ট্রেডারদের জন্য ডেইলী টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২০২৫~~Hedaet Forum~~


Email: Password: Forgot Password?   Sign up
Are you Ads here? conduct: +8801913 364186

Forum Home >>> Forex Trade >>> ট্রেডারদের জন্য ডেইলী টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২০২৫

InstaForexSushantay
Team Member
Total Post: 3659

From:
Registered: 2014-11-17
 

২ জানুয়ারি কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন?


মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ GBP/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার, একটি হরাইজন্টাল চ্যানেলের মধ্যে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং চলমান ছিল, যা 1.2502 এবং 1.2613 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ, এবং নববর্ষের ছুটির প্রভাবে পরিলক্ষিত "ফ্ল্যাট" মুভমেন্টটি সম্প্রসারিত হয়েছে। EUR/USD পেয়ারের মতো, এই পেয়ারের মূল্য 1.2502 লেভেলটি টেস্ট করেছে, যা এই চ্যানেলের নিম্ন সীমা হিসেবে কাজ করছে। ফলস্বরূপ, এই লেভেল থেকে একটি বাউন্স এবং 1.2613 দিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ ফ্ল্যাট মুভমেন্ট এখনও শেষ হয়নি। বর্তমানে, কোন গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট নেই, এবং নতুন বছর এবং বড়দিনের ছুটির পর মার্কেট সম্পূর্ণ স্থিতিশীল হতে আরও এক বা দুই সপ্তাহ সময় নিতে পারে। এখনও আগে থেকেই অনুমান করার সময় আসেনি যে ছুটির সময় শেষ হয়েছে এবং দ্রুত এই পেয়ারের মূল্যের প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্ট দেখা যাবে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট

GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের চার্টে দেখা যাচ্ছে যে মঙ্গলবার GBP/USD পেয়ারের বেশ এলোমেলো ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। 1.2547 লেভেলটি সারা দিন জুড়ে মূলত উপেক্ষা করা হয়েছিল। ফ্ল্যাট মার্কেটে, মধ্যবর্তী লেভেলের চেয়ে চ্যানেলের উপরের এবং নিম্ন সীমার উপর মনোযোগ দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত, মূল্য 1.2547 থেকে বাউন্স করে চ্যানেলের নিম্ন সীমায় পৌঁছেছে। তবে, এই সিগন্যাল থেকে লাভ করা কঠিন ছিল কারণ একই লেভেলের কাছে বেশ কয়েকটি ভুল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। স্পষ্টতই, 31 ডিসেম্বর ট্রেডিংয়ের জন্য আদর্শ দিন ছিল না।

বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশনের প্রধান পর্বটি সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন কনসলিডেশন পরিলক্ষিত হচ্ছে। মমধ্যমেয়াদে, আমরা পাউন্ডের দরপতনের সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করি, কারণ আমরা মনে করি এটিই একমাত্র যৌক্তিক ফলাফল। তবে, এটি উল্লেখযোগ্য যে দরপতনের ক্ষেত্রে পাউন্ড স্টার্লিং মার্কিন ডলারের বিপরীতে উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ প্রদর্শন করে। অতএব, এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করা হলেও, টেকনিক্যাল সিগন্যালের উপর নির্ভর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এবং ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের ফলাফল এই পেয়ারের মূল্যের আরও নিম্নমুখী মুভমেন্টের সম্ভাবনাকে সমর্থন করে। বৃহস্পতিবার, GBP/USD পেয়ার সম্ভবত 1.2502 থেকে 1.2613 এর মধ্যে অবস্থিত হরাইজন্টাল চ্যানেলের মধ্যে ট্রেডিং চালিয়ে যাবে। আজ সীমিত সংখ্যক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসে এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের প্রত্যাশা করা অতিরিক্ত আশাবাদী হবে। তা সত্ত্বেও, এই রেঞ্জের নিম্ন সীমার কাছে মূল্যের মুভমেন্ট নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, নিম্নলিখিত লেভেলগুলোর উপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করা যেতে পারে: 1.2387, 1.2445, 1.2502–1.2508, 1.2547, 1.2633, 1.2680–1.2685, 1.2723, 1.2791–1.2798, 1.2848–1.2860, 1.2913, এবং 1.2980–1.2993। এছাড়াও, বৃহস্পতিবার, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসের ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন কার্যক্রমের দ্বিতীয় অনুমান সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমরা মনে করি এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাবে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে না, যদি না প্রাথমিক অনুমান থেকে প্রকৃত ফলাফল উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতি দেখা যায়।

Read more: https://ifxpr.com/4j1Pncy





 

InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৩ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ার তীব্র দরপতনের সম্মুখীন হয়, নতুন বছরের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে ২ জানুয়ারিতে এই দরপতনের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে কোন কারণ ছিল না। তবে, 2024 সালের পুরো সময়জুড়ে মৌলিক প্রেক্ষাপট ইউরো এবং পাউন্ডের উল্লেখযোগ্য দরপতনের ইঙ্গিত দিয়েছে, যা আমরা একাধিকবার উল্লেখ করেছি। নতুন বছর শুরু হওয়ার সাথে সাথে আমরা একটি পরিচিত প্রবণতা লক্ষ্য করছি: ইউরোর মূল্য কমছে, ডলারের মূল্য বাড়ছে, এবং এই ধরনের মুভমেন্ট সম্পূর্ণরূপে যৌক্তিক হিসেবে বিবেচনা করা যায়। বৃহস্পতিবার জার্মানি, ইউরোজোন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানুফ্যাকচারিং PMI-র দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশিত হয়েছিল। তবে, এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাবে ইউরোর তীব্র দরপতন ঘটেনি; এগুলোর ফলাফল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল না, এবং দ্বিতীয় অনুমানগুলো সাধারণত প্রাথমিক অনুমানের তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ। বরং, আমরা 2024 সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া প্রবণতার ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করছি। ছুটির মৌসুমে মার্কেটে বিরতি নেয়া হয়েছিল এবং এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্য কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি হরাইজন্টাল চ্যানেলে ছিল। এখন, সেই নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বৃহস্পতিবার প্রায় শুরুতেই একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়। মূল্য পূর্বে চিহ্নিত 1.0334–1.0359 এর গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জের নিচে নেমে যায়। এর পরে, ইউরোর মূল্য সহজেই 1.0269–1.0277 জোন অতিক্রম করে এবং প্রায় 1.0223 লেভেলে পৌঁছায় স্পর্শ করে। সুতরাং, মূল্য 1.0269 লেভেলের নিচে থাকা অবস্থায় যেকোনো সময় সেল ট্রেড ক্লোজ করা হলে সেটি উল্লেখযোগ্য মুনাফা নিয়ে আসত। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্য ছুটিজনিত "ফ্ল্যাট রেঞ্জ" থেকে বেরিয়ে এসেছে। আমরা মনে করি যে মধ্য-মেয়াদে ইউরোর দরপতন পুনরায় শুরু হয়েছে এবং এই পেয়ারের মূল্য এখন প্যারিটি লেভেল (1.0000) এক ধাপ দূরে রয়েছে। পূর্বের মতো, ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণ দ্বারা সমর্থিত, যা মার্কিন ডলারের পক্ষে কাজ করছে। শুক্রবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.0269–1.0277 রেঞ্জ থেকে রিবাউন্ড করতে পারে এবং নিম্নমুখী মুভমেন্ট চলমান থাকতে পারে। মূল্য এই এরিয়া ব্রেক করলে সেটি কারেকশনের সম্ভাবনা নির্দেশ করতে পারে। 5-মিনিট টাইমফ্রেমে, নিম্নলিখিত লেভেলগুলোর দিকে নজর রাখুন: 1.0269–1.0277, 1.0334–1.0359, 1.0433–1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726–1.0733, 1.0797–1.0804, 1.0845–1.0851, এবং 1.0888–1.0896। শুক্রবার, মার্কিন ISM ম্যানুফ্যাকচারিং PMI প্রকাশিত হবে, যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রথম তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা বছরের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে ইতোমধ্যেই চরম অস্থিরতা লক্ষ্য করেছি, যা মূল প্রবণতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। Read more: https://ifxpr.com/40hxqzo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিংয়ের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ, ৬ জানুয়ারি EUR/USD পেয়ারের 5M চার্টের বিশ্লেষণ বৃহস্পতিবারের তীব্র দরপতনের পরে শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ধীরগতির ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন অব্যাহত ছিল। তবে, ইউরোর মূল্যের এই সাম্প্রতিক বৃদ্ধি মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নির্দেশ করে না; এটি শুধুমাত্র একটি কারেকশন বা পুলব্যাক, যা আরও বড় কিছুতে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। প্রতিটি প্রবণতার একসময় সমাপ্তি ঘটে, কিন্তু আপাতত বর্তমান বিয়ারিশ প্রবণতা শেষ হবে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। ছুটির সময়কালে, EUR/USD পেয়ার কার্যকরভাবে একটি কনসোলিডেশন পর্যায়ে ছিল, তবে এখন প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্ট পুনরায় শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের জুড়ে আমরা উল্লেখ করেছি যে, ইউরো $1.00–$1.02 রেঞ্জের মধ্যে ট্রেড করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা প্রায়শই দেখা যাচ্ছে। শুক্রবার, মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারত। একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন ISM ম্যানুফ্যাকচারিং PMI প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা মার্কেটে ডলার কেনার জন্য একটি কারণ প্রদান করেছিল। তবে, মার্কেটের ট্রেডাররা পরপর দ্বিতীয় দিনের মতো ইউরো বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় মোমেন্টাম হয়তো অর্জন করতে পারেনি। ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে প্রযুক্তিগত চিত্র এখনও আরও দরপতনের সম্ভাবনা নির্দেশ করে।ক্রিটিক্যাল লাইনের দিকে এই পেয়ারের মূল্যের কারেকশন হতে পারে এবং বিয়ারিশ প্রবণতা সম্ভবত অব্যাহত থাকবে। শুক্রবার, ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুধুমাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময়, মূল্য 1.0269 লেভেল থেকে রিবাউন্ড করে এবং দিনের শেষ নাগাদ ৩০ থেকে ৪০ পিপস বৃদ্ধি পায়। যদিও এটি কোন উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট ছিল না, এটি কেবল সহজে লাভ করার একটি সুযোগ প্রদান করেছিল। সারাদিনে আর কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। এছাড়াও, সোমবার এবং মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, যেখানে মূল্য 1.0340 লেভেলে পৌঁছাতে পারে, যেখানে ক্রিটিক্যাল লাইন কিজুন-সেন অবস্থিত। COT রিপোর্ট ২৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত সর্বশেষ কমিটমেন্ট অব ট্রেডার্স (সিওটি) রিপোর্ট অনুযায়ী, নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের অবস্থানে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে। যদিও তাদের নেট পজিশনের সংখ্যা বেশ দীর্ঘ সময়ের জন্য ঊর্ধ্বমুখী ছিল, বিক্রেতারা সম্প্রতি মার্কেটে আধিপত্য বিরাজ করছে। দুই মাস আগে, কমার্শিয়াল ট্রেডারদের শর্ট পজিশনের সংখ্যা বেড়েছে, যার ফলে দীর্ঘ সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো নেট পজিশনের সংখ্যা নেতিবাচক হয়েছে। এটি এই ইঙ্গিত দেয় যে এখন ইউরো কেনার চেয়ে বেশি বেশি বিক্রি করা হচ্ছে। আমরা এখনও ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি ঘটাতে পারে এমন কোন মৌলিক কারণ দেখতে পাচ্ছি না। বেশ অনেক দিন ধরেই, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ এই ইঙ্গিত দেয় যে এই পেয়ারের মূল্য কনসলিডেশন জোনে রয়েছে, যা মার্কেটে সাইডওয়েজ মুভমেন্ট সৃষ্টি করছে। সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে, এটা স্পষ্ট যে ডিসেম্বর 2022 থেকে, 1.0448 এবং 1.1274 এর মধ্যে এই কারেন্সি পেয়ারের ট্রেড করা হচ্ছে। যাইহোক, সম্প্রতি এই পেয়ারের মূল্য 1.0448 এর লেভেল ব্রেক করে নিচের দিকে যাওয়ায় আরও দরপতনের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 1H চার্টের বিশ্লেষণ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হয়েছে। আমরা মনে করি যে এই দরপতন মধ্যমেয়াদে চলমান থাকবে। ফেডারেল রিজার্ভ ২০২৫ সালে মাত্র ১ থেকে ২ বার সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা করছে, যা ট্রেডারদের বর্তমান প্রত্যাশার তুলনায় আরও হকিশ বা কঠোর অবস্থান নির্দেশ করে। ইউরোর উল্লেখযোগ্য শক্তিশালী হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। ৬ জানুয়ারির জন্য আমরা ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলোকে তুলে ধরছি - 1.0195, 1.0269, 1.0340-1.0366, 1.0485, 1.0585, 1.0658-1.0669, 1.0757, 1.0797, 1.0843, 1.0889, এবং সেনকৌ স্প্যান বি লাইন (1.0440) এবং কিজুন-সেন লাইন (1.0342) রয়েছে। মনে রাখবেন যে ইচিমোকু সূচকের লাইনগুলো দিনের বেলা অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে, যা ট্রেডিং সিগন্যাল সনাক্ত করার সময় বিবেচনা করা উচিত। সিগন্যালটি ভুল প্রমাণিত হলে সম্ভাব্য লোকসানের হাত থেকে সুরক্ষা পেতে এই পেয়ারের মূল্য নির্ধারিত দিকে 20 পিপস মুভমেন্টের পর ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। আজ দিনের প্রধান প্রতিবেদন হবে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন, যা আগামীকাল প্রকাশিতব্য ইউরোজোন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের পূর্বাভাস নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে। তবে, জার্মানির মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদন মার্কেটে সীমিত প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। তেমনি, জার্মানি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিষেবা খাতের PMI-এর দ্বিতীয় অনুমান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রভাবেও ট্রেডারদের থেকে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা করা হচ্ছে না। সামগ্রিকভাবে, ক্রিটিক্যাল লাইনের দিকে এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের পুনরুদ্ধার অব্যাহত থাকতে পারে। চার্টের সূচকসমূহের বর্ণনা: মূল্যের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো হচ্ছে গাঢ় লাল লাইন, যার কাছাকাছি মুভমেন্ট শেষ হতে পারে। এগুলো ট্রেডিং সিগন্যাল প্রদান করে না। কিজুন-সেন এবং সেনকৌ স্প্যান বি লাইন হল ইচিমোকু সূচকের লাইন, যা 4-ঘন্টা থেকে এক ঘন্টার চার্টে সরানো হয়েছে। এগুলো শক্তিশালী লাইন। এক্সট্রিম লেভেল হল হালকা লাল লাইন যেখান থেকে মূল্য আগে বাউন্স করেছে। এগুলো ট্রেডিং সিগন্যাল প্রদান করে। হলুদ লাইন হল ট্রেন্ড লাইন, ট্রেন্ড চ্যানেল এবং অন্য কোন প্রযুক্তিগত নিদর্শন। COT চার্টে সূচক 1 প্রতিটি শ্রেণীর ট্রেডারদের নেট পজিশনের আকার প্রতিফলিত করে, Read more: https://ifxpr.com/3DIqzGB









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৭ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, যা শুক্রবার শুরু হওয়া মোমেন্টামের উপর ভিত্তি করে আরও শক্তিশালী হয়েছে। বৃহস্পতিবারের দরপতনের পর শুক্রবারের মুভমেন্টকে একটি সাধারণ কারেকটিভ রিবাউন্ড হিসাবে দেখা যেতে পারে। তবে, সোমবারের ট্রেডিং কার্যক্রম সামগ্রিকভাবে মার্কেটের প্রেক্ষাপটের সাথে কম প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে। আগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত তিন দিনের মুভমেন্টগুলো কোন স্পষ্ট যৌক্তিকতা ছাড়াই ঘটেছে। বিশেষ করে, যদিও ইউরো কেনার জন্য কিছু কারণ ছিল, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন—জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছিল—যা ইউরোর মূল্যের তীব্র বৃদ্ধির পরে প্রকাশিত হয়। এটি আমাদের দুটি সম্ভাবনার দিকে নিয়ে যায়: হয় এই প্রতিবেদনটি ইউরোর বৃদ্ধিতে প্রভাবিত করেনি, অথবা মার্কেটের প্রধান প্লেয়াররা এর গুরুত্ব আগেই জানত, যা সাধারণ ট্রেডারদের জন্য এই মুভমেন্টকে আগে থেকেই অনুমান করা কঠিন করে তোলে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ইউরোর ট্রেডিং সিগন্যালগুলো বেশ শক্তিশালী ছিল, যা পুরো দিনের মুভমেন্টকে প্রতিফলিত করে। প্রথমত, মূল্য 1.0334 থেকে 1.0359 রেঞ্জটি ব্রেক করে যায়, এরপর মূল্য 1.0433 লেভেলটি টেস্ট করে এবং সেখান থেকে তিনবার রিবাউন্ড করে। এটি নতুন ট্রেডারদের প্রথমে লং পজিশন এবং পরবর্তীতে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ দেয়। সেল সিগন্যাল তৈরি হওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর, মূল্য আবার 1.0359 লেভেলে ফিরে যায় এবং পুনরায় রিবাউন্ড করে। এটি লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ দেয়। তিনটি ট্রেডই লাভজনকভাবে ছিল। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্য ছুটিজনিত "ফ্ল্যাট রেঞ্জ" থেকে বেরিয়ে এসেছে, প্রথমে দরপতন এবং পরে মূল্য তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা আশা করছি যে মধ্যমেয়াদে ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে, যেখানে প্যারিটির লেভেল বেশি দূরে নেই। মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনও মার্কিন ডলারকে সমর্থন করছে, যা ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনা নির্দেশ করে। মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্য 1.0451 লেভেল টেস্ট করার চেষ্টা করতে পারে, যেহেতু একটি নতুন কারেকশন শুরু হয়েছে। যদি মূল্য এই লেভেলের উপরে স্থিতিশীল হয়, তাহলে কারেকশন দীর্ঘ সময়ের জন্য অব্যাহত থাকতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, 1.0845-1.0851। মঙ্গলবার ইউরোজোনে বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন মূল গুরুত্ব বহন করবে। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ISM পরিষেবা সংক্রান্ত PMI এবং JOLTs জব ওপেনিং সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। Read more: https://ifxpr.com/4a5GM4M









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৮ জানুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0386 এর লেভেলে পৌঁছায়, যা ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং নিম্নমুখী মুভমেন্ট কাজে লাগাতে পারিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল ডলারের চাহিদা বাড়াচ্ছে, যার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের ক্রেতারা মূল্যকে স্থানীয় সর্বোচ্চ লেভেলের আশেপাশে দৃঢ়ভাবে স্থিতিশীল করতে পারছে না। আজ, জার্মানি থেকে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশের প্রত্যাশার কারণে ইউরো/ডলার পেয়ারের উপর চাপ অব্যাহত থাকতে পারে। জার্মানিতে খুচরা বাণিজ্যের পরিমাণ পরিবর্তন এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্ডার সম্পর্কিত প্রতিবেদনের হতাশাজনক পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, যা ইউরোর আরও বড় মাত্রার বিক্রয় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। জার্মানিতে খুচরা বাণিজ্যের পরিমাণ হ্রাস ভোক্তাদের চাহিদা কমার ইঙ্গিত দেয়, যা সম্ভবত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং ক্রয় ক্ষমতার হ্রাসের কারণে ঘটেছে। এই পরিস্থিতি অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টি করে, কারণ অভ্যন্তরীণ চাহিদা প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালক। তদ্ব্যতীত, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্ডারের পতন উৎপাদন কার্যক্রমে মন্দার ইঙ্গিত দেয়, যা দেশটির রপ্তানিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে—যা ঐতিহ্যগতভাবে জার্মানির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। জার্মানির অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রায়ই ইউরোজোন জুড়ে সম্ভাব্য সংকটের সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হয়, যা ইউরোর মূল্যকে প্রভাবিত করে। আজকের ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0394-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0363-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0394 পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। শুধুমাত্র প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশের পরেই দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির উপর নির্ভর করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0345-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0363 এবং 1.0394-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির আশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0345-এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0314-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোনো মুহূর্তে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে৷ পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0363-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0345 এবং 1.0314-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। চার্টে কী আছে: হালকা সবুজ লাইন: এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট ক্রয়ের জন্য এন্ট্রি প্রাইস। গাঢ় সবুজ লাইন: টেক-প্রফিট (TP) সেট করতে পারেন বা ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা, কারণ এই লেভেলের উপরে আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। হালকা লাল লাইন: এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট বিক্রয়ের জন্য এন্ট্রি প্রাইস। গাঢ় লাল লাইন:টেক-প্রফিট (TP) সেট করতে পারেন বা ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা, কারণ এই লেভেলের নিচে আরও দরপতনের সম্ভাবনা নেই। MACD সূচক: মার্কেটে এন্ট্রি করার সময়, ওভারবট এবং ওভারসোল্ড জোন চিহ্নিত করা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ন পরামর্শ: মার্কেটে এন্ট্রির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খুব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে, মূল্যের তীব্র ওঠানামা এড়াতে ট্রেডিং না করাই উচিত। সংবাদ প্রকাশের সময় ট্রেড করলে, ঝুঁকি কমাতে সর্বদা স্টপ-লস অর্ডার সেট করুন। স্টপ-লস অর্ডার বা মানি ম্যানেজমেন্টের কৌশল ছাড়াই ট্রেড করলে আপনার ডিপোজিট দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে, বিশেষ করে বড় ভলিউমে ট্রেড করার সময়। সফলভাবে ট্রেড করার জন্য ট্রেডিংয়ের একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে, ঠিক যেমনটি আমি এই নিবন্ধে প্রদর্শন করেছি। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে ট্রেডিংয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সিদ্ধান্ত দৈনিক ভিত্তিতে ট্রেড করা যেকোন নতুন ট্রেডারের জন্য সহজাতভাবে লোকসান বয়ে নিয়ে আসতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3DM8reY









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৯ জানুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে যাওয়া শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0305 এর লেভেলে পৌঁছায়, যা ইউরো কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 20 পিপসের বেশি বেড়েছে। গতকাল প্রকাশিত ডিসেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের মিনিট বা কার্যবিবরণী ডলারকে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে সমর্থন যুগিয়েছে। এটি একরকম স্পষ্ট যে ফেড মনে করে ধীরগতিতে সুদের হার কমানো উপযুক্ত হতে পারে। ফেডের অনেক নীতিনির্ধারক মনে করেন যে সুদের হার কমানো চালিয়ে যাওয়া উচিত, তবে তা আরও পরিমিত মাত্রায় করা উচিত। ফেডের সদস্যরা ট্রাম্পের নীতির কারণে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন যে এই অনিশ্চয়তার কারণে ধীর গতিতে সুদের হার কমানো যুক্তিযুক্ত। এই কারণগুলো শেষ পর্যন্ত ডলারকে সমর্থন করেছে। আজ প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনে জার্মানির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ বাড়ার কারণে ইউরোর দুর্বলতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। বিনিয়োগকারীরা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) দ্বারা আর্থিক নীতিমালার আরও নমনীয়করণের ঝুঁকি মূল্যায়ন করবেন, বিশেষত মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের অবনতির আলোকে। যদি ইউরোজোনের খুচরা বিক্রয় এবং জার্মানির শিল্প উৎপাদনের পরিসংখ্যানের ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে কম হয়, তবে এটি ইউরোর উপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও, ট্রেডাররা ইসিবির প্রতিনিধিদের বক্তব্য ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে, কারণ এগুলো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। আজকের দৈনিক ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #১: আজ যখন মূল্য 1.0354-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0317-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0354 পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। শুধুমাত্র প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশের পরেই দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির উপর নির্ভর করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #২: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0295-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0317 এবং 1.0354 স্তরের দিকে উত্থান আশা করা যেতে পারে। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #১: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0295-এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0262-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোনো মুহূর্তে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #২: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0317-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0295 এবং 1.0262-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4gMstEK









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১০ জানুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0317 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো কেনার সিদ্ধান্ত নেইনি, এবং অন্য কোন এন্ট্রি পয়েন্টও পাওয়া যায়নি। গতকাল ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তাদের মন্তব্য মার্কিন ডলারের চাহিদাকে সমর্থন যুগিয়েছে। মিশেল বোম্যান উল্লেখ করেছেন যে মুদ্রাস্ফীতি এখনও উচ্চস্তরে রয়েছে এবং এর পুনরুত্থানের ঝুঁকি রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন যে যতক্ষণ না মুদ্রাস্ফীতি পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয় ততক্ষণ ডিসেম্বর মাসই সুদের হার কমানোর শেষ মাস হওয়া উচিত। প্যাট্রিক হার্কারও উল্লেখ করেছেন যে মুদ্রাস্ফীতি 2% এ নামিয়ে আনতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগবে এবং তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে বর্তমান অনিশ্চয়তার মধ্যে সুদের হার হ্রাসের ব্যাপারে ফেডের সাময়িক বিরতি নেওয়ার কথা বিবেচনা করা উচিত। আজ সকালে ইউরোজোন থেকে উল্লেখযোগ্য কোন প্রতিবেদন প্রকাশের কথা নেই, তবে ফ্রান্সের ভোক্তা ব্যয়ের পরিবর্তন, শিল্প উৎপাদন এবং ইতালির খুচরা বিক্রয়ের পরিসংখ্যান উপেক্ষা করা উচিত নয়। শুধুমাত্র এই প্রতিবেদনগুলোর খুব দুর্বল ফলাফলই মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগে মার্কেটে ইউরো বিক্রয়ের চাপ সৃষ্টি করতে পারে। আজকের দৈনিক ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0322-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0298-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0322পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। শুধুমাত্র প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশের পরেই দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের বুলিশ প্রবণতা দেখা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0278-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0298 and 1.0322-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির আশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0278-এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0253-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোনো মুহূর্তে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0298-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0278 and 1.0253-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4aaTD5M









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিংয়ের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ, ১৩ জানুয়ারি EUR/USD পেয়ারের 5-মিনিটের চার্টের বিশ্লেষণ শুক্রবার EUR/USD পেয়ার তীব্র দরপতনের শিকার হয়, এবং মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে পুরো দরপতন ঘটে। নন-ফার্ম পেরোল এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর, ইউরোর মূল্য প্রায় 100 পিপস কমে যায়। তবে, আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে, এই সময়ে ডলার 100 পিপস শক্তিশালী হয়। ইউরোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি মূলত মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক সমর্থনের উপর নির্ভর করতে পারে না। সুতরাং, যেকোনো সমর্থন প্রযুক্তিগত কারণ থেকেই আসতে হবে। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ে, এই পেয়ারের মূল্য পূর্ববর্তী স্থানীয় নিম্ন লেভেলের নিচে যেতে ব্যর্থ হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও 1.0230 লেভেলের নিচে এই পেয়ারের বিক্রির জন্য প্রস্তুত নয়। যদিও এটি কাকতালীয় হতে পারে, তবে এটি একটি সম্ভাব্য কনসোলিডেশনের ইঙ্গিতও দিতে পারে। 4-ঘন্টার টাইমফ্রেমে দেখা যাচ্ছে, মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে ফ্ল্যাট রেঞ্জের নিচের সীমানা 1.0230 এবং উপরের সীমানা 1.0430 হতে পারে। শুক্রবার প্রকাশিত ডিসেম্বরের ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ছিল, এবং বেকারত্বের হার প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। এটি ট্রেডারদের ডলার কেনার জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন দিয়েছে, যারা গত তিন মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে ডলার ক্রয়ের প্রবণতা বজায় রেখেছে। এই প্রেক্ষাপটে, ইউরোর এত কম দরপতন হওয়াই আশ্চর্যের বিষয়। যদিও শুক্রবার এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট বেশ তীব্র ছিল, তবে দরপতন এতটাই আকস্মিক ছিল যে কার্যকর ট্রেডিংয়ের সুযোগ খুব কম ছিল। 4-ঘন্টার টাইমফ্রেমে যারা আগাম শর্ট পজিশনে এন্ট্রি করেছিলেন, তারা ভালো ফল পেয়েছেন। তবে, 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, মার্কিন প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানোর খুব কম সুযোগ ছিল। একমাত্র কার্যকর ট্রেড ছিল 1.0269 লেভেল থেকে দুটি রিবাউন্ড, যা থেকে মুনাফা করা সম্ভব ছিল। COT রিপোর্ট ৩১ ডিসেম্বরে প্রকাশিত সর্বশেষ কমিটমেন্ট অব ট্রেডার্স (COT) রিপোর্টে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের নেট পজিশন এখন বুলিশ রয়েছে। তবে, সম্প্রতি বিয়ারিশ ট্রেডাররা আধিপত্য বিস্তার করেছে। দুই মাস আগে, প্রফেশনাল ট্রেডারদের শর্ট পজিশনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছিল, যার ফলে দীর্ঘ সময় পর প্রথমবারের মতো নেট পজিশনের নেগেটিভ মান দেখা গিয়েছে। এই পরিবর্তন এই ইঙ্গিত দেয় যে ইউরো বেশি বিক্রি করা হচ্ছে এবং কম কেনা হচ্ছে। আমরা এখনও ইউরোর দর বৃদ্ধির জন্য কোনো মৌলিক প্রভাবক চিহ্নিত করতে পারিনি। প্রযুক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে, EUR/USD পেয়ার দীর্ঘ সময় ধরে কনসোলিডেশন পর্যায়ে রয়েছে। সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে, ডিসেম্বর 2022 থেকে ইউরো 1.0448 এবং 1.1274 লেভেলের মধ্যে ট্রেড করেছে। 1.0448 লেভেল ব্রেকের ফলে আরও দরপতনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এছাড়াও, COT রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে লাল এবং নীল লাইন একে অপরকে অতিক্রম করেছে, যা মার্কেটে বিয়ারিশ প্রবণতা নির্দেশ করে। সর্বশেষ সাপ্তাহিক রিপোর্ট অনুযায়ী, নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের লং পজিশনের সংখ্যা 9,300 বৃদ্ধি পেয়েছে, যখন শর্ট পজিশনের সংখ্যা 10,400 বেড়েছে, যার ফলে নেট পজিশনের সংখ্যা 1,100 হ্রাস পেয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 1H চার্টের বিশ্লেষণ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, আবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তিন মাসব্যাপী নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু করার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমরা মনে করি যে মধ্যমেয়াদে এই পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকবে। ফেডারেল রিজার্ভ 2025 সালে মাত্র একবার বা দুবার সুদের হার কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা ট্রেডারদের প্রত্যাশার চেয়ে অধিক হকিশ বা কঠোর অবস্থান। আমরা মনে করি যে ইউরোর মূল্যের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিকে সমর্থন করার জন্য কোনো মৌলিক কারণ নেই। এই পেয়ারের মূল্য ইচিমোকু সূচকের লাইনগুলোর নিচে থাকার ফলে এখনও বিয়ারিশ প্রবণতা বিরাজ করছে। আজকের গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেলগুলো হলো: 1.0195, 1.0269, 1.0340–1.0366, 1.0461, 1.0524, 1.0585, 1.0658–1.0669, 1.0757, 1.0797, 1.0843, এবং 1.0889। এছাড়াও, সেনকৌ স্প্যান বি লাইন (1.0342) এবং কিজুন-সেন (1.0325) লাইনের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। মনে রাখবেন যে ইচিমোকু সূচকের লাইনগুলো দিনের বেলা অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে, যা ট্রেডিং সিগন্যাল সনাক্ত করার সময় বিবেচনা করা উচিত। সিগন্যালটি ভুল প্রমাণিত হলে সম্ভাব্য লোকসানের হাত থেকে সুরক্ষা পেতে এই পেয়ারের মূল্য নির্ধারিত দিকে 20 পিপস মুভমেন্টের পর ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। সোমবার ইউরোজোন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। যদি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন চলমান থাকে, তবে 1.0430 লেভেলের দিকে একটি হরাইজন্টাল চ্যানেলের মধ্যে মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। বিপরীতে, যদি 1.0230 লেভেল ব্রেকের জন্য নতুন প্রচেষ্টা দেখা যায়, তবে এটি মার্কেটের ট্রেডারদের এই পেয়ার বিক্রি করার প্রস্তুতি নির্দেশ করবে। Read more: https://ifxpr.com/4jeCegE









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৪ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার, অবশেষে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশনের লক্ষণ শুরু হয়েছে। তবে, ইউরোর আরও একটি দরপতনের মধ্য দিয়ে দৈনিন ট্রেডিং শুরু হয়েছিল, যা কিছুটা অপ্রত্যাশিত ছিল। যদিও এই দরপতন খুব বেশি ছিল না, এটি ইউরোপীয় মুদ্রার আরও একটি দুর্বলতা প্রদর্শন করেছিল। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়, তবে প্রাথমিক রেজিস্ট্যান্স লেভেল এই মুভমেন্টকে থামিয়ে দেয়। বিগত চার মাস ধরে ইউরোর মূল্য ধারাবাহিকভাবে দরপতনের শিকার হচ্ছে এবং মূল্য ইতোমধ্যেই 2024-এর জন্য নির্ধারিত প্রধান টার্গেট এরিয়ায় পৌঁছেছে। তাই এখন একটি কারেকশন শুরু হওয়া যৌক্তিক মনে হচ্ছে। তবে এটি পুরোপুরিভাবে বাজার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। যদি ইউরোর কোনো ক্রেতা না থাকে, তবে কারেকশন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই, যদিও এটি প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। এটি উল্লেখযোগ্য যে, গতকাল এই পেয়ারের মূল্যের উত্থান বা দরপতনের জন্য কোনো স্থানীয় কারণ ছিল না, কারণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক এবং মৌলিক ক্যালেন্ডার প্রায় ফাঁকা ছিল। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। প্রথমে, মূল্য 1.0223 লেভেলের নিচে নেমে যায় এবং পরে নিচে থেকে রিবাউন্ড করে। উভয় ক্ষেত্রেই এই পেয়ারের মূল্য নিকটতম টার্গেট লেভেলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছিল, যার অর্থ উভয় ট্রেডই স্টপ লস ব্যবহার করে ব্রেকইভেনে বন্ধ করা যেত। সোমবার রাতে, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই এই পেয়ারের মূল্য হঠাৎ বেড়ে যায়, তবে মূল্য 1.0269-1.0277 রেঞ্জ থেকে রিবাউন্ড করে। এটি নির্দেশ করে যে আজ ইউরোর আরও একবার দরপতন হতে পারে। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের এখনও নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। আমরা মনে করি যে মাঝারি মেয়াদে ইউরোর দরপতন পুনরায় শুরু হয়েছে এবং ডলারের সাথে প্যারিটির লেভেলে পৌঁছানোর জন্য খুব বেশি দূরত্ব বাকি নেই। ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে কারণ মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারকে সমর্থন করে চলেছে। মঙ্গলবার তুলনামূলকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের শান্ত মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে নিম্নমুখী প্রবণতা, বিশেষত গত তিন মাসের স্থানীয় নিম্নমুখী প্রবণতা, এখনও অটুট রয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও এই পেয়ার বিক্রি করে চলেছে, এমনকি মার্কিন শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্যপ্রতিবেদনও ছাড়াও এই পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো বিবেচনা করুন: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। মঙ্গলবারের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হলো যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদক মূল্য সূচকের (PPI) প্রকাশনা। যদিও আমরা এই প্রতিবেদনটিকে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি না, তবে মার্কেটের ট্রেডাররা বর্তমানে এমন দিনেও সক্রিয়ভাবে ট্রেড করতে প্রস্তুত রয়েছে, যেদিন নির্ধারিত কোনো ইভেন্ট নেই। Read more: https://ifxpr.com/3CgaWpi









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৫ জানুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0245 এর লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিইনি। এর কিছুক্ষণ পরে, 1.0245 লেভেল আবার টেস্ট করা হয়, সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড অঞ্চলে ছিল, যার ফলে পরিকল্পনা #2 প্রয়োগ করে ইউরো ক্রয় হয় এবং এতে এই পেয়ারের মূল্যের 50 পিপের বেশি বৃদ্ধি ঘটে। ট্রেডাররা মার্কিন বাণিজ্য নীতির সম্ভাব্য পরিবর্তনের দিকে মনোনিবেশ করছে। ট্রাম্পের ধাপে ধাপে শুল্ক আরোপ নিয়ে স্পষ্ট কোন বিবৃতি না আসায় অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, যা ইউরোকে শক্তিশালী করেছে এবং ডলারকে দুর্বল করেছে। তদুপরি, মার্কিন প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স বা উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল হওয়ায় ডলার আরও চাপের মুখে পড়েছে। সামগ্রিক অস্থিরতা সত্ত্বেও, ইউরো অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর কারণে চাপের মধ্যে রয়েছে, যেমন ধীর প্রবৃদ্ধি এবং নিম্ন মুদ্রাস্ফীতি। তবে, বাণিজ্য নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত স্বল্পমেয়াদী কারণগুলো সাময়িকভাবে ইউরোকে ডলারের তুলনায় কিছুটা সুবিধা দিতে পারে। এছাড়াও, ট্রেডাররা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মন্তব্যের জন্য অপেক্ষা করছে, যা এই পেয়ারের মূল্যের অতিরিক্ত ওঠানামা সৃষ্টি করতে পারে। আজ প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে রয়েছে ইতালির কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বা ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) এবং জার্মানির হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স বা পাইকারি মূল্য সূচক, যা ইউরোর ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য সমর্থন দেওয়ার সম্ভাবনা কম। ইতালির CPI ভোক্তা মূল্য সূচকের প্রবণতার ওপর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করবে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ নির্দেশ করতে পারে। যদি এই প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়, তবে এটি ইসিবি-কে সুদের হার সংক্রান্ত নীতিমালা সমন্বয় করার চাপ বাড়াতে পারে, যা পরোক্ষভাবে ইউরোকে সমর্থন করবে। অন্যদিকে, জার্মানির পাইকারি মূল্য সূচক উৎপাদক পর্যায়ে সরবরাহ এবং চাহিদার ব্যাপারে আলোকপাত করবে। পাইকারি মূল্য সূচকের পতন মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করতে পারে, যা ইউরোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে ইউরোর মূল্য মার্কিন অর্থনৈতিক নীতিমালার দ্বারা প্রভাবিত হয়, যেখানে ফেডারেল রিজার্ভের পদক্ষেপগুলো ইউরোর মূল্যের গতিশীলতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0344-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0309-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0344 পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। দিনের প্রথমার্ধে শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলেই ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0290-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0309 এবং 1.0344-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির আশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0290 এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0253-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0309-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0290 এবং 1.0253-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/42kkKJP









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৬ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য ভোলাটিলিটি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে, মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করার সময় এই পেয়ারের মূল্য স্থবির ছিল। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর, এই পেয়ারের মূল্য তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায়, যদিও মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল ডলারের জন্য সুস্পষ্টভাবে নেতিবাচক ছিল না। তবে, এক ঘণ্টার মধ্যেই ইউরো আবার তীব্র দরপতনের শিকার হয়য়। সাম্প্রতিক এই মুভমেন্ট এই ইঙ্গিত দেয় যে মার্কেটে আরেকটি কারেকশন হয়েছে, যা সম্ভবত গতকাল শেষ হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গত সাড়ে তিনমাস ধরে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, এবং গত ১৬ বছর ধরে সামগ্রিক নিম্নমুখী প্রবণতা বিদ্যমান। তাই, এই পেয়ারের আরও দরপতনের প্রত্যাশা করা যৌক্তিক। মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ব্যাপারে, যদিও ব্যাখ্যাটি ভিন্ন মনে হতে পারে, আমরা মনে করি মূল বিষয় হলো মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচক টানা তিন মাস ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি পূর্বের অনুমান অনুযায়ী ২০২৫ সালে ফেডারেল রিজার্ভের দুইবার সুদের হার হ্রাসের বিষয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে, যা ডলারের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করেছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার দুটি স্পষ্ট ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে, এই পেয়ারের মূল্য 1.0334–1.0359 রেঞ্জ থেকে রিবাউন্ড করে এবং তারপর 1.0269–1.0277 রেঞ্জে নেমে আসে। উভয় ক্ষেত্রেই একটি রিবাউন্ড ঘটে, যা একটি ট্রেডিং সিগনাল প্রদান করে। নতুন ট্রেডাররা প্রথমে একটি শর্ট পজিশন ওপেন করতে এবং পরবর্তীতে একটি লং পজিশন ওপেন করতে পারত, দুটি পজিশনই লাভজনক ছিল। মূলত, লং পজিশনটি বৃহস্পতিবারেও হোল্ড করে রাখা যেতে পারে। বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার বিরাজ করছে। আমরা মনে করি মধ্যমেয়াদে ইউরোর দরপতন আবার শুরু হয়েছে, এবং ডলারের সাথে প্যারিটির লেভেলে পৌঁছানোর জন্য খুব বেশি দূরত্ব বাকি নেই। পূর্বের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ইউরো আরও দরপতন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণ দ্বারা সমর্থিত, যা মার্কিন ডলারকে সুবিধা দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্যের তুলনামূলকভাবে শান্ত মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বেশ দুর্বল, যার মানে ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণে টেকনিক্যাল সিগনালগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে, নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.0156, 1.0221, 1.0269–1.0277, 1.0334–1.0359, 1.0433–1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726–1.0733, 1.0797–1.0804, এবং 1.0845–1.0851। ইউরোজোনে, বৃহস্পতিবার জার্মানিতে ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশিত হবে, তবে কোনো চমকপ্রদ ফলফলের আশা করা হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হবে খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন, তবে এটি মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে বলে মনে হচ্ছে না। Read more: https://ifxpr.com/40h5D14









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৭ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং মূলত সাইডওয়েজ মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। আমরা পূর্বেই অনুমান করেছিলাম যে নির্ধারিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলো মার্কেটে বড় কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হবে না, এবং আমাদের এই অনুমান সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য 1.0269 লেভেলটি আবারও টেস্ট করেছে এবং সেখান থেকে বাউন্স করেছে, তবে এটি নতুন করে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশনের ইঙ্গিত দেয় না। উল্লেখযোগ্য যে, এই সপ্তাহে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল মূলত ডলারের দর বৃদ্ধিকে সমর্থন যুগিয়েছে, ইউরোর নয়। গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে যে টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করার সম্ভাবনা কমিয়ে দিয়েছে। তাই, শিগগিরই ফেডের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা নেই, যেখানে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) আর্থিক নীতিমালার নমনীয়করণ চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা মনে করি, এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী মুভমেন্ট পুনরায় শুরু হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে কেবলমাত্র একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে মূল্য 1.0269-1.0277 রেঞ্জ থেকে বাউন্স করতে সংগ্রাম করেছে এবং ৩০ পিপসের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। মার্কিন খুচরা বিক্রয় প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা নেতিবাচক ছিল, যা ইউরোকে সামান্য সহায়তা প্রদান করেছে। তবে, লক্ষ্যণীয় যে সামগ্রিকভাবে এমনকি ঘণ্টাভিত্তিক চার্টেও এই পেয়ারের মূল্যের বিয়ারিশ প্রবণতা বিরাজ করছে। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আমরা মনে করি যে, মধ্যমেয়াদে ইউরোর দরপতন পুনরায় শুরু হয়েছে এবং এটির মূল্য ডলারের সাথে প্যারিটি লেভেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ইউরোর আরও দরপতন সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ মার্কিন ডলার মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে অব্যাহতভাবে সমর্থন পেয়ে চলেছে। শুক্রবারে এই পেয়ারের মূল্যের শান্ত মুভমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে, এবং ইউরোর মূল্যের আরও নিম্নমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা আশা করছি যে, আজ মূল্য 1.0269-1.0277 রেঞ্জট ব্রেক করতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। শুক্রবারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিসেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির দ্বিতীয় পূর্বাভাস প্রকাশ করা হবে, যা তেমন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রে নির্মাণ অনুমোদন এবং শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে, এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাবে মার্কেটে শক্তিশালী মুভমেন্টের সম্ভাবনা কম। Read more: https://ifxpr.com/4gXZ76e









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২০ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার সাইডওয়েজ মুভমেন্টের সাথে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেড করা হয়েছে। যদিও আমরা এখনও মনে করি না যে ইউরোর মূল্যের ফ্ল্যাট মুভমেন্ট বিরাজ করছে, তবে সপ্তাহের শেষ তিনদিনের ট্রেডিংয়ে এই পেয়ারের মূল্য 1.0269 এবং 1.0359 লেভেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। দুর্বল সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমির প্রভাবে এই ধরনের পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হয়েছে। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি যে, যদিও বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তবুও সেগুলো ট্রেডারদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। এর ফলে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রতি ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া স্বল্পস্থায়ী ছিল এবং সামগ্রিক প্রযুক্তিগত পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি, যা চার্টে প্রতিফলিত হয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো যে, এই পেয়ারের মূল্য দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেলের কাছাকাছি থাকার পরেও, এই লেভেল থেকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে সংগ্রাম করছে, যা হায়ার টাইমফ্রেমে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। এটি নির্দেশ করে যে মার্কেটের ট্রেডাররা মাঝে মাঝে বিরতি নিচ্ছে, যা চার্টে সামান্য দর বৃদ্ধি বা সাইডওয়েজ মুভমেন্টের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। আমরা মনে করি যে অব্যাহতভাবে ইউরোর দরপতন হবে, এবং এই মুহূর্তে মূল্য বিপরীতমুখী হয়ে বুলিশ মুভমেন্ট দেখতে পাওয়ার কোন সংকেত দেখা যাচ্ছে না। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, শুক্রবার দুটি চমৎকার বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মূল্য 1.0269-1.0277 লেভেল থেকে দুইবার রিবাউন্ড করেছিল। যদিও শক্তিশালী বিয়ারিশ প্রবণতার সময় বাই সিগন্যাল সাধারণত অগ্রাধিকার পায় না, শুক্রবার এই ট্রেডগুলো লাভজনক ছিল। প্রথম ক্ষেত্রে, মূল্য প্রায় ২০ পিপস বেড়েছে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, মূল্য প্রায় ৪৫ পিপস বেড়েছে, যা পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা মাত্র ৩ পিপস দূরে ছিল। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। আমরা মনে করি যে মধ্যমেয়াদে ইউরোর দরপতন পুনরায় শুরু হয়েছে, এবং এখন ইউরোর মূল্য ডলারের সাথে প্যারিটি লেভেলের কাছাকাছি যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ডলারের জন্য অনুকূল হওয়ায় ইউরোর দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার এই পেয়ারের মূল্যের সীমিত মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, এবং ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা আশা করছি যে এই পেয়ারের মূল্য শীঘ্রই 1.0269-1.0277 এর লেভেল ব্রেক করবে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনায় নেওয়া উচিত: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। সোমবার ইউরোজোন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বড় ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার বা প্রতিবেদনের প্রকাশনা নির্ধারিত নেই। ফলে, সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যাবে, এবং মূল্য আরও একদিন 1.0269-1.0359 রেঞ্জের মধ্যে থাকতে পারে। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী: 1) সিগন্যালের শক্তি: সিগন্যাল গঠন করতে কতক্ষণ সময় নেয় তার উপর ভিত্তি করে সিগন্যালের শক্তি নির্ধারণ করা হয় (বাউন্স বা লেভেলের ব্রেকথ্রু)। এটি গঠন করতে যত কম সময় লাগবে, সিগন্যাল তত শক্তিশালী হবে। 2) ভুল সিগন্যাল: যদি ভুল সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট লেভেলের কাছাকাছি দুটি বা ততোধিক পজিশন খোলা হয় (যা টেক প্রফিট শুরু করেনি বা নিকটতম লক্ষ্যমাত্রায় পৌছায়নি), তাহলে এই লেভেলে প্রাপ্ত পরবর্তী সমস্ত সিগন্যাল উপেক্ষা করা উচিত। 3) ফ্ল্যাট মার্কেট: ফ্ল্যাট মার্কেটের সময়, যেকোন পেয়ারের একাধিক ফলস সিগন্যাল তৈরি হতে পারে বা কোন সিগন্যালের গঠন নাও হতে পারে। যাই হোক না কেন, ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়া মাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেয়া উচিত। 4) ট্রেডিং টাইমফ্রেম: ইউরোপীয় সেশনের শুরু এবং মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময়ে ট্রেড ওপেন করা উচিত। এর বাইরে সমস্ত ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করতে হবে। 5) MACD সূচকের সিগন্যাল: প্রতি ঘন্টার চার্টে, শুধুমাত্র উল্লেখযোগ্য ভোলাট্যালিটি এবং প্রতিষ্ঠিত প্রবণতার মধ্যেই MACD থেকে প্রাপ্ত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে ট্রেড করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা একটি ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেল দ্বারা নিশ্চিত করা হয়। 6) কাছাকাছি লেভেল: যদি দুটি লেভেল একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হয় (5 থেকে 15 পিপস পর্যন্ত), সেগুলোকে সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। 7) স্টপ লস: মূল্য 15 পিপস উদ্দেশ্যমূলক দিকে যাওয়ার পর, ব্রেক-ইভেনে স্টপ লস সেট করা উচিত। চার্টে কী কী আছে: সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো হল সেই লেভেল যা কারেন্সি পেয়ার কেনা বা বিক্রি করার সময় লক্ষ্যমাত্রা হিসাবে কাজ করে। আপনি এই লেভেলগুলোর কাছাকাছি টেক প্রফিট সেট করতে পারেন। লাল লাইন হল চ্যানেল বা ট্রেন্ড লাইন যা বর্তমান প্রবণতা প্রদর্শন করে এবং দেখায় যে এখন কোন দিকে ট্রেড করা ভাল হবে। MACD (14,22,3) সূচক, হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করে, এটি একটি সহায়ক টুল হিসেবে কাজ করে এবং এটি সিগন্যালের উৎস হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা এবং প্রতিবেদন (সর্বদা নিউজ ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত থাকে) যেকোন কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের গতিশীলতাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। অতএব, এগুলো প্রকাশের সময় অত্যন্ত সতর্কভাবে ট্রেডিং করতে হবে। প্রচলিত প্রবণতার বিপরীতে আকস্মিকভাবে মূল্যের পরিবর্তন থেকে সুরক্ষিত থাকতে মার্কেটে থেকে বের হয়ে যাওয়াই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। নতুন ট্রেডারদের সর্বদা মনে রাখতে হবে যে প্রতিটি ট্রেড থেকে লাভ হবে না। একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ ও কার্যকর অর্থ ব্যবস্থাপনাই দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ের সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। Read more: https://ifxpr.com/42jEg90









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২১ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তীব্র এবং শক্তিশালী বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। মার্কেটে ট্রেডিং শুরু হওয়ার পরপরই ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা দৈনিক এবং সাপ্তাহিক ট্রেডিংয়ের সূচনা চিহ্নিত করে। এই মুভমেন্টটি নির্দেশ করে যে ডলারের দরপতন কোনো নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক কারণের সাথে সম্পর্কিত ছিল না। দিনের একমাত্র উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ, যা কোনো ধরনের ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়। ডলারের দরপতন স্বাভাবিকভাবে এই ইভেন্টের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। যদিও ট্রাম্প কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন, তবে এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে তার ভাষণের অনেক আগেই বা শপথ গ্রহণের পূর্বেই ডলারের দরপতন শুরু হয়েছিল। এই ধরনের পরিস্থিতি মার্কেটের ট্রেডারদের অপ্রত্যাশিত আবেগকে প্রতিফলিত করে। আমরা মনে করি যে এ ধরনের অনিয়মিত মুভমেন্ট এড়িয়ে যাওয়া উচিত। গতকাল বেশ কিছু শক্তিশালী ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট চলাকালীন সময়ে ট্রেডিং করা হলে সাধারণত অনিয়মিতভাবে মূল্যের পরিবর্তন, আকস্মিক বিপরীতমুখী মুভমেন্ট, এবং উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার, বেশ কয়েকটি শক্তিশালী সিগন্যাল গঠিত হয়। রাতের বেলা মূল্য 1.0269-1.0277 রেঞ্জ থেকে রিবাউন্ড করে এবং দিনের অর্ধেক সময় ধরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে মার্কিন সেশনে 1.0433 লেভেলে পৌঁছায়। এই সিগন্যালটির উপর ভিত্তি করে রাতেই ট্রেড করা যেত বা ইউরোপীয় সেশনে "ট্রেন ধরার" মতো করে ট্রেডে এন্ট্রি করা যেত। ট্রেডাররা বিভিন্ন লেভেলে পজিশন ওপেন এবং লাভ করার চমৎকার সুযোগ পেয়েছিলেন, যেমন: 1.0433 লেভেলে রিবাউন্ড, 1.0359 লেভেলে আরেকটি রিবাউন্ড, এবং একই লেভেল থেকে একাধিকবার পুনরায় রিবাউন্ড হয়েছে। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আমরা মনে করি যে মধ্যমেয়াদে ইউরোর দরপতন অব্যাহত থাকবে, এবং ডলারের সাথে পারিটি লেভেলে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি দূরে নয়। আগের মতোই, ইউরোর আরও দরপতনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে, কারণ মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের পক্ষে কাজ করছে। বর্তমানে, একটি কারেকশন চলছে যা ট্রেন্ডলাইনের দ্বারা সমর্থিত। মূল্য এই ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করলে সেটি কারেকশনের সমাপ্তি নির্দেশ করবে। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট অনেক দুর্বল হতে পারে, এবং ডলার গতকালের দরপতন পুনরুদ্ধার করতে শুরু করতে পারে। তবে, মূল্যের দিকনির্দেশনার জন্য এখন আমাদের কাছে একটি ট্রেন্ডলাইন রয়েছে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। মঙ্গলবার, ইউরোজোনে ZEW সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে তেমন কিছু নেই। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে, এবং ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী: 1) সিগন্যালের শক্তি: সিগন্যাল গঠন করতে কতক্ষণ সময় নেয় তার উপর ভিত্তি করে সিগন্যালের শক্তি নির্ধারণ করা হয় (বাউন্স বা লেভেলের ব্রেকথ্রু)। এটি গঠন করতে যত কম সময় লাগবে, সিগন্যাল তত শক্তিশালী হবে। 2) ভুল সিগন্যাল: যদি ভুল সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট লেভেলের কাছাকাছি দুটি বা ততোধিক পজিশন খোলা হয় (যা টেক প্রফিট শুরু করেনি বা নিকটতম লক্ষ্যমাত্রায় পৌছায়নি), তাহলে এই লেভেলে প্রাপ্ত পরবর্তী সমস্ত সিগন্যাল উপেক্ষা করা উচিত। 3) ফ্ল্যাট মার্কেট: ফ্ল্যাট মার্কেটের সময়, যেকোন পেয়ারের একাধিক ফলস সিগন্যাল তৈরি হতে পারে বা কোন সিগন্যালের গঠন নাও হতে পারে। যাই হোক না কেন, ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়া মাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেয়া উচিত। 4) ট্রেডিং টাইমফ্রেম: ইউরোপীয় সেশনের শুরু এবং মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময়ে ট্রেড ওপেন করা উচিত। এর বাইরে সমস্ত ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করতে হবে। 5) MACD সূচকের সিগন্যাল: প্রতি ঘন্টার চার্টে, শুধুমাত্র উল্লেখযোগ্য ভোলাট্যালিটি এবং প্রতিষ্ঠিত প্রবণতার মধ্যেই MACD থেকে প্রাপ্ত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে ট্রেড করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা একটি ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেল দ্বারা নিশ্চিত করা হয়। 6) কাছাকাছি লেভেল: যদি দুটি লেভেল একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হয় (5 থেকে 15 পিপস পর্যন্ত), সেগুলোকে সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। 7) স্টপ লস: মূল্য 15 পিপস উদ্দেশ্যমূলক দিকে যাওয়ার পর, ব্রেক-ইভেনে স্টপ লস সেট করা উচিত। চার্টে কী কী আছে: সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো হল সেই লেভেল যা কারেন্সি পেয়ার কেনা বা বিক্রি করার সময় লক্ষ্যমাত্রা হিসাবে কাজ করে। আপনি এই লেভেলগুলোর কাছাকাছি টেক প্রফিট সেট করতে পারেন। লাল লাইন হল চ্যানেল বা ট্রেন্ড লাইন যা বর্তমান প্রবণতা প্রদর্শন করে এবং দেখায় যে এখন কোন দিকে ট্রেড করা ভাল হবে। MACD (14,22,3) সূচক, হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করে, এটি একটি সহায়ক টুল হিসেবে কাজ করে এবং এটি সিগন্যালের উৎস হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা এবং প্রতিবেদন (সর্বদা নিউজ ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত থাকে) যেকোন কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের গতিশীলতাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। অতএব, এগুলো প্রকাশের সময় অত্যন্ত সতর্কভাবে ট্রেডিং করতে হবে। প্রচলিত প্রবণতার বিপরীতে আকস্মিকভাবে মূল্যের পরিবর্তন থেকে সুরক্ষিত থাকতে মার্কেটে থেকে বের হয়ে যাওয়াই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। নতুন ট্রেডারদের সর্বদা মনে রাখতে হবে যে প্রতিটি ট্রেড থেকে লাভ হবে না। একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ ও কার্যকর অর্থ ব্যবস্থাপনাই দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ের সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। Read more: https://ifxpr.com/4g9rGN5









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২২ জানুয়ারি। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে ওঠা হওয়া শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0372 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা একটি সঠিক মার্কেট এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 50 পিপসের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আজকের ডলারের মূল্যের উত্থান আংশিকভাবে নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে হয়েছে, কারণ ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ফরেক্স মার্কেটে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। এর পাশাপাশি, শক্তিশালী মার্কিন অর্থনীতি, উচ্চ সুদের হার, এবং বিশ্বব্যাপী প্রধান রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থান এটির আরও দর বৃদ্ধি সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করছে, যা ইউরোসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিরুদ্ধে প্রভাব ফেলছে। আজ ট্রেডাররা বুন্দেসব্যাংকের প্রতিবেদন এবং ক্রিস্টিন লাগার্ডের মন্তব্যের দিকে দৃষ্টি রাখবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। যদি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) প্রেসিডেন্ট আরও সতর্ক আর্থিক নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেন, তাহলে এটি ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। বিনিয়োগকারীরা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ট্রাম্পের নতুন নীতিমালার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট সংকেতের প্রত্যাশা করছেন। বর্তমান পরিস্থিতি ইসিবিকে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে নমনীয়তা বজায় রাখতে বাধ্য করছে। যদিও 0.5% সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত অধিক নমনীয় মনে হতে পারে, তবে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ সমর্থন করার জন্য এমন পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে। অর্থনৈতিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে যে অনেক খাত এখনও চাপের মধ্যে রয়েছে, যা ইসিবিকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করতে পারে। তাই, নমনীয় আর্থিক নীতিমালার সমর্থকেরা লাগার্ডের বক্তব্যের প্রতি ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন। যদি তার মন্তব্য ইতিবাচক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়, তবে ইউরোর দরপতন হতে পারে। আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0476-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0427-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0476 পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকায় দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0393-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0427 এবং 1.0476-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির আশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0393 এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0347-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0427-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0393 এবং 1.0347-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4h9ApAg









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৩ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তুলনামূলকভাবে দুর্বল ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল। মূল্য স্থানীয় ট্রেন্ডলাইনের উপরে রয়ে গেছে এবং গতকাল কোনো উল্লেখযোগ্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংবাদ ছিল না। একমাত্র ইভেন্ট যা ট্রেডারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে তা হলো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তব্য। এটি উল্লেখযোগ্য যে লাগার্ডে কোন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেননি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্ভাব্য মার্কিন শুল্ক নিয়ে শঙ্কিত হওয়া উচিত নয় এবং শুল্ক আরোপ হলে তার জবাব দিতে প্রস্তুত থাকা উচিত। তবে, তিনি ট্রাম্পের প্রথম দিনে কোনো শুল্ক আরোপ না করার বিষয়টিকে "যৌক্তিক পদক্ষেপ" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মুদ্রাস্ফীতির বিষয়ে তিনি বলেছেন যে ইসিবি 2025 সালের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি 2%-এ স্থিতিশীল করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা স্পষ্ট ও পূর্বানুমেয় করে তোলে। সামগ্রিকভাবে, তার বক্তব্যে নতুন কোন তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। চার মাসের দরপতনের বিপরীতে ইউরোর মূল্যের কারেকশন চলমান রয়েছে, এবং এই কারেকশন এখনো শেষ হয়নি। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার মাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মূল্য 1.0433-1.0451 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করেছিল, তবে উল্লেখযোগ্য কোনো নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে, ট্রেডাররা ব্রেকইভেন পয়েন্টে স্টপ লস স্থাপন করে শর্ট পজিশনে থাকার কথা বিবেচনা করতে পারেন। বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, যদিও স্থানীয় পর্যায়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাও বিদ্যমান। আমরা আশা করছি যে মধ্যমেয়াদে ইউরোর দরপতন পুনরায় শুরু হবে এবং ডলারের সঙ্গে প্যারিটি লেভেলে পৌঁছাবে। বিদ্যমান মৌলিক এবং সামষ্টিক কারণ অনুযায়ী ইউরোর দরপতনের সম্ভাবনাই বেশি, যা মার্কিন ডলারের মূল্যকে ঊর্ধ্বমুখী করছে। এই পেয়ারের মূল্যের বর্তমান কারেকশন একটি ট্রেন্ডলাইনের মাধ্যমে সহায়তা পাচ্ছে, এবং মূল্য এই লাইনটি ব্রেকআউট করে নিচের দিকে গেলে কারেকশনের সমাপ্তি নির্ধারণ করা যেতে পারে। বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে কারণ ডলার সপ্তাহের শুরুর দরপতন পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করতে পারে। এই সময়ে, ট্রেন্ডলাইন একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। বৃহস্পতিবার প্রকাশের জন্য একমাত্র নির্ধারিত প্রতিবেদন হলো যুক্তরাষ্ট্রের আনএমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদনt। তবে, এই প্রতিবেদনটি গুরুত্বের দিক থেকে গৌণ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এটির ফলাফল আজ এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা যাচ্ছে না। Read more: https://ifxpr.com/40pvbsR









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৪ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য 1.0451 লেভেলে ফিরে এসেছে। স্থানীয় পর্যায়ে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অটুট রয়েছে কারণ মূল্য ট্রেন্ডলাইনের উপরে রয়েছে। গতকাল ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য কোনো মৌলিক কারণ ছিল না; তবে, কারেকশন চলাকালীন সময়ে এমন কারণের প্রয়োজন হয় না। কারেকশন মূলত এমন একটি সময় যখন মার্কেটের ট্রেডাররা মুনাফা নিশ্চিত করতে তাদের ট্রেড ক্লোজ করে। সরবরাহ এবং চাহিদার ভারসাম্য পরিবর্তিত হয়, যার ফলে মূল্যের মুভমেন্ট দেখা যায়। এই ক্ষেত্রে, বর্তমানে নতুন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ট্রেড ওপেন করার পরিবর্তে পজিশন ক্লোজ করার বিষয়টি বেশি দেখা যাচ্ছে। গতকাল যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোনে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট ছিল না। ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে পরামর্শ দিয়ে চলেছেন যে কীভাবে তারা মার্কিন "কালো তালিকাভুক্ত" হওয়া এড়াতে পারে, তবে ট্রেডাররা তার মন্তব্যের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানো বন্ধ করে দিয়েছে। ফলস্বরূপ, কারেকশন চলমান রয়েছে এবং এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে মাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মূল্য 1.0433-1.0451 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করেছিল তবে উল্লেখযোগ্য কোনো নিম্নমুখী মোমেন্টাম প্রদর্শন করেনি। সিগন্যালটি দিনের শেষভাগে গঠিত হয়েছিল, যা বেশিরভাগ ট্রেডার এটি কাজে লাগাতে পারেনি। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, বর্তমানে মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করলেও স্থানীয় পর্যায়ে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিদ্যমান। পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউরোর দরপতন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কারণ মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনও মার্কিন ডলারের পক্ষে কাজ করছে। মার্কেটে বর্তমানে একটি কারেকশন হচ্ছে যা ট্রেন্ডলাইনের মাধ্যমে সমর্থিত। যখন মূল্য এই ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে যাবে তখন এই কারেকশনের সমাপ্তি নিশ্চিত হবে। শুক্রবার মার্কেটে তুলনামূলকভাবে দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং ধীরগতিতে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। যদি ইউরোর মূল্য 1.0451 লেভেল ব্রেক করে উপরের দিকে যায়, তাহলে এটি এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টামের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে, এই পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য র্যালি বা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা কম। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে নিম্নলিখিত ট্রেডিং লেভেলগুলো পর্যবেক্ষণ করা উচিত: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, and 1.0845-1.0851। এছাড়াও, শুক্রবার জার্মানি, ইউরোজোন এবং যুক্তরাষ্ট্রে পরিষেবা এবং উৎপাদন খাতের PMI প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলোর ফলাফল ইউরোপীয় ও মার্কিন ট্রেডিং সেশনে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী: 1) সিগন্যালের শক্তি: সিগন্যাল গঠন করতে কতক্ষণ সময় নেয় তার উপর ভিত্তি করে সিগন্যালের শক্তি নির্ধারণ করা হয় (বাউন্স বা লেভেলের ব্রেকথ্রু)। এটি গঠন করতে যত কম সময় লাগবে, সিগন্যাল তত শক্তিশালী হবে। 2) ভুল সিগন্যাল: যদি ভুল সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট লেভেলের কাছাকাছি দুটি বা ততোধিক পজিশন খোলা হয় (যা টেক প্রফিট শুরু করেনি বা নিকটতম লক্ষ্যমাত্রায় পৌছায়নি), তাহলে এই লেভেলে প্রাপ্ত পরবর্তী সমস্ত সিগন্যাল উপেক্ষা করা উচিত। 3) ফ্ল্যাট মার্কেট: ফ্ল্যাট মার্কেটের সময়, যেকোন পেয়ারের একাধিক ফলস সিগন্যাল তৈরি হতে পারে বা কোন সিগন্যালের গঠন নাও হতে পারে। যাই হোক না কেন, ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়া মাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেয়া উচিত। 4) ট্রেডিং টাইমফ্রেম: ইউরোপীয় সেশনের শুরু এবং মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময়ে ট্রেড ওপেন করা উচিত। এর বাইরে সমস্ত ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করতে হবে। 5) MACD সূচকের সিগন্যাল: প্রতি ঘন্টার চার্টে, শুধুমাত্র উল্লেখযোগ্য ভোলাট্যালিটি এবং প্রতিষ্ঠিত প্রবণতার মধ্যেই MACD থেকে প্রাপ্ত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে ট্রেড করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা একটি ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেল দ্বারা নিশ্চিত করা হয়। 6) কাছাকাছি লেভেল: যদি দুটি লেভেল একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হয় (5 থেকে 15 পিপস পর্যন্ত), সেগুলোকে সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। 7) স্টপ লস: মূল্য 15 পিপস উদ্দেশ্যমূলক দিকে যাওয়ার পর, ব্রেক-ইভেনে স্টপ লস সেট করা উচিত। চার্টে কী কী আছে: সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো হল সেই লেভেল যা কারেন্সি পেয়ার কেনা বা বিক্রি করার সময় লক্ষ্যমাত্রা হিসাবে কাজ করে। আপনি এই লেভেলগুলোর কাছাকাছি টেক প্রফিট সেট করতে পারেন। লাল লাইন হল চ্যানেল বা ট্রেন্ড লাইন যা বর্তমান প্রবণতা প্রদর্শন করে এবং দেখায় যে এখন কোন দিকে ট্রেড করা ভাল হবে। MACD (14,22,3) সূচক, হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করে, এটি একটি সহায়ক টুল হিসেবে কাজ করে এবং এটি সিগন্যালের উৎস হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা এবং প্রতিবেদন (সর্বদা নিউজ ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত থাকে) যেকোন কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের গতিশীলতাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। অতএব, এগুলো প্রকাশের সময় অত্যন্ত সতর্কভাবে ট্রেডিং করতে হবে। প্রচলিত প্রবণতার বিপরীতে আকস্মিকভাবে মূল্যের পরিবর্তন থেকে সুরক্ষিত থাকতে মার্কেটে থেকে বের হয়ে যাওয়াই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। নতুন ট্রেডারদের সর্বদা মনে রাখতে হবে যে প্রতিটি ট্রেড থেকে লাভ হবে না। একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ ও কার্যকর অর্থ ব্যবস্থাপনাই দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ের সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। Read more: https://ifxpr.com/42sLdVE









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৭ জানুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে যেতে শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0481 এর লেভেল টেস্ট করে, যা মার্কেটে একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে, এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্য প্রায় 20 পিপস হ্রাস পায়, তারপরে ইউরোর চাহিদা পুনরায় ফিরে আসে। পুনরায় ইউরোর চাহিদা ফিরে আসার কারণ ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল, বিশেষত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস হ্রাস এবং পরিষেবা দুর্বল কার্যকারিতা, যা ডলারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিগুলোও মার্কেটকে প্রভাবিত করছে। ইউরোর মূল্যের উল্লেখযোগ্য কারেকশনের পরে, ক্রেতাদের অর্থনৈতিক সূচক এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিবৃতির দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। আজ IFO প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা ট্রেডার এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি করতে পারে। বিজনেস ক্লাইমেট ইনডেক্সের পতন জার্মানির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দিতে পারে, যা বিশেষ করে উচ্চ জ্বালানি খরচের কারণে সমস্যার সম্মুখীন জার্মান কোম্পানিগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। যদি এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তবে এটি ইউরোর দরপতনের পাশাপাশি পুরো ইউরোজোনের জন্য আরও গুরুতর পরিণতি বয়ে আনতে পারে। এই চ্যালেঞ্জগুলো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অর্থনীতিকে উদ্দীপিত করার জন্য আরও নমনীয় পদক্ষেপ বিবেচনা করতে প্ররোচিত করতে পারে। তবে, অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন যে বর্তমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার পরিপ্রেক্ষিতে এই ধরনের পদক্ষেপ কার্যকর নাও হতে পারে। আমার দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0513-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0469-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0513 পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। দিনের প্রথমার্ধে শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0448-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0469 এবং 1.0513-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির আশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0448এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0416-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0469-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0448 এবং 1.0416-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। চার্টে কী আছে: হালকা সবুজ লাইন: এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট ক্রয়ের জন্য এন্ট্রি প্রাইস। গাঢ় সবুজ লাইন: টেক-প্রফিট (TP) সেট করতে পারেন বা ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা, কারণ এই লেভেলের উপরে আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। হালকা লাল লাইন: এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট বিক্রয়ের জন্য এন্ট্রি প্রাইস। গাঢ় লাল লাইন:টেক-প্রফিট (TP) সেট করতে পারেন বা ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা, কারণ এই লেভেলের নিচে আরও দরপতনের সম্ভাবনা নেই। MACD সূচক: মার্কেটে এন্ট্রি করার সময়, ওভারবট এবং ওভারসোল্ড জোন চিহ্নিত করা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ন পরামর্শ: মার্কেটে এন্ট্রির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খুব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে, মূল্যের তীব্র ওঠানামা এড়াতে ট্রেডিং না করাই উচিত। সংবাদ প্রকাশের সময় ট্রেড করলে, ঝুঁকি কমাতে সর্বদা স্টপ-লস অর্ডার সেট করুন। স্টপ-লস অর্ডার বা মানি ম্যানেজমেন্টের কৌশল ছাড়াই ট্রেড করলে আপনার ডিপোজিট দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে, বিশেষ করে বড় ভলিউমে ট্রেড করার সময়। সফলভাবে ট্রেড করার জন্য ট্রেডিংয়ের একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে, ঠিক যেমনটি আমি এই নিবন্ধে প্রদর্শন করেছি। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে ট্রেডিংয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সিদ্ধান্ত দৈনিক ভিত্তিতে ট্রেড করা যেকোন নতুন ট্রেডারের জন্য সহজাতভাবে লোকসান বয়ে নিয়ে আসতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3Efpuq8









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৮ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মিশ্র মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রথমে মূল্য কিছুটা হ্রাস পায়, এরপর আবার বৃদ্ধি পায়, এবং পরে আরও উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা যায়। কোনো মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ছাড়াই এই পেয়ারের মূল্যের এই ওঠানামাগুলো ঘটেছে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, সর্বদা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল বা গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারকদের বক্তব্যের প্রভাবে টেকনিক্যাল কারেকশনে হয় না। বর্তমানে, মার্কেটে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রভাব ফেলছে, যিনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন খবরের শিরোনাম হচ্ছেন। তবে, ট্রেডাররা কীভাবে এই খবরগুলোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে তা অনুমান করা কঠিন, কারণ ট্রাম্প একদিনে দুইটি বিপরীতমুখী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাই, শুধুমাত্র মৌলিক প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে পূর্বাভাস দেওয়া এখন খুব একটা কার্যকর হবে না। বরং চলমান কারেকশন এবং টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কারেকশনটি উর্ধ্বমুখী ট্রেন্ডলাইনে নির্দেশিত হয়েছে। আগামীকাল FOMC-এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় চলমান প্রবণতার পরিবর্তন ঘটতে পারে। পাশাপাশি, বৃহস্পতিবারের ইসিবির বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, সোমবার দুটি প্রায় নিখুঁত ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনের সময়, মূল্য প্রায় 1.0451 লেভেল থেকে কোনো বিচ্যুতি ছাড়াই রিবাউন্ড করে এবং 1.0526 লেভেল পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। একই লেভেলে আবার রিভার্সাল ঘটে এবং রাতে মূল্য 1.0433-1.0451 রেঞ্জে ফিরে আসে। নতুন ট্রেডাররা এই দুটি ট্রেড থেকে প্রায় 80-100 পিপস লাভ করতে পারত। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, বর্তমানে মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করলেও স্থানীয় পর্যায়ে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন চলমান রয়েছে। এখনও ইউরোর দরপতনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে, কারণ মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনও মার্কিন ডলারকে সমর্থন করছে। তবে, আমরা এই উর্ধ্বমুখী কারেকশনের সমাপ্তির জন্য অপেক্ষা করব, যা মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে নিচের দিকে গেলে নিশ্চিত হবে। মঙ্গলবার, এই পেয়ারের দরপতন পুনরায় শুরু হতে পারে কারণ কোনো নিম্নমুখী কারেকশন ছাড়াই মূল্য যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, আজ এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট সম্পূর্ণরূপে টেকনিক্যাল কারেকশনের উপর নির্ভর করবে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, নিম্নলিখিত লেভেলগুলোতে দৃষ্টি দেওয়া উচিত: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, 1.0845-1.0851। মঙ্গলবার তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে মার্কিন ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এছাড়াও, ক্রিস্টিন লাগার্ডের একটি বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে; তবে, তার বক্তব্য থেকে কোনো বড় চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে না। Read more: https://ifxpr.com/3PW7FPn









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৯ জানুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবারের মতো 1.0421 এর লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই, আমি ইউরো বিক্রি করিনি। অল্প সময়ের মধ্যে 1.0421-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্ট সংঘটিত হয়, তখন MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে অবস্থান করছিল, যা পরিকল্পনা #2 অনুযায়ী এই পেয়ার ক্রয়ের সুযোগ তৈরি করে এবং ২০-পয়েন্টের মূল্য বৃদ্ধি ঘটায়। বর্তমান ফরেক্স মার্কেটের ট্রেডারদের মধ্যে সতর্ক মনোভাব প্রতিফলিত হচ্ছে। মার্কেটের ট্রেডাররা অপেক্ষা করছে, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল বিশ্লেষণ করছে, যা EUR/USD পেয়ারের তারল্য (liquidity) এবং অস্থিরতার (volatility) উপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। FOMC-এর বৈঠকের আগে, যা ঐতিহ্যগতভাবে বাজার পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে, ট্রেডাররা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গতকাল, বিক্রেতারা ইউরোর ওপর চাপ প্রয়োগ করার চেষ্টা করলেও এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়, কারণ মূল্য একটি শক্তিশালী সাপোর্ট লেভেলের সম্মুখীন হয় যা আরও নিম্নমুখী কারেকশন প্রতিরোধ করে। ট্রেডারদের মনোযোগ প্রধান অর্থনৈতিক সূচকের দিকে থাকবে, বিশেষ করে জার্মানির কনজিউমার ক্লাইমেট ইনডেক্সের দিকে। এই প্রতিবেদনের ফলাফল বাজার পরিস্থিতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে এবং সম্ভাব্যভাবে ইউরোকে শক্তিশালী করতে পারে। যদি এই প্রতিবেদনের ফলাফল উন্নতি নির্দেশ করে, তাহলে এটি ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে, যা ইউরোকে আরও সমর্থন দেবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো ইউরোজোনের M3 মানি সাপ্লাই বৃদ্ধি। এই সূচকের বৃদ্ধি ঋণ কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখীতার সংকেত দিতে পারে, যা ইউরোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়াতে পারে। ব্যক্তিগত খাতে ঋণের বৃদ্ধি যদি M3 মানি সাপ্লাই বৃদ্ধির সাথে সমন্বিত হয়, তাহলে এটি ক্রেতাদের ইতিবাচক মনোভাব আরও দৃঢ় করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0491-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0453-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0491 পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। দিনের প্রথমার্ধে শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0427-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0453 এবং 1.0491-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির আশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0427 এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0387-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0453-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0427 এবং 1.0387-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/42xYg85









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩০ জানুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.0388 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো বিক্রি করিনি। তবে, অল্প সময়ের মধ্যে 1.0388 লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টটি ঘটে, সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল। এটি বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 অনুসারে ট্রেডিংয়ের সুযোগ তৈরি করে, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্য 35-পিপস বৃদ্ধি পায়। ইউরো এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে এবং এটির মূল্য একটি সংকীর্ণ ট্রেডিং রেঞ্জের মধ্যে ওঠানামা করছে, যা গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবকে নির্দেশ করে। ফেডারেল রিজার্ভের গতকালের বৈঠকের পর, যেখানে ট্রেডারদের অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কৌশল পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছিল, অনেক ট্রেডার ফরেক্স মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া আশা করেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আজ, ইউরোর মূল্যের মুভমেন্টকে প্রভাবিত করতে পারে এমন প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ইউরোজোনের GDP প্রতিবেদন। বিনিয়োগকারীরা এই প্রতিবেদনের ফলাফল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে, কারণ এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হারের ব্যাপারে আরও নমনীয় নীতি গ্রহণ করতে প্ররোচিত করতে পারে। এছাড়াও, এই অঞ্চলের কিছু দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। যদি অর্থনৈতিক সূচকের দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়, তাহলে এটি ইউরোর উপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে, অন্যদিকে ইতিবাচক ফলাফল ইউরোর প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে। আজ, ইসিবি মূল সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে, যেখানে সুদের হার 2.9% এ নামিয়ে আনার প্রত্যাশা রয়েছে। ইসিবির সুদের হারের এই হ্রাস ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, যা ইউরোর বিনিময় হার এবং বন্ডের ইয়েল্ডকে প্রভাবিত করতে পারে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল ইউরোজোনের অর্থনীতিকে উদ্দীপিত করা, যা বর্তমানে প্রবৃদ্ধিতে শ্লথগতির সম্মুখীন হয়েছে। এছাড়াও, ভবিষ্যতে সুদের হার কবে কমতে পারে, সে সম্পর্কে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। আমার দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0476-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0433 এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0476 পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির উপর নির্ভর করা কঠিন বলে মনে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ: কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0414-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0433 এবং 1.0476-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির আশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0414 এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0370-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0433-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0414 এবং 1.0370-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4aItIT5









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৩১ জানুয়ারি ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0415 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.0451 এর লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিকেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, 1.0451 লেভেল থেকে রিবাউন্ডের ভিত্তিতে এই পেয়ার বিক্রি করার ফলে প্রায় ৩০ পিপস লাভ করা গেছে। মার্কিন জিডিপি প্রবৃদ্ধির দুর্বল ফলাফল সাময়িকভাবে ইউরোকে শক্তিশালী করেছিল, কারণ এটি মার্কিন ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করে। ট্রেডাররা ইউরোজোনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারের ওপর বাজি ধরতে শুরু করে, বিশেষ করে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বৈঠকের পর। তবে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়, কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প বাণিজ্য শুল্ক সম্পর্কিত নতুন হুমকি প্রদান করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করে এবং ডলারের চাহিদা পুনরুদ্ধার করে। এই ধরনের হুমকি, আগের মতোই, মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে মনোনিবেশ করতে বাধ্য করেছে। ডলারের রিজার্ভ কারেন্সির মর্যাদা থাকার কারণে, এটি আবারও শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে এবং ইউরোর বিপরীতে এটির মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা নতুন সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে পারে। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক প্রতিবেদন এবং রাজনৈতিক বিবৃতি EUR/USD-এর মূল্যের প্রবণতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি কি একটি চূড়ান্ত বিপরীতমুখী প্রবণতা, নাকি চলমান সাইডওয়েজ মুভমেন্টের ধারাবাহিকতা, তা সময়ই বলে দেবে। বর্তমানে ইউরোপের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে জার্মানির অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে, আজ প্রকাশিতব্য জার্মানির বেকারত্বের হার এবং ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) ফলাফল বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশক হতে পারে। যদি বেকারত্বের হার হ্রাস পায় এবং মূল্যস্ফীতি কমে যায়, তবে এটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির সংকেত দিতে পারে, তবে একইসাথে ইউরোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং স্থায়ী বেকারত্ব ইউরোর ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যা কারেন্সি মার্কেটে নেতিবাচক মনোভাব আরও বাড়িয়ে তুলবে। এই পরিস্থিতিতে, ইউরো মার্কিন ডলারের বিপরীতে মূল্য হারাতে পারে। আমি মূলত পরিকল্পনা No.1 এবং No.2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন মূল্য 1.0430-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় 1.0399 এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0430 পয়েন্টে গেলে, আমি লং পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে বিপরীত দিকে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির উপর নির্ভর করা কঠিন বলে মনে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ: কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0381-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো কিনতে যাচ্ছি। এটি এই ইন্সট্রুমেন্টের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0399 এবং 1.0430-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির আশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.0381 এর লেভেলে (চার্টে লাল লাইন) পৌঁছানোর পরে ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0353-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি অবিলম্বে বিপরীত দিকে ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি (এই লেভেল থেকে 20-25 পিপস বিপরীতমুখী মুভমেন্টের আশা করছি)। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র নিচের দিকে যেতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0399-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0381 এবং 1.0353-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4hu63Iw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0234 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইউরো বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। তবে, 20-পয়েন্ট দরপতনের পর এই পেয়ারের ওপর চাপ কিছুটা হ্রাস পায়। জার্মানি এবং ইউরোজোনের উৎপাদন খাতের চূড়ান্ত PMI সূচকের ইতিবাচক ফলাফল ইউরোর স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং আরও দরপতন রোধ করতে সহায়তা করেছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুরূপ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদি ISM সূচক 50 পয়েন্টের ওপরে যায়, তাহলে এটি মার্কিন উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধির সংকেত দেবে, যা মার্কিন অর্থনীতি সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের আশাবাদ বৃদ্ধি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, মার্কিন ডলারের আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এবং ইউরোর ওপর চলমান চাপের কারণে এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। FOMC-এর সদস্য রাফায়েল বোস্টিকের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তার অর্থনীতি এবং মুদ্রানীতির দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মন্তব্য ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে আরও ইঙ্গিত দিতে পারে। যদি তিনি সুদের হার উচ্চ স্তরে বজায় রাখার পক্ষে মত দেন, তাহলে এটি মার্কিন ডলারের শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে। যেহেতু ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন যে ফেড গত সপ্তাহে সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত বন্ধ রেখে সঠিক কাজ করেছে, তাই স্বল্প-মেয়াদে নীতিমালা শিথিলতার সম্ভাবনা আরও কমে গেছে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0317-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0267-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0317-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র আসন্ন মার্কিন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশের পরে আজ ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0235-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0267 এবং 1.0317-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0235-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0194-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে, বিশেষ যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক পরিসংখ্যানের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশের পর। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0267-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0235 এবং 1.0194-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3Q9Up9H









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৫ ফেব্রুয়ারী ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0351-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি কোনো বাই ট্রেড এ এন্ট্রি করার সিদ্ধান্ত নেইনি এবং মার্কেটে অন্যান্য এন্ট্রি পয়েন্টের জন্য অপেক্ষা করিনি। গতকাল ডলারের মূল্য হ্রাস পেলেও, ট্রেডাররা মনে করেন যে এই দরপতন সম্ভবত অস্থায়ী হবে। এর কারণ হলো, মার্কিন অর্থনীতি অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং বাণিজ্য যুদ্ধ-সংক্রান্ত ঝুঁকিগুলো, যা বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ধাবমান করতে পারে। ডলারের দরপতন হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেক্সিকো ও কানাডার উপর শুল্ক স্থগিতের ঘোষণা। একই সঙ্গে, ফেডারেল রিজার্ভের সাম্প্রতিক মন্তব্য ট্রেডারদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে, যেখানে নমনীয় মুদ্রানীতি প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। আজ ইউরোজোনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদি এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল শক্তিশালী হয়, তাহলে এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে উৎসাহিত করতে পারে, যার ফলে ইউরোর মূল্য ডলারের বিপরীতে এবং অন্যান্য মুদ্রার তুলনায় বৃদ্ধি পেতে পারে। পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্সের (PMI) ইতিবাচক ফলাফল এই ইঙ্গিত দিতে পারে যে ইউরোজোনের পরিষেবা খাত পুনরুদ্ধারের পথে রয়েছে, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার লক্ষণ হতে পারে। তবে, বাহ্যিক কারণগুলো বিবেচনায় নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা বা নতুন করে মার্কিন বাণিজ্য শুল্ক আরোপ মার্কেটকে প্রভাবিত করতে পারে এবং PMI সূচকের শক্তিশালী ফলাফলের ইতিবাচক প্রভাবকে ক্ষুণ্ন করতে পারে। আজ ইউরোজোনে উতপাদক মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশিত হবে। যদি সূচকটির ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়, তাহলে এটি মুদ্রাস্ফীতির চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেবে, যা ভবিষ্যতে আরও নমনীয় মুদ্রানীতি প্রণয়নের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। সামগ্রিকভাবে, আসন্ন প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের মুভমেন্টের অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে। আজকের ট্রেডিং কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0444-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0402-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0444-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশের পরে আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0369-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0402 এবং 1.0444-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0369-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0321-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0402-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0369 এবং 1.0321-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3WPghuR









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৬ ফেব্রুয়ারী ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও, বিকেলে আমি উল্লেখিত লেভেলগুলোর কোনো টেস্ট দেখতে পাইনি, যার ফলে কোনো ট্রেড ওপেন করা হয়নি। হোয়াইট হাউসের শুল্ক সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপের অনিশ্চয়তা বিবেচনায়, ইউরোর চাহিদার হ্রাস পুরোপুরি স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিনিয়োগকারীরা গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন শ্রমবাজার সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশের আগে সতর্কতা অবলম্বন করছে, যা বাজারের প্রবণতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। যদিও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন প্রত্যাশিত ছিল, তবুও আরও গভীর দরপতনের সময় বিক্রয়ের বিষয়টির ব্যাপারে এই মুহূর্তে আগেভাগে সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির ক্ষেত্রে সতর্কভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন, কারণ ইউরোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি বা হ্রাস পাওয়া নির্ভর করবে শুধুমাত্র শ্রমবাজারের প্রতিবেদনের ওপর নয়, বরং ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও। আজকের ইউরোজোনের খুচরা বিক্রির প্রতিবেদন ভোক্তাদের চাহিদা ও মনোভাব সম্পর্কে মূল্যবান ইঙ্গিত দিতে পারে। যদি এই প্রতিবেদনে বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়, তাহলে এটি ভোক্তা আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে এবং অঞ্চলটির অর্থনৈতিক শক্তিশালীকরণে অবদান রাখতে পারে। তবে, চলমান মুদ্রাস্ফীতি এবং অনিশ্চয়তার কারণে ভোক্তাদের আচরণ এখনও অস্থির থাকতে পারে। এছাড়া, জার্মানির শিল্প উৎপাদন আদেশ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দিনের প্রথমার্ধে প্রকাশিত হবে, যা ট্রেডারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। জার্মানি ইউরোজোনের বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ায়, এই প্রতিবেদনের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। আদেশের পরিমাণ হ্রাস উৎপাদন খাতে গভীর সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে, যেমন সরবরাহ শৃঙ্খলের ব্যাঘাত এবং কাঁচামালের ঘাটতি। এই পরিস্থিতি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0427-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0400-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0427-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশের পরে আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0380-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0400 এবং 1.0427-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0380-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0347-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0400-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0380 and 1.0347-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3WS1nnQ









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিংয়ের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ, ৭ ফেব্রুয়ারি EUR/USD পেয়ারের 5-মিনিটের চার্টের বিশ্লেষণ টানা তিন দিন দর বৃদ্ধির পর বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের সামান্য দরপতন দেখা যায়। গতকাল খুব কম সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল এবং মার্কেটের ট্রেডাররা ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বৈঠকের ফলাফলকে মূলত উপেক্ষা করেছিল। ফলস্বরূপ, ইউরোপীয় মুদ্রা মূলত অপ্রভাবিত ছিল। তবে, খুচরা বিক্রয় প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে। যদিও প্রতিবেদনটির ফলাফলকে সম্পূর্ণরূপে হতাশাজনক হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায় না, তবে এই সূচকের প্রকৃত পরিসংখ্যান আবারও প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। ফলস্বরূপ, ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে ইউরোর দরপতন এবার সম্পূর্ণরূপে ন্যায্য ছিল। শুক্রবারের ট্রেডিং বেশ গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে, আসুন প্রতি ঘণ্টার চার্টের প্রযুক্তিগত চিত্রটি তুলে ধরা যাক। প্রথমে, এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে দৈনিক টাইমফ্রেমে একটি ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন এখনও চলছে। আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই কারেকশনটি প্রতি ঘণ্টার টাইমফ্রেমে পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক প্রবণতা হিসাবে প্রকাশ পেতে পারে এবং ঠিক এটিই ঘটছে। দ্বিতীয়ত, এই পেয়ারের মূল্য একটি ডিসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইন অতিক্রম করেছে কিন্তু তারপরে আবার এটির নিচে নেমে গেছে, যা একটি ফলাফল ব্রেকআউটের ইঙ্গিত দেয়। তবে, আমরা বিশ্বাস করি যে ব্রেকআউটটি আসল। 1.0340–1.0366 জোন অথবা ক্রিটিক্যাল লাইন থেকে নতুন করে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করতে পারে। অবশ্যই, আজকের নন-ফার্ম পে-রোল প্রতিবেদন এবং মার্কিন বেকারত্বের হার এই পরিস্থিতিকে ব্যাহত করতে পারে। যদি এই প্রতিবেদনের ফলাফল ডলারকে সমর্থন করে, তাহলে শুক্রবার আমরা এই প্রত্যাশিত মুভমেন্ট দেখতে পাব। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল মাত্র দুটি সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল এবং এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা কম ছিল। রাতারাতি, এই পেয়ারের মূল্য সেনকৌ স্প্যান বি লাইন অতিক্রম করেছিল, কিন্তু ইউরোপীয় সেশন শুরুর সময়, ট্রেডাররা সেল অর্ডার এন্ট্রি করতে পারত। এরপর মূল্য 1.0366-এ নেমে আসে, যেখানে দিনের সমস্ত মুভমেন্ট স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। প্রযুক্তিগতভাবে, এই লেভেল থেকে একটি রিবাউন্ড দেখা গিয়েছিল, তবে যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্যের মূলত শান্ত মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। COT রিপোর্ট সর্বশেষ COT রিপোর্টটি ২৮ জানুয়ারী প্রকাশিত হয়েছে। চার্টটিতে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে যে নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের নেট পজিশনের সংখ্যা দীর্ঘ সময় ধরে ঊর্ধ্বমুখী ছিল; তবে, এখন নেট পজিশনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। দুই মাস আগে, কমার্শিয়াল ট্রেডারদের শর্ট পজিশনের সংখ্যা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল, যার ফলে দীর্ঘ সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো নেট পজিশনের সংখ্যা নেতিবাচক মানে পৌঁছায়। বাজার পরিস্থিতির এই পরিবর্তন এই ইঙ্গিত দেয় যে এখন ইউরো ক্রয়ের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে, ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে সমর্থন দিতে পারে এমন কোন মৌলিক কারণ নেই। সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে ইউরোর মূল্যের সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট খুব কমই লক্ষণীয় এবং এটি কেবল একটি সাধারণ পুলব্যাক হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। যদিও আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে এই পেয়ারের মূল্যের কারেকশন হতে পারে, তবে এটি ১৬ বছরের নিম্নমুখী প্রবণতার পরিবর্তন ঘটাবে না। বর্তমানে, লাল এবং নীল লাইনগুলো আপেক্ষিক অবস্থান অতিক্রম করেছে এবং পরিবর্তন করেছে, যা মার্কেটে নিম্নমুখী প্রবণতা প্রবণতা নির্দেশ করে। গত সপ্তাহের রিপোর্ট অনুযায়ী, নন-কমার্শিয়াল গ্রুপে লং পজিশনের সংখ্যা 14,000 কমেছে, যেখানে শর্ট পজিশনের সংখ্যা 9,900 কমেছে। ফলস্বরূপ, নেট পজিশনের সংখ্যা আরও 4,100 টি কন্ট্র্যাক্ট হ্রাস পেয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 1H চার্টের বিশ্লেষণ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, স্থানীয় পর্যায়ে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শেষ হয়েছে, মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে। আমরা মনে করি যে মধ্যমেয়াদে এই পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকবে, কারণ ফেডারেল রিজার্ভ ২০২৫ সালে মাত্র ১-২ বার সুদের হার কমানোর আশা করছে। এটি ট্রেডারদের পূর্বাভাসের চেয়ে অনেক বেশি হকিশ বা কঠোর অবস্থান নির্দেশ করে। তবে, স্বল্পমেয়াদে, আমরা এক বা দুটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখতে পাচ্ছি। বর্তমানে ইউরোর দর বৃদ্ধির কোন শক্তিশালী কারণ নেই, তবে চলমান কারেকশন এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টকে প্রভাবিত করছে। ৭ ফেব্রুয়ারির জন্য, গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেলগুলো হল: 1.0124, 1.0195, 1.0269, 1.0340-1.0366, 1.0461, 1.0524, 1.0585, 1.0658-1.0669, 1.0757, 1.0797, এবং 1.0843। এছাড়া, সেনকৌ স্প্যান বি (1.0437) এবং কিজুন-সেন (1.0327) লাইন পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন যে ইচিমোকু সূচকের লাইনগুলো দিনের বেলা অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে, যা ট্রেডিং সিগন্যাল সনাক্ত করার সময় বিবেচনা করা উচিত। সিগন্যালটি ভুল প্রমাণিত হলে সম্ভাব্য লোকসানের হাত থেকে সুরক্ষা পেতে এই পেয়ারের মূল্য নির্ধারিত দিকে 20 পিপস মুভমেন্টের পর ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। শুক্রবার, ইউরোপীয় ইউনিয়নে জার্মানির শিল্প উৎপাদনের উপর শুধুমাত্র স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। বিপরীতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নন-ফার্ম পে-রোল, বেকারত্বের হার, মজুরি এবং কনজিউমার সূচক সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। ফলস্বরূপ, বিকেলে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য মুভমেন্টের প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং বাজার পরিস্থিতি ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। উল্লেখিত প্রতিবেদনগুলোর প্রকৃত ফলাফল অনিশ্চিত হতে পারে এবং আগে থেকে পূর্বাভাস দেয়া যায় না। Read more: https://ifxpr.com/4huTBZo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১০ ফেব্রুয়ারী ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.0372 এর লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের আরও নিম্নমুখী প্রবণতার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি তখন ইউরো বিক্রি করিনি। কিছুক্ষণ পরেই দ্বিতীয়বারের মতো 1.0372 এর লেভেলের পরীক্ষা হয়েছিল, সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল, যা পরিকল্পনা #2 অনুসারে ইউরো ক্রয়ের সুযোগ তৈরি করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য ২০ পিপস বৃদ্ধি পেয়েছিল। শুধুমাত্র মার্কিন অর্থনৈতিক প্রপ্তিবেদনের প্রকাশের পর, 1.0372 লেভেলের আরেকটি টেস্ট হয়েছিল, তখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচে নামতে শুরুর করেছিল। এটি একটি সঠিক সেল এন্ট্রি নিশ্চিত করেছিল, যার ফলে মূল্য 1.0320 পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকি, যেখানে তিনি সমস্ত দেশের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন, আজ নতুন করে ইউরোর দরপতন সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের মন্তব্য বৈশ্বিক অর্থনীতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে, যা ইতোমধ্যেই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব সামলানোর চেষ্টা করছে। উচ্চ শুল্ক বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা করতে পারে, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত করতে পারে, এবং মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমিয়ে দিতে পারে। যেহেতু ইউরো বৈশ্বিক বাণিজ্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত একটি প্রধান মুদ্রা, তাই এটি এ ধরনের খবরে বিশেষভাবে সংবেদনশীল। ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছে, মার্কিন ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ইউরোর ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে। ট্রাম্পের অনিশ্চিত নীতিমালা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে, কারণ এটি পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন করে দিচ্ছে যে কোন দেশ ও কোন শিল্পখাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আসন্ন ঘটনাগুলো এবং তাদের সম্ভাব্য প্রভাব আজকের ক্যালেন্ডারে ইউরোজোনের সেন্টিক্স ইনভেস্টর কনফিডেন্স ইনডেক্স এবং ECB প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের ভাষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কেটে এই ইভেন্টগুলো প্রভাব মাঝারি মাত্রার হতে পারে। Sentix সূচক বিনিয়োগকারীদের মনোভাব পরিমাপের একটি কার্যকরী নির্দেশক হলেও, এটি সচরাচর মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্ট সৃষ্টি করে না। মার্কেটের ট্রেডাররা বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের মতো মূল বিষয়গুলোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। লাগার্দের ভাষণ থেকে কোনো বড় চমক আসার সম্ভাবনা কম, কারণ ইসিবির ধারাবাহিকভাবে ইইউ-এর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে সমর্থন করে যাচ্ছে। তবে, যদি তিনি ভবিষ্যতে আরও উদ্দীপনামূলক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন, তাহলে এটি ইউরোর আরও দুর্বলতার কারণ হতে পারে। আজকের ট্রেডিংয়ের কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0358-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0318-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0358-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশের পরে আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0278-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0318 এবং 1.0358-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0278-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0247-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0318-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0278 এবং 1.0247-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4aQzodK









