রয়েছে এবং উর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা বাড়াবে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেলগুলো ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হতে ব্যর্থ হয়, তবে মূল্য সম্ভবত 1.3600-এর রাউন্ড লেভেলের দিকে নেমে যাবে। Read more: https://ifxpr.com/4qDwxuW









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৭ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়নি। গতকাল এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা 30 পিপসেরও নিচে ছিল, এবং ইউরোর মূল্য কচ্ছপগতিতে ঠিক ঐ 30 পিপসই হ্রাস পেয়েছে। দিনের শেষে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 1.1837-এর কাছাকাছি ছিল। উল্লেখযোগ্য একমাত্র সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন হিসেবে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা আরও একবার ট্রেডার বা ইউরোর জন্য সন্তোষজনক ফলাফল প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আগেও বহুবার বলেছি যে এই মুহূর্তে ইউরোপীয় সামষ্টিক প্রতিবেদন থেকে কোনো ধরনের সহায়তার আশা করা যায় না। সমস্যাটা আরও জটিল কারণ মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনেও আরও বেশি নেতিবাচক ও পরস্পরবিরোধী ফলাফল পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইউরোপীয় অর্থনীতির অন্তত কিছুটা স্থিতিশীল থাকার প্রত্যাশা রয়েছে এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখছে, সেখানে মার্কিন অর্থনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে এবং ফেডারেল রিজার্ভ কোনো না কোনোভাবে আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের দিকে যাবে। ফলস্বরূপ, মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক প্রেক্ষাপট বেশ দুর্বল রয়ে গেছে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সারাদিন এই পেয়ারের মূল্য কোনো নির্দিষ্ট লেভেল বা জোনের কাছাকাছি পৌঁছায়নি, তাই নতুন ট্রেডারদের কাছে পজিশন ওপেন করার জন্য কোনো ভিত্তি ছিল না। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত আছে, যা শীঘ্রই পুনরায় উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রূপ নিতে পারে। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে এই পেয়ারের মূল্যের সাত মাসব্যাপী দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে ২০২৬ সালের শুরু থেকে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে। সুতরাং আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ডলারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও উর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। তবে বর্তমানে মার্কেটে আরেকবার স্থবির পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন হলে শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1899-1.1908-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। আজ ইউরোজোনে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি ও ZEW ইকোনোমিক সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে। আমরা এই প্রতিবেদনগুলোকে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করছি এবং মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার আশা করছি না। যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলকভাবে স্বল্প গুরুত্বপূর্ণ সাপ্তাহিক ADP শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রকাশিত হবে। Read more: https://ifxpr.com/3MJdWjn









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ ফেব্রুয়ারি। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের ওপরে উঠতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 153.17-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ডলার কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 153.65-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশ সত্ত্বেও, ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের আরও সতর্ক মন্তব্যের কারণে স্বল্পমেয়াদে মার্কিন মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সদস্য অস্টান গুলসবি মন্তব্য করেছে যে যদি মুদ্রাস্ফীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে তাহলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সক্রিয়ভাবে সুদের হার হ্রাসের জন্য প্রস্তুত থাকবে—এ ধরনের বক্তব্য ডলারের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। ট্রেডাররা এই মন্তব্যকে এমন ইঙ্গিত হিসেবে গ্রহণ করেছে যে যদি মুদ্রাস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে হ্রাস পায় তাহলে ফেড দীর্ঘসময় ধরে সুদের হার উচ্চস্তরে বজায় রাখার পরিকল্পনা করছে না। আগাম ভিত্তিতে মুদ্রানীতি নমনীয় করার ইঙ্গিত দিয়ে গুলসবি আসলে বিনিয়োগকারীদের ডলারভিত্তিক অ্যাসেটের আকর্ষণীয়তা পুনর্মূল্যায়ন করার কারণ দিয়েছেন—বিশেষত জাপানি ইয়েনের বিপরীতে। আজ জাপানে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রসঙ্গে বলা যায় জানুয়ারির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল তীব্রভাবে ইয়েন ক্রয়ের প্ররোচনা সৃষ্টি করেনি। বাণিজ্য উদ্বৃত্তের ইতিবাচক ফলাফল অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল, যা মূলত ইয়েনের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে উদ্দীপিত করতে পারত, তবুও ইয়েনের মূল্যে কেবল সামান্য প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা 1 ও 2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.93-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 153.61-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.93-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 153.43-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 153.61 ও 153.93-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 153.43-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 153.12-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 153.61-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 153.43 এবং 153.12-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/46Uj22Y









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

নির্দিষ্ট চ্যানেলের মধ্যে বিটকয়েনের মূল্যের কনসোলিডেশন অব্যাহত রয়েছে নির্দিষ্ট চ্যানেলের মধ্যে বিটকয়েনের মূল্যের কনসোলিডেশন অব্যাহত থাকলেও ভবিষ্যতে এটির মূল্য বৃদ্ধির জন্য কিছু নির্দিষ্ট পূর্বশর্ত গঠিত হচ্ছে। গতকাল কমোডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশনের চেয়ারম্যান মাইকেল সেলিগ বলেন যে ক্রিপ্টো মার্কেটের কাঠামোগত বিল স্বাক্ষরের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান তুলে ধরে এবং দ্রুতই ক্ল্যারিটি বিলের পাশ হওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে সেলিগের এই মন্তব্য ক্রিপ্টো মার্কেটের উপর আইনি হস্তক্ষেপের যুগের সম্ভাব্য সমাপ্তির ইঙ্গিত হতে পারে, যা প্রায়শই অনিশ্চিত ছিল এবং মার্কেটের ট্রেডারদের অস্থির করে তুলেছিল। সেলিগ বলেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থানের কারণে তারা ক্ল্যারিটি বিল আইনে পরিণত করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে এবং আইনি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ক্রিপ্টো খাত নিয়ন্ত্রণের যুগ শেষ হতে চলেছে — তিনি মুহূর্তটির গুরুত্ব জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ধরে রাখার বিষয়ে আস্থা প্রকাশ করেছেন এবং সেই নেতৃত্ব ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তাও বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন। কমোডিটি ফিউচার্স ট্রেডিং কমিশনের চেয়ারম্যানের মতে, ক্ল্যারিটি বিলের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্রিপ্টো খাতের জন্য স্পষ্ট ও স্থিতিশীল নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠা করা। সেলিগ বলেন যে কেবলমাত্র নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং সেটিকে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি যাতে প্রয়োগকৃত নিয়মগুলো ভবিষ্যতে বদল করার বা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায় — এতে মার্কেটে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর জন্য পূর্বানুমানযোগ্যতা সৃষ্টি হবে, আরও প্রবৃদ্ধি ও বিকাশের প্রতি সমর্থন পাওয়া যাবে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃস্থানীয় অবস্থান শক্তিশালী হবে। সুযোগ্য সময়ে এই বিল পাশের বিষয়টি ঘোষণা করা হবে বলে এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন। ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বিটকয়েনের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতারা বর্তমানে এটির মূল্যকে $68,900-এ প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছেন, যা সরাসরি $72,100-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে এবং এরপর বিটকয়েনের মূল্য $74,600 পর্যন্ত যেতে পারে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় $77,300-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। এই লেভেল ব্রেকআউট করে বিটকয়েনের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা পুনঃস্থাপনের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে। বিটকয়েনের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে মূল্য $65,600-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে বিটকয়েনের মূল্য দ্রুত $62,600-এর দিকে ধাবিত হতে পারে, এবং পরবর্তীতে প্রায় $60,100 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে। ইথেরিয়ামের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, $1,998-এর উপরে স্পষ্টভাবে কনসোলিডেশন হলে সেটি সরাসরি $2,078-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে দেবে। সম্প্রসারিত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে প্রায় $2,169-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। ইথেরিয়ামের মূল্য ওই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতাকে শক্তিশালী করবে এবং ক্রেতাদের আগ্রহ পুনরুজ্জীবিত হবে। যদি ইথারের দরপতন হয়, তাহলে এটির মূল্য $1,907-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে; ওই জোনের নিচে নেমে গেলে ইথেরিয়ামের মূল্য দ্রুত প্রায় $1,819-এ নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে আরও নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে প্রায় $1,724-এ দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। চার্টে যা যা দেখা যাচ্ছে: লাল লাইন সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্দেশ করে, যেখানে মূল্যের মুভমেন্ট থেমে যেতে পারে অথবা সক্রিয় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে; সবুজ লাইন ৫০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; নীল লাইন ১০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; হালকা সবুজ লাইন ২০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে। সাধারণত, অ্যাসেটের মূল্য এই মুভিং অ্যাভারেজগুলো অতিক্রম করলে বা পৌঁছালে মার্কেটের বর্তমান মোমেন্টাম থেমে যেতে পারে অথবা নতুন প্রবণতার সূচনা হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3OpPUdF









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ ফেব্রুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1790-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছে। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। গতকাল মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর দরপতন অব্যাহত রেখেছিল, যা বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত প্রাথমিক জবলেস ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচন ফলাফলের কারণে হয়েছে। আজ ইউরোজোনে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক প্রকাশিত হবে। উৎপাদন ও সেবা খাতের PMI সূচকগুলোর ফলাফল দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। S&P Global কর্তৃক গণনাকৃত PMI সূচকগুলোর ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে, যা বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে। উৎপাদন খাতের সূচকগুলোর স্থায়ী বৃদ্ধি সাধারণত উৎপাদন বৃদ্ধি, অর্ডারের বৃদ্ধি এবং ফলস্বরূপ নিয়োগের সম্ভাব্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে। অনুরূপভাবে সেবা খাতের সূচকে ইতিবাচক গতিশীলতা ভোক্তা চাহিদা বৃদ্ধি এবং সেবা খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ নির্দেশ করে, যা অর্থনীতির একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান। ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে তা ইউরোর গতকালকের দরপতনের পর কারেকশন করতে সহায়তা করবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1791-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1762-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1791-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1747-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1762 এবং 1.1791-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1747-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1718-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ার চাপের সম্মুখীন হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1762-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1747 এবং 1.1718-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3ZMucD7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২৩ ফেব্রুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তা নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তির জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। আমরা ধারণা করছি মার্কেটের ট্রেডাররা ব্রিটিশ প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল এবং মার্কিন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফলের প্রতি খুব দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। উল্লেখ্য যে শুক্রবার ব্রিটেনে প্রকাশিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও খুচরা বিক্রয় সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল যথেষ্ট ইতিবাচক ছিল, তবে মার্কিন জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল ছিল। এছাড়া সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় উপেক্ষা করে এবং বাতিলকৃত সমস্ত বাণিজ্য শুল্ক দ্রুত পুনর্বহাল করেন। তাই, যদি কোনো ট্রেডার বাণিজ্য যুদ্ধ সমাপ্তি প্রত্যাশায় ডলার কিনে থাকেন, তা বৃথা গিয়েছে। আমাদের দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী মার্কিন মুদ্রার প্রেক্ষাপট দিনে দিনে আরো খারাপ হচ্ছে। গতকাল জানা গিয়েছে যে বৈশ্বিক কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোতে মার্কিন ডলারের রিজার্ভের স্তর সর্বশেষ 20 বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। প্রথম সিগন্যালটি ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় তৈরি হয় যখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3437-1.3446 এরিয়া থেকে দুইবার বাউন্স করে। এর পরে এই পেয়ারের মূল্য দ্রুত 1.3484-1.3489 এরিয়ায় পৌঁছায়। ওই এরিয়া থেকে সংঘটিত পরপর দুটো বাউন্স একটি অপরটির অনুরূপ হলেও তা ভুল সিগন্যাল বলে প্রমাণিত হয়। এর পর একই এরিয়ার আশেপাশে বেশ কয়েকটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, এবং গতকাল রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.3529 লেভেলে পৌঁছায়। সুতরাং সবগুলো লং পজিশন লাভজনক ছিল। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি দেখা যাচ্ছে না, ফলে আমরা আশা করছি যে ২০২৫ থেকে চলমান বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে, যা এই পেয়ারের মূল্যকে অন্তত 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ মুদ্রার সার্বিক পরিস্থিতি বিশেষভাবে অনুকূল ছিল না, এবং এই কারণেই অপ্রত্যাশিতভাবে পাউন্ডের দরপতন হচ্ছে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া অতিক্রম করে ঊর্ধ্বমুখী হয় তাহলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3643-1.3652-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3484-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, 1.3975। সোমবার যুক্তরাজ্য বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তবে আমাদের মতে গত সপ্তাহের ঘটনাগুলোই ডলারের আরও দরপতন অব্যাহত রাখার জন্য যথেষ্ট। Read more: https://ifxpr.com/4rv4KOy









