আরবি ভাষা শিখার টিউটোরিয়াল -2~~Hedaet Forum~~


Email: Password: Forgot Password?   Sign up
Are you Ads here? conduct: +8801913 364186

Forum Home >>> Literature >>> আরবি ভাষা শিখার টিউটোরিয়াল -2

Tamanna
Modarator Team
Total Post: 7488

From:
Registered: 2011-12-11
 

এবার ইসম এর লিঙ্গ প্রসঙ্ আরবি ভাষা-1 গে আলাপ করব।
লিঙ্গ – Gender📷
আরবিতে যে কোন শব্দ হয় পুলিংঙ্গে না হয় স্ত্রীলিংঙ্গে প্রকাশ হয়। শরীরের জোড় অঙ্গ (pair parts) এবং কোন জড় বস্তু বহুবচন হলেই তা স্ত্রীলিঙ্গের শব্দ এবং যে কোন শহরের নামকে আরবিতে স্ত্রীলিংঙ্গ, হিসাবে গণ্য হয়। ইসমকে স্ত্রীলিঙ্গ করতে শব্দের শেষে

ة "তা" মারবুতা ব্যবহার করা হয় অথবা
ى/آء ব্যবহার করা হয় (তবে কিছু ইসিমে ব্যতিক্রমও আছে ., পরে আলাপ করা যাবে আর যদি এখনই জানতে চান শুনতে পারেন এখানে। 📷

নিচের ভিডিওটিতে বিস্তারিত আালোচনা এসেছে লিঙ্গের ব্যাপারে এবং বিষয়টি ভালভাবে বুঝতে হলে সময় নিয়ে পুরাটি দেখা খুবই জরুরী।
বি:দ্র: আরবিতে কিছু শব্দ আছে যেগুলোকে বলা যায় নমনীয় ( fully flexible) অর্থাৎ সে শব্দগুলোতে তানবিন ও কাসরা ব্যবহার করা যায়।কিছু আছে আংশিক নমনীয় (partly flexible) । আর কিছু শব্দ আছে ওরা কখনও পরিবর্তন হয় না।এ ব্যপারে পরে বিস্তারিত লিখা হবে। এ
লিঙ্গের ব্যাপারে আরো কিছু কথা:
আরবিতে প্রতিটি শব্দকে পুলিঙ্গে ধরা হয় যদি সেটিতে স্ত্রীলিঙ্গের বৈশিষ্ট্য না থাকে।
আরবিতে চার প্রকার স্ত্রী লিঙ্গ শব্দ থাকে। যেমন;

১) আদতে / বাস্তবিকই স্ত্রী লিঙ্গ : যেমন, মা, বোন, খালা ইত্যাদি শব্দ যা আসলেই স্ত্রীলিঙ্গ

২) আদতে স্ত্রীলিঙ্গ নয় কিন্তু শব্দের স্বরূপে এগুলাকে স্ত্রীলিঙ্গ হিসাবে গণ্য করা হয়। যে সব শব্দের শেষে ة “তা মারবুতা” থাকে কিংবা যে সব শব্দের শেষে ى/آء থাকে ( কিছু ব্যতিক্রম আছে)।

৩) ভগ্ন বহুবচন (Broken Plural)

৪) যে সব শব্দ আরবরা শুরু থেকেই স্ত্রীলিঙ্গ হিসাবে ব্যকারণে সব সময় গণ্য করে আসছে।
পুরুষ ও স্ত্রীলিঙ্গের শব্দের ভিন্নতা দেখতে নীচে কোরআন শরিফের সুরা আহ-যাবে আয়াত নং ৩৫ দেখতে পারেন।
(এখানে লক্ষ্য করতে পারেন যে ইসমের পূর্বের শব্দ ইন্না ব্যবহার হওয়ায় ইসমের শেষে ফাতাহ এসে নাসাব হয়ে গিয়েছে।যাক এখন বুঝতে না পারলে পরে হরফ নিয়ে আলোচনায় এ বিষয় আসবে তখন বুঝতে পারবেন।)