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১১ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের খুবই মন্থর মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিন ট্রেডারদের জন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ছিল না। উইকেন্ডে, জানা যায় যে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্টিল এবং অ্যালুমিনিয়াম আমদানির উপর নতুন করে শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা "সমস্ত দেশের" জন্য প্রযোজ্য হবে, তবে এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের সময়সূচি এখনো অস্পষ্ট। মার্কেটের ট্রেডাররা এবার তুলনামূলকভাবে শান্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। সেশন শুরু হওয়ার সাথে সাথে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়েছিল এবং গ্যাপ সৃষ্টি হয়েছিল, তবে দৈনিক ভিত্তিতে এই পেয়ারের মূল্যের ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রা কম থাকায় গ্যাপ দ্রুত কভার হয়ে যায়। অতিরিক্তভাবে, সোমবার ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তব্য নির্ধারিত ছিল, তবে খবর অনুযায়ী, তিনি কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেননি, যা প্রত্যাশিত ছিল। ফলস্বরূপ, EUR/USD পেয়ারের মূল্য মূলত স্থিতিশীল ছিল এবং ট্রেডাররা নতুন প্রভাবকের জন্য অপেক্ষা করছে। ইউরোর দরপতন অব্যাহত রয়েছে, তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে, সোমবার মাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনের সময়, মূল্য 1.0334 লেভেল থেকে বাউন্স করেছিল, তারপর প্রায় ২০ পয়েন্ট কমে যায়। এই নিম্নমুখী প্রবণতা আজও অব্যাহত থাকতে পারে, তাই এই ট্রেড হোল্ড করে রাখার এবং ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পরামর্শ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, বর্তমানে মাঝারি-মেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, স্থানীয় পর্যায়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আগেই সমাপ্ত হয়েছিল কিন্তু পুনরায় শুরু হয়েছে। মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারকে সমর্থন করছে, তাই ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন আরও কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। মঙ্গলবার, তুলনামূলকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে এবং ইউরোর মূল্য যেকোন দিকেই যেতে পারে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, 1.0845-1.0851। আজকের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে জেরোম পাওয়েলের কংগ্রেসে বক্তব্য প্রদান অনুষ্ঠান রয়েছে। এই ইভেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখনো স্পষ্ট নয় যে সিনেটররা ফেডের চেয়ারম্যানকে কী ধরনের প্রশ্ন করবে। কিছু প্রশ্ন বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, যা মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী: 1) সিগন্যালের শক্তি: সিগন্যাল গঠন করতে কতক্ষণ সময় নেয় তার উপর ভিত্তি করে সিগন্যালের শক্তি নির্ধারণ করা হয় (বাউন্স বা লেভেলের ব্রেকথ্রু)। এটি গঠন করতে যত কম সময় লাগবে, সিগন্যাল তত শক্তিশালী হবে। 2) ভুল সিগন্যাল: যদি ভুল সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট লেভেলের কাছাকাছি দুটি বা ততোধিক পজিশন খোলা হয় (যা টেক প্রফিট শুরু করেনি বা নিকটতম লক্ষ্যমাত্রায় পৌছায়নি), তাহলে এই লেভেলে প্রাপ্ত পরবর্তী সমস্ত সিগন্যাল উপেক্ষা করা উচিত। 3) ফ্ল্যাট মার্কেট: ফ্ল্যাট মার্কেটের সময়, যেকোন পেয়ারের একাধিক ফলস সিগন্যাল তৈরি হতে পারে বা কোন সিগন্যালের গঠন নাও হতে পারে। যাই হোক না কেন, ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়া মাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেয়া উচিত। 4) ট্রেডিং টাইমফ্রেম: ইউরোপীয় সেশনের শুরু এবং মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময়ে ট্রেড ওপেন করা উচিত। এর বাইরে সমস্ত ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করতে হবে। 5) MACD সূচকের সিগন্যাল: প্রতি ঘন্টার চার্টে, শুধুমাত্র উল্লেখযোগ্য ভোলাট্যালিটি এবং প্রতিষ্ঠিত প্রবণতার মধ্যেই MACD থেকে প্রাপ্ত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে ট্রেড করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা একটি ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেল দ্বারা নিশ্চিত করা হয়। 6) কাছাকাছি লেভেল: যদি দুটি লেভেল একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হয় (5 থেকে 15 পিপস পর্যন্ত), সেগুলোকে সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। 7) স্টপ লস: মূল্য 15 পিপস উদ্দেশ্যমূলক দিকে যাওয়ার পর, ব্রেক-ইভেনে স্টপ লস সেট করা উচিত। চার্টে কী কী আছে: সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো হল সেই লেভেল যা কারেন্সি পেয়ার কেনা বা বিক্রি করার সময় লক্ষ্যমাত্রা হিসাবে কাজ করে। আপনি এই লেভেলগুলোর কাছাকাছি টেক প্রফিট সেট করতে পারেন। লাল লাইন হল চ্যানেল বা ট্রেন্ড লাইন যা বর্তমান প্রবণতা প্রদর্শন করে এবং দেখায় যে এখন কোন দিকে ট্রেড করা ভাল হবে। MACD (14,22,3) সূচক, হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করে, এটি একটি সহায়ক টুল হিসেবে কাজ করে এবং এটি সিগন্যালের উৎস হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা এবং প্রতিবেদন (সর্বদা নিউজ ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত থাকে) যেকোন কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের গতিশীলতাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। অতএব, এগুলো প্রকাশের সময় অত্যন্ত সতর্কভাবে ট্রেডিং করতে হবে। চলমান প্রবণতার বিপরীতে আকস্মিকভাবে মূল্যের পরিবর্তন থেকে সুরক্ষিত থাকতে মার্কেটে থেকে বের হয়ে যাওয়াই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। নতুন ট্রেডারদের সর্বদা মনে রাখতে হবে যে প্রতিটি ট্রেড থেকে লাভ হবে না। একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ ও কার্যকর অর্থ ব্যবস্থাপনাই দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ের সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। Read more: https://ifxpr.com/3QjRpYp









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১২ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার, নতুন করে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে, যদিও এর জন্য কোনো স্থানীয় মৌলিক কারণ ছিল না। দিনের একমাত্র নির্ধারিত ইভেন্ট ছিল মার্কিন কংগ্রেসে জেরোম পাওয়েলের ভাষণ, যা সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবুও, সারাদিন ধরে ইউরোর মূল্য স্থিরভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পেয়ারের মূল্যের ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রা কম ছিল, এবং মূল্যের সামগ্রিক মুভমেন্ট কিছুটা এলোমেলো মনে হয়েছে। হায়ার টাইমফ্রেমে, এটি স্পষ্ট যে এই পেয়ার মূলত সাইডওয়েজ প্রবণতা ট্রেড করছে, যদিও এই মুহূর্তে কোনো সুস্পষ্ট রেঞ্জ নির্ধারিত নেই। এ ধরনের মুভমেন্ট অবাক করার মতো নয়। আমরা কয়েক সপ্তাহ আগে উল্লেখ করেছিলাম যে দৈনিক টাইমফ্রেমে একটি কারেকশন প্রয়োজন, এবং কারেকশনগুলো সাধারণত মূল্যের জটিল কাঠামোর মাধ্যমে ঘটে, যা স্বল্পমেয়াদী মুভমেন্টকে বিশ্লেষণ করা কঠিন করে তোলে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ফরেক্স মার্কেটে মূল্যের পরিবর্তনের জন্য সবসময় মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণের প্রয়োজন হয় না। তাই এই পেয়ারের মূল্যের সোমবারের মুভমেন্ট পুরোপুরি যুক্তিসঙ্গত না হলেও, এটি একেবারে অযৌক্তিকও ছিল না। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে কোনো কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি হয়নি। শুধুমাত্র মার্কিন সেশনের শেষের দিকে (রাতের সময়) এই পেয়ারের মূল্য 1.0334–1.0359 রেঞ্জের উপরে কনসোলিডেট করেছে। তবে, রাতের বেলায় ট্রেডাররা সাধারণত নতুন পজিশন ওপেন করে না, এবং ব্রেকআউটটি দুর্বল ও অনির্ভরযোগ্য ছিল। ফলে, আমরা মনে করি না যে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট আজও অব্যাহত থাকবে। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, বর্তমানে মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। যদিও স্থানীয় পর্যায়ে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়েছিল, তবে তা পুনরায় শুরু হয়েছে। আমরা আশা করছি যে ইউরোর মূল্য আবারও হ্রাস পেতে পারে, কারণ মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণগুলো এখনো মার্কিন ডলারের পক্ষে কাজ করছে। তবে, দৈনিক ভিত্তিতে এই পেয়ারের মূল্যের কারেকশন আরও কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। বুধবার এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট অস্থির ও অনিশ্চিত হতে পারে, কারণ কারেকশন এখনো চলমান রয়েছে। তাই ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল লেভেলগুলোর উপর নির্ভর করা উচিত। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে পর্যবেক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.0156, 1.0221, 1.0269–1.0277, 1.0334–1.0359, 1.0433–1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726–1.0733, 1.0797–1.0804, এবং 1.0845–1.0851। বুধবার, জেরোম পাওয়েল কংগ্রেসে তার দ্বিতীয় ভাষণ দেবেন। তার পূর্ববর্তী বক্তব্যে, তিনি সিনেট ব্যাংকিং কমিটির সামনে কোনো নতুন তথ্য উপস্থাপন করেননি, এবং আজকের বক্তব্য থেকেও উল্লেখযোগ্য কোনো অন্তর্দৃষ্টি পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে, আজ মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। Read more: https://ifxpr.com/4jWqq2J









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১২ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ: বুধবারের জন্য খুবই অল্প সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজকের প্রধান প্রতিবেদন হলো যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদন, যা ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতির উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ফেডের সুদের হার কমানোর কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই, যা জেরোম পাওয়েল গতকাল পুনরায় নিশ্চিত করেছেন। যদি মাঝারি মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে—যা গত তিন মাস ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে—তাহলে ২০২৫ সালে অন্তত দুই দফা সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা আরও হ্রাস পাবে, যেমনটি ট্রেডাররা প্রাথমিকভাবে প্রত্যাশা করেছিল। তাই যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির উচ্চ হার সাধারণত ডলারের জন্য বেশি ইতিবাচক। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: বুধবারের প্রধান ইভেন্ট হিসেবে মার্কিন কংগ্রেসে জেরোম পাওয়েল দ্বিতীয়বারের মতো বক্তব্য দেবেন। এটি উল্লেখযোগ্য যে সাম্প্রতিক সময়ে তিনটি প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠান, তাই মুদ্রানীতি সংক্রান্ত অবস্থানের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা কম। গতকাল কংগ্রেসে পাওয়েল সিনেটরদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন, তবে তিনি কোনো নতুন বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেননি। যদিও আজ আইনপ্রণেতাদের প্রশ্ন কিছুটা ভিন্ন হতে পারে, তবে পাওয়েলের বক্তব্য ফেডের বর্তমান নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকার সম্ভাবনা বেশি। ফলে, আজ পাওয়েলের বক্তব্য থেকে এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা কম যা মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে মার্কেটে অত্যন্ত অনিশ্চিত মুভমেন্ট যেতে পারে। ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতারত মাত্রা বেশি থাকতে পারে, এবং দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের হলো যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদন, যা মূল্যের ওঠানামার মাত্রা আরও বৃদ্ধি করতে পারে। যদি যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়, তাহলে বিকালের দিকে ডলারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে, যদি মূল্যস্ফীতি কমে যায়, তাহলে ডলারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3ECJH9y









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১২ ফেব্রুয়ারী উইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ দিনের প্রথমার্ধে যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের অনেকটা উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0367 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো ক্রয় করিনি। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশনা ও ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারির ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) ও মূল মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল ও FOMC সদস্য রাফায়েল বস্টিকের ভাষণ অনুষ্ঠিত। ট্রেডাররা মূলত ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার দিকে মনোযোগ দেবে। যদি মার্কিন মূল্যস্ফীতি ক্রমাগত বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে ফেড সম্ভবত অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের অবস্থান গ্রহণ করবে এবং সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে। এটি ডলারকে আরও শক্তিশালী করবে, কারণ বিনিয়োগকারীরা স্থিতিশীল বা সম্ভাব্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়া সুদের হারের কারণে মার্কিন মুদ্রাকে আরও আকর্ষণীয় হিসাবে বিবেচনা করবে। অন্যদিকে, যদি মূল্যস্ফীতি হ্রাস পাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে মুদ্রানীতি শিথিল করার সম্ভাবনা নিয়ে মার্কেটে আলোচনা শুরু হতে পারে, যা ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করবে। এই পরিস্থিতিতে, EUR/USD পেয়ারের জন্য ইতিবাচক পরিস্থিতি দেখা যাবে এবং নতুন করে ইউরো ক্রয়ের প্রতি আগ্রহ দেখা যাবে। অতএব, জানুয়ারির মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল স্বল্পমেয়াদে কারেন্সি মার্কেটের মূল চালিকা শক্তি হবে। ট্রেডারদের সংবাদগুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং আগামীকাল মাত্রা উচ্চ ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত। আমার দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি MACD সূচকের বর্তমান পূর্বাভাস নির্বিশেষে প্রধানত পরিকল্পনা #1 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব, কারণ আমি মার্কেটে শক্তিশালী ও দিকনির্দেশনামূলক মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0415-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0384-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0415-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম হলে এই পেয়ারের বুলিশ প্রবণতার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0365-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0384 এবং 1.0415-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0331-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0365-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যেকোন সময় এই পেয়ারের উপর বিয়ারিশ প্রবণতার চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0384-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0365 এবং 1.0331-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। চার্টে কী আছে: হালকা সবুজ লাইন: এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট ক্রয়ের জন্য এন্ট্রি প্রাইস। গাঢ় সবুজ লাইন: টেক-প্রফিট (TP) সেট করতে পারেন বা ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা, কারণ এই লেভেলের উপরে আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। হালকা লাল লাইন: এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট বিক্রয়ের জন্য এন্ট্রি প্রাইস। গাঢ় লাল লাইন:টেক-প্রফিট (TP) সেট করতে পারেন বা ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা, কারণ এই লেভেলের নিচে আরও দরপতনের সম্ভাবনা নেই। MACD সূচক: মার্কেটে এন্ট্রি করার সময়, ওভারবট এবং ওভারসোল্ড জোন চিহ্নিত করা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: ফরেক্স মার্কেটে নতুন ট্রেডারদের মার্কেটে এন্ট্রির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খুব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে, মূল্যের তীব্র ওঠানামা এড়াতে মার্কেটের বাইরে থাকাই ভাল। আপনি যদি সংবাদ প্রকাশের সময় ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে ক্ষতি কমাতে সর্বদা স্টপ অর্ডার সেট করুন। স্টপ অর্ডার না সেট করলে আপনি খুব দ্রুত আপনার সম্পূর্ণ ডিপোজিট হারাতে পারেন, বিশেষ করে যদি আপনি মানি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার না করেন এবং বড় ভলিউমে ট্রেড করেন। এবং মনে রাখবেন সফলভাবে ট্রেড করার জন্য আপনার ট্রেডিংয়ের একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে, ঠিক যেমনটি আমি এই নিবন্ধে নির্ধারণ করেছি। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে ট্রেডিংয়ের স্বতঃস্ফূর্ত সিদ্ধান্ত দৈনিক ভিত্তিতে ট্রেড করা যেকোন নতুন ট্রেডারের জন্য সহজাতভাবে ক্ষতির কারণ হতে পারে। *এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ আপনার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রদান করা হয়, ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রদান করা হয় না। Read more: https://ifxpr.com/3CYi61N









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৪ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল, যদিও সপ্তাহের শুরুতে যে কারণগুলো পেয়ারটির মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে সমর্থন করেছিল, তার তুলনায় এখন তুলনামূলকভাবে কম কারণ বিদ্যমান। চলতি সপ্তাহে ইউরোপীয় মুদ্রার ধারাবাহিক দর বৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে, এই দর বৃদ্ধির মূল কারণ কী? জেরোম পাওয়েল দুইবার ফেডারেল রিজার্ভের হকিশ বা কঠোর অবস্থানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদন পাওয়েলের এই মতামতকে আরও জোরদার করেছে যে শীঘ্রই মূল সুদের হার কমানো উচিত হবে না। ইউরোজোন থেকে কয়েকটি তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, বিশেষ করে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত শিল্প উৎপাদন প্রতিবেদন, যা দীর্ঘদিন পর প্রথমবারের মতো পূর্বাভাসের চেয়ে ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। তবে, প্রশ্ন ওঠে যে শিল্প উৎপাদন প্রতিবেদন কি ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতি থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ? আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন অব্যাহত রয়েছে, তবে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে প্রবণতাগুলো বারবার পরিবর্তিত হচ্ছে, যা মার্কেটে এলোমেলো এবং কিছুটা অযৌক্তিক মুভমেন্ট সৃষ্টি করছে। একটি নতুন ট্রেন্ডলাইন তৈরি হয়েছে, যা ইউরোরকে সমর্থন প্রদান করছে, তবে এই লাইনটি যে কোনো মুহূর্তে, এমনকি আজও ব্রেক করা হতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার একাধিক ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। দিনের শুরুতে মূল্য 1.0433-1.0453 জোন থেকে দুবার বাউন্স করে, এরপর দিনের শেষে এটি এই লেভেলের নিচে নেমে যায়। প্রথম সেল সিগন্যাল এবং অপেক্ষাকৃত কম কার্যকর দ্বিতীয় সেল সিগন্যালটি শর্ট পজিশন ওপেন করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারত। তবে, উভয় ক্ষেত্রেই এই পেয়ারের মূল্য নিকটবর্তী লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলে, যদিও এই ট্রেডগুলোতে কোনো ক্ষতি হয়নি, তবে মুনাফার সুযোগও সীমিত ছিল। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, র্তমানে মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। স্থানীয় পর্যায়ে আগের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সমাপ্ত হয়েছে এবং নিম্নমুখী মুভমেন্ট আবার শুরু হয়েছে। ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণগুলো এখনো মার্কিন ডলারকে সমর্থন করছে। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। শুক্রবার, কারেকশন চলমান থাকার কারণে এই পেয়ারের মূল্যের অনিয়মিত মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। তাই ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত এবং টেকনিক্যাল লেভেলের উপর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। শুক্রবার, ইউরোজোনে চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপির দ্বিতীয় অনুমান সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শিল্প উৎপাদন এবং খুচরা বিক্রয় সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। জিডিপি প্রতিবেদন মার্কেটের পরিস্থিতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে বলে মনে হচ্ছে না, তবে মার্কিন প্রতিবেদনগুলো মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3QiKgrq









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৭ ফেব্রুয়ারী ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0477 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো ক্রয়ের জন্য একটি উপযুক্ত এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে অল্পের জন্য মূল্য 1.0515 এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর দুর্বল ফলাফল ফেডারেল রিজার্ভের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, কারণ ফেডের কর্মকর্তারা দীর্ঘ সময়ের জন্য উচ্চ সুদের হার বজায় রাখার পরিকল্পনা করছে। গত সপ্তাহের খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সুদের হার অতিরিক্ত উচ্চ পর্যায়ে রাখলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, যে বিষয়টি অর্থনীতিবিদদের মধ্যে ক্রমশ আলোচিত হচ্ছে। ডলারের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স থেকে বোঝা যাচ্ছে যে মার্কেটের ট্রেডাররা ইতোমধ্যেই এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আজকের ট্রেডিং সেশনে ইউরোজোনের বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। দিনটি শুরু হবে ইউরোজোন এবং ইতালির ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রকাশনার মাধ্যমে, এরপরে বুন্দেসব্যাংকের মাসিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং ইউরোগ্রুপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। যদিও এই ইভেন্টগুলো ট্রেডার এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে এসব ইভেন্ট মার্কেটে সীমিত প্রভাব বিস্তার করতে পারে, কারণ বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবির) স্পষ্ট নীতিগত সংকেতের জন্য অপেক্ষা করছে। ট্রেডারদের দৃষ্টি মূলত ইসিবির কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং মার্কিন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে থাকবে, কারণ এসব উপাদান বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করবে। তবে, বুন্দেসব্যাংকের প্রতিবেদন জার্মান অর্থনীতি এবং ইউরোজোনের অর্থনৈতিক অবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি প্রকাশ করতে পারে। যদি আসন্ন প্রতিবেদনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার বা মূল্যস্ফীতির চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত থাকে, তাহলে এটি ইউরোর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, ইউরোগ্রুপ বৈঠক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, তবে এটি সাধারণত তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নীতিগত পরিবর্তন আনে না। বরং, এই বৈঠক নীতিনির্ধারকদের অগ্রাধিকার ও পরিকল্পনা সম্পর্কে অতিরিক্ত অন্তর্দৃষ্টি পাওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে। আজকের দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0547-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0507-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.054-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণবতার অংশ হিসেবে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0482-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0507 এবং 1.0547-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0482-এর লেভেল ব্রেক করে নিচের দিকে যাওয়ার পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0449-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0507-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0482 এবং 1.0449-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4b6dwLx









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ ফেব্রুয়ারী ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0475 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই, আমি ইউরো বিক্রি করিনি। কিছুক্ষণ পরেই 1.0475 লেভেলের দ্বিতীয় টেস্ট ঘটে এবং সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোন থেকে পুনরুদ্ধার করছিল, যা পরিকল্পনা নং 2 অনুসারে ইউরো কেনার সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে, এই পেয়ারের মূল্য মাত্র ১০ পিপস বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত বিলম্বিত করার প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত মন্তব্য ডলার ক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে আশাবাদ তৈরি করেছে। এই নতুন তথ্য ফরেক্স মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে, এবং আজকের এশিয়ান ট্রেডিং সেশনে EUR/USD পেয়ারের ওপর চাপ দ্রুত বেড়ে যায়। বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারের শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা দেখে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা স্বাভাবিকভাবেই এই পেয়ারের বিনিময় হারকে প্রভাবিত করেছে। আজ, জার্মানি থেকে বেশ কিছু অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং এই প্রতিবেদনগুলোর দুর্বল ফলাফল ইউরোর ক্রেতাদের অবস্থান আরও নেতিবাচক করতে পারে। এই অঞ্চলের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, বিশ্লেষকরা জার্মানির উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক মনোভাব আরও কমার পূর্বাভাস দিয়েছেন। যদি প্রকাশিত প্রতিবেদনে কোনো নেতিবাচক ফলাফল দেখা যায়, তবে এটি ইউরোর ব্যাপক বিক্রির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ে ইউরোর কঠোর অবস্থানের সাথে মিলে যায়। ইইউর অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক এই অঞ্চলের রাজস্ব নীতির দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে আরও গভীর অন্তর্দৃষ্টি দেবে। বিনিয়োগকারীরা এই কর্মকর্তাদের বক্তব্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে, বিশেষ করে যখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং সুদের হার বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকারগুলোর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করার প্রস্তুতি মূল্যায়ন করা হবে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে মার্কেটের ট্রেডাররা কীভাবে ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সংকটের সমাধান নিয়ে যেকোনো মতবিরোধের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায়। এই ধরনের মতপার্থক্য বিনিয়োগকারীদের ইউরোর প্রতি আস্থাকে দুর্বল করতে পারে, যার ফলে মুদ্রাটির আরও দরপতন ঘটতে পারে। আজকের দৈনিক ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা নং 1 এবং পরিকল্পনা নং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন মূল্য 1.0501-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0469-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0501-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র জার্মানির সামষ্টিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0449-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0469 এবং 1.0501-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0449-এর লেভেল ব্রেক করে নিচের দিকে যাওয়ার পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0426-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদনের খুব দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0469-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0449 এবং 1.0426-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/413y82v









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৯ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা এবং নিম্নমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, যার ফলে ইউরো এবং ডলারের মূল্যের মুভমেন্ট সৃষ্টির জন্য শক্তিশালী চালিকাশক্তি অনুপস্থিত ছিল। সকালে, ZEW ইনস্টিটিউট থেকে জার্মানি এবং ইউরোজোনের ইকোনোমিক সেন্টিমেন্ট সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। তবে, এই প্রতিবেদনগুলো গৌণ গুরুত্বসম্পন্ন হিসাবে বিবেচিত হয় এবং সাধারণত মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। ফলে, ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, তবে এটি এই সপ্তাহের শেষের দিকে সমাপ্ত হতে পারে। মূল বিষয় হল দৈনিক টাইমফ্রেমে কারেকশন, যা ঘন্টাভিত্তিক চার্টে পরিবর্তনশীল প্রবণতার একটি জটিল ক্রম হিসাবে প্রকাশ পাচ্ছে। পুরো এক মাস ধরে এই ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে, ইউরোর মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টামের কোনো কারণ নেই। এই পেয়ারের মূল্যের 1.0500 লেভেলে পৌঁছানোর বিষয়টি কিছুটা আশ্চর্যজনক। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে মঙ্গলবার কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। এই পেয়ারের মূল্য ধীরে ধীরে 1.0433-1.0451 রেঞ্জের দিকে এগিয়ে গেছে, তবে দিনের শেষে রেঞ্জটি ব্রেকআউট করতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি বুধবার সকালে এই পেয়ারের মূল্য একই রেঞ্জে মধ্যে ছিল, কারণ এই সপ্তাহে অস্থিরতার মাত্রা অত্যন্ত কম ছিল। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, মধ্য-মেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, যদিও বর্তমানে স্থানীয় পর্যায়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে ইউরোর মূল্য হ্রাস পাবে, কারণ মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণগুলো ইউরোর তুলনায় মার্কিন ডলারকে বেশি সহায়তা করছে। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। এটি নির্দেশ করে যে ঘন্টাভিত্তিক চার্টে মূল নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার আগে পরিবর্তনশীল প্রবণতা দেখা যেতে পারে। বুধবার মার্কেটে আবারও অনিয়মিত, অযৌক্তিক এবং দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। দৈনিক টাইমফ্রেমে কারেকশনের প্রয়োজনীয়তার কারণে মার্কেটে দর বৃদ্ধি প্রবণতা দেখা যেতে পারে; তবে নিম্নমুখী কারেকশন এবং মুভমেন্টের সম্ভাবনাও রয়েছে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, পর্যবেক্ষণযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হল: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। বুধবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, বিল্ডিং পারমিট এবং নতুন আবাসন নির্মাণ সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে মার্কেটে এগুলোর ফলাফলের ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। সন্ধ্যায়, FOMC-এর বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশিত হবে, যা গৌণ গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়। Read more: https://ifxpr.com/3CUDBRk









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ ফেব্রুয়ারী ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচক ইতোমধ্যেই শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0415 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা দিনের শেষ পর্যন্ত এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে। এই কারণেই, আমি ইউরো বিক্রির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। গতকাল প্রকাশিত FOMC-এর কার্যবিবরণী ফেডারেল রিজার্ভের পূর্বে প্রতিষ্ঠিত মতামতকেই নিশ্চিত করেছে। কমিটির সদস্যরা মনে করেন যে সুদের হার দ্রুত কমানোর প্রয়োজন নেই। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ফেড মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে প্রকৃত অগ্রগতি দেখতে চায়। এছাড়াও, ফেডের প্রতিনিধিগণ উল্লেখ করেছেন যে মার্কিন অর্থনীতিতে যদি পুনরায় অতিরিক্ত অস্থিতিশীলতার লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে সুদের হার উচ্চ পর্যায়ে রাখা হবে। ট্রেডারদের জন্য এই অবস্থান নতুন নয়, তাই এটি বাজার পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আনেনি। তবে, এটি ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং ডলারকে সমর্থন যুগিয়েছে।স সামনের দিনগুলোতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন, কর্মসংস্থানের স্তর এবং খুচরা বিক্রয় পরিসংখ্যানের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে। স্থিতিশীলভাবে মজুরি বৃদ্ধি এবং শক্তিশালী ভোক্তা ব্যয় চলমান মুদ্রাস্ফীতির চাপ নির্দেশ করতে পারে, যা ফেডকে আরও সতর্কতার সঙ্গে সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করতে পারে। আজকের সকালে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশনা নির্ধারিত নেই, তাই জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) এবং ইউরোজোনের ভোক্তা আস্থা সূচকের উপর নজর দেয়া উচিত। এই সূচকগুলো মুদ্রাস্ফীতি পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিমাপক হিসেবে কাজ করে। জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচকের (PPI) ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী হলে সেটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে (ECB) সুদের হার কমানোর বিষয়ে আরও সতর্ক অবস্থান গ্রহন করতে উৎসাহিত করতে পারে, যা ইউরোকে শক্তিশালী করতে পারে। বিপরীতে, দুর্বল ফলাফল ইউরো কারেন্সির উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ভোক্তা আস্থা সূচক (কনজিউমার কনফিডেন্স ইনডেক্স) সাধারণত পারিবারিক অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদ প্রতিফলিত করে। উচ্চ আস্থা সাধারণত ভোক্তা ব্যয় বৃদ্ধির সংকেত দেয়, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করতে পারে এবং সম্ভবত ইউরোর জন্য সহায়ক হতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আজ আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0473-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0440-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0473-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র জার্মানির সামষ্টিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0420-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0440 এবং 1.0473-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0420-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0386-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদনের খুব দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0440-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0420 এবং 1.0386-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/435duBY









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৪ ফেব্রুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অত্যন্ত ধীরগতির মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, যেন এই পেয়ার কারও অনুরোধে এমনভাবে মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট শক্তিশালী হলেও কিছুটা পরস্পরবিরোধী ছিল। তা সত্ত্বেও, ট্রেডাররা সক্রিয় ছিল। বেশ কয়েকটি ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সূচক এবং অপেক্ষাকৃত স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন অন্যান্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, ইউরোপে, জার্মানি এবং ইউরোজোনের উৎপাদন খাত প্রত্যাশার চেয়ে ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে, তবে সেবাখাতে প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ফলাফল পরিলক্ষিত হয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এই মিশ্র সংকেতগুলোর প্রতিক্রিয়ায় কীভাবে সাড়া দেবে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, উৎপাদন সংক্রান্ত PMI ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তবে পরিষেবা PMI সূচক 50.0 লেভেলের নিচে নেমে গেছে। দিনের শেষে, ইউরোর মূল্য সামান্য হ্রাস পেয়েছিল, তবে মূল্য ট্রেন্ডলাইনের ওপরে রয়ে গেছে। আমাদের ধারণা, এই ট্রেন্ডলাইনের ব্রেকআউট আসন্ন এবং এটি নতুন করে স্বল্পমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু করতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের চার্টে, শুক্রবার মাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। গত সপ্তাহে স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার কারণে ট্রেডিং সিগন্যালের সংখ্যা খুবই কম ছিল। ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার কাছাকাছি সময়ে একমাত্র সিগন্যালটি তৈরি হয়, যখন মূল্য 1.0451 লেভেলে নেমে আসে তবে আবার উপরে উঠতে পারেনি। তবে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার সময় ট্রেড ওপেন করা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত ছিল না। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনো মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আগের মতোই, ইউরোর মূল্য হ্রাসের সম্ভাবনাই বেশি, কারণ মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারকে বেশি সহায়তা করছে। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী কারেকশন কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। মূল নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার আগে আমরা কয়েকবার পরিবর্তনশীল প্রবণতা দেখতে পেতে পারি। সোমবার, এই পেয়ারের মূল্যের আবারও খুব দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। এমনকি মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করলেও, এটি ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রাকে খুব বেশি প্রভাবিত নাও করতে পারে এবং আজও খুব বেশি সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, গুরুত্বপূর্ণ ও পর্যবেক্ষণযোগ্য লেভেলগুলো হল: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। সোমবার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ কিছু নেই। ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) প্রতিবেদন কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে এটি শুধুমাত্র জানুয়ারির দ্বিতীয় অনুমান, যা প্রাথমিক অনুমানের তুলনায় খুব বেশি ভিন্ন হবে না। সবচেয়ে সম্ভাবনাময় পরিস্থিতি হলো, আজ আরেকবার "একঘেয়ে সোমবার" দেখা যেতে পারে। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী: 1) সিগন্যালের শক্তি: সিগন্যাল গঠন করতে কতক্ষণ সময় নেয় তার উপর ভিত্তি করে সিগন্যালের শক্তি নির্ধারণ করা হয় (বাউন্স বা লেভেলের ব্রেকথ্রু)। এটি গঠন করতে যত কম সময় লাগবে, সিগন্যাল তত শক্তিশালী হবে। 2) ভুল সিগন্যাল: যদি ভুল সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট লেভেলের কাছাকাছি দুটি বা ততোধিক পজিশন খোলা হয় (যা টেক প্রফিট শুরু করেনি বা নিকটতম লক্ষ্যমাত্রায় পৌছায়নি), তাহলে এই লেভেলে প্রাপ্ত পরবর্তী সমস্ত সিগন্যাল উপেক্ষা করা উচিত। 3) ফ্ল্যাট মার্কেট: ফ্ল্যাট মার্কেটের সময়, যেকোন পেয়ারের একাধিক ফলস সিগন্যাল তৈরি হতে পারে বা কোন সিগন্যালের গঠন নাও হতে পারে। যাই হোক না কেন, ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়া মাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেয়া উচিত। 4) ট্রেডিং টাইমফ্রেম: ইউরোপীয় সেশনের শুরু এবং মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময়ে ট্রেড ওপেন করা উচিত। এর বাইরে সমস্ত ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করতে হবে। 5) MACD সূচকের সিগন্যাল: প্রতি ঘন্টার চার্টে, শুধুমাত্র উল্লেখযোগ্য ভোলাট্যালিটি এবং প্রতিষ্ঠিত প্রবণতার মধ্যেই MACD থেকে প্রাপ্ত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে ট্রেড করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা একটি ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেল দ্বারা নিশ্চিত করা হয়। 6) কাছাকাছি লেভেল: যদি দুটি লেভেল একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হয় (5 থেকে 15 পিপস পর্যন্ত), সেগুলোকে সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। 7) স্টপ লস: মূল্য 15 পিপস উদ্দেশ্যমূলক দিকে যাওয়ার পর, ব্রেক-ইভেনে স্টপ লস সেট করা উচিত। চার্টে কী কী আছে: সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো হল সেই লেভেল যা কারেন্সি পেয়ার কেনা বা বিক্রি করার সময় লক্ষ্যমাত্রা হিসাবে কাজ করে। আপনি এই লেভেলগুলোর কাছাকাছি টেক প্রফিট সেট করতে পারেন। লাল লাইন হল চ্যানেল বা ট্রেন্ড লাইন যা বর্তমান প্রবণতা প্রদর্শন করে এবং দেখায় যে এখন কোন দিকে ট্রেড করা ভাল হবে। MACD (14,22,3) সূচক, হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করে, এটি একটি সহায়ক টুল হিসেবে কাজ করে এবং এটি সিগন্যালের উৎস হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা এবং প্রতিবেদন (সর্বদা নিউজ ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত থাকে) যেকোন কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের গতিশীলতাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। অতএব, এগুলো প্রকাশের সময় অত্যন্ত সতর্কভাবে ট্রেডিং করতে হবে। চলমান প্রবণতার বিপরীতে আকস্মিকভাবে মূল্যের পরিবর্তন থেকে সুরক্ষিত থাকতে মার্কেট থেকে বের হয়ে যাওয়াই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। নতুন ট্রেডারদের সর্বদা মনে রাখতে হবে যে প্রতিটি ট্রেড থেকে লাভ হবে না। একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ ও কার্যকর অর্থ ব্যবস্থাপনাই দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ের সাফল্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। Read more: https://ifxpr.com/3XddMmp









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৫ ফেব্রুয়ারী। ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0459 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে। এই কারণে, আমি ইউরো বিক্রি করিনি এবং অন্য কোনো এন্ট্রি সিগন্যালও পাইনি। গতকাল জার্মানির দুর্বল IFO সূচক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় মার্কেটে নেতিবাচক মনোভাব দেখা গিয়েছিল, সপ্তাহের শুরুতে পরিলক্ষিত ইতিবাচক প্রবণতার অবসান ঘটিয়েছে। জার্মানির নির্বাচনে বিরোধী দলের সাফল্যের ফলে যে বুলিশ মোমেন্টাম তৈরি হয়েছিল, তা একদিনের মধ্যেই হ্রাস পেয়েছে, এবং ইউরোর মূল্য পুনরায় সপ্তাহের শুরুর লেভেলে ফিরে এসেছে। এই পরিস্থিতি মার্কেটে আশাবাদী মনোভাবের ভঙ্গুরতা এবং এই পেয়ার সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রতি কতটা সংবেদনশীল তা স্পষ্ট করে তুলেছে। বিনিয়োগকারীরা এখন রাজনৈতিক বিষয়গুলো থেকে সরে এসে ইউরোজোনের অর্থনৈতিক মৌলিক উপাদানগুলোর দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেছে। আজ ট্রেডারদের দৃষ্টি মূলত জার্মানির জিডিপি প্রতিবেদনের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। জার্মানির চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি হ্রাস পাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতিসম্পন্ন দেশের অর্থনৈতিক মন্দা শুধুমাত্র দেশীয় পর্যায়ে নয়, বৈশ্বিক স্তরেও উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। বর্তমানে দেশটির সামষ্টিক প্রতিবেদনগুলোতে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি নির্দেশিত হয়েছে যা নিঃসন্দেহে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করবে। এই প্রেক্ষাপটে, EUR/USD পেয়ারের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকতে হবে। জিডিপি প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও নমনীয় অবস্থান গ্রহণের দিকে নিয়ে যেতে পারে, যা মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রার আরও বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 কার্যকর করার ওপর বেশি গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0509-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0482-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0509-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। ইউরোজোন এবং জার্মানির সামষ্টিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0469-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0482 এবং 1.0509-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0469-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0444-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদনের খুব দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0482-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0469 এবং 1.0444-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4ibSUEb









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৫ ফেব্রুয়ারী ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ দিনের প্রথমার্ধে, যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0469 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরোর একটি সঠিক সেল এন্ট্রি নিশ্চিত করেছিল। তবে, স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার কারণে, প্রত্যাশিত শক্তিশালী দরপতন দেখা যায়নি। জার্মানির অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ফলাফল প্রত্যাশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল, যা ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে। ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, ক্রেডিট ব্যয়ের বৃদ্ধি, বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতির মতো একাধিক নেতিবাচক কারণের কারণে স্থবির হয়ে আছে। ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার হ্রাস এবং কর্পোরেট বিনিয়োগের সংকোচন দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধীরগতির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে, ট্রেডারদের দৃষ্টি S&P/Case-Shiller হোম প্রাইস ইনডেক্স এবং রিচমন্ড ফেড ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্সের দিকে থাকবে। যদিও এই প্রতিবেদনগুলো সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে এগুলো স্বল্পমেয়াদে মার্কেটে ভোলাটিলিটি সৃষ্টি করতে পারে। S&P/Case-Shiller ইনডেক্স মার্কিন আবাসন বাজারের প্রবণতা প্রতিফলিত করে এবং ভোক্তা আস্থা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থার বিষয়ে ধারণা দেয়। অন্যদিকে, রিচমন্ড ফেড ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্স উৎপাদন খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতির ব্যাপারে ধারণা প্রদান করে, যা শিল্প খাতের স্টকের প্রতি বিনিয়োগকারীদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে। মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র হতে পারে, কারণ এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাব কারেন্সি ট্রেডারের জন্য সীমিত। দৈনিক ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0526-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0505-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0526এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। আজ নির্ধারিত ট্রেডিং রেঞ্জের মধ্যে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0484-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0505 এবং 1.0526-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0484-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0459-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। মার্কিন সামষ্টিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0505-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0484 এবং 1.0459-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3XhSAMe









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৭ ফেব্রুয়ারী। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/803591077.jpg[/IMG] [URL="https://ifxpr.com/41zQeKY"]ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0485 এর লেভেল টেস্ট করেছে, যা ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো বিক্রির সিদ্ধান্ত নেইনি। কিছুক্ষণের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো একই লেভেলের টেস্ট ঘটে, সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে প্রবেশ করছিল ও মূল্য বৃদ্ধির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, ফলে পরিকল্পনা #2 অনুসারে ইউরো ক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর ফলে, ইউরোর মূল্য 40 পিপস বৃদ্ধি পায়। তবে, যখন ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আসা সমস্ত পণ্যের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপ করবেন তখন মার্কেটে দ্রুত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিনিয়োগকারীরা, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সম্ভাব্য বাণিজ্য যুদ্ধের আশঙ্কায়, ইউরো বিক্রি শুরু করে এবং তুলনামূলকভাবে বেশি নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত ডলারভিত্তিক অ্যাসেটে বিনিয়োগ স্থানান্তর করে। ট্রাম্পের এই বক্তব্য ইউরোপীয় রাজনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় তোলে, যাদের অনেকেই একে দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য ও জনসমর্থন অর্জনের কৌশল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে এই বলে অভিযুক্ত করেন যে তিনি বিশ্ব অর্থনীতিকে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রতিনিধিরা পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানান, যা বাণিজ্য সংঘাত আরও বাড়াতে পারে বলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, কারেন্সি মার্কেটে আরও অস্থিরতার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আজ ইউরোজোনের M3 মানি সাপ্লাই এবং বেসরকারি খাতে ঋণের পরিবর্তন সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশিত হবে, তবে এগুলোর প্রভাবে ইউরোর মূল্যের বড় ধরনের মুভমেন্ট সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম। তা সত্ত্বেও, এগুলো বিশ্লেষণ করা জরুরি। M3 মানি সাপ্লাই, যা মার্কেটে প্রচলিত নগদ, আমানত এবং স্বল্পমেয়াদী মানি মার্কেট ইনস্ট্রুমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করে, সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম প্রধান পূর্বাভাস হিসাবে বিবেচিত হয়। ব্যবসা বা পরিবারের জন্য বেসরকারি খাতে ঋণের বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে, কারণ নতুন ঋণ অর্থনীতিতে অর্থের পরিমাণ বাড়ায়। আজ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি সংক্রান্ত বৈঠকের প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে M3 মানি সাপ্লাই এবং ঋণের প্রবণতার বিশদ বিশ্লেষণ প্রদান করবে। এতে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাখ্যা থাকবে এবং ভবিষ্যতের পদক্ষেপ সম্পর্কে কিছু পূর্বাভাস পাওয়া যেতে পারে। ট্রেডার এবং বিশ্লেষকরা এই প্রতিবেদন থেকে ইসিবির পরবর্তী নীতিগত কার্যক্রমের সংকেত খুঁজতে চেষ্টা করবেন। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 অনুসরণ করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন মূল্য 1.0520-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0478-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0520-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। ইউরোজোনের সামষ্টিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0455-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0478 এবং 1.0520-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0455-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0421-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদনের খুব দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0478-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0455 এবং 1.0421-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।[/URL] Read more: https://ifxpr.com/41zQeKY









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

XAU/USD-এর বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস আজও স্বর্ণের মূল্য নিম্নমুখী হয়েছে। স্বর্ণের মূল্য দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেল প্রায় $2,880-এ পৌঁছেছে। মার্কিন ট্রেজারি ইয়েল্ডের সামান্য বৃদ্ধি ডলারের দর বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে, ডলারের মূল্য ডিসেম্বর ১০-এর পর সর্বনিম্ন লেভেল থেকে পুনরুদ্ধার করেছে। এই বিষয়টি, স্টক মার্কেটে ইতিবাচক পরিস্থিতির সাথে মিলিত হয়ে, মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং সম্ভাব্য বাণিজ্য যুদ্ধের উদ্বেগ ট্রেডারদের সতর্ক করে তুলছে। তারা নিশ্চিত হতে চাইছে যে স্বর্ণের মূল্য স্বল্পমেয়াদী সর্বোচ্চ লেভেলে পৌঁছেছে কিনা, কারণ এটি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যদিকে, মার্কিন অর্থনৈতিক মন্দার লক্ষণের কারণে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার আরও কমানোর প্রত্যাশা স্বর্ণের মূল্যের নিম্নমুখী সম্ভাবনাকে সীমিত করতে পারে। XAU/USD-এর মূল্যের নতুন মোমেন্টাম অর্জনের জন্য ট্রেডারদের আজ প্রকাশিতব্য মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর জন্য অপেক্ষা করা উচিত। টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ $2,888 এর লেভেল তাৎক্ষণিক সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে, এর পরের সাপোর্ট জোন $2,860–$2,855 এ অবস্থিত। যদি স্বর্ণের মূল্য এই সাপোর্ট লেভেলগুলোতে অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এটি আরও দরপতনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যেখানে পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে $2,834 এবং সাইকোলজিক্যাল সাপোর্ট $2,800। Read more: https://ifxpr.com/3EWbXUN









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৩ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, যা ট্রেন্ডলাইন ব্রেক হওয়ার পর শুরু হয়েছিল। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, ইউরোর দরপতন প্রত্যাশিত এবং যৌক্তিক ছিল। শুক্রবারের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের ক্ষেত্রে, ট্রেডারদের কাছে এর প্রভাব সম্পর্কে পূর্বানুমান করার যথেষ্ট কারণ ছিল। তবে, বাস্তবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। শুক্রবার রাতের শেষ ভাগে এই পেয়ারের মূল্যের সবচেয়ে বেশি অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যদিও ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রের সকল গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন অনেক আগেই প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়াও, জার্মানির অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল কোনো চমক দেখাতে পারেনি। দেশটির বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতির হার পূর্বাভাস অনুযায়ী এসেছে। খুচরা বিক্রয়ের ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় কিছুটা কম ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও, এগুলো গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়নি এবং ট্রেডিংয়ের ওপর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার, ৫-মিনিটের চার্টে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। মূল্য একবার 1.0359 এর লেভেল টেস্ট করে এবং সেখান থেকে রিবাউন্ড করে। তবে, মার্কেটে সেশন শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগে একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে সোমবার একটি গ্যাপ দিয়ে ট্রেডিং শুরু হতে পারে। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: এখনো মাঝারি-মেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, এবং দৈনিক চার্টে রেঞ্জ-ভিত্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। আগের মতোই, ইউরোর আরও দরপতনের সম্ভাবনাই বেশি, কারণ মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মার্কিন ডলারের পক্ষে বেশি অনুকূল। মূল নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার আগে ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে আরও কয়েকবার প্রবণতার পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, তবে স্বল্পমেয়াদে স্থানীয় পর্যায়ে দরপতনের সম্ভাবনাই বেশি। সোমবার ইউরোর দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে মূল্য কোথায় অবস্থান করবে তা গুরুত্বপূর্ণ হবে। শনিবার রাতে হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ঘিরে একটি ছোটখাটো রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা গেছে, যা সোমবার ট্রেডিং শুরু হলে মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ৫-মিনিটের চার্টে সোমবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হল: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। সোমবারের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানি, ইউরোজোন, এবং যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন খাতের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হবে। মার্কিন ISM সূচকের ওপর বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হবে। ইউরোজোনে ফেব্রুয়ারির মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, যা ইউরোর মূল্যের ওপর শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4i0FDP7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৪ মার্চ ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবারের মতো 1.0471 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো কেনার সিদ্ধান্ত নেইনি। 1.0471 লেভেলের দ্বিতীয়বারের টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে ছিল, তখন আমি সেল সিগন্যালের দ্বিতীয় পরিকল্পনা কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছিলাম। তবে, এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি, যার ফলে লোকসান হয়েছে। গত মাসে, যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন খাত কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল, কারণ নতুন অর্ডার ও কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছিল, যখন কাঁচামালের মূল্য সূচক ২০২২ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিল, যা শুল্ক নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। তথ্য অনুসারে, ফেব্রুয়ারিতে ISM ম্যানুফ্যাকচারিং সূচক 0.6 পয়েন্ট কমে 50.3 এ নেমে এসেছে, যেখানে 50-এর উপরের যেকোনো মান প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। একই সময়ে, কাঁচামাল মূল্য সূচক 7.5 পয়েন্ট বেড়ে 62.4 এ পৌঁছেছে। এই তথ্যগুলো মার্কিন উৎপাদনকারীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি প্রতিফলিত করে। একদিকে, উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধির হার দুর্বল থাকছে, অন্যদিকে, কাঁচামালের ক্রমবর্ধমান ব্যয় মুনাফার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। কাঁচামাল মূল্য সূচকের এই বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতির সূচনা নির্দেশ করতে পারে, যা ফেডারেল রিজার্ভকে তাদের মুদ্রানীতি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করতে পারে। একই সাথে, অর্ডার এবং কর্মসংস্থান হ্রাস অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। সরবরাহ শৃঙ্খলা ও পণ্যের চূড়ান্ত দামের ওপর শুল্কের সম্ভাব্য প্রভাব ক্রমেই আরও উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠছে, যা বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে। আজ দিনের প্রথমার্ধে, ইতালির বেকারত্ব সংক্রান্ত তথ্য, স্পেন এবং ইউরোজোনের বেকারত্ব হার প্রকাশিত হবে। সামগ্রিকভাবে, ইউরোজোনের বেকারত্ব হার 6.3% অপরিবর্তিত থাকার পূর্বাভাস রয়েছে, যা ইউরোর চাহিদাকে সহায়তা করতে পারে। তবে, ইউরোপীয় শ্রম বাজার অভিন্ন নয়; বিভিন্ন দেশের জাতীয় অর্থনীতি, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির পার্থক্য স্থিতিশীল ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সূচকের ইতিবাচক প্রভাবকে দুর্বল করতে পারে। শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের খুব শক্তিশালী ফলাফলই ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম ধরে রাখতে সহায়তা করবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0524-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0492-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0524-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র ইতালি এবং স্পেনের সামষ্টিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0471-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0492 এবং 1.0524-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0471-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0438-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন সামষ্টিক প্রতিবেদনের প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর বিক্রির চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0492-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0471 এবং 1.0438-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/43k26lw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৫ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, যখন সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এই পেয়ারের উপর বিশেষ প্রভাব বিস্তার করেনি। গতকাল শুধুমাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল এবং সেটি হচ্ছে ইউরোজোনের বেকারত্ব প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ইউরোর জন্য সহায়ক হতে পারত, কারণ বেকারত্বের হার 6.3% থেকে 6.2%-এ নেমে এসেছে, যা ট্রেডারদের জন্য একটি অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন ছিল। তবে, আমরা এখনো মনে করি যে সোমবার বা মঙ্গলবার পরিলক্ষিত এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে না। কিছু প্রতিবেদন ইউরোর জন্য ইতিবাচক সংকেত দিলেও, সেগুলো মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে সক্ষম নয়। বর্তমানে ডলারের দুর্বলতার মূল কারণ হল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ধারাবাহিক বক্তব্য। ট্রাম্প ক্রমাগত আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ করছেন, দাবি করছেন যে "প্রায় প্রতিটি দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করছে"। এর ফলে, ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া হিসাবে মার্কিন ডলার, মার্কিন স্টক এবং এমনকি ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোও বিক্রির প্রবণতার সম্মুখীন হয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার, ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে বেশ বিশৃঙ্খল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্যের প্রবণতা বারবার পরিবর্তিত হয়েছে, এবং এই ওঠানামাগুলোর পেছনে খুব বেশি যৌক্তিক ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। মার্কেটের ট্রেডাররা ট্রাম্পের বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে আবেগপ্রবণভাবে ট্রেডিং করছে। এই আবেগগুলোই ইউরোর মূল্যের বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে, যখন ফেডারেল রিজার্ভ ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হারের পার্থক্য, মার্কিন অর্থনীতির শক্তিশালী পরিস্থিতি, এবং ইউরোপীয় অর্থনীতির তুলনামূলক দুর্বলতা—এসব বিষয়ই উপেক্ষিত হচ্ছে। ফলে, বেশিরভাগ ট্রেডিং সিগন্যাল লাভজনক হচ্ছে না। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে, এখনও মাঝারি-মেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। যেহেতু সামষ্টিক ও মৌলিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মার্কিন ডলারের জন্য বেশি অনুকূল, আমরা এখনো ধারণা করছি যে এই পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকবে। তবে, মূল নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার আগে ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে আরও কয়েকবার স্বল্পমেয়াদী প্রবণতা দেখা যেতে পারে। এটি ইউরোর মূল্যের বৃদ্ধি নয়, বরং ডলারের দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করা যায় যা ট্রাম্পের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে ঘটছে। বুধবার, ইউরোর মূল্য যে কোনো দিকে যেতে পারে। বর্তমানে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ ট্রাম্প যেকোনো সময় নতুন কোনো বিবৃতি দিতে পারেন, যা বাজার পরিস্থিতির বড় ধরনের পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে পর্যবেক্ষণযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হল: 1.0156, 1.0221, 1.0269-1.0277, 1.0334-1.0359, 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, এবং 1.0845-1.0851। বুধবার, ইউরোজোন, জার্মানি, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সার্ভিস সেক্টরের PMI সূচক প্রকাশিত হবে, পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ADP থেকে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে। তবে, বর্তমানে মার্কেটে সামষ্টিক প্রতিবেদনগুলোর তুলনায় ট্রাম্পের বক্তব্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। Read more: https://ifxpr.com/4hpwm25









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ৬ মার্চ ইউরোর ট্রেডের পরামর্শ এবং বিশ্লেষণ যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0685 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে, চার্টে দেখা যাচ্ছে যে, যথাযথ কারেকশন দেখা যায়নি এবং ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে এই ট্রেড থেকে লোকসানের সম্মুখীন হতে হয়েছে। মার্কিন পরিষেবা খাতের কার্যক্রম সংক্রান্ত প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল সত্ত্বেও, ইউরোর বিপরীতে মার্কিন ডলার চাপের মধ্যে ছিল। এটি ইঙ্গিত করে যে বর্তমানে ডলার দুর্বল হচ্ছে, এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনাগুলোও একেবারে ভিত্তিহীন নয়। অন্যদিকে, ইউরোপীয় মুদ্রা স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করছে। এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) নমনীয় মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা এবং জার্মান সরকারের নতুন আর্থিক নীতিমালার কারণে হচ্ছে, যা সম্ভবত অন্যান্য দেশও অনুসরণ করবে। আজ দিনের প্রথমার্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে এবং সেটি হচ্ছে ইসিবির মুদ্রানীতি সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস ধারণা করছে যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমাবে, যা ইতোমধ্যেই মার্কেটে বিবেচিত হয়েছে। ফলে, মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং ক্রিস্টিন লাগার্ডের প্রেস কনফারেন্সের প্রতিক্রিয়া অনিশ্চিত হতে পারে। সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াও, ইসিবির সর্বশেষ অর্থনৈতিক পূর্বাভাসের ওপরও বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হবে। বিনিয়োগকারী এবং বিশ্লেষকরা মূল্যস্ফীতি ও ইউরোজোনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ব্যাপারে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যাশা মূল্যায়ন করতে পারবেন। পূর্বাভাস নেতিবাচক হলে, ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি আরও নমনীয়করণের প্রত্যাশা বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়াও, ক্রিস্টিন লাগার্ড কীভাবে প্রেস কনফারেন্সে এই সিদ্ধান্ত ও পূর্বাভাস উপস্থাপন করেন, সেটিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তার বক্তব্য এবং শব্দচয়ন বাজার পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করবে, কারণ বিনিয়োগকারীরা ইসিবির ভবিষ্যৎ অবস্থানের ব্যাপারে দিকনির্দেশনা খুঁজবে। সার্বিকভাবে, ইসিবির বৈঠকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং এটি ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটকে প্রভাবিত করবে, তবে ভূ-রাজনৈতিক বিষয়গুলোও বিবেচনায় রাখা উচিত, কারণ সেগুলো অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0897-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0825-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0897-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র ইউরোজোনের সামষ্টিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0781-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0825 এবং 1.0897-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0781-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0707-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। ইসিবির বৈঠকে অপ্রত্যাশিত কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0825-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0781 এবং 1.0707-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4ha0wGq









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৭ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট: বৃহস্পতিবার, গত তিন দিন দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার পর EUR/USD পেয়ারের মূল্য কার্যত স্থবির ছিল। এমনকি মার্কিন ডলারকে শক্তিশালী করার মতো জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক থাকলেও, মার্কেটে কার্যত কোনো সক্রিয় মুভমেন্ট দেখা যায়নি, যা এই পেয়ারের মূল্যের সাম্প্রতিক অসংলগ্ন মুভমেন্টের আরও একটি উদাহরণ। ইসিবির আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করার সিদ্ধান্ত ইউরোর মূল্য হ্রাস ঘটানোর কথা ছিল, কিন্তু মার্কেটের ট্রেডাররা শুধুমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের দিকে নজর দেওয়ায় এমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। যদিও এই সপ্তাহে ডলারের তীব্র দরপতন ঘটেছে, তবে আজ বা আগামী সপ্তাহে ডলারের মূল্যের রিবাউন্ড শুরু হতে পারে। তবে, বর্তমানে মার্কেটে কোন যুক্তিসঙ্গত দিকনির্দেশনাবিহীন মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। মার্কেটের সার্বিক পরিস্থিতি ট্রেডাররা কীভাবে মৌলিক প্রেক্ষগাপট ব্যাখ্যা করে তার উপর নির্ভর করছে। সেইসাথে, ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কোনো সুস্পষ্ট ট্রেন্ডলাইন দেখা যাচ্ছে না, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তি নির্দেশ করতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট: বৃহস্পতিবার, পাঁচ মিনিটের চার্টে EUR/USD পেয়ারের মূল্য সব গুরুত্বপূর্ণ লেভেল উপেক্ষা করেছে। ইউরোপীয় সেশনে কার্যত কোনো মোমেন্টাম দেখা যায়নি, যখন মার্কিন সেশনে অস্থিরতার মাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও তা খুব বেশি বড় প্রভাব ফেলেনি। শুরুতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, 1.0797–1.0804 রেঞ্জ ট্রেডারদের জন্য আকর্ষণীয় ছিল না, ফলে 1.0845–1.0851 রেঞ্জ থেকে রিবাউন্ডের ফলে একটিমাত্র কার্যকর সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে? ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনো মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। যেহেতু মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের পক্ষে এবং ইউরোর বিপক্ষে কাজ করছে, তাই আমরা পেয়ারের দরপতন আশা করছি। তবে, মূল নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার আগে স্বল্পমেয়াদে বেশ কয়েকবার বিভিন্ন প্রবণতা দেখা যেতে পারে। বর্তমানে মার্কেটে ইউরো শক্তিশালী হতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, বরং ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিমালার কারণে স্পষ্টভাবেই ডলার দুর্বল হয়েছে। শুক্রবার, ইউরোর মূল্য যেকোনো দিকেই ট্রেড করতে পারে, কারণ মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখন আর এই পেয়ারের মূল্য নির্ধারণে ধারাবাহিক প্রভাব ফেলছে না। তবে, আজ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট থাকার কারণে এই পেয়ারের মূল্যের ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাঁচ মিনিটের চার্টে গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হল: 1.0334–1.0359, 1.0433–1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726–1.0733, 1.0797–1.0804, 1.0845–1.0851, 1.0888–1.0896, 1.0940–1.0952। আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: শ্রম বাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন, বেকারত্বের হার এবং মজুরি বৃদ্ধির প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে চতুর্থ প্রান্তিকের চূড়ান্ত জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সেইসাথে ইসিবির প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে এবং ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল আজ বক্তব্য দেবেন। এই বিবেচনায়, আজ মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/3Xyj9wx









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১০ মার্চ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.0872 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই, আমি ইউরো কেনার সিদ্ধান্ত নেইনি। কিছুক্ষণ পরে, 1.0872 লেভেল দ্বিতীয়বার টেস্ট করা হয়েছিল, সেসময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে অবস্থান করছিল, যা এই পেয়ার বিক্রির জন্য দ্বিতীয় পরিকল্পনা (#2) বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করেছিল, ফলে ইউরোর মূল্য ৩০ পিপস হ্রাস পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশার চেয়ে নেতিবাচক ফলাফল দেখা গিয়েছে, যা মার্কেটে ডলার বিক্রির প্রবণতা সৃষ্টি করেছে। তবে, এটি EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটায়নি। শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের নেতিবাচক ফলাফল সত্ত্বেও, মার্কিন অর্থনীতির কিছু শক্তিশালী দিক, যেমন স্থিতিশীল ভোক্তা চাহিদা, ডলারের দরপতনকে সীমিত রাখতে পারে। পাশাপাশি, মার্কেটের ট্রেডারদের দৃষ্টি এখন ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন বৈঠকের দিকে রয়েছে, যেখানে সুদের হারের বিষয়ে নতুন সংকেত প্রদান করা হতে পারে। অন্যদিকে, ইউরোপ এখনও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে, যা ইউরোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। আজকের দিনটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে ঘটনাবহুল হবে। জার্মানির শিল্প খাতের পরিবর্তন এবং ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, এবং ইউরোজোনে সেন্টিক্স থেকে বিনিয়োগকারী আস্থা সূচক প্রকাশিত হবে। কেবলমাত্র জার্মানির শিল্প উৎপাদনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলে সেটি ইউরোর চাহিদা বৃদ্ধি করতে পারে। অন্যথায়, মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশের পর EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে, তা আরও জোরদার হতে পারে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা সক্রিয়ভাবে ইউরো বিক্রির সুযোগ খুঁজছে। জার্মানির শিল্প খাত নিয়ে এখনো সতর্ক প্রত্যাশা রয়েছে, কারণ জ্বালানি সংকট এবং সরবারহ সংক্রান্ত সমস্যাগুলো উৎপাদন খাতের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে চলেছে। যদি আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে নেতিবাচক হয়, তাহলে ইউরো আরও বিক্রির চাপে পড়তে পারে। ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনও বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। রপ্তানি হ্রাস পেলে বা আমদানি বৃদ্ধি পেলে সেটি জার্মানির অর্থনীতির দুর্বলতার ইঙ্গিত দিতে পারে এবং ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা আরও তীব্র হতে পারে। সেন্টিক্স সূচক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন বর্তমান পরিস্থিতিতে শিল্প উৎপাদন ও ট্রেড ব্যালেন্সের তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ। তবুও, এই সূচকের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ইউরোকে কিছুটা সমর্থন জোগাতে পারে এবং বিক্রির চাপ হ্রাস পেতে পারে। দৈনিক কৌশলের জন্য, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0900-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0852-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0900-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র ইউরোজোনের সামষ্টিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0827-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0852 এবং 1.0900-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0827-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0792-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। ইউরোজোনের সামষ্টিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের বিয়ারিশ প্রবণতা ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0852-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0827 এবং 1.0792-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3FijDkj









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১১ মার্চ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের মাত্রা থেকে নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0849 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য ২৫ পিপস হ্রাস পেয়েছিল, তারপর ইউরোর ওপর চাপ কিছুটা কমে আসে। বর্তমানে, EUR/USD পেয়ারের মূল্য একটি সংকীর্ণ চ্যানেলের মধ্যে সাইডওয়েজ মুভমেন্ট প্রদর্শন করছে এবং নতুন অনুঘটকের জন্য অপেক্ষা করছে। মার্কেটের ট্রেডাররা মূলত সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের দিকে নজর রাখছে, যা দুর্ভাগ্যবশত আজ খুব বেশি প্রকাশিত হবে না। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) সম্ভবত তাদের মুদ্রানীতি আরও নমনীয় করার কৌশল বজায় রাখবে, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে। সুতরাং, আজ ইসিবির প্রতিনিধিদের নির্ধারিত বক্তব্যের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থমন্ত্রীদের একটি বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে, তবে অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টের সম্ভাবনা নেই। এর ফলে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের বর্তমান রেঞ্জের বাইরে বের হওয়ার সম্ভাবনা কম। ট্রেডারদের সতর্ক থাকা উচিত এবং একাধিক পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা দরকার, কারণ বর্তমান ওভারবট স্ট্যাটাস শেষ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য নিম্নমুখী করেকশন ঘটাতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0893-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0855-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0893-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0828-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0855 এবং 1.0893-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0828-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0794-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। মূল্য দৈনিক সর্বোচ্চ লেভেলের উপরে উঠতে ব্যর্থ হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0855-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0828 এবং 1.0794-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3XDOiPe









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১২ মার্চ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0918 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা আমার মতে, এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই, আমি ইউরো কেনার সিদ্ধান্ত নেইনি। কিছুক্ষণ পর, 1.0918 লেভেল পুনরায় টেস্ট করা হয়, সেসময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে অবস্থান করছিল, যা এই পেয়ার বিক্রির জন্য পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে, 20-পিপস কারেকশনের পর ইউরোর চাহিদা পুনরায় ফিরে আসে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনার খবর এবং অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি করেছে। মার্কেটের ট্রেডাররা রাশিয়া ও ইউক্রেনের সামরিক উত্তেজনা কমার সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে, যার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মার্কিন ডলারের দুর্বলতা দেখা গিয়েছে। তবে, এই আশাবাদ দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। আলোচনার ফলাফল এবং রাশিয়ার গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপ মূল বিষয় হবে। যদি এই শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়, তাহলে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদগুলো বিক্রির প্রবণতা দেখা যেতে পারে। আজকের ট্রেডিং সেশনে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তব্য ছাড়া আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন নির্ধারিত নেই। যেহেতু কারেন্সি মার্কেটে লাগার্ডের বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে, তাই তার বক্তব্য বাজার পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারে। ইউরোজোনের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, যদি তিনি কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার ইঙ্গিত দেন, তাহলে এটি ইউরোর শক্তিশালী হওয়ার অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 অনুসরণ করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0945-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0908-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0945-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0890-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0908 এবং 1.0945-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0890-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0860-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। লাগার্ডের বক্তব্যে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত প্রতিফলিত হলে এই পেয়ার বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0908-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0890 এবং 1.0860-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3DM7Wlj









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৩ মার্চ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0899 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা আমার মতে, এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই, আমি ইউরো বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেইনি। কিছুক্ষণ পর, MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0899 লেভেলের আরেকটি টেস্ট হয়েছিল। এটি এই পেয়ার ক্রয়ের জন্য পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্য 25 পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতি ইউরোর ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া দুর্বল ছিল, যা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের স্বল্পমেয়াদী বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। গত চার মাসের মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) সবচেয়ে কম বৃদ্ধি পেয়ে, যা ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে উদ্বিগ্ন আমেরিকানদের জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে এনেছে। তবে, মুদ্রাস্ফীতি এখনও ফেডারেল রিজার্ভের 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়েছে, যার ফলে দ্রুতই মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হকিশ বা কঠোর নীতিমালা সরে আসার সম্ভাবনা নেই। একই সময়ে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) আরও ডোভিশ বা নমনীয় মুদ্রানীতি প্রণয়নের পথে রয়েছে, যা ইউরোর দর বৃদ্ধিকে সীমিত করছে। ফেড এবং ইসিবির ভিন্ন নীতিগত অবস্থান ডলারের বিপরীতে ইউরোর দুর্বল হওয়ার জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করছে। আজ, দিনের প্রথম ভাগে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন পরিবর্তন এবং ইতালির প্রান্তিক ভিত্তিক বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। বিশ্ববাজারে চলমান অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার শঙ্কার কারণে এই মার্কেটে প্রতিবেদনগুলোর প্রভাব আরও বেশি হতে পারে। কেবলমাত্র প্রত্যাশার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী ফলাফলই পুনরায় ইউরোর দর বৃদ্ধি শুরু করতে সহায়তা করতে পারে। অন্যথায়, ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশনের জন্য প্রস্তুত থাকাই সর্বোত্তম কৌশল হবে। দৈনিক কৌশলের জন্য, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 এর উপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0939-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0898-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0939-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0875-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0898 এবং 1.0939-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0875-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0839-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। ইউরোজোনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0898-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0875 এবং 1.0839-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3DBygia









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৪ মার্চ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0865 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা আমার মতে, এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই, আমি ইউরো বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেইনি। শেষ পর্যন্ত আমি দরপতনটি কাজে লাগাতে পারিনি, তার পর 1.0831 এর লেভেল থেকে রিবাউন্ডের সময় একটি চমৎকার ক্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছিল, যা আমি গতকালের পূর্বাভাসে উল্লেখ করেছিলাম। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 30 পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন উৎপাদক মূল্য সূচক প্রকাশের পর খুব বেশি মার্কিন ডলারের মূল্যের খুব বেশি ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা দেখা যায়নি, কারণ সূচকটির বৃদ্ধির প্রত্যাশা সত্ত্বেও প্রকৃত ফলাফলে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। সম্ভবত, মার্কেটের ট্রেডাররা ইতোমধ্যেই ফেডারেল রিজার্ভ কঠোর অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা মূল্যায়ন করেছিল, তাই এই প্রতিবেদনের নিরপেক্ষ ফলাফল কোনো চমক সৃষ্টি করেনি। ইউরোজোনের প্রধান দেশগুলোর নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রবণতা ইউরোর মূল্যের স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। আজকের জার্মানি এবং ফ্রান্সের মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন, যা ভোক্তা মূল্য সূচকে প্রতিফলিত হবে, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি হতে পারে, যা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য মুদ্রানীতি কঠোর করার চাপ বৃদ্ধি করতে পারে। একই সময়ে, ইতালির শিল্প উৎপাদনের পতন অর্থনৈতিক দুর্বলতার সংকেত দিচ্ছে, যা পুরো ইউরোজোনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে, ইসিবি এখন মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উদ্দীপনার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 এর উপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0904-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0861-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0904-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। ইউরোজোনের আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফল চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0837-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0861 এবং 1.0904-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0837-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0791-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। ইউরোজোনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0861-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0837 এবং 1.0791-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4bTlR5C









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৭ মার্চ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0887 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য মাত্র ২০ পিপস হ্রাস পেয়েছিল, এর পর মার্কেটে এই পেয়ার বিক্রির প্রবণতা কমে যায়। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টিটিভের পর একইভাবে মার্কিন সিনেট সরকারী তহবিল সম্প্রসারণের অনুমোদন দিয়েছে, যা চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে, এই ঘোষণাটি মার্কেটে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা সৃষ্টি করেনি। এটি এই ইঙ্গিত দেয় যে মার্কেটের ট্রেডাররা ইতোমধ্যেই এই ফলাফল মূল্যায়ন করেছিল। এখন, ট্রেডাররা ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যত নীতিমালা এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সংকেতগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করবে। ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাঁধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বিনিয়োগকারীদের মনোভাবকে প্রভাবিত করছে, যা মার্কিন কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের স্বল্পমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাবকে ভারসাম্যপূর্ণ করছে। আজকের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে দিনের প্রথমার্ধে শুধুমাত্র বুন্ডেসব্যাংকের মাসিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনে সাধারণত জার্মানির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিশদ তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে। বিশ্লেষক এবং বিনিয়োগকারীরা বুন্ডেসব্যাংকের মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার, ভোক্তা চাহিদা এবং শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত মন্তব্যের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দেয়। বিশেষ করে, এই প্রতিবেদনটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যত মুদ্রানীতির দিকনির্দেশনার ব্যাপারে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0937-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0895-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0937-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0873-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0895 এবং 1.0937-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0873-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0833-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। জার্মানির ব্যাংকিং সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0895-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0873 এবং 1.0833-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4izfKpx









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৮ মার্চ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0893 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে, প্রত্যাশিত নিম্নমুখী মুভমেন্ট না হওয়ায় এই ট্রেড থেকে লোকসান হয়েছে। এর আগে প্রকাশিত মার্কিন খুচরা বিক্রয় প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফলের প্রভাবে স্পষ্টভাবেই মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছিল, যা ইউরোর বিক্রির জন্য এন্ট্রি কার্যকর হওয়া থেকে বিরত রেখেছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনকে মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে, যা ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার সম্ভাবনাকে হ্রাস করেছে। যেহেতু এটি মার্কিন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রথম দুর্বল ফলাফল নয়, তাই ডলার ক্রমাগত ইউরোর বিপরীতে মূল্য হারাচ্ছে, এটি কোনো বিস্ময়কর বিষয় নয়। আজ, ইউরোজোনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনের ট্রেড ব্যালেন্স এবং জার্মানি ও ইউরোজোনের জন্য ZEW ইকোনোমিক সেন্টিমেন্ট বা অর্থনৈতিক মনোভাব সূচক, যার মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতির সূচকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ইউরো ক্রেতাদের মনোভাবের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই সূচকগুলোর শক্তিশালী ফলাফল EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে আরও দৃঢ় করবে, অন্যদিকে হতাশাজনক ফলাফলে মূল্যের কারেকশন ঘটাতে পারে, যা স্পেকুলেটিভ ট্রেডিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0969-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0924-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.0969-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়, বিশেষত যদি জার্মানির সামষ্টিক প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকে।গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0904-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0924 এবং 1.0969-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0904-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0868-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। জার্মানির সামষ্টিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0924-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0904 এবং 1.0868-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4iz3NAn









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৯ মার্চ ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0932 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল, বিশেষ করে মার্কেটে চলমান বুলিশ প্রবণতার মধ্যে। এই কারণেই, আমি ইউরো বিক্রি করিনি। তবে, 1.0906 লেভেল থেকে রিবাউন্ডের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা হলে প্রায় ৩০ পিপস লাভ হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রতিশ্রুতিশীল ফলাফল সত্ত্বেও, ইউরোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ হ্রাস পায়নি। বিনিয়োগকারীরা সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং জার্মানির নতুন আর্থিক নীতিমালা এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করার পরিকল্পনার দিকে নজর রেখে ইউরো বিক্রি করতে তাড়াহুড়ো করছে না। একই সময়ে, সাম্প্রতিক জিডিপি এবং মুদ্রাস্ফীতির ফলাফল অনুযায়ী মার্কিন অর্থনীতির সম্ভাব্য মন্দার আশঙ্কায় মার্কিন ডলার চাপের মধ্যে রয়েছে। ফলস্বরূপ, একাধিক উপাদান—ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির কারণে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ইউরোজোনের শক্তিশালী অর্থনৈতিক সূচক এবং ইসিবির নীতিমালা সংক্রান্ত প্রত্যাশা—ইউরোর চাহিদাকে সমর্থন করছে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, বিশেষ করে ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) এবং কোর CPI। এই সূচকগুলো নিঃসন্দেহে ইসিবির ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি নির্ধারণ করবে, যা ইউরোর মূল্যের ওপর প্রভাব ফেলবে। মুদ্রাস্ফীতির ফলাফল এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তগুলোর মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। যদি ইউরোজনের মুদ্রাস্ফীতি ধারাবাহিকভাবে মন্থর হয়, তাহলে ইসিবি আরও ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করতে পারে, যা সুদের হার আরও কমানোর সম্ভাবনা তৈরি করবে। অন্যদিকে, যদি মুদ্রাস্ফীতির চাপ উচ্চ মাত্রায় বজায় থাকে, তাহলে ইসিবি সম্ভবত কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখবে এবং মুদ্রানীতি শিথিল করার সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.0967-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0937-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.096-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়, বিশেষত যদি ইউরোজোনের সামষ্টিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফলের প্রভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকে।গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0920-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 1.0937 এবং 1.0967-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0920-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0891-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে হ্রাস পেলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0937-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0920 এবং 1.0891-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4kYmuiA









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২০ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বুধবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য সামান্য নিম্নমুখী হয়েছে, যা পুরোপুরি কাকতালীয় হিসেবে বিবেচনা করা যায়, কারণ পাউন্ড স্টার্লিংয়ের মূল্য মঙ্গলবারের তুলনায় নিম্নমুখী হয়েছে। এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের সম্ভাবনা বজায় রয়েছে, যা একটি নতুন অ্যাসেন্ডিং চ্যানেল গঠনের মাধ্যমে প্রতিফলিত হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য বর্তমানে এই চ্যানেলের নিচের রেঞ্জের কাছাকাছি অবস্থান করছে, এবং যদি মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেক করে নিচের দিকে যায়, তাহলে এটি দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাশিত দরপতন ঘটাতে পারে। মার্কিন ডলার বিভিন্ন কারণদ্বারা প্রভাবিত হওয়া সত্ত্বেও, এটির মূল্য ইতোমধ্যেই অতিরিক্ত নিম্নমুখী হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক কার্যকর হতে এখনও সময় লাগবে, এবং মার্কিন অর্থনীতি শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে, যা গতকাল জেরোম পাওয়েলও স্বীকার করেছেন। তাই ব্যাপকভাবে মার্কিন ডলার বিক্রির যৌক্তিকতা নেই। ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির ডলারের দরপতন কারণে ঘটছে, তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ফলে, আমরা আশা করছি এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং চ্যানেল ব্রেক করে নিচের দিকে যাবে এবং মার্কিন ডলারের পুনরুদ্ধার করবে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বুধবার তিনটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে সন্ধ্যায় ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের পরে এই পেয়ারের মূল্যের মূল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। সেই সময় ট্রেডিং করা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তাই নতুন ট্রেডারদের জন্য কেবল দুটি কার্যকর সিগন্যাল ছিল, যা ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে গঠিত হয়েছিল। প্রথমটি 1.0940-1.0952 এরিয়ায় বাউন্সের ফলে গঠিত হয়েছিল, যা লাভজনক ছিল, এবং দ্বিতীয়টি 1.0888-1.0896 এরিয়ায় বাউন্সের ফলে গঠিত হয়েছে, যা কম স্পষ্ট ছিল এবং ব্রেক-ইভেনে ক্লোজ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনো মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, তবে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা কমছে। মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও ইউরোর তুলনায় মার্কিন ডলারকে বেশি সমর্থন করছে, তাই আমরা এখনও এই পেয়ারের দরপতনের প্রত্যাশা করছি। তবে, ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতিমালা ডলারের মূল্যকে নিম্নমুখী করছে, যা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে। বৃহস্পতিবার, ইউরোর মূল্য যেকোনো দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও মৌলিক উপাদানগুলো বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের উপর ধারাবাহিকভাবে প্রভাব ফেলছে না। তাই ট্রেডারদের ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে অ্যাসেন্ডিং চ্যানেলের নিচের রেঞ্জ থেকে ট্রেডিংয়ের ওপর দৃষ্টি দেয়া উচিত। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হল: 1.0433-1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726-1.0733, 1.0797-1.0804, 1.0845-1.0851, 1.0888-1.0896, 1.0940-1.0952, 1.1011, 1.1048। বৃহস্পতিবারের মূল ইভেন্ট হিসেবে ইউরোজোনে ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমরা মনে করি ইউরো অতিরিক্ত ক্রয় করা হয়েছে, এবং একটি কারেকশন হতে যাচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং চ্যানেল ব্রেক করে নিচের দিকে গেলে সেটি কারেকশনের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4bL2IDc









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২১ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের ফলাফল ঘোষণার পর EUR/USD কারেন্সি পেয়ার দরপতনের সম্মুখীন হয়। অবশেষে, আমরা মার্কিন ডলারকে কিছুটা শক্তিশালী হতে দেখতে পেলাম এবং শেষ পর্যন্ত মার্কেটের ট্রেডাররা কিছুটা যুক্তিসঙ্গত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। মনে করিয়ে দিতে চাই যে, FOMC-এর বৈঠকটির ফলাফলকে হকিশ বা কঠোর হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, মার্কেটে আতঙ্ক বিরাজ করছিল—সবকিছু একসাথে শুরু হয়েছিল: যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক মন্দা, ফেডের আগ্রাসীভাবে সুদের হার হ্রাস, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং আরও অনেক কিছু। তবে, জেরোম পাওয়েল এবং FOMC স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে উদ্বেগের কিছু নেই: যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে, শ্রমবাজারও শক্তিশালী রয়েছে, ফেড ২০২৫ সালে মাত্র দুইবার সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশা করছে, এবং মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার হবে। হ্যাঁ, জিডিপির পূর্বাভাস কমানো হয়েছে, তবে মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে—এবং উচ্চতর মুদ্রাস্ফীতি এই ইঙ্গিত দেয় যে সুদের হার দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ থাকবে অথবা ধীরগতিতে হ্রাস পাবে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে দুটি কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। প্রথমে, পেয়ারটির মূল্য 1.0888–1.0896 জোন ব্রেক করে এবং পরে 1.0845–1.0851 জোনও ব্রেক করে। দুর্ভাগ্যবশত, বিক্রেতারা মূল্যকে 1.0797–1.0804 জোনে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়, ফলে মূল্য দ্বিতীয় জোনে ফিরে আসে, যেখানে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে পারতো। এতে প্রায় ৩০ পিপস লাভ করা সম্ভব ছিল। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনো মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, তবে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা কমছে। যেহেতু মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো ইউরোর তুলনায় মার্কিন ডলারকে বেশি সমর্থন করছে, আমরা এখনো দরপতনের প্রত্যাশা করছি। তবে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়শই শুল্ক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও বৈশ্বিক নিয়মনীতি নিয়ে বক্তব্যের মাধ্যমে ডলারকে ক্রমাগত চাপের মধ্যে ফেলছেন। এর ফলে, মৌলিক এবং সামষ্টিক উপাত্তগুলো রাজনীতি ও ভূ-রাজনীতির ছায়ায় ঢাকা পড়ে যাচ্ছে, যা ডলারের ধারাবাহিক দুর্বলতার প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শুক্রবার, ইউরোর মূল্য আরও কমে যেতে পারে, কারণ দীর্ঘদিন পর মার্কেটের ট্রেডাররা মৌলিক উপাত্তের প্রতি যথাযথ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, পেয়ারটির মূল্য ঊর্ধ্বমুখী চ্যানেল থেকে বেরিয়ে এসেছে। ডলার বর্তমানে অতিরিক্ত বিক্রির শিকার হয়েছে এবং যথাযথ কারণ ছাড়াই এটির মূল্য কম বৃদ্ধি পেয়েছে— অন্তত যৌক্তিকভাবে কারেকশন হতে পারে। ৫-মিনিটের চার্টে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচ্য লেভেলগুলো হলো: 1.0433–1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726–1.0733, 1.0797–1.0804, 1.0845–1.0851, 1.0888–1.0896, 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1048। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোনে কোনো বড় ইভেন্ট নেই, যা মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে; তবে ইউরোর সামান্য দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4bJHWnj









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৪ মার্চ কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মন্থর নিম্নমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল। কয়েকদিন আগেই এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং চ্যানেলের নিচে নেমে গিয়েছিল, তাই ইউরোর দরপতন প্রত্যাশিত ছিল। শুক্রবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট ছিল না, তাই মার্কেটে স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা বিরাজ করছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সাধারণভাবে এই পেয়ারের মূল্যের স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত "মূল্যায়ন" করেছে এবং এখন আর অন্ধের মতো ডলার বিক্রি করছে না। বুধবার সন্ধ্যায় জেরোম পাওয়েল বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে কোনো সমস্যা নেই। এটি মার্কেটের ট্রেডারদের কিছুটা শান্ত করেছে এবং ফেড পূর্ববর্তী হকিশ বা কঠোর অবস্থান ধরে রেখেছে, যা ২০২৫ সালে দুইবারের বেশি সুদের হার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয় না। যদিও বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে যেতে পারে, একই কথা যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মূলত, আমরা আবেগের কারণে ডলারের বিক্রয় হতে দেখেছি, এটি কোনো নির্দিষ্ট মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণে ঘটেনি। এখন একটি কারেকশন প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে শুক্রবার একাধিক সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে এই পেয়ারের মূল্যের দৈনিক মুভমেন্ট দুর্বল ছিল। এখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0845–1.0851 এরিয়া থেকে 1.0859–1.0861-এ গিয়েছে। এর আগে শুক্রবারের বাই এবং সেল সিগন্যাল উভয়ই কার্যকর করা গিয়েছিল। বাই সিগন্যালটি ভুল ছিল, কিন্তু সেল সিগন্যালটি লাভজনক ছিল, কারণ মূল্য নিকটতম টার্গেটে পৌঁছেছিল। ফলে, নতুন ট্রেডাররা শুক্রবার লোকসানের সম্মুখীন না হলেও, এমন দুর্বল মুভমেন্ট থেকে লাভ করা বেশ কঠিন ছিল। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, তবে এটি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা এখন কমছে। যেহেতু মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো ইউরোর তুলনায় মার্কিন ডলারকে বেশি সমর্থন করছে, আমরা এখনো দরপতনের প্রত্যাশা করছি। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে শুল্ক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক আধিপত্যের দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে ডলারের মূল্যকে করছেন। মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক কারণের ছায়ায় ঢাকা পড়ে আছে, তাই আপাতত ডলারের মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধির আশা করা যাচ্ছে না। সোমবার ইউরোর দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ অনেকদিন পর ট্রেডাররা মৌলিক বিশ্লেষণের প্রতি সঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে (ফেডের বৈঠক), এবং টেকনিক্যালি, এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং চ্যানেল ব্রেক করে নিচের দিকে গেছে। ডলার অতিরিক্ত বিক্রি করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত ভিত্তি ছাড়াই এটির দরপতন হয়েছে। তাই এখন ডলারের মূল্যের কারেকশনের সম্ভাবনা রয়েছে। ৫ মিনিটের চার্টে নিম্নোক্ত লেভেলগুলোর দিকে দৃষ্টি রাখুন: 1.0433–1.0451, 1.0526, 1.0596, 1.0678, 1.0726–1.0733, 1.0797–1.0804, 1.0859–1.0861, 1.0888–1.0896, 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1048। সোমবার জার্মানি, ইউরোজোন এবং যুক্তরাষ্ট্রে পরিষেবা ও উৎপাদন খাতের মার্চ মাসের প্রাথমিক PMI প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এগুলো মাঝারি গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন, তবে এগুলোর প্রভাবে মার্কেটে কিছুটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4iW4m7b









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY। বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস সপ্তাহের শুরুতে, জাপানের PMI প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশের পর ইয়েনের ওপর চাপ তৈরি হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত তুলনামূলকভাবে সীমিত ও কম আগ্রাসী পাল্টা শুল্ক সংক্রান্ত সংবাদ, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে বাড়িয়ে তুলেছে এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ইয়েনের চাহিদা কমিয়ে দিয়েছে। তবে, ব্যাংক অব জাপান সুদের হার বাড়াতে থাকবে এমন প্রত্যাশা ইয়েনের অতিরিক্ত দরপতন রোধ করছে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, জাপানের অ-জিবুন ব্যাংক উৎপাদন খাতের PMI প্রতিবেদনের ফলাফল মার্চ মাসে 49.0 থেকে কমে 48.3-এ নেমে এসেছে, যা মার্চ 2024 সালের পর সর্বনিম্ন এবং গত ৯ মাসের সর্বনিম্ন। একইসঙ্গে, পরিষেবা খাতেও পতন দেখা যাচ্ছে, যা গত পাঁচ মাসে প্রথমবারের মতো সংকোচনের ইঙ্গিত দিয়েছে। এই প্রতিবেদনগুলো ইয়েনের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবে এমন কিছু কারণ আছে যা ইয়েনকে কিছুটা সমর্থন দিচ্ছে এবং বড় ধরণের দরপতন থেকে রক্ষা করছে— যেমন ব্যাংক অব জাপানের গভর্নর কাজুয়ো উয়েদা নিশ্চিত করেছেন যে, মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের নমনীয় মুদ্রানীতির নীতি পুনর্বিন্যাস করতে প্রস্তুত। ব্যাংক অব জাপানের ডেপুটি গভর্নর শিনিচি উচিদাও বলেছেন, জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থনৈতিক ও মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, ব্যাংক অব জাপান পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। অন্যদিকে, ফেডারেল রিজার্ভ মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত পূর্বাভাস বৃদ্ধি করেছে, তবে বছরের শেষ নাগাদ দুই দফায় ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদের হারের পূর্বাভাস বজায় রেখেছে। এর ফলে মার্কিন ডলারের পুনরুদ্ধার সীমিত হয়ে পড়েছে এবং USD/JPY পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট 150.00 এর সাইকোলজিক্যাল লেভেলের কাছাকাছি আটকে গেছে। আজ ট্রেডিংয়ের আরও ভালো সুযোগ পাওয়ার জন্য ট্রেডারদের যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক এবং ফেডারেল রিজার্ভের FOMC-এর সদস্যদের বক্তব্যের দিকে নজর রাখা উচিত, যা USD/JPY পেয়ারের মূল্যের অতিরিক্ত মোমেন্টাম সৃষ্টি করতে পারে। তবে, ট্রেডারদের দৃষ্টি মূলত শুক্রবার প্রকাশিতব্য টোকিওর ভোক্তা মূল্য সূচক এবং মার্কিন কোর PCE মূল্য সূচকের দিকে থাকবে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, USD/JPY পেয়ারের ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো ৪-ঘণ্টার চার্টে ২০০-পিরিয়ডের সিম্পল মুভিং অ্যাভারেজ (SMA)-এর ওপরে ব্রেক করা, যা বর্তমানে 150.00 সাইকোলজিক্যাল লেভেলের ওপরে অবস্থিত। যদি এই লেভেল ব্রেক করে ফেলা যায়, তাহলে এই পেয়ারের স্পট মূল্য 151.00 এর রাউন্ড ফিগারের দিকে এবং তারপর মাসিক সর্বোচ্চ 151.30 লেভেলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। তবে, দৈনিক চার্টের অসিলেটরগুলো এখনো পজিটিভ মোমেন্টাম দেখাচ্ছে না, ফলে এশিয়ান সেশনের সর্বনিম্ন লেভেল 149.33 এখন তাৎক্ষণিক সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে, যা 149.00 এর রাউন্ড লেভেলের ঠিক আগে অবস্থান করছে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই সাপোর্ট ব্রেক করে, তাহলে 148.60 এর এরিয়া ব্রেক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা আরও বড় দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত করতে পারে — সম্ভাব্যভাবে আগের সপ্তাহের সুইং লো 148.20 এবং শেষ পর্যন্ত 148.00 রাউন্ড লেভেল বা তারও নিচে দরপতন হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4c4sYbR









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৮ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে যাওয়া শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.0946 এর লেভেল টেস্ট করে—যা ইউরো বিক্রি করার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 30 পিপস কমে যায়। গতকাল প্রকাশিত ইউরোজোনের খুচরা বিক্রয় প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টক মার্কেটের সংকটকে কেন্দ্র করে আহ্বান করা ফেডারেল রিজার্ভের জরুরি বৈঠক—এই দুটি ঘটনা মিলে ইউরোর বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। অদূর ভবিষ্যতে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত বাণিজ্য শুল্কের কারণে বিভিন্ন দেশ যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে, তা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজকের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে তুলনামূলকভাবে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই, যেখানে শুধুমাত্র ফ্রান্সের ট্রেড ব্যালেন্স প্রকাশিত হবে, যা উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এই সূচকটি যেকোনো দেশের রপ্তানি ও আমদানির পার্থক্যকে নির্দেশ করে এবং ফ্রান্সের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ব্যাপারে ধারণা পাওয়ার একটি মূল উপাদান হলেও ফরেক্স মার্কেট বা ইউরোর ওপর এটির সরাসরি প্রভাব খুব কম। যদি ব্যালেন্স পজিটিভ হয় (আমদানির চেয়ে রপ্তানি বেশি), তাহলে তা দেশের কারেন্সিকে সমর্থন যোগায়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখে। নেগেটিভ ব্যালেন্স নির্দেশ করে যে দেশটি রপ্তানির তুলনায় বেশি আমদানি করছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1074-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.0984-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1074-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0946-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.0984 এবং 1.1074-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0946-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0858-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোন সময় এই পেয়ারের মূল্যের বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0984-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0946 এবং 1.0858-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4iZHO5Q









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৯ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার খুবই স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার সাথে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে এবং সারাদিন জুড়ে এটি মূলত সাইডওয়েজ ট্রেড করেছে। তবে, আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম—এটি ছিল কেবল ঝড়ের আগে সাময়িক প্রশান্তি। ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্র—কোনো দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ইভেন্ট ছিল না, কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় আবারও 50% শুল্ক বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন চীন থেকে আমদানিকৃত সব পণ্যই "ট্রাম্পের শুল্কের"-এর আওতায় পড়বে, যার হার মোট 104%। এই উন্মত্ততা অব্যাহত রয়েছে এবং আবারও মার্কিন ডলার দরপতনের ধারা শুরু হয়েছে। 1-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য ডাউনওয়ার্ড ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে গেছে, মূল্যের কারেকশন হয়েছে এবং এখন ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। আমরা আগেই উল্লেখ করেছিলাম, নতুন করে ট্রাম্পের যেকোনো ধরনের শুল্ক আরোপের একমাত্র সম্ভাব্য ফলাফল হচ্ছে—ডলার এবং মার্কিন স্টক মার্কেটের আরও দরপতন। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5 মিনিট টাইমফ্রেমে মঙ্গলবার একাধিক ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে, তবে সারাদিন মার্কেটে এলোমেলো ও রেঞ্জ-ভিত্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। 1.0940–1.0952 এরিয়ার আশেপাশে তিনটি সিগন্যাল গঠিত হয়, যার মধ্যে দুটি ভুল সিগন্যাল ছিল। তবে 1.0888–1.0896 এরিয়ার সিগন্যাল থেকে বেশ ভালোই মুনাফা করা সম্ভব হয়েছে এবং এটি দীর্ঘ সময় ধরে লং পজিশন হোল্ড করে রাখার সুযোগ দিয়েছে। সন্ধ্যায় চীনের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা আসে, তাই আরেক দফা ডলার বিক্রির প্রত্যাশা ও প্রস্তুতি যৌক্তিক ছিল। এই ট্রেড থেকে এখন পর্যন্ত 155 পিপস লাভ হয়েছে। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: 1-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এটি কতদিন চলবে তা কেউ জানে না, কারণ ট্রাম্প আর কত নতুন শুল্ক আরোপ করবেন, সেটি অনিশ্চিত। বাণিজ্যযুদ্ধ আরও এক ধাপ তীব্র হতে পারে—বিশেষ করে যখন অনেক দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিকল্পনা করছে। ট্রাম্প ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো পাল্টা পদক্ষেপ নতুন করে শুল্ক আরোপের কারণ হবে। বুধবার মার্কেটে সম্ভবত অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করবে। আমরা আজ মার্কেটের মুভমেন্ট নিয়ে কোনো পূর্বাভাস দিচ্ছি না। বর্তমানে বৈশ্বিক মার্কেটের যা অবস্থা, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। বুধবার, 5 মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.0596, 1.0678, 1.0726–1.0733, 1.0797–1.0804, 1.0859–1.0861, 1.0888–1.0896, 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1048, 1.1091, 1.1132–1.1140, 1.1189–1.1191, 1.1275–1.1292। বুধবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্র—কোথাও কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না—তবে বর্তমানে এগুলোর আর তেমন কোনো গুরুত্বও নেই। এমনকি সন্ধ্যায় প্রকাশিতব্য ফেডের মিনিট বা কার্যবিবরণীও এখন প্রাসঙ্গিক বলে মনে হচ্ছে না। এখনও সবকিছুই ট্রাম্প এবং তার বাণিজ্য নীতিকে কেন্দ্র করে ঘুরপাক খাচ্ছে। Read more: https://ifxpr.com/3XNGudV