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ ফেব্রুয়ারি। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1793-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছিল। 1.1807-এর লেভেলের টেস্টের ক্ষেত্রেও অনুরূপ পরিস্থিতি দেখা গেছে। ওয়াশিংটনের অবস্থান ও নতুন করে 10% শুল্ক আরোপ করা হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ভবিষ্যৎ শুল্ক নীতি নিয়ে মার্কেটে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। বাণিজ্য সম্পর্ক ও অন্যান্য দেশের সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপ সম্পর্কিত অস্পষ্টতাই বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ অ্যাসেটে বিনিয়োগ করতে প্ররোচিত করেছে। 15% পর্যন্ত শুল্ক বাড়ানোর ঝুঁকি এবং স্পষ্ট ও সঙ্গতিপূর্ণ বাণিজ্য কৌশলের অনুপস্থিতি বৈশ্বিক বাণিজ্যের পথে বাধা সৃষ্টি করছে এবং সম্ভাব্যভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেই হুমকির মুখে ফেলতে পারে। ফলস্বরূপ, এর প্রভাবে সরাসরি মার্কিন অর্থনীতিও নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে কোনো উল্লেখযোগ্য সামষ্টিক পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে না, সুতরাং ইউরোর মূল্যের সামান্য বৃদ্ধির সুযোগ থাকতে পারে। ইউরোজোনে সর্বশেষ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অনুপস্থিতি মার্কেটে একটি শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যার অন্য কারণসমূহ মার্কেটে সাময়িকভাবে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এমন অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে—যেখানে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে বা বিপরীতে বিশেষ কোনো আশাব্যঞ্জক সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না—কারেন্সিগুলোর মূল্য প্রায়শই পূর্ববর্তী মুভমেন্ট প্রতিফলিত করে বা বিশ্ববাজারের সার্বিক পরিস্থিতি দ্বারা প্রভাবিত হয়। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1804-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1787-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1804-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1771-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1787 এবং 1.1804-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1771-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1753-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1787-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1771 এবং 1.1753-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4kT7d2P









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২৫ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি, এবং দিনের মধ্যে মোট মাত্র 30 পিপসের ওঠানামা পরিলক্ষিত হয়েছে। অতএব খুব বেশি বিশ্লেষণের কিছু নেই। সারাদিন জুড়ে ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত ছিল না বা কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, এবং মার্কেটের ট্রেডাররা দ্রুতই ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত নতুন বাণিজ্য শুল্কের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। গত শুক্রবার থেকে বৈশ্বিক বাণিজ্যিক খাতের পরিস্থিতির খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। শুল্কগুলো বাস্তবিক অর্থে প্রায় সকল দেশের উপরই প্রযোজ্য আছে, কেবল পার্থক্য এই যে এখন সব দেশের উপর 15% শুল্ক হার বজায় রয়েছে। সুতরাং মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ফলে কেউ লাভবান হয়েছে, আবার কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; তবু সিদ্ধান্তটি বাস্তবিক অর্থে পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে গত দুই সপ্তাহেও মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য মার্কেটে সীমিত কারণ বজায় ছিল, এবং এখন তা আরও কম রয়েছে। ট্রেডাররা সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দে আটকে আছে, যা মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি সহায়তা করেছে। কিন্তু ট্রেডাররা অনির্দিষ্টকাল ধরে এই বিষয়টির উপর নির্ভর করতে পারবেন না। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। অতএব সারাদিন জুড়ে নতুন ট্রেডারদের কাছে কোনো পজিশন ওপেন করার জন্য দৃঢ় কোনো কারণ ছিল না। ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য দ্বিতীয়বারের মতো ডিসেন্ডিং চ্যানেল অতিক্রম করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই এখনও উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করার সুযোগ আছে। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশনের সমাপ্তি ঘটেছে, কারণ এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং চ্যানেলের উপরে কনসোলিডেশন করেছে; তবে এখনও কোনো দৃশ্যমান মূল্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। 2026 সালের শুরু থেকে পুনরায় একটি দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং, তাই আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। বুধবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1830-1.1837 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করলে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ থাকবে, যেখানে মূল্যের 1.1899-1.1908 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, 1.2092-1.2104। বুধবার ইউরোজোনে কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে জার্মানিতে ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় অনুমান, জানুয়ারির মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান এবং দেশটির ভোক্তা আস্থা সূচক প্রকাশ করা হবে। এই তিনটি প্রতিবেদনের প্রভাবে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। Read more: https://ifxpr.com/3OycWPD









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস আজ EUR/USD পেয়ারের মূল্য পুনরায় সাইকোলজিক্যাল লেভেল 1.1800 ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার চেষ্টা করেছে, এবং সোমবারের দরপতন সামান্য পুনরুদ্ধার করেছে। দিনের বেলা মার্কেটে মূলত নতুন করে মার্কিন ডলার বিক্রির প্রবণতা শুরু হওয়ায় এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে চাপের মুখে রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত শুল্ক স্থগিতের রায় দেওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, কার্যত তার বাণিজ্য কৌশল যে আগের মতোই রয়েছে সেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্টেট অব দ্য ইউনিয়নে এক ভাষণে ট্রাম্প বলেছেন যে ধারা 122-এর অধীনে হোয়াইট হাউস 150 দিনের জন্য 10% অস্থায়ী শুল্ক প্রবর্তন করেছে এবং মার্কিন প্রশাসন এই শুল্ক হার বাড়িয়ে 15% করার চেষ্টা করছে। এর ফলে অন্যান্য দেশগুলোর থেকে পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্নতার ফলে নেতিবাচক অর্থনৈতিক পরিণতি সম্পর্কে উদ্বেগ বাড়ছে। এসব বিষয় মার্কিন ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং এর ফলে EUR/USD পেয়ারের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে, ফেডের কঠোর অবস্থানের কারণে মার্কিন ডলারের মূল্যের যে বুলিশ প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছিল তা এখন স্তিমিত হয়ে পড়েছে। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির জানুয়ারির বৈঠকের কার্যবিবরণীতে দেখা গেছে যে ফেডের কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন পুনরায় মুদ্রাস্ফীতির হ্রাসের স্পষ্ট প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করা উচিত হবে না। উপরন্তু, মঙ্গলবার বস্টন ফেডের প্রেসিডেন্ট সুসান কলিন্স উল্লেখ করেছেন যে "বেশ কিছুদিন পর্যন্ত" সুদের হার বর্তমান স্তরে ধরে রাখা উপযুক্ত হবে। অন্যদিকে রিচমন্ড ফেডের প্রেসিডেন্ট টমাস বার্কিন জোর দিয়ে বলেছেন যে বর্তমান অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ঝুঁকি পরিচালনার জন্য মুদ্রানীতির রূপরেখাটি বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, সোমবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে বলেছেন যে ইউরোজোনে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ও মুদ্রানীতি গ্রহণযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। লাগার্ডে পূর্ববর্তী অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন যে নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতির কোনো পরিবর্তনের আশা করা যাচ্ছে না, যা ইউরো ও EUR/USD পেয়ারকে বাড়তি সমর্থন দিচ্ছে। একই দিনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কিত একটি ভোটের সময় পেছানো হবে। এটি ট্রেডারদের আগ্রাসীভাবে EUR/USD-এর বুলিশ পজিশন ওপেন করা থেকে বিরত রাখছে, ফলে এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাও সীমিত হচ্ছে। ট্রেডিংয়ের কার্যকর সুযোগের জন্য ইউরোজোনের চূড়ান্ত ভোক্তা মূল্য সূচকের ফলাফল দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত। পরবর্তীতে, মার্কিন সেশনে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের বক্তব্য পর্যবেক্ষণ করা উচিত হবে। তবুও, উপরোক্ত মিশ্র মৌলিক পটভূমিতে আক্রমণাত্মকভাবে পজিশন ওপেন করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। টেকনিক্যাল দিক থেকে, রিলেটিভ স্ট্রেন্থ ইনডেক্স নেগেটিভ জোনে রয়ে গেছে, যা বুলিশ প্রবণতা দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। যদি এই পেয়ারের মূল্য 50-দিনের SMA-এর ওপর অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হিসেবে ফেব্রুয়ারির সর্বনিম্ন লেভেল প্রায় 1.1740 নির্ধারণ করা যায়। ওই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে 1.1700-এর সাইকোলজিক্যাল লেভেলের দিকে দরপতন ত্বরান্বিত হতে পারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1800 লেভেল অতিক্রম করে 20-দিনের SMA-তে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তাহলে বুলিশ প্রবণতা আবার শুরু হতে পারে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য যে 200-দিনের SMA উপরের দিকে স্লোপ আছে, যা ইঙ্গিত করে এই পেয়ারের মূল্যের এখনও বুলিশ প্রবণতাই বিরাজ করছে। নিচের টেবিলে আজ প্রধান বৈশ্বিক কারেন্সিগুলোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের দরের শতকরা পরিবর্তন দেখানো হয়েছে, যেখানে জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/4tVjtUH