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১০ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করে, তখনই এই পেয়ারের মূল্য 1.1055 এর লেভেল টেস্ট করে—যা ইউরো কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে এবং ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 30 পিপস বেড়ে যায়। গতকাল ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৯০ দিনের জন্য বাড়তি শুল্ক স্থগিত করার সিদ্ধান্ত সঙ্গে সঙ্গেই মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে: মার্কিন ডলারের দর বেড়ে যায় এবং ইউরোর দর কমে যায়। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। তবে, যদি দীর্ঘমেয়াদি এবং মৌলিক পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তাহলে এই বিরতির প্রভাব খুব বেশি স্থায়ী হবে না। বাণিজ্যসংক্রান্ত উত্তেজনায় আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা এই সিদ্ধান্তকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখেছেন, তবে এটি দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর কোনো প্রভাব ফেলবে এমন সম্ভাবনা কম। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শুল্কে পিছু হটার এই সিদ্ধান্তকে শক্তির নয়, বরং দুর্বলতার নিদর্শন হিসেবেই দেখা হতে পারে—যা দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের আশঙ্কার কারণ। অন্যদিকে, বিশ্লেষক এবং বিনিয়োগকারীরা ইউরোজোনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে চলেছেন। আজকের ইতালির শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত প্রতিবেদনের মিশ্র ফলাফল দেখা যেতে পারে। ধারাবাহিক পতনের জায়গায় এখনও দৃশ্যমান প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে না, যা নির্দেশ করে যে এই খাতে স্থিতিশীলতা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অপরদিকে, জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুন্ডেসব্যাংকের মাসিক প্রতিবেদন জার্মান অর্থনীতির ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে আরও আশাব্যঞ্জক প্রবণতা প্রতিফলিত করতে পারে। বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে চলমান সমস্যার মধ্যেও, জার্মানির শিল্পখাত দেশীয় এবং বৈদেশিক চাহিদার সমর্থনে ধীরে ধীরে উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1087-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1016-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1087,-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.0974-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1016 এবং 1.1087-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.0974-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.0914এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোন সময় এই পেয়ার বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1016-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.0974 এবং 1.0914-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3R7Juhw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১১ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার পুনরায় EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয় এবং এটির মূল্য 300 পিপসের বেশি বৃদ্ধি পায়। শুক্রবারের শুরুর দিকেও এই পেয়ারের মূল্যের নিরবচ্ছিন্ন ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম অব্যাহত থাকে। মার্কিন ডলারের নতুন দরপতনের পেছনের কারণগুলো চিহ্নিত করা খুব একটা কঠিন নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে চীনের ওপর 125% শুল্ক আরোপ করেন এবং পরে সেটি বাড়িয়ে 145% করেন। এই ঘটনাই মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, অন্যান্য সব দেশের জন্য শুল্ক 10% এ নামিয়ে আনার ঘটনাটি খুব বেশি গুরুত্ব পায়নি। মার্কেটের ট্রেডাররা বুঝে গেছে যে দ্বন্দ্বটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে—সার্বিয়ার মতো দেশের সঙ্গে নয়। ফলে অধিকাংশ ট্রেডার এখন চীন (এবং ইইউ)-সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর দিকেই মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করছে। একই দিনে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনটির ফলাফলও ডলারের জন্য নেতিবাচক ছিল, তবে সেটি মার্কেটে খুব একটা প্রভাব বিস্তার করেচনি। কারণ সেই প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই ডলার ইতোমধ্যে দরপতনের পথে ছিল এবং তারপরে সেই ধারা অব্যাহত ছিল। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5 মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার অনেকগুলো ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি হয়, কারণ মূল্য প্রায় 300 পিপস একদিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করে। আপনি চাইলে যেকোনো জায়গা থেকে বাই ট্রেড ওপেন করতে পারতেন। একইভাবে, যেকোনো জায়গায় বাই ট্রেড ক্লোজ করলেও লাভ নিশ্চিত ছিল। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: 1 ঘণ্টার চার্টে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এই প্রবণতা কতদিন চলবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না, কারণ কেউ জানে না ট্রাম্প ভবিষ্যতে আর কতবার শুল্ক আরোপ করবেন। বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র হতে পারে, বিশেষ করে যখন অনেক দেশই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ট্রাম্প ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো পাল্টা পদক্ষেপের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শুল্ক আরোপ করবে। ট্রাম্পের বাড়তি শুল্ক স্থগিত করার সত্ত্বেও ডলার শক্তিশালী হতে পারেনি, কারণ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য সংঘাতের দিকেই ট্রেডাররা দৃষ্টিপাত করছে। শুক্রবার মার্কেটে সম্ভবত অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করবে। আমরা আজ এই পেয়ারের মূল্যের পূর্বাভাস দেওয়ার চেষ্টা করবো না, কারণ প্রায় প্রতি দুই ঘণ্টা পরপরই বাণিজ্য সংঘাত সংক্রান্ত নতুন খবর আসছে। বর্তমানে বিশ্ব বাজারে যা ঘটছে, তা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। 5 মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা যেতে পারে: 1.0797–1.0804, 1.0859–1.0861, 1.0888–1.0896, 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1091, 1.1132–1.1140, 1.1189–1.1191, 1.1275–1.1292, 1.1330, 1.1367, 1.1395, 1.1418, 1.1449। শুক্রবার ইউরোজোনে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে বক্তব্য রাখবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে কিছু স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমাদের বিশ্বাস, ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া মূলত বাণিজ্যযুদ্ধ সংক্রান্ত ঘটনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, তবে লাগার্ডের বক্তব্যও মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/43PvbWn









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৫ এপ্রিল। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1348 এর লেভেল টেস্ট করে, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমি পেয়ারটি বিক্রি করিনি এবং অন্য কোনো কার্যকর এন্ট্রি পয়েন্টও দেখিনি। গতকাল ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের আশাবাদী বক্তব্য ডলারের অবস্থানকে কিছুটা শক্তিশালী করেছে, তবে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মূল মৌলিক চালিকাশক্তি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। টেকনিক্যাল পরিস্থিতি অনুযায়ী, এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের সুযোগ রয়েছে, যার প্রধান ভিত্তি হচ্ছে ইউরোজোনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের ফলাফল। আজ ইউরোপ থেকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা জার্মানি এবং ইউরোজোনের ব্যবসায়িক পরিবেশ বিষয়ক ZEW ইনস্টিটিউটের সেনটিমেন্ট সূচকের দিকে ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখবেন। এই সূচকগুলো ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা প্রতিফলিত করে এবং এগুলোর ফলাফল ইউরোর মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। আসন্ন প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল পূর্বাভাস অতিক্রম করলে সেটি ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করবে, অন্যদিকে হতাশাজনক ফলাফল কারেকশন শুরু করতে পারে। বিজনেস সেন্টিমেন্টের পাশাপাশি ZEW কারেন্ট সিচুয়েশন সংক্রান্ত সূচকটিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই সূচকটি অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা নির্দেশ করে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে সহায়তা করবে, যার মাধ্যমে ইউরোজোনের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও ভালোভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে। যদি মূল ফলাফল পূর্বাভাস ছাড়িয়ে যায়, তবে EUR/USD পেয়ারের মূল্য অতিরিক্ত ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম লাভ করতে পারে। অন্যথায়, কারেকশনের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1455-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1380-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1455-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1336-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1380 এবং 1.1455-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1336-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1259-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1380-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1336 এবং 1.1259-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3G9M6t3









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৬ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে যাওয়া শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1311 এর লেভেল টেস্ট করে — যা ইউরো বিক্রি করার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে এই পেয়ারের ৪০ পিপস পর্যন্ত দরপতন ঘটে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে মূল্য হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও, ইউরোর মূল্য বাহ্যিক পরিস্থিতির দ্বারা প্রতিকূলভাবে প্রভাবিত হয়নি, বিশেষ করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য শুল্ক সংক্রান্ত আলোচনার প্রেক্ষাপটে। এসব আলোচনার ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদে ডলার শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও সেটি ইউরোর মূল্যের দ্রুত পুনরুদ্ধারে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং মন্থরতার ঝুঁকি ইউরোর প্রতি আগ্রহ বজায় রাখতে পারে এবং ডলারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে পারে। আজ ইউরোজোনের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রতিবেদন ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতির চাপ মূল্যায়ন এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্লেষকরা এখনও ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন, কারণ এটি পরিবারের পণ্যের ও পরিষেবার মূল্যে পরিবর্তন নির্দেশ করে। কোর সিপিআই, যা খাদ্য ও জ্বালানির মতো অস্থির উপাদানগুলোকে বাদ দিয়ে তৈরি করা হয়, ট্রেডাররা আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। কোর সিপিআই এবং হেডলাইন সিপিআই তুলনা করে এটি বোঝা সম্ভব হয় যে, মুদ্রাস্ফীতির কোন উপাদানগুলো সাময়িক এবং কোনগুলো দীর্ঘমেয়াদি। ইসিবির কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ইউরোজোনে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত প্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহের পার্থক্য নির্দেশ করে। ইতিবাচক ব্যালেন্স মানে ইউরোজোনে মূলধন প্রবেশ করছে, যা ইউরোর জন্য সহায়ক হতে পারে; অন্যদিকে, নেতিবাচক ব্যালেন্স ইউরো কারেন্সির ওপর নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1463-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1395-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1463-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1344-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1395 এবং 1.1463-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1344-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1273-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1395-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1344 এবং 1.1273-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/42KQpUd









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৬ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে যাওয়া শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1311 এর লেভেল টেস্ট করে — যা ইউরো বিক্রি করার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে এই পেয়ারের ৪০ পিপস পর্যন্ত দরপতন ঘটে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে মূল্য হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও, ইউরোর মূল্য বাহ্যিক পরিস্থিতির দ্বারা প্রতিকূলভাবে প্রভাবিত হয়নি, বিশেষ করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য শুল্ক সংক্রান্ত আলোচনার প্রেক্ষাপটে। এসব আলোচনার ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদে ডলার শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও সেটি ইউরোর মূল্যের দ্রুত পুনরুদ্ধারে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং মন্থরতার ঝুঁকি ইউরোর প্রতি আগ্রহ বজায় রাখতে পারে এবং ডলারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে পারে। আজ ইউরোজোনের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রতিবেদন ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতির চাপ মূল্যায়ন এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্লেষকরা এখনও ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন, কারণ এটি পরিবারের পণ্যের ও পরিষেবার মূল্যে পরিবর্তন নির্দেশ করে। কোর সিপিআই, যা খাদ্য ও জ্বালানির মতো অস্থির উপাদানগুলোকে বাদ দিয়ে তৈরি করা হয়, ট্রেডাররা আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। কোর সিপিআই এবং হেডলাইন সিপিআই তুলনা করে এটি বোঝা সম্ভব হয় যে, মুদ্রাস্ফীতির কোন উপাদানগুলো সাময়িক এবং কোনগুলো দীর্ঘমেয়াদি। ইসিবির কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ইউরোজোনে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত প্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহের পার্থক্য নির্দেশ করে। ইতিবাচক ব্যালেন্স মানে ইউরোজোনে মূলধন প্রবেশ করছে, যা ইউরোর জন্য সহায়ক হতে পারে; অন্যদিকে, নেতিবাচক ব্যালেন্স ইউরো কারেন্সির ওপর নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1463-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1395-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1463-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1344-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1395 এবং 1.1463-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1344-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1273-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1395-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1344 এবং 1.1273-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/42KQpUd









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৮ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিংয়ের টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1357 এর লেভেল টেস্ট করে—যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। এরপর দ্বিতীয়বার 1.1357 লেভেল টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল, যার ফলে বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়িত হয় এবং এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গতকালের ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) বৈঠকে পুনরায় সুদের হার কমানো হলেও তাতে ইউরোর মূল্যের খুব বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে ইউরোজোনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উদ্ভূত গুরুতর অস্থিরতার দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে, যা মন্দার ঝুঁকি তৈরি করছে। এজন্যই সর্বসম্মতিক্রমে সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ সূচকেই দেখা যাচ্ছে যে মুদ্রাস্ফীতি ইসিবির 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছেছে, যদিও নতুন করে শুল্কের প্রভাব এখনও অস্পষ্ট। মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া ছিল খুবই শান্ত, যেন তারা এই ধরনের পদক্ষেপে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে অথবা এগুলোকে আর খুব একটা কার্যকর মনে করছে না। বিনিয়োগকারীরা সম্ভবত এখন বৈশ্বিক বিষয়াবলীর দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং বাকি বিশ্বের মধ্যে চলমান বাণিজ্যবিরোধের দিকে—যা বাস্তবেই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ঝাপসা করে তুলেছে। মার্কিন বাণিজ্য নীতিমালার প্রভাব ইউরোপীয় অর্থনীতিতেও ক্রমশ বাড়ছে। নতুন করে শুল্কের হুমকি, বাণিজ্যনীতির অনিশ্চয়তা এবং সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ইউরোজোনে বিনিয়োগ খাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এবং ব্যবসায়িক আস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। ইসিবি এসব বাহ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করছে, কিন্তু সেগুলোর কার্যকারিতা সীমিত। আজকের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কেবলমাত্র ইতালির ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটের ট্রেডারদের খুব একটা দৃষ্টি আকর্ষণ করবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। যেহেতু গতকাল ইসিবির সুদের হার হ্রাস মার্কেটে খুব একটা মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারেনি, সেহেতু আজকের ইতালির প্রতিবেদনের প্রভাবও সম্ভবত সীমিত থাকবে। আজ মার্কেটে কনসোলিডেশনের প্রবণতা দেখা যেতে পারে, যেখানে মূলত গতকালের রেঞ্জের মধ্যেই ছোটখাটো ওঠানামা হবে। বিনিয়োগকারীরা এখন অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের অবস্থানে থাকবে, এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ কোনো অনুঘটকের জন্য প্রস্তুতি নেবে যা মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্ট ঘটাতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1433-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1385-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1433-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1365-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1385 এবং 1.1433-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1365-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1328-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ মূল্য দৈনিক সর্বোচ্চ লেভেল ব্রেক করে উপরের দিকে যেতে ব্যর্থ হলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1385-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1365 এবং 1.1328-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২১ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে আমি যে লেভেলগুলো চিহ্নিত করেছিলাম, সেগুলোর কোন টেস্ট হয়নি। এর মূল কারণ ছিল মার্কেটে ছুটির আমেজ বিরাজ করছিল এবং কয়েকটি প্রধান এক্সচেঞ্জ বন্ধ ছিল। আজকের এশিয়ান সেশনে মার্কিন ডলারের লক্ষণীয় দরপতন দেখা গেছে, যা সরাসরি ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কিত গুজবের সঙ্গে যুক্ত। জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সক্রিয়ভাবে তাকে বরখাস্ত করার পথ খুঁজছেন। এই খবরগুলো ফরেক্স মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্টের চাপের মুখে পাওয়েলের পদত্যাগ ঘটলে, এটি ফেডের স্বাধীকার নিয়ে সন্দেহ তৈরি করবে। বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন যে, আর্থিক নীতিমালায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হলে তা দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার বদলে স্বল্পমেয়াদি লাভের লক্ষ্যে ভুল সিদ্ধান্তের দিকে নিয়ে যেতে পারে। পাওয়েলের প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সমালোচনা এই গুজব আরও উসকে দিয়েছে—যেখানে তিনি দাবি করেন যে সুদের হার না কমানোই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে পিছিয়ে দিচ্ছে। ডলারের দুর্বলতার পেছনে আরেকটি কারণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তা। চীনের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য আলোচনার জটিলতা এবং নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকি ডলারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিনিয়োগকারীরা এখন আরও নিরাপদ মুদ্রার দিকে ঝুঁকছে, যেমন—জাপানি ইয়েন এবং সুইস ফ্রাঁঙ্ক, যার ফলে ডলারের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1586-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1545-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1586-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1501-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1545 এবং 1.1586-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1501-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1465-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যদিও, আজ এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1545-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1501 এবং 1.1465-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3Y8i7b8









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২২ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে ট্রেডিং শুরু হয়েছে। রাতারাতি ইউরোর মূল্য 100–120 পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং দিনের বাকি সময় এই পেয়ার কিছুটা শান্তভাবে ট্রেড করেছে। সপ্তাহান্তে এমন কোনো ইভেন্ট বা খবর ছিল না যা এমন মুভমেন্টের কারণ হতে পারে। তবে, অবশ্যই এটা ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ব্যাপার নয়, বরং মার্কিন ডলারের ক্রমাগত দরপতনই আসন বিষয়। কিন্তু ডলারের দরপতনে আর অবার হওয়ার মতো বিষয় নয়। ট্রাম্পের অবস্থান একইরকম রয়েছে: হয় যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বেশি অর্থ দাও, না হয় শুল্ক, নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদির মুখোমুখি হও। তাই সোমবার ডলার বিক্রির কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলেও সামগ্রিকভাবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও ডলার বিক্রি করেই চলেছে। সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তীব্র ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে ট্রেডিং শুরু হয়েছে। রাতারাতি ইউরোর মূল্য 100–120 পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং দিনের বাকি সময় এই পেয়ার কিছুটা শান্তভাবে ট্রেড করেছে। সপ্তাহান্তে এমন কোনো ইভেন্ট বা খবর ছিল না যা এমন মুভমেন্টের কারণ হতে পারে। তবে, অবশ্যই এটা ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ব্যাপার নয়, বরং মার্কিন ডলারের ক্রমাগত দরপতনই আসন বিষয়। কিন্তু ডলারের দরপতনে আর অবার হওয়ার মতো বিষয় নয়। ট্রাম্পের অবস্থান একইরকম রয়েছে: হয় যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বেশি অর্থ দাও, না হয় শুল্ক, নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদির মুখোমুখি হও। তাই সোমবার ডলার বিক্রির কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলেও সামগ্রিকভাবে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও ডলার বিক্রি করেই চলেছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে সোমবার বেশ কিছু ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে মূল মুভমেন্টটি হয়েছে এশিয়ান ট্রেডিং সেশনে। টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, রাতের বেলা ট্রেডাররা বাই ট্রেড ওপেন করতে পারতেন, কারণ মূল্য 1.1395–1.1413 এলাকার কাছাকাছি থেকে রিবাউন্ড করেছে। দিনের বাকি অংশে, 1.1571 লেভেল থেকে একটি কার্যকর এবং স্পষ্ট বাউন্স দেখা গেছে, এবং আরেকটি বাউন্স হয়েছে 1.1474–1.1481 জোন থেকে। 1.1513–1.1535 জোনের মধ্যে ট্রেড ওপেন করা যৌক্তিক ছিল না, কারণ এটি খুব সংকীর্ণ এবং একটি শক্তিশালী রেঞ্জ হিসেবে কাজ করছিল। রাতেরবেলা মূল্য আবারও 1.1474–1.1481 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছে, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য আরেকটি লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ দিয়েছিল—যদি তারা রাতে ট্রেড করে থাকে। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। এক সপ্তাহের কনসোলিডেশনের পর একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মাধ্যমে নতুন সপ্তাহটি শুরু হয়েছে। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত পণ্যে শুল্ক আরোপ এবং বাড়াতে থাকলে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা চলতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখন শুধুমাত্র বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ নিয়ে আগ্রহী। যখন নতুন করে শুল্ক আরোপ করা হয়, ডলারের দরপতন ঘটছে। আর যখন কোনো শুল্ক সংক্রান্ত খবর থাকে না, তখন মার্কেট স্থবির থাকে—যেমনটা গত সপ্তাহে হয়েছে। মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ মার্কেটের ট্রেডাররা এখন নতুন শুল্ক সংক্রান্ত শিরোনাম বা উত্তেজনার প্রয়োজন বোধ করছে না। আমরা আগেও সতর্ক করেছিলাম, যে কোনো সময় এই পেয়ারের মূল্য "বৃদ্ধি" পেতে পারে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হল: 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1091, 1.1132–1.1140, 1.1189–1.1191, 1.1275–1.1292, 1.1330, 1.1395–1.1413, 1.1474–1.1481, 1.1513–1.1535, 1.1571, 1.1607–1.1622, 1.1666, 1.1689। মঙ্গলবার কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তবে সোমবারে আমরা ইতোমধ্যে দেখতে পেয়েছি যে, কোনো খবর ছাড়াই মার্কেটে ডলার বিক্রির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4juKNn9









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৩ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1460 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 30 পিপস কমেছে। চীনের ওপর আরোপিত বাণিজ্য শুল্ক হ্রাসের সম্ভাবনা এবং ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান হিসেবে জেরোম পাওয়েলকে বহাল রাখার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যার ফলে ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমেছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার আশঙ্কা এবং মার্কিন অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সংঘাতের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এই মন্তব্যগুলো এসেছে। মার্কেটের ট্রেডাররা শুল্ক অপসারণের সম্ভাবনাকে সমঝোতার ইঙ্গিত এবং বাণিজ্য উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষণ হিসেবে দেখেছেন, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পূর্বাভাসকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে। জেরোম পাওয়েল প্রসঙ্গে, তাকে ফেডের নেতৃত্বে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত মার্কিন মুদ্রানীতি আরও পূর্বানুমানযোগ্য এবং স্থিতিশীল থাকবে বলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ধারণা তৈরি করেছে। আজ ইউরোর দরপতনের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ইউরোজোনের উৎপাদন এবং পরিষেবা খাতের PMI প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, ইউরোজোনের ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনও মার্কেটের ট্রেডাররা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। বিশেষজ্ঞরা উৎপাদন PMI-এর অবনতি আশা করছেন, যা শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। যদিও পরিষেবা খাতের কার্যক্রম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে কম্পোজিট PMI হ্রাস পেলে ইউরোর দরপতন আরও ত্বরান্বিত হতে পারে। এর পাশাপাশি, ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন—যা রপ্তানি এবং আমদানিকৃত পণ্য ও পরিষেবার মধ্যে পার্থক্যকে প্রতিফলিত করে—দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1450-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1405-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1450-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ার ক্রয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1369-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1405 এবং 1.1450-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1369-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1305-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যেকোনো সময় এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1405-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1369 এবং 1.1305-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4jjre0V









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৪ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1382 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 50 পিপস কমেছে। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সূচক এবং নতুন আবাসন বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল ডলারের প্রতি চাহিদা বাড়িয়েছে এবং ইউরোর দরপতন ঘটিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সূচকের উন্নতি বিনিয়োগকারীদের অনুপ্রাণিত করেছে, যারা সক্রিয়ভাবে ডলার-নির্ভর অ্যাসেট মূলধন স্থানান্তর শুরু করেছেন, যার ফলে ইউরোর ওপর চাপ বেড়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা গঠনের ক্ষেত্রে মৌলিক কারণগুলো এখনও ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বাণিজ্য শুল্ক, এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার ট্রেডিং কৌশলের মূল উপাদান হিসেবেই থাকছে। আজ জার্মানি থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে IFO বিজনেস ক্লাইমেট ইনডেক্স, কারেন্ট ইকোনমিক অ্যাসেসমেন্ট, এবং ইকোনমিক এক্সপেকটেশন সূচক। এগুলো হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, যা ট্রেডিং সেশনের প্রথমার্ধেই ইউরোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অর্থনীতিবিদরা এই সূচকগুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, কারণ এগুলো জার্মান ব্যবসায়িক পরিস্থিতির নির্ধারক হিসেবে কাজ করে। IFO বিজনেস ক্লাইমেট ইনডেক্সের পতন প্রায়ই জার্মান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়—যা ইউরোজোনের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। এর ফলে, পুরো ইউরোপীয় অর্থনীতি এবং ইউরোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কারেন্ট ইকোনমিক অ্যাসেসমেন্ট বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়িক নেতারা কীভাবে ভাবছেন, তা প্রতিফলিত করে। এই সূচক হ্রাস পেলে বোঝা যায় যে কোম্পানিগুলো বর্তমানে চাপের মুখে রয়েছে—হোক তা চাহিদা হ্রাস, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, কিংবা অন্যান্য সমস্যার কারণে। অন্যদিকে, ইকোনমিক এক্সপেকটেশন সূচক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোম্পানিগুলোর দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়। এই সূচক হ্রাস পেলে বোঝা যায় যে কোম্পানিগুলো ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ, এবং তারা বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে কাটছাঁট করতে পারে। দৈনিক কৌশলের জন্য, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1409-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1361-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1409-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1331-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1361 এবং 1.1409-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1331-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1282-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যেকোনো সময় এই পেয়ারের বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1361-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1331 এবং 1.1282-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3YNiSGC









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৫ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবারের মতো 1.1372 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এর কিছুক্ষণ পরেই, 1.1372 লেভেলের দ্বিতীয় টেস্ট ঘটে, সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড এরিয়া থেকে ফিরে আসছিল, যা বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে, মূল্যের 15 পিপস ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের পর এই পেয়ারের চাহিদা কমে গেছে। গতকাল প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার এবং টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক কেবল ডলারকে সামান্যই শক্তিশালী করেছে। বিনিয়োগকারীরা ইতোমধ্যে এই ইতিবাচক খবর মূল্যায়ন করেছে, এবং ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে। এই পেয়ারের মূল্যের গতিশীলতা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির ওপর নির্ভর করবে—যদি সেটি আদৌ বাস্তবায়িত হয়। উল্লেখযোগ্য যে, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার স্থিতিশীল রয়েছে, এটি এখনো সেরা পরিস্থিতি নয়। বেকারত্বের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি ধীর হচ্ছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে ফেড খুব বেশি আক্রমণাত্মকভাবে পদক্ষেপ নিতে পারবে না, যা ডলারের শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায়, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা বজায় রয়েছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন অনুপস্থিতিতে, মার্কেটের পরিস্থিতি এবং জল্পনা-কল্পনা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রেক্ষাপটে, যেকোনো ইতিবাচক খবর—এমনকি যদি সেটি সরাসরি ইউরোজোন অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত নাও হয়—ইউরো ক্রয়ের প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1395-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1355-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1395 -এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ইউরো ক্রয়ের সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1326-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1355 এবং 1.1395-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1326-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1292-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1355-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1326 এবং 1.1292-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/42RcfEJ









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৮ এপ্রিল কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সাইডওয়েজ ট্রেডিং অব্যাহত ছিল। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনো সকল সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন উপেক্ষা করে চলেছে, এবং গত সপ্তাহে আবারও এই স্পষ্ট বাস্তবতা নিশ্চিত করা গেছে। এমনকি গৌণ গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনগুলো বিবেচনা না করেও, আমরা মার্কেটে শুধু সোমবার এবং মঙ্গলবার মুভমেন্ট দেখতে পেয়েছি। স্বাভাবিকভাবেই, এই দুটি ক্ষেত্রেই এই মুভমেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারণে ঘটেছে। তবে এবার এগুলো বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নয়, বরং জেরোম পাওয়েলকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। প্রথমে, ট্রাম্প বলেন যে পাওয়েলকে বরখাস্ত করা উচিত, এবং মার্কেটের ট্রেডাররা সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন ডলার বিক্রি করা শুরু করে। পরে ট্রাম্প বলেন তিনি আর পাওয়েলকে বরখাস্ত করার পরিকল্পনা করছেন না, ফলে ডলারের দর আগের অবস্থানে ফিরে আসে। এই মুভমেন্ট বাদ দিলে, বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ সম্পর্কিত কোনো খবর ছাড়াই পেয়ারটির মূল্যের সাইডওয়েজ মুভমেন্ট চলমান রয়েছে। এই সাইডওয়েজ চ্যানেলটি 1.1275 থেকে 1.1424 এর মধ্যে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5 মিনিটের টাইমফ্রেমে পরিলক্ষিত মুভমেন্টগুলো তেমন আকর্ষণীয় ছিল। কখনো এই পেয়ারের মূল্য আলোর গতিতে মুভমেন্ট প্রদর্শন করে, আবার কখনো স্পষ্টভাবে ফ্ল্যাট ট্রেডিং দেখা যায়। স্পষ্টতই বুধবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবারে এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জে ছিল, এমনকি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলও মূল্যের শক্তিশালী মুভমেন্ট ঘটাতে পারেনি। তবুও, শুক্রবার 1.1330 লেভেল থেকে মূল্য দুইবার রিবাউন্ড করেছে, যদিও কোনো রিবাউন্ডই নির্ভুল ছিল না। তাই, নতুন ট্রেডাররা প্রতিবার বাউন্সের ক্ষেত্রে লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন, তবে ইউরোপীয় এবং মার্কিন সেশনের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রা ছিল মাত্র 67 পিপস, এবং মূল্য একবারও 1.1413 টার্গেট লেভেল পর্যন্ত পৌঁছেনি। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। গত সপ্তাহটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে ট্রেডিং, তবে মঙ্গলবার ট্রাম্প এই পেয়ারের দরপতন ঘটান। এই মুভমেন্ট উপেক্ষা করলে দেখা যাচ্ছে যে গত দুই সপ্তাহ ধরে মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, মার্কেটের ট্রেডাররা এখনো মার্কিন ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্র সংক্রান্ত সবকিছুর প্রতি অত্যন্ত নেতিবাচক ধারণা পোষণ করছে। তবে, ট্রাম্প যদি বাণিজ্য সংঘাত প্রশমনের দিকে এগিয়ে যান, তাহলে ডলারের দর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। সোমবারে, এই পেয়ারের মূল্য আবার যেকোনো দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ মার্কেটের সব মুভমেন্ট এখনো ট্রাম্পের মন্তব্য এবং সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। যদি ট্রাম্প সপ্তাহান্তে কোনো বড় খবর না নিয়ে আসেন, তাহলে সোমবারও ফ্ল্যাট মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। 5 মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য উপযুক্ত লেভেলগুলো হলো:1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1091, 1.1132–1.1140, 1.1189–1.1191, 1.1275–1.1292, 1.1330, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481, 1.1513, 1.1548, 1.1571, 1.1607–1.1622, 1.1666, 1.1689। সোমবারে ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। তবে, ট্রাম্পের বক্তব্য ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। Read more: https://ifxpr.com/4lVQzA2









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৯ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1371 এর লেভেল টেস্ট করে, যা ইউরো ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল এবং ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 1.1423 এর টার্গেট লেভেলের দিকে বৃদ্ধি পেয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক প্রতিবেদনের অনুপস্থিতিতে এখন ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, এবং ইউক্রেন সংকটের সমাধানের দিকে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হলে তা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের চাহিদাকে সমর্থন করতে থাকবে। অনিশ্চয়তায় ক্লান্ত এবং উন্নত অর্থনীতির মন্দায় পর্যবসিত হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা আবারও ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটে বিনিয়োগ করছেন। পাশাপাশি, আমাদের ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির বিষয়গুলোও ভুলে যাওয়া উচিত নয়, যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা, তাইওয়ানের পরিস্থিতি এবং অন্যান্য আঞ্চলিক সংঘাত। এই যেকোনো একটি বিষয় হঠাৎ করে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট থেকে পুঁজি বহিঃপ্রবাহের কারণ হতে পারে এবং ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। আজ বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে: জার্মানির ভোক্তা আস্থা সূচক, ইউরোজোনে বেসরকারি খাতের ঋণগ্রহণের পরিমাণ এবং M3 মানি সাপ্লাই বা অর্থ সরবরাহের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই সূচকগুলো ইউরোজোনের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যত প্রবণতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জার্মানির ভোক্তা আস্থা সূচক ঐতিহ্যগতভাবে ভোক্তাদের মনোভাবের একটি ব্যারোমিটার হিসেবে কাজ করে এবং এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ভোক্তা ব্যয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ইউরোজোনে বেসরকারি খাতের ঋণগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে সেটি বিনিয়োগ কার্যকলাপ এবং ভোক্তা চাহিদার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। M3 মানি সাপ্লাই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিমালা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। সূচকটি বৃদ্ধি পেলে অর্থনীতিতে লিকুইডিটি বৃদ্ধি পায়, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যদি আজ প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে ইতিবাচক হয়, তাহলে সপ্তাহের শুরুতে ইউরোর যে মূল্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, তা আরও প্রসারিত হতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1465-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1410-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1465-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। দিনের প্রথমার্ধে শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1365-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1410 এবং 1.1465-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1365-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1313-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1410-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1365 এবং 1.1313-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3YkBIos









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৩০ এপ্রিল ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1398 এর লেভেল টেস্ট করে, যা ইউরো ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে এই পেয়ারের দর 15 পিপস বৃদ্ধি পায়, তবে এরপর বুলিশ মোমেন্টাম দুর্বল হয়ে পড়ে। গতকাল প্রকাশিত মার্কিন ভোক্তা আস্থা সূচকের হতাশাজনক ফলাফল ডলারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা ইউরোর জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে। দেশটির ভোক্তা আস্থা সূচকটির ফলাফল বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক নিচে এসেছে, যা মার্কিন ভোক্তাদের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের ইঙ্গিত দেয়। এটি মূলত ট্রাম্পের শুল্ক নীতির সাথে সম্পর্কিত, যা বিভিন্ন পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে। ডলারের এই দরপতন ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে। ইউরোপীয় মুদ্রাটি ইউরোজোনের ঋণ বাজার সংক্রান্ত উৎসাহব্যঞ্জক প্রতিবেদন থেকেও অতিরিক্ত সমর্থন পেয়েছে। আজকের দিনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা মার্কেটের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে পারে। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোনের প্রথম প্রান্তিকের জিডিপি, জার্মানির ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI), কর্মসংস্থান এবং খুচরা বিক্রয়ের প্রবণতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইউরোজোনের জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল থেকে টয়্রেডাররা বুঝতে পারবে শীতকালীন দুর্বলতার পর অর্থনীতি কতটা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে এবং এটি ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নির্ধারণে সহায়তা করবে — বিশেষ করে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তের আলোকে। জার্মানির প্রতিবেদনও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোজোনের বৃহত্তম অর্থনীতির ভোক্তা মূল্য সূচক দেশটির মুদ্রাস্ফীতির প্রবণতা মূল্যায়নে সহায়তা করবে। কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন শ্রমবাজারের পরিস্থিতি প্রতিফলিত করবে, আর খুচরা বিক্রয় সূচকের ফলাফল ভোক্তা ব্যয়ের মাত্রা নির্দেশ করবে। সম্মিলিতভাবে এই পরিসংখ্যানগুলো অঞ্চলটির সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সার্বিক চিত্র নির্ধারণ করবে, যা ইউরোর মূল্যের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় প্রভাব ফেলবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1440-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1386-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1440-এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। দিনের প্রথমার্ধে শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1365-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1386 এবং 1.1440-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1365-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1313-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1386-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1365 এবং 1.1313-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/42SN8kN









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২ মে (মার্কিন সেশন) ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের প্রথমার্ধে যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1320 এর লেভেল টেস্ট করে, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমি ইউরো ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেইনি। এপ্রিল মাসের মার্কিন ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল সম্ভবত সবচেয়ে হতাশাজনক পূর্বাভাসেরও কম হতে পারে — এমন সম্ভাবনা অনেক বেশি। কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য মন্থরতার প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে গভীরতর অর্থনৈতিক সংকটের ইঙ্গিত দিতে পারে। প্রাথমিক সামষ্টিক সূচকগুলোতে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন খাতে কার্যক্রম হ্রাস পাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ADP থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন ছিল এর একটি স্পষ্ট প্রমাণ। শ্রমবাজারের নেতিবাচক প্রবণতা ফেডারেল রিজার্ভকে আরও ডোভিশ বা নমনীয় মুদ্রানীতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত যৌক্তিকতা প্রদান করতে পারে। অর্থনীতিতে ভোক্তা ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিবেচনায় নিলে, কর্মসংস্থানের সংখ্যা হ্রাস পেলে সামগ্রিক চাহিদা কমে যেতে পারে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও মন্থর হয়ে পড়তে পারে। ট্রাম্পের শুল্ক নীতিমালার প্রেক্ষাপটে, এই প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল সাময়িক হিসেবে মনে করার কোনো কারণ নেই। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1413-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1361-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1413এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল এবং চলমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1314-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1361 এবং 1.1413-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1314-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1241-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1361-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1314 এবং 1.1241-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৫ মে কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের 1.1275 এবং 1.1424 রেঞ্জের মধ্যে অবস্থিত সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যেই ট্রেডিং অব্যাহত ছিল। মূলত, নতুন কিছু যোগ করার মতো নেই, কারণ শুক্রবারও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষিত হয়েছে এবং এলোমেলো ও বিশৃঙ্খল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। মার্কেটের পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। একমাত্র উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল 1.1275 লেভেল থেকে রিবাউন্ড, যা আমরা আগেই তুলে ধরেছিলাম। এই লেভেলটি সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্নসীমা নির্দেশ করে, তাই এখান থেকে একটি ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট প্রত্যাশিত ছিল। তবে, এই পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা যায়নি, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ইতিবাচক ছিল। এপ্রিল মাসে ননফার্ম পেরোল ছিল 177,000, যেখানে পূর্বাভাস ছিল 130,000। বেকারত্বের হার 4.2%-এ অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, একটি ছোট নেতিবাচক দিক ছিল: মার্চ মাসের NFP পরিসংখ্যান 228,000 থেকে কমিয়ে 185,000-এ সংশোধন করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল নিরপেক্ষ ছিল, যদিও মার্কেটের ট্রেডাররা আরও নেতিবাচক ফলাফলের জন্য প্রস্তুত ছিল। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার 5-মিনিট টাইমফ্রেমে কোনো নির্ভরযোগ্য ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। প্রথমত, তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এই পেয়ারের মূল্য একই রেঞ্জে আটকে আছে। দ্বিতীয়ত, এখনো এই পেয়ারের মূল্যের বিশৃঙ্খল মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে। মূল্য টেকনিক্যাল লেভেলের প্রতি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না এবং মার্কেটের ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন উপেক্ষা করছে। তাই, মানসম্পন্ন সিগন্যাল পাওয়ার প্রত্যাশা করাটা কঠিন। যদিও দৈনিক ট্রেডিংয়ে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু এন্ট্রির সুযোগ তৈরি হতে পারে, তবে শুক্রবার সেরকম কোনো সুযোগ পাওয়া যায়নি। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনো EUR/USD পেয়ারের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা বজায় রয়েছে। গত সপ্তাহের শুরুতে যে মুভমেন্ট দেখা গিয়েছিল, তা বাদ দিলে, এই পেয়ারের মূল্য তিন সপ্তাহ ধরে সর্বোচ্চ লেভেলের আশেপাশে একটি সাইডওয়েজ রেঞ্জে রয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখনো মার্কিন ডলার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতির প্রতি অত্যন্ত নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে। তবে, যদি ট্রাম্প বাণিজ্য সংঘাত প্রশমনের দিকে অগ্রসর হন, তাহলে ডলারের দর কিছুটা বাড়তে পারে। কিন্তু তা আদৌ হবে কি না বা কখন হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। সোমবার, আবারও এই পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ মার্কেটের সমস্ত কার্যক্রম এখনো ট্রাম্পের বিবৃতি এবং সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। যেহেতু সম্প্রতি ট্রাম্পের পক্ষ থেকে নতুন কিছু শোনা যায়নি, আমরা মনে করি এই পেয়ারের মূল্যের সাইডওয়েজ মুভমেন্ট অব্যাহত থাকবে। রেঞ্জের নিম্নসীমা (1.1275) থেকে একটি রিবাউন্ড হলে সেটি নতুন করে একটি ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু করতে পারে। 5-মিনিট টাইমফ্রেমে মনোযোগ দেওয়ার মতো লেভেলগুলো হলো: 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1091, 1.1132–1.1140, 1.1189–1.1191, 1.1275–1.1292, 1.1330, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481, 1.1513, 1.1548, 1.1571, 1.1607–1.1622, 1.1666, 1.1689। সোমবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নেই, এবং যুক্তরাষ্ট্রে কেবলমাত্র ISM সার্ভিসেস বা পরিষেবা সংক্রান্ত PMI প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি যে মার্কেটের ট্রেডাররা এখন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রতি খুব একটা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না। Read more: https://ifxpr.com/432EnVt









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৬ মে ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1329 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। গতকাল মার্কিন ISM সার্ভিসেস বা পরিষেবা সংক্রান্ত প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশের পর EUR/USD পেয়ারের যে দরপতন দেখা গেছে, সেটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের শক্তিশালী হওয়ার ফলাফল, যা ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর আর্থিক নীতিমালা বজায় রাখার প্রত্যাশার ভিত্তিতে হয়েছে। পরিষেবা খাতের কার্যক্রমের প্রতিফলনকারী ISM সূচকটির ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় ইতিবাচক আসায় এটি মার্কিন অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। যার ফলে ডলার শক্তিশালী হয়। অদূর ভবিষ্যতে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট বেশ কয়েকটি বিষয়ের দ্বারা প্রভাবিত হবে, যার মধ্যে আগামীকাল ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তও রয়েছে। তাই আপাতত EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার প্রত্যাশা করা উচিত নয়। আজ সকালের মার্কেটের ট্রেডারদের মনোযোগ ইউরোজোনের বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে থাকবে, প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের মধ্যে রয়েছে: সার্ভিসেস PMI, কম্পোজিট PMI এবং উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI)। এই সূচকগুলো সাধারণত ইউরোর এক্সচেঞ্জ রেটের মুভমেন্ট এবং মার্কেট সেন্টিমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে, কারণ এগুলো অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মুদ্রাস্ফীতির গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা দেয়। বিশেষ করে সার্ভিসেস PMI ইউরোপীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের ব্যবসায়িক কার্যকলাপের গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এই সূচকের বৃদ্ধি উৎপাদন ও ভোক্তা চাহিদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, যা ইউরোর জন্য সহায়ক হতে পারে। অপরদিকে, এই সূচকের পতন অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ধীরগতির এবং ইউরোর দুর্বলতার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। কম্পোজিট PMI, যা ম্যানুফ্যাকচারিং এবং সার্ভিসেস উভয় খাতের প্রতিবেদন একত্রিত করে উপস্থাপন করা হয়, ইউরোজোনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি অধিক পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরে। উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI) ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো যেসব পণ্য ও পরিষেবা ক্রয় করে, সেগুলোর মূল্যের পরিবর্তনকে প্রতিফলিত করে। PPI বৃদ্ধি পেলে সেটি মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ার ইঙ্গিত দিতে পারে, যা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তকে বিলম্বিত করতে পারে। ফলে ইউরো শক্তিশালী হতে পারে। অন্যদিকে, PPI-র পতন ডিফ্লেশনারি ঝুঁকির বার্তা দিতে পারে এবং নীতিগতভাবে আরও নমনীয় মুদ্রানীতির দিকে নিয়ে যেতে পারে, যা ইউরোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1 আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1375-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1335-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1375এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2 আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1312-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1335 এবং 1.1375-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1 EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1312-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1277-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যেকোনো সময় এই পেয়ারের বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2 MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1335-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1312 এবং 1.1277-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/44p354H









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৭ মে কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ: বুধবার খুব অল্প সংখ্যক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে, এবং যেগুলো প্রকাশিত হবে সেগুলোর প্রভাবও EUR/USD বা GBP/USD পেয়ারের উপর খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে হচ্ছে না। ইউরোর মূল্য এখনো সম্পূর্ণরূপে ফ্ল্যাট অবস্থায় রয়েছে, এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যও একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জে রয়েছে—তবে সেটি তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত ও কম দৃশ্যমান। সারাদিনে একমাত্র ইউরোজোনের খুচরা বিক্রয় প্রতিবেদন ট্রেডারদের মধ্যে কিছুটা আগ্রহ তৈরি করতে পারে, তবে সেটিও কেবল সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত প্রভাব বিস্তার করবে। কিন্তু এই প্রতিবেদনের ফলাফল থেকে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া আশা করা যায়? সর্বোচ্চ ২০–৩০ পিপসের মুভমেন্ট? এমনকি সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিতব্য ফেডের বৈঠকের ফলাফলের প্রভাবেও মার্কেটে কোনো স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া নাও দেখা যেতে পারে। ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধ ছাড়া এখনো অন্য কোনো মৌলিক ঘটনা নিয়ে আলোচনা করাটা খুব একটা যৌক্তিক নয়, যদিও আপাতত বাণিজ্য উত্তেজনা স্থগিত রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি নতুন করে শুল্ক আরোপ করেন বা বিদ্যমান শুল্ক বাড়ান, তাহলে আবার ডলারের দরপতন শুরু হতে পারে। বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়লে ডলারের দরপতন হতে পারে, অপরদিকে শান্তিপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে ডলার শক্তিশালী হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এখন চীনের প্রতি কিছুটা নমনীয় বক্তব্য দেওয়া শুরু করেছেন, কিন্তু এটিকে এখনই 'বাণিজ্য যুদ্ধের প্রশমন' বলা যাবে না। বাস্তবতা হচ্ছে, চীনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আলোচনা শুরু হয়নি, তাই নিকট ভবিষ্যতে কোনো বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলা ভিত্তিহীন। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ট্রাম্প জানেন যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই অদূর ভবিষ্যতে তার কাছ থেকে নতুন করে আগ্রাসী পদক্ষেপ আসার সম্ভাবনা কম। গত বুধবার আমরা দেখেছি, ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি কীভাবে মার্কিন অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। আজ সন্ধ্যায় FOMC-এর বৈঠকের ফলাফল প্রকাশিত হবে। তাত্ত্বিকভাবে, জেরোম পাওয়েলের বক্তব্যে কিছুটা "ডোভিশ" না নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে, তবে আমাদের মতে ফেড এখনো মূলত মুদ্রাস্ফীতির দিকেই নজর রাখছে। তাই তাদের অবস্থানে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের আশা করা ঠিক হবে না। তবুও, যদি নমনীয় অবস্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়, তাহলে তা ডলারের জন্য নেতিবাচক বার্তা বহন করবে। উপসংহার: সপ্তাহের তৃতীয় দিনের ট্রেডিংয়ে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকেই মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে। ইউরো এখনো সাইডওয়েজ ট্রেডিং করছে, যদিও 1.1275 লেভেল থেকে রিবাউন্ড হওয়ার পর একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের এখনো কিছুটা বেশি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকলেও, কার্যত এখনো রেঞ্জ-ভিত্তিক মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ট্রেডারদের মনোভাবের উপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। কেবল সন্ধ্যার FOMC-এর বৈঠক থেকে কিছুটা প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে, তবে সেটিও EUR/USD বা GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট মুভমেন্টের সমাপ্তির জন্য যথেষ্ট হবে বলে মনে হচ্ছে না।









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৮ মে ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1348 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য একটি যথার্থ এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1303 এর টার্গেট লেভেলের দিকে হ্রাস পেতে শুরু করে। গতকাল ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার ৪.৫০%-এ অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত মার্কেটের ট্রেডারদের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্ক মনোভাব প্রতিফলিত করে, যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল এবং মুদ্রাস্ফীতি মাঝারি মাত্রায় রয়েছে। তবে, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিবৃতিতে তিনি বাণিজ্য শুল্ক আরোপের সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা তুলে ধরে বলেন এটি মুদ্রানীতির দিকনির্দেশনায় কিছুটা অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। পাওয়েল উল্লেখ করেন, শুল্কের ফলে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বেড়ে গিয়ে মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে, এবং একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের উচ্চ ব্যয় করতে হতে পারে ও ভবিষ্যতের বাণিজ্য পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে, যা অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে মন্থর করে দিতে পারে। তার মতে, এই বিষয়গুলো ফেডের বর্তমান নীতিমালা পুনর্মূল্যায়নের কারণ হতে পারে, যদিও তিনি জোর দিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখনই কোনো পরিবর্তনের জন্য তড়িঘড়ি করছে না। পাওয়েলের মন্তব্যে মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া ছিল সীমিত। বিনিয়োগকারীরা তার বক্তব্যের ইতিবাচক এবং নেতিবাচক উভয় দিককেই বিবেচনায় নিয়েছে। সামনের দিকে, ফেডের পরবর্তী পদক্ষেপ অনেকটাই নির্ভর করবে আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন এবং বাণিজ্য আলোচনার অগ্রগতির উপর। আজ সকালে জার্মানিতে শিল্প উৎপাদন এবং বাণিজ্য ঘাটতি/উদ্বৃত্ত সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। সাধারণত এই সূচকগুলোর ফয়ালফল ইউরোর মূল্যের মুভমেন্টে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে না, তবে এগুলো জার্মানির অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু অন্তর্দৃষ্টি দেবে। যদি শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, তাহলে ইউরোর মূল্য কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। বিশেষ গুরুত্ব থাকবে ম্যানুফ্যাকচারিং কম্পোনেন্টের দিকে, কারণ এই খাতই জার্মান অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি। ট্রেড সারপ্লাস বা বাণিজ্য উদ্বৃত্তও ভূমিকা রাখবে। এই সূচকের ফলাফল পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেলে এটি ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি ঘটাতে পারে, আর যদি বাণিজ্য ঘাটতি বা পতন পরিলক্ষিত হলে ইউরোর ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1376-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1339-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1376 এর লেভেলে গেলে, আমি বাই পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1321-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1339 এবং 1.1376-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1321-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1287-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1339-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1321 এবং 1.1287-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১২ মে কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ার তুলনামূলকভাবে টেকনিক্যাল এবং পূর্বাভাসযোগ্য প্যাটার্ন অনুযায়ী ট্রেড করেছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার যখন এই পেয়ারের মূল্য তিন সপ্তাহ ধরে আটকে থাকা সাইডওয়েজ চ্যানেল ব্রেকআউট করেছিল, তখন যে মোমেন্টাম দেখা গিয়েছিল, তা মার্কিন ডলার ধরে রাখতে পারেনি। মনে করিয়ে দিচ্ছি, ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের ফলাফলকে "হকিশ বা কঠোর" হিসেবেই গণ্য করা যায়, কারণ জেরোম পাওয়েল মার্কেটের ট্রেডারদের "ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের" প্রত্যাশা নিশ্চিত করেননি। তবে, দীর্ঘ সময় ধরে ফেড হকিশ বা কঠোর অবস্থানে থাকলেও গত তিন মাস ধরে ডলার একটানা দরপতনের শিকার হয়েছে—এমনকি দরপতন রোধের কোনো বড় ধরনের প্রচেষ্টাও দেখা যায়নি। সুতরাং, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধই এখনো ফরেক্স মার্কেটের প্রধান চালিকা শক্তি। নতুন খবরের অভাবেই এটি আপাতত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নেই। ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দিলেও বিস্তারিত কিছু জানাননি। ফলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কতটা লাভজনক, তা মূল্যায়ন করা সম্ভব হচ্ছে৩ না। তবুও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিশ্বাস করেন, তার কথাই যথেষ্ট: তিনি যদি বলেন এটি "লাভজনক ও চমৎকার," তাহলে সেটাই সত্য। কিন্তু মার্কেটের ট্রেডাররা এখন আর ট্রাম্পকে বিশ্বাস করে না—এবং তারা ঠিক কাজটিই করে। ফলস্বরূপ, গত কয়েকদিনে ডলারের মূল্য খুব বেশি বৃদ্ধি পায়নি। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে মাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি হয়েছিল, তাও সন্ধ্যার দিকে। তখন মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি ছিল, তাই এই সিগন্যাল নিয়ে কাজ করা সম্ভবত যুক্তিযুক্ত ছিল না। তবে, কেউ যদি শর্ট পজিশন ওপেন করতেন, তাহলে সামান্য কিছু মুনাফা অর্জন করা যেত বা অন্তত ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করে রেখে নিশ্চিন্তে উইকেন্ডের ছুটি কাটানো যেত। এশিয়ান সেশনে মূল্য 1.1191–1.1198 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, তবে এখানে 1.1198 একটি নতুন লেভেল—যেটি শুক্রবার চার্টে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনো EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় আছে, যদিও তিন সপ্তাহ সাইডওয়েজ ট্রেডিংয়ের পর একটি নিম্নমুখী কারেকশন শুরু হয়েছে। সামগ্রিকভাবে মার্কেটে এখনো মার্কিন ডলারের প্রতি প্রবল নেতিবাচক মনোভাব বিরাজ করছে। তবে, যদি ট্রাম্প নিজেই বাণিজ্য সংঘাত প্রশমনের সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে ডলারের দর বৃদ্ধি পেতে পারে। টানা তিন মাস দরপতনের পর এই উর্ধ্বমুখী কারেকশন কতটা প্রসারিত হবে, সেই পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। সোমবারের ট্রেডিং পুরোপুরি টেকনিক্যাল ভিত্তির উপর নির্ভর করবে। মনে হচ্ছে এই পেয়ারের মূল্যের একটি কারেকশন শুরু হয়েছে, তবে এই দরপতন খুব বেশি শক্তিশালী নয় এবং ট্রেডাররা এখনো ডলার কেনার ব্যাপারে দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1091, 1.1132–1.1140, 1.1191–1.1198, 1.1275–1.1292, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481, 1.1513, 1.1548, 1.1571, 1.1607–1.1622, 1.1666, 1.1689। সোমবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। তাই, যদি ট্রাম্প আবারও কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি না করেন, তাহলে আমরা চলমান নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্যে সীমিত মুভমেন্টের প্রত্যাশাই করছি। Read more: https://ifxpr.com/4j21RQd









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৩ মে কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের দরপতন হয়েছে। ট্রেডাররা সম্ভবত এরই মধ্যে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন যে মার্কিন ডলারের মূল্যের আর শক্তিশালী মুভমেন্ট দেখা যাবে না, কিন্তু আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে বাণিজ্যযুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমিত হলে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। সোমবার খবর আসে যে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ৯০ দিনের জন্য 115% হারে শুল্ক হ্রাসে সম্মত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই, এটি এখনো বাণিজ্যযুদ্ধের সমাপ্তি নয়, তবে এটি একটি বড় অগ্রগতি। সংক্ষেপে মনে করিয়ে দিই: এর আগে ট্রাম্প ৭৫টি দেশের উপর একটি গ্রেস পিরিয়ড চালু করেন, যার আওতায় 10% হারে শুল্ক আরোপিত হয়, এবং পরে তিনি যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেন। যদিও এসব পদক্ষেপ এখনো পুরোপুরিভাবে বাণিজ্যযুদ্ধের সমাপ্তি নির্দেশ করছে না, তবে এগুলো একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা প্রশমনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ কারণেই এই ধরনের সংবাদের প্রভাবে ডলারের দর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখনো এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের উপর অন্যান্য সব বিষয়ের প্রভাব অত্যন্ত সীমিত। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। টেকনিক্যালি এই পেয়ার সঠিকভাবে ট্রেড করেছে, যার ফলে নতুন ট্রেডারদের জন্য বেশ কার্যকর পজিশন নেওয়ার সুযোগ ছিল। দিনের বেলায় একটিও ভুল সিগন্যাল গঠিত হয়নি। যদি ট্রেডাররা সবগুলো সিগন্যাল অনুযায়ী ট্রেড করতেন, তাহলে মোট পাঁচটি ট্রেড থেকে প্রায় 160 পিপস লাভ করা যেত। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে অবশেষে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা দেখা যেতে শুরু করেছে। মার্কেটের ট্রেডারদের মধ্যে এখনো মার্কিন ডলারের বিরুদ্ধে প্রবল নেতিবাচক মনোভাব বিরাজ করছে, তবে যেহেতু ট্রাম্প নিজেই বাণিজ্য সংঘাতের প্রশমন ঘটাচ্ছেন, তাই অদূর ভবিষ্যতে ডলার উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হতে পারে। ডলারের মূল্যের এই রিবাউন্ড কতটা জোরালো হবে, তা নির্ভর করছে ট্রাম্প কতগুলো চুক্তি সফলভাবে স্বাক্ষর করতে পারেন তার উপর। মঙ্গলবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য আরও কমে যেতে পারে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের খবর একটি উল্লেখযোগ্য ও প্রবণতা-পরিবর্তনকারী অগ্রগতি, যা ডলারের পক্ষে যাচ্ছে এবং মার্কেটের ট্রেডাররা এটি উপেক্ষা করতে পারবে না। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিচের লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা যেতে পারে: 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1091, 1.1132–1.1140, 1.1191–1.1198, 1.1275–1.1292, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481, 1.1513, 1.1548, 1.1571, 1.1607–1.1622। মঙ্গলবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদিও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন, তবে এখন মার্কেটের ট্রেডারদের মনোযোগ সম্পূর্ণরূপে ফেডের আর্থিক নীতিমালার দিকে নয়—বরং বাণিজ্যযুদ্ধ সংক্রান্ত অগ্রগতির দিকেই রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/4diRlmA









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: আবারও ফিরেছে ডলারের দাপট মার্কিন গ্রিনব্যাকের দর আবারও ঊর্ধ্বমুখী: যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তিন মাসের শুল্ক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর সোমবার মার্কিন ডলার সূচক চার সপ্তাহের সর্বোচ্চ লেভেলে পৌঁছেছে। এই খবরে ডলার সব প্রধান মুদ্রার বিপরীতে শক্তিশালী হয়েছে, যার মধ্যে EUR/USD-ও রয়েছে। এপ্রিলের শুরু থেকে EUR/USD পেয়ারের বিক্রেতারা প্রথমবারের মতো মূল্যের 1.10 জোনের টেস্ট ঘটায়, যার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই 150 পয়েন্টের বেশি দরপতন ঘটে। এবং ডলারের ক্রেতাদের মধ্যে পরিলক্ষিত সামগ্রিক উচ্ছ্বাসের ভিত্তিতে মনে হচ্ছে, মার্কিন-চীন সম্পর্কের বহু প্রতীক্ষিত উষ্ণতায় ভর করে আগামী দিনে ডলার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার চেষ্টা করবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই উচ্ছ্বাস কতদিন স্থায়ী হবে? আলোচনার শুরু নিয়ে প্রাথমিক উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত কতদূর বাস্তব আলোচনায় গড়াবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা উদ্বেগেও রূপ নিতে পারে। অতীত ইতিহাস বিবেচনা করলে এই পরিস্থিতিতে "সতর্ক আশংকা" করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। জেনেভার ঘটনাপ্রবাহ দিয়ে শুরু করা যাক, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের উপর শুল্ক 145% থেকে কমিয়ে 30%-এ নামিয়ে আনে, এবং চীন আমেরিকান পণ্যের উপর শুল্ক 125% থেকে কমিয়ে 10% করে। উভয় দেশই পারস্পরিকভাবে শুল্ক হ্রাস করেছে এবং "অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে ধারাবাহিক সংলাপের জন্য একটি কাঠামো" তৈরিতে সম্মত হয়। অর্থাৎ, তারা আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—যা হতে পারে চীনে, যুক্তরাষ্ট্রে অথবা তৃতীয় কোনো দেশে (বর্তমান দৃষ্টান্তে যেমন সুইজারল্যান্ড)। জেনেভার বৈঠক একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা প্রক্রিয়ার প্রস্তাবনা হিসেবে কাজ করেছে। "সৌহার্দ্যপূর্ণ ইঙ্গিত" হিসেবে উভয় দেশ মিলে 90 দিনের জন্য মোট 115% হারে শুল্ক কমিয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে এই সময়সীমার মধ্যেই চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হবে—এখানে কোনো নির্ধারিত ডেডলাইন নেই। মনে করিয়ে দিই, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সময় ২০১৮ সালেও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা হয়েছিল এবং কিছু সমঝোতাও হয়েছিল, কিন্তু অল্প কিছুদিন পরেই উত্তেজনা আবার বেড়ে যায়। সেই আলোচনা ১৮ মাসের বেশি সময় ধরে চলে, এবং প্রথম ধাপের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে। অবশ্য এর মানে এই নয় যে বর্তমান আলোচনাও দীর্ঘমেয়াদি হবে। তবে দ্রুত যেকোনো চুক্তি হয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাও অযৌক্তিক। ডলার ক্রেতাদের মধ্যে (সম্ভবত অতিমাত্রায়) ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে, অনেকেই ভাবছেন ইতিবাচক পরিণতি আসন্ন। এবং এখানেই ডলারের জন্য ঝুঁকি রয়েছে—কারণ সোমবারের উচ্ছ্বাসের "হ্যাংওভার" খুবই তীব্র হতে পারে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—যুক্তরাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করেনি, যদিও বড় ধরনের শুল্ক ইতোমধ্যেই মাসখানেক আগে কার্যকর হয়েছে। একমাত্র ব্যতিক্রম যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি, যেটি এখনো বিস্তারিত চূড়ান্ত না হওয়া একটি প্রাথমিক কাঠামো মাত্র; তাছাড়া, হোয়াইট হাউস কিছু ছাড় দিলেও ব্রিটিশ পণ্যের উপর এখনো 10% শুল্ক আরোপিত রয়েছে—যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ঘাটতি নেই। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড সারপ্লাস বা বাণিজ্য উদ্বৃত্ত আছে, তাদের পণ্যের উপর "10%-এর চেয়েও বেশি" শুল্ক আরোপ করা উচিত। সম্ভবত এই কারণেই দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, ভিয়েতনাম ও জাপানের সঙ্গে আলোচনা (যা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে বলা হচ্ছে) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনাও থমকে গেছে। এবং একই কারণে চীনের সঙ্গে "দ্রুত চুক্তি" হওয়ার সম্ভাবনাও কম। নতুন ঘোষিত 90 দিনের বাণিজ্যযুদ্ধে বিরতির ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—এই "অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক ব্যবস্থা" মার্চ মাসে সমস্ত মার্কিন বাণিজ্য অংশীদারদের উপর আরোপিত খাতভিত্তিক শুল্কে প্রযোজ্য নয়। এটি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সময় চীনের উপর আরোপিত বিদ্যমান শুল্কও বাতিল করছে না। তাহলে এর অর্থ কী? একদিকে সোমবারের ডলার শক্তিশালী হওয়ার পেছনে যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে। আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে, শুল্কে স্বস্তি এসেছে, এবং উভয় পক্ষই শান্তিপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে, যার ফলে ডলারের প্রতি চাহিদা বেড়েছে। স্বল্পমেয়াদে এটি ডলারের জন্য সহায়ক। তবে, একবার প্রাথমিক উত্তেজনা কেটে গেলে এবং মার্কিন-চীন আলোচনাগুলো মৌলিক ইস্যুতে থমকে গেলে ডলার আবারও চাপের মুখে পড়তে পারে। উল্লেখযোগ্য যে EUR/USD বিক্রেতারা এই নিম্নমুখী প্রবণতার সময় মূল্য 1.10 জোনে রাখতে পারেনি—প্রথম প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। 1.1110 সাপোর্ট লেভেল (৪ ঘণ্টার চার্টে বলিঙ্গার ব্যান্ডের নিচের সীমা) বিক্রেতাদের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণিত হয়েছে—মূল্য এই লেভেলের নিচে স্থায়ীভাবে থাকতে পারেনি। তাই শুধুমাত্র এই লেভেল ব্রেক করে মূল্য নিচের দিকে যাওয়ার পরই শর্ট পজিশনের কথা চিন্তা করা যেতে পারে (যদি তা ঘটে)। অন্যথায়, EUR/USD পেয়ারের ক্রেতারা (কমপক্ষে একটি কারেকটিভ মুভমেন্ট হিসেবে) মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে এবং মূল্যকে 1.12 জোনে ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/458E11V









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: অবশেষে জেগে উঠল মার্কেট মঙ্গলবার প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের এপ্রিল মাসের CPI প্রতিবেদনে দেখা গেছে, হেডলাইন ইনফ্লেশন কমেছে এবং কোর ইনফ্লেশন স্থির রয়েছে। প্রতিবেদনের বেশ কয়েকটি উপাদান প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ছিল, কিন্তু ডলার এই প্রতিবেদনের ফলাফল দ্বারা খুব একটা প্রভাবিত হয়নি। EUR/USD পেয়ারের মূল্য কয়েক ডজন পিপস বেড়ে 1.11 রেঞ্জে স্থির রয়েছে, আর ডলার সূচক ধীরে ধীরে 101.00 লেভেলের দিকে সরে আসছে। তবে বিষয়টি কেবল CPI প্রতিবেদনেই সীমাবদ্ধ নয়—বাস্তবতা হলো, মার্কেটের ট্রেডারদের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধের সাময়িক বিরতির খবরে যে উচ্ছ্বাস ছিল, তা এখন মিলিয়ে যাচ্ছে। সেই উচ্ছ্বাসের জায়গা নিচ্ছে "হ্যাংওভার"—কারণ তারা এখন বুঝতে পেয়েছে, এই বিরতি সাময়িক এবং মূল আলোচনা কয়েক মাস ধরে চলতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, EUR/USD-এর বিক্রেতারা দ্রুত বিক্রি করে মুনাফা নিয়ে নিচ্ছে, যার ফলে নিম্নমুখী মুভমেন্ট থেমে গেছে। যদিও CPI প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তবে আগের দিনের ঘটনাগুলোই ট্রেডারদের মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে। তবুও এই প্রতিবেদনের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না—এটি এপ্রিল মাসের মুদ্রাস্ফীতি পরিস্থিতি তুলে ধরেছে, যখন নতুন শুল্কগুলো ইতোমধ্যেই কার্যকর ছিল। কিছু বিশ্লেষকের আশঙ্কা অনুযায়ী ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি দেখা যায়নি, অন্তত এপ্রিল পর্যন্ত। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, ট্রাম্পের শুল্কের প্রভাব মে কিংবা জুন–জুলাই মাসে আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে। CPI প্রতিবেদন প্রতি ট্রেডারদের নিস্পৃহ প্রতিক্রিয়া দেখেই বোঝা যায়, এই মতামতই বর্তমানে প্রাধান্য পাচ্ছে। প্রতিবেদনের সংক্ষিপ্তসার: হেডলাইন কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বা ভোক্তা মূল্য সূচক এপ্রিল মাসে বার্ষিক ভিত্তিতে 2.3%-এ পৌঁছেছে, যা মার্চের 2.4%-এর তুলনায় কম এবং ট্রেডারদের প্রত্যাশার নিচে। মূলত CPI বা ভোক্তা মূল্য সূচক টানা তিন মাস ধরে হ্রাস পাচ্ছে। তুলনামূলকভাবে জানুয়ারিতে এই সূচক 3.0%-এ ছিল এবং এখন তা ফেডের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছেছে। কোর ইনফ্লেশন ইনডেক্স (খাদ্য ও জ্বালানি বাদ দিয়ে বিবেচিত) বরাবরের মতোই অপরিবর্তিত ছিল। কোর CPI এপ্রিলেও বার্ষিক ভিত্তিতে 2.8%-এ স্থির ছিল, যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল। প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে—খাদ্যদ্রব্যের দাম মার্চে 3.0% থেকে কমে 2.8%-এ নেমে এসেছে। পরিবহন সেবার মূল্যবৃদ্ধিও কমে এসেছে ( 3.1% থেকে 2.5%-এ নেমে এসেছে)। এপ্রিল মাসে জ্বালানির দাম 3.7% হ্রাস পেয়েছে (যেখানে পেট্রোলের দাম 12% কমেছে এবং মার্চে 9.8% কমেছিল)। নতুন গাড়ির দাম 0.3% বেড়েছে, এবং ব্যবহৃত গাড়ির দাম 1.5% বেড়েছে। এর মানে কী দাঁড়ায়? যদি যুক্তরাষ্ট্র এই শুল্কযুদ্ধ শুরু না করত, তাহলে CPI প্রতিবেদন ফেডের পরবর্তী সুদহার হ্রাসের প্রত্যাশাকে এগিয়ে আনতে পারত। তবে, যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে, এখনকার মূল ধারণা হলো—এই শুল্কের নেতিবাচক প্রভাব পরে ধরা পড়বে, বিশেষ করে এই গ্রীষ্মে, যদি তা বহাল থাকে। হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন 115% হারে পারস্পরিক শুল্ক হ্রাসে সম্মত হয়েছে, কিন্তু এখনও চীনা পণ্যের উপর 30% মার্কিন শুল্ক কার্যকর রয়েছে, যা অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এই চুক্তির আওতায় মার্চে ট্রাম্পের আরোপিত খাতভিত্তিক শুল্ক বা তার প্রথম মেয়াদের শুল্ক অন্তর্ভুক্ত নয়। তাছাড়া ইউরোপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত পণ্যের উপর এখনও 10% শুল্ক রয়েছে—যেখানে গাড়ি, অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উপর 25% পর্যন্ত শুল্ক বহাল রয়েছে। এমনকি যুক্তরাজ্যের সঙ্গে "ডি ফ্যাক্টো" চুক্তির মাধ্যমেও শুল্ক পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়নি—10% শুল্ক এখনো বহাল আছে। এই প্রেক্ষাপটে আগামী কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নিয়ে ট্রেডারদের উদ্বেগ যুক্তিযুক্ত, এবং এর মাধ্যমেই CPI প্রতিবেদনের প্রতি ট্রেডারদের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যায়। EUR/USD পেয়ারের পূর্বাভাস মার্কিন ডলারের বিপরীতে EUR/USD পেয়ারের নতুন করে প্রবল দরপতন শুরু হতে হলে বিক্রেতাদের জন্য নতুন কোনো কারণ প্রয়োজন—যেমন, মার্কিন-চীন আলোচনা সম্পর্কিত নির্দিষ্ট সময়সূচি বা এজেন্ডা প্রকাশ। বর্তমানে মার্কেটে তথ্যশূন্যতা বিরাজ করছে—যদিও উভয় দেশ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে, তবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। আলোচনার শুরু হওয়ার খবর ইতিমধ্যেই মূল্যায়ন করা হয়েছে, তাই নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে EUR/USD পেয়ারের নতুন কিছু দরকার। এই তথ্যশূন্য পরিস্থিতিই ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং EUR/USD পেয়ারকে 1.11 রেঞ্জে কারেকশন করার সুযোগ দিচ্ছে। EUR/USD বিক্রি করা তখনই যৌক্তিক হবে, যদি বিক্রেতারা মূল্যকে দিয়ে 1.1120 সাপোর্ট লেভেলের (ডেইলি চার্টের নিচের বলিঙ্গার ব্যান্ড) ব্রেক ঘটায় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, তার নিচে কনসোলিডেট হয় (অর্থাৎ, 1.10 রেঞ্জে প্রবেশ করে)। সে ক্ষেত্রে পরবর্তী বিয়ারিশ মুভমেন্টের লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1050 (H4-এর নিচের BB) এবং 1.0920 (D1-এর আপার কুমো ক্লাউড বাউন্ডারি)। যদি আলোচনা থেমে যায় বা মতপার্থক্য দেখা দেয়, তাহলে মার্কেটে আবারও মার্কিন অর্থনৈতিক স্থবিরতার আশঙ্কা ফিরে আসবে, যা ডলারের প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেবে। তাই স্বল্পমেয়াদে যদি 1.1120 লেভেল ব্রেক না হয়, তাহলে লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে, যার প্রথম লক্ষ্যমাত্রা থাকবে 1.1230—যেখানে দৈনিক চার্টে টেনকান-সেন ও কিজুন-সেন লাইন একত্রিত হয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/3FaublM









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের পূর্বাভাস, ১৬ মে – ডলারের জন্য কঠিন পথ বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য দুইবার 1.1181 লেভেলের 127.2% ফিবোনাচি লেভেলের দিকে নেমে যায় এবং দুইবারই সেখান থেকে রিবাউন্ড করে, যা ইউরোর দর বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। এর ফলে আজ 1.1265–1.1282 রেজিস্ট্যান্স জোনের দিকে মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে যদি মূল্য 1.1181 লেভেলের নিচে নিশ্চিতভাবে ক্লোজ করে, তাহলে মার্কিন ডলারের পক্ষে মুভমেন্ট শুরু হতে পারে এবং মূল্য আবারও 1.1074–1.1081 সাপোর্ট জোনের দিকে নেমে যেতে পারে। বিক্রেতারা এখনো মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করছে, তবে চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে ওয়েভ স্ট্রাকচার এখনো সহজসাধ্য। সর্বশেষ ঊর্ধ্বমুখী ওয়েভ আগের সর্বোচ্চ লেভেল ব্রেক করতে ব্যর্থ হয়েছে, আর সর্বশেষ নিম্নমুখী ওয়েভ আগের সর্বনিম্ন লেভেল ব্রেক করেছে—যা বিয়ারিশ প্রবণতা বজায় রাখছে। যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য আলোচনা অগ্রগতির খবর বিক্রেতারা সমর্থন দিলেও, বিজয়ী হওয়ার আগে তাদের আরও অনেক বাধা অতিক্রম করতে হবে। বৃহস্পতিবারের মৌলিক প্রেক্ষাপট এই পেয়ারের ক্রেতা এবং বিক্রেতা— কারো জন্যই খুব একটা সহায়ক ছিল না। ইউরোজোনে মার্চ মাসে শিল্প উৎপাদন রেকর্ড 2.6% বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু প্রথম প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি 0.4% থেকে কমে 0.3% হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, এপ্রিল মাসে খুচরা বিক্রয় 0.1% বৃদ্ধি পেয়েছে—যা প্রত্যাশাকে ছাড়িয়েছে, কিন্তু PPI বা উৎপাদক মূল্য সূচক 0.5% হ্রাস পেয়েছে। জেরোম পাওয়েলের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পূর্বাভাসের বদলে এই প্রতিবেদন বরং ভবিষ্যতে মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের ইঙ্গিত দিচ্ছে। একপর্যায়ে, পাওয়েলকেও হয়তো পিছু হটতে হবে এবং চাপের মুখে ফেড হয়তো সুদের হার কমানোর পথে হাঁটতে বাধ্য হবে—যদিও গত বৈঠকে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, এমন পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই। বৃহস্পতিবার পুরো দিনজুড়ে মার্কেটে এই বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে সাইডওয়েজ মুভমেন্ট দেখা গেছে, আর ট্রেডাররা ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বাণিজ্য চুক্তির প্রতীক্ষায় রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেবল যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে—যা এই পেয়ারের মূল্যের বিয়ারিশ প্রবণতা অব্যাহত রাখার জন্য যথেষ্ট নয়। ৪-ঘন্টার চার্টে, পেয়ারটির মূল্য এখনো 1.1213-এর 100.0% ফিবোনাচি লেভেলের নিচে অবস্থান করছে, যা 76.4% রিট্রেসমেন্ট লেভেল 1.0969 পর্যন্ত আরও দরপতনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে রেখেছে। 1.1213 থেকে একটি রিবাউন্ড ডলারের মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা ফিরিয়ে আনতে পারে, অন্যদিকে এই লেভেলের ওপরে ক্লোজিং হলে সেটি ইউরোর পক্ষে সহায়ক হবে এবং বুলিশ প্রবণতা আবারও ফিরতে পারে—টার্গেট হবে 127.2% ফিবোনাচি লেভেল 1.1495। CCI ইন্ডিকেটরে একটি বিয়ারিশ ডাইভারজেন্স লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা মূল্যপতনের সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। কমিটমেন্ট অব ট্রেডার্স (COT) রিপোর্ট: সর্বশেষ সাপ্তাহিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রফেশনাল ট্রেডাররা 2,196টি লং পজিশন ও 2,118টি শর্ট পজিশন ক্লোজ করেছে। নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের মধ্যে সেন্টিমেন্ট এখনো বুলিশ, এবং এর পেছনে ট্রাম্পের ভূমিকাও রয়েছে। বর্তমানে স্পেকুলেটরদের কাছে 194,000টি লং পজিশন এবং 118,000টি শর্ট পজিশন রয়েছে। কয়েক মাস আগেও এই চিত্র উল্টো ছিল। বড় বিনিয়োগকারীরা ২০ সপ্তাহ ধরে ইউরোর পজিশন হ্রাস করলেও এখন টানা ১৩ সপ্তাহ ধরে তারা লং পজিশন বাড়াচ্ছে এবং শর্ট পজিশন কমাচ্ছে। যদিও ইসিবি এবং ফেডের আর্থিক নীতিগত ব্যবধান এখনো ডলারের পক্ষে কাজ করছে, তবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক পদক্ষেপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এবং সেটিই সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা। অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডার – ১৬ মে: যুক্তরাষ্ট্র: বিল্ডিং পারমিট (12:30 UTC) হাউজিং স্টার্টস (12:30 UTC) ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান কনজিউমার সেনটিমেন্ট ইনডেক্স (14:00 UTC) শুক্রবারের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে এর কোনোটিকেই খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে না। সামগ্রিকভাবে, মৌলিক প্রেক্ষাপট মার্কেট সেন্টিমেন্টের উপর সীমিত প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। EUR/USD পূর্বাভাস এবং ট্রেডিং পরামর্শ: ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে যদি মূল্য 1.1181-এর নিচে থাকা অবস্থায় সেশন শেষ হয়, তাহলে পেয়ারটি বিক্রি করা যেতে পারে—লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1074–1.1081 জোন। বিকল্পভাবে, ৪-ঘন্টার চার্টে 1.1213 লেভেল থেকে আরেকটি রিবাউন্ড হলেও বিক্রির সুযোগ তৈরি হতে পারে। বর্তমানে, আমি এমন কোনো স্পষ্ট প্যাটার্ন দেখছি না যা এই পেয়ার ক্রয়ের জন্য সহায়ক হতে পারে। ফিবোনাচি গ্রিড: ঘণ্টাভিত্তিক চার্ট: 1.1265 – 1.1574 ৪-ঘন্টার চার্ট: 1.1214 – 1.0179 Read more: https://ifxpr.com/3S4nvZn









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিংয়ের পরামর্শ ও বিশ্লেষণ, ১৯ মে EUR/USD পেয়ারের 5-মিনিটের বিশ্লেষণ শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের সামান্য দরপতন হয়েছে। যদিও ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে দেখে মনে হতে পারে যে সারাদিন ধরেই এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছিল, তবে প্রকৃতপক্ষে সারাদিনে মার্কিন ডলারের দর মাত্র ১৯ পিপস বেড়েছে—যা কার্যত বৃদ্ধি পেয়েছে বলার মতো পর্যাপ্ত নয়। সামগ্রিকভাবে, এখনো ধীর গতিতে মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট বজায় রয়েছে, যার পেছনে মৌলিক কারণ হিসেবে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর ব্যাপারে অনাগ্রহ এবং বাণিজ্য যুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমনের প্রক্রিয়া কাজ করছে। তবে মার্কেটের ট্রেডারদের মধ্যে এখনো ডলারের প্রতি সংশয়ী মনোভাব বিরাজ করছে, এবং কেবলমাত্র সামান্য পরিমাণে ডলারের ক্রয়-বিক্রয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত, বর্তমান পরিস্থিতিতে ডলারের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি। শুক্রবার ডলার বিক্রির পক্ষেই যুক্তি বেশি ছিল বলা যায়। ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়নি বা প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়নি, এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত তিনটি প্রতিবেদন—হাউজিং স্টার্টস, বিল্ডিং পারমিটস, এবং ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স—সাধারণত মার্কেটে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। তবুও, এই তিনটি প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ছিল। তবুও, এই সময় ডলারের দর বেড়েছে, যা আবারও প্রমাণ করে যে বর্তমানে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিস্থিতি ও মার্কেটে পরিলক্ষিত মুভমেন্টের মধ্যে কোনো সুস্পষ্ট সম্পর্ক বিদ্যমান নেই। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে মাত্র একটি কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল পাওয়া গেছে। মার্কিন সেশনের সময়, মূল্য 1.1179–1.1185 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, এরপর নিম্নমুখী হতে থাকে এবং পরবর্তীতে মূল্য 1.1147-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়। এই লেভেলটি শর্ট পজিশন ক্লোজ করার জন্য উপযুক্ত ছিল, যার ফলে এই ট্রেড থেকে সামান্য লাভ হয়েছে। COT রিপোর্ট সর্বশেষ কমিটমেন্ট অব ট্রেডার্স (COT) রিপোর্ট ১৩ মে প্রকাশিত হয়েছে। উপরের চার্ট অনুযায়ী, নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের নিট পজিশনের সংখ্যা দীর্ঘদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী ছিল। বিক্রেতারা অল্প সময়ের জন্য মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, তবে দ্রুত তা হারিয়ে ফেলে। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে ডলারের দরপতন হচ্ছে। যদিও বলা যাচ্ছে না এই প্রবণতা কতদিন চলবে, তবুও COT রিপোর্ট বড় ট্রেডারদের মানসিকতা প্রতিফলিত করে—যদিও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মানসিকতা দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। ইউরোর পক্ষে কোনো এমন কোনো মৌলিক কারণ নেই যা এটিকে শক্তিশালী করতে পারে, তবে ডলারের উপর রাজনৈতিক চাপ অনেক বেশি। আরও কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কারেকশন চলমান থাকতে পারে, তবে গত ১৬ বছরের দীর্ঘমেয়াদী নিম্নমুখী প্রবণতা এত সহজে বদলাবে না। একবার ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ শেষ হলে, পুনরায় ডলারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে। COT চার্টে লাল ও নীল লাইন আবারও একে অপরকে অতিক্রম করেছে, যা একটি নতুন বুলিশ প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। সর্বশেষ সাপ্তাহিক রিপোর্ট অনুযায়ী, নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের লং পজিশনের সংখ্যা 15,400টি বেড়েছে, আর শর্ট পজিশনের সংখ্যা বেড়েছে 6,300টি। ফলে নিট পজিশনের সংখ্যা 9,000 কন্ট্রাক্ট বেড়ে গেছে। EUR/USD পেয়ারের 1 ঘন্টার চার্টের বিশ্লেষণ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্য তুলনামূলকভাবে ধীর গতিতে কমছে, যা বিস্তৃত পরিপ্রেক্ষিতে একটি কারেকশন হিসেবেই বিবেচনা করা যায়। এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী মুভমেন্ট এখনো বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনা প্রশমনের সঙ্গে প্রভাবে হচ্ছে। যদি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর অব্যাহত থাকে এবং মার্কিন শুল্কের মাত্রা হ্রাস পায়, তাহলে মার্কিন ডলার সেই লেভেলগুলোতে আরও পুনরুদ্ধার করতে পারে, যেখানে সর্বশেষ নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে মার্কেটের মুভমেন্ট কোনো টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে না—বরং বৈশ্বিক বাণিজ্য আলোচনার অগ্রগতিই একমাত্র চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। ১৯ মে তারিখে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচ্য লেভেলগুলো হলো: 1.0823, 1.0886, 1.0949, 1.1006, 1.1092, 1.1147, 1.1185, 1.1234, 1.1274, 1.1321, 1.1426, 1.1534; সেইসাথে সেনকৌ স্প্যান বি (1.1224) এবং কিজুন-সেন (1.1165) লাইন রয়েছে। ইচিমোকু ইন্ডিকেটরের লাইনগুলো দিনভর অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে, তাই ট্রেডিং সিগন্যাল নির্ধারণের সময় তা বিবেচনায় নিতে হবে। প্রতিবার যখন মূল্য আপনার অনুকূলে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করবে, তখনই ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করতে হবে—ভুল সিগন্যাল থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য এটি একটি বাধ্যতামূলক কৌশল। সোমবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তাই মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্টের প্রত্যাশা করা যাচ্ছে না। পুরোপুরি টেকনিক্যাল লেভেল এবং ইন্ডিকেটর লাইনের উপর ট্রেডিং নির্ভর করবে। এখনো এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিদ্যমান রয়েছে, তাই ডলার আবারও শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তবে আমরা বারবার দেখেছি, মার্কেটের ট্রেডাররা এখনো ডলার কেনার ব্যাপারে আগ্রহী নয়, এবং তারা ডলারের পক্ষে থাকা অনেক ইতিবাচক বিষয়ই উপেক্ষা করছে। চিত্রের ব্যাখা: মূল্যের সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল – গাঢ় লাল লাইন; যেখানে মূল্যের মুভমেন্ট থেমে যেতে পারে। তবে এগুলো সরাসরি ট্রেডিং সিগন্যাল নয়। কিজুন সেন ও সেনকৌ স্প্যান বি লাইন – শক্তিশালী ইচিমোকু ইন্ডিকেটরের লাইন, যা ৪-ঘণ্টা চার্ট থেকে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে স্থানান্তর করা হয়েছে। Extremum লেভেল – হালকা লাল লাইন; যেখানে পূর্বে মূল্য রিবাউন্ড করেছে। এগুলো ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে। হলুদ লাইন – ট্রেন্ড লাইন, ট্রেন্ড চ্যানেল এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল প্যাটার্ন নির্দেশ করে। COT ইন্ডিকেটর 1 – চার্টে প্রতিটি গ্রুপের ট্রেডারদের নিট পজিশনের পরিমাণ প্রদর্শন করে। Read more: https://ifxpr.com/4dtbOFo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিংয়ের পরামর্শ ও বিশ্লেষণ, ২০ মে EUR/USD পেয়ারের 5-মিনিটের বিশ্লেষণ সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য তুলনামূলকভাবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের মতে, ঐদিন মার্কিন ডলারের হঠাৎ এমন দরপতনের পেছনে কোনো মৌলিক বা অর্থনৈতিক ভিত্তি ছিল না। তবে আগেই বলা হয়েছে, এখন মার্কেটে ডলার বিক্রি করার জন্য আর কোনো শক্তিশালী কারণের প্রয়োজন হয় না। মার্কিন গ্রিনব্যাক সহজেই এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, বিপরীতে ইউরো এখনও শক্তিশালী অর্থনীতি বা ইসিবির হকিশ বা কঠোর নীতির দাবিদার হতে পারছে না। তবুও, বর্তমানে এসব বিষয়ের আর তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। বাণিজ্যযুদ্ধ ব্যতীত অন্য কোনো কারণ এখন আর ডলারের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়। মাঝে মাঝে ডলার শক্তিশালী হয়, কিন্তু তা কেবল তখনই হয় যখন বাণিজ্য উত্তেজনা প্রশমনের খবর প্রকাশিত হয় — এবং এমন খবর প্রতিটি সপ্তাহে আসে না। এদিকে, মুডি'স কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেডিট রেটিং ডাউনগ্রেডের মতো সংবাদ ডলার বিক্রির কারণ হিসেবে কাজ করতে পারে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যাচ্ছে, আবার এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন হয়েছে, তবে তিন মাসব্যাপী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও অক্ষুণ্ন রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই, সবকিছু ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের উপর নির্ভর করছে। যদিও তার পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে অনুমান করা সম্ভব না, তবুও আমরা এটুকু বলতে পারি — এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো কার্যকর রয়েছে। সোমবারের ট্রেডিং সিগনালের ক্ষেত্রে, দুটি মুহূর্ত আলাদাভাবে উল্লেখযোগ্য: প্রথমত, 1.1185 লেভেল ব্রেকআউট করে মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট এবং দ্বিতীয়ত, 1.1274 লেভেলের নিচে দরপতন। প্রথম সিগনালে ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন, যা পরবর্তী সেল সিগনাল — অর্থাৎ 1.1274 এর নিচে দরপতনের সময় — ক্লোজ করা যেত। সেই পর্যায়ে শর্ট পজিশন ওপেন করে মূল্য সেনকৌ স্প্যান বি লাইনের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ক্লোজ করা যেত। অতএব, সোমবার দুটি ট্রেড ওপেন করা যেত এবং উভয় ট্রেডই উল্লেখযোগ্য মুনাফার সাথে ক্লোজ করা যেতো। COT রিপোর্ট সর্বশেষ কমিটমেন্ট অব ট্রেডার্স (COT) রিপোর্ট ১৩ মে প্রকাশিত হয়েছে। উপরের চার্ট অনুযায়ী, নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের নিট পজিশনের সংখ্যা দীর্ঘদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী ছিল। বিক্রেতারা অল্প সময়ের জন্য মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, তবে দ্রুত তা হারিয়ে ফেলে। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে ডলারের দরপতন হচ্ছে। যদিও বলা যাচ্ছে না এই প্রবণতা কতদিন চলবে, তবুও COT রিপোর্ট বড় ট্রেডারদের মানসিকতা প্রতিফলিত করে—যদিও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মানসিকতা দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। ইউরোর পক্ষে কোনো এমন কোনো মৌলিক কারণ নেই যা এটিকে শক্তিশালী করতে পারে, তবে ডলারের উপর রাজনৈতিক চাপ অনেক বেশি। আরও কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কারেকশন চলমান থাকতে পারে, তবে গত ১৬ বছরের দীর্ঘমেয়াদী নিম্নমুখী প্রবণতা এত সহজে বদলাবে না। একবার ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ শেষ হলে, পুনরায় ডলারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে। COT চার্টে লাল ও নীল লাইন আবারও একে অপরকে অতিক্রম করেছে, যা একটি নতুন বুলিশ প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। সর্বশেষ সাপ্তাহিক রিপোর্ট অনুযায়ী, নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের লং পজিশনের সংখ্যা 15,400টি বেড়েছে, আর শর্ট পজিশনের সংখ্যা বেড়েছে 6,300টি। ফলে নিট পজিশনের সংখ্যা 9,000 কন্ট্রাক্ট বেড়ে গেছে EUR/USD পেয়ারের 1 ঘন্টার চার্টের বিশ্লেষণ 1-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং বর্তমানে মূল্য ইচিমোকু ইন্ডিকেটর লাইনগুলোর ওপরে অবস্থান করছে। মার্কিন ডলারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট এখনো মূলত বৈশ্বিক বাণিজ্যযুদ্ধ সংক্রান্ত পরিস্থিতির অগ্রগতির উপর নির্ভর করছে। যদি বাণিজ্য চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয় এবং শুল্ক কমানো হয়, তাহলে ডলারের পুনরুদ্ধার হতে পারে। অন্যথায়, কিংবা নতুন কোনো নেতিবাচক প্রভাবিক দেখা গেলে, ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ ও মৌলিক প্রতিবেদন প্রভাব খুবই সীমিত — সবকিছু বাণিজ্য আলোচনা সংক্রান্ত সংবাদের উপর নির্ভর করছে। ২০ মে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.0823, 1.0886, 1.0949, 1.1006, 1.1092, 1.1147, 1.1185, 1.1234, 1.1274, 1.1321, 1.1426, 1.1534। ইচিমোকু লাইন: সেনকৌ স্প্যান বি (1.1224), কিজুন-সেন (1.1193)। লক্ষ্য রাখতে হবে যে ইচিমোকু লাইনগুলো দিনের বেলা অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে এবং ট্রেডিং সিগনাল নির্ধারণের সময় তা বিবেচনায় নেওয়া উচিত। একইসাথে মনে রাখতে হবে, মূল্য সঠিক দিকের দিকে 15 পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করার পর ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করা উচিত, যাতে সম্ভাব্য ভুল সিগনাল থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। ফলে দিনের বেলায় ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো কিছুই থাকবে না। তবে সোমবারের অভিজ্ঞতা থেকে আবারও দেখা গিয়েছে যে এমনকি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন সংবাদের প্রভাবেও ডলারের উল্লেখযোগ্য দরপতন ঘটতে পারে। কিন্তু এমন প্রভাবশালী সংবাদ প্রতিদিন আসে না, তাই আজ দুর্বল ও সাইডওয়েজ মুভমেন্টের সম্ভাবনাই বেশি। চিত্রের ব্যাখা: মূল্যের সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল – গাঢ় লাল লাইন; যেখানে মূল্যের মুভমেন্ট থেমে যেতে পারে। তবে এগুলো সরাসরি ট্রেডিং সিগন্যাল নয়। কিজুন সেন ও সেনকৌ স্প্যান বি লাইন – শক্তিশালী ইচিমোকু ইন্ডিকেটরের লাইন, যা ৪-ঘণ্টা চার্ট থেকে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে স্থানান্তর করা হয়েছে। এক্সট্রিম লেভেল – হালকা লাল লাইন; যেখানে পূর্বে মূল্য রিবাউন্ড করেছে। এগুলো ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে। হলুদ লাইন – ট্রেন্ড লাইন, ট্রেন্ড চ্যানেল এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল প্যাটার্ন নির্দেশ করে। COT ইন্ডিকেটর 1 – চার্টে প্রতিটি গ্রুপের ট্রেডারদের নিট পজিশনের পরিমাণ প্রদর্শন করে। Read more: https://ifxpr.com/3SLwXAY









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের পূর্বাভাস – ২১ মে, ২০২৫ মঙ্গলবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1260–1.1282 রেজিস্ট্যান্স জোনের ওপরে কনসোলিডেট করতে সক্ষম হয়েছে, যেখান থেকে মূল্য এর আগে তিনবার পুলব্যাক করেছিল। এর ফলে, ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকে এবং ক্রেতারা 50.0% ফিবোনাচি লেভেল 1.1320-এর ওপরে ক্লোজিং নিশ্চিত করে। এই কনসোলিডেশন পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স জোন 1.1374–1.1380 এর লক্ষ্যমাত্রায় আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা তৈরি করেছে। ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ওয়েভ স্ট্রাকচার বিকশিত হচ্ছে। সর্বশেষ আপওয়ার্ড ওয়েভটি পূর্ববর্তী হাই লেভেল ব্রেক করেছে, অথচ শেষ ডাউনওয়ার্ড ওয়েভটি পূর্ববর্তী লো ব্রেক করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর মানে প্রবণতা এখন "বুলিশ" হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সফল বাণিজ্য আলোচনা এবং ফেডের "হকিশ" বা কঠোর অবস্থান কিছুক্ষণের জন্য বিক্রেতাদের সহায়তা করেছিল—তবে তা খুব স্বল্প সময়ের জন্য। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি আবারও মার্কিন ডলারের উপর শক্তিশালী চাপ সৃষ্টি করছে। মঙ্গলবার কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, এবং বুধবারেও তেমন কিছু প্রত্যাশিত নয়। তাই ক্রেতাদের এই নতুন আক্রমণাত্মক অবস্থান কিছুটা বিস্ময়কর মনে হতে পারে—তবে এটি এটাও প্রমাণ করে যে তারা নতুন প্রবণতা শুরু করতে প্রস্তুত, এমনকি যুক্তরাষ্ট্র থেকে নতুন কোনো নেতিবাচক খবর না এলেও। বিক্রেতাদের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য পুরো এক মাস সময় ছিল, কিন্তু তারা সামান্য আগ্রহ দেখাতেই ব্যর্থ হয়েছে। ক্রেতারা আর চুপচাপ বসে থাকতে চায় না। যদিও বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে, তবে বাণিজ্যযুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি এবং ভবিষ্যতে তা আরও তীব্র হতে পারে, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমদানির শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে, এবং মার্কিন অর্থনীতির জন্য এটি একটি নেতিবাচক বিষয়। যদি এর সঙ্গে ট্রেডারদের মার্কিন অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ যুক্ত হয়, তাহলে ক্রেতারা দীর্ঘ সময়ের জন্য তাদের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখতে পারে। অর্থনৈতিক প্রতিবেদন এখনো ট্রেডারদের সেন্টিমেন্টে খুব সামান্য প্রভাব ফেলছে। ৪-ঘণ্টার চার্টে, এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং 100.0% ফিবোনাচি লেভেল 1.1213-এর ওপরে কনসোলিডেট হচ্ছে, যা পুনরায় বুলিশ প্রবণতা শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দেয়—ওয়েভ স্ট্রাকচারও একই কথা বলছে। এই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট 127.2% কারেকটিভ লেভেল 1.1495 পর্যন্ত চলমান থাকতে পারে। আ কোনো ইনডিকেটরে ডাইভারজেন্স দেখা যাচ্ছে না। কমিটমেন্ট অব ট্রেডার্স (COT) রিপোর্ট: সর্বশেষ সাপ্তাহিক রিপোর্ট অনুযায়ী প্রফেশনাল ট্রেডাররা 15,357টি লং পজিশন এবং 6,302টি শর্ট পজিশন ওপেন করেছেন। "নন-কমার্শিয়াল" গ্রুপের ট্রেডারদের সেন্টিমেন্ট দীর্ঘদিন ধরেই বুলিশ রয়েছে—এর পেছনে ট্রাম্পের ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে স্পেকুলেটরদের হোল্ড করা মোট লং পজিশন 209,000 এবং শর্ট পজিশন 124,000, এবং এই ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে। এর মানে ইউরোর চাহিদা অব্যাহত আছে, কিন্তু ডলারের ক্ষেত্রে তা নেই। পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। টানা পনেরো সপ্তাহ ধরে বড় প্লেয়াররা শর্ট পজিশন কমিয়ে এবং লং পজিশন বাড়িয়ে চলেছে। যদিও ইসিবি এবং ফেডের নীতিগত ব্যবধান এখনো সুদের হার পার্থক্যের মাধ্যমে ডলারকে কিছুটা সমর্থন করে, তবে ট্রাম্পের নীতিমালাই ট্রেডারদের জন্য বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ তা মার্কিন অর্থনীতির সম্ভাব্য মন্দার ঝুঁকি তৈরি করছে। ফলে, ডলারের ক্রেতারা ফেডের নীতিমালার সুযোগ নিয়েও মার্কেটে সুবিধা নিতে পারছে না এবং সে ইচ্ছাও পোষণ করছে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনের নিউজ ক্যালেন্ডার: ২১ মে অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট নেই। ফলে বুধবারের বাজার পরিস্থিতিতে সংবাদভিত্তিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কার্যত অনুপস্থিত থাকবে। EUR/USD পেয়ারের পূর্বাভাস ও ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: আজ এক ঘণ্টার চার্টে 1.1374–1.1380 জোন থেকে বাউন্স হলে এই পেয়ার বিক্রি করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে টার্গেট হবে 1.1320 এবং 1.1260–1.1282। আমি পূর্বে পরামর্শ দিয়েছিলাম 1.1265–1.1282 জোনের ওপরে ক্লোজ হলে লং পজিশন নেওয়া যেতে পারে, টার্গেট 1.1338 এবং 1.1374—প্রথম টার্গেট ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়েছে এবং এখনো লং পজিশন ক্লোজ করার কোনো যুক্তিসংগত কারণ দেখা যাচ্ছে। ফিবোনাচি গ্রিড এক ঘণ্টার চার্টে 1.1574–1.1066 এবং ৪-ঘণ্টার চার্টে 1.1214–1.0179 থেকে আঁকা হয়েছে। https://ifxpr.com/4kAbx61









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২২ মে কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বুধবার ধীর-স্থিরভাবে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল। মূল্য 1.1267 এর লেভেল ব্রেক করেছে, যা এর আগে বহুবার ব্রেক করতে ব্যর্থ হয়েছিল, এবং একটি নতুন অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন গঠিত হয়েছে। ফলে এখন সবকিছুই ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের পর শুরু হওয়া ৪ মাসব্যাপী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরারম্ভের মতো মনে হচ্ছে। এবারও মার্কেটের ট্রেডারদের কাছে ডলার বিক্রির জন্য কোনো শক্তিশালী কারণ ছিল না, কারণ ট্রাম্প নতুন কোনো শুল্ক আরোপ করেননি কিংবা এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেননি যা মার্কিন অর্থনীতি বা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। বরং, হোয়াইট হাউস চলমান বাণিজ্য আলোচনা ও শুল্ক হ্রাসের মাধ্যমে গত এক মাসে বাণিজ্য সংঘাত প্রশমনের ইঙ্গিত দিয়েছে। তবুও, আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই সংবাদও মার্কিন ডলারের বিক্রি থামাতে পারেনি। মার্কেটের ট্রেডাররা কার্যত এখনো ডলার, ট্রাম্প এবং সামগ্রিক মার্কিন শুল্ক নীতির প্রতি নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি মাত্র ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়েছে। এশিয়ান সেশনে পেয়ারটির মূল্য 1.1275–1.1292 এরিয়া ব্রেক করে এবং সারাদিন স্থিরভাবে ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট প্রদর্শন করে। নিকটবর্তী টার্গেট লেভেলগুলো অনেক দূরে ছিল, এবং 1.1354–1.1363 এরিয়া নতুনভাবে গঠিত হয়েছে, যা আগের চার্টে ছিল না। তাই রাতেই ওপেন করা একমাত্র লং পজিশনটি সারাদিন যেকোনো সময়ে ক্লোজ করে মুনাফা করা যেত। বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং চ্যানেলের ওপরে কনসোলিডেট করেছে এবং কোনো মৌলিক কারণ ছাড়াই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে। মনে হচ্ছে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের দ্বায়িত্ব নেয়ার সময় শুরু হওয়া ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এবার মার্কেটের ট্রেডারদের নতুন কোনো শুল্ক, নিষেধাজ্ঞা বা ট্রাম্পের উচ্চ প্রভাবসম্পন্ন সিদ্ধান্তের দরকার পড়েনি। কেবলমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের উপস্থিতি—এই বাস্তবতাই বর্তমানে ডলার বিক্রির জন্য যথেষ্ট কারণ। বৃহস্পতিবার আবারও মূলত টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে কার্যত কোনো প্রভাব ফেলছে না, এবং মার্কেটের ট্রেডাররা আবারও ডলার বিক্রি করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে মনে হচ্ছে— নির্দিষ্ট কারণ থাকুক বা না থাকুক কোনো কিছুই বিবেচনা করা হচ্ছে না। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য পর্যবেক্ষণযোগ্য লেভেলগুলো হচ্ছে: 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1088, 1.1132–1.1140, 1.1198, 1.1275–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481, 1.1513, 1.1548, 1.1571, 1.1607–1.1622। বৃহস্পতিবার ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে এগুলোর প্রভাবে মার্কেটে সামগ্রিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা কম। ডলারের মূল্য সাময়িকভাবে কিছুটা বাড়তে পারে, কিন্তু বর্তমানে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই যে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতেই, এমনকি টেকনিক্যাল ভিত্তিতে ট্রেন্ডলাইনের নিচে কনসোলিডেশন না হলে, ডলারের উল্লেখযোগ্য মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা খুবই কম। Read more: https://ifxpr.com/43tfZfQ









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৩ মে কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য নিকটবর্তী সাপোর্ট লেভেল 1.1267 পর্যন্ত কারেকশন করেছে। ইউরোর দরপতনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। গতকাল আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখন সামগ্রিক মার্কেট সেন্টিমেন্টে খুব একটা প্রভাব বিস্তার করছে না। স্বল্পমেয়াদি প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে, তা ট্রেডারদের দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিবর্তন করছে না। ইউরোজোন এবং জার্মানির সার্ভিস ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল, যা ট্রেডারদের অস্বস্তিকর অবস্থানে ফেলে দিয়েছে। একদিকে ট্রেডাররা ইউরো বিক্রি করছিল এবং ডলার কিনতে চাইছিল না, অন্যদিকে তাদের কাছে তেমন কোনো বিকল্পও ছিল না। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে মার্কেটে এই পেয়ারের জন্য আরেকটি নেতিবাচক চমক আসে, যখন মার্কিন PMI প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ইতিবাচক আসে। এতে আবারও ডলার ক্রয়ের প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ছয়টি প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফলের প্রেক্ষিতে মার্কিন ডলারের দর প্রায় ৫০ পিপস বৃদ্ধি পায়। অথচ রাতেই কোনো প্রতিবেদন বা নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই ডলার আবার ৪০ পিপস দরপতনের শিকার হয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি মাত্র উল্লেখযোগ্য ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, যা শেষ পর্যন্ত ভুল সিগন্যাল হিসেবে প্রমাণিত হয়। দিনের পুরোটা সময় জুড়ে নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখা গেলেও শুরুতে কোনো কার্যকর সেল সিগনাল গঠিত হয়নি। এক পর্যায়ে পেয়ারটির মূল্য 1.1292 এর লেভেল টেস্ট করে এবং সেখান থেকে রিবাউন্ড করে। তবে মার্কিন সেশনে ট্রেডাররা আবারও মার্কিন প্রতিবেদনের ফলাফলের কারণে ডলার কিনতে বাধ্য হতে হয়। তবুও, এই পেয়ারের মূল্য 1.1267–1.1292 জোন শক্তিশালীভাবে ব্রেক করে নিচের দিকে যেতে ব্যর্থ হয়েছে, যা ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং চ্যানেল ব্রেক করে উপরের দিকে গিয়েছে এবং কোনো সুস্পষ্ট মৌলিক কারণ বা অনুঘটক ছাড়াই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। মনে হচ্ছে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার মুহূর্ত থেকে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, তা এখনো চলমান রয়েছে। এবার মার্কেটের ট্রেডারদের নতুন কোনো শুল্ক, নিষেধাজ্ঞা বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের দরকার হয়নি—বর্তমানে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার উপস্থিতিই ডলার বিক্রির কারণ হিসেবে যথেষ্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং আবারও মূলত টেকনিক্যাল বিষয়ের উপর নির্ভর করবে, কারণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কেটে প্রাসঙ্গিক নয়। ট্রেডারদের মধ্যে আবারও এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে যে কোনো কারণ থাকুক বা না থাকুক তারা ডলার বিক্রি করতে প্রস্তুত। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হচ্ছে: 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1088, 1.1132–1.1140, 1.1198, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481, 1.1513, 1.1548, 1.1571, 1.1607–1.1622 শুক্রবার ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। ফলে মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে অথবা নতুন করে ডলারের দরপতনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। 1.1267 লেভেল থেকে ইতোমধ্যে একটি রিবাউন্ড গঠিত হয়েছে, তাই আমরা প্রত্যাশা করছি যে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকবে। Read more: https://ifxpr.com/4jmZ7gF









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৬ মে গতকালের খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প ইউরোপীয় পণ্যের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপের তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন — যার ফলে ইউরোর চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং এশিয়ান সেশনে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তীব্র ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যায়। বিনিয়োগকারীরা এই পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাব্য সংকেত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, যা ইউরোপীয় অর্থনীতির ভবিষ্যৎ মূল্যায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে, মার্কেটে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার পরেও ট্রেডারদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ-র মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা জটিল ও অনিশ্চিত আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা এখনও বজায় রয়েছে, যা ইউরোপীয় মার্কেটের জন্য অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। সপ্তাহের শুরুতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশনা নির্ধারিত না থাকার কারণে বিনিয়োগকারীরা এখন বুন্দেসব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জোয়াখিম নাগেল এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তৃতার দিকে দৃষ্টি দিচ্ছে। তাদের বক্তব্য, বিশেষ করে যেগুলো মুদ্রানীতির পূর্বাভাস ও মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, সেগুলো ইউরোর বিনিময় হারের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। ইউরোজোনের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা সংক্রান্ত মন্তব্যগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হবে। সার্বিক পরিস্থিতির ইতিবাচক মূল্যায়ন বিনিয়োগকারীদের ইউরোর প্রতি আস্থা বাড়াতে পারে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা ইউরোর দরপতন ডেকে আনতে পারে। রাজনৈতিক বিষয়গুলোও উপেক্ষা করা উচিত নয়। ইইউ-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাজস্ব নীতিমালা অথবা ইউরোপীয় একীভূতকরণের সম্ভাবনা নিয়ে যেকোনো ধরনের মন্তব্য কারেন্সি মার্কেটে অতিরিক্ত অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1467-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1428-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1467-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। গতকালের সংবাদের প্রভাবে আজ ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1397-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1428 এবং 1.1467-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1397-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1356-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1428-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1397 এবং 1.1356-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। চার্টে কী আছে: হালকা সবুজ লাইন এন্ট্রি প্রাইস নির্দেশ করে যেখানে এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট ক্রয় করা যেতে পারে। গাঢ় সবুজ লাইনে টেক-প্রফিট (TP) অর্ডার সেট করা যেতে পারে বা এটি ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা নির্দেশ করে, কারণ এই লেভেলের উপরে আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। হালকা লাল লাইন এন্ট্রি প্রাইস নির্দেশ করে যেখানে এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট বিক্রয় করা যেতে পারে। গাঢ় লাল লাইনে টেক-প্রফিট (TP) অর্ডার সেট করা যেতে পারে বা এটি ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে, কারণ এই লেভেলের নিচে আরও দরপতনের সম্ভাবনা নেই। মার্কেটে এন্ট্রি নেওয়ার সময় ওভারবট এবং ওভারসোল্ড জোন মূল্যায়নের জন্য MACD সূচক ব্যবহার করা উচিত। নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: নতুন ফরেক্স ট্রেডারদের মার্কেটে এন্ট্রি নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। মূল্যের তীব্র ওঠানামা এড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে মার্কেটে এন্ট্রি না করাই উত্তম। যদি আপনি সংবাদ প্রকাশের সময় ট্রেডিং করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে লোকসানের সম্ভাবনা হ্রাসের জন্য অবশ্যই স্টপ-লস অর্ডার ব্যবহার করুন। স্টপ-লস অর্ডার ছাড়া ট্রেডিং করলে দ্রুত আপনার সম্পূর্ণ ডিপোজিট শেষ হয়ে যেতে পারে, বিশেষত যদি আপনি অর্থ ব্যবস্থাপনার নীতিমালা উপেক্ষা করেন এবং বেশি ভলিউমে ট্রেড করেন। মনে রাখবেন, সফল ট্রেডিংয়ের জন্য একটি সুসংগঠিত ট্রেডিং পরিকল্পনা থাকা আবশ্যক, ঠিক যেমনটি উপরে নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে সেটি দৈনিক ভিত্তিতে ট্রেড করা ট্রেডারদের জন্য লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3ZApeJP









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিংয়ের পরামর্শ ও বিশ্লেষণ, ২৭ মে EUR/USD পেয়ারের 5-মিনিটের চার্টের বিশ্লেষণ ১ জুন থেকে ইউরোপীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ৫০% পর্যন্ত বাড়ানো হবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর সোমবার দিনের শুরুতে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লায়েনের সঙ্গে আলোচনার পর ট্রাম্প শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পিছিয়ে ৯ জুলাই করার ঘোষণা দিলে, এই পেয়ারটি পরে আবারও দরপতনের মুখে পড়ে। ট্রাম্প ও ভন ডার লায়েনের ভাষ্যমতে, কার্যকর আলোচনা ও সমঝোতায় পৌঁছাতে পাঁচ সপ্তাহই যথেষ্ট সময়। আমাদের মতে, "সমঝোতা" মানেই যে ইতিবাচক কিছু হবে তা নয় — তবে এক মাস দেড় মাসের মধ্যে বোঝা যাবে, আদৌ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে কোনো বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করা সম্ভব কি না। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইইউ সহজে চাপের মধ্যে পড়তে চাচ্ছে না, তবে তুলনামূলকভাবে নমনীয় অবস্থান বজায় রেখেছে। ইউরোপ ট্রাম্পের সঙ্গে সংঘাতে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং তার শক্তিশালী অবস্থানের স্বীকৃতিও তারা দিয়েছে। তবে, ইউরোপ যেকোনো শর্ত মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। সুতরাং আলোচনায় মতৈক্যে পৌঁছানো কঠিন হবে বলেই ধরে নেওয়া যায়, কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সমস্যা হলো, এই আলোচনার প্রায় কোনো তথ্যই গণমাধ্যমে আসছে না, তাই পরবর্তী দেড় মাস মার্কেটের ট্রেডাররা শুধু অনুমানই করে যাবে আলোচনা কতটা অগ্রসর হচ্ছে। এই পরিস্থিতি ডলারের মূল্যের আরও অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ট্রেডাররা বারবার নতুন করে ডলারের শর্ট পজিশন ওপেন করছে, আবার ট্রাম্পের হঠাৎ মত পরিবর্তনের কারণে পরদিনই তা ক্লোজ করতে বাধ্য হচ্ছে — এসব করতে করতে তারা ক্লান্তি বোধ করছে। কেউ কেউ শর্ট পজিশন ক্লোজ করছে না — আবার সবাই সবসময় করছে না। এমনকি মৌলিক কোনো কারণ ছাড়াও মার্কিন ডলার এখনো প্রবল চাপের মুখে রয়েছে। সোমবারের ট্রেডিং সিগন্যালের বিষয়ে বলতে গেলে — তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু দেখা যায়নি। এই পেয়ারের মূল্য কোনো লেভেল বা লাইন টেস্ট করেনি। ইউরোপীয় সেশনে মূল্য 1.1426 লেভেলের খুব কাছাকাছি এসেছিল, তবে সেখানে পৌঁছায়নি। COT রিপোর্ট সর্বশেষ COT রিপোর্ট ২০ মে প্রকাশিত হয়েছিল। উপরের চার্টে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে যে, নন-কমার্শিয়াল ট্রেডারদের নেট পজিশনের সংখ্যা দীর্ঘ সময় ধরে ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ২০২৪ সালের শেষে কিছু সময়ের জন্য বিক্রেতারা মার্কেটে প্রাধান্য বিস্তার করেছিল, কিন্তু তারা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ডলারের মূল্য নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। আমরা ১০০% নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি না যে ডলারের দরপতন চলতেই থাকবে, তবে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার পক্ষে কোনো মৌলিক কারণ নেই; তবে ডলারের দরপতন হওয়ার জন্য একটি বড় কারণ রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা এখনো বিদ্যমান, যদিও এই মুহূর্তে "প্রবণতা" শব্দের প্রভাবই বা কী? ট্রাম্প যদি বাণিজ্য যুদ্ধের যবনিকা টানেন, তবে ডলার আবারও শক্তিশালী হতে পারে, কিন্তু আদৌ কি তিনি তা করবেন? লাল এবং নীল লাইনগুলো আবারও একে অপরকে অতিক্রম করেছে, যা মার্কেটে নতুন করে এই পেয়ারের মূল্যের বুলিশ প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সর্বশেষ সাপ্তাহিক রিপোর্ট অনুযায়ী, "নন-কমার্শিয়াল" ট্রেডারদের লং পজিশনের সংখ্যা 3,500 কমেছে, এবং শর্ট পজিশনের সংখ্যা 6,800 বেড়েছে। ফলস্বরূপ, নিট পজিশনের সংখ্যা 10,300 কমেছে। তবে, COT রিপোর্টগুলো এক সপ্তাহ পরে প্রকাশিত হয়। এখন আবারও মার্কেটের ট্রেডাররা সক্রিয়ভাবে এই পেয়ার ক্রয় করছে। EUR/USD পেয়ারের 1 ঘন্টার চার্টের বিশ্লেষণ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নতুন স্বল্পমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন ডলারের মূল্যের ভবিষ্যৎ মুভমেন্ট এখনো সম্পূর্ণভাবে বৈশ্বিক বাণিজ্যযুদ্ধ সংক্রান্ত পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। যদি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হয় এবং শুল্ক হ্রাস পায়, তাহলে ডলার পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো শান্তিপূর্ণ সমঝোতার আভাস নেই। ট্রাম্প এখনো অস্থির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন ও বিস্ময়কর মন্তব্য করে যাচ্ছেন, যা মার্কেটের ট্রেডারদেরকে হতবাক করে দিচ্ছে। ট্রেডাররা এখন সবচেয়ে নেতিবাচক ফলাফলের আশঙ্কা করছে এবং ট্রাম্পের ওপর আস্থা হারিয়েছে। যখন ট্রেন্ডলাইন ও ইচিমোকু ইন্ডিকেটরের ব্রেকআউটের ঘটে এই পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী হবে আমরা তখনই ধরে নিতে পারব যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শেষ হয়েছে। ২৭ মে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.0823, 1.0886, 1.0949, 1.1006, 1.1092, 1.1147, 1.1185, 1.1234, 1.1274, 1.1362, 1.1426, 1.1534, 1.1607। সেইসাথে সেনকৌ স্প্যান বি লাইন (1.1214) এবং কিজুন-সেন লাইন (1.1322) রয়েছে। দিনের বেলায় ইচিমোকু লাইনের অবস্থান পরিবর্তিত হতে পারে, তাই সিগন্যাল বিশ্লেষণের সময় তা অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে। যখন মূল্য আপনার অনুকূলে ১৫ পিপস অগ্রসর হয়, তখন ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করতে ভুলবেন না — কারণ এটি ভুল সিগন্যাল থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। মঙ্গলবার ইউরোজোনে কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট বা প্রতিবেদন নির্ধারিত নেই। যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, তবে এটির ফলাফল ডলারকে সহায়তা করতে পারবে এমন সম্ভাবনা নেই। সবোর্চ্চ মার্কিন গ্রিনব্যাকের দর ৪০–৫০ পিপস পর্যন্ত সাময়িকভাবে বাড়তে পারে, তবে ডলারের মূল্যের দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা এখনো ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। Read more: https://ifxpr.com/4jpczjX









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৮ মে কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল, যা সোমবার থেকেই শুরু হয়েছিল। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত মার্কিন ডলারের দর আরও বৃদ্ধি পেয়েছে; তবে এতে খুব একটা আনন্দিত হওয়ার কিছু নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ১ জুন থেকে শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়ায় ডলারের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে মনে করে দেখুন, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন ১১৫% শুল্ক হ্রাসে সম্মত হয়েছিল, তখনও ডলার অল্প সময়ের জন্য শক্তিশালী হয়েছিল — কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। গতকাল প্রকাশিত ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনও মার্কিন ডলারকে কিছুটা সমর্থন প্রদান করে, কারণ এটির ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় কম হতাশাজনক ছিল। ফলে টানা দুই দিন ধরে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এটিকে কোনোভাবেই বিগত চার মাসের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তি বলা যাবে না। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অটুট রয়েছে। ট্রেন্ডলাইন এবং 1.1267 লেভেল থেকে রিবাউন্ড হলে আবারও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে মঙ্গলবার এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট আদর্শ ছিল না। যদিও দিনের পুরো সময়জুড়ে সাধারণভাবে নিম্নমুখী প্রবণতা বিদ্যমান ছিল, তবে এটি এড়ানো যেত যদি ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত না হত। মার্কিন সেশনের শুরুতে মূল্য 1.1354–1.1363 জোন ব্রেক করে উপরের দিকে যায়, কিন্তু প্রতিবেদন প্রকাশের ঠিক পরপরই আবারও ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। ফলে দিনের প্রায় সব ট্রেডিং সিগন্যাল ভুল ছিল অথবা দেরিতে গঠিত হয়। সারাদিনজুড়ে মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট টেকনিক্যাল সিগন্যালকে ছাপিয়ে গেছে। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা এখনো বজায় রয়েছে। মনে হচ্ছে, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে শুরু হওয়া এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো অব্যাহত থাকবে। এই মুহূর্তে মার্কেটে ডলারের প্রতি অনাস্থা তৈরি হওয়ার জন্য শুধুমাত্র এই একটি তথ্যই যথেষ্ট যে ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প যখন হুমকি দেন, চূড়ান্ত শর্ত আরোপ করেন বা শুল্ক আরোপ ও বৃদ্ধি করেন, তখন মার্কেটের ট্রেডারদের হাতে ডলার বিক্রি করা ছাড়া খুব কমই বিকল্প থাকে। বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে ট্রেন্ডলাইন ও 1.1267 লেভেল ব্রেক করে মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার জন্য শক্তিশালী কোনো ভিত্তির প্রয়োজন হবে। আমরা অনুমান করছি, এই লেভেল এবং ট্রেন্ডলাইনের কাছাকাছি কোথাও একটি ঊর্ধ্বমুখী রিবাউন্ড দেখা দিতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিচের লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1088, 1.1132–1.1140, 1.1198, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481, 1.1513, 1.1548, 1.1571, 1.1607–1.1622। ইউরোজোনে আজ কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশনা বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। যুক্তরাষ্ট্রে সন্ধ্যায় FOMC-এর বৈঠকের মিনিটস বা কার্যবিবরণী প্রকাশিত হবে, তবে এটিকে গুরুত্বের দিক থেকে গৌণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে মার্কেটের ট্রেডাররা ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতিকে উপেক্ষা করছে, তাই এই মিনিটস বা কার্যবিবরণীর উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব প্রত্যাশিত নয়। Read more: https://ifxpr.com/4dFbljx









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৯ মে ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবারের মতো 1.1302 এর লেভেল টেস্ট করে — যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। দ্বিতীয়বার 1.1302 লেভেল টেস্ট করার সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল, যার ফলে এই পেয়ার ক্রয়ের জন্য পরিকল্পনা #2 কার্যকর করার সুযোগ পাওয়া যায় এবং এই পেয়ারের মূল্য ২০ পিপস বৃদ্ধি পায়। মার্কিন ফেডারেল ট্রেড কোর্ট ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে এবং মার্কিন প্রশাসনকে এসব শুল্ক আর প্রয়োগ না করার নির্দেশ দিলে ইউরোর মূল্য দ্রুত হ্রাস পায় এবং ডলার শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বিনিয়োগকারীরা এই সিদ্ধান্তকে বাণিজ্যিক উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষণ এবং আরও পূর্বানুমেয় অর্থনৈতিক কৌশলে ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছে। এই আদালতের রায় দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর এসেছে। আশা করা হচ্ছে, শুল্ক প্রত্যাহারের পদক্ষেপ আমদানিকৃত পণ্যের খরচ কমাবে এবং রপ্তানির সুযোগ বাড়াবে। তবে, শুল্ক প্রত্যাহার মার্কিন শিল্প খাতের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত যেসব খাত আগে বিদেশি প্রতিযোগিতা থেকে সুরক্ষিত ছিল। একই সময়ে, ডলার শক্তিশালী হলে তা মার্কিন রপ্তানি পণ্যকে বিদেশি ভোক্তাদের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যের দিক থেকে প্রতিযোগিতার মুখে গেলতে পারে — যা রপ্তানি খাতের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। আজ সকালের ইউরোজোনে উল্লেখযোগ্য কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের সম্ভাবনা না থাকায় EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কিছুটা রিবাউন্ডের সুযোগ রয়েছে। এই সময়কালে গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় ট্রেডাররা কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় মার্কেটের ট্রেডাররা হয়তো আবার শুল্ক পরিস্থিতির দিকেই মনোযোগ দেবে। এই বিষয়ে ট্রাম্পের যেকোনো মন্তব্য অস্থিরতার মাত্রা বাড়াতে পারে এবং ইউরোর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1335-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1269-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1335-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1230-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1269 এবং 1.1335-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1230-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1167-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর ব্যাপক চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1269-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1230 এবং 1.1167-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4jIn42l









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৩০ মে কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে EUR/USD কারেন্সি পেয়ার তীব্র দরপতনের শিকার হয়, তবে দিনের বাকি সময়টিতে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে ট্রেড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্যের যে মুভমেন্ট দেখা গেছে তা ব্যাখ্যা করা কিছুটা কঠিন, তবে আমরা সেটা করার চেষ্টা করব। রাতের বেলায় (যখন হঠাৎ করে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পায়), জানা যায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত অধিকাংশ শুল্ক বাতিল করার রায় দিয়েছে। ম্যানহাটনের আদালত রায় দেয় যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো অধিকার বা ক্ষমতা নেই — কেবলমাত্র কংগ্রেসই বৈশ্বিক বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করতে পারে। এই খবর ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট সৃষ্টি করে। তবে পরে হঠাৎ কেন আবার ডলারের দরপতন শুরু হল? কারণ ট্রাম্প সঙ্গে সঙ্গে আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করা শুরু করেন, আপিল করার ঘোষণা দেন এবং মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন। সন্ধ্যার দিকে ম্যানহাটনের আদালত তার রায় ১৪ দিনের জন্য স্থগিত করে। এইভাবে, ট্রাম্প পুরো বিষয়টি খুব সহজে সামাল দিয়ে ফেলেন। বাণিজ্যযুদ্ধ চলমান রয়েছে, শুল্ক বহাল রয়েছে, এবং ডলার আবারও দরপতনের শিকার হচ্ছে EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি অত্যন্ত কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনের পুরো সময় জুড়ে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1267–1.1292 এর এরিয়া ব্রেক করার চেষ্টা করছিল, এবং মার্কিন সেশনের শুরুতে অবশেষে তা করতে সফল হয়। এরপরে একটি শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়, যা মূল্য 1.1354–1.1363 এর উপরে পৌঁছানোর পর থামে। এই লেভেলের কাছে লং পজিশন ক্লোজ করা যেত। এই ট্রেড থেকে কমপক্ষে ৬০–৭০ পিপস লাভ করা সম্ভব হয়েছিল। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের ব্রেক করে নিম্নমুখী প্রবণতা, তবে ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছিল, সেটি এখনো অব্যাহত থাকতে পারে। মূলত, এই মুহূর্তে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট — এই কারণটিই ট্রেডারদের ডলার থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেয়ার জন্য যথেষ্ট। যদি ট্রাম্প আবার হুমকি প্রদান, আলটিমেটাম জারি করা, এবং নতুন করে শুল্ক আরোপ/বৃদ্ধি করা শুরু করেন, তবে ট্রেডারদের হাতে খুব একটা বিকল্প থাকবে না। এখনো ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বাতিল হয়নি, তাই বাণিজ্যযুদ্ধ সংক্রান্ত পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বৃহস্পতিবার আবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন শুরু হতে পারে, যেহেতু ট্রেন্ডলাইনটির ব্রেক হয়ে গেছে। একই সাথে, ডলারের শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির জন্য এখনো কোনো উল্লেখযোগ্য কারণ দেখা যাচ্ছে না। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য যেসব লেভেল পর্যবেক্ষণ করা উচিত: 1.0940–1.0952, 1.1011, 1.1088, 1.1132–1.1140, 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481,1.1513, 1.1548, 1.1571, 1.1607–1.1622। শুক্রবার জার্মানি থেকে মে মাসের খুচরা বিক্রয় এবং মুদ্রাস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রতিবেদনগুলো গৌণ গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা যায়। একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্র থেকেও কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে যেমন: পারসোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার (PCE) প্রাইস ইনডেক্স, ব্যক্তিগত আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচক, যেগুলোও গুরুত্বের দিক থেকে দ্বিতীয় সারির হিসেবে বিবেচনা করা যায়। Read more: https://ifxpr.com/4mDXZba









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২ জুন ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1347-এর লেভেল টেস্ট করে, যা ইউরো কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে, মূল্য ১০ পিপস ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পরেই এই পেয়ারের ওপর আবারও চাপ ফিরে আসে। শুক্রবার বিকেলে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা আবারও স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। বিনিয়োগকারীরা বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ আবারও নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন, যা সাধারণত নিরাপদ সম্পদ বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়ায় এবং ডলারের জন্য নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করে। বাণিজ্য আলোচনার ব্যর্থতা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে দেয়। অনেক বিশ্লেষক ইতোমধ্যেই মন্তব্য করছেন যে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির হার হ্রাস এবং বাণিজ্য সংঘাতের আরও তীব্রতা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে, বিশেষ করে সেইসব দেশের জন্য যারা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর অধিক নির্ভরশীল। আজ ইউরোপীয় কারেন্সি ইউরোর মূল্যের মুভমেন্ট অনেকটাই নির্ভর করবে ইউরোজোনের ম্যানুফ্যাকচারিং PMI প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর। যদি প্রতিবেদনটির ফলাফল প্রত্যাশামাফিক না হয়, তাহলে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হতে পারে। ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতির হার কমে যাওয়ায়, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্ভবত সুদের হার আরও কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এবং আজকের উৎপাদন খাতের দুর্বল ফলাফল সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করবে, যা এই বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1468-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1408-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1468-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1352-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1408 এবং 1.1468-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1352-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1273-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1408-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1352 এবং 1.1273-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। চার্টে কী আছে: হালকা সবুজ লাইন এন্ট্রি প্রাইস নির্দেশ করে যেখানে এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট ক্রয় করা যেতে পারে। গাঢ় সবুজ লাইনে টেক-প্রফিট (TP) অর্ডার সেট করা যেতে পারে বা এটি ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা নির্দেশ করে, কারণ এই লেভেলের উপরে আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। হালকা লাল লাইন এন্ট্রি প্রাইস নির্দেশ করে যেখানে এই ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট বিক্রয় করা যেতে পারে। গাঢ় লাল লাইনে টেক-প্রফিট (TP) অর্ডার সেট করা যেতে পারে বা এটি ম্যানুয়ালি মুনাফা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে, কারণ এই লেভেলের নিচে আরও দরপতনের সম্ভাবনা নেই। মার্কেটে এন্ট্রি নেওয়ার সময় ওভারবট এবং ওভারসোল্ড জোন মূল্যায়নের জন্য MACD সূচক ব্যবহার করা উচিত। নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: নতুন ফরেক্স ট্রেডারদের মার্কেটে এন্ট্রি নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। মূল্যের তীব্র ওঠানামা এড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে মার্কেটে এন্ট্রি না করাই উত্তম। যদি আপনি সংবাদ প্রকাশের সময় ট্রেডিং করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে লোকসানের সম্ভাবনা হ্রাসের জন্য অবশ্যই স্টপ-লস অর্ডার ব্যবহার করুন। স্টপ-লস অর্ডার ছাড়া ট্রেডিং করলে দ্রুত আপনার সম্পূর্ণ ডিপোজিট শেষ হয়ে যেতে পারে, বিশেষত যদি আপনি অর্থ ব্যবস্থাপনার নীতিমালা উপেক্ষা করেন এবং বেশি ভলিউমে ট্রেড করেন। মনে রাখবেন, সফল ট্রেডিংয়ের জন্য একটি সুসংগঠিত ট্রেডিং পরিকল্পনা থাকা আবশ্যক, ঠিক যেমনটি উপরে নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে সেটি দৈনিক ভিত্তিতে ট্রেড করা ট্রেডারদের জন্য লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/43ItPev









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৩ জুন ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1438 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। তবে, মূল্য ১০ পিপস ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পরেই এই পেয়ারের ওপর আবারও চাপ ফিরে আসে। মার্কিন উৎপাদন খাতের ISM সূচকের হতাশাজনক ফলাফল ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা এবং ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি পুনর্মূল্যায়নের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ট্রেডাররা এখন প্রত্যাশা করছে যে ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা আরও বেড়েছে, যা ডলারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে—বিশেষ করে যইখন এই মুদ্রাটি ঐতিহ্যগতভাবে সুদের হারের পূর্বাভাস পরিবর্তনের প্রতি সংবেদনশীল। তবুও, এটাও বিবেচনায় রাখা উচিত যে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি স্বল্পস্থায়ী হতে পারে এবং এটি শুধুমাত্র নতুন মাসের শুরুতে সাধারণ টেকনিক্যাল ইম্পাল্সিভ মুভমেন্ট হতে পারে। ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের কারণে ইউরোজোনের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং পূর্বাভাস এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোনের মে মাসের CPI (মূল মুদ্রাস্ফীতির সূচক) এবং বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই অর্থনৈতিক সূচকগুলো ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং ইউরোপীয় অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবিষ্যতে কী ধরনের মুদ্রানীতি অনুসরণ করতে পারে সে সম্পর্কে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করবে—বিশেষ করে এই পটভূমিতে যে ইসিবি হয়তো এই বৃহস্পতিবার সুদের হার হ্রাসের চক্রের সমাপ্তি টানতে পারে। যদি CPI বা ভোক্তা মূল্য সূচক প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আসে, তাহলে ইসিবির উপর আরও কঠোর অবস্থান নেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা ইউরোর জন্য সহায়ক হবে। বিপরীতে, CPI বা ভোক্তা মূল্য সূচক প্রত্যাশার চেয়ে কম এলে সুদের হার কিছু সময়ের জন্য অপরিবর্তিত রাখার যুক্তি দুর্বল হবে এবং ইউরোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বেকারত্বের হারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বেকারত্বের হার কমে গেলে তা শ্রমবাজারে উন্নতির ইঙ্গিত দেয় এবং বাহ্যিক অস্থিতিশীলতার প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ইউরোজোনের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নির্দেশ করে। বিপরীতে, বেকারত্ব বাড়লে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়ার শঙ্কা সৃষ্টি করতে পারে এবং ইউরো দুর্বল হতে পারে। সুতরাং, আজ ইউরোজোন থেকে প্রকাশিতব্য মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন ইউরোর ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্রতিবেদনগুলোর দিকে বিনিয়োগকারীরা নিবিড়ভাবে নজর রাখবে যাতে তারা ইউরোপীয় অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং ইসিবির সম্ভাব্য পদক্ষেপ সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে পারে। পূর্বাভাসের তুলনায় প্রকৃত ফলাফল যেকোনো অপ্রত্যাশিত বিচ্যুতি কারেন্সি মার্কেটে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দিব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1464-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1429-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1464-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1410-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1429 এবং 1.1464-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1410-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1380-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। মুদ্রাস্ফীতি তীব্রভাবে হ্রাস পেলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1429-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1410 এবং 1.1380-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/45EXKXo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৪ জুন ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উল্লেখযোগ্য নিচে নেমে গিয়েছিল, তখন EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1395 এর লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। ইউরোপীয় অর্থনীতি বর্তমানে একটি জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যার পেছনে রয়েছে মার্কিন ডলারের মূল্যের শক্তিশালী মুভমেন্ট। ডলার শক্তিশালী হওয়ার প্রধান দুটি কারণ হলো ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতির হার হ্রাস এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সুরক্ষাবাদী নীতি। যদিও মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেলে সেটি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক, তবে স্বল্পমেয়াদে এটি ইউরোর দুর্বলতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্প স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০% করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় এটি বিশেষভাবে কারেন্সি মার্কেটে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় উৎপাদনকারীদের সুরক্ষার জন্য নেওয়া এই ধরনের পদক্ষেপ ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য বাণিজ্য অংশীদারদের পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণে উৎসাহিত করতে পারে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে কারেন্সি মার্কেটে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, আগামীকালের বৈঠকে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা অপরিহার্য, যাতে ইউরোজোনের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা যায় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় থাকে। সুরক্ষাবাদী নীতির নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় আর্থিক এবং রাজস্ব নীতির সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন, যাতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইউরোপীয় অর্থনীতির প্রতি আস্থার পুনঃস্থাপন সম্ভব হয়। আজ ইউরোজোনে সার্ভিসেস PMI এবং কম্পোজিট PMI প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যেগুলোর ইউরোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিনিয়োগকারীরা এই সূচকগুলোর দিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখছে, কারণ এগুলো ইউরোজোনের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্ট প্রদান করে এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতিপথ সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে সহায়তা করে। যদি PMI প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে হতাশাজনক হয়, তাহলে সেটি ইউরোজোনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাসের আশঙ্কা আরও জোরালো করবে এবং ইউরো বিক্রির প্রবণতা আরও বেড়ে যেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দিব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1418-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1382-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1418-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরো ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1355-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1382 এবং 1.1418-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1355-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1317-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। PMI সূচকের তীব্র পতন পরিলক্ষিত হলে ইউরো বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1382-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1355 এবং 1.1317-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3HnpBRO









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৬ জুন ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের অনেক নিচে অবস্থান করছিল, তখন EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1511 -এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। আমি মার্কেটে এন্ট্রির জন্য আর কোনো যথার্থ এন্ট্রি পয়েন্ট পাইনি। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে প্রকাশিত কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্সের ইতিবাচক ফলাফল পরিলক্ষিত হলেও, মার্কিন ডলার ইউরোর বিপরীতে শক্তিশালী হতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই, মার্কেটের ট্রেডাররা অন্যান্য আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক অগ্রগতির দিকেই মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেছে। একই সময়ে, চলমান পরিস্থিতির মাঝেও ইউরোর মূল্য স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করছে। ইউরোর ক্ষেত্রে সমর্থন এসেছে এই প্রত্যাশা থেকে যে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) আর্থিক নীতিমালা নিয়ে সতর্ক ও পর্যবেক্ষণমূলক অবস্থান গ্রহণ করবে। আজ দিনের প্রথমার্ধে মূলত ইতালির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের নজর দিতে হবে। মধ্যাহ্নের দিকে জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান জোয়াকিম নাগেলের একটি বক্তব্য নির্ধারিত আছে। ইতালির কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বা ভোক্তা মূল্য সূচক অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি ইউরোজোনের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে সীমিত প্রভাব ফেলবে বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, বুন্ডেসব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জোয়াকিম নাগেলের বক্তব্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জার্মানি এবং ইউরোজোনের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি, সুদের হার সংক্রান্ত নীতিমালা ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তার মন্তব্যগুলো ট্রেডারদের মনোভাব এবং ইউরোর মূল্যের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিবেচনায়, এখন এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বক্তব্যের গুরুত্বও গৌণ হয়ে যেতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1634-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1570-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1634-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। যদিও, আজ ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া কঠিন হবে বলে মনে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1532-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1570 এবং 1.1634-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1532-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1469-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ার বিক্রির প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1570-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1532 এবং 1.1469-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3FYfN0k









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৭ জুন ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1588 এর লেভেল টেস্ট করে, যা ইউরো ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 30 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল ইউরো ইতালির মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল থেকে কিছুটা সহায়তা পেয়েছিল, কিন্তু ক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়—যা মূলত ইরান–ইসরায়েল সামরিক সংঘাতের কারণে হয়েছে—যার ফলে এই পেয়ারের ওপর দ্রুত চাপ ফিরে আসে। আজ, যদি জার্মানি এবং ইউরোজোন থেকে (ZEW ইনস্টিটিউটের) প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল ইতিবাচক হয়, তবে ইউরো সহায়তা পেতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা বর্তমান পরিস্থিতি সূচক এবং ব্যবসায়িক মনোভাব সূচকের দিকেই বিশেষভাবে নজর দেবে, যাতে অঞ্চলটির ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা যায়। ইতিবাচক ফলাফল অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং ইউরোর প্রতি আস্থা জোরদার করতে পারে। তবে, যদি ZEW থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী না আসে, তাহলে ইউরো চাপের মধ্যে পড়তে পারে। ব্যবসায়িক পরিস্থিতির হতাশাবাদী মনোভাব অর্থনৈতিক মন্দার উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে এবং ইউরোপীয় মুদ্রায় বিনিয়োগের আগ্রহ কমাতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারের মতো নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকতে পারে। বুন্ডেসব্যাংকের মাসিক প্রতিবেদনটিও গুরুত্ব বহন করবে। বিশেষজ্ঞরা জার্মানির অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা এবং সম্ভাব্য মুদ্রানীতিগত পরিবর্তন বিশ্লেষণ করবেন। যদি কোনো কঠোর নীতির ইঙ্গিত বা মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ পায়, তাহলে তা ইউরোর মূল্যে প্রভাব ফেলতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1634-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1573-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1634-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1551-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1573 এবং 1.1634-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1551-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1491-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1573-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1551 এবং 1.1491-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3HGxbXR









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৯ জুন কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বুধবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। তবে, ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের ফলাফল প্রকাশের পর মার্কিন ডলারের দর পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। বর্তমানে, ডলার সামান্য শক্তিশালী হয়েছে, এবং ফেডের বৈঠকের ফলাফলকে "নীরস" ছাড়া অন্য কিছু বলা যায় না। আর্থিক নীতিমালার ক্ষেত্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, জেরোম পাওয়েল আবারও "অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের" অবস্থানের কথা বলেছেন, এবং ডট প্লটে আগামী দুই বছরের জন্য প্রত্যাশিত সুদের হারে খুব সামান্য পরিবর্তন দেখানো হয়েছে। ফলে, টানা দ্বিতীয় দিন ধরে বেশ অস্পষ্ট কারণে ডলারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রত্যেক বৈঠকে সুদের হার কমিয়েছে তবুও ডলারের দর বাড়েনি। এমনকি ফেড 2025 সালের প্রতিটি বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখলেও ডলারের দর বৃদ্ধি পায়নি। তাই আমরা এখনও মনে করি না যে মার্কিন মুদ্রার অত্যন্ত হতাশাজনক সময়কাল শেষ হয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার অত্যন্ত এলোমেলো মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। শুরুতেই, ফেডের বৈঠকের ফলাফল ঘোষণার আগে, এই পেয়ারের মূল্য সম্পূর্ণরূপে ফ্ল্যাট রেঞ্জে আটকে ছিল। ফলে, যেসব সিগন্যাল তৈরি হয়েছিল, তার বেশিরভাগই ভুল ছিল। 1.1513 লেভেলের আশেপাশে গঠিত প্রথম দুটি সিগন্যাল ভুল ছিল, তাই পরবর্তী সব সিগন্যাল উপেক্ষা করা উচিত ছিল। দিনের শেষে এই লেভেল সংশোধন করে 1.1527 করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যা ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বায়িত্ব নেয়ার পর শুরু হয়েছিল এবং সম্ভবত পরবর্তী প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব গ্রহণের আগ পর্যন্ত এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। আপাতত, কেবলমাত্র ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই বাস্তবতাই ডলারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার বজায় রাখার জন্য যথেষ্ট। এমনকি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাতও ডলারের সার্বিক পরিস্থিতি তেমন প্রভাব ফেলেনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট অব্যাহতভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন, চূড়ান্ত শর্ত আরোপ করছেন, শুল্ক আরোপ করছেন বা বাড়াচ্ছেন এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে, মার্কেটের ট্রেডাররা প্রতিদিন ডলার বিক্রি না করলেও, তারা মধ্যমেয়াদে ডলার কেনার ব্যাপারেও খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার, হয়তো EUR/USD পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে, যদিও ফেডের গতকালের বৈঠকের ফলাফল এখনো পুরোপুরিভাবে এই পেয়ারের মূল্য নির্ধারণে প্রতিফলিত হয়নি। একটি ট্রেন্ডলাইন গঠিত হয়েছে, তবে আমরা এই সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দিচ্ছি না যে ডলার ইতোমধ্যে পূর্বের নিম্ন লেভেলে—তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেলের কাছাকাছি—ফিরে যেতে পারে, এমনকি আজই এটি ঘটতে পারে। বৃহস্পতিবার ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য প্রাসঙ্গিক লেভেলগুলো হলো: 1.1132–1.1140, 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413–1.1424, 1.1474–1.1481, 1.1527, 1.1561–1.1571, 1.1609, 1.1666, 1.1704, 1.1802। বৃহস্পতিবারের ক্যালেন্ডারে একমাত্র উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট হলো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের দুটি বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। আমরা মনে করি, এই ইভেন্টগুলো মার্কেটে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না, এবং ট্রেডাররা সম্ভবত ফেড ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের বৈঠকের ফলাফলের প্রতিক্রিয়ার দিকেই মনোযোগ ধরে রাখবে। Read more: https://ifxpr.com/4ld0yPV









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২০ জুন ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠা শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1484 এর লেভেল টেস্ট করে, যা ইউরো কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে, এরপর পেয়ারটির মূল্য বৃদ্ধি পায়নি, যার ফলে এই ট্রেড থেকে লোকসান হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় এবং একাধিক এক্সচেঞ্জে ছুটি থাকার কারণে ইউরো মার্কিন ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়েছিল। তবে, এটিকে দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতার পরিবর্তন হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। এটি সম্ভবত বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কারণে একটি স্বল্পমেয়াদি উন্নতি। মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে দ্রুত ডলারের চাহিদা ফিরে আসতে পারে, তাই ইউরোর মূল্যের স্থায়ী বুলিশ প্রবণতার আশা করা সময় এখনও আসেনি। আজ ট্রেডাররা জার্মানির প্রোডিউসার প্রাইস ইনডেক্স বা উৎপাদক মূল্য সূচক (PPI), ইউরোজোনের বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবণতা, এবং অঞ্চলটির ভোক্তা আস্থা সংক্রান্ত প্রতিবেদনের উপর মনোযোগ দেবে। অন্য কিছু কম গুরুত্বপূর্ণ হলেও উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদনের মধ্যে রয়েছে M3 মানি সাপ্লাইয়ের পরিবর্তন এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থনৈতিক বুলেটিন। ভোক্তা আস্থা সূচকের উপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে—সূচকটির পতন ঘটলে সেটি পারিবারিক অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগকে প্রতিফলিত করতে পারে, যা ভোক্তাদের মধ্যে ব্যয় করার প্রবণতা কমিয়ে দিতে পারে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে মন্থর করতে পারে। বেসরকারি ঋণের প্রবণতাও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে ব্যবসায়িক আস্থা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ইঙ্গিত করতে পারে, যা একটি ইতিবাচক অর্থনৈতিক সংকেত। তবে, অতিরিক্ত দ্রুত ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে সেটি অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে এবং অ্যাসেট বাবলের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। জার্মানির উৎপাদন মূল্য সূচক বা PPI মূল্যস্ফীতি নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা ব্যবসায়িক খরচের চাপ এবং সেই খরচ গ্রাহকের উপর চাপিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য সম্পর্কে ধারণা দেবে। এই সূচকটি ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি ভোক্তা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার সংকেত দিতে পারে। সবশেষে, ইসিবির অর্থনৈতিক বুলেটিন ইউরোজোনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা দেবে এবং সম্ভবত ভবিষ্যতের মুদ্রানীতি সম্পর্কেও ইঙ্গিত দেবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1571-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1533-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1571-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1514-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1533 এবং 1.1571-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1514-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1486-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1533-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1514 এবং 1.1486-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4667dHn









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৩ জুন ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে যাওয়া শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1510 এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে, এই পেয়ারের উল্লেখযোগ্য কোনো দরপতন দেখা যায়নি। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা মূলত মার্কেটে তেমন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেনি, এবং ডলারের বিপরীতে ইউরোর প্রাথমিক দরপতন দ্রুতই পুনরুদ্ধার হয়। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়েও মার্কেটে এখন অপ্রত্যাশিতভাবে স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে, কারণ এমন ঘটনাগুলো হয়তো আংশিকভাবে আগে থেকেই এই পেয়ারের মূল্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে। বিনিয়োগকারীরা এই হামলাকে সীমিত পরিসরের মনে করতে পারেন এবং এটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে বড় ধরনের ক্ষতির দিকে ঠেলে দেবে—এমন আশঙ্কা করেননি। আজ ইউরোজোনের ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন সংক্রান্ত PMI প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে এই পেয়ারের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে, যা দিনের প্রথমার্ধে প্রকাশিত হবে। এই সূচকগুলোর প্রতি ট্রেডাররা অত্যন্ত সংবেদনশীল, কারণ এগুলো অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রাথমিক সংকেত হিসেবে ধরা হয়। ম্যানুফ্যাকচারিং PMI-এর পতন মানে হতে পারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়া, নতুন অর্ডার কমে যাওয়া এবং ইউরোপীয় উৎপাদকদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার অবনতি। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকতে পারে, ফলে একটি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। তবে, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের বিষয়েও নজর দেওয়া জরুরি। ইউরোজোনের সার্ভিসেস বা পরিষেবা সংক্রান্ত PMI-ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যদি পরিষেবা খাতে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি দেখা যায়, তবে তা উৎপাদন খাতে মন্থরতার নেতিবাচক প্রভাবকে ছাপিয়ে ইউরোকে সমর্থন দিতে পারে। এছাড়া, ইউরোজোন কম্পোজিট PMI-এর প্রতিও ঘনিষ্ঠ নজর রাখা হবে, যা ম্যানুফ্যাকচারিং এবং সার্ভিসেস সূচকের গড়। এই সূচকের ফলাফল ইউরোজোন অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে বিস্তৃতভাবে মূল্যায়ন প্রদান করে। যদি এটি ৫০ পয়েন্টের ওপরে থাকে, তাহলে তা মাঝারি গতির হলেও ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেবে, যা ইউরোর দরপতনের সম্ভাবনাকে সীমিত করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করবো। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1571-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1521-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1571-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1499-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1521 এবং 1.1571-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1499-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1458-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1521-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1499 এবং 1.1458-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3Ganq3M









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৪ জুন ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1483-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1537-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পায়। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এর জন্য জার্মান ব্যবসায়িক আস্থা সূচকের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশের প্রয়োজন হবে। জার্মানির শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য আরও একবার অতিরিক্ত ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম পাবে। বিনিয়োগকারীরা এটিকে ইউরোজোনের ইঞ্জিন হিসেবে পরিচিত জার্মানির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সংকেত হিসেবে দেখবে। এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সমর্থনের সক্ষমতার ওপর আস্থা বাড়াতে পারে। তবে, যদি প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে কম হয় বা ক্রিস্টিন লাগার্দে অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, তাহলে ইউরোর ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণেও এই পেয়ারের মূল্যের আরও একটি শক্তিশালী বুলিশ মুভমেন্ট তৈরি হতে পারে, যেখানে সামরিক সংঘাতের তীব্রতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়া হলে তা মার্কেটের জন্য ইতিবাচক খবর হবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1684-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1627-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1684-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1597-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1627 এবং 1.1684-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1597-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1554-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1627-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1597 এবং 1.1554-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4kUwpoS









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৫ জুন ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1621-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো ক্রয় করার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 12 পিপস বেড়েছিল, তারপরই ইউরোর চাহিদা কমে যায়। এই পেয়ারের মূল্য মাসিক উচ্চতার কাছাকাছি থাকা অবস্থায় খুব কম সংখ্যক ক্রেতাই এটির ক্রয়ের ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখিয়েছিল। যদিও ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল গতকাল সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন আরও প্রতিবেদন প্রয়োজন—যাতে বোঝা যায়, শুল্ক বৃদ্ধির ফলে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত হবে কি না। পাওয়েল উল্লেখ করেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকার মুদ্রানীতি দ্রুত নমনীয় করা হবে। এই অস্পষ্ট অথচ আশাব্যঞ্জক অবস্থান ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটে আশাবাদের ঢেউ সৃষ্টি করে। বিনিয়োগকারীরা ফেডের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতকে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটসহ ইউরো ক্রয়ের জন্য সবুজ সংকেত হিসেবে দেখেছে। আজ গুরুত্বপূর্ণ কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় EUR/USD-এর মূল্যের স্থিতিশীলতা এবং ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এই পেয়ারের দর বৃদ্ধিতে সম্ভাব্য বিরতি পরবর্তী দর বৃদ্ধির জন্য সূচনালগ্ন হিসেবেও কাজ করতে পারে, কারণ বর্তমান টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটরগুলোর বিশ্লেষণে ইতিবাচক প্রবণতাই প্রতিফলিত হচ্ছে। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলোর কথাও মনে রাখতে হবে। অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক বিবৃতি বা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এই পেয়ারের মূল্যের বর্তমান গতিপথ বদলে দিতে পারে। তাই মৌলিক প্রেক্ষাপটের দিকে সজাগ দৃষ্টি এবং মার্কেট সেন্টিমেন্টে পরিবর্তনের প্রতি দ্রুত প্রতিক্রিয়াই সফলতার চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপরই মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1684-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1634-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1684-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1602-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1634 এবং 1.1684-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1602-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1531-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1634-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1602 এবং 1.1531-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/45zLrvz









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৬ জুন ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1622-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। এই কারণে, আমি ইউরো কিনিনি এবং এই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টটি কাজে লাগাতে পারিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের প্রতি আরও বেশি অসন্তুোষ প্রকাশ করেছেন, যার ফলে ইউরোর বিপরীতে মার্কিন ডলার দুর্বল হয়েছে। ফেডের প্রধানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প পুনরায় সমালোচনা করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাতন্ত্র্যতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের মৌখিক অভিযোগ এমন একটি নজির স্থাপন করেছে যা মুদ্রানীতির প্রতিষ্ঠিত নীতিমালাকে দুর্বল করছে এবং এর দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে। তবে উল্লেখযোগ্য যে, প্রথম মেয়াদেও ট্রাম্প পাওয়েলের কর্মদক্ষতা নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন এবং প্রায়শই ফেডের সমালোচনা করতেন। মার্কিন রিয়েল এস্টেট খাত—যা ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত—গতকাল মন্দার লক্ষণ দেখিয়েছে। নতুন আবাসন নির্মাণ শুরু ও আবাসন বিক্রির হ্রাস ভোক্তা কার্যক্রমের হ্রাস এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতির অবনতি নির্দেশ করে। বাণিজ্য যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সাথে মিলে এই আবাসন খাতের দুর্বল ফলাফল অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে, যার ফলে বিশ্লেষকরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সংশোধন করে নিম্নমুখী করছেন। আজকের দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্য আরো ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে, কারণ একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে জার্মানিতে জুন মাসের GfK কনজিউমার ক্লাইমেট ইনডেক্স প্রকাশিত হবে। এই সূচকটি জার্মানির ভোক্তাদের মনোভাব প্রতিফলিত করে, যা ইউরোজোনের বৃহত্তম অর্থনীতির সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সংকেত প্রদান করতে পারে। যদি সূচকটির মান পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে এটি ইউরোপীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতার প্রতি আস্থা জোরদার করতে পারে এবং এর ফলে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সমর্থন পেতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে দৃষ্টি দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1741-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1690-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1741-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1665-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1690 এবং 1.1741-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1665-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1623-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ার বিক্রয়ের প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1690-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1665 এবং 1.1623-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/46dB4ha









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৭ জুন কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মূলত সাইডওয়েজ মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, যদিও সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অটুট রয়েছে। এই সপ্তাহে, অত্যন্ত অপ্রচলিত পদ্ধতিতে ইউরোর ট্রেড করা হয়েছে, যেখানে ট্রেডাররা একটি অস্বাভাবিক মৌলিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, সপ্তাহের প্রথমার্ধে মার্কেটে "মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করো এবং নোবেল পুরস্কার জেতো" এই বিষয়টিই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প সংঘাত থামাতে যা যা সম্ভব সব করেছেন। শেষ পর্যন্ত, সংঘাত সাময়িকভাবে থেমেছে, তবে যেকোনো সময় তা আবার শুরু হতে পারে। ট্রেডাররা যৌক্তিকভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ডলার এখনো ধরে রাখার মতো কিছু নয়—বিশেষত যখন ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি হ্রাস পেয়েছে এবং নিরাপদ বিনিয়োগের আর প্রয়োজন নেই। সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে, পরিস্থিতি পাল্টে যায়। নতুন আলোচ্য বিষয় হয় "পাওয়েলকে বরখাস্ত করো, ফেডের সমালোচনা করো"। স্বাভাবিকভাবেই, পাওয়েল বরখাস্ত হবেন না—কারণ এই সিদ্ধান্ত কেবল কংগ্রেসের এখতিয়ারভুক্ত, আর ট্রাম্প কংগ্রেসের সাথে কাজ করতে পছন্দ করেন না। ট্রেডাররা এই নতুন "পাওয়েল বরখাস্ত হবে কি হবে না" নাটক দেখেছে এবং আবার ডলার বিক্রি করা শুরু করেছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, বেশ অস্থিরতার সাথে ট্রেডিং করা হয়েছে, কারণ মার্কেটে সাইডওয়েজ কনসলিডেশন এবং আকস্মিকভাবে এই পেয়ার ক্রয়ের প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যার মাঝে তেমন কোনো ধারাবাহিকতা ছিল না। এই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টগুলো সকল ক্ষেত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সাথে সম্পর্কিত ছিল না। গতকাল বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে মূল লেভেলটি 1.1700 থেকে সরিয়ে 1.1740-এ নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, বর্তমান লেভেলগুলো কিছুটা পুরাতন, কারণ এখন এই পেয়ারের মূল্য তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেভেলে অবস্থান করছে। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক চার্টে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের সেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে যা ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর শুরু হয়েছিল, এবং সম্ভবত যতক্ষণ না নতুন একজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব গ্রহণ করেন ততক্ষণ এই প্রবণতা চলমান থাকবে। বাস্তবিক অর্থে, ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই তথ্যটাই ডলারের দরপতন হওয়ার জন্য যথেষ্ট। এমনকি যখন ট্রাম্পের পক্ষ থেকে কোনো খবর থাকে না, তার মানে এই নয় যে ডলারের দরপতন হবে না। শুক্রবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্য আরও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে, যেখানে নির্দিষ্ট কোনো কারণের প্রয়োজন নেই। উল্লেখযোগ্য কোনো বড় ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে না, তাই ট্রেডিংয়ের জন্য টেকনিক্যাল সিগন্যাল ব্যবহার করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের চার্ট অনুযায়ী ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1132–1.1140, 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1561–1.1571, 1.1609, 1.1666, 1.1740, 1.1802, 1.1851। শুক্রবার তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোর পিসিই প্রাইস ইনডেক্স বা এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিতব্য কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন তুলে ধরা যায়। Read more: https://ifxpr.com/4lbHH8r









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৩০ জুন ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই জিরো লাইনের বেশ ওপরে ছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1732-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি ইউরো ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেইনি। পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার এই লেভেলের টেস্ট হওয়ার সময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে ছিল, যার ফলে এই পেয়ারের সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় এবং পেয়ারটির মূল্য 30 পয়েন্ট হ্রাস পায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মে মাসের কোর পারসোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার্স (PCE) সূচক, যা মূলত মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক, 0.2% বেড়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশার তুলনায় সামান্য বেশি। একইসাথে, মার্কিন আয় ও ব্যয়ের প্রতিবেদনে মুদ্রাস্ফীতির চাপ দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে, যা ডলারের চাহিদা হ্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও PCE সূচক পূর্বাভাসের চেয়ে সামান্য বেশি এসেছে, সামগ্রিক চিত্রে এটি ধীরে ধীরে মুদ্রাস্ফীতির হ্রাসের দিকেই ইঙ্গিত করছে। আজ মার্কেটের বিনিয়োগকারীদের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ইউরোজোনের প্রধান অর্থনীতিগুলোর ভোক্তা চাহিদা ও মুদ্রাস্ফীতিকে প্রতিফলিত করা সূচকের দিকে মনোযোগ দেবেন। ফ্রান্স ও জার্মানিতে প্রকাশিতব্য ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতির গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা দেবে। বিশ্লেষকরা এই প্রতিবেদনগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন যাতে বোঝা যায় ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। পূর্বাভাস থেকে প্রকৃত ফলাফলের যেকোনো বিচ্যুতি মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং ইউরোর মূল্যের মুভমেন্টে প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়াও, আজ ইউরোজোনের বেসরকারি খাতের ঋণগ্রহণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সূচকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পরিবারগুলোর দ্বারা গৃহীত ঋণের পরিমাণ প্রতিফলিত করে এবং এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়। ঋণগ্রহণের পরিমাণ বাড়লে তা ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের প্রসার ও ভোক্তাদের আস্থার বৃদ্ধি নির্দেশ করতে পারে, অন্যদিকে সূচকটি হ্রাস পেলে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার ইঙ্গিত দিতে পারে। সম্মিলিতভাবে, এই সকল প্রতিবেদন ইউরোপীয় অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেবে এবং বিনিয়োগকারীদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির সম্ভাবনা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সহায়তা করবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1795-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1746-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1795-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরো ক্রয় করা পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1712-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1746 এবং 1.1795-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1712-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1650-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1746-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1712 এবং 1.1650-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।   Read more: https://ifxpr.com/4nwEW3e









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

পহেলা জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। এটি সম্ভবত অবাক করার মতো কিছু নয়, যদিও দিনের সামগ্রিক মৌলিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ইউরোর দর বৃদ্ধির পরিবর্তে দরপতনের সম্ভাবনাই বেশি ছিল। জার্মানিতে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বা ভোক্তা মূল্য সূচক 2%-এ নেমে এসেছে, যা প্রত্যাশার বিপরীত ফলাফল, এবং রিটেইল সেলস বা খুচরা বিক্রয় ট্রেডারদের পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি পরিমাণে কমেছে। তবুও, দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের মূল্য একটি শক্তিশালী সাইডওয়েজ রেঞ্জে আটকে ছিল এবং দ্বিতীয়ার্ধে ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয় যা পরবর্তীতে বজায় ছিল। এটি আবারও প্রমাণ করে যে, মার্কেটে বর্তমানে কেউই কোনো পরিস্থিতিতেই ডলার কিনতে আগ্রহী নয়। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ডলারের দরপতনের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বা স্থানীয় কারণের প্রয়োজন নেই। গতকাল নতুন করে ডলার বিক্রির জন্য কোনো উদ্দীপক ছিল না, তবে আসল কারণ গত পাঁচ মাস ধরেই বিদ্যমান—ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এই বিষয়টিই দরপতনের জন্য যথেষ্ট। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, সোমবার দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। ইউরোপীয় সেশনের সময়, মূল্য 1.1740–1.1745 এরিয়ায় বাউন্স করেছিল, তবে মার্কেট ফ্ল্যাট অবস্থার মধ্যে থাকায় এই পেয়ারের মূল্য মাত্র ২০ পিপস হ্রাস পেয়েছিল। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1740–1.1745 এরিয়া ব্রেক করে উপরের দিকে উঠে যায়, যা নতুন ট্রেডারদের লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি করে। আজ সকালে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1802 এর নিকটবর্তী লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ১-ঘণ্টার টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর শুরু হয়েছিল এবং সম্ভবত পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্টের অধীনেও এটি চলমান থাকবে। ডলারের স্থিতিশীল দরপতনের মূল কারণ হলো, ট্রাম্প এখনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি ট্রাম্প সম্পর্কিত কোনো নতুন সংবাদ না থাকলেও, এই তথ্যটিই ডলারের দরপতন ঘটানোর জন্য যথেষ্ট। বাণিজ্য যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি, এবং ট্রাম্প ও ফেডারেল রিজার্ভের মধ্যকার দ্বন্দ্ব—সবই ডলারের উপর আস্থা কমিয়ে দিয়েছে—এবং এর বাইরে আর কোনো কারণের প্রয়োজন নেই। মঙ্গলবার, সম্ভবত EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এটি ঘটতে হলে, কেবলমাত্র এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1800-এর লেভেল ব্রেক করে উপরের দিকে যাওয়া প্রয়োজন। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, নিম্নোক্ত লেভেলগুলোর দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1561–1.1571, 1.1609, 1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1802, 1.1851, 1.1908। মঙ্গলবার, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে এবং সেইসাথে উল্লেখযোগ্য কিছু প্রতিবেদন প্রকাশেরও কথা রয়েছে। ইউরোজোনে একাধিক মৌলিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনও থাকবে। এছাড়া, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল ভাষণ দেবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ISM ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদন সংক্রান্ত PMI প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। Read more: https://ifxpr.com/4kiMqUz









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই জিরো লাইনের অনেক নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1800-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো বিক্রির সিদ্ধান্ত নেইনি। এই লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে অবস্থান করছিল, যা এই পেয়ারের বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 কার্যকর করার সুযোগ দেয়; তবে, এই ট্রেড থেকে লোকসান হয়, কারণ ইউরোর দরপতন চলমান ছিল। গতকালের ISM ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্স বা উৎপাদন সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল ডলারের জন্য সহায়ক ছিল। ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান পাওয়েল বলেন যে ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান বাণিজ্যনীতি এখনো সুদের হার কমানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি করেনি—এটিও ডলারের দর বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। আজ আমরা ইউরোজোনের বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তব্যের প্রত্যাশা করছি। এই প্রতিবেদন ও ইভেন্ট এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা তীব্রভাবে বাড়াতে পারে। বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদন ইউরোপীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়, যা অর্থনৈতিক পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা বা সম্ভাব্য দুর্বলতা প্রতিফলিত করে। বেকারত্বের হার কমলে এটি ইউরোজোনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতি আস্থা বাড়াতে পারে এবং ইউরোকে সমর্থন দিতে পারে। লাগার্দের ভাষণে যদি আর্থিক নীতিমালা নিয়ে আলোকপাত করা হয়—তাহলে এটি ট্রেডারদের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেবে। বিনিয়োগকারীরা তার বক্তব্য গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে, যাতে সুদের হার পরিবর্তনের সম্ভাব্য সংকেত খুঁজে পাওয়া যায়। যদি ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে ইসিবি মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দেয়, তবে EUR/USD পেয়ারের দরপতন হতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1859-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1811-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1859-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1789-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1811 এবং 1.1859-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1789-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1742-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1811-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1789 এবং 1.1742-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3I7yu2t









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৩ জুলাই। ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই জিরো লাইনের অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1759-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে তোলে। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রি করিনি। ADP রিসার্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতে 33,000 জন লোক চাকরি হারিয়েছে। এই তথ্যই মার্কিন ডলারের দরপতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং ইউরোকে শক্তিশালী করে তোলে। বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের পতন মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা আরও জোরদার করেছে, যা সম্ভবত ফেডারেল রিজার্ভকে নিকট ভবিষ্যতে পুনরায় সুদের হার কমাতে প্ররোচিত করতে পারে। মূলত ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কর্মসংস্থান হ্রাসের প্রবণতা দেখা গেছে, যা পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সংকটের ইঙ্গিত দেয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ADP থেকে নেতিবাচক পরিসংখ্যান প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও, এগুলো সবসময় শ্রমবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে পুরোপুরিভাবে প্রতিফলিত করে না। মার্কিন শ্রম মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল প্রায়শই ADP থেকে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তুলনায় ভিন্ন হয়। এই অফিসিয়াল প্রতিবেদন আজ প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং দিনের দ্বিতীয়ার্ধের পূর্বাভাসে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এদিকে, ইউরোপীয় সেশনের সময় ইউরোজোন দেশগুলোর পরিষেবা খাত সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ PMI প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত বৈঠকের কার্যবিবরণীও প্রকাশিত হবে। বিনিয়োগকারীরা এই প্রতিবেদনগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন, কারণ এগুলো ইউরোজোনের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিতে পারে। PMI সূচকগুলো অর্থনৈতিক কার্যকলাপের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং প্রধান শিল্পখাতে ক্রয় ব্যবস্থাপকদের মনোভাব প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে, ইসিবির মিনিট বা কার্যবিবরণী ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে আরও বিস্তারিত ধারণা দেবে। ইসিবির মূল্যস্ফীতি ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি মূল্যায়নের ওপর বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া উচিত। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1832-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1801-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1832-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1785-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1801 এবং 1.1832-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1785-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1754-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1801-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1785 এবং 1.1754-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/44wyYGP









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৪ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই জিরো লাইনের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1778-এর লেভেল টেস্ট করেছিল। তবুও, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত ছিল, যার ফলাফল অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক ভালো এসেছিল, যার ফলে এই পেয়ার বিক্রির প্রবণতা সৃষ্টি হয়। এর ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 1.1724 এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে যায়। সেই লেভেল থেকে রিবাউন্ডের ক্ষেত্রে এই পেয়ার ক্রয় করার ফলে মার্কেট থেকে অতিরিক্ত 30 পিপস মুনাফা করা সম্ভব হয়। যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার 4.1%-এ কমে যাওয়ার পাশাপাশি, ননফার্ম পেরোল সংক্রান্ত পরিসংখ্যান বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও ইতিবাচক আসায়, মার্কেটে আবারও মার্কিন ডলারের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিতে উৎসাহিত হয়ে বিনিয়োগকারীরা ঐতিহ্যগত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট বিক্রি করে ডলারে মূলধন স্থানান্তর করা শুরু করে। শ্রমবাজার পরিসংখ্যানের এই ইতিবাচক ফলাফল স্বল্পমেয়াদে ডলারের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করে, যেহেতু ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হারে পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়ে "অপেক্ষা এবং পর্যবেক্ষণের" নীতিই ধরে রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ ইউরোজোনের প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন এবং ভোক্তা ব্যয়সংক্রান্ত সূচকগুলোর দিকে দৃষ্টি থাকবে। প্রথমেই জার্মানি ও ফ্রান্সের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা শিল্পপণ্যের চাহাবাহার পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায় — এটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এরপর প্রকাশিত হবে ইতালির খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত পরিসংখ্যান, যা ভোক্তা কার্যক্রমের ইঙ্গিত দেয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত। সকালের সেশন শেষ হবে ইউরোজোনের উৎপাদন মূল্য সূচক (PPI) প্রকাশের মাধ্যমে, যা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদিত পণ্যের মূল্যের পরিবর্তন তুলে ধরে এবং মূল্যস্ফীতি সূচকের পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত হয়। ইউরোজোনের উৎপাদক মূল্য সূচক বৃদ্ধি পেলে সেটি ভবিষ্যতে ভোক্তা মূল্য সূচকের বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে, যা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিমালার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সামগ্রিকভাবে, এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ইউরোপীয় অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেবে এবং বাহ্যিক চ্যালেঞ্জের প্রতি এর সহনশীলতার মূল্যায়নে সহায়ক হবে। ফলাফলসমূহ ইউরোর বিনিময় হারকে প্রভাবিত করতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকেই মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1822-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1787-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1822-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1765-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1787 এবং 1.1822-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1765-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1728-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1787-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1765 এবং 1.1728-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3Ib6MSo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৭ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই জিরো লাইনের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1787-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা বেশ সীমিত হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমি ইউরো ক্রয় করিনি। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনতা দিবসের ছুটির কারণে ট্রেডিং ভলিউম অত্যন্ত ছিল, যা মার্কেটকে প্রভাবিত করেছে। বর্তমানে ট্রেডাররা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনার ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেছে, যদিও এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। ট্রাম্প ইতোমধ্যেই সেইসব বাণিজ্য অংশীদারদের বিরুদ্ধে নতুন করে শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, যারা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়নি, যা আলোচনার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় পক্ষের ওপর চাপ তৈরি করেছে। মার্কিন পক্ষ তাদের কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। বাণিজ্য বিধিনিষেধ নমনীয় করার এবং ইউরোপীয় বাজারে মার্কিন পণ্যের প্রবেশাধিকার দেওয়ার যে দাবি করা হচ্ছে, তা কিছু ইইউ দেশের জন্য গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে, কারণ তারা তাদের জাতীয় অর্থনীতি ও উৎপাদকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা করছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই আলোচনার গতি এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, কারণ ৯ জুলাইয়ের সময়সীমা দ্রুতই ঘনিয়ে আসছে। আজ সকালে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন, ইউরোজোনের সেন্টিক্স বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংক্রান্ত সূচক, এবং সেইসাথে ইউরোজোনের মে মাসের খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল নিঃসন্দেহে মার্কেটে প্রভাব ফেলবে এবং ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে এই পেয়ারের মূল্যের ওঠানামা ঘটাতে পারে। জার্মানির শিল্প উৎপাদনের ওপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে, যা ইউরোজোনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং ইসিবিকে আরও সতর্ক মুদ্রানীতি গ্রহণে প্রণোদিত করতে পারে। সেন্টিক্স সূচক একটি নেতৃস্থানীয় অর্থনৈতিক সূচক, যা স্বল্পমেয়াদে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রবণতা মূল্যায়নে সহায়তা করবে। এই সূচকের পতন ঘটলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে হতাশাবাদী মনোভাব এবং বিনিয়োগে হ্রাসের ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে, খুচরা বিক্রয় প্রতিবেদনের ফলাফল ভোক্তাদের ব্যয়ের অবস্থা প্রতিফলিত করবে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সবশেষে, জোয়াকিম নাগেলের বক্তব্যও গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হবে, কারণ এতে ইসিবির ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির ব্যাপারে কোনো ইঙ্গিত দেখা যেতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1822-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1787-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1822-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের মূল্যের বুলিশ মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1763-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1787 এবং 1.1822-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1763-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1728-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1787-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1763 এবং 1.1728-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4krLz43









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের পর্যালোচনা ৮ জুলাই, ২০২৫ সোমবার সারাদিনই নিম্নমুখী প্রবণতার সাথে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেড করা হয়েছে, যদিও ডলারের শক্তিশালী হওয়ার পেছনে বাস্তব কোনো শক্তিশালী কারণ ছিল না বললেই চলে। স্মরণ করিয়ে দিই, সপ্তাহান্তে ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ঘোষণা করেছেন যে "কালো তালিকাভুক্ত" সব দেশের ওপর শিগগিরই শুল্ক বাড়ানো হবে, অন্যদিকে ওলন মাস্ক ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি "আমেরিকান পার্টি" গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যার লক্ষ্য হবে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করা। ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধির ইচ্ছা এখন নতুন কিছু নয়। বিশ্ববাসী ইতোমধ্যেই তাঁর কৌশল ভালোভাবে বুঝে গেছে: প্রথমে তিনি হুমকি দেন, চূড়ান্ত শর্ত এবং দাবি আরোপ করেন। প্রতিপক্ষ যদি তাঁর শর্তে রাজি হয়, তিনি সঙ্গে সঙ্গে তাদের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন। না হলে, আরও হুমকি দেন এবং অবশেষে নিষেধাজ্ঞা বা শুল্ক আরোপ করেন। সুতরাং আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা এখন আর অপ্রত্যাশিত কোনো বিষয় নয়। সোমবার ডলার কিছুটা শক্তিশালী হয়েছিল, কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কি এর চেয়ে বেশি কিছু প্রত্যাশা করা উচিত? আমরা বহুবার বলেছি, ডলার মাঝে মাঝে শুধু প্রফিট টেকিং বা লং পজিশন ক্লোজ কারণে শক্তিশালী হতে পারে। কিন্তু ডলারের মূল্যের টেকসই প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা করা অবাস্তব। গত সপ্তাহেই মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল উপেক্ষা করেছে, যার মধ্যে এমন প্রতিবেদনও ছিল যা জুলাই বা সেপ্টেম্বর মাসে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমিয়েছে। তাহলে কি এতে ডলার খুব একটা উপকৃত হয়েছে? অতএব, আপনি যদি দেখেন ডলার শক্তিশালী হচ্ছে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় এটি কেবল শর্ট পজিশনের প্রফিট টেকিং এর ফলাফল—তার বেশি কিছু নয়। বিশেষ করে যেহেতু ঘোষিত শুল্ক বৃদ্ধিগুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। যদিও কালকেই ৯ জুলাই, এবং ট্রাম্প ইতোমধ্যেই তিনটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন, তবুও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বেশ হিসেবি পদক্ষেপ নিয়েছেন: তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, যেসব দেশ ৯ জুলাইয়ের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হবে, তাদের ওপর শুল্ক বাড়ানো হবে—কিন্তু তা কার্যকর হবে পহেলা আগস্ট থেকে। অর্থাৎ, পরাজয়ের বাস্তবতা স্বীকার করে, ট্রাম্প আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য দেশগুলোকে অতিরিক্ত সময় দিয়েছেন। এর মানে কী? ট্রাম্প সরাসরি শুল্ক বাতিল করতে পারেন না। আবার স্বীকারও করতে পারেন না যে তাঁর পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে, অন্তত আংশিকভাবে। 75টি দেশের মধ্যে মাত্র 3টি দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে—এমন অবস্থায় তাঁর আরও সময় দেয়া দরকার ছিল, কিন্তু সেটা দুর্বলতা প্রকাশ না করেই। কারণ উচ্চ আমদানি শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ইতিবাচক নয়, কারণ তা মুদ্রাস্ফীতি বাড়ায় এবং নিম্ন-আয়ের জনগণের জন্য আর্থিক চাপ তৈরি করে। আর মাস্কের সম্ভাব্য রাজনৈতিক দল গঠনের প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন থেকে যায়—এই অসন্তুষ্ট ভোটাররা শেষ পর্যন্ত কাকে সমর্থন করবে? অতএব, বলা যায় যে ট্রাম্প "শুল্ক ছাড়ের সময়কাল" বাড়িয়েছেন এবং আগামী তিন সপ্তাহে তিনি বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর চাপ বাড়াবেন, আরও কার্যকর চুক্তির দাবি জানাবেন। সামনে নতুন হুমকিও আসতে পারে। অস্থিরতার মাত্রা এবং টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের পর্যালোচনা গত ৫ দিনের ট্রেডিংয়ে (৮ জুলাই পর্যন্ত) EUR/USD-এর মূল্যের গড় অস্থিরতার মাত্রা ছিল 73 পয়েন্ট, যা "মাঝারি" মাত্রার হিসেবে বিবেচনা করা যায়। আমরা মঙ্গলবার 1.1623 থেকে 1.1770 এর মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের আশা করছি। সিনিয়র লিনিয়ার রিগ্রেশন চ্যানেল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করছে, যা এখনো বুলিশ প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। CCI ইনডিকেটর ওভারবট জোনে প্রবেশ করেছে এবং একাধিক বিয়ারিশ ডাইভারজেন্স গঠন করেছে। তবে, ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে এই সংকেতগুলো সাধারণত রিভার্সাল নয়, বরং শুধুমাত্র কারেকশনের ইঙ্গিত দেয়। নিকটতম সাপোর্ট লেভেল: S1 – 1.1597 S2 – 1.1475 S3 – 1.1353 নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল: R1 – 1.1719 R2 – 1.1841 R3 – 1.1963 ট্রেডিংয়ের পরামর্শ: এখনো EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ নীতির দ্বারা মার্কিন ডলার প্রবলভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। এছাড়াও, মার্কেটের বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী আগত প্রতিবেদনের ফলাফল ভুলভাবে বিশ্লেষণ করছে অথবা উপেক্ষা করছে, যার ফলে ডলারের বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে। আমরা এখনো মার্কেটের ট্রেডারদের মধ্যে ডলার কেনার ব্যাপারে চরম অনীহা দেখছি, তা যে পরিস্থিতিতেই হোক না কেন। যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং অ্যাভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তাহলে মূল্যের 1.1623-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে, যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পেয়ারের তীব্র দরপতনের সম্ভাবনা কম। যদি এই পেয়ারের মূল্য মুভিং অ্যাভারেজ লাইনের ওপরে থাকে, তবে চলমান প্রবণতার ধারাবাহিকতায় মূল্যের 1.1841-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন প্রাসঙ্গিক থাকবে। Read more: https://ifxpr.com/4nQZ54e









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৯ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই জিরো লাইনের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1732-এর লেভেল টেস্ট করেছে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। কিছুক্ষণ পরেই দ্বিতীয়বার মতো 1.1732-এর লেভেলের টেস্ট হয়, সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে অবস্থান করছিল, যা বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়, কিন্তু এর পরেও এই পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হতে ব্যর্থ হয়। গতকাল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট কঠোর শুল্ক নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ইচ্ছার কথা জানান, যা ইউরোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং ডলারকে সমর্থন দেয়। ট্রাম্প কিছু দেশকে—যেখানে সম্ভবত ইইউ-ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—শুল্ক ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দেন, যার ফলে ইউরো তৎক্ষণাৎ দরপতনের সম্মুখীন হয়। আজ, দিনের প্রথমার্ধে, ইউরো চাপের মধ্যে থাকতে পারে, কারণ ইউরোজোনে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে বুন্ডেসব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জোয়াখিম নাগেলের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির ইঙ্গিত খুঁজতে ট্রেডাররা তার বক্তব্য সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। তাঁর মন্তব্যে হকিশ বা কঠোর অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত প্রতিফলিত হলে সেটি ইউরোকে সমর্থন দিতে পারে, অন্যদিকে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত ইউরোর ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1764-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1726-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1764-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1698-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1726 এবং 1.1764-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1698-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1654-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের বিক্রয়ের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1726-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1698 এবং 1.1654-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3IhIxSE









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১০ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই জিরো লাইনের অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1698-এর লেভেলটি টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রি করিনি। দিনের বাকি সময়ে আমি আর কোনো সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট দেখতে পাইনি। বুধবার এই পেয়ারের মূল্য চ্যানেলের মধ্যে অবস্থান করা অবস্থায়ই দৈনিক ট্রেডিং শেষ হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা পরিলক্ষিত হয়নি। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি (FOMC)-র সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণী মার্কেটের বিনিয়োগকারীদের নতুন কোনো তথ্য দেয়নি, যদিও এতে ফেডের সদস্যদের মধ্যে সুদের হারের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিদ্যমান মতানৈক্যের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কমিটির কিছু সদস্য অব্যাহত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও মন্থর হওয়ায় কঠোর মুদ্রানীতি ধরে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে, কিছু সদস্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, বর্তমানে উচ্চ সুদের হার ইতোমধ্যেই ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড ও বিনিয়োগে চাপ সৃষ্টি করছে, এবং আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হলে সেটি অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ফেলতে পারে। আজ মূলত জার্মানির জুন মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) এবং ইতালির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের উপর ট্রেডারদের দৃষ্টি থাকবে। জার্মানিতে মুদ্রাস্ফীতির হার অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা থাকায়, এটি ইউরোকে তেমনভাবে শক্তিশালী করবে না। তবে পূর্বাভাসের তুলনায় যেকোনো বিচ্যুতি স্বল্পমেয়াদে মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের ওঠানামার কারণ হতে পারে। জার্মানির ভোক্তা মূল্য সূচক প্রত্যাশার চেয়ে বেশি এলে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর ক্ষেত্রে আরও সতর্ক অবস্থান নিতে পারে। ইতালির শিল্প উৎপাদন দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে সেটি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত দেবে, যা ইউরোর জন্য ইতিবাচক। বিপরীতে, উৎপাদন কমে গেলে সেটি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতার বার্তা দেবে এবং ইউরোর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবুও, এই প্রতিবেদনের গুলোর সামগ্রিক প্রভাব ইউরোর উপর সীমিত থাকবেই বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি এবং ইউরোজোনের অর্থনীতির সার্বিক অবস্থাই ইউরোর উপর বেশি প্রভাব ফেলে থাকে। আজকের দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি আগের মতোই পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1775-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1746-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1775-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1729-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1746 এবং 1.1775-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1729-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1705-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1746-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1729 এবং 1.1705-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/406h2BC









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১১ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র জিরো লাইনের নিচের দিকে যাওয়া শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1725-এর লেভেল টেস্ট করেছিল। যা ইউরোর শর্ট এন্ট্রির বৈধতা নিশ্চিত করে এবং 40 পয়েন্টেরও বেশি দরপতনের দিকে নিয়ে যায়। যেসব দেশ এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি, তাদের উপর অতিরিক্ত 35% শুল্ক আরোপের হুমকি মার্কিন ডলারকে সমর্থন দিয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটগুলো, যার মধ্যে ইউরোও রয়েছে, তীব্রভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে। আজ, ইউরোজোনজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকলেও, জার্মানি ও ফ্রান্সের প্রতিবেদনের দিকে দৃষ্টি থাকবে। বিনিয়োগকারীরা জার্মানির পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) এবং ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে ঘনিষ্ঠভাবে লক্ষ্য রাখছে, কারণ এই দুই প্রতিবেদনের ফলাফল ইউরোজোনের বৃহত্তম অর্থনীতিগুলোর ভবিষ্যৎ মুদ্রাস্ফীতির প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা দেয়। ঐতিহ্যগতভাবে, জার্মানির পাইকারি মূল্য সূচককে মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাসে একটি নেতৃস্থানীয় সূচক হিসেবে দেখা হয়, কারণ পাইকারি মূল্য সূচক বৃদ্ধি পেলে সেটি শেষ পর্যন্ত ভোক্তা মূল্য সূচকেও প্রতিফলিত হতে পারে। বিপরীতে, পাইকারি মূল্য সূচকের পতন মুদ্রাস্ফীতির চাপ দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে এবং ভোক্তা মূল্য সূচকের সম্ভাব্য হ্রাস নির্দেশ করতে পারে। পরবর্তীতে, ফ্রান্সের ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI প্রকাশিত হবে। এই সূচকটি পরিবারের দ্বারা কেনা পণ্য ও সেবার দামের পরিবর্তন প্রতিফলিত করে। CPI বৃদ্ধি পেলে সেটি ইসিবি সুদের হারে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখতে প্ররোচিত করতে পারে, অন্যদিকে CPI হ্রাস পেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বর্তমান নীতি বজায় রাখা বা তা আরও শিথিল করার দিকে এগোতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1744-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1694-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1744-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরো ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1670-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1694 এবং 1.1744-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1670-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1616-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1694-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1670 এবং 1.1616-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/40cZBiM









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৪ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1678-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, — যা ইউরো বিক্রি করার একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে, এই পেয়ারের দরপতন ঘটেনি, যার ফলে এই ট্রেড থেকে লোকসান গুনতে হয়েছে। সপ্তাহান্তে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর 30% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন, যা তাৎক্ষণিকভাবে কারেন্সি মার্কেটকে প্রভাবিত করে। ইউরো তীব্র চাপের মুখে পড়ে, বিপরীতে ডলার সমর্থন পায় এবং শক্তিশালী হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা ও উদ্বেগের জন্ম দেয়। অনেক বিশেষজ্ঞ আশঙ্কা করছেন, এই পদক্ষেপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ-র মধ্যে একটি পূর্ণমাত্রার বাণিজ্যযুদ্ধের সূচনা করতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ব্রাসেলস ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, যদি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হয়, তাহলে তারা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। আগামী দিনগুলোতে বাণিজ্য সংক্রান্ত এই বিরোধ সমাধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ-র প্রতিনিধি দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আলোচনা থেকেই নির্ধারিত হবে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনৈতিক ব্লকের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের দিকনির্দেশনা। আজ খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা নেই, এবং ইউরোগ্রুপের বৈঠকই প্রধান মনোযোগের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেখানে মার্কিন শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পাল্টা ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এই ইস্যুটিই স্বল্পমেয়াদে ইউরোর মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1717-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1672-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1717-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1651-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1672 এবং 1.1717-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1651-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1610-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1672-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1651 এবং 1.1610-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4nI4g6x









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

GBP/USD. বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস, ১৫ জুলাই। আজ GBP/USD পেয়ার 1.3430–1.3435 লেভেলের মধ্যে কনসোলিডেশনের মধ্যে রয়েছে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্য এশিয়ান ট্রেডিং সেশনের সময় রেকর্ডকৃত তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেলের তুলনায় সামান্য ওপরে অবস্থান করছে। এই মূহূর্তে বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে মৌলিক দিক থেকে এই প্রতিবেদনের ফলাফল এই পেয়ারের মূল্যের বিয়ারিশ প্রবণতারই সম্ভাবনা নির্দেশ করছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পরবর্তীতে সম্ভাব্যভাবে এই পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী হতে পারে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের হতাশাজনক ফলাফল ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের আগস্ট মাসে আরেকবার সুদের হার কমানোর প্রত্যাশাকে আরও জোরালো করেছে। এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা কমে যাওয়ার বিপরীতে অবস্থান করছে, যা GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে। যদিও সাময়িকভাবে মার্কিন ডলারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম থেমে যাওয়ায় এই পেয়ারের দরপতন কিছুটা সীমিত হয়েছে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, 4-ঘণ্টার চার্টে এই পেয়ারের মূল্য 100-পিরিয়ড সিম্পল মুভিং এভারেজ (SMA) ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার বিষয়টি গত সপ্তাহে বিয়ারিশ প্রবণতা শুরু হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ছিল। তবে একই টাইমফ্রেমে রিলেটিভ স্ট্রেন্থ ইনডেক্স (RSI) ইতোমধ্যে ওভারসোল্ড স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের স্বল্পমেয়াদী নিম্নমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার আগে দৈনিক ভিত্তিতে কনসোলিডেশন অথবা একটি সামান্য রিবাউন্ড দেখা যেতে পারে। তবে, যেকোনো প্রকার রিবাউন্ডের প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.3475 লেভেলের আশেপাশে রেজিস্ট্যান্সের মুখোমুখি হবে, যা মূল্যকে 1.3500 সাইকোলজিক্যাল রেজিস্ট্যান্সের নিচে আটকে রাখবে। এই লেভেলের ওপরে একটি স্থিতিশীল মুভমেন্ট শর্ট কাভারিং শুরু করতে পারে, GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে ধাপে ধাপে 1.3550 মধ্যবর্তী রেজিস্ট্যান্স, তারপর 1.3600-এর রাউন্ড লেভেল এবং 1.3620–1.3625 সাপ্লাই জোনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, বিয়াররা নতুন শর্ট পজিশন নেওয়ার আগে 1.3400-এর গুরুত্বপূর্ণ সাইকোলজিক্যাল সাপোর্ট লেভেলের স্পষ্টভাবে ব্রেকআউটের পর মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার অপেক্ষায় থাকবে। এই পরিস্থিতিতে, GBP/USD পেয়ারের মূল্য দ্রুতগতিতে নিম্নমুখী হতে পারে এবং পরবর্তীতে মূল্য গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট 1.3355 লেভেল যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারে, এরপর মূল্য 1.3300-এর রাউন্ড লেভেলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। আরও দরপতন হলে পেয়ারটির মূল্য 100-দিনের সিম্পল মুভিং এভারেজ (SMA) এর দিকে নিয়ে যেতে পারে, যা বর্তমানে 1.3265 লেভেলের আশেপাশে অবস্থান করছে। Read more: https://ifxpr.com/44uLlV5









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৬ জুলাই কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ GBP/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই GBP/USD কারেন্সি পেয়ারেরও তীব্র দরপতন ঘটেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, ব্রিটিশ পাউন্ডের দরপতনের মাত্রা ইউরোর তুলনায় বেশি ছিল; তবে, দুটি কারেন্সি পেয়ারের ক্ষেত্রেই মূল্যের মুভমেন্ট এখনো একটি বিস্তৃত টেকনিক্যাল কারেকশনের মধ্যেই রয়েছে, যা হায়ার টাইমফ্রেমগুলোতে বিশেষভাবে দৃশ্যমান। ফলে, আমরা মনে করি না যে ট্রেডারদের মনোভাবের পরিবর্তন হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না, যার ফলে গত পাঁচ মাস ধরে ডলার দুর্বল হয়েছে। যদি এখন কোনো অলৌকিক উপায়ে মার্কিন কারেন্সির দর বৃদ্ধি পায়, তবে সেটি কেবল একটি বিষয়ই নির্দেশ করে—ট্রেডাররা ডলার বিক্রি করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং এখন কেবল মুনাফা গ্রহণ করা হচ্ছে। অর্থাৎ, ট্রেডাররা EUR/USD এবং GBP/USD পেয়ারের লং পজিশন ক্লোজ করছে, যার ফলে ইউরো ও পাউন্ডের চাহিদা হ্রাস পাচ্ছে এবং এর ফলস্বরূপ ডলারের দর পুনরায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে মঙ্গলবার মাত্র একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। 1.3458 একটি নতুন লেভেল, যা পূর্ববর্তী বিশ্লেষণের অংশ ছিল না। মার্কিন সেশনে, এই পেয়ারের মূল্য 1.3413–1.3421 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, যার ফলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পায়। তবে, এই দরপতন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক চার্টে এখনও GBP/USD পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে। আমাদের বিশ্বাস, এই পেয়ারের এই দরপতন নিছক একটি টেকনিক্যাল কারেকশন, কারণ মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির পক্ষে কোনো মৌলিক কারণ বিদ্যমান নেই। তবুও, ট্রেডাররা শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতেও ট্রেড করতে পারে, এবং এখন আমরা সেটাই দেখছি। যতক্ষণ না মূল্য ট্রেন্ডলাইনের উপরে কনসোলিডেট করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত গত ছয় মাসব্যাপী চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার জন্য কোনো টেকনিক্যাল ভিত্তি নেই। বুধবার GBP/USD পেয়ারের আরও দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে ট্রেডারদের উচিত মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক মৌলিক উপাদানগুলো বিবেচনায় নেওয়া, কারণ সেগুলো এখনো স্পষ্টভাবে মার্কিন ডলারকে কোনো সমর্থন প্রদান করছে না। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেলগুলো হলো: 1.3203–1.3211, 1.3259, 1.3329–1.3331, 1.3413–1.3421, 1.3458, 1.3518–1.3532, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763, 1.3814–1.3832। বুধবার যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। যদিও মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের তুলনায় এটি ট্রেডারদের জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ, তথাপি সকালের দিকেই এই প্রতিবেদনের প্রভাবে একটি অস্থির মুভমেন্ট দেখা দিতে পারে। গতকাল যেমনটা দেখা গেছে, অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রতি ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া সবসময় একরকম হয় না। Read more: https://ifxpr.com/3ItRhoR









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

স্বর্ণের (XAU/USD) ট্রেডিং সিগন্যাল (১৭-২১ জুলাই, ২০২৫) মূল্য $3,329 (200 EMA - 5/8 মারে) এর উপরে থাকা অবস্থায় স্বর্ণ ক্রয় করা যেতে পারে। স্বর্ণ বর্তমানে 3,335 এর আশেপাশে ট্রেড করছে, যেখানে 3,320 এর সর্বনিম্ন এবং গতকাল মার্কিন সেশনে 3,377 এর সর্বোচ্চ লেভেল থেকে রিবাউন্ড করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাওয়েলকে বরখাস্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন, তার পরই স্বর্ণের মূল্যের ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যায়। H4 চার্ট অনুযায়ী, স্বর্ণের মূল্য এখন আপট্রেন্ড চ্যানেলের মধ্যে অবস্থান করছে এবং আসন্ন ঘণ্টাগুলোতে 3,329 এ অবস্থিত 200 EMA-র আশেপাশে একটি টেকনিক্যাল রিবাউন্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, অথবা স্বর্ণের মূল্য আপট্রেন্ড চ্যানেলের বটম প্রান্ত 3,310 পর্যন্তও নেমে আসতে পারে। সম্ভাব্যভাবে আগামী দিনগুলোতে স্বর্ণের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যেতে পারে এবং মূল্য 3,398 লেভেলের 7/8 মারে লেভেল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আপট্রেন্ড চ্যানেলের টপ লেভেলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের মূল্য আপট্রেন্ড চ্যানেল তীব্রভাবে ব্রেক নিম্নমুখী হয়, তাহলে আমরা 3/8 মারে সাপোর্ট 3,242 লেভেলের দিকে একটি শক্তিশালী দরপতন দেখতে পারি। আগামী কয়েক দিনে স্বর্ণের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ ঈগল ইন্ডিকেটর একটি পজিটিভ সিগন্যাল দেখাচ্ছে, যা নির্দেশ করে যে যেকোনো টেকনিক্যাল রিবাউন্ডকে ক্রয় অব্যাহত রাখার সুযোগ হিসেবে দেখা হবে। Read more: https://ifxpr.com/3GQUwGb