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

নতুন মার্কিন শুল্কের প্রভাবে হঠাৎ করে বিটকয়েনের দরপতন উচ্চমাত্রার অস্থিরতাসম্পন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট আজ আরেকবার ধসের সম্মুখীন হয়েছে। বিটকয়েনের মূল্য কয়েক হাজার ডলার কমে $68,000 থেকে $64,200 পর্যন্ত নেমে যায়। ইথেরিয়ামও এই ধস থেকে রক্ষা পায়নি এবং এটির মূল্য $1,845 লেভেলে নেমে যায়। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি নতুন ও অত্যন্ত কঠোর বিবৃতির কারণেই ক্রিপ্টো মার্কেটে এইরূপ তীব্র দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের শুল্ক সংক্রান্ত সাম্প্রতিক রায়ের "বিস্তৃত, বিস্তারিত ও পূর্ণ পর্যালোচনা" সম্পন্ন করার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প তৎক্ষণাৎ বৈশ্বিক পর্যায়ে বৈধ সীমার সর্বোচ্চ স্তর 15% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী যেসব দেশ উল্লিখিত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে "শোষণ" করেছে তাদের লক্ষ্যবস্তু করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বার্তাটি স্পষ্ট: বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্পর্ক আরও আক্রমণাত্মক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। স্টক মার্কেট হোক কিংবা ক্রিপ্টো মার্কেট—সবখানেই বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকেতগুলোর প্রতি সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এ ধরনের বিবৃতি মার্কেটে অনিশ্চয়তা তৈরি করে এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য যুদ্ধ, পাল্টা পদক্ষেপ ও বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি। বিনিয়োগকারীরা এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুঁকি হ্রাসের চেষ্টা করে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলো থেকে — যেগুলোর মধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সিও রয়েছে — দ্রুত বিনিয়োগ সরিয়ে নিয়ে থাকে। তার ওপর ট্রাম্প জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন যে এটি এককালীন পদক্ষেপ হবে না: মার্কিন প্রশাসন আগামি মাসগুলোতে আইনি ভিত্তিতে নতুন শুল্ক প্রবর্তনের পরিকল্পনা করছে। সুতরাং এই ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে। শুল্ক নীতির আরও কঠোর হওয়ার সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগ সৃষ্টি করছে, তাদেরকে পোর্টফোলিও পুনর্মূল্যায়ন করে নিরাপদ বিনিয়োগস্থল খুঁজতে উৎসাহিত করছে। "মেক আমেরিকা গ্রেটঁ এগেইন — গ্রেটার দ্যান এভার বিফোর" স্লোগানটি মার্কিন সুরক্ষাবাদী নীতির প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সমর্থকরা এটিকে জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার উদ্যোগ হিসেবে দেখতে পারে; কিন্তু বিশ্ববাজারে এর অর্থ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পতন, ব্যয় বৃদ্ধির ঝুঁকি এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর — যার মধ্যে বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামও রয়েছে — মূল্যের কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রেডিংয়ের পরামর্শ বিটকয়েন বিটকয়েনের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতারা বর্তমানে এটির মূল্যকে $66,400-এ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা সরাসরি $68,900-এর দিকে পৌঁছানোর সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে দেবে, এরপর $70,600-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে বিটকয়েনের মূল্যের প্রায় $71,100-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা নির্ধারণ করা যায়; যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, বিটকয়েনের মূল্য $64,400-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মূল্য ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে বিটকয়েনের মূল্য দ্রুত $62,600-এর দিকে নেমে যেতে পারে। পরবর্তীতে প্রায় $60,100 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে। ইথেরিয়াম ইথেরিয়ামের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, এটির মূল্য $1,907-এর উপরে স্পষ্টভাবে অবস্থান গ্রহণ করলে $1,998-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে। চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $2,078-এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়; যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা শক্তিশালী হবে এবং ক্রেতাদের আগ্রহ পুনরুজ্জীবিত হবে। দরপতনের ক্ষেত্রে, মূল্য $1,819-এ থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করা যায়। ইথেরিয়ামের মূল্য ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেলে দ্রুত এটির মূল্য $1,724-এর দিকে নেমে যেতে পারে। পরবর্তীতে প্রায় $1,563 পর্যন্ত দরপতনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। চার্টে যা যা দেখা যাচ্ছে: লাল লাইন সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্দেশ করে, যেখানে মূল্যের মুভমেন্ট থেমে যেতে পারে অথবা সক্রিয় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে; সবুজ লাইন ৫০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; নীল লাইন ১০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে; হালকা সবুজ লাইন ২০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ নির্দেশ করে। সাধারণত, অ্যাসেটের মূল্য এই মুভিং অ্যাভারেজগুলো অতিক্রম করলে বা পৌঁছালে মার্কেটের বর্তমান মোমেন্টাম থেমে যেতে পারে অথবা নতুন প্রবণতার সূচনা হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4rMYn9O









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য মূলত সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করে, সেইসাথে মূল্যের অস্থিরতার মাত্রাও অত্যন্ত কম ছিল। এমনকি ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমেও এটি স্পষ্ট যে গত সপ্তাহজুড়ে এই পেয়ারের মূল্য 1.1754 ও 1.1837-এর মধ্যে ওঠানামা করেছে। ফলে একটি সাইডওয়েজ চ্যানেল গঠিত হয়েছে, এবং গত উইকেন্ডে সংঘটিত ঘটনাগুলোও এই পেয়ারের মূল্যকে সেখান থেকে বেরোতে সাহায্য করেনি। মনে রাখবেন যে শনিবার ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পূর্ণমাত্রার সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছিল, যেখানে এখন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য কয়েকটি দেশও জড়িয়ে পড়েছে। সামগ্রিকভাবে সোমবার মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেত—কারণ ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির ফলে নিরাপদ বিনিয়োগস্থল হিসেবে সাধারণত মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়ে। তবুও মার্কেটে আবারও দুর্বল প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে, ঠিক আগের সোমবারের মতোই, যখন ট্রেডারদের ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত নতুন শুল্কের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়েছিল। মার্কিন ডলারের দর 60 পিপস বেড়েছিল, কিন্তু সকালে এই বৃদ্ধির অর্ধেকই দরপতন হয়েছিল। তাই এটি বলা যায় না যে বৈশ্বিক রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার খবর মার্কেটের ট্রেডারদের জন্য চমকপ্রদ ছিল। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। এই পেয়ারের মূল্য দুইবার 1.1830-1.1837 এরিয়ার কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সন্ধ্যার শেষ মুহূর্তে মূল্য সেখানে পৌঁছেছিল, যখন উইকেন্ডের জন্য মার্কেট বন্ধ হওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছিল। এমনকি যদি সিগন্যাল গঠিত হতো, তারপরও সেগুলো ট্রেড করার মতো যথেষ্ট কার্যকর হত না। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশনের সমাপ্তি ঘটেছে, কারণ এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং চ্যানেলের উপরে কনসোলিডেশন করেছে। তবে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতার বদলে আমরা বর্তমানে একটি সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট দেখতে পাচ্ছি। 2026 সালের শুরু থেকে পুনরায় একটি দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তাই আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং, তাই আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সোমবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 রেঞ্জের নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন; যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে মূল্যের 1.1830-1.1837-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908, 1.1970-1.1988, 1.2044-1.2056, and 1.2092-1.2104। সোমবার ইউরোজোনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে, আর যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে ফেব্রুয়ারির উৎপাদন খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংক্রান্ত ISM প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ট্রেডারদের এই প্রতিবেদনটির ফলাফল ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা উচিত। এবং অবশ্যই ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করতে হবে। Read more: https://ifxpr.com/4u41kEj









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

স্বর্ণের মূল্যের স্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে স্বর্ণের মূল্য ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং টানা পঞ্চম দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী করছে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে ও সেইসাথে নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। গতকাল স্বর্ণের মূল্য 1.1% বেড়ে প্রতি আউন্স $5,380 ছাড়িয়ে গিয়েছে, এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে আগের চার সেশনে মিলিতভাবে 3%-এরও বেশি প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র যতদিন প্রয়োজন ততদিন সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে, একই সময়ে ইসরায়েল ইরানের কমান্ড সেন্টারগুলিতে আরেকদফা হামলার ঘোষণা দিয়েছে। তেহরান পাল্টা জবাব হিসেবে তেল ও গ্যাস অবকাঠামোতে আঘাত করেছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে নৌপরিবহন বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে; বর্তমানে জানা গেছে যে প্রণালীটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। জ্বালানি মূল্যের তীব্র উত্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি উদ্বেগ বাড়িয়েছে, যা ট্রেজারি বন্ডের দরপতন ঘটাচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রেডাররা কেবল সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একবার সুদের হার হ্রাসের সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করছে, যা পূর্বের প্রত্যাশার তুলনায় বেশ পিছিয়ে গেছে। উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ এটি কোনো সুদ দেয় না, তবুও এটি মূল্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করার দিককে শক্তিশালী করতে পারে। সম্প্রতি সপ্তাহান্তে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার আগেই যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর সাপ্লাই ম্যানেজমেন্ট অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে উৎপাদন খাতের কাঁচামালের দাম 2022 সালের পর থেকে সর্বোচ্চ গতিতে বেড়েছে। জেপিমরগ্যান চেজ অ্যান্ড কোং সতর্ক করেছে যে মুদ্রাস্ফীতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে, যা স্বর্ণের চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে। উল্লেখযোগ্য যে চলতি বছরে স্বর্ণের মূল্য প্রায় এক চতুর্থাংশ বেড়েছে, যা ভূ-রাজনৈতিক ও বাণিজ্য খাতকে ঘিরে উত্তেজনা এবং ফেডের স্বাধীনতা সম্পর্কে উদ্বেগের কারণে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে এই বছরের জানুয়ারির রেকর্ড সর্বোচ্চ লেভেল আউন্স প্রতি $5,595-এ পৌঁছানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে স্বর্ণের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কিছুটা স্তিমিত হতে পারে। বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী ক্রেতাদের স্বর্ণের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্টেন্স $5,317 অতিক্রম করাতে হবে। এটি স্বর্ণের মূল্যের $5,416-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে সহায়তা করবে; যা অতিক্রম করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে $5,526 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য $5,223-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেবার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশন লিকুইডেশনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং স্বর্ণের মূল্য $5,137 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এমনকি $5,051-এ দরপতনের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4aLhnPN









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৪ মার্চ। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1592-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.1540-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে গিয়েছিল। ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ফলে কারেন্সি মার্কেটে লক্ষণীয় ওঠানামা সৃষ্টি হয়েছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর দ্রুত মূল্য হ্রাস ঘটিয়েছে। এর ফলে সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তা আরও গভীর করেছে এবং বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ বিনিয়োগের সন্ধানে বাধ্য করেছে। বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের এই পরিবর্তন কেবল ভূ-রাজনৈতিক সংকটের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াই নয়, বরং উচ্চ অনিশ্চয়তার সময়ে মার্কিন ডলারের মূল্যের ধারাবাহিক বৃদ্ধির স্থায়ী প্রবণতাকেও প্রতিফলিত করে। অনেক ট্রেডার উদ্বিগ্ন যে এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করবে। আজ ইউরোজোনে প্রকাশিতব্য সার্ভিস সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচকের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে। এই সূচক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে, যা বৃহত্তম খাতগুলোর একটির কার্যক্রমের স্তর প্রদর্শন করে। পাশাপাশি নির্মাণ ও পরিষেবা উভয় খাতের তথ্য সংযোজিত করে কম্পোজিট PMI সূচকও প্রকাশিত হবে। অতিরিক্তভাবে ইউরোজোনের উৎপাদক মূল্য সূচক—যা ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত হয়—এবং বেকারত্ব হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এসব সূচকের নেতিবাচক ফলাফল দ্রুত ইউরোর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1679-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1618-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1679-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ মুদ্রাস্ফীতির হার তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1584-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1618 এবং 1.1679-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1584-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1540-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো মুহূর্তে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1618-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1584 এবং 1.1540-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। https://ifxpr.com/4rjViwU