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৮ জুলাই কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ GBP/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের খুবই সীমিত মাত্রার অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, ব্রিটিশ পাউন্ড এবং মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও, আগেই যেমনটি বলা হয়েছে, মার্কেট বর্তমানে নিজের নিয়মে চলছে। সপ্তাহের শুরুতে আমরা ইতোমধ্যেই দেখেছি যে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও ডলারের মূল্য শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন সম্পূর্ণ উপেক্ষিত হয়েছে, জেরোম পাওয়েলকে বরখাস্ত করার গুজবের পর মার্কেটে 'ঝড়' সৃষ্টি হয়েছে, এবং ব্রিটিশ বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের প্রতি ট্রেডাররা সম্পূর্ণভাবে উদাসীন ছিল। তাই, আমরা এখনও মনে করি যে, এই পেয়ারের সাম্প্রতিক দরপতন কেবলমাত্র একটি টেকনিক্যাল কারেকশন। কেন এটি হওয়া প্রয়োজন? যাতে বিনিয়োগকারীরা—বিশেষ করে মার্কেট মেকাররা—লং পজিশন থেকে কিছু প্রফিট গ্রহণ করতে পারে এবং নতুন লং পজিশন গঠন শুরু করতে পারে। আমাদের মতে, "2025 সালের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা" চলতে থাকবে। এই পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি স্বল্পমেয়াদে ট্রেন্ড রিভার্সালের ইঙ্গিত দেবে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3413–1.3421 জোন থেকে দুইবার রিবাউন্ড করে, কিন্তু কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট শুরু করতে ব্যর্থ হয়। এই পেয়ার 1.3413–1.3421-এর উপরে কনসোলিডেটও করতে পারেনি। ফলে, নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, কিন্তু এর ফলে লাভ বা লোকসান কিছুই হয়নি। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক চার্টে এখনও GBP/USD পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে। আমাদের বিশ্বাস, এই পেয়ারের এই দরপতন নিছক একটি টেকনিক্যাল কারেকশন, কারণ মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির পক্ষে কোনো মৌলিক কারণ বিদ্যমান নেই। তবুও, ট্রেডাররা শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতেও ট্রেড করতে পারে, এবং এখন আমরা সেটাই দেখছি। যতক্ষণ না মূল্য ট্রেন্ডলাইনের উপরে কনসোলিডেট করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত গত ছয় মাসব্যাপী চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার জন্য কোনো টেকনিক্যাল ভিত্তি তৈরি হবে না। শুক্রবার আবারও GBP/USD পেয়ারের দরপতন হতে পারে, কারণ সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে এমন কোনো শক্তিশালী অনুঘটক নেই যা মার্কেটে বুলিশ বা বিয়ারিশ প্রবণতা সৃষ্টি করবে—যদি না, অবশ্যই, ট্রাম্প আবার নতুন শুল্ক ঘোষণা করেন বা "বিশবারের মতো পাওয়েলকে বরখাস্ত করেন।" ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, এখন নিম্নলিখিত লেভেলগুলোতে ট্রেডিং করা যেতে পারে: 1.3203–1.3211, 1.3259, 1.3329–1.3331, 1.3413–1.3421, 1.3458, 1.3518–1.3525, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763, 1.3814–1.3832। শুক্রবার যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে কিছুই নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিতব্য একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হচ্ছে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচক। যদিও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, তবে এই সূচকের প্রভাবে মার্কেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। Read more: https://ifxpr.com/4kJ2v68









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২১ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য 1.1563 লেভেল থেকে দুইবার রিবাউন্ড করার পর ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল। দিনের শেষ নাগাদ এই পেয়ারের মূল্য 1.1666 এর গুরুত্বপূর্ণ লেভে; এবং ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। তবে, সপ্তাহের শেষে ট্রেডাররা এই পেয়ারের মূল্যকে এই দুটি বাধা অতিক্রম করাতে ব্যর্থ হয়। শুক্রবারের গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টগুলোর মধ্যে কেবল ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচকের কথা উল্লেখ করা যায়, যা জুলাই মাসে 61.8-এ পৌঁছেছে, যা পূর্বাভাসের চেয়ে সামান্য বেশি। একই সময়ে, মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কিছুটা বেড়ে যায়, তবে আমাদের মতে, ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন এবং শক্তিশালী 1.1666 লেভেলটি ডলারের দরপতন প্রতিরোধ করতে বড় ভূমিকা পালন করেছে। ফলে, এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা এখনো সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন সপ্তাহে মূল্যের কমপক্ষে 1.1563 লেভেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়ে গেছে। মার্কিন ডলারের দর শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের বিয়ারিশ প্রবণতা ওপর ভিত্তি করে বৃদ্ধি পাচ্ছে, কারণ মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো ডলারের পক্ষে নেই। ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের ওপরে মূল্যের কনসোলিডেশন ঘটলে, ডলারের মূল্যের তিন সপ্তাহব্যাপী চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তির ইঙ্গিত পাওয়া যাবে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, শুক্রবার মাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময়, ইউরোর মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া টেস্ট করে এবং সেখান থেকে তীব্রভাবে রিবাউন্ড করে। এতে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়, যার ফলে পেয়ারটির মূল্য 20–25 পিপস হ্রাস পায়। এই ট্রেডিং সিগন্যালটি এড়িয়ে যাওয়া যেত, কারণ এটি মার্কেটে লেনদেন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে তৈরি হয়েছিল। তবে, যদি নতুন ট্রেডাররা এটি অনুসরণ করতেন, তাহলে তারা সামান্য লাভ করতে পারতেন। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কারেকশনের হচ্ছে; তবে এটি সামগ্রিক ছয় মাসব্যাপী চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে প্রভাবিত করছে না। আমরা মনে করি না যে ডলারের দীর্ঘমেয়াদি দরপতন শেষ হয়েছে। মার্কিন ডলার ছয় মাস ধরে দরপতনের মধ্যে রয়েছে এবং কেবল কয়েক সপ্তাহ ধরে কারেকশন শুরু হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এখনই মধ্যমেয়াদে ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা প্রত্যাশা করা যৌক্তিক নয়। সোমবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্য আবার 1.1563 লেভেলের দিকে মুভমেন্ট শুরু করতে পারে, কারণ মূল্য ট্রেন্ডলাইন কিংবা 1.1666-এর রেজিস্ট্যান্স কোনোটিই ব্রেক করতে পারেনি। তবে, আমরা মনে করি বর্তমান নিম্নমুখী প্রবণতা শেষ করার একটি নতুন প্রচেষ্টার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে যখন বর্তমান মৌলিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ডলারের মূল্যের স্থায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিয়ে গুরুতর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে, নিচের লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। সোমবার ইউরোজোন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট বা প্রতিবেদনের প্রকাশনা নির্ধারিত নেই। যদি না ট্রাম্প মার্কেটে আরেকটি "ঝড়" সৃষ্টি করেন, আমরা সারাদিন জুড়ে এই পেয়ারের মূল্যের শান্ত মুভমেন্ট এবং স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার প্রত্যাশা করছি। Read more: https://ifxpr.com/3GYtRY5









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২২ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার, সম্ভবত EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তিন সপ্তাহব্যাপী চলমান নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটেছে। মনে করিয়ে দিই, অন্তত গত দুই সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাপক পরিমাণ প্রতিবেদন এসেছে, যা আমেরিকান কারেন্সি শক্তিশালী হওয়ার পক্ষে কোনো যৌক্তিকতা দেয়নি। বিশেষ করে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল রিজার্ভের ভবন পুনর্নির্মাণ প্রকল্পে জেরোম পাওয়েলকে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে এবং ১ আগস্ট থেকে নতুন হারে শুল্ক কার্যকর হতে চলেছে। তদুপরি, গত তিন সপ্তাহে কোনো বাণিজ্য চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়নি। অতএব, ডলারের দর বৃদ্ধির পেছনে কোনো মৌলিক ভিত্তি ছিল না। একই সঙ্গে, আমরা আগেও একাধিকবার উল্লেখ করেছি, এমন নেতিবাচক মৌলিক প্রেক্ষাপটেও বিনিয়োগকারীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ডলার বিক্রি করতে পারে না। আমরা যা দেখেছি, তা ছিল নিছকই একটি টেকনিক্যাল কারেকশন, যা এখন যৌক্তিকভাবে শেষ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সোমবার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র—কোথাও কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ছিল না, শুধু ট্রাম্প আবারও ইইউ থেকে আমদানিকৃত সকল পণ্যের ওপর সম্ভাব্যভাবে শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, সোমবার একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন সেশনের শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া ব্রেক করে উপরের দিকে প্রায় 40–50 পিপস অগ্রসর হয়। সিগন্যালটি খুবই স্পষ্ট ছিল, এবং নতুন ট্রেডাররাও সহজেই এটি বুঝে শান্তিপূর্ণ "সোমবারে" মুনাফা করতে পারত। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের সম্ভবত তিন সপ্তাহ ধরে চলা কারেকশন সম্পন্ন হয়েছে। যেহেতু ট্রাম্পের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং পাওয়েল ও বাণিজ্য যুদ্ধকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে, তাই মাঝারি মেয়াদে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার এখনও কোনো ভিত্তি নেই। ট্রেন্ডলাইনটি ব্রেক করা হয়েছে, ফলে ইউরোর মূল্যের নতুন ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করা যেতে পারে। মঙ্গলবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ 1.1666 এর গুরুত্বপূর্ণ লেভেল এবং ট্রেন্ডলাইনটি ব্রেক করে এই পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এখনো এমন প্রতিবেদন আসছে যা বিনিয়োগকারীদের ডলার বিক্রি অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করছে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। মঙ্গলবার কেবল একটিমাত্র মাঝারি গুরুত্বসম্পন্ন ইভেন্ট নির্ধারিত আছে: ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ভাষণ অনুষ্ঠিত হবে। আমরা আর্থিক নীতিমালার ব্যাপারে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের আশা করছি না, তবে পাওয়েল তাঁর বিরুদ্ধে আনা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে কথা বলতে পারেন। Read more: https://ifxpr.com/4o26uO8









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৩ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে যাওয়া শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1693-এর লেভেল টেস্ট করেছিল —যা ইউরো বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 10 পিপস কমে যায়, তারপর আবার ইউরোর চাহিদা ফিরে আসে। গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন না হওয়ায় ইউরো আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান পাওয়েলের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে জল্পনা মার্কিন ডলারের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। আজ ইউরোজোন থেকে একমাত্র প্রতিবেদন হিসেবে কনজ্যুমার কনফিডেন্স ইনডেক্স বা ভোক্তা আস্থা সূচক প্রকাশিত হবে। এই প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কেটে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে মনে হচ্ছে না। তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে, মার্কেটে হঠাৎ রিভার্সাল ঘটার প্রবণতা দেখা যায়—বিশেষ করে যখন পরিস্থিতি শান্ত মনে হয়। যদিও এটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ সূচক নয়, তারপরও ভোক্তাদের আস্থার ফলাফল মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। যদি এই পরিসংখ্যানের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে নেতিহাচক হয়, তাহলে এটি ইউরো বিক্রির প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে এবং কারেকশন শুরু হতে পারে। তাছাড়া, বাহ্যিক প্রভাবগুলোও বিবেচনায় রাখতে হবে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনা আগামী দিনগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দৈনিক কৌশলের হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1794-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1749-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1794 point-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1725-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1749 এবং 1.1794-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1725-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1684-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1749-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1725 এবং 1.1684-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/44Jp3Pv









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৪ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবারের মতো 1.1723-এর লেভেল টেস্ট করে, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। 1.1723-এর লেভেলের দ্বিতীয়বার টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল, যা বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 কার্যকর করার সুযোগ দেয় এবং এর ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 35 পয়েন্টেরও বেশি ঊর্ধ্বমুখী হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান আবাসন বিক্রয়ের বড় ধরনের পতন ডলারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যার ফলে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। মার্কিন আবাসন বাজার বিশেষত সেকেন্ডারি মার্কেটে সক্রিয় কার্যক্রমের পতন সাধারণত একটি মন্দার ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে, বিনিয়োগকারীরা নেতিবাচক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস নিয়ে শঙ্কিত হয়ে ডলার থেকে বিনিয়োগ তুলে নিয়ে অন্যান্য মুদ্রায় স্থানান্তর করেন, যার ফলে ডলারের দর ও বিনিয়োগের আকর্ষণ উভয়ই কমে যায়। বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) আসন্ন বৈঠকের দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যেখানে মূল সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হবে। এরপর ক্রিস্টিন লাগার্ডের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিতব্য প্রেস কনফারেন্সটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে। বিশ্লেষকরা একমত যে ইসিবি বক্তব্য—বিশেষ করে ভবিষ্যতে আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণ বিষয়ক দিকনির্দেশনা—ইউরোর বিনিময় হারের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। যদি ইসিবি স্পষ্ট বার্তা দেয় যে সুদের হার কমানোর চক্রের সমাপ্তি ঘটেছে, তবে তা ইউরোর মূল্যের আরও একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে। অন্যথায়, ইউরোর চাহিদা কমে যেতে পারে। এছাড়াও, আজ ইউরোজোনে জুলাই মাসের উৎপাদন সংক্রান্ত PMI, পরিষেবা সংক্রান্ত PMI এবং কম্পোজিট PMI প্রকাশিত হবে। এগুলো ইউরোজোনের অর্থনীতির প্রধান সূচক এবং ইউরোর মূল্যে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। উৎপাদন সংক্রান্ত PMI শিল্প উৎপাদনের প্রবণতা নির্দেশ করে, পরিষেবা সংক্রান্ত PMI পরিষেবা খাতের অবস্থা তুলে ধরে, আর কম্পোজিট PMI দুই খাতের ফলাফল একত্র করে ইউরোজোনের অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। এই সূচকগুলোর বৃদ্ধি সাধারণত অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধির ইতিবাচক সংকেত হিসেবে ধরা হয়। এই ক্ষেত্রে, বিনিয়োগকারীরা ইউরো ক্রয় করে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন। তবে PMI-এর পতন অর্থনৈতিক মন্দা বা প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতির ইঙ্গিত দিতে পারে, যা বিনিয়োগকারীদের ইউরো বিক্রির দিকে নিয়ে যাবে, কারণ তারা মনে করতে পারেন ইসিবিকে অর্থনীতিকে প্রণোদনা দেয়ার জন্য পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1819-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1785-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1819-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1756-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1785 এবং 1.1819-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1756-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1725-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। ইসিবির বৈঠকের পর এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1785-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1756 এবং 1.1725-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। চার্টে কী আছে: Read more: https://ifxpr.com/46r6zVd









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৫ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্ট দেখা যায়নি এবং সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন হওয়া সত্ত্বেও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার মধ্যেই এই পেয়ারের মূল্য স্থবির ছিল। এদিন জার্মানি, ইউরোজোন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিষেবা ও উৎপাদন খাতের ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সূচক (PMI) প্রকাশিত হয়; তবে সেগুলোর ফলাফল উল্লেখযোগ্য ছিল না, তাই এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট বা সামগ্রিক প্রবণতায় এর কোনো প্রভাব পড়েনি। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বৈঠকও ট্রেডারদের মনোভাবে তেমন কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি, কারণ ইসিবি কোনো উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং বৈঠক-পরবর্তী চূড়ান্ত বিবৃতিতেও কোনো তাৎপর্যপূর্ণ বা মার্কেটে ব্যাপক মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বক্তব্য ছিল না। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, এই পেয়ারের মূল্য রাতভর অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনটির নিচে কনসোলিডেশন করে। তবে আমরা মনে করি, এই পরিস্থিতিকে সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা উচিত। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য কার্যত একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জে ছিল। এবং যখন মূল্য রেঞ্জের ভেতর থাকে, তখন সিগনালগুলো অনেক সময় ভুল বলে প্রমাণিত হয়। এই মুহূর্তে আমরা এটি বলতে পারছি না যে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শেষ হয়ে গেছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5 মিনিটের টাইমফ্রেমে, বৃহস্পতিবার মাত্র একটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়। ইউরোপীয় সেশনের শুরুতেই—যখন ইসিবি বৈঠকের ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছিল—এই পেয়ারের মূল্য 1.1740–1.1745 এরিয়া থেকে কিছুটা উপরে বাউন্স করে, যদিও সেটি খুব একটা নির্ভুল বাউন্স ছিল না। আমরা এই সিগনালকে সঠিক মনে করি না, কারণ এটি ইসিবির বৈঠকের ফলাফল ঘোষণার সময় গঠিত হয়েছিল—যে সময় হঠাৎ ও আবেগতাড়িতভাবে মুভমেন্টের দিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তিন সপ্তাহব্যাপী কারেকশন সম্ভবত শেষ হয়েছে। যেহেতু সম্প্রতি ট্রাম্পের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং পাওয়েলের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও বাণিজ্য যুদ্ধ আরও তীব্র হয়েছে, তাই মাঝারি মেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো কারণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। এই মুহূর্তে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তির ঘটেছে বলে মনে করছি না। শুক্রবার, পুনরায় EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হতে পারে, এবং আমরা নতুন ট্রেডারদের পরামর্শ দেব 1.1740–1.1745 এরিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে। আজকের সেশনেও এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জে থাকতে পারে, কারণ আজও খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নেই এবং সাম্প্রতিক সময়ে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য অস্থিরতা দেখা যায়নি। তবুও, 1.1740–1.1745 এর আশপাশে বাই ও সেল—দুই ধরনের ট্রেড সিগনাল গঠিত হতে পারে। 5 মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। শুক্রবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আজ ডিউরেবল গুডস বা টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/3IIBr9T









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৮ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য সামান্য নিম্নমুখী হয়েছে। দিনের শেষ দিকে ইউরোর মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইনের নিচে স্থির হয়, তবে আমরা এখনই মনে করছি না যে এই পেয়ারের মূল্যের চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শেষ হয়ে গেছে। ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, সপ্তাহজুড়ে এই পেয়ারের মূল্য ধীরে ধীরে বেড়েছে, তবে স্পষ্ট কোনো এক্সট্রিম লেভেল গঠিত হয়নি। বর্তমানে দ্বিতীয় লোয়ার এক্সট্রিম লেভেল গঠিত হতে পারে, যা একটি নতুন অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। স্মরণ করিয়ে দিই, গত সপ্তাহে ডলারের জন্য খুবই সীমিত সংখ্যক ইতিবাচক খবর ছিল। শুক্রবার কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল — ডিউরেবল গুডস বা টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনের নেতিবাচক ফলাফলের পরও তা এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে তেমন কোনো প্রভাব ফেলেনি। জেরোম পাওয়েলের বক্তব্যেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না, আর ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন এবং আরও কয়েক ডজন বা কয়েক শত পণ্যের উপর নতুন শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন। সুতরাং, এখন সর্বোচ্চ ডলারের মূল্যের একটি কারেকশনের আশা করা যেতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। তবে উভয় সিগন্যালই ভুল প্রমাণিত হয়েছে, কারণ দিনের বেলায় এই পেয়ারের মূল্যের কার্যত কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি এবং অস্থিরতার মাত্রাও আবারও কম ছিল। নতুন ট্রেডারদের মনে করিয়ে দিই, মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জে থাকলে ট্রেডিং সিগন্যাল থেকে বেশি মুনাফা পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। শুক্রবার শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1740–1.1745 এরিয়ার উপরে উঠেছিল, কিন্তু পরে আবার এই রেঞ্জের নিচে নেমে আসে। দ্বিতীয় সিগন্যালের ক্ষেত্রে, মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকে প্রায় 15 পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছিল, তাই ওই ট্রেড থেকে কোনো ক্ষতি হয়নি। সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের তিন সপ্তাহব্যাপী কারেকশন সম্ভবত শেষ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি — বরং ফেডের চেয়ারম্যান পাওয়েলের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব এবং চলমান বাণিজ্য যুদ্ধ আরও তীব্র হয়েছে — সুতরাং আমরা এখনই মাঝারি-মেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধি পাওয়ার মতো কোনো কারণ দেখছি না। এই মুহূর্তে, আমরা মনে করি না যে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শেষ হয়ে গেছে। সোমবার স্থানীয় পর্যায়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী কারেকশন চলমান থাকতে পারে। নতুন ট্রেডারদের জন্য 1.1740–1.1745 এরিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সোমবারও এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট থাকবে না এবং সম্প্রতি মূল্যের অস্থিতার মাত্রাও আশানুরূপ ছিল না। তবুও, 1.1740–1.1745 এরিয়ার আশেপাশে বাই ও সেল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে যে লেভেলগুলো পর্যবেক্ষণ করা উচিত: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। সোমবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। Read more: https://ifxpr.com/3IMduyx









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৯ জুলাই কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার একেবারে স্পষ্ট, যুক্তিসঙ্গত ও ধারাবাহিক কারণে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের দরপতন ঘটে। সারাদিনের মূল ইভেন্টটি ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লায়েন ঘোষণা দিয়েছেন। ঠিক এই চুক্তির প্রাথমিক বিবরণ প্রকাশিত হওয়ার পরপরই ইউরোর মূল্য ধস নামে। এই দরপতনের পেছনে অন্তত দুটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। প্রথমত, বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্র হওয়ার কারণে আগে ডলার দুর্বল হয়েছিল, ফলে বাণিজ্যযুদ্ধ প্রশমিত হলে ডলারের শক্তিশালী হওয়া স্বাভাবিক। দ্বিতীয়ত, এই চুক্তি শুধুমাত্র একটি পক্ষের জন্যই লাভজনক ছিল—এবং সেটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নয়। প্রকাশিত শর্তগুলো এতটাই কড়াকড়িভাবে ব্রাসেলসের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এই তথাকথিত "রূপকথার চুক্তি" স্বাক্ষর করার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই উরসুলা ভন ডার লায়েন ইউরোপে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। এর ফলেই দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন নিম্নমুখী কারেকশন শুরু হয়, যা লোয়ার টাইমফ্রেমগুলোতে নতুন স্থানীয় নিম্নমুখী প্রবণতা হিসেবে প্রতীয়মান হয়। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1563 লেভেলের নিচে স্থায়ীভাবে স্থির হয়, তাহলে ইউরোর দরপতনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকার ইঙ্গিত মিলবে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার দুটি চমৎকার সেল সিগন্যাল তৈরি হয় এবং এই পেয়ারের মূল্যের দৈনিক মুভমেন্ট যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। ইউরোপীয় সেশনের শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1740–1.1745 এরিয়ার নিচে স্থির হয় এবং মার্কিন সেশনের শুরুতে মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ার নিচে নেমে আসে। ফলে, নতুন ট্রেডাররা যেকোনো একটি সিগন্যাল থেকে শর্ট পজিশনে এন্ট্রি করে সন্ধ্যার মধ্যেই লাভ নিশ্চিত করতে পারতেন। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, আবার EUR/USD পেয়ারের নিম্নমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে, যা মূলত কারেকশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং এটি ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির সংবাদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। যেহেতু ট্রাম্পের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি এবং ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের সাথে দ্বন্দ ও বাণিজ্য যুদ্ধের বিষয়গুলো এখনো প্রাসঙ্গিক, সেহেতু দীর্ঘমেয়াদে ডলার শক্তিশালী হওয়ার মতো কোনো মধ্য-মেয়াদী মৌলিক কারণ আমরা এখনো দেখতে পাচ্ছি না। তাই স্বল্পমেয়াদে ডলারের দর কিছুটা বাড়লেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি টেকসই হবে না বলেই মনে হচ্ছে। মঙ্গলবার স্থানীয় পর্যায়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের বিয়ারিশ কারেকশন আরও প্রসারিত করতে পারে, এবং আমরা নতুন ট্রেডারদের 1.1563–1.1571 এরিয়াটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিচ্ছি। এই এরিয়া থেকে বাউন্স হলে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। কিন্তু যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে আবার শর্ট পজিশনের কথা বিবেচনা করা যেতে পারে—এক্ষেত্রে থাকবে 1.1527 এবং 1.1474-এর লেভেল। ৫-মিনিটের চার্টে পর্যবেক্ষণযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। মঙ্গলবারের একমাত্র উল্লেখযোগ্য সামষ্টিক প্রতিবেদন হবে যুক্তরাষ্ট্রের JOLTs থেকে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদন, যা খুব বেশি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে, মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা এখনো সোমবারের বাণিজ্য চুক্তির প্রভাব মূল্যায়ন করছে এবং FOMC-এর আসন্ন বৈঠক ও গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/4lNMNI9









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৩০ জুলাই। ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1541-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, — যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা আস্থা সূচকের শক্তিশালী ফলাফল ডলারের জন্য সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়েছে। জুলাই মাসে কনফারেন্স বোর্ড কনজিউমার কনফিডেন্স বা ভোক্তা আস্থা সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়েও ভালো এসেছে। এই ইতিবাচক ফলাফল নির্দেশ করে যে, মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত কঠোর অবস্থানের মধ্যেও আমেরিকান ভোক্তারা আশাবাদী এবং ব্যয় করতে আগ্রহী রয়েছেন। এমন আস্থা মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার জন্য একটি মূল চালিকা শক্তি — কারণ ভোক্তাদের ব্যয়ই যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। ফরেক্স মার্কেটের ট্রেডাররা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। EUR/USD পেয়ার চাপের মুখে পড়ে, কারণ ডলারের শক্তিশালী হলে সেটি ইউরোর প্রতি আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। বিনিয়োগকারীরা অনুকূল অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করে সক্রিয়ভাবে ইউরো বিক্রি করতে শুরু করে, যার ফলে এই পেয়ারের আরও দরপতন ঘটে। সামগ্রিকভাবে, ভোক্তা আস্থা সূচক মার্কিন ডলারের ইতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তবে, এই প্রবণতা কতটা স্থায়ী হবে তা আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নিয়ে সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। আজ জার্মানির খুচরা বিক্রয় ও জিডিপি এবং ইউরোজোনে জিডিপি সম্পর্কিত প্রতিবেদনের অত্যন্ত দুর্বল ফলাফল প্রকাশের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই তিনটি প্রতিবেদনের ফলাফলের সম্মিলিত ধাক্কা ইউরোজোনের মৌলিক অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। জার্মানির খুচরা বিক্রয়ের দুর্বল ফলাফল — এমন যা ইউরোপের অর্থনৈতিক ইঞ্জিন হিসেবে বিবেচিত — ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়ার একটি উদ্বেগজনক সংকেত হতে পারে। এই উপাদানটি জার্মানি ও ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে। খুচরা বিক্রয়ের পতন সাধারণত ভোক্তা আস্থা হ্রাসের ইঙ্গিত দেয় — যার পেছনে থাকে মুদ্রাস্ফীতির চাপ, উচ্চ জ্বালানি মূল্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা। একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলো জার্মানির জিডিপি পরিসংখ্যান। উৎপাদন খাতে নেতিবাচক প্রবণতা এবং ব্যবসায়িক মনোভাবের অবনতি দুর্বল জিডিপির পূর্বাভাসকে আরও জোরদার করেছে। জার্মানির অর্থনৈতিক সংকোচন ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে — কারণ জার্মানি এই অঞ্চলের বৃহত্তম অর্থনীতি। দৈনিক কৌশলের হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপরই মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1635-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1572-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1635-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরো ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1536-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1572 এবং 1.1635-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1536-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1495-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1572-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1536 এবং 1.1495-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/44SURl5









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৩১ জুলাই ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের বেশ অনেকটা নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1536-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণে, আমি ইউরো বিক্রি করিনি এবং পুরো নিম্নমুখী মুভমেন্টটি এড়িয়ে গেছি। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্যের পর মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়েছে। মনে করিয়ে দিই, ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে এবং পাওয়েল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ উপেক্ষা করে, কমিটির কিছু সদস্যের সুদের হার হ্রাসের আহ্বান এড়িয়ে গেছেন। এমনকি কিছু বিশ্লেষক যারা ফেডের আরও ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থানের প্রত্যাশা করেছিলেন, তাদের প্রত্যাশার বিপরীতে পাওয়েলের অবস্থান বৈশ্বিকভাবে ডলারকে সমর্থন দিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা তার মন্তব্যকে ফেডের পক্ষ থেকে সক্রিয়ভাবে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, যদিও এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কঠোর অবস্থান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন এবং মূল্যস্ফীতির স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দেয়ার বার্তা বহন করে। ডলারের মূল্যের ভবিষ্যত মুভমেন্ট এখন নির্ভর করবে আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল ও ফেডের মুদ্রানীতির ভারসাম্য রক্ষার সক্ষমতার উপর। ভবিষ্যত মুদ্রানীতি সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা নির্ধারণের জন্য মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিটি বিবৃতি ও সিদ্ধান্ত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে। স্বল্পমেয়াদে, ইউরো চাপের মধ্যে থাকতে পারে। ফ্রান্স ও জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফলের কারণে নেতিবাচক প্রভাব আসতে পারে, সেইসাথে জার্মানিতে বেকারত্বের হার বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউরোজোনে বেকারত্ব বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে ভূমিকা রাখতে পারে। বিনিয়োগকারীরা এই প্রধান অর্থনৈতিক সূচকগুলোর দিকেই মনোযোগ দেবে। এগুলোর ফলাফল যেকোনো নেতিবাচক চমক—যেমন এই সূচকগুলোর একটিতে অবনতি—নতুন করে ইউরো বিক্রির প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ এতে ইউরোজোনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়বে। ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI), যেটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি সূচক, বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে। বেশি নিম্ন মূল্যস্ফীতি দেখা গেলে ইসিবি মুদ্রানীতির দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনা করতে এবং সম্ভবত অতিরিক্ত প্রণোদনা পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হতে পারে, যা ইউরোর ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। বেকারত্বের হার বৃদ্ধি, বিশেষ করে জার্মানিতে—যা ইউরোজোনের বৃহত্তম অর্থনীতি—আরও একটি উদ্বেগজনক সংকেত হতে পারে। কর্মসংস্থান হ্রাস পেলে সেটি শিল্পখাতে সংকট এবং ভোক্তা ব্যয়ের পতনের ইঙ্গিত দিতে পারে। এই বিষয়গুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং ইসিবির ওপর মুদ্রানীতি নমনীয় করার চাপ বাড়াতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1489-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1452-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1489-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরো ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1421-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1452 এবং 1.1489-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1421-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1365-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1452-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1421 এবং 1.1365-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4m4qvCf









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১ আগস্ট ইউরোর ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যে শূন্যের অনেক নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1413-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। কোর পারসোনাল এক্সপেন্ডিচার্স (PCE) সূচকের বৃদ্ধির তথ্য প্রকাশের পর মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পায়। বিনিয়োগকারীরা এই প্রতিবেদনের ফলাফলের যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে, ফলে তাদের মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভের কাছ থেকে নিকটবর্তী সময়ে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের প্রত্যাশা হ্রাস পেয়েছে। PCE সূচকের এই বৃদ্ধি—যা মুদ্রাস্ফীতি পরিমাপে ফেডের কাছে মুখ্য সূচক হিসেবে বিবেচিত— মুদ্রাস্ফীতির স্থায়ী চাপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে। এর ফলে মার্কেটে এই ধারণা আরও জোরদার হয়েছে যে, ফেড হয়তো পূর্বানুমানের চেয়েও দীর্ঘ সময় উচ্চ সুদের হার বজায় রাখতে পারে। এটি বুধবারের ফেডের বৈঠক-পরবর্তী ফেডের চেয়ারম্যানের বক্তব্যের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। আজ ইউরোজোনের উৎপাদন সংক্রান্ত PMI ও ভোক্তা মূল্য সূচক প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে কোর CPI-ও প্রকাশ করা হবে। এই প্রতিবেদনগুলো ইউরোপীয় অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। PMI, বা পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স, উৎপাদন খাতের পরিস্থিতি নির্দেশ করে। এই সূচকের ৫০-এর নিচে মান উৎপাদনে সংকোচনের সংকেত দেবে এবং এটি ইউরোকে দুর্বল করতে পারে। ভোক্তা মূল্য সূচকও গুরুত্বপূর্ণ। হেডলাইন CPI-এ বিস্তৃত পরিসরে পণ্য ও সেবার দামের পরিবর্তন তুলে ধরা হয়, আর কোর CPI—যেখানে খাদ্য ও জ্বালানির মতো অস্থির উপাদান বাদ দেওয়া হয়—মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা দেয়। CPI-এর বৃদ্ধি ঘটলে ইসিবি মুদ্রানীতি কঠোর করতে বাধ্য হতে পারে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে মন্থর করে দিতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1490-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1446-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1490-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরো ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1413-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1449 এবং 1.1490-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1413-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1365-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1446-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1413 এবং 1.1365-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4fdX5Pk









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ট্রাম্প মার্কেটে ধস নামালেন। এখন মার্কিন কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে মার্কেটে আলোড়ন সৃষ্টিকারী শিরোনাম তৈরির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখনো বিশ্বের প্রধান উৎস হিসেবে রয়ে গেছেন, যিনি একা-হাতে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটকে দুই দিকেই দোলাতে পারেন। বৃহস্পতিবার, বিনিয়োগকারীরা উদ্দীপিত হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত শুল্ক জয়ের খবর মার্কেটে মূল্যায়ন করতে শুরু করেন, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্র লাভবান এবং কোরিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এমন ধারণা তৈরি হয়। এর ফলে স্টক, কমোডিটি এবং কাঁচামালের চাহিদা বেড়ে যায়, এবং মার্কিন ডলারের মূল্যের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। তবে, এই পরিস্থিতি বেশিক্ষণ বজায় থাকেনি। বিনিয়োগকারীদের মাঝে আশাবাদ হারিয়ে যায় যখন গণমাধ্যম মনে করিয়ে দেয় যে ১ আগস্ট ঘনিয়ে আসছে—এবং এই সময়ের মধ্যেও ট্রাম্প চীন বা ভারতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশের সাথে চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেননি, যারা যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করে থাকে। গতকাল ট্রাম্প উত্তেজনা আরও বাড়ান, শুধু চীন ও ভারত নয়—তিনি ব্রাজিলকেও উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের হুমকি দেন। পাশাপাশি, ব্রিকস সদস্যদের—বিশেষ করে ব্রাজিল এবং ভারতকে—বিনাশমূলক নিষেধাজ্ঞার ভয় দেখান। স্বাভাবিকভাবেই, এই নতুন সংঘাত মার্কেটের ট্রেডাররা উপেক্ষা করতে পারেনি, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ইকুইটি মার্কেটে কারেকশন শুরু হয় এবং আজ সকালের সেশনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে এর প্রভাব পড়েছে। যদিও এসব নতুন কিছু নয়, বিনিয়োগকারীরা এখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতোই বৈশ্বিক পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছেন, কারণ এ মুহূর্তে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনই মূল বিনিয়োগ পরিস্থিতি নির্ধারণ করছে। ট্রাম্পের নেতিবাচক প্রভাব ট্রেডারদের বুলিশ প্রবণতার সম্ভাবনা পানি ঢেলে দিয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত, এশিয়ার স্টক সূচকগুলোতে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, ঠিক যেমনটি ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার সূচকেও দেখা যাচ্ছে। অবশ্যই, ১ আগস্টের আগমন এবং তার সঙ্গে থাকা বৃদ্ধপ্রায় আধিপত্যবাদীর শুল্ক হুমকিগুলো মার্কেটে চাপ তৈরি করছে—তবে প্রশ্ন হলো: এই নেতিবাচক পরিস্থিতি কতদিন স্থায়ী হবে? যদি ট্রাম্প "আগ্রাসী দেশগুলোর" বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য না করেন, তাহলে আমার মনে হয় বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ ধীরে ধীরে আরও নির্দিষ্ট বিষয়ে স্থানান্তরিত হবে—যার মধ্যে একটি হলো জুলাই মাসের যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন। সর্বসম্মত পূর্বাভাস অনুযায়ী, নতুন নন-ফার্ম পেরোলের সংখ্যা 106,000-এ পৌঁছাতে পারে, যা এক মাস আগে ছিল 147,000। বেকারত্বের হার 4.1%-এর জায়গায় 4.2% হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, অন্যদিকে বার্ষিক গড় ঘণ্টাপ্রতি আয় 3.7%-এর পরিবর্তে 3.8% এবং জুলাই মাসে 0.2%-এর তুলনায় 0.3% বাড়তে পারে। এর বাইরে, ট্রেডারদের দৃষ্টি গত মাসের উৎপাদন সংক্রান্ত PMI-এর দিকেও থাকবে, যা 52.9 থেকে কমে প্রতীকী 50-এর নিচে 49.5-এ নেমে আসতে পারে। মার্কেটের ট্রেডাররা এসব খবরের প্রতি কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে? যুক্তরাষ্ট্র বনাম শক্তিশালী উৎপাদক দেশের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া বাণিজ্য সংঘাতের পটভূমিতে, বিনিয়োগকারীরা সম্ভবত এখনো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর দিকে মনোযোগ সরাবে। যদি প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল সামগ্রিকভাবে আরও নেতিবাচক চিত্রের ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে ট্রেডাররা মনে করতে পারে যে ফেডারেল রিজার্ভ সেপ্টেম্বর মাসে সুদের হার 0.25% কমাতে বাধ্য হবে। এই প্রত্যাশিত পদক্ষেপ মার্কেটের পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে পারে এবং গতকালের শুরু হওয়া বিক্রির প্রবণতা থামাতে বা এমনকি সার্বিক প্রবণতা বদলে দিতেও পারে। যদি নতুন চাকরির সংখ্যা সামান্য বেশি হয়, তাহলে মার্কিন ডলার স্থানীয়ভাবে সমর্থন পেতে পারে এবং ডলার সূচক ফের 100.00 লেভেলের উপরে উঠে যেতে পারে, যেখানে এটি বর্তমানে নিচে রয়েছে। এই ধরনের ফলাফল স্টক মার্কেটের বিনিয়োগকারীদেরও কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে, গতকাল এবং আজ ট্রাম্পের চীন ও ভারতের বিরুদ্ধে নতুন, যদিও এটি কিছুটা প্রত্যাশিত ছিল, সংঘাতের কারণে হওয়া ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দিতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4oo8ocb









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৪ আগস্ট কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে, যা পুরোপুরিভাবে যৌক্তিক ছিল—যা গত সপ্তাহে মার্কেটে সৃষ্ট সব মুভমেন্টের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। মনে করিয়ে দেওয়া যাক, গত সপ্তাহের বেশিরভাগ সময় (চার দিন) দৃঢ়ভাবে ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল, কারণ প্রায় সব খবর ডলারের পক্ষে সহায়ক ছিল। এর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় প্রান্তিকে শক্তিশালী জিডিপি, ডোনাল্ড ট্রাম্পের চমকপ্রদ কিন্তু লাভজনক বাণিজ্য চুক্তিসমূহ, এবং ফেডারেল রিজার্ভ বৈঠকে জেরোম পাওয়েলের হকিশ বা কঠোর অবস্থান। শুক্রবার যখন ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় এবং ট্রাম্প 60টি দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তখন এই পুরো "তাসের ঘর" ভেঙে পড়ে। তখনই বোঝা যায় যে, যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় প্রান্তিকে যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে, তার বাস্তব কোনো ভিত্তি ছিল না। মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে, আর শ্রমবাজার সঙ্কুচিত হচ্ছে। অর্থাৎ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা ব্যবসায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে নয়, বরং শুল্ক আরোপ এবং আমদানি-রপ্তানি ভারসাম্যে কৃত্রিম বিকৃতি ঘটিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করানো হচ্ছে। এভাবে, বিনিয়োগকারীরা অবশেষে সেই সরল সত্যটি বুঝতে পেরেছে যা আমরা আগেই বলেছিলাম: ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা কাগজে-কলমে ভালো মনে হলেও বাস্তবতা ততটা আশাব্যঞ্জক নয়। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1928936385.jpg[/IMG] EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার 5 মিনিটের টাইমফ্রেমে বেশ কয়েকটি সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু আমরা সেগুলো চিহ্নিত করার ব্যাপারেও আগ্রহী ছিলাম না। যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট অত্যন্ত শান্ত ছিল, এবং কার্যত কোনো ট্রেডিং সিগন্যালও গঠিত হয়নি। ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন প্রকাশের আগে মার্কেটে প্রবেশ এন্ট্রির কোনো যৌক্তিকতা ছিল না। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের এলোমেলো মুভমেন্ট শুরু হয়, এবং ট্রেডাররা সেসময় কোনো টেকনিক্যাল লেভেলকেই গুরুত্ব দেয়নি। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1278228158.jpg[/IMG] সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, সামনে আবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের চলতি বছরের শুরু থেকে সৃষ্ট ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ডলারের বাজারদর "তাসের ঘরের" মতো করে ভেঙে পড়েছে। আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে, আমেরিকান মুদ্রার দীর্ঘমেয়াদি দর বৃদ্ধির কোনো মৌলিক কারণ নেই এবং ট্রাম্পের গৃহীত অবস্থানের থেকে তৈরি হওয়া "আশাবাদ"-এর ভিত্তি দুর্বল। শুক্রবারের ঘটনাপ্রবাহ আমাদের সেই মূল্যায়নই সঠিক বলে প্রমাণ করেছে। সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকেই মুভমেন্ট করতে পারে, কারণ ট্রেডাররা এখনও শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল "বিশ্লেষণ" করছে। শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল ছাড়াও, আমরা আরও উল্লেখ করতে চাই যে ট্রাম্প নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছেন—যার সঙ্গে বেশ কিছু দেশকে হুমকি-ধামকিও দিয়েছেন। আমাদের বিশ্বাস, ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকবে। সোমবার, 5 মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা যেতে পারে: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। সোমবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তবে যেহেতু ট্রাম্প "নির্বিচারে বিভিন্ন সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছেন," তাই কিছু না কিছু খবর আসার প্রত্যাশা রাখা যেতে পারে।









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ISM পরিষেবা সূচক ও শ্রম ব্যয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং ফেডের সংকেত আসন্ন সপ্তাহে EUR/USD পেয়ারের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। তবে এর মানে এই নয় যে মার্কেটে শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করবে—যুক্তরাষ্ট্রের স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রতিও বিনিয়োগকারীরা তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। এর কারণ হলো, গত সপ্তাহের শেষে প্রকাশিত জুলাইয়ের ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কিন ডলারের মৌলিক প্রেক্ষাপটকে নাটকীয়ভাবে বদলে দিয়েছে। রূপকভাবে বলতে গেলে, এ যেন "রাজার গায়ে পোশাক নেই": যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো (BLS) মে ও জুন মাসে প্রকাশিত শক্তিশালীভাবে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির আগের তথ্যকে ভুল বলে ঘোষণা করেছে। এই কঠিন বাস্তবতায় ট্রেডাররা বিস্মিত হয়ে পড়ে: দেখা যায়, মে মাসে কেবলমাত্র 19,000টি (যেখানে আগের তথ্য ছিল 139,000), এবং জুনে মাত্র 14,000 (আগে দাবি করা হয়েছিল 147,000) কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। 258,000 কর্মসংস্থানের সংখ্যার সংশোধন কোনো "পরিসংখ্যানগত ত্রুটি" নয়—এটি মার্কিন ডলারের জন্য একটি বড় ধাক্কা, যার পূর্ববর্তী দর বৃদ্ধি মূলত শ্রমবাজারের টানাপোড়েনের ওপর নির্ভর করছিল। অতএব, ননফার্ম পেরোলের ফলাফলের সংশোধন এবং জিডিপি উপাদানগুলোর বিস্তারিত বিশ্লেষণের পর ট্রেডাররা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। সামনের প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতা কিংবা অর্থনৈতিক মন্দার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ঘোষিত 3% জিডিপি প্রবৃদ্ধি মূলত হিসাবভিত্তিক কৃত্রিমতা ছিল—যার পেছনে ছিল "অ্যাকাউন্টিং এনহান্সমেন্ট অ্যালগরিদম।" হঠাৎ করে আমদানির 30% হ্রাস (যা জিডিপির নেতিবাচক উপাদান হ্রাস করে) মূল্য সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটিয়েছে, অথচ দেশীয় চাহিদা এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতি দুর্বল ছিল। বাণিজ্য ও তথাকথিত মজুদের প্রভাব বাদ দিলে প্রকৃত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র 1.2%–1.4%। এ কারণেই আসন্ন সব সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট সাম্প্রতিক এসব প্রতিবেদনের আলোকে বিশ্লেষণ করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন প্রকাশের দেড় ঘণ্টা পর প্রকাশিত ISM উৎপাদন সূচক ডলারের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে। প্রথমত, সূচকটি টানা পাঁচ মাস ধরে সংকোচনের অঞ্চলে (৫০ পয়েন্টের নিচে) অবস্থান করছে। দ্বিতীয়ত, এটি প্রত্যাশিত 49.5-এর পরিবর্তে 48.0-এ নেমে এসেছে, যা উৎপাদন খাতের আরও অবনতি নির্দেশ করে। দুর্বল অর্ডার এবং কর্মসংস্থানের তীব্র পতন বিনিয়োগকারীদের আবার যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক ঝুঁকির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার, 5 আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে ISM পরিষেবা PMI প্রকাশিত হবে। মে মাসে এই সূচক 49.9-এ নেমে গিয়েছিল, তবে জুনে তা বেড়ে 50.8 হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, জুলাইয়ে এটি আরও বেড়ে 51.5 হতে পারে। তবে যদি এটি আবার ৫০-এর নিচে নেমে আসে, তাহলে ডলারের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হতে পারে, কারণ পরিষেবা খাতই বর্তমানে জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ধরে রাখার শেষ শক্তিশালী স্তম্ভ। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় খাত, যা জিডিপির 70%-এর বেশি এবং মোট কর্মসংস্থানের 75%-এর বেশি প্রতিনিধিত্ব করে। যদি ISM পরিষেবা সূচক আবার ৫০-এর নিচে নামে, তাহলে বোঝা যাবে যে এখন উৎপাদন ও পরিষেবা—উভয় খাতেই মন্থরতার সম্ভাবনা বিস্তৃত হয়ে গেছে। এই প্রতিবেদনটিই সম্ভবত সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন। অন্য প্রতিবেদনগুলোর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম হলেও, তা সামগ্রিক মৌলিক চিত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সোমবার, 4 আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে ফ্যাক্টরি অর্ডারস সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এটি একটি ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ইঙ্গিত প্রদানকারী সূচক, যা ভোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে উৎপাদন চাহিদার পরিবর্তন নির্দেশ করে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, জুন মাসে অর্ডারস 4.9% হ্রাস পেতে পারে, যেখানে আগের মাসে তা 8.2% বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই ফলাফল—বিশেষ করে ISM উৎপাদন সূচকের সংকোচনের প্রেক্ষাপটে—মার্কিন ডলারের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বৃহস্পতিবার, 7 আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিট লেবার কস্ট (ULC) সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। অধিকাংশ বিশ্লেষক ধারণা করছেন দ্বিতীয় প্রান্তিকে শ্রমব্যয় কেবলমাত্র 1.4% বৃদ্ধি পা, যেখানে প্রথম প্রান্তিকে তা 6.6% বৃদ্ধি পেয়েছে। যদি শ্রম ব্যয় পূর্বাভাসের অনুযায়ী বা তার চেয়েও কম আসে, তাহলে তা মজুরি বৃদ্ধির ধীরগতির সংকেত দেবে—যা সেপ্টেম্বরে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর পক্ষে একটি অতিরিক্ত যৌক্তিকতা তৈরি হবে। আসলে, জুলাইয়ের ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন প্রকাশের পর, ফেডের পরবর্তী বৈঠকে 25 বেসিস পয়েন্ট সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা 35% থেকে বেড়ে 80%-এ দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, সপ্তাহজুড়ে অনুষ্ঠেয় ফেডের কর্মকর্তাদের কয়েকটি বক্তব্য মার্কেটের ট্রেডারদের ডোভিশ বা নমনীয় মনোভাবকে আরও শক্তিশালী বা ভারসাম্যপূর্ণ করতে পারে। বুধবার, 6 আগস্ট সান ফ্রান্সিসকো ফেড প্রেসিডেন্ট মেরি ডেইলি বক্তব্য দেবেন। এ বছর তাঁর ভোটাধিকার নেই। জুলাইয়ে তিনি ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণকারীদের শিবিরে মৌখিকভাবে যোগ দিয়েছিলেন (যদিও তিনি তখন সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন), এবং বছরের শেষ নাগাদ দুইবার হার কমানোর পক্ষে সমর্থন জানিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায়, তার বক্তব্যে আরও নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দেয়া হতে পারে। এই দিনেই বোস্টন ফেডের প্রেসিডেন্ট সুসান কলিন্সও বক্তব্য দেবেন। তার এ বছর ভোটাধিকার রয়েছে এবং তিনি সাধারণত মধ্যপন্থী অবস্থান গ্রহণ করেন, যার ফলে তাঁর বক্তব্য সাধারণত সতর্ক হয়ে থাকে। যদি তিনি তার স্বাভাবিক সতর্কতা সত্ত্বেও ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থানের দিকে ঝুঁকেন, তাহলে ডলারের ওপর তাৎক্ষণিক চাপ তৈরি হতে পারে। এছাড়া, বুধবার ফেডের গভর্নর লিসা কুক (FOMC-এর স্থায়ী ভোটার) বক্তৃতা দেবেন। তিনি সাধারণত মাঝারি মাত্রায় ঝুঁকি গ্রহণের দৃষ্টিভঙ্গির পরিচিত মুখ, তাই তার বক্তব্যে যেকোনো ধরনের ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত EUR/USD পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। পরের দিন, 7 আগস্ট আটলান্টা ফেডের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল বোস্টিক বক্তব্য দেবেন (2025 সালে তাঁর ভোটাধিকার নেই)। তিনি অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি বছরের শেষ নাগাদ কেবল একবার সুদের হার কমানোর পক্ষপাতী—তাও যদি শ্রমবাজার শক্তিশালী থাকে এবং মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পেতে থাকে। শুক্রবারের "সারপ্রাইজ"-এর পর, তার অবস্থান অনেকটাই নমনীয় হয়ে যেতে পারে। শুক্রবার, 8 আগস্ট সেন্ট লুইস ফেড প্রেসিডেন্ট আলবার্টো মুসালেম (যার এ বছর ভোটাধিকার রয়েছে) তার মতামত প্রকাশ করবেন। মুসালেম "অপেক্ষা করুন ও দেখুন" পন্থার সমর্থক—তিনি জুলাইয়ে বলেছিলেন যে শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাব পুরোপুরি মুদ্রাস্ফীতিতে প্রতিফলিত হবে 2025 সালের শেষভাগে বা 2026 সালের শুরুতে। জুলাইয়ের NFP-র ফলাফল তার অবস্থান বদলাতে পেরেছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সুতরাং, এই সপ্তাহের মূল সামষ্টিক প্রতিবেদন এবং ফেড সদস্যদের মন্তব্য মার্কিন ডলারের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/46AG9QZ









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৬ আগস্ট কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার সাথে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের সাইডওয়েজ ট্রেডিং অব্যাহত ছিল। দিনের মধ্যে কেবল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় — সেটি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ISM পরিষেবা সংক্রান্ত PMI। আমাদের প্রত্যাশানুযায়ী, এই প্রতিবেদনটির ফলাফল পূর্বাভাসের চেয়ে দুর্বল ছিল — যা জুলাই মাসে 50.1 পয়েন্টে নেমে এসেছে। এর ফলে আমরা দুটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারি। প্রথমত, মার্কিন পরিষেবা খাতও বাণিজ্যযুদ্ধ এবং ট্রাম্পের নীতির প্রভাবে ভুগছে। দ্বিতীয়ত, ISM পরিষেবা সূচক ইতোমধ্যেই আগস্টে 50.0-এর নিচে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সামগ্রিকভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি: দুর্বল শ্রমবাজার, বেকারত্ব বৃদ্ধি, দুটি ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচকের পতন হচ্ছে, অথচ আরেকদিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধিও হচ্ছে। আমাদের দৃষ্টিতে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল নতুন করে ডলারের দরপতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মৌলিক প্রেক্ষাপটের বিষয়টি আমরা আবার পুনরাবৃত্তি করবো না – কারণ আমাদের মতে, এখনও ডলারের জন্য চরমভাবে নেতিবাচক মৌলিক প্রেক্ষাপট বিরাজ করছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ISM পরিষেবা PMI প্রকাশের পরই কিছুটা মুভমেন্ট দেখা গেছে। ঠিক তখনই এই পেয়ারের মূল্য একটি স্পষ্ট ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম প্রদর্শন করে। মার্কেটে সাম্প্রতিক প্রবণতার ধরন বিবেচনায়, চার্টে এমন চারটি লেভেল রয়েছে যেগুলোর মধ্যে ট্রেড করা অর্থহীন। দিনের শেষে, এই পেয়ারের মূল্য এই সমস্ত লেভেলের উপরে কনসোলিডেট করেছে, তাই আমরা এখনও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের চলতি বছরের শুরু থেকে সৃষ্ট ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ডলারের "তাসের ঘর" ভেঙে পড়েছে। আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে মার্কিন মুদ্রার দীর্ঘমেয়াদি দর বৃদ্ধির জন্য কোনো শক্তিশালী চালিকা শক্তি নেই, এবং ট্রাম্পের নীতিমালা ঘিরে যে "আত্মবিশ্বাস" তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও আমরা প্রশ্ন তুলেছিলাম। শুক্রবারের ঘটনাগুলো আমাদের অবস্থানকে সঠিক প্রমাণ করেছে। বুধবার আবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম শুরু হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার বিনিয়োগকারীরা ভালোভাবেই বিশ্রাম নিয়েছে, তাই এখন সময় এসেছে মার্কিন ডলার বিক্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার। শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল ছাড়াও, উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন একগুচ্ছ শুল্ক — সাথে রয়েছে নতুন দফায় হুমকি-ধামকি। এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি শুরু হওয়ার জন্য একটি সাপোর্ট জোন হিসেবে আমরা 1.1527–1.1571 রেঞ্জটি ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছি। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1552–1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908. বুধবারের জন্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নে খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে, সেইসাথে মার্কিন অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তেমন কিছুই প্রকাশের কথা নেই। ফলে, আজ আবারও এই পেয়ারের মূল্যের স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4lgu3jw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ডলার চাপের সম্মুখীন হয়েছে গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার নিয়ে ফেডারেল রিজার্ভের তিনজন কর্মকর্তার শঙ্কা প্রকাশের পর মার্কিন ডলার প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে দরপতনের শিকার হয়। ফেডের কর্মকর্তারা সেপ্টেম্বর মাসে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। বিনিয়োগকারীরা যারা মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে ফেডের আরও আগ্রাসী অবস্থানের প্রত্যাশা করছিলেন, তাদের পজিশন পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হওয়ায় ডলারের চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষ মনোযোগ ছিল ফেডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যে, যেখানে তারা কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাত্রা হ্রাস এবং বেকার ভাতার দাবির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। সাম্প্রতিক প্রতিবেদন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার চাপের মধ্যে পড়ছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে আরও নমনীয় আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন করার প্রয়োজন হতে পারে। সুদের হার কমানোর মাধ্যমে মূলত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে প্রণোদনা দেওয়া এবং কর্মসংস্থান খাতকে সহায়তা করার চেষ্টা করা হয়। তবে, এটি নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত নয়। মূল অর্থনৈতিক সূচকগুলোর—বিশেষ করে মুদ্রাস্ফীতি ও শ্রমবাজার—গতি প্রকৃতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদি মুদ্রাস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার উপরে থেকে যায় এবং শ্রমবাজার শক্তিশালী থাকে, তবে ফেড সুদের হার কমাতে দেরি করতে পারে অথবা আবারও আর্থিক নীতিমালা কঠোর করতে পারে। সান ফ্রান্সিসকো ফেডের প্রেসিডেন্ট ম্যারি ডেলি বলেন, শ্রমবাজার পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে আগামী মাসগুলোতে নীতিমালা সামঞ্জস্য করার প্রয়োজন হতে পারে। আলাস্কার আঙ্করেজে এক ইভেন্টে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, "শ্রমবাজার পরিস্থিতি দুর্বল হয়েছে। আমি চাই না এটি আরও দুর্বল হোক। এ কারণে আগামী মাসগুলোতে নীতিমালায় সামঞ্জস্যের সম্ভাবনা রয়েছে।" ফেডের গভর্নর লিসা কুক বস্টনে একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জুলাইয়ের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনে গত তিন মাসের সংখ্যাগুলো বড় পরিসরে সংশোধন করে নিম্নমুখী করা হয়, যা তাকে চিন্তিত করে তুলেছে। কুকের মতে, অর্থনীতির বাঁকবদলের সময় এ ধরনের সংশোধন প্রায়ই দেখা যায়। মিনিয়াপলিস ফেড প্রেসিডেন্ট নিল কাশকারিও বুধবার বলেন যে শ্রমবাজারে মন্থরতার বিভিন্ন ইঙ্গিত উঠে এসেছে, যা তাকে উদ্বিগ্ন করছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "অর্থনীতি মন্থর হয়ে পড়ছে।" তিনি আরও বলেন, "নিকট ভবিষ্যতে ফেডারেল সুদের হারে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন হতে পারে,"—ফেডের মূল সুদের হারকে নির্দেশ করে তিনি এই কথা বলেন। কাশকারি আরও জানান, তিনি এখনও আশা করছেন ফেড 2025 শেষ হওয়ার আগেই দুইবার সুদের হার কমাবে। মনে করিয়ে দেওয়া যেতে পারে, গত সপ্তাহে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী শ্রমবাজারের কর্মকাণ্ডে গত কয়েক মাসে দৃশ্যমান মন্থরতা দেখা গেছে। জুলাইয়ে নিয়োগ হয়েছে মাত্র 73,000, যা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম এবং আগের দুই মাসের চাকরির সংখ্যা প্রায় 260,000 কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছে। জুনে বেকারত্বের হার ছিল 4.1%, যা জুলাইয়ে বেড়ে 4.2%-এ পৌঁছেছে। জুলাই মাসের শেষদিকে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছিল। পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে সেপ্টেম্বর মাসে। এরপর 2025 সালে আরও দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। EUR/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস বর্তমানে ক্রেতাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1690 লেভেলে পুনরুদ্ধার করা। কেবল তখনই 1.1730 টেস্টের সুযোগ তৈরি হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1760 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যদিও বড় বিনিয়োগকারীদের সমর্থন ছাড়া এটি কঠিন হতে পারে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1800-এর লেভেল নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, যদি দরপতন দেখা দেয়, তাহলে মূল্য 1.1655 লেভেলের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় উল্লেখযোগ্য ক্রয়ের আগ্রহের আশা করা যায়। যদি সেই জায়গায় কোনো ক্রয় কার্যক্রম না দেখা যায়, তাহলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1610 লেভেল পুনরায় টেস্টের জন্য অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত হবে, অথবা 1.1565 থেকে লং পজিশনের পরিকল্পনা করা যেতে পারে। GBP/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস পাউন্ডের ক্রেতাদের এখন মূল্যকে নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্স 1.3380 লেভেলে পুনরুদ্ধার করতে হবে। কেবল তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3425-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে, যার ব্রেকআউট করে মূল্যের উর্ধ্বমুখী হওয়ার বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.3450 লেভেল। অন্যদিকে, যদি পুলব্যাক দেখা যায়, তাহলে বিক্রেতারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3330 লেভেল পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে, সেই রেঞ্জের ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি GBP/USD ক্রেতাদের ওপর বড় আঘাত হবে এবং এই পেয়ারের মূল্য 1.3280 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যার পর 1.3250 পর্যন্ত দরপতন বিস্তৃত হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4mwzcVG









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৮ আগস্ট কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের সামান্য পুলব্যাক হয়েছে, তবে এই দরপতন ক্ষণস্থায়ী ও তুলনামূলকভাবে দুর্বল ছিল। মূলত, এখনও ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার তেমন কোনো কারণ নেই, এবং কারেন্সি মার্কেট ক্রিপ্টো মার্কেটের মতো নয় — এখানে মূল্যের ওঠানামা অনেক কম অস্থিরতার সাথে হয় এবং মাঝে মাঝে কারেকশন হওয়াটা স্বাভাবিক। সুতরাং, আজ আমরা আরও একবার সামান্য পুলব্যাক হতে দেখতে পারি, বিশেষ করে যখন আজকের ক্যালেন্ডারে কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক অনুঘটক নেই। তবে মধ্যমেয়াদি দৃষ্টিকোণ থেকে, আমরা এখনো EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার আশা করছি। বৃহস্পতিবারের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের মধ্যে কেবল জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন উল্লেখযোগ্য — এবং এটির ফলাফল প্রত্যাশিতভাবেই হতাশাজনক ছিল। তবে এটা মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন যে, এই সপ্তাহে ট্রাম্প নতুন করে আরও এক দফা শুল্ক আরোপ করেছেন, এবং পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রধানের বরখাস্তের পর ট্রেডাররা এখন ফেডারেল রিজার্ভের স্বতন্ত্রতা ও ভবিষ্যৎ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় সেশনে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এর উপরে কনসোলিডেট করেছে, আর মার্কিন সেশনে মূল্য ওই এরিয়ার নিচে নেমে গেছে। উভয় ক্ষেত্রেই মূল্য প্রত্যাশিত দিকেই কমপক্ষে ২০ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। প্রথম ট্রেডে সম্ভবত ব্রেকইভেনে স্টপ লস ট্রিগার হয়েছে। দ্বিতীয় ট্রেডে, নতুন ট্রেডাররা সন্ধ্যায় ম্যানুয়ালি পজিশন ক্লোজ করে সামান্য লাভ করতে পেরেছেন। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের চলতি বছরের শুরু থেকে সৃষ্ট ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ডলারের "তাসের ঘর" ভেঙে পড়েছে। আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে মার্কিন মুদ্রার দীর্ঘমেয়াদি দর বৃদ্ধির জন্য কোনো শক্তিশালী চালিকা শক্তি নেই, এবং ট্রাম্পের নীতিমালা ঘিরে যে "আত্মবিশ্বাস" তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও আমরা প্রশ্ন তুলেছিলাম। শুক্রবারের ঘটনাগুলো আমাদের অবস্থানকে সঠিক প্রমাণ করেছে। শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকেই মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ আজ তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। যদি ট্রাম্প আবার এমন কোনো উচ্চ-প্রভাবসম্পন্ন সিদ্ধান্ত নেন যা মার্কেটে আলোড়ন সৃষ্টি করে তাহলে আলাদা বিষয়। আজ নতুন ট্রেডাররা 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যদিও এই পেয়ারের মূল্যের সার্বিক মুভমেন্ট বৃহস্পতিবারের মতোই হতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ে বিবেচনার জন্য প্রাসঙ্গিক লেভেলগুলো হলো: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1552–1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। আজ ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। সুতরাং, আপাতত সমস্ত আশা নির্ভর করছে ট্রাম্পের উপর। Read more: https://ifxpr.com/46OhRTE









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১১ আগস্ট কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? [URL="https://ifxpr.com/4mCqNjJ"]শুক্রবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ার প্রায় সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে ট্রেড করেছে। সেদিন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, তাই ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো কিছু ছিল না। অবশ্যই, মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা হোয়াইট হাউস থেকে ধারাবাহিক তথ্যপ্রবাহ উপেক্ষা করতে পারেন না। এ সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিপুল সংখ্যক নতুন শুল্ক আরোপ করেছেন, ভবিষ্যতে আরও শুল্ক বৃদ্ধির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন এবং ভ্লাদিমির পুতিন ও ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ইউক্রেনে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকের আয়োজন করেছেন। এসব কারণ কোনোভাবেই ডলারের পক্ষে নয়। ইউক্রেন সংকটের সমাধান ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটকে সমর্থন দেবে। নতুন শুল্ক বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধে নতুন মাত্রা যোগ করছে। এর পাশাপাশি, এখনো ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা অন্যান্য বৈশ্বিক কারণ রয়েছে, যেমন ফেডারেল রিজার্ভের ওপর ট্রাম্পের চাপ প্রয়োগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি পরিসংখ্যানের প্রতি মার্কেটের বিনিয়োগকারীদের আস্থার তীব্র পতন। আমাদের বিশ্বাস, মার্কিন মুদ্রার দরপতন অব্যাহত থাকবে। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1203290012.jpg[/IMG] EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট শুক্রবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে তিনটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে তিনবার রিবাউন্ড করেছিল, তবে দিনের মোট অস্থিরতার পরিমাণ ছিল মাত্র 50 পিপস। সুতরাং, সমস্যাটি সিগন্যাল বা লেভেলের নয়, বরং সেদিন মার্কেটেই ট্রেডিংয়ের প্রতি আগ্রহের অভাব ছিল। তবে কোনো সিগন্যালেই লোকসান হয়নি, কারণ এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ার উপরে উঠতে পারেনি। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/363078331.jpg[/IMG] সোমবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের এ বছরের শুরু থেকে গঠিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে। গত শুক্রবার মার্কিন ডলারের "তাসের ঘর" ধসে পড়েছিল। তারপর থেকে আমরা একাধিক সংবাদ দেখেছি, যা ডলারের জন্য আরও সংকট তৈরি করেছে। আমরা পূর্বেও সতর্ক করেছিলাম যে মার্কিন মুদ্রার দীর্ঘমেয়াদি দর বৃদ্ধির কোনো চালিকা শক্তি নেই এবং ট্রাম্পের গৃহীত নীতিমালা ও তার অর্থনৈতিক ফলাফলের সঙ্গে যুক্ত "আশাবাদ" নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। সর্বশেষ প্রতিবেদনের ফলাফল ও ঘটনাপ্রবাহ নিশ্চিত করেছে যে এই সমস্যাগুলোর অস্তিত্ব বাস্তবেই রয়েছে। সোমবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ আজ খুব কম সংবাদ থাকবে — যদি না ট্রাম্প নতুন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করেন। আজ নতুন ট্রেডাররা 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য যেসব লেভেল বিবেচনা করা উচিত: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1552–1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। সোমবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। সুতরাং, একমাত্র সম্ভাব্য অনুঘটক হিসেবে থাকছেন ট্রাম্প।[/URL] Read more: [url]https://ifxpr.com/4mCqNjJ[/url]









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১২ আগস্ট ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1633 লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রি করিনি। আমি অন্য কোনো এন্ট্রি পয়েন্টও পাইনি। গতকাল একটি কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হয়েছে, তবে পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে আজকের আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। ইউরোজোনের ZEW অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত সূচক এবং জার্মানির বর্তমান পরিস্থিতির সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই সূচকগুলো ইউরোপীয় অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেবে। বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে জার্মানির বর্তমান পরিস্থিতির সূচকের দিকে, কারণ দেশটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। প্রকাশিত প্রতিবেদন বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হবে, যারা বর্তমান চ্যালেঞ্জিং সময়ে ইউরোপীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন করতে চান। বর্তমানে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও ভোক্তা ব্যয়ের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে। উল্লিখিত সূচকের বৃদ্ধি ইঙ্গিত দিতে পারে যে জার্মান অর্থনীতি ধীরে ধীরে নতুন বাস্তবতার সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে, বিপরীতে সূচকটির পতন ঘটলে সেটি আসন্ন অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1633 লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রি করিনি। আমি অন্য কোনো এন্ট্রি পয়েন্টও পাইনি। গতকাল একটি কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হয়েছে, তবে পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে আজকের আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। ইউরোজোনের ZEW অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত সূচক এবং জার্মানির বর্তমান পরিস্থিতির সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই সূচকগুলো ইউরোপীয় অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেবে। বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে জার্মানির বর্তমান পরিস্থিতির সূচকের দিকে, কারণ দেশটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। প্রকাশিত প্রতিবেদন বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হবে, যারা বর্তমান চ্যালেঞ্জিং সময়ে ইউরোপীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন করতে চান। বর্তমানে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও ভোক্তা ব্যয়ের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে। উল্লিখিত সূচকের বৃদ্ধি ইঙ্গিত দিতে পারে যে জার্মান অর্থনীতি ধীরে ধীরে নতুন বাস্তবতার সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে, বিপরীতে সূচকটির পতন ঘটলে সেটি আসন্ন অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1656-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1629-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1656-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1609-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1629 এবং 1.1656-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1609-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1583-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1629-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1609 এবং 1.1583-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/46P02E5









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৩ আগস্ট ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1620 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 40 পিপসের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি অপরিবর্তিত থাকার খবর প্রকাশের পর এই পেয়ারের দর বৃদ্ধি পায়, যা মার্কিন মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির গতিতে সম্ভাব্য মন্থরতার ইঙ্গিত দেয়। এই পরিস্থিতি ডলারের উপর চাপ সৃষ্টি করে, যা ইউরোর বিপরীতে কিছুটা দুর্বল হয়। সার্বিক পরিস্থিতি এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ফেডারেল রিজার্ভ সম্ভবত অর্থনৈতিক সূচকগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা অব্যাহত রাখবে এবং মুদ্রাস্ফীতি ধারাবাহিকভাবে 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছাতে শুরু করলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকবে। আজকের দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টে একটি বিরতি দেখা যেতে পারে, কারণ জার্মানির ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) এবং হারমোনাইজড ইনডেক্স অব কনজিউমার প্রাইসেস (HICP) ছাড়া কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশনা নির্ধারিত নেই। জার্মানির CPI এবং HICP সংক্রান্ত প্রতিবেদন ছাড়া অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকের অনুপস্থিতি দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধিতে সম্ভাব্য মন্থরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। জার্মান মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল সচরাচর পূর্বাভাস থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বিচ্যুত হয় না, তাই শক্তিশালী মুভমেন্টের সম্ভাবনা কম। বিনিয়োগকারীরা সম্ভবত অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কৌশল অবলম্বন করবেন, যাতে জার্মানির অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি সংক্রান্ত পদক্ষেপ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1734-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1692-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1734-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে ইউরো ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1673-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1692 এবং 1.1734-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1673-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1631-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1692-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1673 এবং 1.1631-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3JePKDk









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৪ আগস্ট জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 147.17-এর প্রাইস লেভেল টেস্ট করেছিল, যা জোড়ার নিম্নমুখী সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণেই আমি ডলার বিক্রি করিনি। 147.17-এর দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল, যা বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের সুযোগ দেয় এবং এই পেয়ারের মূল্য 30 পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। আজ সকালে, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট-এর মন্তব্যের পর ইয়েনের দর সব প্রধান মুদ্রাকে ছাড়িয়ে যায়, যেখানে তিনি ইঙ্গিত দেন যে ফেডারেল রিজার্ভ এবং ব্যাংক অব জাপান সুদের হার সমন্বয় করবে। জাপানি মুদ্রার দর 0.7% বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ডলারে 146.38-এ পৌঁছে। এর আগে বেসেন্ট ফেডকে 150 বেসিস পয়েন্ট বা তার বেশি হারে সুদের হার কমানোর আহ্বান জানান এবং উল্লেখ করেন যে ব্যাংক অব জাপান মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পিছিয়ে রয়েছে, যা সুদের হার বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়। ট্রেডাররা তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সেক্রেটারির মন্তব্যকে উভয় দেশের মুদ্রানীতি পরিবর্তনের সম্ভাব্য সংকেত হিসেবে গ্রহণ করে। বিনিয়োগকারীরা, যারা আগে ফেড এবং ব্যাংক অব জাপানের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চিত ছিলেন, বেসেন্টের বক্তব্যকে সংকেত হিসেবে ধরে, সম্প্রতি অতিবিক্রিত অবস্থায় থাকা ইয়েন ব্যাপকভাবে কেনা শুরু করেন। বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের একযোগে সুদের হার সমন্বয়ের সম্ভাবনা ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে ডমিনো ইফেক্ট সৃষ্টি করে। ফেড কঠোর আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করতে পারে এবং ব্যাংক অব জাপান অতিমাত্রায় নমনীয় অবস্থান ত্যাগ করতে পারে—এই প্রত্যাশা অ্যাসেটে বিনিয়োগের পুনর্বিন্যাস ও অস্থিরতা বৃদ্ধির দিকে নিয়ে যায়। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 147.42-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 146.72-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 147.42-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 146.31-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 146.72 এবং 147.42-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 146.31-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 145.70-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস বাউন্সের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য উচ্চ লেভেলে থাকা বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 146.72-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 146.31 এবং 145.70-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4llpZhX









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৫ আগস্ট। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1671-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল এবং এর ফলে এই পেয়ারের 30 পয়েন্ট দরপতন হয়েছে। মার্কিন উৎপাদক মূল্য সূচক হঠাৎ 0.9% বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউরোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের বিনিময় হারে একই ধরনের বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা এই ফলাফলকে এই ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছেন যে ফেডারেল রিজার্ভ মূল সুদের হারের বিষয়ে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে, ইউরোর বিপরীতে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার বিষয়টি একাধিক উপাদানের জটিল মিথস্ক্রিয়ার ফল, এবং মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের ফলাফল কেবল ইতিমধ্যেই গড়ে ওঠা প্রবণতাগুলোকে আরও জোরদার করেছে। সামনের দিকে তাকালে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারিত হবে ফেড ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী পদক্ষেপ, পাশাপাশি ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির অগ্রগতির ওপর। আজ, গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায়, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা হ্রাস পেতে পারে। সুতরাং, ট্রেডারদের মনোযোগ ইইউ-এর অর্থমন্ত্রীদের আসন্ন বৈঠকের দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, এই সম্মেলনে ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার সম্পর্কিত বিষয়গুলো আলোচিত হবে। ইইউ-এর অর্থমন্ত্রীদের যেকোনো বিবৃতি বা সিদ্ধান্ত ইউরোর মূল্যের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বিনিয়োগকারীরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন ইইউ সরকারগুলো বর্তমান সংকট সমাধানে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে কতটা প্রস্তুত। এছাড়া, ইসিবি কর্তৃক ভবিষ্যতে আরও সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা সম্পর্কিত যেকোনো মন্তব্যের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে। ইসিবির আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান ইউরোকে শক্তিশালী করতে পারে, অন্যদিকে মুদ্রানীতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ইঙ্গিতবাহী সতর্ক মন্তব্য ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1705-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1675-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1705-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1655-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1675 এবং 1.1705-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1655-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1621-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। গতকালের প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1675-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1655 এবং 1.1621-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3JfTDI7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের সাপ্তাহিক পর্যালোচনা। আসন্ন সপ্তাহটি বেশ অস্থিতিশীল হতে পারে। এ সপ্তাহের—এবং বলা চলে এ মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট—হচ্ছে ওয়াইওমিংয়ের জ্যাকসন হোল স্কি রিসোর্টে অনুষ্ঠেয় অর্থনৈতিক সিম্পোজিয়াম। সবাই ফেডের চেয়ারম্যানের বক্তৃতার দিকে দৃষ্টি রাখবে, যা হয় বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা নিশ্চিত করবে নয়তো তা খণ্ডন করবে। জেরোম পাওয়েল হয় সম্প্রতি গৃহীত ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থানের বিষয়টি আরও জোরদার করতে পারেন অথবা বিপরীতভাবে সেপ্টেম্বরের সূদের হার কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারেন। সিম্পোজিয়ামটি বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) শুরু হবে, তবে এটিই একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নয়। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিল্ডিং পারমিট বা নির্মাণ অনুমোদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক এবং EUR/USD-এর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে যদি মূল ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক বেশি বা কম হয়। জুন মাসে সূচকটি 0.2%-এ ছিল, যা টানা দুই মাস নেতিবাচক ফলাফল প্রদর্শনের পর ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। জুলাইয়ে সূচকটির 0.1% বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ডলারের ক্রেতাদের জন্য এই সূচকের ইতিবাচক ফলাফল অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া মঙ্গলবার ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর মিশেল বোম্যান বক্তব্য দেবেন। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে, জুলাই বৈঠকে তিনি ফেডের সুদের হার 25 বেসিস পয়েন্ট কমানোর পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন (ক্রিস্টোফার ওয়ালারের মতোই)। যদি বোম্যান তার ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান বজায় রাখেন (যদিও কোর CPI এবং PPI দ্রুত বেড়েছে), তাহলে ডলারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে। বুধবারের মূল ইভেন্ট হিসেবে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশিত হবে। এটি মনে রাখা দরকার যে, ঐ বৈঠকে নীতিনির্ধারকরা ফেডারেল সূদের হার অপরিবর্তিত রেখেছিলেন। তবে পাওয়েল স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, সেপ্টেম্বরের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা অত্যন্ত অনিশ্চিত। একইসাথে, কমিটির দুইজন সদস্য (পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে—ওয়ালার ও বোম্যান) সুদের হার হ্রাসের পক্ষে ভোট দেন। এছাড়াও, জুনের তুলনায় জুলাইয়ের বিবৃতির কিছু শব্দচয়ন পরিবর্তন করা হয়। যেমন, জুনে ফেড উল্লেখ করেছিল যে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো "দৃঢ়ভাবে বাড়ছে।" অথচ জুলাইয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের মূল্যায়ন হ্রাস করে জানায় যে, "সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল বছরের প্রথমার্ধে অর্থনৈতিক কার্যক্রম মন্থর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।" কার্যবিবরণীর মাধ্যমে কমিটির ভেতরে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণকারীদের প্রভাব মূল্যায়ন করা যাবে। নথিটির ওপর ভিত্তি করে ডলার হয় সমর্থন পেতে পারে নয়তো অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়তে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, ফেডের কার্যবিবরণী সাধারণত EUR/USD-এর ওপর সীমিত প্রভাব ফেলে, কারণ এগুলো বৈঠকের দুই সপ্তাহ পর প্রকাশিত হয় (যখন অনেক সদস্য ইতোমধ্যেই নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করে ফেলেন)। তাছাড়া, জুলাইয়ের বৈঠকের কার্যবিবরণী জ্যাকসন হোল সিম্পোজিয়ামের ঠিক এক দিন আগে প্রকাশিত হবে। বৃহস্পতিবার PMI সূচক (আগস্টের ফ্ল্যাশ অনুমান) প্রকাশিত হবে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, জুলাইয়ের তুলনায় সূচকটিতে সামান্য পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। বিশেষভাবে, জার্মানির উৎপাদন সংক্রান্ত PMI নেতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা 49.1 থেকে সামান্য কমে 48.8 হবে। পরিষেবা সংক্রান্ত PMI 50 পয়েন্ট সীমার উপরে (50.5) থাকার কথা। তবে ইউরোজোনের পরিষেবা PMI আবার নেতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করতে পারে, যা জুলাইয়ের 51.0 থেকে কমে 50.5 হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। মার্কিন উৎপাদন সংক্রান্ত PMI জুলাইয়ের 49.8 থেকে প্রায় অপরিবর্তিত থেকে আগস্টে 49.9 হওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ডলারের ক্রেতাদের জন্য এই সূচকটি নেতিবাচক ফলাফল থেকে বেরিয়ে 50-এর উপরে ওঠা জরুরি। এছাড়া বৃহস্পতিবার জ্যাকসন হোল সিম্পোজিয়াম শুরু হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর অবস্থানের "ব্যারোমিটার" হিসেবে পরিচিত এই বার্ষিক ইভেন্টে প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট এবং সময়োপযোগী বিষয়কে কেন্দ্র করে আলোচনা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 2015 সালে সেখানে আলোচনার কেন্দ্র ছিল সাংহাই স্টক মার্কেটের ধস, আর মহামারির সময়ে তা ছিল COVID-19-এর অর্থনৈতিক প্রভাব। এ বছরের মূল আলোচ্য বিষয় হলো শ্রমবাজার (সরকারি শিরোনাম: "Labor Markets in Transition: Demographics, Productivity, and Macroeconomic Policy")। বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, বিশেষ করে জুলাইয়ের নন ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রেক্ষাপটে, যেখানে কর্মসংস্থানের সংখ্যা 73,000 বেড়েছে তবে পূর্ববর্তী মাসগুলোতর ফলাফল উল্লেখযোগ্য সংশোধন করে নিম্নমুখী করা হয়েছে—যেখানে মোট 258,000 কর্মসংস্থান কম দেখানো হয়েছে। এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে CME ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের বৈঠকে সুদের হার 25 বেসিস পয়েন্ট হার কমানোর সম্ভাবনা বর্তমানে 92%-এ পৌঁছেছে। অক্টোবরের বৈঠকে এই সম্ভাবনা দাঁড়িয়েছে 55% (ধরা হচ্ছে সেপ্টেম্বরেই সুদের হার কমানো হবে)। এটি এই ইঙ্গিত দেয় যে, যদি জেরোম পাওয়েল আবারও সতর্ক ও মাঝারিভাবে "হকিশ বা কঠোর" অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দেয়, তাহলে মার্কেটে ডলারের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে, এমনকি ইউরোর বিপরীতেও। তবে যদি ফেডের চেয়ারম্যান আগামী মাসে সুদের হার কমানোর পক্ষে ইঙ্গিত দেন (যদিও কোর CPI ও হেডলাইন ও কোর PPI উভয়ই দ্রুত বেড়েছে), তাহলে মার্কিন গ্রিনব্যাক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে। জ্যাকসন হোল সিম্পোজিয়ামে পাওয়েলের বক্তৃতা আসন্ন সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলো গৌণ ভূমিকা পালন করবে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, চার-ঘণ্টার চার্টে বলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যম ও উপরের লাইনের মধ্যে এই পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা একইসাথে ইচিমোকু কুমো ক্লাউড এবং টেনকান-সেন ও কিজুন-সেন লাইনের উপরে অবস্থান করছে। ইচিমোকু সূচক একটি বুলিশ "প্যারেড অব লাইন্স" সিগন্যাল তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি লং পজিশন ওপেন করার সংকেত দিচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে প্রথম লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.1750 (H4-এ বলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন), এবং মূল লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.1830 (D1-এ বলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন)।









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৯ আগস্ট ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং ট্রেডিং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1674-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রি করার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 20 পয়েন্ট কমেছে। গতকাল যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া সত্ত্বেও ইউরোপীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হয়েছে। এই ধরনের মুভমেন্টের সম্ভাব্য কারণ ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক। মার্কেটের ট্রেডাররা এই বৈঠককে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির সম্ভাব্য উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, যা মার্কিন ডলারকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তবে পরবর্তী দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফল এবং গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে। মার্কেটের ট্রেডাররা এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের প্রতিনিধিদের আসন্ন বক্তৃতার দিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখবে। দিনের প্রথমার্ধে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালান্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই সূচকটি, যা মূলধন প্রবাহ ও বহির্গমনের পার্থক্য প্রতিফলিত করে, ইউরোজোনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিমাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড। ইতিবাচক ব্যালান্স, যেখানে ইনফ্লো আউটফ্লোকে ছাড়িয়ে যায়, ইউরোজোনে বিনিয়োগ আকর্ষণীয়তা নির্দেশ করে এবং সাধারণত ইউরোকে সহায়তা করে। অপরদিকে, নেতিবাচক ব্যালান্স ইউরোপীয় মুদ্রাকে দুর্বল করতে পারে। অর্থনীতিবিদরা পূর্ববর্তী প্রতিবেদনের তুলনায় ইতিবাচক ব্যালান্সের সামান্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছেন। তবে, এই প্রতিবেদনের ফলাফলে সামান্য পতন পরিলক্ষিত হলেও তা ইউরোর তীব্র দরপতনের কারণ হবে না। মূল বিষয় হবে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতি মার্কেটের ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া। যদি ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আসে, তাহলে সাময়িকভাবে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যথায়, ইউরোর মূল্যের বিয়ারিশ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1687-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1667-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1687-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1652-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1667 এবং 1.1687-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1652-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1631-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর চাপ বজায় থাকতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1667-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1652 এবং 1.1631-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/45EE44d









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২০ আগস্ট কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্য উভয় দিকেই মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে, তবে মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা খুবই কম ছিল। সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও মৌলিক প্রেক্ষাপটের অনুপস্থিততে মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির মতো কোনো কারণ ছিল না। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাণ খাত সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও, প্রত্যাশিতভাবেই সেগুলোর ফলাফল ট্রেডারদের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারেনি। ফলে আমরা বর্তমানে প্রায় ফ্ল্যাট মুভমেন্ট লক্ষ্য করছি। আমরা এখনও মনে করি যে সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তি ঘটেনি, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইনের ব্রেক করেছে। আমাদের দৃষ্টিতে, ফ্ল্যাট মুভমেন্টটি কেবল মার্কেটে ট্রেডিংয়ের বিরতি, এবং ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। অবশ্যই, এর মানে এই নয় যে আগামী কয়েক দিনে এই পেয়ারের মূল্য কমতে পারবে না। শুক্রবার জেরোম পাওয়েল বক্তব্য দেবেন, এবং ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান মার্কেটে কী বার্তা দেবেন, তা কেউ জানে না। তার অবস্থান অপরিবর্তিত থাকতে পারে, যা মার্কিন ডলারের ক্রেতাদের সহায়তা করতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিট টাইমফ্রেমে, মঙ্গলবার দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে সেগুলো থেকে কোনো লাভ আসেনি। সিগন্যালগুলো যথেষ্ট কার্যকর ছিল, কিন্তু মার্কেটে কার্যত তেমন কোনো মুভমেন্ট দেখা যায়নি। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের এই বছরের শুরু থেকে গঠিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই পেয়ারের মূল্য বর্তমানে ফ্ল্যাট রেঞ্জে রয়েছে, তাই প্রথমে মূল্যের এই রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আমরা এখনও মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়ার জন্য কোনো ভিত্তি দেখছি না, তাই আমাদের ধারণা ডলারের মূল্যের কেবল ছোটখাটো টেকনিক্যাল কারেকশন হতে পারে। বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্য আবারও ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে থাকতে পারে, কারণ কোনো উল্লেখযোগ্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট থাকবে না। মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ায় থাকা অবস্থায় ট্রেডিং করা যেতে পারে, তবে মঙ্গলবার দেখা গেছে যে সিগন্যাল তৈরি হলেও শক্তিশালী মুভমেন্ট নাও তৈরি হতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1552–1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। বুধবার ইউরোজোনে জুলাই মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশিত হবে। সাধারণত দ্বিতীয় অনুমান প্রথমটির থেকে আলাদা হয় না, এবং মূলত বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির হার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতিতে তেমন কোনো প্রভাব ফেলছে না, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যত সুদের হার হ্রাসের চক্র সম্পন্ন করেছে। Read more: https://ifxpr.com/4fGLR6g









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে অনেক ট্রেডার গতকাল ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর মিশেল বোম্যানের বক্তব্যের অপেক্ষায় ছিলেন। তবে তার বক্তব্যে মূলত ব্যাংক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির বিষয়ক আলোচনা উঠে এসেছে, যা কারেন্সি মার্কেটে কার্যত কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি। বোম্যানের মতে, ব্যাংক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে অবশ্যই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো নতুন প্রযুক্তির সুবিধা কাজে লাগাতে হবে, নতুবা তারা অর্থনীতিতে তাদের প্রাসঙ্গিকতা হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে। ওয়াইওমিং-এ অনুষ্ঠিত একটি ব্লকচেইন বিষয়ক সিম্পোজিয়ামে প্রস্তুত বক্তৃতায় তিনি বলেন, "পরিবর্তন আসছে। আদর্শভাবে, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর উচিত ব্যাংকিং সিস্টেমের উপকারে আসবে এমন উপায়ে ব্লকচেইনের নতুন ব্যবহার সম্প্রসারণের অনুমতি দেওয়া।" তিনি আরও যোগ করেন, "যদি আমরা এই পথে এগোতে ব্যর্থ হই, তবে ব্যাংকিং সিস্টেম ভোক্তা, ব্যবসা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়তে পারে।" ফেডের বোর্ড অব গভর্নরসে তার অভিজ্ঞতার আলোকে সমর্থিত এই বার্তাটি আর্থিক খাতে প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনার আহ্বানের মতো শোনায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো ঋণ প্রদানের প্রক্রিয়া আরও উন্নত করতে পারে, ঝুঁকি আরও সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে এবং ব্যক্তিগতকৃত আর্থিক সেবা দিতে পারে। এসব সুযোগ উপেক্ষা করলে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, কারণ আরও দ্রুত ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত কোম্পানিগুলো মার্কেট শেয়ার দখল করে নিতে পারে। মূল্যের অস্থিরতা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ক্রিপ্টোকারেন্সি একটি নতুন অ্যাসেট ক্লাস, যা উপেক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। এগুলো আন্তর্জাতিক পেমেন্ট, উদ্ভাবনী আর্থিক পণ্য এবং বৃহত্তর আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ প্রদান করে। তাই এটা আশ্চর্যের নয় যে বোম্যান শিল্পখাতকে উৎসাহিত করেছেন যাতে তারা নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোকে ব্লকচেইন ও ডিজিটাল অ্যাসেট সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে সহায়তা করে, পাশাপাশি প্রতারণার মতো সমস্যার সমাধানে নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারে। তিনি আরও জানান, তিনি সুনামের ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর তদারকি সীমিত করার চেষ্টা করবেন এবং নতুন নিয়ম প্রণয়নের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন। এর আগে, ফেড ও অন্যান্য ব্যাংকিং সংস্থা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তাদের পরীক্ষকরা আর সুনামের ঝুঁকিকে তদারকি পর্যালোচনার অংশ হিসেবে গণ্য করবে না। এটি কিছু ব্যাংকিং গ্রুপ এবং রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের আহ্বানের প্রেক্ষিতে এসেছিল, যারা এই প্রক্রিয়াটিকে অন্যায্য বলে সমালোচনা করেছিলেন। বোম্যান বলেন, "আমি আরও উৎসাহ দেব যাতে শিল্পখাত নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সাথে সম্পৃক্ত হোক, যাতে আমরা ব্লকচেইন এবং অন্যান্য সমস্যার সমাধানে এর সম্ভাবনা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারি।" তিনি আরও যোগ করেন, "আমি আমাদের সংস্কৃতি এবং দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে প্রযুক্তি, নতুন পণ্য ও সেবার গ্রহণ ও একীভূতকরণ সম্ভব হয়।" যদিও বোম্যান সরাসরি সুদের হার নিয়ে কিছু বলেননি, তবুও তার বক্তব্যের পর বেশ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হতে থাকে। অন্যদিকে ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটে আরও একটি বড় দরপতন দেখা গেছে। EUR/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1670 লেভেলে পুনরুদ্ধার করতে হবে, এরপর 1.1700 টেস্ট করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1730-এর দিকে অগ্রসর হতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের শক্তিশালী সহায়তা ছাড়া এটি অর্জন করা কঠিন হবে। সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.1768-এর লেভেল। অন্যদিকে, কেবলমাত্র মূল্য 1.1625-এর কাছাকাছি থাকা অবস্থায় আমি ক্রেতাদের সক্রিয় কার্যক্রম প্রত্যাশা করছি। যদি তারা সক্রিয় না থাকে, তবে 1.1600 লেভেলের রিটেস্ট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই ভালো অথবা 1.1565 থেকে লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। GBP/USD-এর টেকনিক্যাল পূর্বাভাস পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্স 1.3530-এ নিয়ে যেতে হবে। কেবলমাত্র এই লেভেল ব্রেকআউট করে মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হলে 1.3560-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে, যদিও এর পর আরও মূল্য বৃদ্ধি সম্ভবত কঠিন হবে। পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা 1.3590-এ অবস্থান করছে। দরপতনের, বিক্রেতারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3480-এ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয়, তবে এই রেঞ্জ ব্রেকআউট করলে ক্রেতাদের উপর বড় আঘাত আসবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3445 পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে 1.3405 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3HM32qq









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কর থেকে বাড়তি আয়ের কারণে যুক্তরাজ্যের বাজেট ঘাটতি সামান্য কমেছে যুক্তরাজ্যের বাজেট ঘাটতি জুলাই মাসে প্রত্যাশার তুলনায় বেশি হ্রাস পাওয়ার খবরে পাউন্ডের দর সামান্য বৃদ্ধি পায়। স্ব-মূল্যায়িত আয়কর প্রদানের ফলে ট্রেজারি বিভাগ অতিরিক্ত রাজস্ব পেয়েছে, যা অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভসকে সাময়িকভাবে স্বস্তি দিয়েছে। জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ আয়ের পরিমাণকে মাত্র 1.1 বিলিয়ন পাউন্ডে অতিক্রম করেছে, যা এক বছর আগে 3.4 বিলিয়ন পাউন্ড ছিল। এটি নভেম্বরের পর সরকারি বাজেট ঘাটতির প্রথম বার্ষিক হ্রাস এবং গত তিন বছরে জুলাই মাসের সর্বনিম্ন ঋণগ্রহণ। বাজেট দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী 2.1 বিলিয়ন পাউন্ড ঘাটতি হওয়ার কথা ছিল। ঘাটতির এই হ্রাস রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি ব্যয় কমানোর ফলে রাষ্ট্রের আর্থিক অবস্থার উন্নতি প্রতিফলিত করছে। তবে, এই পরিবর্তনগুলো যেসব প্রেক্ষাপটে ঘটছে তা বিবেচনা করা জরুরি। উদাহরণস্বরূপ, কর রাজস্বের বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, অন্যদিকে ব্যয় হ্রাস কৃচ্ছ্রসাধনের ফল হতে পারে, যা সামাজিক কর্মসূচি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তা সত্ত্বেও, জুলাইয়ে ঋণগ্রহণের পরিমাণ হ্রাস একটি ইতিবাচক সংকেত, যা ব্রিটিশ অর্থনীতির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি এটি দেশটির সরকারকে আর্থিক নীতিমালা বাস্তবায়নে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্যও প্রদান করছে। তবে মনে রাখতে হবে, জুলাইয়ের প্রতিবেদনে কেবল এক মাসের ফলাফল প্রতিফলিত হয় এবং এই প্রবণতা স্থায়ী হবে কিনা তা মূল্যায়নের জন্য আরও প্রতিবেদনের প্রয়োজন। বাজেট ঘাটতির এই হ্রাস রিভসের জন্য স্বস্তির খবর, যিনি শরৎকালীন বাজেট নিয়ে একাধিক কঠিন সিদ্ধান্তের সম্মুখীন হবেন। পূর্ববর্তী মাসগুলো হতাশাজনক হলেও জুলাইয়ের উন্নতি সার্বিক পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন করতে সহায়তা করেছে। বছরের প্রথম চার মাসে বাজেট ঘাটতি প্রায় লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ছিল — 60 বিলিয়ন পাউন্ড, যেখানে বাজেট দপ্তর মার্চে পূর্বাভাস দিয়েছিল 59.9 বিলিয়ন পাউন্ড। এই তথ্য প্রকাশের পর মার্কেটে প্রায় কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। অর্থনীতিবিদদের মতে, জুলাই যুক্তরাজ্যের সরকারি আর্থিক অবস্থার জন্য অন্যতম শক্তিশালী মাস, কারণ এই সময়ে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের দ্বিতীয় স্ব-মূল্যায়িত আয়কর প্রদান করে থাকে। GBP/USD পেয়ারের ক্ষেত্রে, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3480-এর নিকটতম রেসিস্ট্যান্স অতিক্রম করাতে হবে। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্য 1.3530 এর দিকে অগ্রসর হওয়া সম্ভব হবে, যদিও সেই লেভেলের ওপরে ওঠা বেশ কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.3560-এর লেভেল। দরপতনের ক্ষেত্রে, মূল্য 1.3440-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেকআউট করলে সেটি ক্রেতাদের জন্য বড় আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3410 পর্যন্ত নেমে যাবে, যার পরবর্তী সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.3375-এর লেভেল। EUR/USD পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1660 এর ওপরে নিয়ে যেতে হবে। কেবল তখনই 1.1700 এর লেভেল টেস্ট করা সম্ভব হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1730 পর্যন্ত উঠতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া এটি করা বেশ কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.1768-এর লেভেল। দরপতনের ক্ষেত্রে, আমি মূল্য 1.1625 এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য সক্রিয়তার প্রত্যাশা করছি। যদি সেখানেও ক্রেতারা সক্রিয় না হয়, তাহলে 1.1600 লেভেলের রিটেস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করা বা 1.1565 থেকে লং পজিশন বিবেচনা করা উচিত হবে। more: https://ifxpr.com/3JqPSzF