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

৫ মার্চ কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য সামান্য কারেকশন হয়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যদিও ইউরোর তুলনায় পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির জন্য খুব বেশি কারণ ছিল না। ইউরোজোনে বেকারত্ব হার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, অথচ যুক্তরাজ্য থেকে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য খবর আসে না। তবুও GBP/USD পেয়ারের মূল্য আরেকটি ডাউনওয়ার্ড ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা ট্রেডারদের পুনরায় সম্ভাব্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিচ্ছে। তবে গত কয়েক সপ্তাহে অনুরূপ সিগন্যাল বহুবার গঠিত হয়েছে এবং আমরা এখনও পর্যন্ত কোনো স্থায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখতে পাইনি; তাই এবারও অনুরূপ পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে। ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি মার্কেটকে নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে এবং কেবল এই কারণেই মার্কিন ডলারের দর আর কতদিন বাড়তে থাকবে তা কেউ বলতে পারছে না। ইরান ও মার্কিন মিত্রদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলা চলছেই, এবং গতকাল জানানো হয় যে ইরাক ইরানের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে স্থল অভিযান শুরু করেছে এবং সেখানে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে। দেখা যাচ্ছে যে সংঘাত দিন দিন তীব্র হচ্ছে এবং দ্রুতই এই সংঘাত নিরসনের আশা কম। তাত্ত্বিকভাবে কেবল এই কারণেই মার্কিন ডলারের মূল্য আরও কয়েক দফায় বৃদ্ধি পেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে যা কাজে লাগানো যেত। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-1.3331 এরিয়া ব্রেক করে যাওয়ায় নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পেরেছেন। যারা এই সুযোগ মিস করেছেন তারা 1.3319-1.3331 এরিয়া থেকে হওয়া বাউন্সের পরে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পেয়েছেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা—1.3403-1.3407 এরিয়ায়—পৌঁছেছে। এই এরিয়া থেকে সংঘটিত বাউন্স কাজে লাগিয়েও শর্ট পজিশন থেকে মুনাফা অর্জন করা যেত। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্য 'ভূ-রাজনৈতিক প্রবণতা' অনুসরণ করে চলেছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই, তাই ২০২৬ সালেও আমরা ২০২৫ সাল থেকে শুরু হওয়া বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি, যা এই পেয়ারের মূল্যকে অন্ততপক্ষে 1.4000 লেভেলের দিকে নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে পরিস্থিতি প্রায়শই ব্রিটিশ মুদ্রার পক্ষে ছিল না, এবং মার্কেটের ট্রেডাররাও প্রায়শই নেতিবাচক মার্কিন সংবাদগুলোকে উপেক্ষা করেছে, যা মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-1.3331 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন; যেখানে মূল্যের 1.3365 এবং 1.3403-1.3407-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3319-1.3331 এরিয়ার নিচে কনসলিডেশন হলে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3259-1.3267-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই; যুক্তরাষ্ট্রে কেবল জবলেস ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ আবার মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে এবং মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট মূলত 1.3319-1.3331 এরিয়ার ওপর নির্ভর করবে। Read more: https://ifxpr.com/40c6EYG









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

XAU/USD পেয়ারের মূল্যের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা স্বর্ণের ক্রেতাদের জন্য অনুকূল স্বর্ণের মূল্য 5,200 লেভেলের নিচে অবস্থান করছে এবং এই লেভেলের উপরে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাত ও ইতোমধ্যেই বিদ্যমান অনিশ্চয়তার মধ্যে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতির উপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েেছেন। এই উত্তেজনার সাথে যুক্ত হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সময় পর্যন্ত নতুন করে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়া হবে। এটি মার্কেটে আতংক বাড়িয়েছে, যা স্টক এক্সচেঞ্জে নেতিবাচক প্রবণতা প্রতিফলিত হচ্ছে এবং সুরক্ষিত অ্যাসেট হিসেবে স্বর্ণের চাহিদাকে সমর্থন করছে। একই সময়ে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহন রুটগুলোর মধ্যে অন্যতম হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার ফলে তেলের মূল্য ২০২৫ সালের জুনের পর থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গেছে। ইরান বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং ঘোষণা দিয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এক ফোঁটা তেলও বের হতে দেবে না। এটি জ্বালানি খাতে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা জাগাচ্ছে, যা মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে এবং ফেডারেল রিজার্ভকে ভবিষ্যতে সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করতে পারে। এই পরিস্থিতি মার্কিন ডলারের মূল্যকে বার্ষিক উচ্চতার কাছাকাছি অবস্থান বজায় রাখতে সহায়তা করছে এবং সুদ প্রদান না করায় স্বর্ণের মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করছে। বর্তমান মৌলিক পটভূমির কারণে স্বর্ণের আরও মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশায় পজিশন ওপেন করার আগে $5,200 লেভেল আত্মবিশ্বাসীভাবে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী ও কনসলিডেশন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে হচ্ছে। টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, স্বর্ণের মূল্য সক্রিয়ভাবে $5,200-এর রেজিস্টেন্স লেভেল টেস্ট করছে এবং সবগুলো মুভিং অ্যাভারেজের ওপরে অবস্থান করছে, যা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা প্রদর্শন করছে। দৈনিক চার্টের অসিলেটরগুলো পজিটিভ জোনে রয়েছে, যা মার্কেটে ক্রেতাদের প্রাধান্য নিশ্চিত করে। এই সূচকসমূহ ও মৌলিক পটভূমির ভিত্তিতে অনুমান করা যায় যে স্বর্ণের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনাই বেশি। Read more: https://ifxpr.com/4raxo6V









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

৯ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ার মূল্য বৃদ্ধি বা পতন উভয়ই প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়েছে। সামগ্রিকভাবে বিশ্ববাজারে চরম আতঙ্কজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কারেন্সি মার্কেটে খুবই কম ক্ষেত্রেই যৌক্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হওয়ার পর মার্কেটে যে ধস নেমেছিল তারই পরিণতি এখনও বজায় রয়েছে। গত রাতের খবর অনুযায়ী তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি $120 ছুঁয়েছে, এবং গতকাল জানা গেছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে স্থল অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেবার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ফলে বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডাররা জন্য আমেরিকার শ্রমবাজারের অবস্থা, বেকারত্বের হার, মুদ্রাস্ফীতি ও নিকট ভবিষ্যতে নিতে যাওয়া ফেডের সিদ্ধান্তগুলো আর ততটা প্রাসঙ্গিক নয়। শুক্রবার প্রকাশিত নন ফার্ম পেরোল ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের যথেষ্ট হতাশাজনক ফলাফলের কারণে মার্কিন ডলারের 100 পিপস দরপতনের ব্যাপক সম্ভাবনা ছিল; তার বদলে সোমবার রাতে মার্কিন ডলারের মূল্য নতুন করে বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে। এখন আমাদের ইরানে আমেরিকান ও ইসরায়েলি সৈন্যদের অবতরণের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে এবং প্রার্থনা করছি যে এই সংঘাত বছরের পর বছর জুড়ে দীর্ঘায়িত হবে না। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে তিনটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল: দুটো সেল সিগন্যাল এবং একটি বাই সিগন্যাল। সবগুলো ট্রেডেই ক্ষেত্রেই এই পেয়ারের মূল্য নির্ধারিত দিকে কমপক্ষে 15 পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে, ফলে কোনো ট্রেডেই লোকসান হয়নি। তবে এই পেয়ারের মূল্য লক্ষ্যমাত্রাগুলোতে না পৌঁছানোয় মুনাফা করা বেশ কঠিন ছিল। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলশ্রুতিতে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি এখনও বেশ চ্যালেঞ্জিং—যা দেশটির শ্রমবাজার, জিডিপি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল দ্বারাও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বর্তমানে মার্কেটে অর্থনীতির চেয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রবলভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। সোমবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে রিবাউন্ড করলে শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন; যেখানের মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার উপরে মূল্য কনসোলিডেট করলে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। সোমবার ইউরোজোনে জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের কথা নেই। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনেরবেলা এই পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী এবং অস্থির মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4syOZq8









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১০ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের বৈচিত্র্যময় প্যাটার্ন পরিলক্ষিত হয়েছে। দিনটি আরেকটি দরপতনের সাথে শুরু হয়, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে স্থলসেনা অভিযানের সূচনার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন, যা মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি গত সপ্তাহের চেয়েও আরও নেতিবাচক করে তোলে। তেলের দর ব্যারেলপ্রতি $120-এ পৌঁছায়; তবু দিনভর মার্কেটে বিদ্যমান উত্তেজনা কিছুটা শিথিল হয়। তেলের দর $90 পর্যন্ত নেমে আসে, এবং দিনের শেষে মার্কিন ডলারের দরও সামান্য কমে যায়। গত রাতে ট্রাম্প আরও কয়েকটি পরস্পরবিরোধী বিবৃতি দেন। প্রথমত, জ্বালানি সংকট সমাধানের লক্ষ্যে তিনি রাশিয়ার ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছেন। দ্বিতীয়ত, তিনি ঘোষণা করেছেন যে ইরানের যুদ্ধ শীঘ্রই শেষ হবে এবং সামরিক অভিযানের সময়সীমা 4-5 সপ্তাহের আগেই সমাপ্তি টানা হবে। ট্রেডাররা ট্রাম্পের এই বিবৃতিগুলোর প্রতি আস্থাশীল কি না তা অনিশ্চিতই থেকে যাচ্ছে, তবে উত্তেজনা হ্রাস পেয়েছে। আমাদের মতে, কারেন্সি ট্রেডাররা ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে সম্পূর্ণভাবে মূল্যায়ন করে ফেলেছে, তাই তেলের দর, গ্যাসের দর বা ইরানের পরিস্থিতি আরও খারাপ না হলে মার্কিন ডলারের বাড়তি মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। তবে এখনও ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে—এই বিষয়টি ভুলে যাওয়া উচিত নয়। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে চারটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, এবং সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য প্রধানত উর্ধ্বমুখী হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় 1.1527-1.1531 রেঞ্জে দুটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যেগুলো কাজে লাগিয়ে লং পজিশন নিয়ে ওপেন করা যেত। মার্কিন সেশনে এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ লক্ষ্যমাত্রা 1.1584 এরিয়ায় পৌঁছায়, যেখানে একটি বাউন্সের ফলে একটি ফলস সেল সিগন্যাল গঠিত হয় (কোনো লোকসান হয়নি কারণ এই পেয়ারের মূল্য 15 পিপস কমেনি), এবং ব্রেকআউটের ফলে ট্রেডাররা আরেকটি লাভজনক ট্রেড ওপেন করার সুযোগ পেয়েছে। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলশ্রুতিতে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি এখনও বেশ চ্যালেঞ্জিং—যা দেশটির শ্রমবাজার, জিডিপি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল দ্বারাও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বর্তমানে মার্কেটে অর্থনীতির চেয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রবলভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1584-1.1591 রেঞ্জের নিচে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1527-1.1531 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1584-1.1591 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করলে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। মঙ্গলবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোনে বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। ইউরোজোনে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির বাণিজ্য ঘাটতির প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, আর যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদন এবং বিদ্যমান আবাসন বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। Read more: https://ifxpr.com/4de21ot