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ডলারের বিপরীতে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে শনিবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডের ভাষণ আজ ইউরোর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করেছে। জ্যাকসন হোল সিম্পোজিয়ামে তার বক্তব্যে লাগার্ড নীতিনির্ধারক ও তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন না তোলার আহ্বান জানিয়েছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে সরকার যদি সুদের হার নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করে, তবে অর্থনীতি অকার্যকর হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। লাগার্ড বলেন, "যেকোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের জবাবদিহি করতে হবে, আমাদের প্রতিবেদন পেশ করতে হবে এবং সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, সেটা মার্কিন কংগ্রেস হোক বা ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। তবে সবচেয়ে জরুরি হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবশ্যই স্বাধীন থাকতে হবে।" তার এই মন্তব্য এমন এক প্রেক্ষাপটে এসেছে যেখানে বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর উপর আর্থিক ও রাজস্ব নীতি আরও ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করার জন্য চাপ বাড়ছে। লাগার্ড জোর দিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতাই একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মূলভিত্তি। রাজনৈতিক প্রভাব থেকে স্বাধীন থাকলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কেবল সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক ও পূর্বাভাসের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক লক্ষ্য এতে কোনো ভূমিকা রাখে না। সরকারি হস্তক্ষেপ সুদের হারকে তাৎক্ষণিক সুবিধার জন্য ব্যবহার করতে পারে, যেমন নির্বাচনী জনতুষ্টি নীতি, যা শেষ পর্যন্ত মুদ্রার প্রতি আস্থা দুর্বল করে এবং মুদ্রাস্ফীতি বাড়ায়। লাগার্ড উল্লেখ করেছেন, "ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা এটি প্রমাণ করে যে যেসব দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা রয়েছে সেসব দেশে মুদ্রাস্ফীতি কম এবং দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বেশি স্থিতিশীল হয়।" তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা খর্ব হলে কী ঘটে। লাগার্ড বলেন, "নিয়ন্ত্রণ অকার্যকর হয়ে যায়, কর্তৃপক্ষ এমন কাজ শুরু করে যা তাদের করা উচিত নয়, যার পরবর্তী ধাপ হলো অর্থনীতির ভঙ্গুর পরিস্থিতি। সেটিই হলো অস্থিতিশীলতা, যদি আরও খারাপ কিছু না হয়। এই কারণেই আমি মনে করি যে এটি কখনোই আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত নয়।" EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী: বর্তমানে ক্রেতাদের 1.1740 লেভেলের উপরে নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে। শুধুমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1780-এর লেভেল টেস্টের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে। সেখান থেকে 1.1830 পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী হওয়া সম্ভব, যদিও বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া এটি কঠিন হবে। ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.1865-এর লেভেল। দরপতনের ক্ষেত্রে, আমি 1.1700 লেভেলের আশেপাশে উল্লেখযোগ্য ক্রয়ের আগ্রহ আশা করছি। যদি তা না ঘটে, তবে 1.1655-এর লো পুনরায় টেস্ট হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা ভালো হবে বা 1.1625 থেকে লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী: পাউন্ডের ক্রেতাদের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3530-এর লেভেল অতিক্রম করাতে হবে। শুধুমাত্র তখনই তারা 1.3560-এর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে, যার উপরে ব্রেকআউট আরও চ্যালেঞ্জিং হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী ঊর্ধ্বমুখী লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.3590 লেভেল। দরপতনের ক্ষেত্রে, এই পেয়ারের মূল্য 1.3490-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয়, তবে এই রেঞ্জের ব্রেকআউট হলে সেটি ক্রেতাদের উপর বড় আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.3455-এর দিকে নিয়ে যাবে, সম্ভাব্যভাবে 1.3425 পর্যন্ত দরপতন সম্প্রসারিত হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4g2L67N









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৬ আগস্ট ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে ওঠা শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1702-এর লেভেল টেস্ট করে, যা ইউরো ক্রয় করার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। তবে, এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আবাসন বিক্রয় সূচকের পতন সত্ত্বেও, মার্কিন মুদ্রা শুক্রবার ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্যে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিতের পর হওয়া সমস্ত দরপতন পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা সম্ভবত মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদের হার উচ্চ পর্যায়ে ধরে রাখার বিষয়ে আরও দৃঢ় অবস্থান প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু পাওয়েল সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সতর্ক পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। প্রাথমিকভাবে, এই সতর্ক অবস্থান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছিল, যারা আশঙ্কা করেছিল যে ফেড হয়তো সুদের হার কমানো শুরু করতে পারে। তবে বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা এখনো বাস্তবিক অর্থে নীতিমালা নমনীয়করণের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। আজ ইউরোজোন থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, যা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের সামান্য কারেকশনের সুযোগ তৈরি করছে। তবুও, এই পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা কম, বরং নির্দিষ্ট রেঞ্জের ভেতরে ট্রেডিং হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1684-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1652-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1684-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র কারেকশনের অংশ হিসেবে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1629-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1652 এবং 1.1684-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1629-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1598-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1652-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1629 এবং 1.1598-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4mYthJh









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৭ আগস্ট কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট মঙ্গলবার মূলত সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে, কারণ তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। আগের বিশ্লেষণে আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে দিনের একমাত্র উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন — মার্কিন ডিউরেবল গুডস বা টেকসই পণ্যের অর্ডারের ফলাফল — কেবল তখনই মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে যদি মূল ফলাফল পূর্বাভাস থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন হয়। বাস্তবে, জুলাইয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্ডার 2.8% হ্রাস পেয়েছে, যেখানে 2.5% থেকে 4.0% হ্রাস পাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। ফলে প্রকৃত ফলাফল পূর্বাভাসের মধ্যেই থাকায় মার্কেটে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়নি। সামগ্রিকভাবে, এই পেয়ারের মূল্য একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তবে বিনিয়োগকারীরা এখনই সক্রিয়ভাবে এই পেয়ার ক্রয়ের দিকে ঝুঁকছে না। এটির কারণ হতে পারে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না এবং ট্রেডাররা ডলারের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে এমন ইভেন্টগুলোর জন্য অপেক্ষা করছে। তবে আমাদের দৃষ্টিতে, ডলারের ভাগ্য ইতোমধ্যেই নির্ধারিত হয়েছে। যেভাবেই হোক, এই পেয়ারের মূল্য এখনো 1.1655–1.1666 এরিয়া ব্রেক করতে পারছে না, যার মানে ইউরোর সম্ভাব্য দর বৃদ্ধির প্রবণতা সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট মঙ্গলবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি যথেষ্ট মানসম্মত সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে দিনের পুরোটা সময় জুড়ে অস্থিরতার মাত্রা বেশ কম ছিল। ফলে সর্বোচ্চ, কয়েক ডজন পিপস আয় করা সম্ভব ছিল। মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে দুইবার রিবাউন্ড করেছিল, যা শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ দেয়। শেষ সিগন্যালটি সন্ধ্যায় গঠিত হয়েছিল এবং স্টপ লস ব্রেকইভেনে সেট করে ট্রেডটি আজকে পর্যন্ত হোল্ড করে রাখা সম্ভব ছিল। বুধবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের এই বছরের শুরু থেকে গঠিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ফ্ল্যাট মুভমেন্ট শেষ হয়েছে এবং একটি নতুন বুলিশ প্রবণতা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে মৌলিক ও সামষ্টিক প্রেক্ষাপট এখনও নেতিবাচক। তাই আগের মতোই, মার্কিন মুদ্রা কেবল টেকনিক্যাল কারেকশনের উপর নির্ভর করতে পারে। বুধবার, আবারও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার সাথে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ আজকের তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নেই। এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়া ব্রেক করার পর এবং সেখান থেকে রিবাউন্ড হওয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে 1.1571 লেভেলের দিকে দরপতনের প্রত্যাশা করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1552–1.1563–1.1571, 1.1655–1.1666, 1.1740–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। বুধবারের ক্যালেন্ডারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোন—কোনো দিক থেকেই উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে না বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তাই অস্থিরতার মাত্রা কম থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এর মানে হলো, কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল থাকলেও মুনাফার পরিমাণ সীমিত হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/47gTrCC









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৮ আগস্ট ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1599-এর লেভেল টেস্ট করেছিল। এটি ইউরো কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1635-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগের দিন মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছে যে সেপ্টেম্বরের বৈঠকে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা হতে পারে, যেখানে সুদের হার হ্রাসের মাধ্যমে মুদ্রানীতি নমনীয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ধরনের মন্তব্য ডলারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। স্বল্পমেয়াদে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে, যার মধ্যে রয়েছে ফেড ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত, সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা। বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন পরিস্থিতি বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। দিনের প্রথমার্ধে, ইউরোজোনে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রদান এবং M3 মানি সাপ্লাই সূচক সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিছুক্ষণ পরে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) মুদ্রানীতি বিষয়ক বৈঠকের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এই সূচকগুলো ইউরোপীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসা ও ভোক্তা ঋণ প্রদানের বৃদ্ধি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ত্বরান্বিত হওয়ার এবং ভোক্তা ব্যয় বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে। আর M3 মানি সাপ্লাইয়ের সম্প্রসারণ অর্থনীতিতে বেশি অর্থ প্রবাহিত হওয়াকে নির্দেশ করে। বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীরা ইসিবির প্রতিবেদনটিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন। এই প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ মতামত ও আলোচনার বিস্তারিত তথ্য থাকবে, পাশাপাশি বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য নীতিমালা সংক্রান্ত দিকনির্দেশনার মূল্যায়ন থাকবে। সম্ভাব্য সুদের হার সমন্বয় সংক্রান্ত সংকেতগুলোর দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া হবে। এই প্রতিবেদনের প্রতি ইউরোর প্রতিক্রিয়া নির্ভর করবে প্রকৃত ফলাফল ট্রেডারদের প্রত্যাশার সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তার ওপর। প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী ফলাফল ইউরোকে সহায়তা করতে পারে, যা ইউরোপীয় অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ প্রতিফলিত করবে। বিপরীতে, দুর্বল ফলাফল ইউরোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, যা ট্রেডারদের ইসিবির ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের ব্যাপারে প্রত্যাশা সংশোধন করতে বাধ্য করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1675-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1652-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1675-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে।গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1632-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1652 এবং 1.1675-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1632-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1606-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে।গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1652-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1632 এবং 1.1606-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3UPYand









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৯ আগস্ট কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার, GBP/USD পেয়ারের মূল্য প্রায় পুরো দিন একটি সংকীর্ণ রেঞ্জে ছিল, অস্থিরতার মাত্রা খুবই সীমিত ছিল। দ্বিতীয় প্রান্তিকের মার্কিন জিডিপি প্রতিবেদনের (দ্বিতীয় অনুমান) ফলাফল পর্যন্তও মার্কিন ডলারকে সহায়তা করতে পারেনি। আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ট্রেডাররা মূলত এই প্রতিবেদনকে উপেক্ষা করেছে, কারণ দ্বিতীয় অনুমান সবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং, যদিও মার্কিন অর্থনীতি 3.3% হারে প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে, সবাই বুঝতে পারছে যে এটি কেমন ধরনের প্রবৃদ্ধি এবং এর অর্থ কী। আমাদের মতে, প্রথমত, ইউরো এবং পাউন্ডের মূল্যের ফ্ল্যাট মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। দ্বিতীয়ত, এখনো মাঝারি-মেয়াদী ডলারের দর বৃদ্ধির কোনো ভিত্তি নেই। সামনে এমন কোনো ইভেন্টও নেই যা মার্কিন মুদ্রাকে সমর্থন করতে পারে। শুক্রবারও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমির প্রভাব দুর্বলই থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও বেশ কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে, ট্রেডাররা স্পষ্টতই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নতুন মুদ্রাস্ফীতি এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছে, যাতে ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ফেডের বৈঠকের ফলাফল ব্যাপারে আরও সঠিক পূর্বাভাস তৈরি করা যায়। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার চারটি অভিন্ন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। পেয়ারটির মূল্য 1.3518–1.3532 এরিয়া থেকে চারবার রিবাউন্ড করেছে, যা সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমানা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আমরা এখনো এই পেয়ারের মূল্যের কোনো শক্তিশালী নিম্নমুখী মুভমেন্ট দেখিনি, তবে সিগন্যালগুলো ভুল ছিল না এবং কোনো লোকসানও হয়নি। সুতরাং, আজ এই পেয়ারের দরপতনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকতে পারে। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তির এবং একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে তেমন একটা ইতিবাচক হয়নি যা এটির আরও শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে ন্যায্যতা দিতে পারে। সুতরাং, আগের মতোই, আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। বাণিজ্য যুদ্ধের উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইউক্রেনে সামরিক উত্তেজনার প্রশমন, অথবা ফেডের ওপর ট্রাম্পের চাপ সম্পর্কিত যেকোনো খবর মার্কিন মুদ্রার নতুন দরপতনের সংকেত হতে পারে। শুক্রবার, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে, কারণ মূল্য 1.3518–1.3532 এরিয়া থেকে চারবার রিবাউন্ড করেছে। তবে একই সময়ে, এই এরিয়া ব্রেক করে মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হলে সেটি আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেবে এবং 1.3574–1.3590 লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নতুন লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। 5-মিনিট টাইমফ্রেমে বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.3102–1.3107, 1.3203–1.3211, 1.3259, 1.3329–1.3331, 1.3413–1.3421, 1.3466–1.3475, 1.3518–1.3532, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। শুক্রবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রকাশনা বা ইভেন্ট নির্ধারিত নেই। যুক্তরাষ্ট্রে PCE এবং কনজিউমার সেন্টিমেন্ট সূচক প্রকাশিত হবে, পাশাপাশি ব্যক্তিগত আয় এবং ব্যয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে। Read more: https://ifxpr.com/45PEne9









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ইউরো এবং পাউন্ডের বিপরীতে মার্কিন ডলার ধারাবাহিকভাবে দুর্বল হচ্ছে শুক্রবার, মার্কিন পারসোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার (PCE) সূচকের ফলাফল অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস অতিক্রম করতে ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন ডলার আরও দরপতনের শিকার হয়েছে, যা ফেডারেল রিজার্ভকে এ মাসেই সুদের হার হ্রাসের আরও এক ধাপ কাছে নিয়ে এসেছে। এখন সবকিছু নির্ভর করছে মার্কিন শ্রমবাজারের সংক্রান্ত প্রতিবেদনের উপর। বহু অর্থনীতিবিদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগস্ট মাসে নিয়োগদাতারা নতুন কর্মী নিয়োগে খুব একটা আগ্রহ দেখাননি, যার ফলে বেকারত্বের হার প্রায় চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এটি শ্রমবাজারের স্থবিরতার সরাসরি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে। অর্থনীতিবিদরা ধারণা করছেন যে আগস্টে প্রায় 75,000 নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে বেকারত্বের হার বেড়ে 4.3%-এ পৌঁছাতে পারে। টানা চার মাস ধরে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সংখ্যা 100,000-এর নিচে থাকলে তা 2020 সালের মহামারির পর থেকে সবচেয়ে দুর্বল ফলাফল হিসেবে চিহ্নিত হবে। তবে কেবল প্রতিবেদনের ফলাফল বিবেচনা না করে এই পরিস্থিতির কারণগুলো বিশ্লেষণ করাও জরুরি। বিশেষজ্ঞরা একাধিক বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন, যার মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং শুল্ক সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা অন্যতম। অনেক কোম্পানি, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো, সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কর্মী নিয়োগ সম্প্রসারণে দেরি করছে। ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর অবস্থান শ্রমবাজারের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। এজন্যই শুক্রবার শ্রম দপ্তর থেকে প্রকাশিতব্য কর্মসংস্থান সম্পর্কিত প্রতিবেদন ফেডের নীতিনির্ধারকদের সেপ্টেম্বরের বৈঠকের আগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হবে। ইতোমধ্যেই ফেডের কয়েকজন কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন যে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ধীরগতির নিয়োগ প্রক্রিয়া এই বছর কমিটির প্রথম সুদের হার হ্রাস বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট কারণ হতে পারে। এই সপ্তাহে ট্রেডাররা ফেডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের বিশ্লেষণ চালিয়ে যাবেন, যার মধ্যে রয়েছেন সেন্ট লুইসের আলবার্তো মুসালেম, নিউইয়র্কের জন উইলিয়ামস এবং শিকাগোর অস্টান গুলসবী। কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ককে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন, যার মাধ্যমে তিনি বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ পণ্য ও উপকরণের দেশীয় উৎপাদনকে প্রণোদিত করতে চান। এছাড়াও, ফেডারেল আপিল কোর্ট ট্রাম্পের বেশিরভাগ শুল্ককে বেআইনি হিসেবে ঘোষণা করেছে ও উল্লেখ করেছে যে জরুরি আইন প্রয়োগ করে তিনি তার ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়েছেন। তবে, বিচারকরা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শুল্ক বহাল রাখার অনুমতি দিয়েছেন। ফলে মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখবে। আসন্ন ছুটির কারণে সংক্ষিপ্ত সপ্তাহে প্রকাশিতব্য অন্যান্য প্রতিবেদনের মধ্যে রয়েছে ইনস্টিটিউট ফর সাপ্লাই ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক আগস্টে পরিচালিত উৎপাদন এবং সেবা খাতের সমীক্ষা। বৃহস্পতিবার প্রকাশিতব্য সরকারি প্রতিবেদনে পণ্য ও সেবা খাতে জুলাই মাসের বাণিজ্য ঘাটতির তীব্র বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী শুল্ক বৃদ্ধির আগে আমদানির পরিমাণ ব্যাপকভাবে বেড়েছিল। বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র EUR/USD: ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1715 লেভেল ব্রেক করাতে হবে। কেবল তখনই পেয়ারটির মূল্য 1.1750 লেভেল টেস্ট করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে। সেখান থেকে 1.1780-এর দিকে মূল্যের মুভমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও বড় বিনিয়োগকারীদের সহায়তা ছাড়া এটি করা বেশ কঠিন হবে। চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.1820 লেভেল। যদি এই পেয়ারের মূল্য মূল্য হ্রাস পায়, তবে আমি কেবলমাত্র মূল্য 1.1685 লেভেলের আশেপাশে থাকা অবস্থায় বড় ক্রেতাদের সক্রিয়তার প্রত্যাশা করব। যদি সেই লেভেলে কোনো ক্রেতারা সক্রিয় না হয়, তবে পুনরায় এই পেয়ারের মূল্যের 1.1655 লেভেলের টেস্ট হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত হবে, অথবা 1.1630 থেকে লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। GBP/USD: পাউন্ডের ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3540 ব্রেক করাতে হবে। কেবল তখনই মূল্যের 1.3565-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে, যার ব্রেকআউট করে উপরের দিকে যাওয়া চ্যালেঞ্জিং হবে। চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.3590। যদি পেয়ারটির মূল্য হ্রাস পায়, তবে মূল্য 1.3495 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই রেঞ্জ ব্রেক করা হলে তা ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণে গুরুতর আঘাত হানবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্যকে 1.3470 লেভেলে নামিয়ে আনবে, যেখান থেকে 1.3440 পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/426Wfi7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

XAU/USD (স্বর্ণ) পেয়ারের মূল্য কি আজও বাড়বে? [XAU/USD (স্বর্ণ)] – [সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫] আজ স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির অনেক বেশি সম্ভাবনা রয়েছে, যা দুটি EMA-এর ক্রসিংয়ে গঠিত গোল্ডেন ক্রস এবং RSI-এর নিউট্রাল বুলিশ লেভেল নিশ্চিত করছে। গুরুত্বপূর্ণ লেভেলসমূহ রেজিস্ট্যান্স 2: 3484.56 রেজিস্ট্যান্স 1: 3466.16 পিভট: 3435.00 সাপোর্ট 1: 3416.60 সাপোর্ট 2: 3385.44 কৌশলগত পরিকল্পনা পজিটিভ রিঅ্যাকশন জোন: যদি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে 3466.16 লেভেলের উপরে পৌঁছায়, তবে মূল্য আরও বৃদ্ধি পেয়ে 3484.56 লেভেল পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। মোমেন্টাম এক্সটেনশন বায়াস: যদি স্বর্ণের মূল্য 3484.56 লেভেল সফলভাবে ব্রেক করে এবং এর উপরে পৌঁছায়, তবে মূল্য আরও বৃদ্ধি পেয়ে 3515.72 লেভেল পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ইনভ্যালিডেশন লেভেল / বায়াস রিভিশন স্বর্ণের মূল্য 3385.44 লেভেল ব্রেক করে এর নিচে পৌঁছালে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দুর্বল হয়ে যাবে। টেকনিক্যাল সারাংশ EMA(50): 3441.38 EMA(200): 3405.79 RSI(14): 69.87 অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের সূচি: আজ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। Read more: https://ifxpr.com/4g5wN2f









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৩ সেপ্টেম্বর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ খানিকটা নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 148.38-এর লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছিল। এই কারণে আমি ডলার বিক্রি করিনি। তবে, 147.97 লেভেল থেকে বাউন্সের পর চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে এই পেয়ার ক্রয় করার পর, যেটির কথা আমি আমার পূর্বাভাসে উল্লেখ করেছিলাম, মার্কেট থেকে 50 পয়েন্টেরও বেশি মুনাফা করা সম্ভব হয়েছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাত সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশের প্রেক্ষাপটে USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন ঘটেছে। তবে অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রভাবে ডলারের সাময়িক দরপতন USD/JPY পেয়ারের মূল্যের পরিলক্ষিত শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে বদলাতে পারেনি। USD/JPY পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ও জাপানের ব্যাংকের মুদ্রানীতির পার্থক্য। ফেড মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রেখেছে, অন্যদিকে জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বছর শেষভাগে সুদের হার বৃদ্ধির ব্যাপারে ট্রেডারদের প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও এখনো ব্যাংকটি নমনীয় নীতি বজায় রেখেছে। আজ জাপানের পরিষেবা খাতের PMI সূচক 53.1-এ শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির তথ্য ইয়েনকে সহায়তা করেছে। 50 পয়েন্টের উপরের ফলাফল এই খাতের সম্প্রসারণ নির্দেশ করে এবং জাপানি অর্থনীতির অবস্থার জন্য আশাবাদ তৈরি করেছে। পরিষেবা সূচকের এই উন্নতি ইয়েনভিত্তিক ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতার জন্য ইতিবাচক। উল্লেখযোগ্য যে পরিষেবা খাতের PMI একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, কারণ এটি ভোক্তা চাহিদার প্রবণতা, ব্যবসায়িক মনোভাব এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রতিফলিত করে। ইতিবাচক ফলাফল অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং পরিবারিক আয়ের উন্নতির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 149.35-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 148.80-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 149.35-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 148.46-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 148.80 এবং 149.35-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.46-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 147.97-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 148.80-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 148.46 এবং 147.97-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/46bmLs6









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৪ সেপ্টেম্বর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামা শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 148.46-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার বিক্রির সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 147.97-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নেমে যায়। মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর কর্মসংস্থানের সুযোগ ও শ্রমিক পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের হতাশাজনক ফলাফল প্রকাশের পর জাপানি ইয়েনের দর ডলারের বিপরীতে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকাশিত ফলাফল মার্কেটের বিনিয়োগকারীদের জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল এবং তা ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি সংক্রান্ত প্রত্যাশার পুনর্মূল্যায়নের দিকে নিয়ে গেছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ হ্রাস শ্রম চাহিদার হ্রাসের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাব্য মন্থরতার সংকেত বহন করছে। একই সঙ্গে শ্রমিক পরিবর্তনের বৃদ্ধি—অর্থাৎ কর্মীরা আরও ঘন ঘন চাকরি পরিবর্তন করছে—সাধারণত শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং আরও ভালো সুযোগের চাহিদা প্রতিফলিত করে। তবে, উল্লেখযোগ্য যে USD/JPY পেয়ারের মূল্যের দীর্ঘমেয়াদী গতিশীলতা বিভিন্ন উপাদান নির্ধারণ করবে। এর মধ্যে রয়েছে ফেডের ভবিষ্যৎ সুদের হার সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান উভয়ের অর্থনৈতিক সূচক এবং সার্বিক বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.80-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 148.37-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 148.80-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 148.11-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 148.37 এবং 148.80-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.11-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 147.64-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 148.37-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 148.11 এবং 147.64-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/464z8pM









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৫ সেপ্টেম্বর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 148.45-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 30 পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। আজ মজুরি বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল এবং জাপানের লিডিং ইকোনমিক ইন্ডিকেটরস ইনডেক্স প্রকাশিত হয়েছে, যেগুলোর ফলাফল ইয়েনকে সহায়তা করেছে। মজুরি বৃদ্ধি ভোক্তা আস্থার উন্নতি এবং ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিকে প্রতিফলিত করে, যা টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, লিডিং ইন্ডিকেটরস ইনডেক্স ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কার্যকলাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা প্রদান করে এবং অর্থনীতির সম্ভাব্য পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিতে সহায়তা করে। প্রকাশিত পরিসংখ্যানগুলোর ফলাফল ইঙ্গিত দিয়েছে যে জাপানের অর্থনীতি এখনো পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখাচ্ছে। তবে, এসব ইতিবাচক প্রতিবেদনের মাধ্যমে ইয়েনের মূল্যের যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে তা হয়তো স্বল্পস্থায়ী হবে, কারণ সামনে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা পুরো পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.65-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 148.30-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 148.65-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 148.08-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 148.30 এবং 148.65-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.08-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 147.76-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 148.30-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 148.06 এবং 147.76-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/466t2Fo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৮ সেপ্টেম্বর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 148.08 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার সেল করার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য 120 পিপস নিম্নমুখী হয়েছে। 146.84 লেভেল থেকে রিবাউন্ডের ফলে এই পেয়ার ক্রয় করার মাধ্যমে মার্কেট থেকে প্রায় 60 পিপস অতিরিক্ত লাভ করা সম্ভব হয়েছে। আগস্টে মার্কিন নন-ফার্ম সেক্টরে কর্মসংস্থান মাত্র 22,000 বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ডলারের তীব্র দরপতন এবং জাপানি ইয়েনের দর বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অপ্রত্যাশিত দুর্বল ফলাফল পূর্বাভাসের সাথে ব্যাপকভাবে বৈপরীত্যপূর্ণ ছিল, যেখানে প্রায় 75,000 নতুন কর্মসংস্থান তৈরির প্রত্যাশা করা হয়েছিল। এর ফলে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে উদ্বেগের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে এবং বিনিয়োগকারীরা ব্যাপকভাবে ডলারভিত্তিক অ্যাসেট থেকে সরে যেতে শুরু করে। বর্তমান পরিস্থিতি ফেডারেল রিজার্ভকে এক ধরনের দ্বিধার মধ্যে ফেলেছে। একদিকে, কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সমর্থনের জন্য নমনীয় আর্থিক নীতিমালায় ফেরার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করছে। অন্যদিকে, মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবে অর্থনীতিকে অতিরিক্ত অস্থিতিশীল হওয়া থেকে রোধ করতে কঠোর নীতিমালার প্রয়োজন দাবি করছে। ফেডের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নির্ভর করবে আসন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল এবং বর্তমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা কতটা স্থায়ী হয় তার ওপর। দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.86-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 148.30-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 148.86-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 147.98-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 148.30 এবং 148.86-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 147.98-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 147.43-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 148.30-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 147.98 এবং 147.43-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/41HnHmw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৯ সেপ্টেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং হয়েছে, যদিও এর পিছনে কোনো বিশেষ কারণ ছিল না। সোমবার প্রায় কোনোই সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি ছিল না, শুধুমাত্র জার্মানি থেকে কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যা প্রত্যাশিতভাবেই ট্রেডারদের আগ্রহ জাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে, আমরা আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, যখন এই পেয়ারের মূল্য স্পষ্টভাবে ফ্ল্যাট প্রবণতার মধ্যে আটকে ছিল, আমরা বারবার বলেছি যে শুধুমাত্র ইউরোর মূল্য বাড়বে এবং ডলারের দরপতন হবে। মার্কিন ডলারের জন্য সার্বিক মৌলিক পটভূমি এখনও একেবারেই নেতিবাচক, তাই আরও দরপতন ছাড়া অন্য কিছুই প্রত্যাশিত নয়। এছাড়াও মনে রাখবেন, শুক্রবার প্রকাশিত মার্কিন শ্রমবাজার এবং বেকারত্বের সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফলও চরমভাবে হতাশাজনক ছিল। এর অর্থ, সেপ্টেম্বর মাসেই ফেড ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করবে। আজ আরেকবার বার্ষিক ভিত্তিক ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আমাদের দৃষ্টিতে, এই প্রতিবেদন থেকেও ডলারের জন্য ইতিবাচক কিছু আশা করা যায় না। এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যেই সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরে কনসোলিডেশন করেছে, তাই এখনই 2025 সালের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সেরা সময়। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় সেশনে, মূল্য 1.1737–1.1745 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল কিন্তু ফ্ল্যাট রেঞ্জের ভেতরে নতুন নিম্নমুখী মুভমেন্ট শুরু করতে ব্যর্থ হয়। মার্কিন সেশনে, এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া ব্রেক করেছিল, যা ট্রেডারদের লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ দেয় এবং সেগুলো মঙ্গলবার পর্যন্ত নিরাপদে ধরে রাখা যেতে পারে, যেখানে স্টপ লস ব্রেক-ইভেনে বা সর্বনিম্ন মূল্যে সেট করা যেত। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের বছরের শুরু থেকে গঠিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সমস্ত সম্ভাবনা বজায় রয়েছে, এবং ফ্ল্যাট মুভমেন্ট এখন সমাপ্ত বলে বিবেচিত হতে পারে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি এখনও নেতিবাচক, তাই আমরা এখনও আমেরিকান মুদ্রার দর বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। পূর্বের মতো, আমরা মনে করি ডলার শুধুমাত্র টেকনিক্যাল কারেকশনের উপর নির্ভর করতে পারবে। মঙ্গলবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট চলমান থাকতে পারে, কারণ আগের দিন এটির মূল্য সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বেরিয়ে এসেছে, যেখানে মূল্য টানা তিন সপ্তাহ ধরে আটকে ছিল। সুতরাং, ইউরোর মূল্যের প্রথম লক্ষ্যমাত্রা এখন 1.1808 লেভেল। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে আপনাকে যে লেভেলগুলো পর্যবেক্ষণ করতে হবে: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1737–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। মঙ্গলবার, যুক্তরাষ্ট্রে বার্ষিক ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা সম্ভবত শুক্রবার প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। খুব সম্ভবত, এই প্রতিবেদনের ফলাফল নেতিবাচক হবে, যা নতুন করে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটাতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/42mbQua









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১০ সেপ্টেম্বর। জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে ওঠা শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 146.74 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল এবং এর ফলে এই পেয়ারের দর 147.48 লক্ষ্যমাত্রার দিকে বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনের প্রথমার্ধে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় এবং ইয়েনের প্রতি শক্তিশালী চাহিদা বজায় থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে গেছে। মার্কেতের কিছু ট্রেডার ফেডের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে তাদের প্রত্যাশার পরিবর্তন করেছে এবং মুনাফা তুলে নেওয়া শুরু করেছে। আজকের জন্য এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট মার্কিন উৎপাদক মূল্য সূচকের প্রতিবেদনের ফলাফল দ্বারা প্রভাবিত হতে, যদিও এটি দিনের দ্বিতীয়ার্ধে প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই কারণে, ইউরোপীয় সেশনে উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্টের সম্ভাবনা নেই, এবং সীমিত রেঞ্জের ভেতরে ট্রেড করা উত্তম হবে। কেবলমাত্র জাপানি রাজনীতিবিদদের কঠোর ও অপ্রত্যাশিত বিবৃতিই মার্কেটের বর্তমান গতিশীলতার পরিবর্তন ঘটাতে পারে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.29-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 147.59-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 148.29-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 147.23-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 147.59 এবং 148.29-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 147.23-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 146.45-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 147.59-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 147.23 এবং 146.45-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3IiQzLf









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১১ সেপ্টেম্বর। জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নেমে আসতে শুরু করেছিল ঠিক তখন এই পেয়ারের মূল্য 147.32 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার বিক্রয় করার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে, এর ফলে এই পেয়ারের কোনো উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা যায়নি। আগস্টে মার্কিন উৎপাদন মূল্য সূচক (PPI) প্রত্যাশিত বৃদ্ধির পরিবর্তে হ্রাস পাওয়ার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ইয়েনের মূল্য মার্কিন ডলারের বিপরীতে সামান্য বৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। এই সীমিত প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন কারণের প্রতিফলন—যার মধ্যে রয়েছে জাপানের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলমান উদ্বেগ এবং ব্যাংক অব জাপানের মুদ্রানীতি। মার্কিন প্রতিবেদনের প্রভাবে ডলারের দরপতন সত্ত্বেও বিনিয়োগকারীরা ইয়েন নিয়ে সতর্ক রয়েছেন, কারণ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রতি ইয়েনের সংবেদনশীলতা—দুর্বল অভ্যন্তরীণ চাহিদা, বৃদ্ধ জনসংখ্যা এবং রপ্তানি নির্ভরতা—জাপানি মুদ্রাকে বাহ্যিক ধাক্কার প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। আজ জাপান থেকে প্রকাশিত BSI লার্জ ম্যানুফ্যাকচারার্স বিজনেস কন্ডিশনস ইনডেক্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল কারেন্সি মার্কেটে কোনো প্রভাব ফেলেনি। তাছাড়া, একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে মনোভাবের উন্নতির মতো এমন ইতিবাচক সংকেত ইয়েনের ট্রেডাররা অপ্রত্যাশিতভাবে উপেক্ষা করেছে। এই অস্বাভাবিকতা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করছে যে বর্তমানে মার্কেটে জটিল পরিস্থিতি বিরাজ করছে ও পরস্পরবিরোধী উপাদান প্রভাব বিস্তার করছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি আজ মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.02-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 147.59-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 148.02-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 147.38-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 147.59 এবং 148.02-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 147.38-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 146.94-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 147.59-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 147.38 এবং 146.94-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3K1oSXL









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১২ সেপ্টেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং এখনও নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, যদিও মুভমেন্ট কিছুটা দুর্বল রয়ে গেছে। মনে হচ্ছে মার্কেট মেকাররা সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষায় আছে—আর সেই সময় এখনও আসেনি। মনে করিয়ে দিই, ডলারের দরপতন অব্যাহত থাকার জন্য এখনও যথেষ্ট কারণ রয়েছে: সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমন কিছু ঘটেনি যা ডলারের মূল্য বৃদ্ধিকে যৌক্তিকতা দেবে। গতকাল ইসিবি মুদ্রানীতি অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের স্পষ্ট সংকেত দিয়েছে যে নিকট ভবিষ্যতে নীতিমালা নমনীয় করা হবে না। অন্যদিকে, ফেড আগামী সপ্তাহ থেকেই মূল সুদের হার কমানো শুরু করতে পারে, এবং আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে মুদ্রানীতি ব্যাপকভাবে নমনীয় করতে পারে। যদি ইউরো ইসিবি সুদের হার হ্রাসের সময়ও বাড়তে থাকে, তবে ফেড নীতিমালা নমনীয় করলে কী হবে? তাই ইউরোপীয় মুদ্রার আরও দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা বজায় থাকা উচিত, যদিও টেকনিক্যাল বিষয়গুলো উপেক্ষা করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ, ট্রেন্ডলাইনের ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি নতুন নিম্নমুখী মুভমেন্ট শুরু হওয়ার সংকেত হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের প্রকাশের 15 মিনিট আগে একটি শক্তিশালী বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সূচনা করে। নতুন ট্রেডাররা 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্সের ফলে লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন এবং 10 মিনিট পরেই স্টপ লস ব্রেকইভেনে সরিয়ে নিতে পারতেন। সত্যি বলতে, গতকালের সিগন্যালটি যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ ছিল কারণ এটি দুটি বড় ইভেন্টের সংযোগস্থলে গঠিত হয়েছিল—ইসিবির বৈঠক এবং মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন। তবুও, এটি থেকে বেশ ভালোই মুনাফা করার সুযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের চলতি বছরের শুরু থেকে গঠিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে। মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের জন্য ব্যাপকভাবে নেতিবাচক, তাই আমরা ডলারের দর বৃদ্ধির কোনো প্রত্যাশা করছি না। আমাদের মতে, আগের মতোই, ডলারের মূল্যের কেবল টেকনিক্যাল কারেকশনের উপর নির্ভর করা যেতে পারে। তবে, ট্রেন্ডলাইনের ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে টেকনিক্যাল কারণে এই পেয়ারের মূল্যের নতুন নিম্নমুখী মুভমেন্ট শুরু হতে পারে। শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে, যেহেতু এখনও মার্কেটে বুলিশ প্রবণতা বিরাজ করছে। তবে, নতুন লং পজিশন ওপেন করার জন্য 1.1737–1.1745 জোন ব্রেকআউট করে মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়া প্রয়োজন। 5-মিনিটের চার্টে নিম্নলিখিত লেভেলগুলোতে দৃষ্টি দিন: 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1292, 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1737–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908। শুক্রবার ইইউ-এ জার্মানির মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের দ্বিতীয় অনুমান প্রকাশিত হবে, যা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হবে (যা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ)। Read more: https://ifxpr.com/48eiTZM









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

GBP/JPY. বিশ্লেষণ এবং পূর্বাভাস GBP/JPY পেয়ারের মূল্য 200.00-এর সাইকোলজিক্যাল লেভেলের উপরে রয়েছে এবং আবারও 200.35 লেভেল ব্রেক করার চেষ্টা করছে, যা এটি শুক্রবার অতিক্রম করেছিল। বৃহস্পতিবার ব্যাংক অব ইংল্যান্ড তাদের মুদ্রানীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করবে, এবং মনে হচ্ছে মূল সুদের হার 4%-এ অপরিবর্তিত থাকবে। এছাড়া সাম্প্রতিক মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশা সূচকের বৃদ্ধি বিবেচনায়, 2025 সালের শেষ পর্যন্ত সতর্কভাবে 'অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের' অবস্থান বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সব কারণ ব্রিটিশ পাউন্ডকে সহায়তা দিচ্ছে এবং GBP/JPY পেয়ারের দর বৃদ্ধির জন্য সহায়ক পরিস্থিতি তৈরি করছে। অন্যদিকে, জাপানি ইয়েন এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে হিমশিম খাচ্ছে, কারণ দেশীয় রাজনৈতিক অস্থিরতা ব্যাংক অব জাপানের জন্য সুদের হার বৃদ্ধিতে বিলম্ব করার অতিরিক্ত কারণ হতে পারে বলে ধারণা তৈরি করছে। এই পরিস্থিতি GBP/JPY পেয়ারের ক্রেতাদের পক্ষে কাজ করছে। একই সময়ে, মার্কেটের বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীদের মতে ব্যাংক অব জাপান এখনও ধীরে ধীরে নীতিমালা নমনীয়করণের পথে রয়েছে। সাম্প্রতিককালে স্বাক্ষরিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–জাপানের মধ্যকার চুক্তি দুই দেশের সম্পর্কের ব্যাপারে একটি বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দূর করেছে। এছাড়া দ্বিতীয় প্রান্তিকের সংশোধিত জাপানি জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রতিবেদন, শ্রমবাজারের চাপ এবং সাত মাস পর প্রথমবারের মতো বাস্তব আয়ের বৃদ্ধি, এ বছরের পরবর্তী মাসগুলোতে ব্যাংক অব জাপান কর্তৃক আরেকবার সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে নিশ্চিত করছে। এই পরিস্থিতি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নমনীয় অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশার বিপরীতে অবস্থান করছে এবং GBP/JPY পেয়ারের আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা সীমিত করতে পারে। ফলস্বরূপ, ট্রেডারদের দৃষ্টি এখন শুক্রবার নির্ধারিত ব্যাংক অব জাপানের দুই দিনের বৈঠকের ফলাফলের দিকে রয়েছে, যেখানে মুদ্রানীতির দিকনির্দেশনার বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি মঙ্গলবার প্রকাশিতব্য যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং বুধবার নির্ধারিত ভোক্তা মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যান পাউন্ডের মূল্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং GBP/JPY-এর মূল্যের মুভমেন্টেও প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকের আগে, ঝুঁকির কারণে মার্কেটে সতর্ক প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনাই বেশি। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, দৈনিক চার্টের অসিলেটরগুলো পজিটিভ জোনে রয়েছে, এবং পেয়ারটির মূল্য 200.00 সাইকোলজিক্যাল লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। 9-দিনের EMA বর্তমানে 14-দিনের EMA-এর উপরে অবস্থান করছে, এবং মূল্য উভয়ের উপরে ট্রেড করছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনাই বেশি। Read more: https://ifxpr.com/4nw8cWQ









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

স্বর্ণের মূল্য নতুন করে সর্বকালের সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে এই সপ্তাহে স্বর্ণের মূল্য নতুন রেকর্ড গড়েছে, কারণ ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা ফেডারেল রিজার্ভের কাছ থেকে আরও ডোভিশ বা নমনীয় পদক্ষেপের প্রত্যাশা করছেন, যার মধ্যে আগামী কয়েক মাসে সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মঙ্গলবার স্বর্ণের দর আউন্সপ্রতি প্রায় $3,685-এ পৌঁছে সোমবারের সর্বকালের সর্বোচ্চ লেভেল অতিক্রম করেছে। একইসঙ্গে, মার্কিন ডলারের দর সাত সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেলে নেমে এসেছে, যা স্বর্ণের এই মূল্য বৃদ্ধিকে সহায়তা করেছে। যদিও এ সপ্তাহের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই মূল্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তবুও ফেডের প্রান্তিকভিত্তিক অর্থনৈতিক ও সুদ হার সংক্রান্ত পূর্বাভাস—যা "ডট প্লট" নামে পরিচিত—প্রকাশিত হবে এবং ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলন করবেন। এই মূল্যবান ধাতুর মূল্যের সর্বশেষ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির প্রত্যাশা নির্দেশ করছে। বিনিয়োগকারীরা, ফিয়াট বা নগদ কারেন্সির অবমূল্যায়নের আশঙ্কায়, নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন, যা ঐতিহ্যগতভাবে অস্থির সময়ে মূল্য সংরক্ষণের মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। এই সপ্তাহে ফেডের আসন্ন বৈঠকে সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তই মূল ইভেন্ট, যা মার্কেটের বিনিয়োগকারীরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ডোভিশ বা নমনীয় মুদ্রানীতির প্রত্যাশা—যার মধ্যে আগামীকাল সুদের হার হ্রাস এবং সম্ভবত আরও হ্রাসের সম্ভাবনা অন্তর্ভুক্ত—স্বর্ণের চাহিদাকে বাড়িয়ে তুলছে, কারণ নিম্ন সুদের হার বন্ডের মতো বিকল্প বিনিয়োগকে কম আকর্ষণীয় করে তোলে। ফেড সংক্রান্ত প্রত্যাশার বাইরেও, অন্যান্য কারণগুলোও স্বর্ণের মূল্যের প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, ইসরায়েলে পুনরায় সামরিক সংঘাত বৃদ্ধি, বাণিজ্য যুদ্ধ এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদাকে ত্বরান্বিত করছে। পাশাপাশি, একাধিক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সক্রিয়ভাবে স্বর্ণ ক্রয়ও চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে সমর্থন করছে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ফেডের ওপর বাড়তে থাকা চাপ—যার মধ্যে গভর্নর লিসা কুককে অপসারণ করার প্রচেষ্টা অন্তর্ভুক্ত—স্বর্ণের চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। চলতি বছর স্বর্ণের দাম ইতোমধ্যেই 40%-এর বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা S&P 500-এর মতো প্রধান অ্যাসেটকেও অতিক্রম করেছে। সম্প্রতি এটি 1980 সালের মুদ্রাস্ফীতির সমন্বিত সর্বোচ্চ লেভেলকেও ছাড়িয়েছে। গোল্ডম্যান শ্যাক্স গ্রুপ ইনকর্পোরেটেড ভবিষ্যদ্বাণী দিয়েছে যে বেসরকারি ট্রেজারি হোল্ডিংসের মাত্র 1% যদি স্বর্ণে স্থানান্তরিত হয়, তবে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি প্রায় $5,000 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, ক্রেতাদের এখন স্বর্ণের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স $3,705 অতিক্রম করাতে হবে। এটি স্বর্ণের মূল্যের $3,756-এর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে, যা ব্রেক করে উপরের দিকে যাওয়ার মূল্যের পক্ষে বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। সবচেয়ে দূরের লক্ষ্যমাত্রা হলো $3,813 এরিয়া। যদি স্বর্ণের দরপতন ঘটে, মূল্য $3,658 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে, এই রেঞ্জ ব্রেক করলে সেটি ক্রেতাদের জন্য বড় ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের মূল্য দ্রুত $3,600-এ নেমে যেতে পারে, যেখানে $3,562 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/48fCZCY









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৭ সেপ্টেম্বর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 146.88 লেভেল টেস্ট করে, যা ডলার বিক্রি করার সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে এই পেয়ারের 40 পিপসের বেশি দরপতন ঘটে। ফেডারেল রিজার্ভ আরও ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করবে—এই প্রত্যাশাই ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে এবং জাপানি ইয়েনকে সহায়তা করেছে। সম্ভবত আজকের দিনের প্রথমার্ধে ডলারের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে থাকবে। এই পরিস্থিতির পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, সাম্প্রতিককালে প্রকাশিত মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল স্পষ্টতই নেতিবাচক ছিল, যা মার্কিন অর্থনীতির ব্যাপারে একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে। দ্বিতীয়ত, ট্রেডাররা ফেডের আসন্ন সুদের হার হ্রাসের বিষয়টি ইতোমধ্যেই আংশিকভাবে মূল্যায়ন করেছে, তবুও এটি ডলারকে বিনিয়োগকারীদের কাছে কম আকর্ষণীয় করে তুলছে। তৃতীয়ত, এর বিপরীতে ব্যাংক অব জাপান কর্তৃক আর্থিক নীতিমালায় আসন্ন পরিবর্তনের প্রত্যাশার কারণে জাপানি ইয়েনের দর ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। দৈনিক ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 147.05-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 146.62-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 147.05-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 146.39-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 146.62 এবং 147.05-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 146.39-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলের নিচে নেমে যাওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 146.01-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 146.62-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 146.39 এবং 146.01-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3K5loUo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৮ সেপ্টেম্বর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 146.17 লেভেল টেস্ট করে, যা ডলার বিক্রয়ের জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 40 পিপসের বেশি হ্রাস পায়। গতকাল ফেড কর্তৃক সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে ইয়েনের দর বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল, তবে পরবর্তীতে ডলারের চাহিদা ফিরে আসে। ফেডের সুদের হার হ্রাসের প্রতি ট্রেডারদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া পূর্বানুমেয় ছিল: ইয়েন, যা ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত, শক্তিশালী হয়েছিল। পরবর্তী এই পেয়ারের মূল্যের বিপরীতমুখী হওয়ার মূল কারণ ছিল ফেডের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি সম্পর্কিত সুস্পষ্ট সংকেতের অনুপস্থিতি। ট্রেডাররা যারা ধারাবাহিকভাবে নীতিমালা নমনীয় করার বিষয়ে আরও দৃঢ় বিবৃতির প্রত্যাশা করছিলেন, তারা তা পাননি। তাছাড়া, জাপানের নিজস্ব সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক এবং ব্যাংক অব জাপানের আর্থিক নীতিমালা ইয়েনের মূল্যের মুভমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজ সকালে যন্ত্রপাতি ও মেশিনারি অর্ডার সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সূচকটি তীব্রভাবে 4.6% হ্রাস পেয়েছে, যা মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দরপতন ঘটিয়েছে। এটি জাপানের অর্থনীতির জন্য একটি অপ্রত্যাশিত নেতিবাচক সংবাদ ছিল, যেখানে ইতোমধ্যেই স্থবির অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং অন্যান্য এশীয় দেশের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার মতো সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বিশ্লেষকরা অর্ডারের এই পতনের বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন: বাণিজ্য যুদ্ধ ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, পাশাপাশি ভোক্তাদের আস্থার হ্রাসে সৃষ্ট দুর্বল অভ্যন্তরীণ চাহিদা। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.70-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 147.66-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 148.70-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 147.18-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 147.66 এবং 148.70-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 147.18-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিচের দিকে নেমে যাওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 146.20-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 147.66-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 147.18 এবং 146.20-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4nvsorU









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১৯ সেপ্টেম্বর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 147.49 লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে। এই কারণে আমি ডলার ক্রয় করিনি এবং একটি কার্যকর ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট কাজে লাগাতে পারিনি। আগস্টে ফিলাডেলফিয়া ম্যানুফ্যাকচারিং সূচক বৃদ্ধি পেয়ে 21 পয়েন্টে পৌঁছেছে, যা সঙ্গে সঙ্গেই মার্কেটে ডলার ক্রয়ের প্রবণতা সৃষ্টি করে এবং জাপানি ইয়েনের দরপতন ঘটিয়েছে। সূচকটির এই প্রবৃদ্ধি অধিকাংশ বিশ্লেষককে বিস্মিত করেছে—কারণ পূর্বাভাসে অনেক কম ফলাফল প্রত্যাশা করা হয়েছিল—এবং এটি মার্কিন অর্থনীতির পূর্বাভাসের তাত্ক্ষণিক পুনর্মূল্যায়ন ঘটায়। বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের যেকোনো লক্ষণ পাওয়ার জন্য উদগ্রীব ছিল এবং তারা দ্রুত ডলারে বিনিয়োগ শুরু করে, যা নিরাপদ বিনিয়োগ এবং লাভজনক হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত হয়। ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি ইয়েনের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। আজ ব্যাংক অব জাপান সুদের হার 0.5%-এ অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ইয়েনকে কিছুটা সহায়তা দিয়েছে, কারণ অনেক বিনিয়োগকারী ও ট্রেডার মধ্যমেয়াদে সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছেন। এই আশাবাদের পেছনে জাপানে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির চাপ ভূমিকা রাখছে। তবুও ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া সংযত রয়েছে। একদিকে, সুদের হার অপরিবর্তিত থাকায় সেটি ব্যাংক অব জাপানের সতর্ক অবস্থান এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়ার ঝুঁকি নিতে অনিচ্ছার সংকেত দেয়। অন্যদিকে, বিনিয়োগকারীরা জানেন বর্তমান পরিস্থিতি চিরকাল চলতে পারে না। মুদ্রাস্ফীতি, যদিও এখনও লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছেনি, ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ইয়েনের ভবিষ্যতের জন্য মূল বিষয় হবে ব্যাংক অব জাপানের আর্থিক নীতিমালার পরিবর্তনের গতি ও ব্যাপ্তি। যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত ধীরগতিতে পদক্ষেপ নেয়, ইয়েনের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে; তবে হঠাৎ সুদের হার বৃদ্ধি পেলে তা অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করতে পারে এবং মন্দার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। শেষ পর্যন্ত, ব্যাংক অব জাপান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রবৃদ্ধি সমর্থনের মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য খুঁজে বের করতে হবে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.48-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 147.69-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 148.48-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 147.30-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 147.69 এবং 148.48-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 147.30-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিচের দিকে নেমে যাওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 146.57-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 147.69-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 147.30 এবং 146.57-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/46ayzMk









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২২ সেপ্টেম্বর ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের অনেক উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1764 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। দ্বিতীয়বার 1.1764 লেভেল টেস্ট করার সময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে ছিল, যা সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 সক্রিয় করে এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য 20 পয়েন্ট কমে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায়, গত সপ্তাহের শেষ দিকে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পায় হয়। ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর কারণে সৃষ্ট অস্থিরতার পর বিনিয়োগকারীরা প্রতিবেদনের অনুপস্থিতিকে তাদের পোর্টফোলিও স্থিতিশীল করার সুযোগ হিসেবে দেখেছেন। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোনে সেপ্টেম্বর মাসের কনজিউমার কনফিডেন্স বা ভোক্তা আস্থা সূচক প্রকাশিত হবে। এর পাশাপাশি, ইসিবির প্রতিনিধি ফিলিপ লেন এবং বুন্দেরব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জোয়াকিম নাগেলের বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে। কনজিউমার কনফিডেন্স সূচকের ভোক্তাদের মনোভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা তাদের ব্যয় করার প্রবণতা প্রতিফলিত করে এবং সরাসরি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর প্রভাব ফেলে। জনগণ বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে দেখছে এবং ভবিষ্যতের ব্যাপারে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন—তা বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞরা এই সূচকের প্রতি নিবিড় মনোযোগ দেবেন। সূচকটি ঊর্ধ্বমুখী হলে তা ইউরোর জন্য সহায়ক হবে। ফিলিপ লেন এবং জোয়াকিম নাগেলের বক্তৃতাও ট্রেডারদের উল্লেখযোগ্য আগ্রহ আকর্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে সম্প্রতি ইসিবির সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে, বিনিয়োগকারীরা মুদ্রানীতির ভবিষ্যতের ব্যাপারে ইঙ্গিত খুঁজবেন। মুদ্রানীতিতে সম্ভাব্য যেকোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত কারেন্সি মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1792-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1757-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1792-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1722-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1757 এবং 1.1792-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1722-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1684-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1757-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1722 এবং 1.1684-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/46N2FFM









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৩ সেপ্টেম্বর। জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি সবেমাত্রই শূন্যের উপরে ওঠা শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 147.96 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার কেনার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। তবে এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়নি। গতকাল USD/JPY পেয়ারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পায়নি, যদিও মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তাদের বক্তব্যে তুলনামূলকভাবে কঠোর অবস্থান প্রতিফলিত হয়েছিল। বরং ডলারের অবস্থান কিছুটা দুর্বল হয়েছিল, যা সম্ভবত ফেডের ভবিষ্যৎ সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে মার্কেটের ট্রেডারদের পুনর্মূল্যায়নের কারণে হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা মনে হচ্ছে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে আসার ঝুঁকির দিকে ক্রমবর্ধমান মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্যের পরবর্তী দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে মার্কিন সামষ্টিক পরিসংখ্যান দ্বারা, তাই দিনের প্রথমার্ধে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই—বিশেষ করে জাপানে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা না থাকায়। এ কারণে রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং করা উচিত হবে, যেখানে ইয়েনের বিপরীতে ডলারের আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2-এর উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 148.33-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 147.91-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 148.33-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের মূল্যের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 147.71-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 147.91 এবং 148.33-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 147.71-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিচের দিকে নেমে যাওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 147.28-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 147.91-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 147.71 এবং 147.28-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4nkUFlt









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ফেডের কর্মকর্তাদের সতর্ক বক্তব্য মার্কিন ডলারের দরকে প্রভাবিত করেনি গতকাল ক্লিভল্যান্ড ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট লোরেটা হ্যাম্যাকের এক সাক্ষাৎকার ট্রেডারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। তিনি বলেন যে তিনি এখনও মুদ্রাস্ফীতির হার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং বাড়তি অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এড়াতে সুদের হার কমানোর ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের সতর্ক থাকা উচিত। এই মন্তব্যটি বেশ বিস্ময়কর ছিল—বিশেষত গত সপ্তাহেই ফেড কর্তৃক সুদের হার হ্রাসের পর। হ্যাম্যাক উল্লেখ করেন যে সাম্প্রতিক সময়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার ধীর হয়ে সার্বিকভাবে শ্রমবাজার স্থিতিশীল রয়ে গেছে, যেখানে কর্মী ছাঁটাই এবং বেকারত্বের হার কম রয়েছে। একই সময়ে, মুদ্রাস্ফীতি গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে ফেডের 2%-এর লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়েছে এবং আগামী কয়েক বছরেও লক্ষ্যমাত্রা নাও অর্জিত হতে পারে। তার মন্তব্যগুলো মুদ্রানীতি নমনীয় করার সাধারণ প্রবণতার বিপরীতে গিয়ে বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ট্রেডাররা ক্লিভল্যান্ড ফেডের প্রধান কর্তাব্যক্তির বক্তব্যকে এই সংকেত হিসেবে নিয়েছিল যে, ভবিষ্যতে সুদের হার হ্রাসের গতি মন্থর হতে পারে। এর ফলে ইকুইটি মার্কেটে কিছুটা অস্থিরতা দেখা যায় এবং মার্কিন ডলার সাময়িকভাব্বে এই পরিস্থিতি থেকে সহায়তা পেয়েছিল। সোমবার ক্লিভল্যান্ড ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে এক আলোচনায় হ্যাম্যাক বলেন, "আমার মনে হয় আমাদের মুদ্রানীতি নমনীয় করার ক্ষেত্রে খুব সতর্ক হওয়া উচিত। আমি উদ্বিগ্ন যে যদি আমরা এই সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে নিই, অর্থনীতি আবারও অতিরিক্ত অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।" হ্যাম্যাকের বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মুদ্রাস্ফীতির স্থায়ী চাপের উপর তার দৃষ্টি। চলমান শুল্ক যুদ্ধ এবং অনিশ্চিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ফেডের শীর্ষ অগ্রাধিকার রয়ে গেছে। একদিকে, সুদের হার কমানো হলে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে, অন্যদিকে এটি মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে, যা ভবিষ্যতে আবারও নীতিমালা কঠোর করার প্রয়োজন সৃষ্টি করতে পারে। এই দুই লক্ষ্যের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য রক্ষা করাই ফেডের প্রধান চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে ফেডের নেতৃত্ব সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে যে এই বছর সুদের হার আরও কতটা কমানো যায়, বিশেষত গত সপ্তাহে সুদের হার হ্রাসের পর, যা ডিসেম্বরের পর প্রথমবারের মতো করা হয়েছে। কিছু নীতিনির্ধারক ক্রমবর্ধমানভাবে শ্রমবাজারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন, আবার অন্যরা মূলত ধারণ করছে যে শুল্ক এবং অন্যান্য পদক্ষেপগুলো মুদ্রাস্ফীতিকে লক্ষ্যমাত্রার উপরে নিয়ে যেতে পারে। হ্যাম্যাক বলেন, গত সপ্তাহে সুদের হার হ্রাসের পর আর্থিক নীতিমালা এখন "খুব মাঝারি পর্যায়ে" কঠোর রয়েছে, যা সুদের হারকে নিরপেক্ষ লেভেলের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে—যা প্রবৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে না, আবার বাধাও সৃষ্টি করে না। তিনি আরও বলেন, "আমি মনে করি শ্রমবাজার এখনও যথেষ্ট ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে এবং আমি মুদ্রাস্ফীতি পরিস্থিতি নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন।" এদিকে, কারেন্সি মার্কেটের ট্রেডাররা হ্যাম্যাকের বক্তব্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট: বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1820 লেভেলে পুনরুদ্ধার করা ক্রেতাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। কেবল তখনই 1.1850 লেভেল টেস্ট করা সম্ভব হবে। সেখান থেকে পেয়ারটির মূল্য 1.1882 লেভেলের দিকে যেতে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া এটি করা কঠিন হবে। চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1920-এর লেভেল। যদি দরপতন ঘটে, আমি আশা করি মূল্য 1.1785 লেভেলের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় উল্লেখযোগ্য ক্রয়ের আগ্রহ দেখা দেবে। যদি তা না হয়, তাহলে 1.1760 লেভেল টেস্টের জন্য অপেক্ষা করাই উচিত হবে অথবা 1.1725 লেভেল থেকে লং পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট: পাউন্ড ক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্য হল এই পেয়ারের মূল্যের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3540 লেভেল ব্রেক করানো। কেবল তখনই এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3565 লেভেলের লক্ষ্যমাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, যার উপরে ওঠা কঠিন হবে। চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3605 লেভেল। যদি এই পেয়ারের দরপতন ঘটে, তাহলে মূল্য 1.3490 লেভেলের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই লেভেল ব্রেকআউট হয়ে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি বুলিশ পজিশনের জন্য বড় আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3455 লেভেলে নেমে যেতে পারে, এরপর 1.3415 লেভেল পর্যন্ত দরপতন প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। Read more: https://ifxpr.com/3Ia7yzy









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

স্বর্ণের ট্রেডিং সিগন্যাল, ২৪-২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫: মূল্য $3,791 (8/8 মারে - 38 SMA)-এর নিচে থাকা অবস্থায় স্বর্ণ বিক্রি করুন ইউরোপীয় সেশনে স্বর্ণের মূল্য প্রায় 3,791.08-এর নতুন সর্বোচ্চ লেভেলে পৌঁছেছে। এই লেভেল থেকে আমরা একাধিক টেকনিক্যাল কারেকশন লক্ষ্য করেছি, তাই আগামী দিনগুলোতে এই ইন্সট্রুমেন্টটির বিয়ারিশ প্রবণতার সাথে ট্রেড করার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বর্ণের দর 38-পিরিয়ড মুভিং এভারেজ এরিয়ায় প্রায় 3,697 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। যদি স্বর্ণের মূল্য প্রায় 3,790-এর লেভেলের কাছে একটি ডাবল টপ প্যাটার্ন গঠন করে, তাহলে এটি স্বল্পমেয়াদে শর্ট পজিশন হোল্ড করে রাখার স্পষ্ট সিগন্যাল হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের মূল্য 3,791-এর লেভেল ব্রেক করে, তাহলে মূল্য +1/8 মারে লেভেলের প্রায় 3,828 পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ঈগল সূচক নেগেটিভ সিগন্যাল দিচ্ছে, তাই যেকোনো টেকনিক্যাল রিবাউন্ডের ক্ষেত্রে এবং যতক্ষণ স্বর্ণের মূল্য 3,800 এর নিচে কনসোলিডেট করে, এটি সেল সিগন্যাল হিসেবে গণ্য হবে, যার লক্ষ্যমাত্রা থাকবে আপট্রেন্ড চ্যানেলের নিচের অংশ প্রায় $3,700-এর লেভেল। যদি স্বর্ণের মূল্য আপট্রেন্ড চ্যানেল ব্রেক করে এবং 38-পিরিয়ড মুভিং এভারেজ 3,697-এর নিচে কনসোলিডেট করে, তবে এটি স্বল্পমেয়াদী সেল সিগন্যাল হিসেবে ধরা হবে। স্বর্ণের মূল্য সাইকোলজিক্যাল লেভেল $3,500 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আগামী কয়েক ঘণ্টার জন্য আমাদের ট্রেডিংয়ের পরিকল্পনা হলো 3,770 বা 3,785 এর আশেপাশে টেকনিক্যাল রিবাউন্ড হলে স্বর্ণের সেল করা। স্বর্ণের মূল্য এই দুই লেভেলের নিচে থাকা অবস্থায়, ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করবেন। Read more: https://ifxpr.com/4muo3Es









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

এনভিডিয়া ওপেনএআই-এ $100 বিলিয়ন বিনিয়োগ করেছে: স্টক ও স্বর্ণের দর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, ফেড ধীর গতিতে সুদের হার কমাতে যাচ্ছে ওয়াল স্ট্রিটএর স্টক সূচক আবারও নতুন উচ্চতায় মার্কিন স্টক মার্কেট সোমবার টানা তৃতীয় সেশনে রেকর্ড লেভেলে লেনদেন করেছে, যেখানে প্রযুক্তি খাতের স্টকের মূল্যের শক্তিশালী উত্থান প্রধান ভূমিকা রেখেছে। এআই আশাবাদ বাড়াচ্ছে এনভিডিয়া ওপেনএআই-এ $100 বিলিয়ন বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণার পর এনভিডিয়ার স্টকের দর প্রায় 4% বেড়েছে। চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করেছে যে তারা ডেটা সেন্টারের জন্য প্রসেসর সরবরাহ করবে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে। অ্যাপল এবং টেসলার স্টকেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ওয়েডবুশ আসন্ন iPhone 17-এর শক্তিশালী চাহিদার কথা উল্লেখ করে স্টকের মূল্যের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর পর অ্যাপলের শেয়ারের দর 4.3% বেড়েছে। টেসলার শেয়ারের মূল্যও 1.9% বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে টেক সেক্টর S&P 500 সূচককে টেনে তুলেছে, যা 1.7% বৃদ্ধি পেয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের মধ্যে ভারসাম্য রাখছে ফেড মার্কেটের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার বাইরেও ট্রেডাররাক ফেডারেল রিজার্ভের সংকেতের দিকে নিবিড়ভাবে লক্ষ্য রেখেছিল। গত সপ্তাহে ফেড ডিসেম্বরের পর প্রথমবারের মতো সুদের হার কমিয়েছে এবং জানিয়েছে ভবিষ্যতে আরও কমানো হতে পারে। তবে সব কর্মকর্তা একমত নন। সেন্ট লুইস ফেডের প্রেসিডেন্ট আলবার্তো মুসালেম এবং আটলান্টা ফেড প্রেসিডেন্ট রাফায়েল বস্টিক উভয়েই উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিককালে সুদের হারের এক-চতুর্থাংশ পয়েন্ট হ্রাস বাড়তে থাকা বেকারত্বের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করেছে, তবে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ অগ্রাধিকার রয়ে গেছে। S&P 500 সূচক মৌসুমি দুর্বলতাকে অগ্রাহ্য করছে S&P 500 সূচক বছরের শুরু থেকে 13.8% বেড়েছে এবং সেপ্টেম্বর মাসে 3.6% বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও ঐতিহাসিকভাবে সেপ্টেম্বর মাস ইকুইটি মার্কেটের জন্য দুর্বল থাকে। স্টক মার্কেটের পরিস্থিতি ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ 66 পয়েন্ট বা 0.14% বেড়ে 46,381.54-এ থাকা অবস্থায় লেনদেন শেষ করেছে। S&P 500 সূচক 29 পয়েন্ট বা 0.44% বেড়ে 6,693.75-এ থাকা অবস্থায় লেনদেন শেষ করেছে। নাসডাক কম্পোজিট 157 পয়েন্ট বা 0.70% বেড়ে 22,788.98-এ থাকা অবস্থায় লেনদেন শেষ করেছে। Kenvue শেয়ারের অস্থির লেনদেন যখন বিনিয়োগকারীরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের অপেক্ষায় ছিলেন তখন Tylenol প্রস্তুতকারী Kenvue-এর শেয়ারের 7.5% দরপতন হয়েছিল, যিনি ব্যথানাশক ওষুধ এবং অটিজমের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য দিতে যাচ্ছিলেন। মার্কেটে সেশন শেষ হওয়ার পর ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে FDA চিকিৎসকদের গর্ভবতী নারীদের অ্যাসিটামিনোফেন প্রেসক্রাইব না করার সুপারিশ করবে। তার বক্তব্যের পর Kenvue-এর শেয়ারএর মূল্য শক্তিশালীভাবে রিবাউন্ড করে 4.7% বেড়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতির দিকে দৃষ্টি এই সপ্তাহের প্রধান অর্থনৈতিক প্রতিবেদন হবে মার্কিন পারসোনাল কনজাম্পজন এক্সপেন্ডিচার্স (PCE) প্রাইস ইনডেক্স, যা মুদ্রাস্ফীতি পরিমাপের জন্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর এশিয়ার স্টক মার্কেটে কারেকশন মঙ্গলবার বেশিরভাগ এশীয় স্টক মার্কেট সাম্প্রতিক প্রবৃদ্ধির পর কিছুটা দরপতনের শিকার হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আশাবাদ প্রযুক্তি শেয়ারে অর্থ প্রবাহিত করতে থাকে, অন্যদিকে ফেড কর্তৃক আরও সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশা স্বর্ণের দাম বাড়তে সহায়তা করে। ওয়াল স্ট্রিট আবার নতুন রেকর্ড গড়লো এনভিডিয়া ওপেনএআই-তে সর্বোচ্চ 100 বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর মার্কিন ইকুইটি সূচকগুলো আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। কোম্পানিটি আরও নিশ্চিত করেছে যে 2026 সালের দ্বিতীয়ার্ধে ডেটা সেন্টারের জন্য প্রথম চিপ সরবরাহ শুরু হবে। স্বর্ণের দর সর্বকালের সর্বোচ্চ স্তরে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি $3759-এ পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছে, যা শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসেই প্রায় 9% বৃদ্ধি নির্দেশ করছে। এশিয়ার স্টক মার্কেটে টেক কোম্পানির রাজত্ব প্রযুক্তি খাতের স্টকগুলোর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এশিয়ায় সেমিকন্ডাক্টর শেয়ারের প্রবৃদ্ধি বাড়িয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক 0.5% বেড়েছে, যা মাসিক প্রবৃদ্ধি 9%-এর উপরে নিয়ে গেছে। জাপানের নিক্কেই ছুটির কারণে বন্ধ ছিল, তবে সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে এটি 6.5% বেড়েছে। তাইওয়ানের বেঞ্চমার্ক সূচকও প্রায় 7% বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনে ঊর্ধ্বমুকী প্রবণতা কমেছে তারল্য-নির্ভর প্রবৃদ্ধি ফিকে হয়ে যাওয়ায় চীনের ব্লু-চিপ শেয়ারের দর 0.8% কমেছে। ফলে জাপানের বাইরের এশিয়া-প্যাসিফিক স্টকের MSCI সূচক স্থিতিশীল ছিল, যদিও এক মাস আগের তুলনায় এটি এখনও 5.5% বেশি। ইউরোপ ও মার্কিন স্টক মার্কেটে সতর্ক মনোভাব ইউরোপীয় মার্কেটগুলো বৈশ্বিক আশাবাদের তুলনায় পিছিয়ে ছিল। EUROSTOXX 50 এবং FTSE ফিউচার 0.1% বেড়েছে, আর DAX ফিউচার 0.2% বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে S&P 500 এবং নাসডাক ফিউচারে তেমন পরিবর্তন হয়নি, যদিও আগের দিন উভয় সূচক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল। ফেডের আরও সুদের হারের উপর বাজি বৈশ্বিক স্টক মার্কেট সমর্থন পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে আরও সুদ কমানোর প্রত্যাশা থেকে। গত সপ্তাহের নীতিগত শিথিলতার পর ট্রেডাররা আরও আত্মবিশ্বাসী যে ফেড অতিরিক্ত রেট কাট করবে। ফিউচারস মার্কেটের মূল্যায়ন অক্টোবরে এক-চতুর্থাংশ পয়েন্ট সুদের হার সম্ভাবনা এখন প্রায় 90% এবং ডিসেম্বরে আরেকটি কাটের সম্ভাবনা 75% নির্ধারণ করছে ফিউচারস মার্কেট। বিনিয়োগকারীদের মনোভাব ফেড কর্মকর্তাদের মিশ্র বার্তার তুলনায় বেশি ডোভিশ। ফেডের ভেতরে বিভক্ত মতামত সোমবার ফেডের নতুন নিযুক্ত গভর্নর স্টিফেন মিরান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনে, আক্রমণাত্মকভাবে রেট কমানোর আহ্বান জানান। তবে তার তিন সহকর্মী যুক্তি দেন যে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ আরও পরিমিত অবস্থান দাবি করে। ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল মঙ্গলবার পরে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে, যা মুদ্রানীতিতে আরও স্বচ্ছতা আনবে। রাজনৈতিক ঝুঁকির দিকে দৃষ্টি মার্কেট আরও বিবেচনা করছে যে সেপ্টেম্বর 30-এর ফান্ডিং ডেডলাইন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে মার্কিন সরকারের শাটডাউনের সম্ভাবনা রয়েছে। কারেন্সি মার্কেটে অস্থিরতা কারেন্সি ট্রেডিংয়ে ডলার টানা তিন সেশনের প্রবৃদ্ধির পর কিছুটা নেমে গেছে। ইউরো $1.1803-এ স্থিতিশীল ছিল, যা সোমবারের $1.1726 লো থেকে রিবাউন্ড করেছে। ইয়েনের বিপরীতে ডলার সাময়িকভাবে 148 স্পর্শ করার পর নেমে গেছে 147.77-এ। সুইডিশ ক্রোনা ডলারের বিপরীতে $9.3497-এ স্থিতিশীল ছিল, যখন বিনিয়োগকারীরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেট সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলেন। ফিউচারস বর্তমানে এক-তৃতীয়াংশ কাটের সম্ভাবনা নির্ধারণ করছে। তেলের উপর চাপ রাশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত সরবরাহের উদ্বেগ ক্রুডের দাম কমিয়ে দিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড 0.5% কমে ব্যারেলপ্রতি $66.24-এ নেমেছে, আর মার্কিন ক্রুড একই হারে কমে $61.98-এ নেমেছে। Read more: https://ifxpr.com/4muo3Es









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/CHF। বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ, সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (SNB) সুদের হার সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হবে, এরপর ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মার্টিন শ্লেগেলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। আশা করা হচ্ছে যে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবারও মূল সুদের হার 0.0%-এ অপরিবর্তিত রাখবে, যা পরপর দ্বিতীয় বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত হবে, যদিও গত বছরের মার্চ থেকে টানা ছয়বার সুদের হার হ্রাস করা হয়েছিল। ট্রেডাররা প্রত্যাশা করছে এই বছর আর সুদের হার কমানো হবে না, তবে আগামী বছরের সম্ভাব্য পদক্ষেপ এখনো অনিশ্চিত। বিনিয়োগকারী ও ট্রেডারদের শ্লেগেলের বক্তব্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত, কারণ এতে নেতিবাচক সুদের হার নীতির পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত থাকতে পারে। এই সিদ্ধান্ত সুইস ফ্রাঁর বিনিময় হারের উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে এবং USD/CHF-এর মূল্যের মুভমেন্টে মোমেন্টাম নিয়ে আসবে। সুইজারল্যান্ডের মুদ্রাস্ফীতি এখনো SNB-এর লক্ষ্যমাত্রার নিচে রয়েছে, আর ফ্রাঁ সাম্প্রতিককালে শক্তিশালী হওয়ায় সেটি আবারও ব্যাংকটিকে নেতিবাচক সুদের হারের নীতি পুনরায় চালু করার কথা ভাবতে প্ররোচিত করতে পারে। এর ফলে "হকিশ বা কঠোর" অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা কার্যত বাতিল হয়ে যায় এবং ইঙ্গিত দেয় যে সুইস ফ্রাঁর আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা কম। SNB-এর সিদ্ধান্তকে ঘিরে মূল ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে USD/CHF পেয়ারের মূল্য বর্তমানে 0.7940 সাপোর্ট লেভেলের আশেপাশে সংকীর্ণ রেঞ্জে ওঠানামা করছে, যেখানে 9-দিন EMA অবস্থান করছে, মার্কিন ডলারের মাঝারি মেয়াদী দুর্বলতা অব্যাহত রয়েছে। সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থান গ্রহণ করলে এই পেয়ারের মূল্য 0.7900 লেভেল—যা সাপ্তাহিক সর্বনিম্ন লেভেল এবং আগের দিন টেস্ট করা হয়েছিল—থেকে রিবাউন্ড অব্যাহত রাখার সুযোগ করে দেবে এবং এই সপ্তাহের সর্বোচ্চ লেভেল প্রায় 0.7975 লেভেলের উপরে ব্রেক করতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে, ক্রেতাদের লক্ষ্য হবে এই পেয়ারের মূল্যকে সাইকোলজিক্যাল লেভেল 0.8000-এ নিয়ে যাওয়া। অন্যদিকে, অপ্রত্যাশিত "হকিশ বা কঠোর" অবস্থান এই পেয়ারের তীব্র দরপতন ঘটাবে এবং মূল্যকে আবার 0.7900 লেভেলে ফিরিয়ে আনবে। আরও দরপতন বিক্রেতাদের কাছে অতিরিক্ত সেল সিগন্যাল হিসেবে ধরা হবে, যেখানে প্রথম লক্ষ্যমাত্রা হবে 0.7855-এর কাছাকাছি অবস্থিত ইন্টারমিডিয়েট সাপোর্ট এবং 0.7830 লেভেলে চূড়ান্তভাবে পতন ঘটতে পারে—যা 2011 সালের সেপ্টেম্বরের পর থেকে সর্বনিম্ন লেভেল এবং গত সপ্তাহে রেকর্ড করা হয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/46EXUwW









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৬ সেপ্টেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ার অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের নিচে কনসোলিডেট করার পর পুনরায় নিম্নমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক মুভমেন্ট ছিল। প্রবণতা এখন বিয়ারিশে পরিবর্তিত হয়েছে, তাই দরপতনই প্রত্যাশিত। তবে, বৃহস্পতিবারের দরপতন কেবল টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের কারণেই ঘটেনি। মার্কিন সেশনে আমরা যেসব প্রতিবেদনের দিকে নজর দিতে বলেছিলাম সেগুলো প্রকাশিত হয়: ডিউরেবল গুডস অর্ডার এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকের জিডিপির তৃতীয় অনুমান। উভয় প্রতিবেদনের ফলাফল ট্রেডার ও বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল, যা ডলারের মূল্যের তীব্র ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টকে উদ্দীপিত করেছে। সুতরাং, স্থানীয় পর্যায়ে ডলারের শক্তিশালী হওয়ার যথেষ্ট ভিত্তি ছিল; তবে বৈশ্বিক পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদে মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো ডলারের বিপক্ষে কাজ করছে। মনে করিয়ে দিই, অনেক সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে, আর ফেড পুনরায় আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করা শুরু করেছে, যা ডলারের জন্য শক্তিশালী বিয়ারিশ ফ্যাক্টর। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এটি পুরো ইউরোপীয় সেশন জুড়ে গঠিত হয়েছে, তবে শেষ পর্যন্ত এই পেয়ারের মূল্য 1.1737–1.1745 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করেছে। মাত্র প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে মূল্য 1.1655–1.1666 জোনে পৌঁছে গেছে। হঠাৎ করে দরপতন শুরু হওয়ায় শর্ট পজিশনে দ্রুত এন্ট্রি নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যারা এতে সফল হয়েছেন তারা প্রায় 30–40 পিপস মুনাফা অর্জন করেছেন। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে বৈশ্বিক পর্যায়ে EUR/USD পেয়ারের একটি নতুন কারেকশন শুরু হয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদনের সহায়তায় হয়েছে। তবে সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারের জন্য নেতিবাচক, তাই আমরা এখনো ডলারের শক্তিশালী দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না। আমাদের দৃষ্টিতে, আগের মতোই মার্কিন মুদ্রার কেবল টেকনিক্যাল কারেকশনের উপর নির্ভর করা যেতে পারে—যার একটি আমরা বর্তমানে লক্ষ্য করছি। শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে; তবে উল্লেখযোগ্য হলো, বৃহস্পতিবার এই দরপতনের জন্য শক্তিশালী কারণ ছিল, কিন্তু আজ তা নাও থাকতে পারে। তাই আজ শুক্রবার যেকোনো দিকে মুভমেন্ট হতে পারে, এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট আবারও ট্রেডারদের সেন্টিমেন্টকে প্রভাবিত করতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1737–1.1745, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার ক্রিস্টিন লাগার্দের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হবে, সেইসাথে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স এবং মার্কিন PCE মূল্য সূচক প্রকাশিত হবে, যেগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। আমরা লাগার্দের বক্তব্যে তেমন কিছু আশা করছি না, তবে মার্কিন সূচকগুলোর ফলাফল ডলারের বিনিময় হারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/48GrO6m









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২৯ সেপ্টেম্বর ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের অনেক উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1689 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে আমি ইউরো কেনার সিদ্ধান্ত নেইনি। এই লেভেলের দ্বিতীয়বার টেস্ট হওয়ার সময় MACD সূচকটি ওভারবট জোনে ছিল, যা সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 কার্যকর হওয়ার সুযোগ দেয়, যদিও এই পেয়ারের বড় ধরনের দরপতন হতে দেখা যায়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোর পারসোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার্স (PCE) সূচক অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল, যা মুদ্রাস্ফীতির মাঝারি পর্যায়ের চাপ নির্দেশ করে। এই বিষয়টি বৈশ্বিক ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে ঝুঁকি ও সুযোগের পুনর্মূল্যায়নের জন্য একটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করা মার্কিন ডলার উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়ে, বিশেষত ইউরোর বিপরীতে। বিনিয়োগকারীরা, যারা ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক আক্রমণাত্মক অবস্থানের প্রত্যাশা করছিলেন, এখন আরও সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাকে বিবেচনা করতে বাধ্য হচ্ছেন । পূর্বাভাস অনুযায়ী PCE সূচকের প্রকাশিত ফলাফলকে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরও সতর্ক অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে মার্কিন অ্যাসেঁটের প্রতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ হ্রাস পাচ্ছে এবং উচ্চ রিটার্ন প্রদান করতে পারে এমন অ্যাসেটের দিকে মূলধন প্রবাহ শুরু হচ্ছে। আজ দিনের প্রথমার্ধে ইউরোজোন থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, কেবল বুন্ডেসব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জোয়াকিম নাগেলের একটি বক্তব্য প্রত্যাশিত। কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় এমন একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বক্তব্য বিশেষ গুরুত্ব পাবে এবং মার্কেটে মুভমেন্টের সম্ভাব্য অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে। নাগেলের অবস্থান, ইউরোজোনের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ব্যাপারে তার মূল্যায়ন এবং নিকট ভবিষ্যতের পূর্বাভাস নিঃসন্দেহে ঘনিষ্ঠভাবে বিশ্লেষণ করা হবে। বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য ইসিবির পরিকল্পনা নিয়ে যেকোনো সংকেত খুঁজবেন। সুদের হার সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আজ আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের দিকে বেশি মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1760-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1735-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1760-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র ইসিবির প্রতিনিধিগণ দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1721-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1735 এবং 1.1760-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1721-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1695-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসবে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1735-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1721 এবং 1.1695-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4pKkAV9









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৩০ সেপ্টেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট সোমবারের বেশিরভাগ সময় EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করেছে। এটি বলা যায় না যে ডলারের তীব্র দরপতন হয়েছে, তবে টানা দুই দিন ধরে এটির দরপতন অব্যাহত রয়েছে। একইভাবে বলা যায় না যে মার্কিন সরকারী শাটডাউনের হুমকি বা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন আমদানি শুল্ক ডলারের দরপতন ঘটিয়েছে—যদিও ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে এই ধরনের কারণ প্রায় নিশ্চিতভাবেই বড় ধরনের প্রভাব ফেলত। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন ডলারের দর তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে আমরা একটি ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন এঁকেছি, তবে এটি কিছুটা অনিশ্চিত। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোন—কোনো জায়গাতেই গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, যার মাধ্যমে দিনেরবেলা স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার কারণটি ব্যাখ্যা করা যায়। আমাদের দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা নেই। যদিও বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে মৌলিক পটভূমি উপেক্ষা করছে, তবে এমন পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে না। এ সপ্তাহে মার্কিন মুদ্রার সামনে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ কারণ রয়েছে, কারণ শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংক্রান্ত নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে সোমবার বেশ কিছু ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তবে সবগুলোই প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর ছিল না। আমরা পূর্বের 1.1737–1.1745 রেঞ্জ পরিবর্তন করে এখন 1.1745–1.1754 এরিয়া নির্ধারণ করেছি। তাই ট্রেডারদের আজ এই আপডেটেড রেজিস্ট্যান্স জোন নিয়েই কাজ করতে হবে। মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা এখনও বজায় রয়েছে। সামগ্রিকভাবে মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি ডলারের জন্য অনুকূল নয়, তাই আমরা এখনও মার্কিন মুদ্রার বড় ধরনের দর বৃদ্ধির আশা করছি না। আমাদের মতে, আগের মতোই, ডলারের মূল্যের কেবল টেকনিক্যাল কারেকশনের ওপর নির্ভর করা যেতে পারে—এবং বর্তমানে আমরা একটি কারেকশন লক্ষ্য করছি। মঙ্গলবার EUR/USD পেয়ারের 1.1745–1.1754 রেঞ্জে ট্রেডিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকালই এই এরিয়া থেকে একটি রিবাউন্ড ঘটেছিল, যা দরপতনের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, মূল্য এই এরিয়া ব্রেক করলে লং পজিশনের সুযোগ তৈরি হবে, যেখানে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, এ সপ্তাহে সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি প্রভাবশালী হবে, একই সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ডলারের মূল্যকে নিম্নমুখী করার চেষ্টা করছেন। Read more: https://ifxpr.com/4mD1q0D









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৩ অক্টোবর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডের বিশ্লেষণ: EUR/USD পেয়ারের 1H চার্ট বৃহস্পতিবার, অপ্রত্যাশিতভাবে EUR/USD পেয়ারের দরপতন ঘটেছে। এর অর্থ এই নয় যে ডলারের মূল্য যথেষ্ট বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন করে স্থানীয় পর্যায়ে "ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা" শুরু হবে। তবে, এই সপ্তাহে মার্কেটে খুবই মিশ্র এবং অযৌক্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, ট্রেডাররা মার্কিন মুদ্রার জন্য প্রতিকূল অনেক কারণকে উপেক্ষা করেছে। যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছে, গতকাল ডলারের দরপতনের জন্য আনুষ্ঠানিক কারণ ছিল। ইউরোজোনের বেকারত্বের হার অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে 6.3%-এ পৌঁছেছে, যা ইউরোর দরপতনের কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তবুও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কার্যক্রমে শাটডাউন শুরু হয়েছে এবং শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনে আবারও দুর্বলতা দেখা গিয়েছে। আমাদের মতে, এই দুটি কারণ ইইউ-এর বেকারত্বের হারের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটিও লক্ষণীয় যে মুদ্রানীতির ব্যাপারে ফেডারেল রিজার্ভের ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ট্রেডাররা এখন প্রায় 100% নিশ্চিত যে ফেড চলতি বছর শেষের আগে দুইবার সুদের হার কমাবে। তবে, আপাতত, এই সমস্ত কারণগুলোকে উপেক্ষা করা হচ্ছে, যা মার্কেটের মুভমেন্টকে অযৌক্তিক করে তুলছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, বৃহস্পতিবার মাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল—কিন্তু এটি একটি কার্যকর সিগন্যাল ছিল। ৫ ঘন্টা ধরে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754-এর রেজিস্ট্যান্স জোনের আশেপাশে কনসলিডেট করেছিল। অবশেষে যখন রিবাউন্ড ঘটে, তখন মূল্য প্রায় ৫০ পিপস সঠিক দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করে। যদিও এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666-এর নিকটতম লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়নি, তবুও নতুন ট্রেডাররা মুনাফার জন্য ম্যানুয়ালি এই ট্রেড ক্লোজ করতে পারতেন। শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘণ্টাভিত্তিক চার্টে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে এবং এখনও মূল্য ট্রেন্ডলাইনের উপরে উঠতে পারেনি। ডলারের মৌলিক পটভূমি দুর্বল রয়েছে, তাই আমরা মার্কিন মুদ্রার মূল্যের দৃঢ় বৃদ্ধির আশা করছি না। আগের মতোই, ডলারের মূল্যের কেবল টেকনিক্যাল কারেকশনের উপর নির্ভর করা যেতে পারে, যার মধ্যে একটি আমরা বর্তমানে হতে দেখছি। শুক্রবার, EUR/USD পেয়ারের আবার 1.1745–1.1754 জোনের মধ্যে ট্রেড করার সম্ভাবনা রয়েছে। এই জোন থেকে একটি রিবাউন্ড হলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। এই জোন ব্রেকআউট করে মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে আরও যৌক্তিকভাবে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হল: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার, ইইউতে ক্রিস্টিন লাগার্ড বক্তব্য দেবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, প্রাথমিকভাবে নন-ফার্ম পে-রোল এবং বেকারত্বের হার প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল কিন্তু শাটডাউনের কারণে তা ইভেন্ট ক্যালেন্ডার থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সুতরাং, আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হবে আইএসএম পরিষেবা বিষয়ক পিএমআই। Read more: https://ifxpr.com/4o5qb6Y









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৭ অক্টোবর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামা শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 150.26 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ডলার বিক্রির জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এই সিগন্যালের ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 40 পয়েন্টেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। গতকাল বিকেলে যখন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বাজেট আলোচনা আরেক দফা ব্যর্থ হয় এবং সরকারি শাটডাউন আরও দীর্ঘায়িত হয় তখন মার্কিন ডলার মাঝারি মাত্রায় দরপতনের শিকার হয়। উল্লেখ্য যে দীর্ঘমেয়াদি শাটডাউন মার্কিন অর্থনীতির প্রতি আস্থা হ্রাস করে। এতে শুধু মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবই নয়, শাটডাউনের একটি সরাসরি প্রভাব অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রবাহের ওপরও পড়ে। যখন সরকারি সংস্থাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, তখন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ওপর প্রতিবেদন প্রকাশে বিলম্ব ঘটে, যার ফলে অনিশ্চয়তা বেড়ে যায় এবং বিশ্লেষক ও ট্রেডারদের জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে। সময়মতো প্রতিবেদন প্রকাশ না হলে মার্কেটে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। এসব কারণ সত্ত্বেও, জাপানি ইয়েনের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে ঊর্ধ্বমুখী হতে পারেনি। জাপানে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ঘোষণাটি, যা গতকাল দেওয়া হয়েছে, এখনও ইয়েনের নিম্নমুখী প্রবণতা সৃষ্টি করছে। নতুন নেত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তিনি ভবিষ্যতের সংস্কারের ক্ষেত্রে নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করতে চান এবং প্রয়োজনে অর্থনৈতিক প্রণোদনা পুনরায় চালু করবেন। এই অবস্থান আবারো ব্যাংক অব জাপানের সুদের হার বৃদ্ধির পরিকল্পনার সাথে বিরোধ সৃষ্টি করছে। আজকের ট্রেডিং কৌশল হিসেবে আমি মূলত বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 150.97-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 150.58-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 150.97-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের দরপতন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 150.30-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 150.58 এবং 150.97-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 150.30-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 149.98-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এটি বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 150.58-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 150.30 এবং 149.98-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/42q6deL









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

স্বর্ণের মূল্য $4,000-এর উপরে পৌঁছেছে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই গোল্ডম্যান শ্যাক্সের বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে শিগগিরই স্বর্ণের মূল্য $4,000-এ পৌঁছতে পারে। গতকাল সেই পূর্বাভাস বাস্তবে পরিণত হয়েছে। স্বর্ণের স্পট মূল্য প্রথমবারের মতো আউন্স প্রতি $4,000 অতিক্রম করেছে এবং বর্তমানে মূল্য প্রায় $4,036-এর আশেপাশে স্থির আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলমান সরকার অচলাবস্থার কারণে দেশটির অর্থনীতিতে সম্ভাব্য গুরুতর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় স্বর্ণের মূল্য এই মাইলফলক অর্জন করেছে। স্বর্ণের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ মাত্র দুই বছর আগেও এটি $2,000-এর নিচে ট্রেড করছিল। শুধু এই বছরেই, স্বর্ণের দর 50%-এর বেশি বেড়েছে — যার পেছনে কাজ করছে বৈশ্বিক বাণিজ্য অনিশ্চয়তা, ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন, এবং যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক পরিস্থিতির স্থিতিশীলতার বিষয়ে উদ্বেগ। এতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে বিশ্বের বৃহৎ ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনাসমূহ, যখন বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে স্বর্ণের ক্রয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। স্বর্ণের মূল্যের সর্বশেষ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ ওয়াশিংটনের বাজেট সংকটের মধ্যে বিনিয়োগকারীরা মার্কেটের সম্ভাব্য অস্থিরতা থেকে সুরক্ষা খুঁজছেন। আর্থিক নীতিমালার ব্যাপারে ফেডারেল রিজার্ভের অপেক্ষাকৃত নমনীয় অবস্থানে যাওয়ার ইঙ্গিত স্বর্ণকে আরও সহায়তা করেছে, কারণ স্বর্ণে সুদ নেই। বিনিয়োগকারীরাও এর প্রতিক্রিয়ায় ইটিএফে তাদের অ্যাসেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে। এমনকি, শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই, বাস্তব-স্বর্ণ ভিত্তিক ইটিএফে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মাসিক বিনিয়োগ প্রবাহ দেখা গেছে। পাশাপাশি, ফেড কর্তৃক সুদের হার কমানোর প্রত্যাশাজনিত কারণে দুর্ব হয়ে পড়া মার্কিন ডলার বিদেশি ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণকে তুলনামূলকভাবে আরও সাশ্রয়ী করে তুলেছে—যা চাহিদা আরও বাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে, এই সমস্ত উপাদানগুলোর একত্রিত প্রভাবে বর্তমানে স্বর্ণের ধারাবাহিক দর বৃদ্ধির জন্য একটি আদর্শ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিনিয়োগকারীদের মনে রাখতে হবে যে স্বর্ণের মূল্যেরও অস্থিরতা দেখা যেতে পারে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় বিভিন্ন সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনা করা উচিত। পোর্টফোলিওর বৈচিত্র্যময়তা বজায় রাখা এবং শুধুমাত্র স্বর্ণের ওপর মূলধন সংরক্ষণের নির্ভরশীলতা এড়ানো জরুরি। ইতিহাস অনুযায়ী, প্রায়শই বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক সংকটের সময়ে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি ঘটে থাকে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের পর স্বর্ণের দর প্রতি আউন্সে $1,000 ছাড়িয়েছিল, কোভিড-১৯ মহামারির সময় $2,000 অতিক্রম করেছিল, এবং ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তখন তা $3,000 ছুঁয়েছিল। এখন, একটি নতুন অস্থিতিশীলতার পটভূমিতে এই মূল্যবান ধাতুটির দর $4,000 অতিক্রম করেছে— যার মধ্যে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেডারেল রিজার্ভের বিরুদ্ধে মৌখিক আক্রমণ। এর মধ্যে রয়েছে সরাসরি ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে হুমকি এবং গভর্নর লিসা কুককে পদ থেকে সরানোর প্রচেষ্টা — যা সম্ভবত ফেডের স্বাধীনতার ওপর এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, এখন ক্রেতাদের জন্য নিকটবর্তী রেজিস্ট্যান্স হলো $4,062। স্বর্ণের মূল্য সফলভাবে এই লেভেল ব্রেকআউট কওরে ঊর্ধ্বমুখী হলে $4,124 এরিয়ার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত হবে, যার ওপরে ওঠা কিছুটা কঠিন হতে পারে। বুলিশ প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা $4,186-এর লেভেল। যদি দরপতন শুরু করে, তাহলে মূল্য $4,008 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে চাইবে। যদি স্বর্ণের মূল্য নিশ্চিতভাবে এই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়, তবে তা ক্রেতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং স্বর্ণের দর $3,954 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে আরও দরপতনের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হলো $3,906। Read more: https://ifxpr.com/46ZMnIK









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৯ অক্টোবর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার (এবং বৃহস্পতিবারের শুরু পর্যন্ত), GBP/USD পেয়ারের মূল্যের দুর্বল নিম্নমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল — যদিও বাস্তবে এই ধরনের মুভমেন্টের পেছনে কোনো স্পষ্ট মৌলিক কারণ নেই। মনে করিয়ে দিই, পাউন্ডের মূল্য যখন ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে তখন প্রবণতা বুলিশে রূপান্তরিত হয়েছিল। এই সপ্তাহে ব্রিটিশ কারেন্সির জন্য কোনো তাৎপর্যপূর্ণ মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে চলমান সরকারি কার্যক্রমের অচলাবস্থা ও শিকাগোতে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে স্পষ্টভাবেই ডলারের জন্য নেতিবাচক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এবং বছরের শেষ নাগাদ ফেডারেল রিজার্ভের আরও দুই দফা সুদের হার হ্রাস করবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি অনুযায়ী ডলারের দরপতন হওয়াই স্বাভাবিক, দর বৃদ্ধি নয়। তাই আমাদের দৃষ্টিতে GBP/USD পেয়ারের বর্তমান দরপতন পুরোপুরি অযৌক্তিক। তাত্ত্বিকভাবে, শক্তিশালী পারস্পারিক সম্পর্কের কারণে ইউরোর দরপতনের ফলে পাউন্ডেরও দরপতন হতে পারে; তবে এই ব্যাখ্যাও বিতর্কযোগ্য। যদিও পাউন্ডের বড় আকারে দরপতন হয়নি, তবুও বর্তমানে যখন মুদ্রাটির মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হওয়া উচিত, তখন এটির মূল্য কমে যাচ্ছে। সংক্ষেপে, এই পেয়ারের মূল্যের দৈনিক মুভমেন্টগুলো এখনো বিশৃঙ্খল এবং দুর্বল কাঠামোবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে আমরা EUR/USD-এর মতো পরিস্থিতি দেখতে পাচ্ছি। এই পেয়ারের মূল্য ক্রমেই সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো উপেক্ষা করছে। যদিও ট্রেডিং সিগন্যাল এখনো তৈরি হচ্ছে, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মূল্য লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাচ্ছে না। উদাহরণস্বরূপ, গতকাল 1.3413–1.3421 জোনে ট্রেডিংয়ের সময় চারটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল — প্রত্যেকটিই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তাই নতুন ট্রেডারদের অবশ্যই বোঝা দরকার, এই মুহূর্তে মার্কেটে যৌক্তিকতার অভাব রয়েছে এবং এই পেয়ারের মূল্যের স্বল্পমেয়াদী মুভমেন্টগুলো ভীষণ অস্থিরতা ও পূর্বাভাসযোগ্য নয়। বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের কৌশল: ঘন্টাভিত্তিক চার্ট অনুযায়ী GBP/USD পেয়ারের মূলয়ের পূর্বের নিম্নমুখী প্রবণতা শেষ হয়েছে, তবে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট এখনও শুরু হয়নি। যেমনটি আগেই উল্লেখ করেছিলাম, মধ্যমেয়াদে ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ নেই, তাই এখনও সময়ের সাথে সাথে আমরা GBP/USD পেয়ারের মূল্যের বুলিশ মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। তবে, মার্কেটের বর্তমান পরিস্থিতি এখনো বেশ জটিল। স্পষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই পাউন্ডের দরপতন হচ্ছে এবং টেকনিক্যাল স্ট্রাকচারগুলোর ধারাবাহিকতা ভেঙে যাচ্ছে। লোয়ার টাইমফ্রেম (৫ মিনিটে) টেকনিক্যাল সিগন্যালের ভিত্তিতে ট্রেড করা গেলেও, যেকোনো টাইমফ্রেমেই এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট এখনো অনির্ভরযোগ্য রয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে, বিশেষ করে যখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3413–1.3421 লেভেল ব্রেক করে গেছে। মার্কেটের বর্তমান বাস্তবতায়, অনিয়মিত পুলব্যাক ও পূর্বনির্ধারিত সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো উপেক্ষিত থাকারও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স জোনগুলো হলো: 1.3102–1.3107, 1.3203–1.3211, 1.3259, 1.3329–1.3331, 1.3413–1.3421, 1.3466–1.3475, 1.3529–1.3543, 1.3574–1.3590, 1.3643–1.3652, 1.3682, 1.3763। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। তবে, যুক্তরাষ্ট্রে ফেডের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বক্তব্য মার্কেটে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, যা নির্ভর করবে তিনি কী বলেন তার ওপর। ফেডের বর্তমান সুদের হার হ্রাসের আঙ্গিকে এবং যুক্তরাষ্ট্রে সামগ্রিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে, পাওয়েলের বক্তব্য দিনের প্রধান ইভেন্ট হতে যাচ্ছে। মার্কেটে হঠাৎ করে যেকোনো দিকেই মুভমেন্ট শুরু হতে পারে, সে জন্য ট্রেডারদের প্রস্তুত থাকা উচিত। Read more: https://ifxpr.com/4oeLUJD