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

XAU/USD-এর বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস ফেব্রুয়ারিতে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ১৬তম মাসের মতো স্বর্ণের রিজার্ভ বৃদ্ধি করেছে, যদিও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতার কারণে স্বর্ণের দর জানুয়ারির রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি স্থিতিশীল ছিল। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ (SAFE)-এর তথ্যানুসারে গত মাসে অতিরিক্ত দেশটির রিজার্ভে 30,000 ট্রয় আউন্স স্বর্ণ যোগ করা হয়, যার ফলে মোট রিজার্ভ বেড়ে 74.2 মিলিয়ন আউন্সে (~2,308 tons) দাঁড়িয়েছে, যার মূল্য প্রায় $387.6 বিলিয়ন। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে এই বৃদ্ধির পরিমাণ 1.4 মিলিয়ন আউন্স ছাড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে চীনের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ $3.4 ট্রিলিয়নে পৌঁছে, যা জানুয়ারির চেয়ে $8.7 বিলিয়ন বেশি—এটি ধারাবাহিকভাবে সপ্তম মাসের মতো বৃদ্ধি। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ (SAFE) এই বৃদ্ধির কারণ হিসেবে এক্সচেঞ্জ-রেট কনভার্শন ইফেক্ট এবং মার্কিন ডলার সূচকের বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে স্বর্ণের বাড়তি মূল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পিপলস ব্যাংক অব চায়না নিয়মিতভাবে স্বর্ণ-সংক্রান্ত সংবাদে উপস্থিত থাকে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে রাশিয়া থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বরে রেকর্ড ক্রয়ের ($961 মিলিয়ন) খবর আসে—যা দেশটির বাণিজ্যের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ চুক্তি। এটি ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় মাস ছিল যখন স্বর্ণের ক্রয়ের পরিমাণ $900 মিলিয়ন অতিক্রম করেছে; অক্টোবর মাসে এই পরিমাণ ছিল $930 মিলিয়ন। অক্টোবর–নভেম্বরের মধ্যে প্রায় সমগ্র বার্ষিক আমদানির পরিমাণের সমান স্বর্ণ ক্রয় করা হয়েছে: জানুয়ারি–নভেম্বরে তা $1.9 বিলিয়ন ছিল, যেখানে এক বছর আগে ছিল $223 মিলিয়ন—যা প্রায় ন'গুণ বেশি। এইভাবে ব্যাপকভাবে স্বর্ণ ক্রয়ের বিষয়টি চীনের রিজার্ভ বৈচিত্রীকরণের কৌশল এবং মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা হ্রাস করার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত করে। সরকারি পরিসংখ্যান চমকপ্রদ হলেও বাস্তব খুচরা পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে। ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে স্বর্ণের ক্রয়ের প্রবণতা ধারাবাহিক চলছে ধরে নিলে এটি দেশটির স্বর্ণের রিজার্ভ 1,080 টনেরও বেশি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুতগতিতে চীনের এই স্বর্ণ ক্রয় মূল্যবান ধাতুটির আরও মূল্য বৃদ্ধিকে প্ররোচিত করছে। টেকনিক্যাল দিক থেকে স্বর্ণের মূল্যের রেজিস্ট্যান্স $5,200-এ এবং সাপোর্ট $5,100-এ অবস্থান করছে। অসিলেটরগুলো পজিটিভ সিগন্যাল দেখাচ্ছে, যা ক্রেতাদের বাড়তি সুযোগ দিবে। যদি স্বর্ণের মূল্য $5,100 লেভেলে অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়, তবে $5,000-এর সাইকোলজিক্যাল লেভেলের দিকে দরপতন ত্বরান্বিত হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4lkWheR









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

একাধিক কারণে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে গতকালের যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশের পর—যদিও তা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল—সবগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট, বিশেষ করে ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতন ঘটেছে এবং একই সঙ্গে মার্কিন ডলারের দর শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত এবং জ্বালানির মূল্য দ্রুত বৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে অনেকেই ধারণা করছে মার্চের শেষে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির তীব্র উত্থান দেখা যেতে পারে; সেই কারণে ফেব্রুয়ারির মুদ্রাস্ফীতির হার ইতোমধ্যেই মার্কিন অর্থনীতি ও ফেডের প্রতি সতর্ক সংকেত প্রেরণ করেছে। সামগ্রিক এবং মূল ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) উভয়ই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে: সামগ্রিক সূচক আগের মাসের তুলনায় 0.3% বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং খাদ্য ও জ্বালানি মূল্য বাদ দিলে বিবেচিত মূল সূচক 0.2% বেড়েছে। এ মাসে জ্বালানির মূল্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিক সূচকের তুলনামূলক বেশি বৃদ্ধির বিষয়টি ব্যাখা করা যায়। বার্ষিক ভিত্তিতে ভোক্তা মূল্য সূচক মূলত ২০২১ সালের বসন্তে জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বৃদ্ধির পর থেকে সবচেয়ে মৃদু পর্যায়ের বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে: সামগ্রিক ভোক্তা মূল্য সূচক বার্ষিক ভিত্তিতে বেড়ে 2.4%-এ পৌঁছেছে—গত বছরের তুলনায় সামান্য বেশি—অপরদিকে মূল ভোক্তা মূল্য সূচক 2.5%-এ রয়ে গেছে, যা 2021-এর পর সবচেয়ে কম। এ পরিস্থিতি ফেডারেল রিজার্ভের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন করে ফেলছে। একদিকে আর্থিক নীতিমালা কঠোর করলে (সুদের হার বাড়ালে) মূল্যস্ফীতি দমন করা যেতে পারে; তবে এতে ইতোমধ্যেই ভঙ্গুর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে যেতে পারে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলোর ওপর চাপ বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে নীতিমালা নমনীয় করা হলে মুদ্রাস্ফীতি আরও ত্বরান্বিত হতে পারে, যা ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সংকট সৃষ্টি করতে পারে। উল্লেখযোগ্য যে, প্রকাশিত সূচকগুলোতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পূর্ববর্তী ফলাফল প্রতিফলিত হয়েছে; যে কারণে চলতি মাসে পেট্রোল ও অন্যান্য জ্বালানির দ্রুত মূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে। এইসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ফেব্রুয়ারির ভোক্তা মূল্য সূচকের কিছু উপাদান মূল সূচকের ক্ষেত্রে অন্তত মাসিক ভিত্তিতে 0.4% বৃদ্ধির হারের ইঙ্গিত দেয়—যা বার্ষিক ভিত্তিতে ফেডের 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির বিষয়টি আশ্চর্যজনক নয়। বাড়তি ঝুঁকি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার তীব্রতা তেলের দরের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এবং সেজন্যই এটি বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। EUR/USD‑এর বর্তমান টেকনিকাল চিত্র বর্তমানে ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1555 লেভেলে পুনরুদ্ধার করতে হবে। শুধুমাত্র এরপরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.1585 লেভেলে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের সুযোগ পাওয়া যাবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1615-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে যেতে পারে, কিন্তু বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া তা করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তীতে 1.1645-এর দিকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। যদি এই ট্রেডিং ইনস্ট্রুমেন্টটির মূল্য প্রায় 1.1510-এ নেমে আসে, তাহলে আমি আশা করছি বড় ক্রেতারা সক্রিয় হবে। যদি তারা সক্রিয় না হয়, তাহলে 1.1470-এর লেভেলের রিটেস্টের জন্য অপেক্ষা করা বা 1.1430 থেকে লং পজিশন ওপেন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। GBP/USD‑এর বর্তমান টেকনিকাল চিত্র পাউন্ডের ক্ষেত্রে, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3390-এ পুনরুদ্ধার করতে হবে। শুধুমাত্র এরপর এই পেয়ারের মূল্যের 1.3420-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়—যার ওপরে যাওয়া বেশ কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে পরবর্তীতে 1.3450-এর দিকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। দরপতনের ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3350 এরিয়ার উপর থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করবে। যদি তাঁরা সফল হয়, তবে এই রেঞ্জ ব্রেক করে দরপতন হলে সেটি বুলিশ পজিশনের জন্য মারাত্মক আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3315 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, এমনকি 1.3285 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনাও রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/40s1Y0N









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৩ মার্চ কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1543 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.1516-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে এসেছে। গতকালের যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতির হ্রাস এবং প্রাথমিক জবলেস ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদনের নিম্নমুখী ফলাফল ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে লক্ষণীয় মুভমেন্ট সৃষ্টি করেছে। এই সামষ্টিক সূচকগুলোর ফলাফল বাণিজ্য খাতের পরিস্থিতির সম্ভাব্য উন্নতি ও শ্রমবাজার পরিস্থিতির স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়—ফলে তা মার্কিন ডলারে বিনিয়োগের জন্য শক্তিশালী প্ররোচনা হিসেবে কাজ করেছে। আজ দিনের প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। এই সূচকটি উৎপাদন খাতের অবস্থা মূল্যায়নে গুরুত্বপুর্ণ। সূচকটি দুর্বল হলে তা থেকে কোম্পানিগুলোর অপারেশনাল কার্যক্রম, উৎপাদন কৌশল ও সামগ্রিক বাণিজ্যিক মনোভাব সম্পর্কে আরও গভীর ধারণা পাওয়া যাবে। একই সময়ে ইতালির ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI)ও প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সূচক ভোক্তা পণ্য ও সেবার মূল্য ওঠানামা প্রতিফলিত করে এবং মুদ্রাস্ফীতি প্রবণতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। এই প্রতিবেদনের প্রভাবে কারেন্সি মার্কেটে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা যাবে বলে আশা করা যায় না, তবু ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এটিকে বিবেচনায় নেওয়া উচিত। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1536-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1512-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1536-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র ইতালি ও ইউরোজোনে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1498-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1512 এবং 1.1536-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1498-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1470-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1512-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1498 এবং 1.1470-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3P8HVlA









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৬ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবারেও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মন্থর দরপতন অব্যাহত ছিল—এবারও কেবল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাবেই এই দরপতন ঘটেছে। এই পেয়ারের দরপতন রাতভর অব্যাহত ছিল, যা ট্রেডারদের মধ্যে তাঁদের সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত প্রতিফলিত করে। এক সপ্তাহ আগে যেখানে আতংকের কারণে দরপতন ও ঝুঁকি গ্রহণ থেকে সরে আশার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল, সেখানে এখন আবেগপ্রসূত নয় বরং সুচিন্তিত, যৌক্তিকভাবে মার্কিন ডলার ক্রয়ের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের মতোই সামষ্টিক ও মৌলিক পটভূমি ট্রেডারদের সেন্টিমেন্ট বা এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে তেমন কোনো প্রভাব ফেলছে না। শুক্রবার অন্তত দুটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন জিডিপি ও টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও তা মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে টলাতে পারেনি। আগের মতোই মার্কেটের ট্রেডাররা আমেরিকান ডলারের জন্য নেতিবাচক প্রতিবেদনগুলোকে উপেক্ষা করেছে। ফলত, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ফলে EUR/USD পেয়ারের ধারাবাহিকভাবে দরপতন হচ্ছে। সেইসাথে উল্লেখ্য যে, রাতেরবেলা জানা যায় যে ইয়েমেন সম্ভবত বাব-আল-মান্ডাব প্রণালী অবরোধ করতে পারে—যা স্পষ্টতই বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস বাজারের পরিস্থিতি আরও নেতিবাচক করে তুলবে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার রাতেরবেলা 5‑মিনিটের টাইমফ্রেমে প্রথম ট্রেডিং সিগন্যালটি গঠিত হয়েছিল। এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে বাউন্স করে (উপরের চিত্রে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে), তারপর 1.1455-1.1474 এরিয়ায় এবং তারও নিচে নেমে যায়। তবে মার্কিন ট্রেডিং সেশনে এক সময় মার্কিন ডলারের ওপর চাপ কিছুটা বাড়ে, যার ফলে একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। তবে এটি ফলস সিগন্যাল ছিল। তার কিছুক্ষণ পর পুনরায় ইউরোর দরপতন শুরু হয়ে আরেকটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়—প্রথমটির মতোই এটি কাজে লাগিয়ে নতুন ট্রেডাররা লাভ করতে পারত, কারণ এই পেয়ারের মূল্য নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা 1.1413-এ পৌঁছায়। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলশ্রুতিতে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি এখনও বেশ চ্যালেঞ্জিং—যা দেশটির শ্রমবাজার, জিডিপি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল দ্বারাও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বর্তমানে মার্কেটে অর্থনীতির চেয়ে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রবলভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1455-1.1474 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1413 এবং 1.1354-1.1363 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1455-1.1474 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1527-1.1531 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908। সোমবার একমাত্র প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সম্ভবত ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনের উপর তেমন কোনো মনোযোগ দেবে না। Read more: https://ifxpr.com/3P6M8X7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ মার্চ USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 159.35 লেভেল টেস্টটি করেছিল —যা ডলার বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করে। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 70 পিপসের বেশি কমে যায়। গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামো লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হামলা এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন, যা ইয়েন দর বৃদ্ধি ও মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটিয়েছে। তবু এটি মার্কেটের মৌলিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটায়নি, কারণ এখনও চলমান সামরিক সংঘাতের সমাপ্তির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। আজ এশীয় ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে বিনিয়োগকারীরা জাপানের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে নজর দিচ্ছেন। আজ প্রাপ্ত মিশ্র সংকেতগুলো একটি দ্বিমুখী পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। সকালে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্সের ফলাফল কিছুটা হতাশাজনক হয়ে 51.4 পয়েন্টে এসেছে, যা শিল্প ক্ষেত্রের প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এই প্রবণতা রফতানির সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যগতভাবে জাপানী অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচিত দেশের সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে উদ্বেগ উত্থাপন করতে পারে। তবে সার্ভিস সেক্টরের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্স প্রকাশের পর পরিস্থিতি অপেক্ষাকৃত আশাব্যঞ্জক রূপ নেয়—এই সূচকটি 52.5 পয়েন্টে উঠে অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই ইতিবাচক ফলাফল সার্ভিস সেক্টরে টেকসই ভোক্তা চাহিদা ও ইতিবাচক পরিস্থিতি প্রতিফলিত করে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 159.14-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 158.77-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 159.14-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 158.58-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 158.77 এবং 159.14-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 158.58-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল অতিক্রম করার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 158.29-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 158.77-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 158.58 এবং 158.29-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4bOWT8d









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২৫ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার পুরো দিন জুড়ে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য দিক নির্ধারণে সংগ্রাম করেছে। আপেক্ষিকভাবে সামষ্টিক পটভূমির প্রভাব বজায় থাকা সত্ত্বেও ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্য থেকে সংবাদ প্রত্যাশা করছিলেন—কিন্তু তাঁরা তেমন কিছু পাননি। ট্রাম্প সোমবার ইরানের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে মন্তব্য করলেও সেই বিষয়টি অনিশ্চিত রয়ে গেছে, তবে এই আলোচনার কথা সম্পূর্ণভাবে অস্বীকারও করা হয়নি। পাশাপাশি ইরান ও আমেরিকা উভয় পক্ষ থেকে নানা তথ্য পাওয়া গেলেও বাস্তবে তেমন কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকলেও তা অত্যন্ত দুর্বল ও অস্থিতিশীল। যদি ট্রেডাররা ধারণা করে নেয় যে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির শিগগিরই উন্নতি হবে না এবং তেল ও গ্যাসের মূল্য বাড়তেই থাকবে, তাহলে যেকোনো সময় মার্কিন ডলারের দর আবারও বাড়তে শুরু করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে মার্চ মাসে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ফলাফল মিশ্র ছিল, যা মঙ্গলবার ট্রেডারদের সক্রিয়ভাবে ট্রেড করার প্রতি আগ্রহ বাড়ায়নি। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট মঙ্গলবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য সারাদিন প্রায় সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। এই পেয়ারের মূল্য কেবল কয়েকবার 1.1584-1.1591 এরিয়া থেকে কয়েক ডজন পিপস ডেভিয়েট করেছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা এক বা দুইটি ট্রেড ওপেন করতে পারতেন, তবে কোনো লাভ অর্জিত হয়নি। মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা কম ছিল। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট মঙ্গলবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য সারাদিন প্রায় সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। এই পেয়ারের মূল্য কেবল কয়েকবার 1.1584-1.1591 এরিয়া থেকে কয়েক ডজন পিপস ডেভিয়েট করেছিল। ফলে নতুন ট্রেডাররা এক বা দুইটি ট্রেড ওপেন করতে পারতেন, তবে কোনো লাভ অর্জিত হয়নি। মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা কম ছিল। https://ifxpr.com/3PHxFAZ









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২৭ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিংয়ে কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পরিলক্ষিত হয়নি। একটি দুর্বল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে সারাদিন জুড়ে দুর্বল নিম্নমুখী মুভমেন্ট বজায় ছিল। ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো সামষ্টিক বা মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, তবে যেগুলোই প্রকাশিত হয়েছে মার্কেটের ট্রেডাররা সেগুলোকে উপেক্ষা করেছে। দিনের একমাত্র ইভেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরও একটি বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে তিনি আবার বলেন যে ইরানি জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পরিকল্পনা স্থগিত রেখে আরও ১০ দিন, অর্থাৎ ৬ এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বার্তা অনুযায়ী এই অনুরোধটি সম্ভবত তেহরানের পক্ষ থেকে এসেছে, সম্ভবত ওয়াশিংটন ও তেহরানের চলমান বা প্রত্যাশিত আলোচনার প্রেক্ষাপটে। এই খবরের প্রভাবে মার্কিন ডলারের তীব্র দরপতন ঘটেছে, তবে এবারে মার্কেটের ট্রেডাররা সেই বার্তায় খুব স্বল্প সময়ের জন্যই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ট্রেডাররা ট্রাম্পের নিয়মিত "ফেক নিউজে" ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, যা বাস্তব তথ্য দ্বারা সমর্থিত নয়। ফলে সামরিক উত্তেজনা আবারও বিলম্বিত হলেও, এই সংঘাত হ্রাসের জন্য স্পষ্ট কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুইটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু নতুন ট্রেডাররা শুধুমাত্র একটি সিগন্যাল কাজে লাগাতে পারত—দ্বিতীয় সিগন্যালটি অত্যন্ত দেরিতে গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার থেকে বাউন্স করায় ইউরোর মূল্য প্রায় 15 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই মুভমেন্ট পর্যাপ্ত ছিল, কারণ ট্রেডাররা ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করে ট্রেড ক্লোজ করতে পেরেছিলেন। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী কারেকশন অব্যাহত রয়েছে, তবে এটি হয়তো আরেকটি সাধারণ কারেকশনই। ২০২৬ সালের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্যের দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ায় আমরা মধ্যমেয়াদে নতুন করে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক পটভূমি এখনও বেশ চ্যালেঞ্জিং রয়ে গেছে; যাইহোক বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডাররা মূলত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টিপাত করছে। এটিই এই পেয়ারের মূল্যের বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু করতে বাধা সৃষ্টি করছে। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে রাতের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স প্রকাশিত হবে। আজ সম্ভবত আমরা আবারও এই পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মুভমেন্টের প্রত্যাশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4t9XOqD









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩০ মার্চ। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1537-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। এই কারণে আমি ইউরো কিনিনি। শুক্রবার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের দেয়া বিবৃতিতে শীঘ্রই আর্থিক নীতিমালা কঠোর করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা ইউরোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। মুদ্রাস্ফীতি এবং বিশেষত জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে ইতোমধ্যেই ফেডের পরিকল্পনা প্রভাবিত হচ্ছে—যা নিরাপদ বিনিয়োগের, বিশেষ করে মার্কিন ডলারের প্রতি চাহিদা বাড়াচ্ছে। আজ বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি জার্মানির মার্চ মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) ওপর কেন্দ্রীভূত থাকবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র সামরিক সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর প্রথম মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন হতে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দ্বারা সৃষ্ট ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ইউরোর আরও দরপতন ঘটাতে পারে, যা মার্কিন ডলারের পক্ষে সহায়ক। আজকের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল ইউরোর আরও দরপতনের কারণ হিসেবে কাজ করতে পারে; অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চমাত্রার মুদ্রাস্ফীতি দেখা গেলে ইউরোর দর সামান্য বৃদ্ধি হতে পারে, তবে মার্কেটে চলমান বিয়ারিশ প্রবণতার উপর এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1571-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1526-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1571-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1507-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1526 এবং 1.1571-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1507-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1470-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1526-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1507 এবং 1.1470-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4diycmO









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

স্বর্ণের দর $4600-এর লেভেলে ফিরে এসেছে বিশৃঙ্খল ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বেশ কয়েকটি কারণের সমন্বয়ে স্বর্ণের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের মন্তব্যের ফলে মার্কেটে ধারাবাহিকভাবে সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা কিছুটা দুর্বল হয়েছিল। সাধারণত, মূল সুদের হার কমলে বন্ডের মতো বিকল্প বিনিয়োগ কম লাভজনক হওয়ায় স্বর্ণের মতো অ্যাসেট আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, কারণ স্বর্ণ সুদ প্রদান করে না। এটাই মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টিতে সহায়ক শর্ত তৈরি করে।একই সঙ্গে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শেষ করার প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলে স্বর্ণের দর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যদিও হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা বজায় রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছিল; চলমান সংঘাতের সম্ভাব্য প্রশমন সম্পর্কে ইতিবাচক ইঙ্গিতগুলো উদ্বেগ প্রশমিত করেছে এবং ফলস্বরূপ স্বর্ণের প্রতি চাহিদা বাড়ায়।মঙ্গলবার, স্বর্ণের দর 2.4% বৃদ্ধি পেয়ে আউন্স প্রতি $4600-এ পৌঁছেছে, পরে আংশিকভাবে কিছুটা দরপতন হয়েছে।এর পূর্বে, ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল উল্লেখ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘমেয়াদে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যদিও যুদ্ধের কারণে তেলের দামের উত্থান মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে এবং সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। তাঁর বক্তৃতা অনুযায়ী মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরবর্তী পরিস্থিতি দেখে আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণ করবে। পাওয়েলের মন্তব্যের পরে ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ডের পতন ঘটায় তা স্বর্ণের মূল্যকে আরও ঊর্ধ্বমুখী করেছে। বর্তমানে ট্রেডাররা চলতি বছর শেষ হওয়ার আগে অন্তত একবার সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশা করছেন। এটি ইঙ্গিত দেয় যে ট্রেডাররা এখনও অর্থনৈতিক মন্দার সম্ভাবনা দেখছেন। স্বর্ণের উপর চাপ বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং দ্রুত পুনরুদ্ধারের সুযোগ বর্তমানে সীমিত।টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথমে স্বর্ণের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স $4591 অতিক্রম করাতে হবে। এতে স্বর্ণের মূল্যের $4647-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাবে, যা ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে স্বর্ণের মূল্যের প্রায় $4708-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য $4531-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে ঐ রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের উপর গুরুতর আঘাত হবে এবং স্বর্ণের দর দ্রুত $4481-এ নেমে যেতে পারে, এবং পরবর্তীতে প্রায় $4432 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3NQ2i6Y









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১ এপ্রিল। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1481-এর লেভেল টেস্ট করেছিল—যা ইউরো কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.1519-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল ঘোষণা দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে চায়—এরপরই মার্কিন ডলার ইউরোর তুলনায় তীব্র দরপতনের শিকার হয়। ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণাকে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাসের পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই ধরনের অস্থিরতা সরাসরি উচ্চমাত্রার ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার ফলাফল। ইউএস-ইরান সংক্রান্ত যেকোনো নতুন বিবৃতি বা ঘটনা মার্কিন ডলারের এক্সচেঞ্জ রেটের আরও কারেকশন ঘটাতে পারে। আজ মার্কেটের ট্রেডাররা দুটি প্রধান সূচকের ওপর বিশেষ নজর রাখবেন: মার্চ মাসের ম্যানুফ্যাকচারিং PMI এবং ফেব্রুয়ারির বেকারত্বের পরিসংখ্যান। উৎপাদন খাতের PMI সূচকের ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী আরও নিম্নমুখী হতে পারে। উৎপাদন খাত থেকে যেকোনো নেতিবাচক ইঙ্গিত ইউরোজোনে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দার উদ্বেগ বাড়িয়ে দিতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোজোনের ফেব্রুয়ারি মাসের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে; বেকারত্বের হার স্থিতিশীল থাকলে বা হ্রাস পে তা উৎপাদন খাতের দুর্বলতাকে কিছুটা প্রশমিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1636-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1584-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1636-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1559-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1584 এবং 1.1636-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1559-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1519-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1584-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1559 এবং 1.1519-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4cinlbv