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১০ অক্টোবর জাপানিজ ইয়েনের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচ থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 152.87 লেভেল টেস্ট করে, যা ডলার কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলস্বরূপ, USD/JPY পেয়ারের মূল্যের 35-পিপসের একটি ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যায়। জাপানি ইয়েন চাপের মধ্যে ছিল, কারণ গতকাল আরও কয়েকজন মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তা মূল্যস্ফীতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সুদের হারের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক অবস্থান গ্রহণের পক্ষে মত দিয়েছেন। মার্কেটের ট্রেডাররা তাৎক্ষণিকভাবে এই ধরনের বক্তব্যের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায়: জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রীর ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান কেন্দ্র করে ইয়েন আরও বেশি বিক্রির চাপের মুখে পড়ে। জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দৃষ্টিভঙ্গি নতুন প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানের সঙ্গে কতটা সঙ্গতিপূর্ণ তার ওপর USD/JPY পেয়ারের মূল্যের ভবিষ্যত মুভমেন্ট নির্ভর করবে। মনে করিয়ে দেওয়া ভালো যে, জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত কয়েক মাস ধরেই আরও হকিশ বা কঠোর মুদ্রানীতির ভিত্তি তৈরি করছিল, যেখানে নতুন প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করতে পুনরায় অর্থনৈতিক প্রণোদনামূলক নীতিমালার দিকে ফিরে যাওয়ার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং পরিকল্পনা 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.31-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 152.94-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.31-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের দরপতন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 152.66-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 152.94 এবং 153.31-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 152.66-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 152.302-এর লেভেল, যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। মূল্য যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 152.94-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 152.66 এবং 152.30-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4ogAEwl









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে, অপরদিকে মার্কিন ডলার দরপতনের শিকার হচ্ছে। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রবিবার চীনের সঙ্গে পুনরায় বাণিজ্য উত্তেজনা প্রশমিত করতে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে, তারপরও কারেন্সি ট্রেডাররা এখনো সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে, এমনকি যখন মার্কিন স্টক মার্কেটে স্থিতিশীলতার প্রাথমিক ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স বেইজিংকে অনুরোধ করেছেন যেন বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যে দেশটি একটি যৌক্তিক পথ গ্রহণ করে। তিনি বলেন, যদি বাণিজ্য সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে ট্রাম্পের কূটনৈতিক সক্ষমতা আরও বাড়বে। পরে ট্রাম্প এক বিবৃতিতে সম্ভাব্য আপসের ইঙ্গিত দেন, কিন্তু পাশাপাশি তিনি সতর্ক করেন যে পূর্ণমাত্রার বাণিজ্য যুদ্ধ চীনের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, "চীনকে নিয়ে চিন্তা করবেন না—সব ঠিক হয়ে যাবে! সম্মানিত চেয়ারম্যান শি সম্প্রতি কঠিন সময় পার করেছেন। তিনি নিজের দেশে অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে আসতে চান না, আমিও তা চাই না। যুক্তরাষ্ট্র চীনকে সাহায্য করতে চায়, ক্ষতি করতে নয়!" ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিবৃতিগুলো এমন এক সময়ে এসেছে, যখন বাণিজ্য সংঘর্ষ পুনরায় তীব্রতর হওয়ার কারণে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে বিঘ্ন ঘটেছে এবং ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকলে বৈশ্বিক অর্থনীতি মন্দার মুখে পড়তে পারে। যেখানে ভ্যান্স সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানান, ট্রাম্প সেখানে অপেক্ষাকৃত কঠিন অবস্থান গ্রহণ করেছেন। আপসের ইঙ্গিত অনেকেই ইতিবাচক বলে গ্রহণ করলেও, চীনের প্রতি তাঁর সতর্কবার্তা ইঙ্গিত দেয় তিনি দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। বিশ্লেষকদের মতে, দুই পক্ষই বাণিজ্যযুদ্ধের চড়া মূল্য সম্পর্কে সচেতন। বিশেষ করে চীন, কারণ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হ্রাস পেলে দেশটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতা এবং কর্মসংস্থানে সংকটের সম্মুখীন হতে পারে। ট্রাম্প ও ভ্যান্সের বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাম্প্রতিক বাণিজ্যভিত্তিক সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তনে চাপ দিয়ে যাবে, আবার একই সময়ে মার্কেটের বিচলিত বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতেও চাইছে যে এই উত্তেজনার আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা অনিবার্য নয়। সর্বাধিক সম্ভাব্য দৃশ্যপট হলো, দুই পক্ষই এখন সবচেয়ে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবে এবং মে মাসে নির্ধারিত নতুন শুল্ক আরোপের সময়সীমা আরও দীর্ঘস্থায়ীভাবে স্থগিত হতে পারে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শুধু ডলারেরই দরপতন হয়নি—শুক্রবার স্টক মার্কেট, তেল এবং ক্রিপ্টোকারেন্সিতেও গত কয়েক মাসের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপভাবে অ্যাসেট বিক্রির প্রবণতা দেখা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প হুমকি দেন যে, চীনের বিরল খনিজ রপ্তানিতে নতুন নিষেধাজ্ঞাসহ অন্যান্য পদক্ষেপের উত্তর দেওয়া হবে। এর আগে, রবিবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রকে উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি বন্ধ করতে হবে এবং অবশিষ্ট বাণিজ্য সমস্যার সমাধানে আরও আলোচনার প্রয়োজন। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, "প্রতিটি পদক্ষেপে উচ্চ শুল্কের হুমকি প্রদান চীনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার উপযুক্ত পথ নয়। যদি যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান অবস্থান অব্যাহত রাখতে, তবে চীন উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া জানাতে দ্বিধা করবে না এবং নিজের আইনগত অধিকার রক্ষা করতে কঠোর অবস্থান নেবে।" এই সবকিছু শুরু হয়েছিল গত সপ্তাহে, যখন চীন নতুন রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ ঘোষণা করে। এর প্রতিক্রিয়ায়, ট্রাম্প শুক্রবার ঘোষণা দেন যে, ১ নভেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র চীনের পণ্যের উপর 100% শুল্ক আরোপ করা, নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের রপ্তানি সীমিত করা হবে এবং সম্ভবত চীনের জন্য বিমান উপাদান সরবরাহও স্থগিত হতে পারে। যেমনটি আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, ফরেক্স মার্কেট—বিশেষত মার্কিন ডলার—এই ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে দরপতনের শিকার হয়েছে। বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র: EUR/USD এই মুহূর্তে ক্রেতাদের মূল লক্ষ্য হবে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1630 লেভেলে পুনরুদ্ধার করা। এই লেভেল নিশ্চিতভাবে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হলে পেয়ারটির মূল্য 1.1660 পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে। সেখান থেকে 1.1690-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে, যদিও মার্কেটের বড় ট্রেডাররা সমর্থন ছাড়া এটি করা কঠিন হবে। উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা হল 1.1720। যদি এই পেয়ারে মূল্য হ্রাস পায়, তবে মূল্য 1.1590 এরিয়ায় থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। যদি সেখানে বড় কোনো ক্রেতা উপস্থিত না থাকে, তবে 1.1545-এর লেভেল টেস্ট করা পর্যন্ত অপেক্ষা করাই উচিত অথবা 1.1510 লেভেল থেকে লং পজিশন ওপেন করার চিন্তা করা যেতে পারে। বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র: GBP/USD পাউন্ডের ক্রেতাদের জন্য প্রথম কাজ হবে 1.3360 লেভেলের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করানো। এই লেভেল নিশ্চিতভাবে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হলে এই পেয়ারের মূল্যের লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3390। এই লেভেল অতিক্রম করলে পরবর্তী ঊর্ধ্বমুখী লেভেলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে, যদিও সেখানে পৌঁছানো মূল্যের পক্ষে কঠিন হবে। চূড়ান্ত ঊর্ধ্বমুখী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.3425-এর লেভেল নির্ধারণ করা হয়েছে। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে বিক্রেতারা সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3330 লেভেলে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয়, তবে এই লেভেল ব্রেকআউট করে মূল্য নিম্নমুখী হলে সেটি ক্রেতাদের অবস্থানকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3290-এর দিকে চলে যাবে, এবং সেখান থেকে মূল্য আরও কমে 1.3260 পর্যন্ত যেতে পারে। [/URL] Read more: [url]https://ifxpr.com/48rUxfp[/url]









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

মার্কিন স্টক মার্কেটের আপডেট: ১৪ অক্টোবর – S&P 500 ও নাসডাক সূচকে দরপতনের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে গত শুক্রবার, মার্কিন স্টক সূচকগুলো মাঝারি মাত্রার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে সাপ্তাহিক ট্রেডিং শেষ হয়েছিল। S&P 500 সূচক 1.56% বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং নাসডাক 100-এর কারেকশনের পর সূচকটি 2.21% বৃদ্ধি পায়। শিল্পখাত কেন্দ্রিক ডাও জোন্স সূচক 1.29% বৃদ্ধি পায়। তবে আজ S&P 500 সূচকের ফিউচার কন্ট্রাক্টের দর 0.7% কমে গেছে, এবং নাসডাক 100 ফিউচারের দর 1% হ্রাস পেয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটে চীনের পাল্টা পদক্ষেপের পর, যেখানে তারা হানওয়া ওশেন কোং-এর মার্কিন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নতুন কওরে পরিবহন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ইক্যুইটি সূচকসমূহ 1.3% কমে গেছে, যা গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। জাপানের নিক্কেই 225 সূচক 3% হ্রাস পেয়েছে, যার পেছনে রাজনৈতিক অস্থিরতা অন্যতম প্রধান কারণ। একইসঙ্গে, ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো আবারও দরপতনের সম্মুখীন হয়। ইয়েন ডলারের বিপরীতে পূর্ববর্তী ক্ষতি পুনরুদ্ধার করে শক্তিশালী হয়েছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে স্বর্ণের তীব্র দরপতন হয়, আগে মূল্য যতটুকু বৃদ্ধি পেয়েছিল তার বেশিরভাগই হ্রাস পেয়েছে; এর আগে সকালে রুপার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছানোর পর সেটি বড় মাত্রার দরপতনের শিকার হয়। মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ১০-বছর মেয়াদি বন্ডের ইয়েল্ড প্রায় 4.03%-এ পৌঁছেছে। যদিও মার্কিন স্টক মার্কেট শুক্রবারের দরপতন কিছুটা পুনরুদ্ধার করে নিয়েছে — যা 'দরপতনের সময় ক্রয়ের' কৌশলের মাধ্যমে মাধ্যমে মার্কেটে বিনিয়োগকারীদের ফিরে আসার ইঙ্গিত দেয় — তবুও চীনের সর্বশেষ পরিবহ্ন নিষেধাজ্ঞা নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে যে, বাণিজ্য বিরোধ আবারও তীব্র হতে পারে। এই ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার হ্রাসে সম্ভাব্য বিরতির সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাসের আশঙ্কা — এই সব মিলিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেট বিশেষ করে কমোডিটির সাথে সম্পর্কযুক্ত কারেন্সিগুলোর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বিনিয়োগকারীরা যারা আগে রাজনৈতিক ঝুঁকিকে উপেক্ষা করছিলেন, এখন তারা আরও সতর্কভাবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবমূল্যায়ন করছেন। চীনের এই পরিবহন নিষেধাজ্ঞা ভবিষ্যতের জন্য একটি সতর্ক সংকেত—যে বাণিজ্য সংঘাত বিভিন্ন রূপে আসতে পারে এবং সাপ্লাই-চেইন ও সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তের জবাবে চীনা প্রধানমন্ত্রী হানওয়া ওশেন-এর পাঁচটি মার্কিন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করা হচ্ছে। এখানে ডোমিনো-প্রভাবের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না, যেখানে একটি দেশের পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে অন্যান্য দেশের পাল্টা পদক্ষেপ শুরু হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে। এর আগে, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানান যে তিনি এখনো মনে করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, বিরল খনিজ উপাদানের রফতানিতে চীন যদি আরও কঠোরতা দেখায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণে সমস্ত বিকল্প উন্মুক্ত রেখেছে। আজ চীন এর প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে যে, বিরল খনিজ উপাদান ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি নিয়ন্ত্রণের অর্থ 'পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা' নয়, এবং যেসব আবেদনে নিয়ম অনুসরণ করা হবে, সেগুলোর অনুমোদন অব্যাহত থাকবে। টেকনিক্যাল চিত্র: S&P 500 বর্তমানে S&P 500 সূচকের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী ক্রেতাদের প্রধান কাজ হবে $6,616 লেভেলের কাছাকাছি রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করা নো। এই লেভেল অতিক্রম করলে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সুযোগ তৈরি হবে এবং সূচকটি $6,630-এ পৌঁছাতে পারে। ক্রেতাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হবে $6,638 লেভেলের ওপরে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা, যা ক্রেতাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। তবে যদি ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস পায় এবং সূচকটির মূল্য নিম্নমুখী হয়, তাহলে মূল্য $6,603 লেভেলের আশেপাশে থাকা অবস্থায় ক্রেতাদের সক্রিয় হতে হবে। এই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে, ইন্সট্রুমেন্টটির দর দ্রুত $6,590-এ নেমে যেতে পারে এবং পরবর্তী লক্ষ্য থাকবে $6,517। Read more: https://ifxpr.com/475tHHz









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ডলারের তীব্র দরপতন ঘটেছে গতকাল, মার্কিন ডলার বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে তীব্রভাবে দরপতনের শিকার হয়েছে — এবং এর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল তাঁর বক্তৃতায় উল্লেখ করেন যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা করছে, যদিও সরকারি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি নির্ধারণে ফেডের সক্ষমতা ব্যাপকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর বিজনেস ইকোনোমিক্সের বার্ষিক সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে পাওয়েল বলেন, নীতিনির্ধারকরা সেপ্টেম্বর মাসে যখন সুদের হার কমিয়ে বছরে আরও দুইবার সুদের হার হ্রাসের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, তখন থেকে এখন পর্যন্ত মার্কিন অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতি প্রায় অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। পাওয়েল বারবার কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দুর্বলতার ওপর জোর দিয়েছেন এবং জানান যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। লিখিত বক্তৃতার পরে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, "আমরা এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছি, যেখানে চাকরির জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা কমে গেলে তা বেকারত্বের হারকেও প্রভাবিত করতে পারে। আমরা একটি ব্যতিক্রমী সময় পার করেছি, যখন সবকিছু একসঙ্গে মন্থর হয়ে গিয়েছে, এবং এখন আমাদের শ্রমবাজারের দিকে দৃষ্টি দেয়ার সময় এসেছে।" এই মন্তব্যগুলো এমন এক সময়ে এসেছে, যখন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে এবং মার্কিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা ফেডের আর্থিক নীতিমালাকে আরও নমনীয় করার প্রস্তুতিকে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করেছে, যা অর্থনৈতিক কার্যকলাপ ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে। তবে অনেক অর্থনীতিবিদ এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বিশেষ করে সরকারি কার্যক্রম বন্ধ থাকার ফলে প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন ঘাটতির কারণে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া জটিল হয়ে পড়েছে। যেহেতু প্রতিবেদনভিত্তিক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে, তাই ভবিষ্যতে সুদের হার নির্ধারণের সময় ফেডকে পরোক্ষ সূচক এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করতে হবে। এই বাস্তবতা ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসে ভুল হওয়ার এবং মার্কেটের পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রতি উপযোগীভাবে প্রতিক্রিয়া দিতে না পারার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেবে। তবুও, পাওয়েলের মন্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং প্রবৃদ্ধি ধরে রাখাই ফেডের মূল অগ্রাধিকার। পাওয়েলের বক্তব্যের পর অক্টোবর মাসে সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। ফেডারেল ফান্ড ফিউচার কন্ট্র্যাক্ট অনুযায়ী, সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা প্রায় ১০০%-এর কাছাকাছি রয়েছে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, ফেড সেপ্টেম্বর মাসে সুদের হার 4.00–4.25% রেঞ্জে নামিয়ে আনে, যা গত ডিসেম্বরের পর প্রথমবারের মতো এই ধরনের পদক্ষেপ ছিল এবং তা গ্রীষ্মকালীন কর্মসংস্থান বৃদ্ধির এক তীব্র মন্দার পরপরই করা হয়। তবে বেকারত্বের হার এখনও তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে — যা মাত্র 4.3%। ফেডের পরবর্তী বৈঠক ২৮–২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে। গত মাসে ১৯ জন ফেড সদস্যের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরে আরও দুইবার সুদের হার হ্রাস করা হবে বলে মনে করা হয়েছিল। তবে ৯ জন কর্মকর্তা মনে করেন, সুদের হার একবার বা তারও কম কমানো হলেও যথেষ্ট হতে পারে। এখন EUR/USD পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুসারে, ক্রেতাদের পরবর্তী লক্ষ্য হবে 1.1630 লেভেল ব্রেক করিয়ে মূল্যকে ঊর্ধ্বমুখী করা। শুধুমাত্র তখনই তারা এই পেয়ারের মূল্যের 1.1660 লেভেল টেস্ট করানোর পরিকল্পনা করতে পারবে। এরপর সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1690 লেভেল বিবেচনা করা যেতে পারে — তবে বড় ট্রেডারদের সমর্থন ছাড়া এই পেয়ারের মূল্যের পক্ষে এই উচ্চতায় পৌঁছানো বেশ কষ্টসাধ্য হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.1715 লেভেল। যদি ইন্সট্রুমেন্টটির মূল্য কমে 1.1600 লেভেলের দিকে যায়, তাহলে বড় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যেতে পারে। যদি তারা সক্রিয় না হয়, তবে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1570 লেভেলে নেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা অথবা সরাসরি 1.1545 লেভেল থেকে লং পজিশনে এন্ট্রি করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। GBP/USD পেয়ারের ক্ষেত্রে, পাউন্ডের ক্রেতাদের জন্য প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্যমাত্রা হবে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স 1.3360 ব্রেক করানো। কেবল এরপরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3390-এ পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী হওয়া যাবে, যেখান থেকে আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3425 লেভেল। যদি এই পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী হলে, তাহলে বিক্রেতারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.3330 লেভেলে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করবে। যদি তারা এতে সফল হয়, তাহলে মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেক করলে ক্রেতাদের অবস্থানে বড় ধরনের আঘাত আসবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য আরও নিচে 1.3290 এবং সম্ভবত 1.3250-এর দিকে নেমে যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3IXaq35









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে গতকাল মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোপীয় মুদ্রার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। বর্তমানে ট্রেডাররা মূলত ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) এবং ফেডারেল রিজার্ভের আর্থিক নীতিমালার মধ্যকার পার্থক্যের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছে: ইসিবি আপাতত তাদের আর্থিক নীতিমালা পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা করছে না, অন্যদিকে মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বছরের শেষ নাগাদ সক্রিয়ভাবে সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা করছে। গতকাল, ইসিবি'র গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য জোয়াখিম নাগেল উল্লেখ করেন যে বর্তমানে সুদের হারে পরিবর্তন আনার কোনো যৌক্তিকতা নেই এবং তিনি সতর্ক করেন যে মুদ্রাস্ফীতির নির্দিষ্ট কিছু উপাদানের দিকে এখনও সজাগ দৃষ্টি রাখা জরুরি। যদিও এটি এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নয় যে আগামী কয়েক মাসে ঋণ গ্রহণের খরচ কেমন হবে, তবে জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান বলেন, ভোক্তা মূল্যস্ফীতি প্রায় ২% লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নাগেল বলেন, "আমি মনে করছি আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রার খুব কাছাকাছি চলে এসেছি।" তিনি আরও যোগ করেন, "আমি কোনো কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখছি না, যদি না নতুন কিছু সামনে আসে। তবে সত্যি বলতে, আমি এমন কিছুর সম্ভাবনা দেখছি না।" ইসিবির কর্মকর্তারা বর্তমান সুদের হার নিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট এবং তারা বারবার বলছেন যে আর্থিক নীতিমালা "সঠিক অবস্থানে" আছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই মনে করেন, আগামী দুই বছরে কিছুটা ঘাটতির আশঙ্কা সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতি ২%-এর আশেপাশেই থাকবে এবং ইউরোজোন মার্কিন শুল্কের চাপকে সফলভাবেই সামাল দিচ্ছে। তবে, কিছু নীতিনির্ধারক আগামীতে আরেকবার সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনাও পুরোপুরিভাবে উড়িয়ে দিচ্ছেন না—যা ইতোমধ্যে আটবার কমানো হয়েছে—কারণ তারা আশঙ্কা করছেন মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার নিচে নেমে যেতে পারে। প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে সম্প্রতি বলেছেন, তিনি কখনোই আর্থিক নীতিমালা নমনীয়করণের সমাপ্তির ঘোষণা দেবেন না, কারণ বর্তমান অনুকূল পরিস্থিতিও পরিবর্তিত হতে পারে। উল্লেখ্য, আজ আবারো লাগার্ডের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। ফ্রাঁসোয়া ভিলরোয়া দ্য গালো ইসিবি'র গভর্নিং কাউন্সিলের একজন সদস্য, যিনি ভবিষ্যতের সুদের হার হ্রাসের বিকল্প উন্মুক্ত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এক আলাদা সাক্ষাৎকারে ফরাসি এই নীতিনির্ধারক বলেন, "যদিও ইসিবি এখন ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে, তবে এর মানে এই নয় যে আমাদের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।" তিনি আরও যোগ করেন, "মূল্যস্ফীতির এখন নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এজন্য, যদি আগামীতে কোনো পরিবর্তন আসে, তবে আমার মতে, সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।" বর্তমানে দুই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক নীতিমালার মধ্যে পার্থক্য বেশ স্পষ্ট: ইউরোর দর আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর মার্কিন ডলারের দরপতন হচ্ছে। সম্ভবত এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের এখন 1.1680 লেভেল ব্রেক করিয়ে এই পেয়ারের মূল্যকে উপরের দিকে নিয়ে যেতে হবে। এটি করা গেলে মূল্যের 1.1715 লেভেলে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে। সেখান থেকে মূল্য 1.1745 পর্যন্ত উঠতে পারে, যদিও বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এই লেভেল অতিক্রম করা মূল্যের পক্ষে বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হলো 1.1765 লেভেল। যদি এই পেয়ারের দরপতন হয়, তাহলে মূল্য 1.1644 লেভেলের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় বড় ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। যদি সেখানেও ক্রেতারা সক্রিয় না হন, তাহলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1614 লেভেলে পৌঁছানোর জন্য অপেক্ষা করা অথবা সরাসরি 1.1580 লেভেল থেকে লং পজিশন ওপেন করাই বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ হবে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের জন্য প্রথমে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3450-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেলটি ব্রেক করাতে হবে। কেবলমাত্র এটি সফলভাবে ব্রেক করা গেলে তারা মূল্যকে 1.3480 লেভেলের নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে, যার ওপরে মূল্যের আরো অগ্রসর হওয়া কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে 1.3525 লেভেল। যদি এই পেয়ারের দরপতন ঘটে, তবে মূল্য 1.3400-এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা আবার মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা এতে সফল হয়, তবে মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেক করলে সেটি বাই পজিশনের জন্য বড় ধরনের আঘাত হবে এবং GBP/USD পেয়ারের মূল্য 1.3370 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে এবং এমনকি 1.3333 পর্যন্ত দরপতন সম্প্রসারিত হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4ocCXkF









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৭ অক্টোবর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার, GBP/USD পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে এবং ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল। চার্টে দেখা যাচ্ছে, এখন মার্কেটে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, এবং আমরা ব্রিটিশ পাউন্ডের আরও দর বৃদ্ধির আশা করছি। গতকাল যুক্তরাজ্যে আগস্ট মাসের শিল্প উৎপাদন এবং জিডিপি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা পূর্বাভাসের চেয়ে ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। তবে আগের মতোই, ব্রিটিশ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটে খুব বেশি প্রভাব বিস্তার করেনি। ট্রেডারদের দৃষ্টি এখন মূলত মার্কিন ডলার, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফেডারেল রিজার্ভ, এবং চীনের সঙ্গে বর্ধিত বাণিজ্য যুদ্ধের দিকেই কেন্দ্রীভূত। আমাদের দৃষ্টিতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বৈশ্বিক মৌলিক অনুঘটক মার্কিন ডলারকে সহায়তা করছে না। গত কয়েক মাসে এই পেয়ার দৈনিক টাইমফ্রেমে একটি প্রশস্ত সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যে ট্রেড করেছে। সাধারণত এমন দীর্ঘ কনসোলিডেশনের পরে নতুন একটি প্রবণতা শুরু হয় — হয় ঊর্ধ্বমুখী নয়তো নিম্নমুখী। এই পর্যায়ে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার জন্য বিশেষ কোনো কারণ নেই, যার মানে শিগগিরই বুলিশ প্রবণতা শুরু হতে পারে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার একটি সংকীর্ণ রেঞ্জের মধ্যেই কমপক্ষে পাঁচটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3413–1.3421 জোন থেকে পাঁচবার রিবাউন্ড করেছে, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য একাধিক এন্ট্রি পয়েন্ট তৈরি হয়েছে। এখনো পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে পাউন্ডের মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধি না ঘটলেও, আমাদের বিশ্বাস আজকের সেশনে পাউন্ডের মূল্যের 1.3466–1.3475 জোনে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে অবশেষে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন সম্ভাব্য বুলিশ প্রবণতা গঠিত হতে শুরু হয়েছে, যার ফলে আরও ব্যাপক ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হতে পারে। আগেও বলা হয়েছে যে দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য কোনো ভিত্তি নেই। সেই কারণে মধ্যমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী পাউন্ডের মূল্যের বুলিশ প্রবণতা বিরাজ করবে। সাম্প্রতিক সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক সংক্রান্ত আগ্রাসী পদক্ষেপ মার্কেটে এমন চাপ সৃষ্টি করছে, যা ডলার থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ এখন স্পষ্টভাবে বুলিশ প্রবণতা শুরু হয়েছে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3413–1.3421 রেঞ্জ নিশ্চিতভাবে ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হয়, তাহলে লং পজিশনগুলো আরও শক্তিশালী হবে এবং এই পেয়ারের মূল্য 1.3466–1.3475 জোনের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিপরীতভাবে, যদি মূল্য এই জোনের নিচে নেমে যায়, তাহলে একটি ডাউনওয়ার্ড কারেকশনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচ্য লেভেলগুলো হচ্ছে: 1.3102-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590, 1.3643-1.3652, 1.3682, এবং 1.3763। শুক্রবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্র— কোনো দেশ থেকেই উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। অতএব, ট্রেডারদের কোনো বড় খবরের ভিত্তিতে মার্কেটে নাটকীয় মুভমেন্টের প্রত্যাশা না করে প্রধানত টেকনিক্যাল সিগন্যাল অনুসরণ করেই ট্রেডিং করতে হবে। Read more: https://ifxpr.com/3JhGXkm









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২০ অক্টোবর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য যতটা না বেড়েছে তার চেয়ে বেশি পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, গত সপ্তাহেই টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী বুলিশ প্রবণতার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল; সেই অনুযায়ী, এখন ট্রেডাররা সম্পূর্ণ যৌক্তিকভাবেই ইউরোর দর বৃদ্ধির আশা করতে পারেন। এটি উল্লেখযোগ্য যে সম্প্রতি (আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে), ইউরোর দরপতনের জন্য খুব কম কারণ ছিল, এবং মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্যও তেমন কোনো কারণ ছিল না। তবে দৈনিক টাইমফ্রেম এখনো এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে, যার ফলে প্রায় তিন সপ্তাহব্যাপী যে দরপতন দেখা গেছে, তা অনেক প্রশ্ন উদ্রেক করেছে। শুক্রবার প্রকাশিত ইউরোজোনের সেপ্টেম্বর মাসের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাস এবং প্রাথমিক অনুমান - উভয়ের চেয়ে বেশি এসেছে। মুদ্রাস্ফীতির হার যত বেশি হবে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে সুদের হার আরও কমানোর সম্ভাবনা ততটাই কমে যাবে। ফলে, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ইউরোর জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে। কিন্তু দেখা গেছে, ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনটির ফলাফল উপেক্ষা করেছে, যেমনটা প্রত্যাশিত ছিল। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে, ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বিবৃতির মাধ্যমে মার্কেটে উত্তেজনা কিছুটা কমিয়ে দেন, যেখানে তিনি বলেন যে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বাড়তি শুল্ক স্থায়ী হবে না। এই ভিত্তিতে, ডলারের দর সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুক্রবারের সেশন চলাকালীন সময়ে কার্যত কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সন্ধ্যার দিকে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ার দিকে হ্রাস পায়, কিন্তু তখন পর্যন্ত বেশিরভাগ ট্রেডারই উইকএন্ডের জন্য ট্রেডিং থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। আজ, এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্য এই এরিয়াতেই অবস্থান করছে এবং এখনো পর্যন্ত নতুন কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে অবশেষে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কিছুটা সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য আবারও ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে এবং এখনও সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য বেশ প্রতিকূল। তাই, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত বুলিশ প্রবণতার পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। সোমবারে EUR/USD পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকেই মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ দিনের বেলা কোনো উল্লেখযোগ্য মৌলিক বা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। নতুন ট্রেডাররা 1.1655–1.1666 এরিয়ার আশেপাশে একটি সিগন্যাল গঠনের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। তবে, সামগ্রিকভাবে আজ এই পেয়ারের মূল্যের দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনায় নেওয়া উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। সোমবার ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। তাই, আজ আবারও এই পেয়ারের মূল্যের খুবই স্বল্প মাত্রার ভোলাট্যালিটি বা অস্থিরতা দেখা যেতে পারে, কিন্তু ইউরোর মূল্যের মন্থর ঊর্ধ্বমুখী মোমেন্টাম অব্যাহত থাকতে পারে, কারণ এ মুহূর্তে এই ধরনের মুভমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় সব কারণই বিদ্যমান। Read more: https://ifxpr.com/4o4yjoA









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ২১ অক্টোবর। ইউরোর ফরেক্স ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের বেশ উপরে অবস্থান করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1664 লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো কেনার সিদ্ধান্ত নেইনি। দিনের শুরুতে জার্মানির উৎপাদক মূল্য সূচকের দুর্বল ফলাফল প্রকাশের প্রকাশের পর ইউরোর চাপে সম্মুখীন হয় এবং মার্কিন সেশনের সময়েও তা পুরোপুরিভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়নি। আসন্ন প্রতিবেদনের নেতিবাচক ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন ডলারে বিনিয়োগ করতে শুরু করে, যার ফলে ডলারের মূল্যের শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট এবং ইউরোর দরপতন হতে দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় ইউরোর জন্য কোনো সহায়ক কারণ ছিল না, এবং এখন ট্রেডারদের দৃষ্টি আসন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকগুলোর দিকে স্থানান্তরিত হয়েছে—যেগুলো থেকে ভবিষ্যতের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আজ সকালে ইউরোজোন থেকে কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা নেই, তাই এখন সমস্ত মনোযোগ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডের বক্তৃতার দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। সুদের হার সংক্রান্ত বিষয়ে তার সতর্ক অবস্থান, বিশেষ করে মুদ্রাস্ফীতি কমতে থাকলে, ইউরোকে সীমিত সহায়তা দিতে পারে। তবে, বর্তমানে উল্লেখযোগ্য শক্তিশালী মুভমেন্টের সম্ভাবনা খুবই কম। ট্রেডাররা ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণী অবস্থান সম্পর্কে যেকোনো ইঙ্গিত পাওয়ার আশায় তার প্রতিটি বক্তব্য সতর্কভাবে বিশ্লেষণ করবে। ধারণা করা হচ্ছে, লাগার্ডের বক্তব্যে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান প্রতিফলিত করার প্রচেষ্টা দেখা যেতে পারে—যেখানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হতে পারে। আজকের দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি পরিকল্পনা ১ এবং পরিকল্পনা ২ এর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1674-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে (গাঢ় সবুজ লাইন) 1.1638-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরো কিনতে পারেন। মূল্য 1.1674-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র লাগার্ডের কাছ থেকে হকিশ বা কঠোর অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে এই পেয়ার ক্রয় করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1619-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরো কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1638 এবং 1.1674-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য চার্টে লাল লাইন দ্বারা চিহ্নিত 1.1619-এর লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরো বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1584এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1638-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরো বিক্রি করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1619 এবং 1.1584-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/42Puifa









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২২ অক্টোবর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্য ধীরে ধীরে এবং স্বল্প মাত্রার ভলাটিলিটির সাথে নিম্নমুখী হয়েছে। ইউরো টানা তিন দিন ধরে দরপতনের শিকার হয়েছে, যদিও এর পেছনে কোনো মৌলিক বা টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটগত যৌক্তিকতা নেই। আমরা এখনো মনে করি যে বর্তমানে মার্কিন ডলারের যেকোনো মূল্য বৃদ্ধিই অযৌক্তিক। ট্রেডারদের দৈনিক টাইমফ্রেমে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান রেঞ্জ-বাউন্ড স্ট্রাকচারের দিকে খেয়াল রাখা উচিত, যা সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্যের অস্বাভাবিক এবং এলোমেলো মুভমেন্টের প্রধান কারণ। সোমবার এবং মঙ্গলবার উভয় দিনেই ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ইভেন্টও ছিল না। ফলে, ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া জানানোর খুব একটা সুযোগ ছিল না। লোয়ার টাইমফ্রেমে সম্প্রতি এই পেয়ারের মূল্য একটি ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করার পর থেকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সক্রিয় রয়েছে। তবে, স্পষ্ট কোনো কারণ ব্যতীত এই পেয়ারের মূল্য এখনও দরপতনের শিকার হচ্ছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, মঙ্গলবার জুড়ে মাত্র একটি সঠিক ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল এবং এটি এশিয়ান সেশনের সময় গঠিত হয়। মূল্য 1.1655 লেভেল থেকে নিখুঁতভাবে রিবাউন্ড করে এবং এরপর ৪০ পিপসের মত দরপতন হয়। যারা এই সিগন্যাল অনুযায়ী ট্রেড করতে পেরেছেন তারা সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে বেশ ভালোই মুনাফা করতে পেরেছেন, বিশেষ করে যদি স্বল্প মাত্রার ভলাটিলিটির বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক চার্টে, আবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।এই পেয়ারের মূল্য আবারও ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে এবং এখনও সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট মার্কিন ডলারের জন্য অনুকূল নয়। তাই আমরা এখনো ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বুলিশ প্রবণতার আরও বিকাশের আশা করছি। তবে, ট্রেডারদের মনে রাখা উচিত যে দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনও এই পেয়ারের মূল্য চওড়া সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে অবস্থান করছে। এই ফ্ল্যাট রেঞ্জই লোয়ার টাইমফ্রেমে স্বল্প মাত্রার ভলাটিলিটি এবং অযৌক্তিক মুভমেন্টের কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বুধবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকে অগ্রসর হতে পারে, কারণ এখনো কোনো মৌলিক অনুঘটক নেই। 1.1571–1.1584 এরিয়ার কাছে পরবর্তী ট্রেডিং সিগন্যালগুলো গঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত মূল্য সেখানেই অবস্থান করছিল। ৫-মিনিটের চার্টে দৈনিক ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো পর্যবেক্ষণ করা উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। বুধবার, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে আরেকবার বক্তব্য দেবেন, তবে তাঁর বক্তব্যের প্রতি ট্রেডারদের আগ্রহের মাত্রা এখন বেশ সীমিত। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে একেবারেই কোনো কিছুই নেই। Read more: https://ifxpr.com/4oyhYbI









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ২৩ অক্টোবর বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের অত্যন্ত সীমিত পর্যায়ের ভোলাটিলিটি দেখা গেছে — যা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রেডারদের জন্য একরকম স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া ও কোনো ইভেন্ট না থাকা সত্ত্বেও মার্কিন ডলারের মূল্য আবারও অকারণে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার চেষ্টা করেছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত, এই পেয়ারের মূল্য 1.1584 লেভেল সফলভাবে ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়নি, যদিও বর্তমানে মূল্যের মুভমেন্টের ধরন দেখে মনে হচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে মূল্য এই লেভেল ব্রেক করতে পারে। ফলে আমরা এখনো ডলারের এমন এক মূল্য বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করছি যা বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এবং স্বল্পমেয়াদি টেকনিক্যাল চিত্র—উভয়ের সাথেই সাংঘর্ষিক। উল্লেখযোগ্য যে, প্রায় সব মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণ এখনো মার্কিন ডলারের বিপক্ষে রয়েছে, এবং ঘন্টাভিত্তিক চার্টে পূর্বে এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনও ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে এখনো কোনো প্রকৃত বুলিশ প্রবণতা গঠিত হয়নি। এই পেয়ারের মূল্য প্রতিদিনই যেন যান্ত্রিকভাবে ধীরে ধীরে নিম্নমুখী হচ্ছে এবং গড়ে ২০ পিপস হ্রাস পাচ্ছে। এই ধরনের মুভমেন্ট এখনো অযৌক্তিক এবং ভোলাটিলিটিও অত্যন্ত নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। দৈনিক চার্টে এখনো এই পেয়ারের মূল্যের একটি ফ্ল্যাট বা সাইডওয়েজ রেঞ্জে অবস্থান করার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যা সম্ভবত মার্কেটে পরিলক্ষিত বর্তমান মুভমেন্টের মূল কারণ। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার একটি নির্ভরযোগ্য ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1571–1.1584 জোন থেকে নিখুঁতভাবে বাউন্স করে—যা নতুন ট্রেডারদের জন্য লং পজিশন ওপেন করার একটি সুযোগ তৈরি করে। তবে মার্কেটে পর্যাপ্ত ভোলাটিলিটি না থাকায় মাত্র ২০–২৫ পিপসের মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক চার্টে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন বুলিশ প্রবণতা প্রাথমিক ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য আবারও ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে, এবং মার্কিন ডলারের জন্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক। সেই অনুযায়ী, আমরা এখনো ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরাবৃত্তির প্রত্যাশা করছি। তবে এই পেয়ারের মূল্য দৈনিক চার্টের ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত, আমরা সম্ভবত লোয়ার টাইমফ্রেমে স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি এবং এলোমেলো মুভমেন্ট দেখতে থাকব। বৃহস্পতিবার ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্র — কোথাও কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই এই পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকে যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য বর্তমানে 1.1571–1.1584 জোনে রয়েছে, তাই এই এরিয়াতেই নতুন ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ৫-মিনিট চার্টে দৈনিক ট্রেডিংয়ের জন্য নিচের লেভেলগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। গত কয়েক সপ্তাহে ক্রিস্টিন লাগার্ড বেশ কয়েকবার বক্তব্য দিলেও তা মার্কেটে প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং তার সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো থেকে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি — যেকারণে আজ মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। Read more: https://ifxpr.com/47z0KoN









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার, EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি। কার্যত কোনো মুভমেন্টই দেখা যায়নি, এবং প্রতিদিনই ভোলাটিলিটি রেকর্ড মাত্রায় কমে যাচ্ছে। যদিও সপ্তাহের শুরুতে আমরা খুবই দুর্বল হলেও একটি নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করেছি, বুধবার ও বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্যের সাইডওয়েজ রেঞ্জে থাকার প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। ফলে দেখা যাচ্ছে যে, মার্কেট কার্যত "স্থবির" হয়ে পড়েছে। তবে আজ মার্কেটে আবার সক্রিয় মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, কারণ এই সপ্তাহে আজই প্রথম কিছু সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। সেই কারণে, ভোলাটিলিটির মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুঃখজনকভাবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো এই পেয়ারের মূল্য একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জে অবস্থান করছে, যা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই পেয়ারের মূল্যের অযৌক্তিক মুভমেন্টের প্রধান কারণ। তাই আজকে তুলনামূলকভাবে বেশ কিছু সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকলেও, মূল্যের যৌক্তিক মুভমেন্ট দেখা যাবে এমন সম্ভাবনা কম। টেকনিক্যাল দিক থেকেও পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়। এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনটি ব্রেক করলেও... এরপর আর কিছুই হয়নি। এখনো পর্যন্ত কোনো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়নি। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বৃহস্পতিবার একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, এবং সেটি বেশ কার্যকর ছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের একদম শুরুতেই, এই পেয়ারের মূল্য 1.1584 লেভেল থেকে বাউন্স করে এবং দিনের শেষে মূল্য ২০ পিপস পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে মূল্যের ভোলাটিলিটির মাত্রার প্রেক্ষাপটে, এটি তুলনামূলকভাবে বেশ ভালো মুভমেন্ট। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য আবারও ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে, যদিও মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো পর্যন্ত মার্কিন ডলারের জন্য বেশ নেতিবাচক। তাই, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করছি। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো পর্যন্ত এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জে রয়েছে, এই কারণে লোয়ার টাইমফ্রেমে স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি এবং মূল্যের অযৌক্তিক মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে। শুক্রবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্য যেকোনো দিকে মুভমেন্ট প্রদর্শন করতে পারে, কারণ আজ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। 1.1571–1.1584 জোনে নতুন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠকের আশা করা যেতে পারে। গতকাল এই জোনে ইতোমধ্যে একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। আজকের পুরো পরিস্থিতিই নির্ভর করবে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের ধরন ও ফলাফলের ওপর। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, নিম্নলিখিত লেভেলগুলর উপর দৃষ্টি দেয়া উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। শুক্রবার, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোজোনে অক্টোবর মাসের পরিষেবা ও উৎপাদন খাতের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্স বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হবে। অতিরিক্তভাবে, যুক্তরাষ্ট্রে এই সপ্তাহের "প্রধান প্রতিবেদন" হিসেবে বিবেচিত মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তাই আজ মার্কেটে অন্তত কিছুটা মুভমেন্টের প্রত্যাশা করা যায়। Read more: https://ifxpr.com/3JasqHj









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ২৭ অক্টোবর: শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের তেমন কোনো স্পষ্ট প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়নি। দিনজুড়ে ইউরোজোন, জার্মানি এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেগুলো ট্রেডিংয়ের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার কথা ছিল। তবে, মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্টের পরিবর্তে খুব সামান্য ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা দেখা গেছে। ইউরোপীয় কারেন্সির মূল্যের আবারও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ভালো সুযোগ ছিল, তবে ট্রেডাররা যদি এটি না কেনে এবং সামগ্রিকভাবে ট্রেডিংয়ের প্রতি তাঁদের আগ্রহ না থেকে, তাহলে মৌলিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট যাই হোক না কেন, কোনো মোমেন্টাম তৈরি হবে না। মূলত, আমরা কেবলমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রতি ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া দেখেছি, যা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দেশটির কনজ্যুমার প্রাইস ইনডেক্স বা ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI) বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতিতে বেড়ে ৩%-এ পৌঁছেছে। এই ফলাফল ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন বৈঠকগুলোতে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে, ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া মাত্র ৫ মিনিট স্থায়ী হয়, যার ফলে ডলার ৪০ পিপস দরপতনের শিকার হয়। এটাই সারাদিনের একমাত্র উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট ছিল। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, শুক্রবারের সেশনে একটি মাত্র ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যা বর্তমানে ভোলাটিলিটির মাত্রা বিবেচনায় নিলে অস্বাভাবিক নয়। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের প্রকাশের পর এই পেয়ারের মূল্যের 1.1655-এ পৌঁছায়, তারপর সামান্য বিচ্যুতির সাথে এই পেয়ারের দরপতন হয়। নতুন ট্রেডাররা এই সেল সিগন্যাল কাজে লাগাতে পারতেন, তবে যৌক্তিক কারণেই এই দরপতনের মাত্রা দুর্বল ছিল। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কিছুটা সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেকআউট করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারের জন্য অনুকূল নয়। অতএব, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো এই পেয়ারের মূল্যের সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে অবস্থায় করার প্রবণতা বজায় আছে, যার ফলে লোয়ার টাইমফ্রেমে স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা বিরাজ করছে এবং অনেক সময় অযৌক্তিক মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। সোমবার, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের যেকোনো দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, তবে সম্ভবত আবারও খুবই স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা দেখা যাবে। 1.1571–1.1584 এরিয়া অথবা 1.1655–1.1666 রেঞ্জের মধ্যে নতুন ট্রেডিং সিগন্যাল পাওয়া যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। সোমবার, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোনে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা আকর্ষণীয় ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তাই ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রা আবার প্রায় শূন্যে নেমে আসতে পারে। এটি মনে রাখা প্রয়োজন, এমনকি গত শুক্রবার প্রকাশিত আটটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের ফলাফলও কোনো উল্লেখযোগ্য ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতা সৃষ্টি করেনি। Read more: https://ifxpr.com/47OrosX









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কেন স্বর্ণের মূল্য আউন্স প্রতি $4,000-এর নিচে নেমে গেল? এই সপ্তাহের শুরুতে তীব্র দরপতনের পর, স্বর্ণের মূল্য প্রতি আউন্সে $4,000-এর নিচে নেমে গেছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন মধ্যকার বাণিজ্য আলোচনায় অগ্রগতির ফলে নিরাপদ অ্যাসেটের প্রতি চাহিদা কিছুটা কমে গেছে। স্বর্ণের মূল্যের এই লেভেলটি মনস্তাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি লেভেল হিসেবেও বিবেচিত হয়। স্বর্ণের মূল্য এই লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি স্বল্পমেয়াদী ট্রেডারদের লং পজিশন ক্লোজ করতে প্ররোচিত করতে পারে, যা বিয়ারিশ প্রবণতা আরও জোরালো করে তুলবে। তবে, বর্তমানে দরপতন হওয়া সত্ত্বেও, স্বর্ণের চাহিদাকে সমর্থন করার পেছনের মৌলিক উপাদানগুলো এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির অনিশ্চয়তা — এসবই স্বর্ণের চাহিদাকে এখনও সহায়তা করে যাচ্ছে। সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা থাকা অবস্থায়, ট্রেডাররা এখনো স্বর্ণকে অস্থির সময়েও একটি নির্ভরযোগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখনো স্বর্ণের প্রতি আগ্রহী, কারণ তারা রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে এবং মার্কিন ডলারের উপর নির্ভরতা কমাতে চায়। আগামী সপ্তাহগুলোতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনার অগ্রগতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকবে। যদি আলোচনায় অচলাবস্থা শুরু হয় বা বাণিজ্যসংক্রান্ত উত্তেজনা আবার বাড়ে, তাহলে স্বর্ণের চাহিদা আবারও বেড়ে যেতে পারে এবং মূল্য $4,000 বা তারও ওপরে পৌঁছে যেতে পারে। অন্যদিকে, যতক্ষণ না স্বর্ণের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টির জন্য নতুন কোনো অনুঘটক সামনে আসে, ততক্ষণ পর্যন্ত এটি চাপের মধ্যে থাকতে পারে। মঙ্গলবার, স্বর্ণের মূল্য $3,973-এ নেমে আসে — যা আগের সেশনে 3.2% দরপতনের পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় ঘটেছে। তবুও চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ৫০% এরও বেশি বেড়েছে। বর্তমান দরপতন বড় ট্রেডার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য বড় পরিসরে স্বর্ণ ক্রয়ের একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যারা ১০ বছরেরও বেশি সময় আগে শেষবার স্বর্ণ কিনেছিল, তারা এখন মধ্য-মেয়াদী থেকে দীর্ঘ-মেয়াদে অতিরিক্ত স্বর্ণ সংগ্রহের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এছাড়াও আশা করা হচ্ছে যে, বুধবার শেষ হওয়া দুই দিনব্যাপী বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমাতে পারে। সাধারণত সুদের হার হ্রাস স্বর্ণের মূল্যের জন্য ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমানে স্বর্ণের টেকনিক্যাল পরিস্থিতি অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথম লক্ষ্য হবে স্বর্ণের মূল্যকে নিকটতম রেজিস্ট্যান্স লেভেল $3,954-এ পুনরুদ্ধার করা। এটি করা গেলে, তারা স্বর্ণের মূল্যকে $4,008 লেভেলে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে পারবে — তবে এই লেভেল ব্রেকআউট করে স্বর্ণের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়া যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হবে। সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা থাকবে $4,062 লেভেল। অন্যদিকে, যদি স্বর্ণের দরপতন হতে থাকে, তাহলে মূল্য $3,906 এরিয়ায় থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি তারা সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি ক্রেতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে এবং স্বর্ণের মূল্য অন্তত $3,849 পর্যন্ত নেমে যেতে পারে, যেখানে থেকে $3,802 পর্যন্তও দরপতন হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4qqcAJf









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ২৯ অক্টোবর: মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার খুবই স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার সাথে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিন জুড়ে ইউরোজোন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি, তবে ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতার সম্মুখীন হয়েছিল, যার ফলে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোপীয় মুদ্রারও দরপতন হতে শুরু করে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে ইউরোর মূল্য কিছুটা পুনরুদ্ধার করে, কিন্তু স্থানীয় কারণে পাউন্ডের দরপতন অব্যাহত ছিল। অতএব, আমরা গতকাল ইউরোর মূল্যের যেটুকু তীক্ষ্ণ মুভমেন্ট দেখেছি, যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস বিবৃতি না দিলে তা হয়ত দেখা যেত না। দৈনিক ভিত্তিতে এই পেয়ারের মূল্যের মোট ভোলাটিলিটি ছিল 43 পিপস। আজ সন্ধ্যায়, ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে (বা বলা ভালো, শেষ হবে), তাই নতুন ট্রেডাররা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার প্রত্যাশা করতে পারেন। যদিও ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ট্রেডাররা ইতোমধ্যেই ওয়াকিবহাল রয়েছে। ফেড ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করতে পারে, পরপর দ্বিতীয়বারের মতো সুদের হার 0.25% হ্রাসের পূর্বাভাস দেয়া হচ্ছে। যুক্তি অনুযায়ী, আজও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকবে, তবে লক্ষ্যণীয় যে, সম্প্রতি ইউরোর মূল্য বাড়ছে না, যদিও ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সকল ভিত্তি রয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, মঙ্গলবার শুধুমাত্র একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি ও একরকম এলোমেলো মুভমেন্টের কারণে, যেকোনো ট্রেডিং সিগন্যাল, লেভেল বা জোন কাজে লাগিয়ে মুনাফা অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে গিয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার কাছ থেকে বাউন্স করেছিল, যা পরবর্তীতে আর ব্রেক করা সম্ভব হয়নি। এরপর এই পেয়ার প্রায় ২০ পিপস দরপতনের শিকার হয়ে আবার 1.1655-1.1666 রেঞ্জে ফিরে আসে। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: এক ঘন্টার টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। একটি নতুন আপট্রেন্ড লাইন গঠিত হয়েছে, এবং সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারের জন্য প্রতিকূল। ফলে, আমরা 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। যদিও দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে অবস্থান করছে, যা মার্কেটে স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি ও লোয়ার টাইমফ্রেমে অযৌক্তিক মুভমেন্টের মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা আবার 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন। এই এরিয়া থেকে আরেকটি বাউন্স হলে সেটি শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া ব্রেক করলে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবেই এই পেয়ারের মূল্যের কোনো লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করিনি, কারণ ভোলাটিলিটির মাত্রা এখনো অত্যন্ত কম। ৫ মিনিট টাইমফ্রেমে গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970-1.1988। বুধবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যা সম্ভাব্যভাবে মার্কেটে শক্তিশালী মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/42ZRRC7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ৩০ অক্টোবর USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 152.18 লেভেল টেস্ট করে, যা ডলার বিক্রি করার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এর ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২৫ পিপস পর্যন্ত কমে যায়। গতকাল জেরোম পাওয়েলের বক্তৃতার পর, যেখানে তিনি বলেন যে ভবিষ্যতের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে অর্থনৈতিক সূচকের ওপর নির্ভর করবে, এর প্রেক্ষিতে জাপানি ইয়েন মার্কিন ডলারের বিপরীতে দরপতনের শিকার হয়। ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যানের মতে, অক্টোবরে সুদের হার হ্রাস মূলত ঝুঁকিমুক্ত থাকার পদক্ষেপ ছিল, এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে এখনো অস্পষ্টতা রয়েছে। কারেন্সি মার্কেটে এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া পূর্বানুমানযোগ্য ছিল: অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকে পড়তে বাধ্য হয়, যার ফলে ইয়েনের আকর্ষণ হ্রাস পায়। ফেডের চেয়ারম্যানের মন্তব্যের পরে মার্কেট, যারা এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে আরও আগ্রাসীভাবে মুদ্রানীতি নমনীয় করা হবে বলে আশা করছিল, তারা তাদের প্রত্যাশা সংশোধন করে নেয়—যার ফলে ইয়েনের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। আজকের এশিয়ান ট্রেডিং সেশনে, ইয়েন আবার দরপতনের শিকার হয়, যখন ব্যাংক অফ জাপান তাদের মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। ব্যাংকে অব জাপানের বোর্ড মেম্বার নাওকি তামুরা ও হাজিমে তাকাতা টানা দ্বিতীয়বারের মতো এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেন। বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ এখন ব্যাংক অফ জাপানের গভর্নর কাজুয়ো উয়েদা-র সংবাদ সম্মেলনের দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতের নীতিগত পদক্ষেপ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়—কারণ উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ইয়েনের চলমান দুর্বলতার কারণে ব্যাংক অব জাপান প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা 1 এবং 2 বাস্তবায়নের ওপর জোর দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 153.82-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 153.14-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 153.82-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 152.76-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 153.14 এবং 153.82-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 152.76-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 152.02-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 153.14-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 152.76 এবং 152.02-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3Wrv66q









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ৩১ অক্টোবর: বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবারও EUR/USD পেয়ারের দরপতন অব্যাহত ছিল, যদিও গতকাল এই পেয়ারের মূল্য আরেকবার অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করেছিল। ইউরোপীয় মুদ্রা আবারও দরপতনের শিকার হয়েছে; দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে অবস্থান বজায় রেখেছে এবং ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বহাল রয়েছে। অতএব, আমরা এখনো শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। গতকাল এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের পেছনে খুব সামান্যই যৌক্তিকতা ছিল। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বৈঠক এবং ইউরোজোনের অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই সকাল থেকেই ট্রেডাররা ইউরো বিক্রি করতে শুরু করে। এর মানে, ট্রেডাররা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের অপেক্ষাও করেননি, বরং তাঁরা ফেডের বৈঠকের ফলাফল দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছিলেন, যেটিকে একেবারে "ব্যাপকভাবে ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থান বলা যাবে না। পরবর্তীতে, জার্মানি ও ইউরোজোন থেকে প্রকাশিত জিডিপির প্রতিবেদনের ফলাফল নতুন কোনো সংকটের ইঙ্গিত দেয়নি। জার্মানির বেকারত্বের হারও হতাশাজনক ছিল না। জার্মানিতে মুদ্রাস্ফীতিও প্রত্যাশার চেয়ে কম এসেছে। তাই, কোনো প্রতিবেদন থেকেই ইউরোর দরপতনের সঠিক কারণ দেখা যায়নি। একই কথা ইসিবির বৈঠকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, ট্রেডাররা যেমনটি প্রত্যাশা করেছিল, ঠিক সেরকম সিদ্ধান্তই নেয়া হয়েছে। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/531946787.jpg[/IMG] EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বৃহস্পতিবার একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1571-1.1584 এরিয়ার নিচে এসে স্থির হয়, এবং এরপরই সকল মুভমেন্টের সমাপ্তি ঘটে। তাই, নতুন ট্রেডারদের পক্ষে এই একটি শর্ট পজিশন থেকে লাভ করা কঠিন ছিল, তবে লোকসানও হয়নি, কারণ মূল্য এই এরিয়াটির আশপাশেই ছিল। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, আবারও EUR/USD পেয়ারের দরপতন চলমান থাকার ইঙ্গিত পরিলক্ষিত হচ্ছে। নতুন করে এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করেছে, এবং সামগ্রিক মৌলিক ও আর্থিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারের জন্য অনুকূল নয়। সুতরাং, টেকনিক্যাল দিক থেকে ইউরোপীয় মুদ্রার দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে। যদিও দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জের গঠন ও সেখানে অবস্থান করার প্রবণতা এখনো প্রাসঙ্গিক রয়েছে, তাই আমরা প্রতীক্ষা করছি কখন এই প্রবণতা শেষ হবে এবং ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন, যেখানে এই মুহূর্তে এই পেয়ারের মূল্য অবস্থান করছে। এই এরিয়া থেকে মূল্য বাউন্স করলে সেটি শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1527-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই এরিয়ার ওপর কনসোলিডেশন হলে সেটি লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি করবে, যেখানে মূল্যের 1.1655-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য আপনি এই লেভেলগুলো বিবেচনায় নিতে পারেন: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। শুক্রবার ইউরোজোনে মাত্র দুটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে, তবে গতকাল মার্কেটে প্রকাশিত আরও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফল ট্রেডাররা কার্যত উপেক্ষা করেছে। আজ, জার্মানির খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনের এবং ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের প্রকাশিত হবে। এটি মনে রাখা জরুরি যে, ইসিবির আর্থিক নীতিমালায় বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব খুবই সামান্য। Read more: https://ifxpr.com/47sOHbj









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ৩ নভেম্বর শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবারও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের চলমান নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল, যদিও এর পেছনের কারণগুলো কিছুটা সন্দেহজনক ছিল। সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে, নতুন ট্রেডারদের জন্য একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে ইউরোজোনের মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মনে করিয়ে দিই, ইউরোপীয় ইউনিয়নে মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন দুটি ধাপে প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে প্রথম প্রতিবেদনটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার, অক্টোবর মাসের প্রাথমিক (প্রথম) অনুমান প্রকাশিত হয়, যেখানে বার্ষিক ভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল 2.1% — যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের সঙ্গেই সঙ্গতিপূর্ণ ছিল। অর্থাৎ, প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো কোনো ফলাফল ছিল না এবং আবারও ইউরোর দরপতন শুরু হওয়ার জন্য কোনো যৌক্তিক কারণও ছিল না। পূর্বাভাস ও প্রকৃত ফলাফলের তুলনার বাইরে গিয়ে, আমরা এই বিষয়টির ওপর নজর দিতে পারি যে ইউরোপে মূল্যস্ফীতি মন্থর হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেলে সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইঙ্গিত দেয় যে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) "ডোভিশ" বা নমনীয় অবস্থান সম্ভবত আরও দৃঢ় হচ্ছে, এবং এর ফলে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা কিছুটা বেড়ে যায়। তবে, এই ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির পতন এতটাই সামান্য যে ইসিবি কেবল তখনই পদক্ষেপ নেবে যদি মুদ্রাস্ফীতির হার 2%-এর নিচে নেমে আসে। সুতরাং, শুক্রবারের মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন ইসিবির আর্থিক নীতিমালায় তেমন কোনো প্রভাব ফেলেনি। ইউরোপীয় মুদ্রা এখন শুধুই টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে দরপতনের শিকার হচ্ছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, শুক্রবার সারাদিনে একটি মাত্র সেল ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, প্রায় সারাদিন ধরেই এই পেয়ারের মূল্যের কনসোলিডেশন হয়েছে। মার্কিন ট্রেডিং সেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এই পেয়ারের মূল্য 1.1571-1.1584 এরিয়া ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়, যার ফলে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1527-এর প্রথম লক্ষ্যমাত্রা নেমে আসে এবং সেই লেভেল থেকে বাউন্স করে। তাই, নতুন ট্রেডারদের জন্য মুনাফা নিশ্চিত করার দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছিল। শুক্রবার আবারও মার্কেটে স্বল্প মাত্রার ভোলাটিলিটি বিরাজ করছে, তবে এর মাঝেও স্বল্প পরিসরে মুনাফা করা সম্ভব হয়েছে। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের আবারও দরপতন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য একটি নতুন অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে নিম্নমুখী হয়েছে এবং সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারের জন্য অনুকূল নয়। তাই টেকনিক্যাল কারণে ইউরোর এই দরপতন আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে অবস্থান করার বিষয়টি এখনো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট স্ট্রাকচার যা শেষ হওয়ার পরেই নতুন করে আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হতে পারে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1527 লেভেলে ট্রেড করতে পারেন। এই লেভেল থেকে বাউন্স হলে মূল্যের 1.1571-1.1584 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। তবে মূল্য এই লেভেলের নিচে মূল্য স্থিতিশীল হলে 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হচ্ছে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। সোমবার ইউরোজোন, জার্মানি এবং যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হবে। এর মধ্যে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে ISM সূচকের ওপর, যেটির ফলাফলের প্রভাবে মার্কেটে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। Read more: https://ifxpr.com/43Nkhzq









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ৪ নভেম্বর: সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার সামান্য অস্থিরতার মধ্যেই EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল। সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে মার্কেটে যে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা দেখা গেছে, তা বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হয়ে ওঠেনি, কারণ উল্লেখযোগ্য কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। তবে সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ISM থেকে উৎপাদন খাতভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হয়েছে, যেটি একমাত্র অনুমান হিসেবেই প্রকাশ পায়। প্রতিবেদনের গুরুত্ব যতই হোক না কেন, আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পূর্বাভাস এবং প্রকৃত ফলাফলের মধ্যে পার্থক্য। আমরা জানতে পারলাম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন খাতে আবারও চাপের মধ্যে পড়েছে, যদিও পূর্বাভাসে এই খাত সম্প্রসারণের সম্ভাবনা দেখানো হয়েছিল। ফলে, প্রতিবেদনটির ফলাফল মার্কেটের ট্রেডারদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক নেতিবাচক ছিল, যা সাধারণ পরিস্থিতিতে ডলারের দরপতন ঘটিয়ে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সৃষ্টি করার কথা। কিন্তু, এবার আমরা এই পেয়ারের মূল্যের কোনো ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখিনি। সেই কারণে, আমরা আবারও আমাদের পাঠকদের এ বিষয়টি মনে করিয়ে দিচ্ছি যে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে অযৌক্তিক, এবং এমনটি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আগের মতোই চলমান রয়েছে। অক্টোবর মাসেও আমরা খুবই সীমিত এবং পূর্বাভাসযোগ্য মুভমেন্ট দেখেতে পেয়েছি। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার 1.1527 লেভেলের কাছাকাছি দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা এতটাই কম ছিল যে এই সিগন্যালগুলোর কোনোটিই প্রকৃত অর্থে মুনাফা দিতে পারেনি। আমরা পূর্বেও উল্লেখ করেছি, যদি কোনো দিনে এই পেয়ারের মূল্যের কেবলমাত্র 40 পিপসের মধ্যে মুভমেন্ট হয়, তাহলে ট্রেডিং সিগন্যাল যতই শক্তিশালীই হোক না কেন, মুনাফা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই সীমিত। মার্কেটে এখনো কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনো স্পষ্টভাবে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় থাকার ইঙ্গিত প-পাওয়া যাচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যেই একটি নতুন অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে, এবং মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট অনুকূল নয়। তাই শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে ইউরোপীয় মুদ্রা আরও দরপতন হতে পারে। তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো এই পেয়ারের মূল্য একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে, যা থেকে বের হওয়ার পর পুনরায় একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা 1.3102-1.3107 এরিয়ার মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্যে ট্রেড করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র একটি লেভেল নয়, বরং দৈনিক টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্ন সীমানাও। এখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের একটি উল্লেখযোগ্য বাউন্স হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি, কিন্তু যদি ক্রয়ের প্রবণতা কম থাকে, সেক্ষেত্রে মার্কেটে বিশেষ ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যাবে না। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হচ্ছে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তাই আজ এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা বৃদ্ধির খুব একটা প্রত্যাশা করা হচ্ছে না। এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের প্রবণতাভিত্তিক বা দিকনির্দেশনামূলক মুভমেন্ট দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশ কম। Read more: https://ifxpr.com/4qF8JYP









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং, ৫ নভেম্বর মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার কোনো কারণ ছাড়াই EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের দরপতন অব্যাহত ছিল। গতকাল, একমাত্র উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট হিসেবে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডের বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু লাগার্ডে মুদ্রানীতি বা অর্থনীতির নিয়ে কোনো আলোচনা করেননি। অতএব, এই ইভেন্টের কারণে নতুন করে ইউরোর দরপতন হয়নি। তবুও, আমরা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে একই কথার পুনরাবৃত্তি করছি: বর্তমানে কেবল টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে দরপতন হচ্ছে। মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি মার্কিন ডলারের জন্য এখনও অনুকূল নয়। দৈনিক টাইমফ্রেমে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য কেবল সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের লাইন থেকে নিচের লাইনে নামছে আর উঠছে । তবে, লোয়ার টাইমফ্রেমে সামগ্রিক পরিস্থিতি ট্রেডিংয়ের জন্য বিশেষভাবে ইতিবাচক নয়। গতকাল, দুটি কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল যা কাজে লাগানো যেত। হায়ার টাইমফ্রেমে কোন প্রবণতা বিরাজ করে তা বিবেচ্য নয়। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, মঙ্গলবার দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল যা নতুন ট্রেডাররা সহজেই কার্যকর করতে পারতেন। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.1527 লেভেল থেকে বাউন্স করেছিল এবং মার্কিন সেশনের সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.1474 থেকে সক্রিয়ভাবে বাউন্স করে। সুতরাং, প্রথমে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, তারপরে লং পজিশন। উভয় ট্রেডই মুনাফার সাথে ক্লোজ করা যেত ছিল। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: প্রতি ঘণ্টার টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যেই একটি নতুন অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে, এবং মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট অনুকূল নয়। তাই শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে ইউরোপীয় মুদ্রা আরও দরপতন হতে পারে তবে দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো এই পেয়ারের মূল্য একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে, যা থেকে বের হওয়ার পর 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1455-1.1474 এরিয়ায় ট্রেড করতে পারবেন। গত রাতে এই লেভেলের কাছাকাছি একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, তাই নতুন ট্রেডাররা এই এরিয়ার উপর ভিত্তি করে ট্রেড করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য 1.1455-1.1474 এরিয়া দৃঢ়ভাবে ব্রেক করে অতিক্রম করলে 1.1413-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচন করতে পারেন consider the levels: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। বুধবার, ইউরোজোনে কেবলমাত্র পরিষেবা খাতের কার্যকলাপ সংক্রান্ত সূচকসমূহের দ্বিতীয় মূল্যায়ন প্রকাশিত হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ADP এবং ISM থেকে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রত্যাশিত। প্রথম প্রতিবেদনটি বর্তমানে মার্কিন শ্রমবাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য একমাত্র প্রতিবেদন। দ্বিতীয়টিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সূচক। Read more: https://ifxpr.com/4qKkA7Y









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং, ৬ নভেম্বর: বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য আবারও অস্বাভাবিক মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে। এবার, মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল উপেক্ষা করেছে, যা আমাদের এই ধারণা পুনরায় নিশ্চিত করছে যে ডলারের বর্তমান মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা অসম্ভব রকমের অযৌক্তিক এবং এই চলমান মুভমেন্টের সাথে মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে করিয়ে দিই, সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত ISM ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাকটিভিটি সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় অনেক নেতিবাচক এলেও সেটি অগ্রাহ্য করা হয়। বুধবার প্রকাশিত ISM সার্ভিস অ্যাকটিভিটি সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ইতিবাচক ছিল, সেটিও মার্কেটের ট্রেডাররা উপেক্ষা করেছে। একই সময়ে, ADP থেকে প্রকাশিত শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফলও প্রত্যাশার থেকে ইতিবাচক ছিল, তাও ট্রেডাররা আমলে নেয়নি; তবে মার্কিন অর্থনীতিতে +42,000 নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, সাধারণভাবে বলতে গেলে, "এটি গড়পরতার নিচের মান।" ফলে, পুরোপুরি টেকনিক্যাল কারণের ভিত্তিতে এই পেয়ারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400–1.1830-এর ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের দরপতন চলমান রয়েছে। এই দরপতন শীঘ্রই শেষ হতে পারে, এবং আমরা মধ্যমেয়াদে কেবলমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করে চলেছি। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার দিনের মধ্যে একটি মাত্র ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল, যা মূল্য 1.1474 লেভেল থেকে তিনবার বাউন্স করার ফলে গঠিত হয়েছে। এর ফলে, নতুন ট্রেডাররা মার্কিন ট্রেডিং সেশনে লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন। যেহেতু সিগন্যালটি তুলনামূলকভাবে দেরিতে গঠিত হয়, তাই ট্রেডটি পরবর্তী দিনে নিয়ে যেতে হতো। বর্তমানে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করা যেতে পারে, যাতে করে মুনাফার জন্য সুস্থিরভাবে অপেক্ষা করা যায়। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করেছে, এবং সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের জন্য প্রতিকূল রয়েছে। সুতরাং, শুধুমাত্র টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে ইউরোপীয় মুদ্রার দরপতন অব্যাহত থাকতে পারে, দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জে অবস্থান করার প্রবণতা এখনও প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে। তবে আমরা এই রেঞ্জ থেকে মূল্যের বের হওয়ার অপেক্ষায় আছি এবং 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। বৃহস্পতিবার, নতুন ট্রেডাররা গতকালের বাই সিগন্যাল অনুসরণ করে মূল্যের 1.1527-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা প্রত্যাশা করতে পারেন। এই লেভেল থেকে বাউন্স হলে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1527 লেভেল ব্রেক করে, তাহলে মূল্যের 1.1571-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ রেখে লং পজিশন হোল্ড করে রাখা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখতে হবে: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। বৃহস্পতিবার, ইউরোজোনে জার্মানির খুচরো বিক্রয় ও শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আজ কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নেই, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রেডাররা সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রতি খুব বেশি মনযোগ দিচ্ছে না। Read more: https://ifxpr.com/3JzUVyo









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ার সবাইকে চমকে দিয়েছে। গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে ইউরোপীয় মুদ্রা ধারাবাহিকভাবে দরপতনের শিকার হচ্ছিল, কিন্তু গতকাল এটির মূল্য অপ্রত্যাশিতভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বিশেষ করে, সোমবার ও বুধবার ট্রেডাররা সব ধরনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণ উপেক্ষা করেছিল, এবং গতকাল সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও মৌলিক — উভয় প্রেক্ষাপটই উপেক্ষা করেছে। যেমনটি আমরা আগেও উল্লেখ করেছি, এখন এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফলের মধ্যে কোন স্পষ্ট সম্পর্ক নেই। গতকাল জার্মানির ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন বা শিল্প উৎপাদন এবং ইউরোপীয় রিটেইল সেলস বা খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে উভয় প্রতিবেদনের ফলাফলই প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল ছিল। তবে মার্কেটে এর কোনো প্রভাব পড়েনি, কারণ সারাদিনই ইউরোর মূল্য ঊর্ধ্বমুখী ছিল। যুক্তরাজ্যে, ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ভোটের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় বেশি "ডোভিশ বা নমনীয়" ছিল। অতীতে, এমন ফলাফল নিয়মিতভাবে পাউন্ডের দরপতনের দিকে নিয়ে যেত। কিন্তু গতকাল আমরা উল্টো দৃশ্য দেখেছি – পাউন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই অনুযায়ী, এই দুটি কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই কেবলমাত্র "নিরেট" টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে মুভমেন্ট প্রদর্শন করছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বৃহস্পতিবার দু'টি ট্রেড সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তবে একটি বাই সিগন্যাল আগেই, অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যায় 1.1474 লেভেলের কাছাকাছি গঠিত হয়, যেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়। সুতরাং, নতুন ট্রেডাররা বুধবারেই লং পজিশন ওপেন করতে পারত এবং শুধুমাত্র বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা হোল্ড করে রাখতে পারত, কারণ দিনের বেলায় কোনো সেল সিগন্যাল গঠিত হয়নি। দিনের শেষে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1527 লেভেল অতিক্রম করেছে, যার ফলে ট্রেডাররা শুক্রবারেও প্রফিটে স্টপ লস সেট করে লং পজিশন হোল্ড করতে পারে। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য আপট্রেন্ড লাইনটি ব্রেক করেছে, এবং সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও মার্কিন ডলারের জন্য প্রতিকূল রয়েছে। তাই শুধুমাত্র টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপটের প্রভাবেই ইউরোপীয় মুদ্রার আরও দরপতন ঘটতে পারে — দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে অবস্থান করার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আমরা আশা করছি, এই পেয়ারের মূল্য এই ফ্ল্যাট রেঞ্জ থেকে বের হলে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা এই পেয়ারের মূল্যের 1.1571–1.1584-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের আশা করতে পারে, কারণ গত তিন দিনে তিনটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। যদি আজ এই পেয়ারের মূল্য 1.1527 লেভেলের নিচে স্থায়ীভাবে অবস্থান নিতে পারে, তবে শর্ট পজিশন প্রাসঙ্গিক হবে, যেখানে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখুন: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527, 1.1571–1.1584, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, এবং যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে, এই সপ্তাহ এবং গত এক মাস ধরে, মার্কেটের ট্রেডাররা মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন পুরোপুরিভাবে উপেক্ষা করে চলেছে। Read more: https://ifxpr.com/4hJjpSa









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ১০ নভেম্বর: শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবারও GBP/USD পেয়ারের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে, তবে ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্য এখনো সুস্পষ্টভাবে একটিমাত্র ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইনের নিচে অবস্থান করছে, তাই এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সমাপ্তি নিয়ে এখনই আলোচনা করার সময় আসেনি। লক্ষণীয় বিষয় হলো, পাউন্ড স্টার্লিং—যেমনটি ইউরোতেও দেখা গেছে—গত দেড় মাস ধরে দরপতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ন্যায্যভাবে বলতে গেলে, মাঝে মাঝে কিছু ঘটনা পাউন্ডের দরপতনে ভূমিকা রেখেছে (যেটি ইউরোর ক্ষেত্রে দেখা যায়নি), তবে ইউরোপীয় মুদ্রার তুলনায় পাউন্ডের অনেক বেশি দরপতন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের জন্য বৈশ্বিক মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো বেশ নেতিবাচক রয়েছে। তাই নির্দিষ্ট কোনো ইভেন্টের ভিত্তিতে পাউন্ডের এই দেড় মাসব্যাপী দরপতন ঘটেছে তা বলে কঠিন। শুক্রবার প্রকাশিত একমাত্র প্রতিবেদন ছিল মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের কনজ্যুমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচক, যেটির ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় নেতিবাচক ছিল। ফলে, প্রত্যাশানুযায়ী ডলারের দরপতন ঘটে; তবে এই দরপতন পুরো দিনজুড়ে স্থায়ী থাকলেও, প্রতিবেদনের প্রকাশের পর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ডলারের মূল্যের মোমেন্টাম থেমে যায়। আমাদের মূল্যায়নে, এই মুহূর্তে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট মূলত টেকনিক্যাল কারণের ভিত্তিতেই হচ্ছে, যেখানে ট্রেডাররা প্রায়শই মৌলিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে যাচ্ছে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে শুক্রবার 1.3096–1.3107 লেভেলের কাছে একটি কার্যকর বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে, মূল্য প্রায় ৪০ পিপস বৃদ্ধি পায়, যা নতুন ট্রেডারদের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজেই মুনাফা করার একটি সুযোগ হয়ে দাঁড়ায়। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে এবং গত দেড় মাস ধরে পাউন্ড নানাবিধ কারণেই দরপতনের সম্মুখীন হয়েছে। যেমনটা আগেও বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য এখনো কোনো বৈশ্বিক কারণ বিদ্যমান নেই; তাই আমরা মধ্যমেয়াদে শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের সম্ভাবনাই বিবেচনায় নিচ্ছি। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই পেয়ারের মূল্যের "ফ্ল্যাট রেঞ্জে" অবস্থান করার প্রবণতা মূল্যকে নিম্নমুখী করছে—যা মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে পুরোপুরিভাবে অযৌক্তিক একটি পরিস্থিতি। সোমবার, নতুন ট্রেডাররা 1.3096–1.3107 এরিয়া ব্রেকআউটের পর লং পজিশন হোল্ড করতে পারে এবং মূল্যের 1.3203-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে; স্টপ লস ব্রেকইভেনে সেট করাই উপযুক্ত হবে। নতুন ট্রেডিং সিগন্যাল গঠনের জন্য আমাদের 1.3096–1.3107 কিংবা 1.3203–1.3211 এরিয়ার দিকে নজর রাখতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডাররা বর্তমানে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলোতে ট্রেড করতে পারে তা হলো 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, এবং 1.3574-1.3590। সোমবার যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র—এই দুই দেশেই কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই কিংবা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না, তাই দৈনিক ভিত্তিতে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টগুলো বেশ দুর্বল বা মন্থর হতে পারে। ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্য নতুন করে বৃদ্ধি পেতে পারে, যা মার্কিন ডলারের মূল্যের অযৌক্তিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সমাপ্তির ইঙ্গিত দেবে বলেই আমরা ধারণা করছি। Read more: https://ifxpr.com/48574EO









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ টিপস, ১১ নভেম্বর। ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের অনেক নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1549 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের আরও নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত করে দেয়। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রির সিদ্ধান্ত নিইনি। অল্প কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয়বার 1.1549 লেভেল টেস্ট করা হয় এবং সেসময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে অবস্থান করছিল, যার ফলে পরিকল্পনা #2 অনুযায়ী বাই ট্রেড ওপেন করা হয়। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য ১৫ পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গতকাল সারাদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের প্রকাশিত না হওয়ায় ট্রেডাররা রাজনৈতিক পরিস্থিতির অগ্রগতির খবরের অপেক্ষা করেছে। দিনের মূল খবর ছিল মার্কিন সরকারের অচলাবস্থা নিরসনের পথে অগ্রগতি। সিনেট "শাটডাউন" বন্ধের উদ্দেশ্যে একটি বিল অনুমোদন করেছে। বিলটি এখন প্রতিনিধি পরিষদে ভোটের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে পাশ হওয়ার পর তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য প্রেরণ করা হবে। এই সংবাদের প্রতি ফাইন্যানশিয়াল মার্কেটে সংযত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছে। দীর্ঘদিনের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা নিরসনে ক্লান্ত মার্কেটের ট্রেডাররা এটিকে মার্কিন সরকারি কার্যক্রম স্বাভাবিক করার পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করেছে। আজ সকালে ZEW ইনস্টিটিউট থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জার্মানির ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স, কারেন্ট সিচুয়েশন ইনডেক্স, ও সামগ্রিক ইউরোপীয় বিজনেস সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স। এর মধ্যে জার্মানির ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ইনডেক্সকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই সূচকের পতন ঘটলে তা ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির ভবিষ্যত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেবে—যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিরোধ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতার এবং অন্যান্য বহিরাগত কারণের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। অন্যদিকে, সূচকটি বৃদ্ধি পেলে তা জার্মানির কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব অটুট থাকার ইঙ্গিত দেবে। কারেন্ট সিচুয়েশন ইনডেক্স ইউরোজোনের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা প্রতিফলিত করে, যা বর্তমানে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সামলাতে এই অঞ্চলের সক্ষমতা মূল্যায়নে সহায়তা করবে। এই দুইটি সূচক—সেন্টিমেন্ট এবং বর্তমান পরিস্থিতি—এগুলর তুলনামূলক বিশ্লেষণ ইউরোজোনের অর্থনীতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট চিত্র উপস্থাপন করবে। উল্লেখযোগ্যভাবে প্রত্যাশা ও বাস্তব ফলাফলের মধ্যে কোনো বড় ধরনের ভিন্নতা দেখা দিলে এসব ফলাফল মার্কেটে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1599-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1570-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1599-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1552-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1570 এবং 1.1599-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1552-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1528-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1570-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1552 এবং 1.1528-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4ow4Fsv









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

ADP রিসার্চ থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অপ্রত্যাশিত ফলাফলের পর চাপের মুখে মার্কিন ডলার [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1870502151.jpg[/IMG] মঙ্গলবার ADP রিসার্চ প্রকাশ করে যে এই বছরের অক্টোবর মাসে, প্রতি সপ্তাহে গড়ে 11,250টি কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে, যার পরপরই মার্কিন ডলারের তীব্র দরপতন ঘটে। এই প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দেয় যে অক্টোবর মাসের দ্বিতীয়ার্ধে শ্রমবাজারে ফের কর্মসংস্থান হ্রাস পাওয়া শুরু করেছে, যা মাসের শুরুর তুলনায় ভিন্ন ফলাফল ছিল। গত সপ্তাহে প্রকাশিত সর্বশেষ মাসিক ADP প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত দুই মাসের পতনের পর অক্টোবর মাসে বেসরকারি খাতে 42,000টি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই নতুন প্রতিবেদন এমন এক সময়ে প্রকাশিত হল যখন গত কয়েক সপ্তাহে একাধিক কোম্পানি কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিষ্ঠান চ্যালেঞ্জার, গ্রে অ্যান্ড ক্রিসমাস ইনকর্পোরেটেডের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দশকের মধ্যে অক্টোবর মাসেই সবচেয়ে বেশি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা এসেছে, যা শ্রমবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সতর্কবার্তা দীর্ঘস্থায়ী মুদ্রাস্ফীতি এবং তা নিয়ন্ত্রণে উচ্চ সুদের হারের প্রেক্ষাপটে এসেছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে ফেডারেল রিজার্ভের আগ্রাসী নীতিমালা শ্রমবাজারের পরিস্থিতিকে আরও দুর্বল করতে পারে, কারণ কর্মী ছাঁটাই এখন বড় প্রযুক্তি প্রতিবেদন থেকে শুরু করে উৎপাদন খাত পর্যন্ত—প্রায় সব খাতেই প্রভাব ফেলছে। চাকরি হারানোর এই প্রবণতা আরও উদ্বেগজনক বিষয়, কারণ এটি শ্রমবাজারকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং চাকরি হারানো ব্যক্তিদের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার দিকেই নির্দেশ করে। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে সংগৃহীত পৃথক এক তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে যে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৭১% বিশ্বাস করেন আগামী বছরে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে—যা ১৯৮০ সালের পর সর্বোচ্চ। মার্কিন ইতিহাসের দীর্ঘস্থায়ী সরকারি কার্যক্রম বন্ধ থাকার ফলে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন, বিশেষ করে কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রতিবেদনের প্রকাশনা বিলম্বিত হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা ADP-এর প্রকাশিত তথ্যসহ অন্যান্য বিকল্প সূচকের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়েছেন। গত মাসে ADP ঘোষণা দিয়েছিল যে তারা প্রতি চার সপ্তাহ পরপর বেসরকারি খাতে নিয়োগে পরিবর্তনের চলমান গড় হার প্রকাশ করবে। গোল্ডম্যান শ্যাক্স গ্রুপ ইনকর্পোরেটেডের অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকার পরিচালিত ফার্লো প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের হিসাব অন্তর্ভুক্ত করলে, অক্টোবর মাসে মার্কিন কর্মসংস্থান ৫০,০০০ হারে হ্রাস পেয়েছে। এখন তারা শ্রমবাজার পরিস্থিতির আরও অবনতির ঝুঁকি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছেন। এই সব বিষয় ইঙ্গিত দিচ্ছে ডিসেম্বরে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা আগের চেয়ে অনেক বেশি, যা ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের বিপরীতে মার্কিন ডলারের আরও এক দফা দরপতনের কারণ হতে পারে। EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল পূর্বাভাস EUR/USD পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্রের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যাচ্ছে, ক্রেতাদের এখন এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1590 লেভেলে নিয়ে আসা উচিত। একমাত্র এই লেভেলে যেতে পারলেই মূল্যের 1.1620 লেভেলের দিকে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। সেখান থেকে এই পেয়ারের মূল্য 1.1640 পর্যন্ত উঠতে পারে, তবে বড় ট্রেডারদের সহায়তা ছাড়া এটি অর্জন করা বেশ কঠিন হবে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1668 লেভেল। যদি এই ইনস্ট্রুমেন্টের দরপতন হয়ে মূল্য 1.1570 এরিয়ায় নেমে আসে, তাহলে বড় ক্রেতাদের কার্যক্রম পরিলক্ষিত হতে পারে। যদি মূল্য সেই লেভেলে থাকা কোনো শক্তিশালী ক্রেতা সক্রিয় না হয়, তাহলে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1540 লেভেলে নেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই ভালো হবে অথবা 1.1520 থেকে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। GBP/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল পূর্বাভাস GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের বর্তমান টেকনিক্যাল পরিস্থিতি অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের প্রথমেই 1.3150 লেভেলের রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। একমাত্র এরপরই এই পেয়ারের মূল্যের 1.3181-এর দিকে যাইয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে, যদিও মূল্যের এই লেভেলের ওপরে উঠা তুলনামূলকভাবে বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা হতে পারে 1.3215 লেভেল। যদি মার্কেটে দরপতন ঘটে, তাহলে বিক্রেতারা মূল্য 1.3120 লেভেলে থাকা অবস্থায় মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা সফল হলে, এই রেঞ্জ ব্রেক হলে সেটি ক্রেতাদের অবস্থানের জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করবে, এবং GBP/USD পেয়ারের 1.3085 লেভেল পর্যন্ত দরপতন হতে পারে, যেখানে 1.3050 পর্যন্ত আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/49M9LMD









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

AUD/USD – অস্ট্রেলিয়ান ডলার আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে: শ্রমবাজার প্রতিবেদন 'অজি মুদ্রাকে' বাড়তি সহায়তা দিতে পারে স্বল্পমেয়াদে 0.6520 লেভেলে নেমে আসার পর, অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্য আবারও 66 ফিগারের কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। এই কারেকটিভ পুলব্যাকটি মার্কিন ডলার সূচকের সামগ্রিক শক্তিশালী বৃদ্ধির ফলে হয়েছে, যা মূলত ফেডারেল রিজার্ভের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বৈঠকের ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় ঘটেছে। ওই বৈঠকে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে, তবে শাটডাউন চলমান থাকার কারণে ডিসেম্বরে আর্থিক নীতিমালা আরও নমনীয় করার সম্ভাবনা নিয়ে ফেড সংশয় প্রকাশ করেছে। অক্টোবরের বৈঠকের আগে ডিসেম্বরে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনাকে ৯৫% হিসেবে ধরা হয়েছিল, তাই ফেডের এই সতর্কবার্তাগুলো ডলারের জন্য ইতিবাচক বলে বিবেচিত হয়। তবে পরবর্তী সময়ে ফেডের কর্মকর্তাদের মন্তব্য এবং (বিশেষত) সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ডলারের ক্রেতাদের আশাবাদে কিছুটা পানি ঢেলে দিয়েছে। ISM ম্যানুফ্যাকচারিং সূচকের ফলাফল নেতিবাচক ছিল, ADP থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেসরকারি খাতে মাত্র ৪০,০০০ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, এবং নিয়োগ এজেন্সিগুলোর প্রতিবেদন শ্রমবাজারের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। এমনকি ISM সার্ভিস সূচকের ফলাফল ইতিবাচক হলেও এবং সূচকটি আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছালেও, পরিষেবা খাতের কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে—অক্টোবরে যেটির ফলাফল ছিল মাত্র 48.2। এই প্রতিবেদনগুলোর হতাশাজনক ফলাফলের প্রেক্ষিতে, ফেডের অনেক কর্মকর্তাই তাদের বক্তব্যে নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং শ্রমবাজারের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এদের মধ্যে ছিলেন স্টিফেন মিরান, ক্রিস্টোফার ওয়ালার, মাইকেল বার, মিশেল বোয়ম্যান এবং মেরি ডালি। তাঁরা সবাই কর্মসংস্থানের অবনতির বিষয়টি নিয়ে জোর দিয়েছেন, যদিও মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিও তুলে ধরেছেন। মিরান ও ওয়ালার প্রকাশ্যেই ডিসেম্বরে আরও সুদের হার কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অর্থাৎ, সামগ্রিক মৌলিক চিত্র পরিবর্তিত হয়েছে—এবং তা ডলারের জন্য অনুকূল নয়। এর ফলে AUD/USD পেয়ারের মূল্য পূর্বের গতিপথ বদলে এখন আবার 66 ফিগারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দর বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া (RBA)-র সরব "হকিশ বা কঠোর" অবস্থান এবং ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাসেটের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ। অক্টোবরে অনুষ্ঠিত রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার বৈঠকের পর, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মিশেল বুলক সতর্ক অবস্থানে থেকে ডিসেম্বরে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। সেইসঙ্গে প্রকাশিত কার্যবিবরণীতেও মাঝারি মাত্রা "হকিশ বা কঠোর" অবস্থান প্রতিফলিত হয়েছে, কারণ তৃতীয় প্রান্তিকে অস্ট্রেলিয়ায় মুদ্রাস্ফীতির গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে কোর CPI বা ভোক্তা মূল্য সূচক প্রান্তিক ভিত্তিতে 1.0% হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বার্ষিক ভিত্তিতে ৩.০% বৃদ্ধি পেয়েছে। সূচকটির দুটি উপাদানই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার বৈঠকের ফলাফল প্রকাশের পর অনেক বিশ্লেষক ধারণা করছেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্তত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদের হার কমাবে না—যখন চতুর্থ প্রান্তিকে অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে, যদি শ্রমবাজার পরিস্থিতির দুর্বল হওয়ার সংকেত পাওয়া যায়, তাহলে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়ার হকিশ বা কঠোর অবস্থান কিছুটা নমনীয় হতে পারে। তাই আসন্ন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন যেকোনো দিকেই AUD/USD পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতা বাড়াতে সক্ষম। 'অস্ট্রেলিয়ার নন-ফার্ম' পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল যদি নেতিবাচক হয় তবে তা ক্রেতাদের বা বিক্রেতাদের জন্য যথেষ্ট কার্যকর হতে পারে। প্রাথমিক পূর্বাভাস 'অজি মুদ্রার' পক্ষেই রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, অক্টোবরে দেশটির বেকারত্বের হার সামান্য কমে 4.4% হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে গত মাসে তা বহু মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ 4.5%-এ পৌঁছেছিল। অংশগ্রহণের হারও গত মাসের 67.0% থেকে বেড়ে 67.1% হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সংখ্যা +20,000 হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে সেপ্টেম্বরে এটি ছিল 14,000। যদিও এটিকে শক্তিশালী ফলাফল বলে গণ্য করা যায় না, তবুও এটি কোনোভাবেই নেতিবাচক নয়, বিশেষ করে আগস্টে যখন নিয়োগের সংখ্যা 5.4 হাজার হ্রাস পেয়েছে। এখানে পূর্ণকালীন বনাম খন্ডকালীন নিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, সেপ্টেম্বরে পূর্ণকালীন কর্মসংস্থানের সংখ্যা 8,700 বেড়েছে এবং খন্ডকালীন কর্মসংস্থানের সংখ্যা 6,300 বেড়েছে। এই তথ্যটি অস্ট্রেলিয়ান ডলারকে অতিরিক্ত সহায়তা দিয়েছে, কারণ পূর্ণকালীন চাকরি সাধারণত উচ্চ বেতন এবং আরও বেশি সামাজিক সুরক্ষা প্রদান করে, যা মজুরি বৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং, আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফল যদি পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় (বৃদ্ধি কথা না বিবেচনা করা হলেও), তাহলে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দর মার্কিন ডলারের বিপরীতেও বৃদ্ধি পাবে। আমার মতে, এখনও AUD/USD পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা বজায় রয়েছে। টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, AUD/USD পেয়ারের মূল্য চার ঘণ্টার চার্টে ইচিমোকু ক্লাউডের ওপরের সীমানা অতিক্রম করেছে এবং এখন ইচিমোকু সূচকের সব লাইন এবং বলিঙ্গার ব্যান্ডের মিড ও আপার লাইনের মাঝে রয়েছে, যা লং পজিশন ওপেন করারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রথম লক্ষ্যমাত্রা হলো 0.6560 (চার ঘণ্টার টাইমফ্রেমে বলিঙ্গার ব্যান্ডের আপার লাইন)। মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 0.6600 (D1 টাইমফ্রেমে কুমো ক্লাউডের উপরের সীমানা, যা বলিঙ্গার ব্যান্ডের আপার লাইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ)। Read more: https://ifxpr.com/4p6kHJB









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন, ১৪ নভেম্বর: বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবারও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল, এবং মূল্যের অস্থিরতা ও বৃদ্ধির প্রবণতাও বেড়েছে। নতুন ট্রেডারদের মনে রাখা জরুরি যে, এই পেয়ারের মূল্যের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি এবং ডলারের দরপতন নির্দেশ করে। অর্থাৎ, মার্কিন সরকারের শাটডাউনের সমাপ্তির খবরে গতকালও ডলারের দরপতন অব্যাহত ছিল। এই ধরনের মুভমেন্ট বিশ্লেষণ করতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ এতে সাধারণভাবেই কোনো যৌক্তিকতা নেই। সহজ কথায়, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্থানীয় সংবাদ এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে কোনো প্রভাব ফেলেনি। ট্রেডাররা নিজের মতো করে ট্রেড করছে এবং স্থানীয় মৌলিক ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল উপেক্ষা করছে। একই সময়ে, যখন যেকোনো মূল্য বৃদ্ধিই যৌক্তিক মনে হয় তখন যেকোনো দরপতনই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযৌক্তিক, কারণ বৈশ্বিক মৌলিক উপাদানগুলো ডলারের জন্য এখনও স্পষ্টভাবে নেতিবাচক। তাই, এক বা দুই দিনের মধ্যে স্থানীয় মৌলিক ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বর্তমানে পরিলক্ষিত মার্কেটে প্রায় সব ধরনের মুভমেন্টকেই অযৌক্তিক বলা যেতে পারে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির আলোকে এই পেয়ারের মূল্যের যেকোনো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সম্পূর্ণরূপে যুক্তিসঙ্গত। দৈনিক টাইমফ্রেমে মার্কেটে এখনও ফ্ল্যাট মুভমেন্ট বজায় রয়েছে, যার মাধ্যমে এসব অযৌক্তিক মুভমেন্টের ব্যাখ্যা করা যায়। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশন শুরু হওয়ার সময়, এই পেয়ারের মূল্য 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে এবং দিনের শেষে মূল্য নিকটতম লক্ষ্যমাত্রা – 1.1655-1.1666 এরিয়ায় পৌঁছে যায়, যেখান থেকে আবারও রিবাউন্ড হয়। ফলে, নতুন ট্রেডারদের জন্য লং পজিশন ওপেন করে প্রায় ৫০ পিপস লাভ করার সুযোগ তৈরি হয়। 1.1655 লেভেল থেকে রিবাউন্ডের ক্ষেত্রেও ট্রেড করা যেত, কিন্তু এই সিগন্যালটি বেশ দেরিতে গঠিত হয়েছিল এবং স্থানীয় পর্যায়ে চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সাথে পরস্পরবিরোধী ছিল। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে স্থানীয় পর্যায়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্য অন্তত ১৫০ পিপস বাড়তে পারে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক। তাই শুধুমাত্র টেকনিক্যাল কাঠামোর ভিত্তিতে ইউরোর দরপতন হতে পারে – দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জে অবস্থান করার প্রবণতা এখনো প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে। তবে, আমরা আশা করছি এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে চলমান মুভমেন্ট শীঘ্রই শেষ হবে এবং ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে, এমনকি ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেও কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1655-1.1666 এরিয়ায় ট্রেড করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া রিবাউন্ড করলে মূল্যের 1.1584-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়ার উপরে স্থিতিশীলভাবে অবস্থান গ্রহণ করে, তাহলে মূল্যের 1.1745-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988 শুক্রবার, ইউরোজোনে তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা দিনের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন। আমরা আগেও দেখেছি, ট্রেডাররা প্রায়শই স্থানীয় প্রতিবেদনের ফলাফল উপেক্ষা করছে, তাই টেকনিক্যাল কাঠামোই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। Read more: https://ifxpr.com/4qXNf9J