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

২ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবারও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, যা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শীঘ্রই সমাপ্তির প্রত্যাশায় মার্কেটে সৃষ্ট আশাবাদের ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা যায়। মার্কেটের ট্রেডাররা সফলভাবে সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল উপেক্ষা করেছে, যা এবার পুরোপুরিভাবে মার্কিন ডলারের জন্য ইতিবাচক ছিল। রাতেরবেলা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বক্তব্য প্রদান করেন যা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি। উল্লেখ্য যে আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ সমাপ্তির জন্য বাস্তবিক অর্থে কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না —শুধুই আলোচনা, অভিপ্রায় এবং ইচ্ছা আছে। তেহরান ও ওয়াশিংটন মধ্যে বাস্তবিক অর্থে কোনো আলোচনা হচ্ছে কিনা সেই বিষয়টিও অনিশ্চিত। উভয় পক্ষের আলোচনাগত অবস্থানে চাঁদ-মাটির মতো দূরত্ব বিরাজ করছে; দুই পক্ষই যুদ্ধ শেষ করতে চায়, কিন্তু প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব শর্তানুযায়ী তা করতে চায়। সুতরাং এখনও এটি বলার সময় আসেনি যে মধ্যপ্রাচ্য সংকট প্রশমন হচ্ছে। সার্বিকভাবে ট্রাম্প এমন কিছু জানাননি যা নিকটমেয়াদে যুদ্ধের সমাপ্তি নির্দেশ করে—এই কারণেই মার্কিন ডলারের দর পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1584-1.1591 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, এবং বৃহস্পতিবার এশীয় সেশনের সময় একই 1.1584-1.1591 এরিয়া ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার ফলে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়। প্রথম বাই সিগন্যালের ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 30 পিপস নির্ধারিত দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করে, এবং দ্বিতীয় সেল সিগন্যালের ক্ষেত্রেও একই পরিমাণ নিম্নমুখী মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং আবারও আমরা কোনো উল্লেখযোগ্য উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখতে পাইনি। উপরন্তু, গত দু'দিনে ইউরোর মূল্য সক্রিয়ভাবে উর্ধ্বমুখী থাকলেও গতরাতে আবার এটি দরপতনের শিকার হয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি এবং আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং এই "রোলারকোস্টার রাইড" আরও অনেকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দরপতন বা দর বৃদ্ধি উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে কেবল আনএমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস বা বেকারভাতার আবেদন সংক্রান্ত স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। Read more: https://ifxpr.com/4tpKhvf









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

৩ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। গতকাল রাতেরবেলা ডোনাল্ড ট্রাম্পের আবারও ভাষণ দিয়েছেন যা প্রধান দুইটি কারেন্সি পেয়ারের ব্যাপক দরপতন সৃষ্টি করেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আবারও পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করেন, তবে মার্কেটে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে "আমরা ইরানকে ধংস করে দেব" এবং "আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিধ্বংসী আঘাত হানব" এই ধরনের উক্তিগুলো। এসব মন্তব্যের কারণেই ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা আবারও "ঝুঁকিপূর্ণ" সকল অ্যাসেট থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। বৃহস্পতিবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, এবং আপাতত টেকনিক্যাল চিত্রও উপেক্ষা করা যায় কারণ এই পেয়ারের মূল্য একমাত্র ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আমরা অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনকে প্রাসঙ্গিক রাখার জন্য সমন্বয় করেছি, তবে একইভাবে অন্যান্য ট্রেন্ডলাইন অসংখ্যবার আঁকা যেতেই পারে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, যেগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী সন্তোষজনক ছিল না। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করেছিল, আর মার্কিন সেশনে এই পেয়ারের মূল্য সেই এরিয়ার উপরে পৌঁছায়। সুতরাং নতুন ট্রেডাররা দুইটি পজিশন ওপেন করতে পারতেন, যেগুলোর কোনোটি থেকেই উল্লেখযোগ্য লাভ করা যায়নি। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং আবারও আমরা কোনো উল্লেখযোগ্য উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখতে পাইনি। নতুন ট্রেন্ডলাইনটি কেবল আনুষ্ঠানিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতি এবং আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং এই "রোলারকোস্টার রাইড" আরও অনেকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দরপতন বা দর বৃদ্ধি উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নন-ফার্ম পেরোল এবং বেকারত্ব সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমরা নিশ্চিত নই যে মার্কেটের ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাবে কি না (তাত্ত্বিকভাবে অবশ্যই প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া উচিত), কারণ গত এক-দেড় মাস ধরে ট্রেডাররা প্রায় সকল সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন ও মৌলিক পটভূমি উপেক্ষা করে চলছে। Read more: https://ifxpr.com/4bRkvdC









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

৩ এপ্রিল কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: শুক্রবার তিনটি সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং সেগুলোর সবই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিবেদন। সর্বপ্রথম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে নন-ফার্ম পেরোল ও বেকারত্বের হার প্রকাশিত হবে। জেরোম পাওয়েল বারংবার ট্রেডারদের জানিয়েছেন যে অর্থনীতি ও শ্রমবাজার পরিস্থিতি বর্তমানে ফেডারেল রিজার্ভের মুল অগ্রাধিকার নয়, তাই আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাব ক্রমশ কমছে। তবুও, এগুলোর গুরুত্ব এতে কমে যাবে না। সমস্যা হলো গত দেড় মাস ধরে মার্কেটের ট্রেডাররা কেবল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সংবাদের উপরই প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। আজ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে মার্কেটে কিছুটা প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে, কিন্তু তা দুর্বল বা স্বল্পস্থায়ী হতে পারে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের দিক থেকে উল্লেখ করার মতো কিছুই নেই। মূলত তার প্রয়োজনও নেই। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও ভূ-রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কহীন সকল বিষয় উপেক্ষা করে চলেছে। গতরাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং তিনি পুনরায় প্রতিশ্রুতি দেন যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শীঘ্রই শেষ হবে। ট্রাম্প আরও জানান যে যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে ইরানের বিরুদ্ধে আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত হামলা চলতে পারে যাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন কার্যত নিষ্ক্রিয় করা যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে বলেছেন যে আমেরিকা হরমুজ প্রণালী খোলার অবরোধমুক্ত করতে আগ্রহী নয় এবং যারা তেল পরিবহনের জন্য ওই প্রণালী ব্যবহার করে তাদেরই এ বিষয়টি মোকাবিলা করতে হবে। একই সময় ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী অবরোধমুক্তকরণকে ইরানের সঙ্গে 'ত্রুটিমুক্ত চুক্তি'র শর্ত হিসেবে বিবেচনা করছেন—ফলে বহু অসংগতিই রয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট সহজে সমাধান হবে বলে আশা করা কঠিন। তেহরান এখনও সরাসরি কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করে যাচ্ছে। উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের যেকোনো দিকে মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও শুধুমাত্র ভূ-রাজনৈতিক খবরের ওপরই প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। ইউরো আজ 1.1527-1.1531 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3203-1.3212 এরিয়ায় ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ও স্থায়ী বৃদ্ধির জন্য কোনো ফলপ্রসূ ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না (শুধু ভূ-রাজনীতি নয় সব কারণ বিবেচনায়), তবে স্বল্পমেয়াদে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিই কারেন্সি মার্কেটে মূল প্রভাব বিস্তার করতে থাকবে। Read more: https://ifxpr.com/47zXitS









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

৬ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/438630711.jpg[/IMG] [URL="https://ifxpr.com/4ttKduo"]শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কোনো আকর্ষণীয় মুভমেন্ট দেখা যায়নি। বরং সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের শক্তিশালী ও তীব্র প্রভাব থাকা সত্ত্বেও এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা ন্যূনতম স্তরে নেমে এসেছে। অবশ্য, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নন-ফার্ম পেরোল এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, তখন মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল এবং প্রায় 30 পিপসের মুভমেন্ট দেখা যায়। নন-ফার্ম পেরোলের ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় তিনগুণ বেশি ছিল এবং বেকারত্ব হার প্রত্যাশার বিপরীতে কমে গেছে। ফলে আমরা আরও একবার নিশ্চিত হলাম যে এই সময়ে সামষ্টিক-অর্থনৈতিক পটভূমির গুরুত্ব খুব একটা বেশি নয়। মার্কেটের ট্রেডাররা এখন মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের সমাপ্তির অপেক্ষায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য নতুন হামলা এবং ইরানের পাল্টা আঘাত পরিলক্ষিত হলে তেলের মূল্য ও মার্কিন ডলারের চাহিদা আবার বাড়তে পারে। ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কেবল গুরুত্বপূর্ণই নয়, মূলত মার্কেটের একমাত্র প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/24875432.jpg[/IMG] EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করেছিল, কিন্তু মূল্য কেবল 10 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলেও মাত্র 10 পিপস দরপতন হয়েছে। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ট্রেন্ডলাইন সমন্বয় করার কারণে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেবল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং মার্কেটের এই "রোলারকোস্টার" রাইড বা ব্যাপক ওঠানামা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, যেখানে সামষ্টিক, টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলোর গুরুত্ব সীমিত থাকবে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি বা পতন উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ISM পরিষেবা সূচক প্রকাশিত হবে, তবে আমরা গত শুক্রবার প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রভাবে মার্কেটে দুর্বল প্রতিক্রিয়া দেখতে পেয়েছি। সম্ভবত ISM পরিষেবা সূচকের ফলাফলের প্রভাবেও মার্কেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে না এবং ট্রেডাররা ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলির প্রতি দৃষ্টিপাত অব্যাহত রাখবে। [/URL] Read more: [url]https://ifxpr.com/4ttKduo[/url]









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

৭ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মিশ্র প্রবণতার সাথে ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে—মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক, ফান্ডামেন্টাল বা সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের কোনো প্রভাব ছিল না। দিনের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে—মার্কিন ISM সার্ভিসেস ইনডেক্স বা পরিষেবা সূচকের ফলাফল—ট্রেডাররা উপেক্ষা করেছে, যা খুব একটা অবাক করেনি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুত হামলা চালায়নি, কারণ ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী পুনরায় অবরোধমুক্ত করার আল্টিমেটাম আজ তৃতীয়বারের মতো বাড়িয়েছেন। ট্রেডাররা এখনো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার প্রত্যাশায় টানটান অবস্থায় রয়েছে এবং ইউরোর মূল্যের কোনো উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। ফলে সোমবারের টেকনিক্যাল চিত্র অপরিবর্তিত ছিল। আমরা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টি হতে দেখছি, যদিও এই পেয়ারের মূল্যের সকল মুভমেন্টই ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলীর প্রভাবে ঘটছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কেবল একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয় এবং পরে 20-25 পিপস বৃদ্ধি পায়। তবে এই পেয়ারের মূল্য নিকটস্থ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি, ফলে নতুন ট্রেডারদের কেবল ম্যানুয়ালি ট্রেড ক্লোজ করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ট্রেন্ডলাইন সমন্বয় করার কারণে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা প্রাসঙ্গিক রয়েছে; যদিও এটি কেবল আনুষ্ঠানিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ বর্তমানে কেউই টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের দিকে ততটা মনোযোগ দিচ্ছে না। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেবল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং মার্কেটের এই "রোলারকোস্টার" রাইড বা ব্যাপক ওঠানামা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, যেখানে সামষ্টিক, টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলোর গুরুত্ব সীমিত থাকবে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি বা দরপতন উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। মঙ্গলবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1455-1.1474 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে আমরা মনে করি এই প্রতিবেদনটিও মার্কেটে উপেক্ষিত থএকে যাবে। আজ সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুত হামলা চালাতে পারে—ফলে ট্রেডারদের দৃষ্টি আবারও সম্পূর্ণভাবে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর কেন্দ্রীভূত থাকবে। Read more: https://ifxpr.com/4txgtg7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৮ এপ্রিল। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1552 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রি করিনি। 1.1552-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড এরিয়ায় ছিল, যা বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 20 পিপস বৃদ্ধি পায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার হুমকি উঠিয়ে দেশটির সাথে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার পর ইউরোর মূল্য উর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং মার্কিন ডলারের উল্লেখযোগ্য দরপতন হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে যদি ইরান হরমুজ প্রণালী অবরোধ মুক্ত করে তাহলে তিনি আলোচনার জন্য প্রস্তুত। সংলাপের প্রতি ট্রাম্প আগ্রহ প্রকাশ করার অঞ্চলটিতে উত্তেজনা হ্রাসের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়; যদিও, যেমনটা আমরা দেখে অভ্যস্ত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেকোনো মুহূর্তে তাঁর অবস্থান বদল করতে পারেন—তাই বর্তমানে "হাইপের" ওপর ভিত্তি করে ইউরো ক্রয়ের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। দিনের প্রথমার্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানির ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্ডারের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। অর্ডারের সংখ্যা সফলভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকলে সেটি উৎপাদন খাতের পুনরুদ্ধার প্রতিফলিত করে ইউরোর দর বৃদ্ধি ঘটাতে পারে, আর হতাশাজনক ফলাফল ইউরোর মূল্যের কারেকশন ঘটাতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোজোনে খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে—এই সূচক সরাসরি ভোক্তা কার্যক্রম এবং ফলস্বরূপ অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে প্রতিফলিত করে। সেইসাথে ইউরোজোনের উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে, যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন।উৎপাদক মূল সূচকের ফলাফল ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে, যা পরোক্ষভাবে ইউরোর ওপর প্রভাব ফেলবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1780-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1728-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1780-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ ইউরোর মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1685-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1728 এবং 1.1780-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1685-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1647-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র ট্রাম্পের গৃহীত অবস্থানের পরিবর্তন ঘটলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1728-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1685 এবং 1.1647-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4mffaQR









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

৯ এপ্রিল কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে, তবে ইউরোর মতোই পাউন্ডের মূল্যের অধিকাংশ উর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট এশীয় ট্রেডিং সেশনে ঘটেছে। ইউরোপীয় ও মার্কিন সেশন চলাকালে জানা যায় যে যুদ্ধবিরতিটি প্রকৃতপক্ষে কার্যকর নাও হতে পারে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে কেউই সম্পূর্ণভাবে বৈরিতার সমাপ্তি ঘটাতে ইচ্ছুক বলে মনে হচ্ছে না। উদাহরণস্বরূপ, ইসরায়েল জানিয়েছে যে কেবলমাত্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছে, আর লেবানন এই যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়বে না। অতএব আমরা মার্কেটে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আশাবাদের প্রেক্ষাপট দেখতে পেয়েছি, কিন্তু এখন এই পেয়ারের আরও মূল্য বৃদ্ধির জন্য এই নিশ্চয়তা প্রয়োজন যে মধ্যপ্রাচ্যের সকল পক্ষ যুদ্ধবিরতি মেনে আলোচনার টেবিলে বসতে প্রস্তুত। টেকনিক্যাল দিক থেকে, এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তবে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য পরবর্তী বৃদ্ধির সম্ভাবনা যুদ্ধবিরতি কতদিন এবং কতটা সফলভাবে বজায় থাকে তার ওপর নির্ভর করবে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। দিনজুড়ে এই পেয়ারের মূল্য ধারাবাহিকভাবে নিচের তিনটি এরিয়ার যেকোনো একটির কাছ থেকে বাউন্স করেছে: 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446 ও 1.3484-1.3489। দিনের মধ্যে গঠিত হওয়া সকল সিগন্যালের ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়—ফলে নতুন ট্রেডাররা বেশ কয়েকটি পজিশন ওপেন করেছেন, যার সবগুলোই লাভজনক ছিল। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নতুন একটি উর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হতে শুরু করেছে, কিন্তু ব্রিটিশ পাউন্ডের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা পুরোপুরিভাবে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কতটা হ্রাস পাচ্ছে তার ওপর নির্ভর করবে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি নেই, ফলে 2026 সালেও আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত এই পেয়ারের মূল্যের বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। তবে সেটি ঘটতে হলে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও প্রশমিত হতে হবে, কারণ এখন শুধুমাত্র ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই মার্কিন ডলারের চাহিদা সৃষ্টি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3319-1.3331-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3403-1.3407 এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446 এবং 1.3484-1.3489-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3096-1.3107, 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751। আজ যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় অনুমান ও কোর পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেনডিচার (PCE) সূচক প্রকাশিত হবে; সেইসাথে আমরা ধারণা করছি মার্কেটের ট্রেডাররা আবারও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে মনোযোগ দেবে। Read more: https://ifxpr.com/4c9BFlq









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছে, তবে একইসাথে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাটিকে সহায়তা এবং থামানোর জন্য উভয় ধরনের কারণই উপস্থিত ছিল। একদিকে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাপ্তি নিয়ে আশাবাদী। অন্যদিকে সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং বুধবারের যুদ্ধবিরতি এক কথায় একদিনও টেকেনি। গতকাল চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যা মার্কিন ডলারের দরপতন প্ররোচিত করা উচিত ছিল। তবুও গত দু'মাস ধরে মার্কেটের ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে চলেছে। ফলে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তবে যদি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের দিকে না গড়ায় এবং স্থায়ী শান্তির দিকে পদক্ষেপ না নেয়া হয়, তাহলে আগেরগুলোর মতোই এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাও দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কেবল একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, এরপর এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 30-40 পিপস নির্ধারিত দিকেই মুভমেন্ট প্রদর্শন করে। নতুন ট্রেডাররা সহজেই এই 30-40 পিপস লাভ করতে পারতেন, কারণ এই সিগন্যালটি সহজ ও স্পষ্ট ছিল এবং এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টও তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট ছিল। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে আবারও এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, এবং পরবর্তী সকল মুভমেন্ট ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে। তবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেবল মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। সুতরাং মার্কেটের এই "রোলারকোস্টার" রাইড বা ব্যাপক ওঠানামা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, যেখানে সামষ্টিক, টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলোর গুরুত্ব সীমিত থাকবে। ট্রাম্প ক্রমাগত মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি বা দরপতন উভয়ই উস্কে দিচ্ছেন। শুক্রবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, 1.1899-1.1908। শুক্রবার জার্মানিতে মার্চ মাসের মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশ করা হবে, তবে এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণভাবে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন। যুক্তরাষ্ট্রে "চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ" মার্চের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই মুহূর্তে মুদ্রাস্ফীতির ফেডের আর্থিক নীতিমালাকে সরাসরি প্রভাবিত করছে, কিন্তু মার্কেটের ট্রেডাররা হয়তো এই প্রতিবেদনটিও উপেক্ষা করতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3NScfRq









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৩ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তুলনামূলকভাবে দুর্বল উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, এবং দিনের দ্বিতীয়ার্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ মার্চের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যার কিছুক্ষণ পর মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হয়। প্রাথমিকভাবে বলা যায়—এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাবে মার্কেটে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো শনিবার ও রবিবারে ঘটেছে।ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার ব্যর্থতার পর থেকে পরিস্থিতি বদলে যায়। দুই পক্ষই হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পর্কিত সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে একমত না হওয়ার কথা উল্লেখ করেছে। ফলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে যেতে পারে। রাত্রি শেষে আরও সংবাদ আসে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজগুলোকে অবরোধ করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন, যাতে চীন, এশিয়া ও অন্যান্য দেশে ইরানি তেল রপ্তানি করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই সোমবার সকালে সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে, উল্টোটা নয়। ফলে মার্কিন ডলারের দর তৎক্ষণাৎ ৮০ পিপস বৃদ্ধি পায়। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। শুধুমাত্র সোমবার রাতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ায় নেমে আসায় একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা অত্যন্ত কঠিন, তবুও কিছুটা মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে, তবে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাবে এই সপ্তাহে আবারও এই পেয়ারের দরপতন হতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও কেবল মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ঘটনাবলী ও আবেগের ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করছে। তাই মার্কেটের এই "রোলারকোস্টার" রাইড দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক, টেকনিক্যাল ও মৌলিক কারণগুলোর গুরুত্ব সীমিত হয়ে পড়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় আবারও মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়তে পারে। সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1584-1.1591 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার কাছ থেকে নতুন করে বাউন্স করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1745-1.1754 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1267-1.1292, 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। সোমবার ইউরোজোনে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, আর যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র বিদ্যমান আবাসন বিক্রয় সম্পর্কিত একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রকাশিত হবে। তাই মার্কেটের ট্রেডাররা আবারও সম্পূর্ণভাবে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ওপর মনোযোগ দেবে। Read more: https://ifxpr.com/4cpwT3u









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3562
From
Registered: 2014-11-17
 

১৫ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, কারণ মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। নতুন ট্রেডারদের জানা উচিত যে—গত দেড় সপ্তাহে একমাত্র ইতিবাচক ঘটনা ছিল মধ্যপ্রাচ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি, যা আর এক সপ্তাহ স্থায়ী থাকবে। একই সময়ে, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে, তেল ও গ্যাসের দাম উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করেনি বলে যেকোনো মুহূর্তে পুনরায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। গত রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে, তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। আমাদের মতে—এটাই সর্বোত্তম পরিস্থিতি: যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনা শুরু হওয়া। তবে এই তথ্য কেবল গতকাল রাতে এসেছে, তার আগেই প্রায় দেড় সপ্তাহ ধরে এই পেয়ারের মূল্য বাড়ছিল। তাই আমরা মনে করি মার্কেটে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ট্রেডিং কার্যক্রম ফিরে আসছে, যেখানে অর্থনীতি ও মৌলিক বিষয়গুলো যেকোনো ইন্সট্রুমেন্টের মূল্য নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এশীয় সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1755 এরিয়া থেকে দুইবার রিবাউন্ড করেছে, এবং ইউরোপীয় সেশনের শুরুর সময় এই পেয়ারের মূল্য সিগন্যাল গঠনের লেভেল থেকে মাত্র কয়েক পিপস দূরে ছিল। অতএব নতুন ট্রেডাররা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন। সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্য কেবল ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তাই লং পজিশনগুলো স্পষ্টভাবেই লাভজনক ছিল। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে এবং এমনকি গতিশীল হচ্ছে। দুই মাস ধরে কেবলমাত্র ভূ-রাজনৈতিক কারণে মার্কিন ডলারের অবিরত মূল্য বৃদ্ধির পর ট্রেডাররা হয়তো সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে এমন পরিস্থিতি চিরকাল চলতে পারে না। ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে ট্রেডাররা কার্যত ভূ-রাজনৈতিক পটভূমিকে উপেক্ষা করেছে। অতএব ট্রেডাররা পুনরায় অর্থনীতি এবং ট্রাম্পের কর্মকান্ডের প্রতি মনোযোগ দিতে পারে, এবং এক্ষেত্রে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশ সীমিতই বলা যায়। বুধবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। গতকালের বাই সিগন্যালগুলো লং পজিশন হোল্ড রাখার সুযোগ দিয়েছে, যেখানে মূল্যের 1.1830-1.1837 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1830-1.1837, এবং 1.1899-1.1908। বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং ক্রিস্টিন লাগার্ড ভাষণ দেবেন। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। Read more: https://ifxpr.com/3OGEJOb