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

স্বর্ণের সক্রিয় দরপতন অব্যাহত রয়েছে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশা কমে যাওয়ায় টানা তৃতীয় দিনের মতো স্বর্ণের দরপতন হচ্ছে। দীর্ঘ ৪৩ দিন ধরে শাটডাউনের পর নতুন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির একটি স্পষ্ট চিত্র উপস্থাপন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সর্বশেষ সেশনে ২%-এর বেশি দরপতনের পর স্বর্ণের মূল্য আরও ০.৮% হ্রাস পেয়েছে। ট্রেডাররা এখন ডিসেম্বর মাসে সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনার প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন, কারণ ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তারা ঋণের খরচ কমানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আশাবাদী কোনো বার্তা দিচ্ছেন না। সাধারণত, নিম্ন সুদের হার মূল্যবান ধাতুগুলোকে বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। পূর্বের মতোই উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকেরা অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছেন, যা মার্কিন ইতিহাসের দীর্ঘতম শাটডাউনের মধ্যে থমকে ছিল। সেসময় ফেডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। পূর্বে যে আত্মবিশ্বাস দেখা গিয়েছিল, যেন আর্থিক নীতিমালার নমনীয়করণ অবশ্যম্ভাবী—সেই দৃষ্টিভঙ্গি এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। বর্তমানে ফেডের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সুদের হার হ্রাসের সম্ভাবনার বিষয়ে আরও সতর্কভাবে কথা বলছেন এবং নতুন করে প্রকাশিতব্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছেন। এই দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা স্বর্ণের উপরও প্রভাব ফেলেছে। যারা আগে প্রকাশিত অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে নিজেদের কৌশল নির্ধারণ করতেন, তারা এখন কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চিত্র যথেষ্ট পরিমাণে স্পষ্ট না হওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী অপেক্ষা করার কৌশল গ্রহণ করেছে এবং স্পষ্ট সংকেত না পাওয়া পর্যন্ত মার্কেটের বাইরে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবুও, এ বছর এখন পর্যন্ত স্বর্ণের মূল্য ৫৫% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই ধাতুটির মূল্য ১৯৭৯ সালের পর সবচেয়ে সেরা বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের চেষ্টা করছে। গত মাসে $4,380-এর উপরে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পেছনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সক্রিয় ক্রয় এবং বিনিয়োগকারীদের মূল্যবান ধাতুগুলোর প্রতি ঝোঁক ভূমিকা রেখেছে—বিশেষ করে আর্থিক অস্থিরতা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে। বর্তমান স্বর্ণের মূল্যের কারেকশনের মধ্যেও স্বর্ণের মূল্যের মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে। ফেডের 'ডোভিশ বা নমনীয়' অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা এবং নিরাপদ বিনিয়োগের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক স্বর্ণের মূল্যের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে জিইয়ে রেখেছে, কারণ স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিকোণ দুটির কোনোটিই এখনো স্পষ্ট নয়। বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথমে $4,124 লেভেলের নিকটতম রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করাতে হবে। স্বর্ণের মূল্য সফলভাবে এই লেভেল অতিক্রম করলে লক্ষ্যমাত্রা হবে $4,186 লেভেল, যা ব্রেক করে মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা $4,249-এর লেভেল। যদি স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত থাকে, তাহলে মূল্য $4,062 লেভেলে থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই লেভেল সফলভাবে ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে এটি ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের আঘাত হবে এবং স্বর্ণের মূল্য $4,008-এ নেমে যাবে, যা থেকে আরও দরপতন হয়ে $3,954 লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/48hrYR7









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৮ নভেম্বর USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে উঠতে শুরু করে তখন এই পেয়ারের মূল্য 154.83 লেভেল টেস্ট করে, যা ডলার কেনার জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে এবং এই পেয়ারের মূল্য ৫০ পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। জাপানের জিডিপির তীব্র পতন এবং যুক্তরাষ্ট্রে এম্পায়ার ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্সের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রতিবেদন, পাশাপাশি ফেডারেল রিজার্ভ প্রতিনিধিদের বক্তব্য—এই সমস্ত বিষয় USD/JPY পেয়ারে ইয়েনের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে। এম্পায়ার ম্যানুফ্যাকচারিং ইনডেক্স বেড়ে 18.6 পয়েন্টে পৌঁছেছে, যেখানে বিশ্লেষকরা মাত্র 6.1 পয়েন্টে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। এটি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে উৎপাদন খাতে দৃঢ় প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় এবং সামগ্রিকভাবে মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনার সংকেত দেয়। একই সাথে, সুদের হার হ্রাসের বিষয়ে মুদ্রানীতিতে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ফেডের প্রতিনিধিদের বক্তব্য বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করেছে। এই সমস্ত উপাদানের সম্মিলিত প্রভাব ডলারের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 155.60-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 155.23-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 155.60-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 155.01-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 155.23 এবং 155.60-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 155.01-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 154.66-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 155.23-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 155.01 এবং 154.66-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/47M5Yhb









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ১৯ নভেম্বর। USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উপরের দিকে ওঠা শুরু করেছিল ঠিক তখনই এই পেয়ারের মূল্য 155.39-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা মার্কিন ডলার ক্রয়ের জন্য একটি সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করে এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্য ৩০ পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। গতকাল ব্যাংক অফ জাপানের গভর্নর কাজুয়ো উয়েদার বক্তব্য জাপানি ইয়েনকে কোনো সহায়তা দিতে পারেনি, ফলে এটি ডলারের বিপরীতে মূল্য হারাতে থাকে। উয়েদা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধীরে ধীরে উদার মুদ্রানীতির মাধ্যমে প্রদত্ত অর্থনৈতিক সহায়তার পরিমাণ কমানোর পরিকল্পনা করছে। এই পদক্ষেপ ব্যাংক অফ জাপানের সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানকে প্রকাশ করে। যদিও, একাধিক বিশেষজ্ঞের মতে, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরে এই ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা কম, এবং প্রথমবার সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাব্য সময় ধরা হচ্ছে ২০২৬ সালের মার্চ মাস। সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও ইয়েনের দরপতনের কারণ হিসেবে আংশিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় রাখার প্রত্যাশার কারণে ডলারের সামগ্রিক শক্তিশালী অবস্থানকে বিবেচনা করা যায়। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে মুদ্রানীতির ব্যবধান এখনও জাপানি মুদ্রার উপর চাপ সৃষ্টি করছে, ফলে এটি বিনিয়োগকারীদের কাছে কম আকর্ষণীয় হয়ে পড়ছে। তা সত্ত্বেও, ব্যাংক অফ জাপানের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা অনুযায়ী মুদ্রানীতির নমনীয়করণেরই স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়। প্রশ্নটি কেবলমাত্র গতি এবং সময় নিয়ে — যা নির্ভর করবে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর, যেমন মুদ্রাস্ফীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 155.90-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 155.49-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 155.90-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 155.21-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 155.49 এবং 155.90-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 155.21-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 154.80-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 155.49-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 155.21 এবং 154.80-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/48n3gPi









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/JPY: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ নভেম্বর USD/JPY পেয়ারের ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি শূন্যের উল্লেখযোগ্য উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 156.09-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ডলার ক্রয় করিনি এবং এর ফলে এই পেয়ারের মূল্যের একটি কার্যকর ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট কাজে লাগাতে পারিনি। অক্টোবর মাসের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) বৈঠকের বিবরণ প্রকাশের পর জাপানি ইয়েনের দর মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেভেলে নেমে আসে। ট্রেডাররা এতে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেখতে পেয়েছেন যে ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরের শেষ দিকে সুদের হারের হ্রাসের পদক্ষেপ স্থগিত করতে পারে, যার ফলে ডলারের দর আরও বৃদ্ধি পায়। USD/JPY পেয়ারের মূল্য হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে, ব্যাংক অফ জাপানের বোর্ড সদস্য জুনকো কোয়েডা ডিসেম্বর মাসের বৈঠকে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন এবং মুদ্রানীতির স্বাভাবিকীকরণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, তবুও এই বার্তায় ইয়েনের দর তেমনভাবে প্রভাবিত হয়নি। মার্কেটের ট্রেডাররা এই স্পষ্ট বার্তাটি উপেক্ষা করে বৈশ্বিক বিষয়গুলোতে দৃষ্টি দেয়া অব্যাহত রাখে, বিশেষ করে ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত প্রত্যাশার দিকে। এটি স্পষ্ট যে, ইয়েনের মূল্য দৃঢ়ভাবে বৃদ্ধির জন্য, ব্যাংক অফ জাপান (BoJ) থেকে আরও স্পষ্ট ও দৃঢ়ভাবে আর্থিক নীতিমালা স্বাভাবিকীকরণের প্রস্তুতির প্রমাণ প্রয়োজন, সেই সঙ্গে মার্কিন ডলারের দরপতন হওয়াও প্রয়োজন, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে। তবে কোয়েডার মন্তব্য ব্যাংক অফ জাপানের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের কথাই তুলে ধরে। জাপানে মুদ্রাস্ফীতি ধারাবাহিকভাবে ২%-এর লক্ষ্যমাত্রার উপরে রয়েছে, এবং ইয়েন দুর্বল হয়ে পড়ায় আমদানি পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবার ও ব্যবসায়িক খাতের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। মূল প্রশ্ন হলো, ব্যাংক অফ জাপান কবে এবং কী গতিতে সুদের হার বাড়ানো শুরু করবে, যাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। ডিসেম্বরের আসন্ন বৈঠক হবে ব্যাংক অব জাপানের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেই বৈঠকে বাস্তবেই সুদের হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ইয়েনের দর হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেতে পারে এবং ইয়েনভিত্তিক অ্যাসেটগুলোর পুনর্মূল্যায়ন শুরু হতে পারে। অন্যথায়, মার্কেটের ট্রেডাররা ইয়েন ক্রয় করতে অনিচ্ছা প্রদর্শন করবে এবং ব্যাংক অব জাপানের মৌখিক হস্তক্ষেপকে উপেক্ষা করেই চলবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 158.36-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 157.76-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 158.36-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য দরপতনের সময় এই পেয়ার ক্রয় করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 157.24-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার কেনার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 157.76 এবং 158.36-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 157.24-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.70-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। যতটা সম্ভব উচ্চ লেভেলে থাকা অবস্থায় এই পেয়ার বিক্রি করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।  পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় 157.76-এর লেভেলে পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ার বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 157.24 এবং 156.70-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4pj865R









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২১ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সপ্তাহের চতুর্থ দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট প্রথম তিন দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি সক্রিয় ছিল, তবে সেটি মাত্র আধা ঘণ্টার জন্য হয়েছে। মনে করিয়ে দিই, গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমন কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যার জন্য ট্রেডাররা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিল এবং সেই প্রতিবেদনগুলো ছাড়া আবারও তাঁরা সক্রিয়ভাবে ট্রেডিং শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি। এগুলো হলো নন-ফার্ম পেরোলস এবং বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনগুলো মূলত সেপ্টেম্বর মাসেই প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল এবং আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে এগুলো থেকে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়, কারণ প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ইতোমধ্যেই বেশ পুরনো হয়ে গেছে। তবে, আমরা মার্কেটে এমন একটি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার প্রত্যাশা করেছিলাম, বিশেষ করে যেখানে প্রকাশিত সূচকগুলোর মান প্রত্যাশার তুলনায় ভিন্ন ছিল। আমরা প্রত্যাশার তুলনায় ভিন্ন ফলাফল দেখেছি, কিন্তু মার্কেটে কোনো শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখিনি। মূলত, প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই পেয়ারের মূল্যের পুরো মুভমেন্ট ৪০ পিপসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যেটি আমরা প্রায় প্রতিদিনই দেখতে পাই। সারাদিনের সামগ্রিক ভোলাটিলিটিও আবারও কম ছিল এবং প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল শুধু পুরনোই নয়, বরং একটি অপরটির সাথে পরস্পরবিরোধীও ছিল। যেমন—নতুন কর্মসংস্থানের সংখ্যা পূর্বাভাসের তুলনায় ২.৫ গুণ বেশি হলেও, বেকারত্বের হার প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে বৃহস্পতিবার চারটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এগুলো কীভাবে লাগানো যেতে পারে, যদি সারাদিনের ভোলাটিলিটি ৫০ পিপসের বেশি না হয়? এই পেয়ারের মূল্য প্রথমে 1.1527 এরিয়া থেকে বাউন্স করে ২০ পিপস কমে যায়। এরপর 1.1527 এরিয়া ব্রেক করার পর মুভমেন্ট আরও কমে যায়। সুতরাং, মূল সমস্যা সিগন্যাল বা লেভেল নয়, বরং মার্কেট স্থবির অবস্থায় রয়েছে। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের পুনরায় দরপতন হচ্ছে এবং সম্ভবত একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও অত্যন্ত নেতিবাচক রয়ে গেছে; তাই মূলত কেবলমাত্র টেকনিক্যাল কারণের ভিত্তিতেই ইউরোর দরপতন দেখা যেতে পারে—দৈনিক টাইমফ্রেমে বিদ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনো প্রাসঙ্গিক রয়েছে। তবে আমরা এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের সমাপ্তি এবং 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশা করছি। এমনকি এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে ট্রেডিং শুরু করতে পারেন। যদি এই এরিয়ার ওপরে মূল্যের কনসোলিডেশন হয়, তাহলে মূল্যের 1.1571-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি মূল্য 1.1571-1.1584 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দ একটি বক্তৃতা প্রদান করবেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদন হলো ইউরোজোনের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি সূচক এবং আমেরিকার কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স, যেগুলো মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।   Read more: https://ifxpr.com/4pcmY6F









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৪ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট গত সপ্তাহের শেষ দিনের ট্রেডিংয়ে EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্য আবারও নিম্নমুখী হয়েছে। এর পেছনে কি কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল? শুক্রবার বেশ কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তবে প্রায় সবগুলো প্রতিবেদনের ফলাফল একে অপরের সাথে পরস্পরবিরোধী ছিল। ইউরোজোনে প্রকাশিত দুটি বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল সম্পূর্ণভাবে বিপরীতমুখী ছিল, আর একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন একে অপরের সাথে সাংঘর্ষিক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ইনডেক্স বা ভোক্তা মনোভাব সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ছিল (যার ফলে ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট বজায় রাখা সম্ভব হয়নি), এবং জার্মানির উভয় বিজনেস অ্যাক্টিভিটি ইনডেক্সের বড় ধরনের পতন দেখা গিয়েছে। সম্ভবত এসব বিষয়ে দিনের প্রথমার্ধে ইউরোর দরপতনে অবদান রেখেছে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের দর আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে, বিশেষ করে মার্কেটে ক্রমবর্ধমান চলতি বছরের শেষ বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থান গ্রহণের প্রত্যাশা এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাড়তে থাকা বেকারত্বের প্রেক্ষাপটে। দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জে অবস্থান করার প্রবণতা এখনও অব্যাহত রয়েছে, তাই তাত্ত্বিকভাবে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400 লেভেল পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যার ওপর অবস্থান করায় ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনও প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে। তবে আমাদের পূর্বানুমান অনুযায়ী এই সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যেই এই পেয়ারের মূল্য অন্তত 1.1800 পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে প্রত্যাশা করছি। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে শুক্রবার দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনে 1.1527-1.1531 এরিয়াতে একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয় এবং মার্কিন সেশনে একই ধরণের আরেকটি সিগন্যাল গঠিত হয়। উভয় ক্ষেত্রেই এই পেয়ারের ১৫-২০ পিপস দরপতন হয়েছিল। রাতে একটি বাই সিগন্যালও গঠিত হয়েছিল, তবে সেটি থেকেও উল্লেখযোগ্য মুনাফা পাওয়া যায়নি। মূল সমস্যা হলো—মার্কেটে এখনও দুর্বল মুভমেন্ট বিরাজ করছে। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্য আবারও কমে যাচ্ছে এবং সম্ভবত একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক, তাই মূলত কেবল টেকনিক্যাল কারণেই ইউরোর দরপতন হচ্ছে—দৈনিক টাইমফ্রেমের ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। তবে আমরা এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের সমাপ্তি এবং 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। এর মধ্যে, ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেও মাঝেমধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট ঘটতে পারে। সোমবার, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে ট্রেডিং শুরু করতে পারেন। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার ওপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1571-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। তবে, যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970-1.1988। সোমবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ডে একটি বক্তব্য দেবেন এবং জার্মানির Ifo ইনস্টিটিউটের বিজনেস ক্লাইমেট ইনডেক্স সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তবে আমরা এগুলোকে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনায় নিচ্ছি। তাই আজও এই পেয়ারের মূল্যের ভোলাটিলিটি বা অস্থিরতার মাত্রা কম থাকার সম্ভাবনাই বেশি। Read more: https://ifxpr.com/48vJZLI









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৫ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার পুনরায় EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হওয়ার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছিল, কিন্তু ফলাফল হিসেবে আরেকবার আমরা মার্কেটে স্থবির অবস্থা দেখতে পেয়েছি। যেমনটা আমরা দেখতে পাচ্ছি, মার্কেটে হয় কোনো মুভমেন্ট হয় না নয়তো অযৌক্তিক মুভমেন্ট দেখা যায়। সোমবার কার্যত ট্রেডিং করার কোনো অবস্থা ছিল না। দিনজুড়ে সামগ্রিক ভোলাটিলিটির মাত্রা ছিল ৫০ পিপসের নিচে, এবং এই পেয়ারের মূল্য শুক্রবারের প্রতিষ্ঠিত রেঞ্জের মধ্যেই স্থির ছিল। সামষ্টিক অর্থনীতি প্রেক্ষাপট প্রায় অনুপস্থিত ছিল, জার্মানিতে ব্যবসায়িক আস্থা সূচক প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু সেটিও এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টে কোনো প্রভাব ফেলেনি। মৌলিকভাবে বিশ্লেষণেরও কিছু ছিল না। এদিকে, দৈনিক টাইমফ্রেমে মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে অবস্থান করার প্রবণতা বজায় রয়েছে। এমনটি গত কয়েক মাস ধরেই চলছে, এবং বর্তমানে শিগগিরই এই পরিস্থিতি অবসানের কোনো লক্ষণ নেই। ফলে মার্কেটে দুর্বল ও অযৌক্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। দুর্ভাগ্যবশত, ফ্ল্যাট মার্কেটের বাস্তবচিত্র এটাই। বর্তমানে এই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট শুধুমাত্র স্থানীয় নয়, বরং বৈশ্বিক পর্যায়েও দেখা যাচ্ছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার দিনব্যাপী কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল; তবে যৌক্তিক কারণে ট্রেডাররা উল্লেখযোগ্য লাভ অর্জন করতে পারনি। শুরুতে এই পেয়ারের মূল্য 1.1527-1.1531 লেভেল এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, পরে এটি ব্রেক করে যায় এবং পরবর্তীতে বিপরীত দিক থেকেও আবার ব্রেক করে। প্রতিটি ক্ষেত্রে, মূল্য সর্বাধিক প্রায় ১৫ পিপস সঠিক দিক বরাবর অগ্রসর হয়েছিল। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি যে, সমস্যা ট্রেডিং সিগন্যাল বা লেভেলগুলোতে নয়, বরং মার্কেটে সক্রিয় মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের আবারও দরপতন হচ্ছে এবং সম্ভবত একটি নতুন নিম্নমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই মূলত কেবল টেকনিক্যাল কারণেই ইউরোর দরপতন হচ্ছে—দৈনিক টাইমফ্রেমের ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। তবে আমরা এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্টের সমাপ্তি এবং 2025 সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। এর মধ্যে, ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেও মাঝেমধ্যে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট ঘটতে পারে। মঙ্গলবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1527-1.1531 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন, কারণ অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প আপাতত নেই। যদি এই এরিয়ার উপরে এই পেয়ারের মূল্যের কনসলিডেশন হয়, তাহলে মূল্যের 1.1571-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তবে মূল্যের 1.1474-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন কার্যকর হয়ে উঠবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908 এবং 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে—উৎপাদন মূল্য সূচক (PPI), খুচরা বিক্রয় এবং ADP (সাপ্তাহিক) শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন। যদিও এই প্রতিবেদনগুলোর গুরুত্ব সর্বোচ্চ নয়, তবে বর্তমানে এর বাইরে আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন নেই। আমরা অনুমান করছি, এই প্রতিবেদনগুলোর প্রভাবে মার্কেটে সংযত প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে। Read more: https://ifxpr.com/43MxXuS









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

USD/CHF পেয়ারের বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস আজ দ্বিতীয় দিনের মতো USD/CHF পেয়ারের মূল্যের প্রায় তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ 0.8100-এর রাউন্ড লেভেলের ঠিক ওপর থেকে কারেকশনের অংশ হিসেবে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এই দরপতনের প্রধান কারণ হচ্ছে মার্কিন ডলারের প্রতি বিদ্যমান নেতিবাচক মনোভাব। মার্কিন ডলার সূচক (DXY), যা অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মূল্য নির্ধারণ করে, এই সপ্তাহে নতুন সর্বনিম্ন লেভেলে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই ঘটনা ঘটেছে, যা ফেডারেল রিজার্ভের "ডোভিশ বা নমনীয়" অবস্থান গ্রহণের সম্ভাবনা আরো জোরালো করেছে। বিশেষভাবে, উৎপাদক মূল্যসূচক (PPI) নির্দেশ করে মুদ্রাস্ফীতি মন্থর হচ্ছে, যখন সেপ্টেম্বরের খুচরা বিক্রয় সূচক প্রত্যাশার তুলনায় কম বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্তভাবে, কনফারেন্স বোর্ডের কনজিউমার কনফিডেন্স বা ভোক্তা আস্থা সূচক সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে, কারণ শ্রমবাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে, যা ফেডকে আরেকবার আর্থিক নীতিমালা নমনীয় করার সুযোগ করে দিয়েছে। এদিকে, নিউ ইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস গত শুক্রবার জানিয়েছেন যে, অদূর ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি মুদ্রাস্ফীতিকে লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে বাঁধাগ্রস্ত করবে না। এর আগে, ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার উল্লেখ করেন যে শ্রমবাজার এখন এতটাই দুর্বল অবস্থায় যে ডিসেম্বরে সুদের হার ০.২৫% হ্রাস যথার্থ হবে। এরপর মঙ্গলবার ফেডের বোর্ড সদস্য স্টিফেন মিরান এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের প্রতি সমর্থন জানান, এবং দাবি করেন শ্রমবাজার ও অর্থনৈতিক অবস্থা অবনতির কারণে ব্যাপক মাত্রায় সুদের হার হ্রাস করা দরকার, যাতে মুদ্রানীতিকে একটি নিরপেক্ষ পর্যায়ে আনা যায়। ট্রেডাররা দ্রুত সাড়া দিয়েছেন: বর্তমানে প্রায় ৮৫% সম্ভাবনা রয়েছে যে ডিসেম্বরে ফেড সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমাবে। অন্যদিকে, সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (SNB) আসন্ন বৈঠকে মূল সুদের হার ০.০০%-এ অপরিবর্তিত রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন ২০২৭ সালের আগে কোনো পরিবর্তন আসবে না। এই পরিস্থিতি স্বল্প-মেয়াদে USD/CHF-এর আরো দরপতনের প্রত্যাশা জোরালো করে তুলেছে। ট্রেডিংয়ের কার্যকর সুযোগের জন্য বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ আসন্ন মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের দিকে মনোযোগ দেয়া উচিত — বিশেষ করে বেকার ভাতা আবেদন ও নতুন আবাসন বিক্রি সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের প্রতি। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ডলারের মূল্যের মুভমেন্টের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের দৃষ্টিকোণ থেকে, দৈনন্দিন চার্টে অসিলেটরগুলো পজিটিভ জোনে রয়েছে, এবং এই পেয়ার ১০০-দিনের SMA ও ৯ এবং ১৪ পিরিয়ডের EMA-এর ওপরে ট্রেড করছে, যা বুলিশ প্রবণতার সম্ভাবনা নিশ্চিত করছে। USD/CHF-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল 0.8100-এর রাউন্ড লেভেলে রয়েছে; এর ওপরে মূল্য বাড়লে নভেম্বর মাসের সর্বোচ্চ লেভেল 0.8125-এর দিকে যেতে পারে। ৯-দিনের EMA-এ এই পেয়ারের মূল্যের সাপোর্ট রয়েছে; এর নিচে পরবর্তী সাপোর্ট হিসেবে ১০০-দিনের SMA এবং তারপর 0.8000-কে বিবেচনা করা হচ্ছে। নিচের টেবিলে দেখা যাচ্ছে এই সপ্তাহে মার্কিন ডলারের দর প্রধান মুদ্রার তুলনায় কেমন ছিল। এর মধ্যে মার্কিন ডলারের দর ক্যানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। Read more: https://ifxpr.com/49B780h









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৭ নভেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত ছিল, যদিও দিনের মধ্যে এই পেয়ার সাময়িকভাবে দরপতনের সম্মুখীন হয়েছিল। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব তুলনামূলকভাবে দুর্বল ছিল। মূলত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনই উল্লেখযোগ্য ছিল, যা প্রত্যাশামাফিক মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করলেও সামগ্রিক পরিস্থিতিকে তেমনভাবে প্রভাবিত করেনি। কী দেখা গেছে? প্রতিবেদনের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা ভালো এসেছে, যার ফলে ডলারের দর কিছুটা বেড়েছে। তবে, ঘন্টাভিত্তিক চার্টে কয়েক দিন আগে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে; দৈনিক চার্টে এখনো মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট প্রদর্শন করছে এবং দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক পর্যায়ে এখনো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং, এই পেয়ারের মূল্যের সামান্য কারেকশন হয়েছে এবং ফের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। আমরা এখনো দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, স্বল্প ও মধ্য-মেয়াদে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে, কারণ বর্তমানে এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্য 1.1400-1.1830 রেঞ্জের নিচের সীমানায় এসে পৌঁছেছে, তবে দীর্ঘমেয়াদে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার কমপক্ষে তিনটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1584 লেভেল থেকে রিবাউন্ড করে, এরপর 1.1571-1.1584 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন করে। উভয় সিগন্যালই শেষ পর্যন্ত ভুল প্রমাণিত হয়েছে, যেখানে দ্বিতীয়টি মার্কিন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে সক্রিয় হয়। আবারো 1.1571-1.1584 এরিয়াতে তৃতীয় বাই সিগন্যাল গঠিত হয়, এটি কাঙ্ক্ষিত দিকে তেমন শক্তিশালী মুভমেন্ট সৃষ্টি করেনি, যদিও এখনো সেটিকে ভুল সিগন্যাল ধরা যাচ্ছে না — আজও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং লং পজিশন এখনো ওপেন রাখা যেতে পারে। মূলত, মার্কিন টেকসই পণ্যের অর্ডার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল বুধবারের পুরো টেকনিক্যাল চিত্রকেই কিছুটা ব্যাহত করেছে। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, নতুন করে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক প্রেক্ষাপট এখনো মার্কিন ডলারের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক রয়েছে, যার মানে কেবলমাত্র টেকনিক্যাল কারণেই ইউরোর দরপতন হতে পারে — দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং অব্যাহত রয়েছে। তবে, আমাদের প্রত্যাশা এই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট শেষ হয়ে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হবে। বৃহস্পতিবার, নতুন ট্রেডাররা আবারো 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে ট্রেডিং শুরু করতে পারেন। এই এরিয়ার ওপরে মূল্যের কনসোলিডেশন হলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, মূল্যের 1.1655-1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। একই এরিয়ায় নতুন করে রিবাউন্ড হলে পুনরায় লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে, এই এরিয়ার নিচে কনসোলিডেশন হলে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে, যেখানে মূল্যের 1.1531-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, আজ ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলোর দিকে মনোযোগ দেয়া উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। বৃহস্পতিবার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না। ফলে, আজ মার্কেটে অস্থিরতার মাত্রা কিছুটা সীমিত থাকতে পারে, তবে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4oobhbA









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২০ নভেম্বর ইউরোর ট্রেডের বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ যখন MACD সূচকটি উল্লেখযোগ্যভাবে শূন্যের নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1565-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরো বিক্রি করিনি এবং এর ফলে এই পেয়ারের বেশ কার্যকর একটি নিম্নমুখী মুভমেন্ট কাজে লাগাতে পারিনি। গতকাল ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) অক্টোবর মাসের বৈঠকের বিবরণ প্রকাশিত হয়, যেখানে দেখা যায় যে ফেডারেল রিজার্ভের বেশিরভাগ কর্মকর্তারা চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষেই রয়েছেন। সামগ্রিকভাবে, ফেডের অভ্যন্তরে মতবিরোধ স্পষ্টভাবে ভবিষ্যতের মুদ্রানীতি নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দেয়। আসন্ন নতুন প্রতিবেদনের ফলাফল এবং ফেডের প্রতিনিধিদের সাম্প্রতিক বিবৃতির দিকে নজর রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে, যেন ভবিষ্যতের সম্ভাব্য পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা যায় এবং মার্কেটে পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে সিদ্ধান্তসমূহ সমন্বয় করা যায়। তবে, ডলারের আরও দর বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা এখনও বিদ্যমান রয়েছে, বিশেষ করে যদি ফেড কঠোর অবস্থান বজায় রাখে। আজ এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে যা সম্ভাব্যভাবে মার্কেটে প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন জার্মানির উৎপাদন মূল্য সূচক, বুন্দেসব্যাংকের মাসিক প্রতিবেদন, এবং ইউরোজোনের ভোক্তা আস্থা সূচক। জার্মানির উৎপাদন মূল্য সূচকের ফলাফল উৎপাদন খাতে মুদ্রাস্ফীতির প্রবণতা প্রতিফলিত করে। এই সূচক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বোঝা যায় যে বর্তমানে কোম্পানিগুলো মুনাফা করতে কতটা চাপের মধ্যে রয়েছে এবং তা পণ্যের দাম ও জনসাধারণের পরিষেবার মূল্যের ওপর কী ধরনেরর প্রভাব ফেলতে পারে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ট্রেডাররা ইউরোজোনে মুদ্রাস্ফীতির প্রবণতা পূর্বানুমান করতে এই সূচকগুলোর ফলাফল ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে। বুন্দেসব্যাংকের নিয়মিত মাসিক প্রতিবেদনটিতে সাধারণত জার্মানির চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির গভীর বিশ্লেষণ, মূল পূর্বাভাস এবং সম্ভাব্য ঝুঁকির মূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই প্রতিবেদনের ফলাফল অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র, যা ইউরোজোনের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতির দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা, মুদ্রাস্ফীতি ও মুদ্রানীতি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ইউরোজোনের ভোক্তা আস্থা সূচক একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে কাজ করে যা ভোক্তাদের মনোভাব প্রতিফলিত করে। এটি ভোক্তাদের ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক অবস্থা, কর্মসংস্থান এবং নিজস্ব আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রত্যাশা তুলে ধরে। এই সূচক বৃদ্ধি পেলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে, অন্যদিকে দুর্বল ফলাফল EUR/USD পেয়ারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1625-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1597-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1625-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1578-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1597 এবং 1.1625-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল: পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1578-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1546-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ব্রেক করে মূল্য নিম্নমুখী হলে আজ এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে 1.1597-এর লেভেলে মূল্যের পরপর দুটি টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1578 এবং 1.1546-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/3XRv2NU









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দর বৃদ্ধি পেয়েছে আজ জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কাজুয়ো উয়েদা সুদের হার বৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়ার পরই জাপানি ইয়েনের দর হঠাৎ করে বেড়ে যায়। তিনি জানান, ব্যাংক অব জাপানের ডিসেম্বর বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বিনিয়োগকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখান এবং আক্রমণাত্মকভাবে ইয়েন কেনা শুরু করেন, যার ফলে এটির দর মার্কিন ডলার এবং অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে বৃদ্ধি পায়। মার্কেটের ট্রেডাররা উয়েদার এই মন্তব্যকে এমন সংকেত হিসেবে নিয়েছে যে, বহু বছর ধরে চলা অতিমাত্রায় নমনীয় আর্থিক নীতিমালার যুগ শেষের পথে রয়েছে। দেশজুড়ে বাড়তে থাকা মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং ইয়েনের আরও দরপতনের আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা অভ্যন্তরীণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। উয়েদা জোর দিয়ে বলেন, ব্যাংক অব জাপান মূল্যস্ফীতি এবং মজুরির হারের প্রবণতা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, এবং যদি তারা নিশ্চিত হন যে মূল্যস্ফীতি টেকসইভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাহলে নীতিমালায় পরিবর্তনের বিষয়টি তারা বিবেচনায় নিতে প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হবে, যেহেতু তখন পর্যন্ত ব্যাংক অব জাপানের বোর্ড সদস্যদের হাতে বিশ্লেষণের জন্য আরও বেশি প্রতিবেদন থাকবে। "কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাব্য সুবিধা ও অসুবিধাগুলো পর্যালোচনা করবে এবং পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, মূল্যস্ফীতি এবং অর্থবাজারের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে,"—সোমবার নাগোইয়া শহরে স্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের সামনে এই মন্তব্য করেন উয়েদা। তিনি আরও যোগ করেন, "সুদের হারের যেকোনো বৃদ্ধি 'নমনীয় নীতিমালার মাত্রা' সংশোধনের প্রতিফলন হবে, কারণ প্রকৃত সুদের হার এখনও অনেক নিচু পর্যায়ে রয়ে গেছে।" ব্যাংকের অব জাপানের সুদের হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক অর্থবাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। জাপান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ঋণদাতা দেশ, এবং উচ্চ সুদের হার অন্যান্য নিম্ন সুদের হারসম্পন্ন দেশ থেকে মূলধন বহির্গমনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। এটি স্টক এবং বন্ডের মতো জাপানি অ্যাসেটের মূল্যেও প্রভাব ফেলতে পারে। একই সময়ে, সুদের হার বৃদ্ধির মাধ্যমে ইয়েনের মূল্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা ও দেশের অভ্যন্তরে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো সম্ভব হতে পারে। তবে এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেও মন্থর করতে পারে, কারণ উচ্চ সুদের হার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের ঋণ গ্রহণের খরচ বাড়িয়ে তোলে। জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত নীতিমালার প্রেক্ষাপটে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সমর্থনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীন জোটের কিছু সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির অর্থনৈতিক উপদেষ্টারা মনে করছেন, মার্কেটে বিভ্রান্তি এড়াতে ব্যাংক অব জাপানের পক্ষ থেকে জানুয়ারি মাসে সুদের হার বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা আরও উপযুক্ত হবে, বিশেষ করে যখন দেশটির সরকার সম্প্রতি মহামারি-পরবর্তী সবচেয়ে বড় ব্যয়ের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। জানুয়ারির সিদ্ধান্ত উয়েদার পক্ষে প্রসঙ্গত বার্ষিক মজুরি আলোচনা (যা সাধারণত মার্চে সমাপ্ত হয়) থেকে প্রাথমিক প্রবণতা বিশ্লেষণের জন্য আরও সময় দেবে। তবুও, অব্যাহত উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং দুর্বল ইয়েন আগেভাগেই নীতিমালার পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। USD/JPY-এর বর্তমান টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী, ক্রেতাদের প্রথমে এই পেয়ারের মূল্যের 155.70-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল ব্রেক করাতে হবে। এতে তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 156.10-এর লক্ষ্যমাত্রার দিকে নিয়ে যেতে পারবে, যার উপরে ব্রেকআউট করানো যথেষ্ট কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হলো 156.70 লেভেল। যদি এই পেয়ারের মূল্য কমে যায়, তাহলে মূল্য 155.40-এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করবে। তারা যদি এতে সফল হয়, তাহলে এই রেঞ্জ ব্রেক হয়ে গেলে এটি ক্রেতাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে এবং USD/JPY পেয়ারের মূল্য 155.05-এর লেভেলে নেমে যেতে পারে, পরবর্তীতে সম্ভাব্যভাবে 154.70 পর্যন্ত দরপতন হতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/49Ubgsx









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল এবং এমনকি সারা দিন ধরে বেশ উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট হতেও দেখা গেছে। এই মুভমেন্টগুলো বোঝা সহজ ছিল না, কারণ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি শুরু হয়েছিল এবং তারপরে উল্লেখযোগ্য দরপতন ঘটে। গতকাল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন ছিল ISM উৎপাদন কার্যকলাপ সূচক, যা সন্ধ্যার দিকে প্রকাশিত হয়েছিল। এই সূচকটির ফলাফল প্রত্যাশার চেয়েও নেতিবাচক ছিল এবং এর প্রভাবে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটা উচিত ছিল। তবে, এই সূচকটি প্রকাশ হওয়ার আগেই ডলারের দরপতন শুরু হয়েছিল এবং পরে এটির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। এখানেই অযৌক্তিকতা রয়েছে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে মার্কেটের ট্রেডাররা ISM সূচক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই এটির নেতিবাচক ফলাফল সম্পর্কে ধারণা করতে পেরেছিল। এর মাধ্যমে দিনের প্রথমার্ধে ডলারের দরপতন ব্যাখ্যা করা যায়। তারপরে, মুনাফা গ্রহণ শুরু হয়েছিল, যে কারণে ISM প্রতিবেদনের ফলাফল আসলে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি ঘটাতে শুরু করেছিল। যতক্ষণ এই পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ড লাইনের উপরে অবস্থান করে ততক্ষণ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকে। তবে, দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট সোমবার ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি সুনির্দিষ্ট ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের শুরুতে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছিল, যা নতুন ট্রেডারদের শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ করে দিয়েছিল। দিনের শেষে, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ৩৫ পিপ কমে গিয়েছিল, যার ফলে এই একটি ট্রেড থেকে বেশ ভালোই মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পটভূমি মার্কিন ডলারের জন্য বেশ নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই এখনও কেবল টেকনিক্যাল কারণে এই পেয়ারের দরপতন হতে পারে - দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং অব্যাহত রয়েছে। তবে, আমরা আশা করছি এই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট শেষ হবে এবং ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে। মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা আবার 1.1571-1.1584 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন। এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করলে মূল্যের 1.1655-1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে উল্লিখিত এরিয়ার নিচে কনসলিডেশন হলে মূল্যের 1.1527-1.1531-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার দুটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে, দুটিই ইউরোজোনে প্রকাশিত হবে। প্রথমে (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ) আমরা নভেম্বরের মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যান এবং বেকারত্বের হার হাতে পাব। আমরা আগেই উল্লেখ করেছি যে মুদ্রাস্ফীতির হার এখন ট্রেডারদের মনোভাবের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে না, তবে এখনও এটি ট্রেডারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। Read more: https://ifxpr.com/48yKW4Q









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৩ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবার "শোক সভার" মত নিস্তেজভাবে GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রথমত, কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই এই পেয়ারের আরও একবার দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। দ্বিতীয়ত, মার্কেটের ট্রেডাররা পূর্বে দু'বার সাপোর্ট হিসেবে বিবেচিত 1.3203 লেভেলটিকে কার্যত উপেক্ষা করেছে। তৃতীয়ত, একটি স্থানীয় রেঞ্জ গঠনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। চতুর্থত, গতকাল এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা ছিল ৪৩ পিপস। এই ধরনের পরিস্থিতিতে খুব বেশি আশাব্যঞ্জকভাবে ট্রেডিং করার সুযোগ ছিল না। তবুও উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে এখনও ব্রিটিশ পাউন্ড মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। তাই ধীরে হলেও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, এই পেয়ারের মূল্য খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে মনে হচ্ছে না এবং স্বল্প সময়ে লাভজনক ট্রেডিংয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে না। বরং, সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে মন্থর ও ক্রমাগত "দুর্বল" মুভমেন্ট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়েছিল, তবে এই পেয়ারের মূল্যের মোট অস্থিরতার মাত্রা ৪৩ পিপসের মোট বিবেচনায় এই সিগন্যালগুলো থেকে লাভ করা বেশ কঠিন ছিল। 1.3203–1.3211 লেভেল এলাকায় দুইটি সেল সিগনাল গঠিত হয় এবং গভীর রাতে একটি বাই সিগনাল গঠিত হয়। উভয় সেল সিগনালের সময় এই পেয়ারের মূল্য সর্বোচ্চ ১৫ পিপসের মতো কমেছিল, যা থেকে ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করা সম্ভব হয়নি। তবে নতুন ট্রেডাররা যদি সন্ধ্যার আগেই তাদের শর্ট পজিশনগুলো ক্লোজ করে দিতেন, তাহলে কোনো লোকসানের সম্মুখীন হওয়ার কথা নয়, কারণ তখনই এটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, মার্কেটে আর কোনো বড় ধরণের মুভমেন্ট হবে না। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের স্থানীয় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো গঠিত হচ্ছে, তবে এটির মূল্য আবার একটি নতুন রেঞ্জে আটকে গেছে। পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে মার্কিন ডলারের মূল্যের স্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো মৌলিক কারণ নেই, তাই মধ্যমেয়াদে আমরা শুধুমাত্র এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার প্রত্যাশা করছি। দৈনিক টাইমফ্রেমে কারেকশন বা রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের এখনো সমাপ্তি ঘটেনি, তবে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে গঠিত যেকোনো স্থানীয় প্রবণতা, পুনরায় বৈশ্বিক পর্যায়ে একই প্রবণতা শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা 1.3203–1.3211 এরিয়া থেকে নতুন ট্রেডিং সিগনাল গঠনে প্রত্যাশা করতে পারেন, যেটিকে এখন ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান রেঞ্জের নিম্ন সীমা হিসেবে বিবেচনা করা যায়। যদি এই এরিয়া থেকে মূল্যের বাউন্স হতে দেখা যায়, তাহলে মূল্যের 1.3259-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি মূল্য এই লেভেলের নিচে কনসলিডেট করে, তবে মূল্যের 1.3096–1.3107-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বর্তমানে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3211, 1.3259, 1.3329-1.3331, 1.3413-1.3421, 1.3466-1.3475, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590। বুধবার যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না অথবা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে ISM পরিষেবা কার্যক্রম সূচক, ADP শ্রমবাজার প্রতিবেদন এবং শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত প্রতিবেদন। Read more: https://ifxpr.com/3MzM8NM









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৪ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের স্থানীয় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে সামান্য একটি পুলব্যাকের পর পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট শুরু হয়েছে। এটি মনে রাখা জরুরি যে, দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400 এবং 1.1830 এর মধ্যে একটি ফ্ল্যাট রেঞ্জ রয়েছে, যা গত পাঁচ মাস ধরে বজায় রয়েছে। এই সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিচের সীমানার কাছে এই পেয়ারের মূল্যের বিপরীতমুখী মোমেন্টাম শুরু হওয়ার পর, শুধুমাত্র টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই রেঞ্জের উপরের সীমানার দিকে ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করা যেতে পারে। তাছাড়া, গত পাঁচ মাসে ইউরোর বিপরীতে ডলারের মূল্যের সঠিকভাবে করেকশন হয়নি এবং মৌলিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিলে, এই পর্যায়ে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের সম্ভাবনাই বেশি। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ADP থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের সংখ্যা 32,000 কমেছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক একটি ফলাফল। অন্যান্য প্রতিবেদনগুলোর (ISM ব্যবসায়িক কার্যক্রম সূচক এবং শিল্প উৎপাদন) ফলাফল তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভালো ছিলো; তবে, ১০ ডিসেম্বর ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরের শেষ বৈঠকে বসবে, তাই শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন এই মুহূর্তে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নন-ফার্ম পেরোল ও বেকারত্বের হার সংক্রান্ত প্রতিবেদন ফেডের বৈঠকের আগে প্রকাশিত হবে না, যার অর্থ হলো—ফেডারেল রিজার্ভ ADP থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেবে, যেটির ফলাফল পূর্বাভাসের তুলনায় দুর্বল এসেছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, দিনের মধ্যে একটি মাত্র বাই সিগনাল গঠিত হয়েছে। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.1655-1.1666 রেঞ্জ ব্রেক করে, যা নতুন ট্রেডারদের লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ দিয়েছে। তবে, এই পেয়ারের মূল্য এই রেঞ্জ ব্রেক করে উপরের দিকে যাওয়ার পর মূলত মুভমেন্ট থেমে যায়। তা সত্ত্বেও, আজ যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, তাহলে পুনরায় মুভমেন্ট শুরু হতে পারে। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠন অব্যাহত রয়েছে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নেতিবাচক রয়ে গেছে; তাই, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল কারণগুলোও এখন ইউরোর পক্ষে কাজ করছে, কেননা দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জ এখনও বিদ্যমান রয়েছে, যেটির নিম্নসীমা থেকে এই পেয়ারের মূল্যের বিপরীতমুখী মোমেন্টাম শুরু হওয়ার পর শীর্ষ সীমার দিকে মুভমেন্টের যৌক্তিক পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবারে, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655-1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করতে পারেন। এই এরিয়া থেকে এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করলে মূল্যের 1.1745-1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। আজ 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখতে হবে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1571-1.1584, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970-1.1988। বৃহস্পতিবার ইউরোজোনে খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে, পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বেকারভাতা আবেদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এই দুটি প্রতিবেদনের স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন হওয়ায় মার্কেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম। আজ নতুন ট্রেডারদের টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর উপরে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। Read more: https://ifxpr.com/3Md9zwt









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৫ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/888106728.jpg[/IMG] [URL="https://ifxpr.com/49Zqpsr"]বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বৃহস্পতিবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের আবারও "না মাছ, না মাংস" ধরনের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিনব্যাপী সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব অত্যন্ত দুর্বল ছিল, যার কারণে মার্কেটে নতুন পজিশন ওপেন করার মতো কোনও যথাযথ ভিত্তি তৈরি হয়নি। সার্বিকভাবে এই সপ্তাহে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যার বেশিরভাগই মার্কেটে তেমন কোনো প্রভাব ফেলেনি। ইউরোজোনে প্রকাশিত প্রায় সব প্রতিবেদনের ফলাফল (যার মধ্যে কয়েকটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল) ট্রেডাররা উপেক্ষা করেছে, আর মার্কিন প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল কিছুটা মিশ্র ধরনের ছিল, যা মার্কেটে অনিশ্চিত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ISM উৎপাদন সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল এসেছে, কিন্তু পরিষেবা খাতের অনুরূপ সূচকটির ফলাফল ট্রেডারদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। মূল প্রতিবেদন হিসেবে যেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—তা হলো ADP থেকে প্রকাশিত কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদন, যদিও সাধারণভাবে এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয় না। কিন্তু বর্তমানে এটিই একমাত্র প্রতিবেদন যার মাধ্যমে মার্কিন শ্রমবাজার সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। এই সূচকের ফলাফল প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ডলারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে। দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনও ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট কার্যকর রয়েছে, ফলে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রাও কম রয়ে গেছে। [IMG]http://forex-bangla.com/customavatars/1534506901.jpg[/IMG] EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট বৃহস্পতিবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়। প্রথমে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1655–1.1666 এরিয়ায় রিবাউন্ড করে এবং পরে এই রেঞ্জ ব্রেক করে ওপরে উঠে যায়। তবে উভয় ক্ষেত্রেই মূল্য ১৫ পিপস-ও ওপরে ওঠেনি যাতে ব্রেক-ইভেন পয়েন্টে স্টপ লস সেট করা যায়। বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্যের সামগ্রিক অস্থিরতার পরিমাণ ছিল মাত্র ৪০ পিপস। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়ে গেছে; ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও ইউরো সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো বজায় রয়েছে, এবং নিচের সীমানা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর এখন এই রেঞ্জের শীর্ষ সীমানার দিকে মুভমেন্ট হওয়াই যৌক্তিক। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা সম্ভবত আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেড ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, কারণ অন্য কোনো কার্যকর ট্রেডিং এরিয়া আপাতত নেই। এই এরিয়া থেকে যদি মূল্য নিচের দিকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অপরদিকে, এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশনের হলে মূল্যের 1.1745 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য যে লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। শুক্রবার, ইউরোজোনের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হবে ব্যক্তিগত আয় এবং ব্যয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন, কোর পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেনডিচার প্রাইস ইনডেক্স (PCE) এবং মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোক্তা আস্থা সূচক। যদিও এই প্রতিবেদনগুলোকে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না, তবে এগুলোর ফলাফল মার্কেটে কিছুটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।[/URL] Read more: [url]https://ifxpr.com/49Zqpsr[/url]









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৮ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার আবারও খুবই স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার সাথে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করা হয়েছে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট ৪০ পিপসও অতিক্রম করেনি। বাস্তবে, আমরা কয়েক মাস ধরেই এই পেয়ারের মূল্যের সীমিত মাত্রার অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করছি এবং দুঃখজনকভাবে, এই পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ কিছু করার নেই। মার্কেটে এখনও এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে এবং পরপর ছয় মাস ধরে দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400 থেকে 1.1830-এর সাইডওয়েজ রেঞ্জ মধ্যে ট্রেড করার প্রবণতা বজায় রয়েছে। ফলে, নতুন ট্রেডারদের জন্য বর্তমানে শুধুমাত্র সীমিত রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের প্রত্যাশা করাই উপযুক্ত। শুক্রবার কিছুটা ভিন্ন পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল, কারণ সেদিন মৌলিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় ছিল। ইউরোজোনে তৃতীয় প্রান্তিকের চূড়ান্ত জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে PCE মূল্যসূচক ও ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে ভোক্তা মনোভাব সূচক প্রকাশিত হয়েছে। তবে বর্তমানে, এই ধরনের (বিশেষ করে স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন) সামষ্টিক প্রতিবেদন ট্রেডিংয়ে খুব বেশি প্রভাব ফেলছে না। ভোক্তা মনোভাব সূচকের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ইতিবাচক ছিল এবং এতে ডলারের দর ২০ পিপস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু মূল প্রশ্ন হলো—মাত্র ২০ পিপসের এমন মুভমেন্টের প্রতি আসলে কতজন ট্রেডার আগ্রহী? EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম লক্ষ্য করলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে শুক্রবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঠিক কেমন মুভমেন্ট হয়েছে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, সিগন্যাল গঠনের পর সৃষ্ট মুভমেন্ট মার্কেটের স্বাভাবিক নয়েজের চেয়েও দুর্বল ছিল। এই পেয়ারের মূল্য কেবলমাত্র 1.1655-1.1666 রেঞ্জ থেকে ১৮ পিপস কমেছিল। নতুন ট্রেডাররা এর ফলে সামান্য মুনাফা অর্জন করতে পারত, তবে সিগন্যাল গঠিত হওয়ার জন্য দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হত। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যেটা ট্রেন্ডলাইন দ্বারা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়ে গেছে, তাই আমরা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও এই মুহূর্তে ইউরো ইতিবাচক সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক চার্টে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনও চলমান রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিচের সীমার কাছাকাছি মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার নতুন ট্রেডারদের আবারও 1.1655-1.1666 এরিয়ার প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত হবে, কারণ আপাতত বিকল্প কোনো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেল নেই। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1584-1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশনে এন্ট্রি করা যেতে পারে। অপরদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার ওপরে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1745-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ তৈরি হবে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে প্রাসঙ্গিক লেভেলসমূহ হল: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908 এবং 1.1970-1.1988।সোমবার শুধুমাত্র একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে — সেটি হচ্ছে জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। যদিও গত শুক্রবার চারটি আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও এই পেয়ারের মূল্যের মাত্র ৩০ পিপসের মতোই মুভমেন্ট হয়েছে, তাহলে একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদনের প্রভাবে সোমবার কী ধরনের প্রতিক্রিয়ার আশা করা যায়? Read more: https://ifxpr.com/44PhW7B









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৯ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে কারেকশন অব্যাহত ছিল। তবে এই পর্যায়ে এটি নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও অটুট রয়েছে। গতকাল এই পেয়ারের মূল্য অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ড লাইনের নিচে অবস্থান গ্রহণ করেছে, ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে এখন নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। তবুও, আমরা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের প্রতি নতুন ট্রেডারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। মার্কেটে এখনও খুব দুর্বল মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাই এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যেখানে ট্রেন্ড লাইনের ব্রেক ঘটলেই প্রকৃতপক্ষে প্রবণতার পরিবর্তনের ঘটবে তা নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী কারেকশন এবং প্রাথমিকভাবে দুর্বল মোমেন্টামের কারণে এমন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে এই সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং তুলনামূলকভাবে ডলারের আরও দরপতনের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, সোমবার জার্মানির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এই প্রতিবেদনটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে সূচকটি পূর্বাভাসের তুলনায় ইতিবাচক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। স্বাভাবিকভাবেই, মার্কেটের ট্রেডাররা EUR/USD পেয়ারের মূল্যকে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী করতে পারত। দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য এখনও ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে রয়েছে, তাই 1.1800 লেভেলের (রেঞ্জের উপরের সীমানা) দিকে মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল একটি মাত্র সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশন জুড়ে 1.1655-1.1666 এরিয়ায় মূল্যের রিবাউন্ডের মাধ্যমে এই সিগন্যালটি গঠিত হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২৫ পিপস হ্রাস পায়, তাই এই সিগন্যাল থেকে সামান্য মুনাফা করা সম্ভব হয়েছিল। তবে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য মুনাফার আশা করা ঠিক নয়, কারণ মার্কেটে এখনও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘন্টাভিত্তিক চার্টে দেখা যাচ্ছে যে, ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করলেও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক প্রেক্ষাপট এখনও নেতিবাচক রয়েছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল কারণগুলোও ইউরোর পক্ষে কাজ করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে, এবং এই রেঞ্জের নিচের সীমায় গিয়ে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পর উপরের সীমার দিকে মুভমেন্টের আশা করা যুক্তিযুক্ত হবে। মঙ্গলবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়ার ওপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করতে পারেন, কারণ আপাতত কার্যকর কোনো বিকল্প লেভেল নেই। যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করে, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর যদি মূল্য এই এরিয়ার ওপরে স্থিতিশীলভাবে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1745 পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যাবে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে প্রাসঙ্গিক লেভেলসমূহ হল: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্রে JOLTs এবং চাকরির শূন্যপদ সংক্রান্ত তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, সেইসাথে বেসরকারী খাতে কর্মসংস্থানের পরিবর্তন সংক্রান্ত সাপ্তাহিক ADP প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে। এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3KiBfzu









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১০ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? মঙ্গলবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট মঙ্গলবারও EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের বেশ দুর্বল এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে নিম্নমুখী মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা অত্যন্ত কম ছিল, আর গত পাঁচ দিনে কার্যত কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট ঘটেনি। ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির আসন্ন বৈঠক এর অন্যতম কারণ হতে পারে, যেটির ফলাফল ঘোষণার আগে মার্কেটের ট্রেডাররা ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক নয়, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বল্পমেয়াদে কোন পথ অনুসরণ করবে—তা নিয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। বিকল্পভাবে, এটি হয়তো দৈনিক টাইমফ্রেমে পরপর ছয় মাস ধরে চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের প্রতিফলনও হতে পারে। মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির মুদ্রানীতির নিয়ে কোনো উদ্বেগ ছিল না। ট্রেডাররা বুঝে নিয়েছিল যে, ফেডারেল রিজার্ভ শ্রমবাজারকে সহায়তা করতে বাধ্য হয়ে মূল সুদের হার কমাবে। তবে এই দুই মাসে মুদ্রানীতি নমনীয়করণের প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন ডলারের দর অত্যন্ত স্থিতিশীলও ছিল এবং এমনকি এটির দর কিছুটা বৃদ্ধিও পেয়েছিল, যা এখনো যৌক্তিক পরিস্থিতি বলে মনে হয় না। তাই, আজ সন্ধ্যায়ও অযৌক্তিক মুভমেন্ট দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যদি আজকের বৈঠকে ফেড ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করে, আর তাও যদি মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পায়, তারপরও আমরা অবাক হব না। EUR/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল একটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় 1.1655–1.1666 এরিয়ায় রিজেকশন থেকে এই সিগন্যালটি সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলে, এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২৫ পিপস নিচে কমে যায়, যা থেকে সামান্য মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়। তবে বর্তমানে মার্কেটে এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মাত্রা এতটাই কম যে বেশি মুনাফা অর্জনের প্রত্যাশা করাও বাস্তবসম্মত নয়। বুধবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনও গঠিত হচ্ছে, যদিও মূল্য ট্রেন্ডলাইনকে অতিক্রম করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনীতিভিত্তিক প্রেক্ষাপট এখনও অত্যন্ত দুর্বল নেতিবাচক রয়েছে; ফলে আমরা এখনও এই পেয়ারের মূল্যের আরও ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট ইউরোকে সমর্থন করছে —যেখানে এই রেঞ্জের নিম্নসীমায় পৌঁছানোর পর বিপরীতমুখী হয়ে উপরের সীমা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধিকে যুক্তিসংগত হিসেবে বিবেচনা করা যায়। বুধবার, নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়ায় ট্রেড করার চেষ্টা করতে পারে, কারণ ইতোমধ্যেই এই পেয়ারের মূল্য পরপর পাঁচ দিন এই এরিয়ার কাছাকাছি রয়েছে। যদি এই এরিয়া থেকে একটি বাউন্স হয়ে মূল্য নিম্নমুখী, তবে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন হয়, তবে মূল্যের 1.1745-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশনে এন্ট্রির সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো হলো: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। বুধবার ইউরোজোনে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/3KLGis9









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১১ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঠিক সেইরকম মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, যেমনটি অধিকাংশ ট্রেডার প্রত্যাশা করেছিল। এটি উল্লেখযোগ্য যে, মার্কেটের ট্রেডাররা সব সময় ফেডের বৈঠকের ফলাফলের প্রতি খুব স্পষ্ট বা যৌক্তিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় না। গতকাল এমনই এক পরিস্থিতির উদাহরণ দেখা গেছে—গত কয়েক মাসে ফেডারেল রিজার্ভ যখনই মুদ্রানীতি নমনীয় করেছে, ডলারের দর তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এইবার ঠিক উল্টো পরিস্থিতি দেখা গেল—যদিও ফেড ২০২৬ সালের আগে সুদের হার আর না কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবুও ডলারের দরপতন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, প্রত্যাশিত অনুযায়ী সুদের হার টানা তৃতীয়বারের মতো কমানো হয়েছে, কিন্তু কিছুটা আগেভাগেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত শ্রমবাজার, বেকারত্ব বা মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত তেমন কোনো নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি, তাই ফেড খুব একটা সুনির্দিষ্ট এবং বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। ফলে, তারা ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির শঙ্কায় আগেইভাগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেহেতু এই সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে "ডোভিশ বা নমনীয়", তাই মার্কিন ডলারের দরপতন যৌক্তিক ছিল। আমরা গত দুই সপ্তাহ ধরে শুধুমাত্র দৈনিক টাইমফ্রেমে 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্নসীমা থেকে টেকনিক্যাল রিভার্সালের উপর ভিত্তি করে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়ে আসছিলাম। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট গতকাল ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে কয়েকটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। যখন ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের সময় মূল্য 1.1655 লেভেল থেকে বাউন্স করে তখন প্রথম সিগন্যাল গঠিত হয়। এরপর এই পেয়ারের মূল্য ১৫ পিপস কমে যায়—ফলে কোনো লোকসান হয়নি, এমনকি ফেডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে এই ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে সামান্য লাভ করাও সম্ভব ছিল। ফেডের ঘোষণার পর মার্কিন ডলার বিক্রি করার সুযোগ তৈরি হয় এবং একই সময়ে 1.1655–1.1666 এরিয়ায় একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। ফলে, নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারতেন, যা থেকে এখন পর্যন্ত মুনাফা করা যেতে পারে। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ট্রেন্ডলাইন অতিক্রম করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক, তাই ইউরোর আরও দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট থেকেও ইউরো সহায়তা পাচ্ছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে সাইডওয়েজ রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো অব্যাহত আছে এবং এই রেঞ্জের নিম্নসীমা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পরে উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়। বৃহস্পতিবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1655–1.1666 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করতে পারে, কারণ টানা ছয় দিন ধরে এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ায় অবস্থান করছে। যদি এই এরিয়া থেকে মূল্য বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1745–1.1754-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ রয়েছে। আর যদি মূল্য এই লেভেলের নিচে স্থিতিশীল হয়, তাহলে মূল্যের 1.1584–1.1591-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হল: 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, এবং 1.1970–1.1988। বৃহস্পতিবার ইউরোজোন বা যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়নি। ফলে মার্কেটে আবারও স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে, এবং আজকের ট্রেডিং কেবলমাত্র টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করবে। Read more: https://ifxpr.com/4iNacca









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১২ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার সন্ধ্যায় ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল। মনে করিয়ে দেই, ফেডের বছরের শেষ বৈঠকের ফলাফলকে পুরোপুরিভাবে "ডোভিশ বা নমনীয়" বলা যায় না। ফেড সুদের হার কমালেও ২০২৬ সালে সুদের হার হ্রাসের ক্ষেত্রে কার্যত দীর্ঘমেয়াদি বিরতির ঘোষণা দিয়েছে। আগামী বছরের কেবলমাত্র একবার মুদ্রানীতি নমনীয়করণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা মার্কিন ডলারের জন্য ইতিবাচক সংবাদ। তবুও, এবারে মার্কেটের ট্রেডাররা এমনভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যেন ফেড ৪–৫ বার সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য যে, আগের দুটি বৈঠকেও ফেড সুদের হার হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, এবং এরপরই ডলারের দর বৃদ্ধি পায়। তাই বর্তমানে মার্কিন কারেন্সির দরপতন মূলত দৈনিক টাইমফ্রেমে চলমান ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিংয়ের সাথে সম্পর্কিত। এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের নিম্নসীমা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাই ফেডের বৈঠকের আগেই এই চ্যানেলের উপরের সীমার দিকে মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা অনুমান করা যেত। দীর্ঘমেয়াদে, আমরা ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত বৈশ্বিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে বলে আশাবাদী, যেখানে এই পেয়ারের মূল্য 1.1800 লেভেল ব্রেক করলে আরও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ধারাবাহিকতা দেখা যেতে পারে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, গতকাল মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় প্রথম ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 রেজিস্ট্যান্স এরিয়াতে পৌঁছায়, কিন্তু এরপর আর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে পারেনি। শুক্রবার সকালে, এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করেছে। এর আগের বাই সিগন্যালটি বুধবার সন্ধ্যায় গঠিত হয়েছিল। যারা এই সিগন্যালের ভিত্তিতে লং পজিশন ওপেন করেছিলেন, তারা প্রায় 60 পিপস মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হন। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, যদিও এই সপ্তাহে মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক, তাই আমরা এই পেয়ারের আরও মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল বিষয়গুলো এ মুহূর্তে ইউরোকে সহায়তা করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক ট্রেডিং এখনো চলমান রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিম্নসীমা থেকে মূল্য বিপরীতমুখী হওয়ার পরে উপরের সীমার দিকে এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির আশা করা যায়। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারেন। যদি মূল্য এই এরিয়া থেকে বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই লেভেলের উপরে মূল্যের কনসলিডেশন হয়, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে। ৫-মিনিট টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য বিবেচনাযোগ্য লেভেলগুলো হলো 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। শুক্রবার ইউরোজোন ও যুক্তরাষ্ট্রে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই কিংবা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। শুধুমাত্র জার্মানিতে নভেম্বর মাসের মুদ্রাস্ফীতির অনুমান সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ফলে, আজ মার্কেটে স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে এবং সম্পূর্ণরূপে টেকনিক্যাল বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে ট্রেডিং করা যেতে পারে। ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী: সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত। ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন। MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত। নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন। স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে। Read more: https://ifxpr.com/453ZGHI









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৫ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার EUR/USD কারেন্সির পেয়ারের মূল্যের স্বল্পমাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করেছে এবং একেবারে সাইডওয়েজ রেঞ্জের মধ্যে ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। মার্কেটের এই ধরণের পরিস্থিতি অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়, কারণ ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে একটি দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে, যেখানে দৈনিক টাইমফ্রেমে এখনো ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে, সামগ্রিকভাবে এই পেয়ারের মূল্যের মোমেন্টাম দুর্বলই রয়ে গেছে। গত সপ্তাহে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার এই পেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল, যেটি মূলত ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠক এবং এর ফলাফল থেকে উদ্ভূত প্রতিক্রিয়ার কারণে হয়েছিল। ওই দুই দিনে স্বাভাবিকভাবেই অস্থিরতার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে শুক্রবার আমরা সার্বিক পরিস্থিতি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে দেখেছি। আবারো মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট ছিল না। এই সপ্তাহে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, ফলে অস্থিরতার মাত্রা পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে ট্রেডারদের এখন টেকনিক্যাল বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত – কারণ একই ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট এখনো অব্যাহত রয়েছে। যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.1800-1.1830 রেঞ্জের (সাইডওয়েজ চ্যানেলের ঊর্ধ্বসীমা) ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত থাকবে এবং আমরা আগামী কয়েক সপ্তাহে আবারও এই রেঞ্জের নিম্ন সীমার দিকে এই পেয়ারের দরপতন হতে দেখতে পারি। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে দুটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। প্রথমে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745-1.1754 এরিয়ার কাছ থেকে দুইবার রিবাউন্ড করে, তবে এটি দুপুরের পরে ঘটেছিল, যখন এটি ইতোমধ্যেই ১০০% স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে মার্কেটে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যাবে না। তাছাড়া, উইকেন্ডে মার্কেটে ট্রেডিং বন্ধ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্টের মধ্যে পজিশন ওপেন করা মূলত কার্যকর কৌশল নয়। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার গঠন বজায় রয়েছে, যদিও গত সপ্তাহে মূল্য ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করেছিল। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক ও সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বেশ নেতিবাচক, তাই আমরা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করছি। এমনকি টেকনিক্যাল দিক থেকেও বর্তমানে ইউরোর জন্য সহায়ক অবস্থা বিরাজ করছে, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট অব্যাহত রয়েছে এবং এই রেঞ্জের নিম্ন সীমা থেকে একটি রিবাউন্ড হলে, তা যুক্তিযুক্তভাবে ঊর্ধ্ব সীমার দিকে মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা নির্দেশ করে। সোমবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1745-1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করতে পারে। এই এরিয়া থেকে মূল্যের দুইবার বাউন্স হওয়ার মাধ্যমে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে মূল্যের 1.1655-1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে যদি মূল্য এই এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডারদের নিম্নোক্ত লেভেলগুলো বিবেচনায় রাখা উচিত: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। সোমবার কেবলমাত্র একটিমাত্র প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে—সেটি হচ্ছে ইউরোজোনের শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন। সেই অনুযায়ী, আজ মার্কেটে বেশি অস্থিরতা বিরাজ করবে এমন সম্ভাবনা খুবই কম। Read more: https://ifxpr.com/48OCvm0









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

১৮ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের কিছুটা নিম্নমুখী কারেকশন হয়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে এখনও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করেছে, যা উপরের চার্টেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। গতকাল ইউরো উল্লেখযোগ্যভাবে দরপতনের শিকার হয়েছিল, যদিও এই পেয়ারের মূল্যের উপর সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা মৌলিক প্রেক্ষাপট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি। ট্রেডারদের হয়তো মনে হয়েছে যে একটি নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হচ্ছে—যার কিছুটা সম্ভাবনা ছিল বলা যায়—, কারণ দৈনিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমায় পৌঁছেছিল। তবে এই ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেই দীর্ঘ ছয় মাস ধরে এই পেয়ারের ট্রেড করা হচ্ছে, তাই অবশেষে মূল্য এই রেঞ্জ থেকে বেরিয়ে যাবে—এটাই স্বাভাবিক। সে কারণে, আমরা মনে করি এখনই হতাশ হওয়ার বা নতুন করে শক্তিশালী দরপতনের প্রত্যাশা করার সময় আসেনি। এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা বিরাজমান থাকতে পারে। আজ যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে চলেছে, যা মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং ডলারের দরপতন ঘটাতে পারে। যদি মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী হয়, তাহলে জানুয়ারিতে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক আরেকবার সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা বাড়বে। আজ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে—যদিও বড় ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিত নয়, তবে সবসময়ই চমকের সম্ভাবনা থেকে যায়। এই পেয়ারের মূল্য এখনও ট্রেন্ডলাইনের উপরে অবস্থান করছে, তাই এখনও দরপতনের জন্য কোনো স্পষ্ট ভিত্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার রাতের দিকে একটি কার্যকর সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে বাউন্স করে এবং নতুন ট্রেডারদের শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ দেয়। তবে, এই পেয়ারের মূল্য 1.1666-এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি এবং দিনশেষে আবার পূর্ববর্তী অবস্থানে ফিরে আসে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যত কোনো মৌলিক কারণ ছাড়াই এই পেয়ারের মূল্যের পুনরুদ্ধারকে আমরা ভবিষ্যতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করছি। বৃহস্পতিবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও নেতিবাচক রয়ে গেছে, ফলে আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি। বর্তমানে এই পেয়ারের মূল্য 1.1400–1.1830-এর সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের লাইনে পৌঁছেছে, তাই এখন মূল্য হয় এই চ্যানেল ব্রেক করবে, অথবা উক্ত ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যেই অবস্থান করবে। বৃহস্পতিবার নতুন ট্রেডাররা আবারও 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। এই এরিয়া থেকে মূল্য বাউন্স করলে শর্ট পজিশন ওপেন করার সুযোগ পাওয়া যাবে, যেখানে মূল্যের 1.1655–1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। তবে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং লেভেলগুলো হচ্ছে 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। বৃহস্পতিবার ইউরোপে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যা মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেটির ফলাফল ইউরোপীয় মুদ্রার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বর মাসের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে, যা ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতি নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট মার্কেটে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং এই পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/4oZB760









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ This image is no longer relevant ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য প্রথমবার 1.1711 পৌঁছেছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়। এ কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করা থেকে বিরত ছিলাম। পরে, এই পেয়ারের মূল্য একই 1.1711 লেভেলে দ্বিতীয়বার পৌঁছালে বাই সিগন্যালের "পরিকল্পনা 2" বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়, কারণ তখন MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে ছিল। এর ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য ২০ পিপসের বেশি বৃদ্ধি পায়। ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের ভবিষ্যতের সুদের হার সংক্রান্ত মন্তব্যগুলোতে ডোভিশ বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিতের কারণে ডলারের সকালের মোমেন্টাম দুর্বল হয়ে যায়। তবে, কিছুটা দুর্বলতার ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও মার্কিন অর্থনীতি অন্যান্য অনেক উন্নত অর্থনীতির তুলনায় তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল আছে। চলমান সমস্যাগুলোর মধ্যে বেকারত্ব অন্যতম, যা সম্প্রতি বেড়ে চলেছে এবং এর ফলে মার্কিন ডলারের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আজ দিনের প্রথমার্ধেই ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবির) মূল সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যেহেতু এই অনুমিত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই মার্কেটে প্রভাব বিস্তার করেছে, তাই এটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে—এমন সম্ভাবনা কম। তবে ক্রিস্টিন লাগার্ডের সংবাদ সম্মেলন সবচেয়ে আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা অধীর আগ্রহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির রূপরেখা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কিত ইঙ্গিত বা বার্তার জন্য অপেক্ষা করছেন—যদি এমন কোনো পরিকল্পনা থেকে থাকে। সেইসঙ্গে ইউরোপীয় অর্থনীতির ভবিষ্যত প্রবণতা নিয়ে লাগার্ডে মন্তব্যগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানগুলোর ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়নের ধারা কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী, এবং ইসিবি আগামী বছরের পূর্বাভাস ইতিবাচকভাবে হালনাগাদ করতে পারে। দৈনিক কৌশল অনুসারে, আমি আজ মূলত "পরিকল্পনা 1" এবং "পরিকল্পনা 2" বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1776-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1751-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1776-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1737-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1751 এবং 1.1776-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1737-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1716-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1751-এর লেভেলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1737 এবং 1.1716-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। http://forex-bangla.com/customavatars/2069366359.jpg Read more: https://ifxpr.com/4j3do3r









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২২ ডিসেম্বর। ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1705 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। শুক্রবার বিকেলে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত ভোক্তা মনোভাব সূচক সম্পর্কিত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল মার্কিন ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে, এই সূচকের পতনের ফলাফল—যা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগ প্রতিফলিত করে—বিশ্লেষকরা তাদের স্বল্পমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত পূর্বাভাস সংশোধন করতে উদ্বুদ্ধ হয়নি। ফলে, ফরেক্স মার্কেটে এই প্রতিবেদনের প্রভাব সীমিত ছিল। আজ, ইউরোজোন থেকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের অভাবে দিনের প্রথমার্ধে মার্কেটে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ওঠানামা বা অস্থিরতা প্রত্যাশিত নয়। ট্রেডাররা সম্ভবত অন্যান্য বিষয়ের উপর—বিশেষ করে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের—দিকে মনোযোগ দেবে। ইউরোজোন থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের সম্ভাবনা না থাকায়, সম্ভবত বাহ্যিক প্রভাবশালী উপাদানগুলোই বিনিয়োগকারীদের মনোভাব নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকায় থাকবে এবং স্বল্পমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের মুভমেন্ট নির্ধারণ করবে। দৈনিক কৌশল হিসেবে, আজ আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1749-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1726-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1749-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1712-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1726 এবং 1.1749-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1712-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1688-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে আজ এই পেয়ারের উপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1726-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1712 এবং 1.1688-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4pVdlJK









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD পেয়ারের বিশ্লেষণ: আবারও চাপের মুখে মার্কিন ডলার, এই পেয়ারের মূল্য 1.17 এরিয়ায় পৌঁছেছে গত সপ্তাহে EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1800-এর রেজিস্ট্যান্স লেভেল (D1 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) ব্রেক করতে ব্যর্থ হয়, যার পর বিক্রেতারা মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং এই পেয়ারের মূল্যকে 1.17 লেভেলের দিকে নিয়ে আসে। তবে তারা এই পেয়ারের মূল্যকে 1.16 লেভেলে বা 1.1690-এর সাপোর্ট লেভেল অতিক্রম করাতে পারেনি (একই টাইমফ্রেমে কুমো ক্লাউডের উপরের সীমা)। শুক্রবার এই পেয়ারের মূল্য 1.1704 লেভেলে পৌঁছানোর পর ট্রেডিং শেষ হয়। মূলত বেশ দুর্বল ভিত্তির উপর নির্ভর করে গত সপ্তাহে এই পেয়ারের দরপতন ঘটেছে। মার্কিন ডলার সূচক তিন দিন (বুধবার থেকে শুক্রবার) বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল, কিন্তু এই ধরনের গতিশীলতাকে সহায়তা করার মতো কোনো বাস্তব পদ্ধতিগত কারণ ছিল না। এখানে মার্কেটের ট্রেডারদের "বিষয়ভিত্তিক" মূল্যায়ন মূল ভূমিকা রেখেছে, যাদের অধিকাংশ মার্কেটের পরিস্থিতিকে ডলারের জন্য "ইতিবাচক" হিসেবে দেখেছেন। উদাহরণস্বরূপ, যদিও নভেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার 4.6%-এ পৌঁছেছে (যা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ), যা নেতিবাচক সংকেত, তবুও ট্রেডাররা কর্মসংস্থান সৃষ্টি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন, যেটির ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে সামান্য ইতিবাচক (+64,000 পরিবর্তে +50,000) ছিল। যদিও এই উপাদানটি তথাকথিত "ইতিবাচক" ছিল, তবুও মার্কেটে কোনো আশাবাদের তৈরি হয়নি। প্রথমেই, কর্মসংস্থানের সংখ্যা 64,000 বৃদ্ধি কিন্তু মার্কিন শ্রমবাজারের অস্থিতিশীলতা নির্দেশ করে। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে 212,000 এবং ডিসেম্বরে 307,000টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্সের (BLS) প্রচলিত হিসাব কৌশলগুলো কর্মসংস্থানের প্রকৃত চিত্রকে অতিমূল্যায়ন করতে পারে। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের মতে, সরকারিভাবে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল হয়তো "অতিরিক্ত আশাবাদী", যার মাপকাঠি বিশেষ করে ৫০,০০০ থেকে ৬০,০০০ কর্মসংস্থান পর্যন্ত অতিরঞ্জিত হতে পারে। এর পেছনে রয়েছে ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশনের হিসাব না থাকা, এবং অস্থায়ী ও ফ্রিল্যান্স ভিত্তিক চাকরির যথাযথভাবে গণনা না হওয়া (যেমন: উবার বা আপওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ)। এই ভিন্নতা বিবেচনায় ধরলে, প্রকৃত চিত্র অনেক বেশিই হতাশাজনক হতে পারে। কয়েকটি অনুমান অনুযায়ী, এবছরের বসন্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাস্তবে প্রতিমাসে ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, নভেম্বরের নন ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল মার্কিন ডলারের জন্য সহায়ক নয়, কারণ এতে ডলার শক্তিশালী হওয়ার মতো কোনো পূর্বশর্ত নেই। একই কথা নভেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI প্রতিবেদনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যা একই সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছিল। এতে দেখা যায় বার্ষিক ভিত্তিতে ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার কমে ২.৭%-এ এসেছে (অক্টোবরে ছিল ৩.০%), এবং মূল সূচক ২.৬%-এ নেমে এসেছে (গত মাসে ছিল ৩.০%)। যদিও ট্রেডাররা এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফলের প্রতি তুলনামূলক সহনশীলভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং টেকনিক্যাল ফ্যাক্টরের কথা বলেছে (যেমন সাময়িক শাটডাউনের প্রভাব), তথাপি নভেম্বরের CPI-এর কাঠামো আরও স্পষ্টভাবে দেখায় যে, মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির গতি ক্রমাগত ধীরগতির দিকে যাচ্ছে, বিশেষ করে মূল এবং চাহিদা-সংবেদনশীল উপাদানগুলোর মধ্যে। সংস্থানির্ভর পরিষেবা খাত— যেমন: আবাসন, ভাড়া ও স্বাস্থ্যসেবা—যেগুলো স্থানীয় চাহিদা ও মজুরির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত, সেখানে মুদ্রাস্ফীতির বৃদ্ধির গতি হ্রাস পাওয়ার অর্থ হলো অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাচ্ছে। এখানে আবারও ননফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের দিকে নজর দেওয়া যায়, যেখানে ঘণ্টাপ্রতি আয় খুবই দুর্বল বৃদ্ধির সংকেত দিয়েছে—মাসিক ভিত্তিতে মাত্র ০.১% (যা ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন) এবং বাৎসরিক ভিত্তিতে ৩.৫% (২০২১ সালের মে মাসের পর সর্বনিম্ন)। এই সবকিছু মিলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, মার্কেটের ট্রেডাররা গত সপ্তাহের প্রধান প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল ভুলভাবে মার্কিন ডলারের পক্ষে ব্যাখা করেছে। আপাতত, শ্রমবাজার ও মূল্যস্ফীতির সূচকগুলো অপেক্ষাকৃত ফেডের মাঝারি "হকিশ বা কঠোর" অবস্থানকে সমর্থন করলেও, বাস্তবে এই প্রতিবেদনগুলোর ফলাফল "ডোভিশ বা নমনীয়" নীতির পক্ষেই দাঁড়ায়, সুতরাং মুদ্রানীতি নমনীয় করলেই পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে। এই কারণেই EUR/USD পেয়ারের বিক্রেতারা মূল্যকে 1.16 লেভেলের দিকে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়েছে, যদিও গত সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করেছে। ঠিক একই কারণে, আজ EUR/USD পেয়ারের ক্রেতারা আবারও মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে, যা সামগ্রিক মার্কিন ডলার দুর্বলতার প্রেক্ষিতে ঘটেছে। মার্কিন গ্রীনব্যাকের জন্য মৌলিক প্রেক্ষাপট এখনো নেতিবাচক রয়েছে—CPI এবং NFP প্রতিবেদনের ফলাফলের বৈপরীত্য এখনো ডলারের মৌলিক ভিত্তিকে পুনর্নির্মাণে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণে দরপতনের সময় লং পজিশন ওপেন করা এখনো প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে। টেকনিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে, বর্তমানে দৈনিক চার্টে এই পেয়ারের মূল্য বোলিঙ্গার ব্যান্ডের মধ্যবর্তী ও উপরের লাইনের মধ্যে অবস্থান করছে, এবং ইচিমোকু সূচকের সব লাইনগুলোর উপরে রয়েছে, যেখানে ইতোমধ্যে বুলিশ "প্যারেড অব লাইন্স" সংকেত গঠিত হয়েছে। কারেক্টিভ বাউন্সগুলোকে কাজে লাগিয়ে এখন লং এন্ট্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যেখানে মূল্যের 1.1750-এর (H4 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) এবং 1.1800-এর (D1 টাইমফ্রেমে বোলিঙ্গার ব্যান্ডের উপরের লাইন) দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করাযায়। Read more: https://ifxpr.com/49njfNQ









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

EUR/USD: নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেডিংয়ের সহজ পরামর্শ, ২৪ ডিসেম্বর। ইউরো ট্রেডিংয়ের বিশ্লেষণ এবং টিপস যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1782 লেভেল টেস্ট করে, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দেয়। এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি। গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন অর্থনীতি গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে—যা ডলারের দর বৃদ্ধির মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই প্রবৃদ্ধির পেছনে মূল অবদান ছিল স্থিতিশীল ভোক্তা ব্যয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বার্ষিক ভিত্তিতে ৪.৩% বেড়েছে। অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রধান অংশ অর্থাৎ ভোক্তা ব্যয় সুস্পষ্টভাবে বেড়েছে, যেক্ষেত্রে হ্রাসমান মুদ্রাস্ফীতি মূল ভূমিকা পালন করেছে — যা আবারও যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের মধ্যে দৃঢ় আস্থা প্রদর্শন করে। জিডিপির এই প্রবৃদ্ধিতে সরকারি ব্যয় এবং রপ্তানি কার্যক্রমের সম্প্রসারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আজ ইউরোপীয় অঞ্চল থেকে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না, কিন্তু তা EUR/USD পেয়ারের মূল্যের চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে থামিয়ে দিতে পারবে না। সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না মানেই মার্কেট নিষ্ক্রিয় থাকবে — বিষয়টি এমন নয়। বরং, মার্কেটের ট্রেডাররা সম্ভবত মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি, ভূ-রাজনৈতিক অবস্থা এবং যেকোনো প্রাসঙ্গিক খবরের প্রতি আরও বেশি মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করবেন। দৈনিক ট্রেডিং কৌশল অনুযায়ী, আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের দিকেই গুরুত্ব দেব। বাই সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1855-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1809-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1855-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1785-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1809 এবং 1.1855-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি। সেল সিগন্যাল পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1785-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1750-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ দিনের প্রথমার্ধে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে। পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1809-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং বাজারদরকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1785 এবং 1.1750-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4qJFpjt









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৬ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বৃহস্পতিবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD পেয়ারের মূল্যের খুবই সীমিত মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে, যেখানে এই পেয়ার প্রায় ২০–৩০ পিপস দরপতন প্রদর্শন করে। ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে মার্কেটে স্বল্প ট্রেডিং কার্যক্রমের কারণে প্রায় কোনোই অস্থিরতা দেখা যায়নি। সেদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হয়নি। বৃহস্পতিবার মার্কেট বন্ধ ছিল এবং আজ রাতেই পুনরায় ট্রেডিং শুরু হয়েছে। বলা যায়, ছুটির মৌসুম শুরু হয়ে গেছে — যার অর্থ হলো, স্বাভাবিকের তুলনায় আরও কম ট্রেডিং কার্যক্রম বিরাজ করছে এবং এই সময় এই পেয়ারের মূল্যের অস্থিরতার মায়টা অত্যন্ত কম থাকতে পারে। যদি মার্কেটের ট্রেডাররা ট্রেডিংয়ের জন্য কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি খুঁজে পায়, তাহলে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করেই সম্ভাব্য মুভমেন্টের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে। ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, তাই বাই সিগনালগুলোই বর্তমানে বেশি প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মতো, শুক্রবারেও কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না এবং কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে, বুধবার একটি ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়েছিল — মূল্য 1.1808 লেভেল থেকে বাউন্স করার ফলে এই সিগন্যাল গঠিত হয়। এটি এশিয়ান ট্রেডিং সেশনের সময় ঘটেছিল এবং এই সিগন্যাল থেকে ট্রেড করে লাভ হয়েছে, কারণ এরপর এই পেয়ারের মূল্য প্রায় ২০ পিপস কমে যায় — যেটি নতুন ট্রেডাররা সহজেই কাজে লাগাতে পারতেন। শুক্রবার রাতে কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট বা ট্রেডিং সিগন্যাল দেখা যায়নি। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। এই পেয়ারের মূল্য খুব শীঘ্রই পুনরায় 1.1800–1.1830 এরিয়ার পৌঁছাতে পারে — যেটি দৈনিক টাইমফ্রেমে ফ্ল্যাট রেঞ্জের উপরের সীমানা নির্দেশ করে। এইবার এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল ব্রেকআউট করে বের হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক রয়েছে, ফলে আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1808 লেভেল থেকে ট্রেডিংয়ের কথা বিবেচনা করতে পারেন — যেখান থেকে বুধবার এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করেছিল। এই লেভেল থেকে মূল্যের বাউন্স হতে দেখা দিলে সেটি একটি সেল সিগনাল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে; তবে স্বল্পমেয়াদে আমরা এখনও এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য এই লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1851-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। আজ ইউরোজোন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে না বা কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে না। ফলে আজ আমরা এই পেয়ারের মূল্যের খুব দুর্বল ও সীমিত মুভমেন্টের প্রত্যাশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/44LNRWK









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২৯ ডিসেম্বর কীভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? শুক্রবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: GBP/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট শুক্রবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য EUR/USD পেয়ারের মতই অতি সামান্য মুভমেন্ট প্রদর্শন করেছে — কার্যত তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখা যায়নি, আর খুবই স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করেছে। এই ধরনের পরিস্থিতি খুব একটা অস্বাভাবিক নয়, কারণ গত সপ্তাহজুড়ে কেবল মঙ্গলবারই সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব বজায় ছিল, বুধবার ট্রেডিং সেশন আগেভাগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং বৃহস্পতিবার ছুটির দিন ছিল। এই সপ্তাহেও অনুরূপ পরিস্থিতি প্রত্যাশিত। একদিকে, সামষ্টিক ও মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব কার্যত অনুপস্থিত; বুধবারের ট্রেডিং সেশন সংক্ষিপ্ত হবে; বৃহস্পতিবার আবার ছুটি রয়েছে; এবং শুক্রবার সম্ভবত মার্কেট বন্ধ থাকবে। সুতরাং, সোমবার এবং মঙ্গলবার কিছুটা মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তবে এরপর মার্কেটে আবার ছুটির মৌসুমের প্রভাব দেখা যাবে। ব্রিটিশ মুদ্রার মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখনো বজায় রয়েছে, তাই স্বল্পমেয়াদেও নতুন ট্রেডাররা এই পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখতে পারেন — দীর্ঘমেয়াদের কথাই না বললাম। তবে, আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মূল প্রবণতাভিত্তিক মুভমেন্টগুলো ৫ জানুয়ারি থেকে পুনরায় শুরু হতে পারে, যখন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে শুরু করবে এবং ক্রিসমাস ও নববর্ষের ছুটির রেশ কাটিয়ে মার্কেটে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে। GBP/USD পেয়ারের 5M চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী, শুক্রবার একটি সেল সিগনাল গঠিত হয়েছিল, যদিও সেটিতে সামান্য পর্যায়ের ত্রুটি ছিল। মার্কিন ট্রেডিং সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3529 লেভেল থেকে বাউন্স করে প্রায় ৩০ পিপস নিচে কমে গিয়েছিল — যা নতুন ট্রেডাররা পজিশন ওপেন করে অর্জন করতে পারতেন। ছুটির মৌসুম চলাকালে এই ধরনের লাভ বেশ চমৎকার অর্জন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সোমবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ফ্ল্যাট রেঞ্জভিত্তিক মুভমেন্ট ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং এখন এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। আমরা পূর্ববর্তী আলোচনার ভিত্তিতে এই পরিস্থিতিকে যৌক্তিক বলে মনে করছি। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার জন্য বৈশ্বিকভাবে কোনো শক্তিশালী কারণ নেই; তাই আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। সামগ্রিকভাবে, আমরা ধরে নিচ্ছি যে ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পুনরায় প্রত্যাবর্তন ঘটবে, যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই পেয়ারের মূল্যকে 1.4000 লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সোমবারের ট্রেডিংয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যদি মূল্য 1.3529–1.3543 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয় তাহলে নতুন ট্রেডাররা নতুন লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3574–1.3590-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া থেকে নতুন করে বাউন্স করে, তাহলে নতুন শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3437–1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫-মিনিটের টাইমফ্রেম অনুযায়ী, বর্তমানে নিম্নলিখিত লেভেলগুলোতে ট্রেডিংয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে: 1.2913, 1.2980-1.2993, 1.3043, 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3437-1.3446, 1.3529-1.3543, 1.3574-1.3590। সোমবার যুক্তরাজ্য অথবা যুক্তরাষ্ট্র — কোনো দেশেই কোনো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে। ফলে, মার্কেটে দুর্বল মাত্রার অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। বর্তমানে "থিন" মার্কেট পরিলক্ষিত হচ্ছে, যার মানে মার্কেট মেকাররা তুলনামূলকভাবে সহজেই মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে — যদিও এর মানে এই নয় যে, তারা নিশ্চিতভাবে তেমনটি করতে চায়। Read more: https://ifxpr.com/49vUK11









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

৩০ ডিসেম্বর কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? সোমবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট সোমবার আবারও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য কোনো মুভমেন্ট দেখা যায়নি, তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। সারাদিন ধরে যে অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন দ্বারা প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ইউরো মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সহায়তা পাচ্ছিল, মূল্য আবারও সেই ট্রেন্ডলাইনে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে বাউন্স করে। এই বাউন্সটি পুনরায় ইউরোর মূল্য বৃদ্ধির জন্য একটি শক্তিশালী টেকনিক্যাল ভিত্তি প্রদান করেছে। যদি ৩০–৩১ ডিসেম্বর ইউরোর মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়, তবে খুব সম্ভবত পাউন্ডের মূল্যও একইভাবে বাড়বে। মূলত সোমবারের ট্রেডিংয়ের ব্যাপারে বিশ্লেষণ করার মতো তেমন কিছু নেই; কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক কিংবা মৌলিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব বজায় ছিল না, ছুটির আমেজ এখনো চলছে এবং অস্থিরতার মাত্রাও সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল। তবে এখনো ইউরোর মূল্যের শক্তিশালী বৃদ্ধির সম্ভাবনা বজায় রয়েছে, এবং এটির মূল্য এখনও 1.1800–1.1830 রেঞ্জের খুব কাছাকাছি রয়েছে, যা গত ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান 1.1430–1.1800-এর চ্যানেলের আপার বাউন্ডারি। তাই আমরা প্রায় নিশ্চিত যে খুব শিগগিরই এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়া অতিক্রম করবে এবং ২০২৫ সালে পরিলক্ষিত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবার শুরু হবে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে সোমবার দু'টি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এক্ষেত্রে এই পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে দুইবার বাউন্স করে। প্রথম বাউন্সের ফলে মূল্য প্রায় ২৫ পিপস কাঙ্ক্ষিত দিকেই এগোয়, আর দ্বিতীয়বার তুলনামূলকভাবে কম মুভমেন্ট প্রদর্শন করে, তবে মঙ্গলবার মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশায় সেই বাই পজিশনটি ওপেন করে রাখা যেত। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে ট্রেন্ডলাইন থেকে গুরুত্বপূর্ণ বাউন্স গঠিত হয়েছে, সুতরাং ভবিষ্যতে এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গলবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী, এখনো EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। খুব শিগগির এই পেয়ারের মূল্য আবারও 1.1800–1.1830 এরিয়ায় পৌঁছাতে পারে — যা দৈনিক টাইমফ্রেমে দৃশ্যমান ফ্ল্যাট রেঞ্জের আপার বাউন্ডারি। এইবার এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাসব্যাপী দৃশ্যমান সাইডওয়েজ চ্যানেল ব্রেকআউট করে বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনো বেশ নেতিবাচক থাকায়, আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি। মঙ্গলবার, নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়ায় ট্রেডের সুযোগ খুঁজতে পারেন। এই এরিয়া থেকে যদি আবার এই পেয়ারের মূল্য বাউন্স করে, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করাটা যথাযথ হবে। গতকাল ইতোমধ্যেই এই ধরনের দুইটি বাউন্স হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.1354-1.1363, 1.1413, 1.1455-1.1474, 1.1527-1.1531, 1.1550, 1.1584-1.1591, 1.1655-1.1666, 1.1745-1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970-1.1988। মঙ্গলবার ইউরোজোন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ কোনো অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। সুতরাং, আজ আমরা আবারও এই পেয়ারের মূল্যের খুব দুর্বল মুভমেন্টের প্রত্যাশা করতে পারি। Read more: https://ifxpr.com/4923Imw









InstaForexSushantay

Team Member

Total Post: 3659
From
Registered: 2014-11-17
 

২ জানুয়ারি কীভাবে EUR/USD পেয়ারের ট্রেডিং করবেন? বুধবারের ট্রেডিংয়ের পর্যালোচনা: EUR/USD পেয়ারের 1-ঘন্টার চার্ট বুধবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের কিছুটা অস্বাভাবিক এবং মিশ্র ধরনের মুভমেন্ট লক্ষ্য করা গেছে, তবে মনে রাখতে হবে যে এটা ৩১ ডিসেম্বর ছিল। এটাই সার্বিক পরিস্থিতির মূল কারণ। স্বাভাবিকভাবেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোজোনে ঐদিন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি বা কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টও নির্ধারিত ছিল না, যা একদম প্রত্যাশিত ছল। সন্ধ্যায় মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হয় এবং পুনরায় কেবল রাতের বেলা সেশন শুরু হয়, এরপর আবার ছুটির জন্য সেশন বন্ধ হয়ে যায়। অতএব ছুটির পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও বাস্তবিক অর্থে ছুটির আমেজ এখনো বিরাজমান রয়েছে। সাপ্তাহিক ট্রেডিংয়ের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে, এই সপ্তাহে এই পেয়ারের মূল্য একটি অ্যাসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, কিন্তু আমরা এটিকে প্রবণতা পরিবর্তনের সংকেত হিসেবে বিবেচনা করছি না। দৈনিক টাইমফ্রেম অনুযায়ী EUR/USD পেয়ার এখনো 1.1400 থেকে 1.1830 লেভেলের মধ্যে অবস্থিত সাইডওয়েজ চ্যানেলের উপরের সীমানায় ট্রেড করছে। খুব শিগগির, যখন মার্কেটে পুরোপুরিভাবে ছুটির আমেজ বিদায় নেবে, তখন এই পেয়ারের মূল্যের আবারও এই এরিয়ায় নতুনভাবে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী সপ্তাহ থেকে ট্রেডাররা নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন পেতে শুরু করবেন, তাই আবারও মার্কেটে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। EUR/USD 5M পেয়ারের চার্ট ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে বুধবার 1.1745–1.1755 এরিয়া থেকে দুইটি রিবাউন্ডের ফলে দুইটি সেল ট্রেড সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। যারা মার্কেটে ট্রেডিং সেশন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এবং নতুন বছরের ঠিক আগে ট্রেড করতে চেয়েছিলেন, তাদের জন্য এই সিগন্যালগুলো কার্যকর হতে পারত। গতকাল রাতে EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1745–1.1755 এরিয়া ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা একটি বাই সিগন্যাল ছিল। তবে আজ মূলত দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, তাই আমরা ইউরোর শক্তিশালী মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছি না। শুক্রবার কীভাবে ট্রেডিং করতে হবে: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে, যদিও এই পেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যে ট্রেন্ডলাইন অতিক্রম করেছে। খুব শিগগির এই পেয়ারের মূল্য পুনরায় দৈনিক ফ্ল্যাট চ্যানেলের উপরের সীমা 1.1800–1.1830 এরিয়ায় পৌঁছাতে পারে। এবার সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই পেয়ারের মূল্য ছয় মাস ধরে দৃশ্যমান এই সাইডওয়েজ চ্যানেল থেকে বের হয়ে যাবে। সামগ্রিকভাবে, মার্কিন ডলারের জন্য সামগ্রিক মৌলিক এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এখনও বেশ নেতিবাচক; ফলে আমরা মধ্যমেয়াদে EUR/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি। শুক্রবার নতুন ট্রেডাররা 1.1745–1.1754 এরিয়া থেকে ট্রেড করতে পারে। যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার উপরে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1808-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য এই এরিয়ার নিচে থাকা অবস্থায় ট্রেডিং সেশন শেষ হয়, তাহলে মূল্যের 1.1666-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে শর্ট পজিশন ওপেন করা যেতে পারে। 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.1354–1.1363, 1.1413, 1.1455–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1550, 1.1584–1.1591, 1.1655–1.1666, 1.1745–1.1754, 1.1808, 1.1851, 1.1908, 1.1970–1.1988। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। ফলে আজও মার্কেটে খুব দুর্বল মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে। Read more: https://ifxpr.com/49CltsQ