এসিডদগ্ধ কোন মেয়েকে কি হুট করেই ছেলের পরিবার মেনে নিবে! তাদের ঘরে বউ হয়ে আসাটাকে কি তারা আশীর্বাদপ্রাপ্তি হিসেবে নিবে নাকি অভিশাপ হিসেবে!~~Hedaet Forum~~


Email: Password: Forgot Password?   Sign up
Are you Ads here? conduct: +8801913 364186

Forum Home >>> Blogs, Variety >>> এসিডদগ্ধ কোন মেয়েকে কি হুট করেই ছেলের পরিবার মেনে নিবে! তাদের ঘরে বউ হয়ে আসাটাকে কি তারা আশীর্বাদপ্রাপ্তি হিসেবে নিবে নাকি অভিশাপ হিসেবে!

Tamanna
Modarator Team
Total Post: 7279

From:
Registered: 2011-12-11
 

এসিডদগ্ধ কোন মেয়েকে কি হুট করেই
ছেলের পরিবার
মেনে নিবে! তাদের ঘরে বউ হয়ে
আসাটাকে কি তারা
আশীর্বাদপ্রাপ্তি হিসেবে নিবে
নাকি অভিশাপ
হিসেবে! ছেলের পছন্দকে কি তারা
সাবাসি দিবে
নাকি মুখের ওপর হাসবে! সবই তখন
ভাগ্যের ওপর ঝুলছিল।
..
প্রত্যেক মা-বাবাই চায় তার ছেলের
জন্য একটা আদর্শ-
নীতিবান আর সুন্দরী মেয়ে বউ হোক
যেন পাড়ার
লোকেদের মুখে প্রশংসার বাণী
শুনতে শুনতে সারাজীবন
কেটে যায়। কিন্তু সবই ঠিক-ঠাক
থাকার পরও যদি দেখা
যায় বউয়ের মুখ এসিডে ঝলসানো
তাহলে পাড়া-
প্রতিবেশির সামনে তাদের
পরিষ্কার মুখ দেখানোটাও
কাল হয়ে দাঁড়াবে।
..
কয়েকবছর আগের কথা,
কয়েকটা দিন মাত্র হল মায়ের কোল
থেকে নেমে হাঁটা-
চলা শিখেছি আর তার মধ্যেই
সময়বয়সী একটা মেয়েকে
প্রপোজ করে বসছি। ঘটনাটা সেসময়
অনেক বিরলতায়
ভরা ছিল। আমার বুঝ-ই বা কতটুকু হয়েছে
যে বুঝবো প্রেম
ভালোবাসা ঠিক না বেঠিক। আর
আমি তো তখন সবে
মাত্র ক্লাস ওয়ান-এর রেজাল্ট পেয়ে
ক্লাস টুতে
পদার্পণ করেছি।
..
হ্যা, আমি ঠিক-ই বলছি। ক্লাস টু-এর
প্রথমে আমি আমার
ক্লাসমেট আফরীনাকে প্রপোজ
করেছিলাম। আর সেও
সেটা এক্সেপ্ট করেছিল। তখন হয়ত
আমরা আধুনিকতার
ছোঁয়ায় পড়িনি কিন্তু ভালোবাসা
নামক কঠিন রোগের
ছোঁয়ার শিকার হয়েছি।
..
আমি আর আফরীনা একটা প্রাইভেট
স্কুলে পডতাম।
ওইখানের নিয়ম ছিল যতই রোদ আসুক
বৃষ্টি নামুক কেডস
ছাড়া স্কুলে আসা যাবে না। যদি পা
ভাঙাও থাকে
তাহলে ব্যান্ডেজের ওপরে কেডস
লাগিয়ে আসতে হবে।
আমার এসব রুলস নিয়ে কোন আপত্তি
ছিল না কিন্তু
বিরাট একটা সমস্যা ছিল। আমি
কেডসের ফিতে
লাগাতে পারিনা। এটা আমার
কাছে ছিল অসম্ভবের
একটা আকাশ যেটা আমি জীবনেও
স্পর্শ বা আয়ত্ত
করতে পারবো না।
..
বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আম্মু বা
আব্বু জুতার ফিতে
লাগিয়ে দিত। স্কুলে এসে ক্লাসরুমে
ঢুকার আগে সেরকম
থাকত যেরকম বাসা থেকে পড়ে
আসতাম। কিন্তু রুমে
ঢুকার জন্য যেই খুলতাম আর লাগাতে
পারতাম না।
হালকার ওপর ঝাপসা লাগিয়ে দু-কদম
দেয়ার পরই খুলে
যেত। আমি রেগে কান্না করে
দিতাম। আমার অভ্যাসই
ছিল কিছু করতে না পারলে কান্না
করে দেওয়া।
..
স্যার বা মিস কাউকে বলার সাহস
ছিল না যে জুতার
ফিতেটা লাগিয়ে দিন প্লিজ। আর
তাদের সামনে কান্না
করার বায়না ধরলে মেরে বায়নার ভূত
ছাড়িয়ে দিবেন।
তাই বাধ্য হয়ে ল্যাংড়ার মত খুঁড়িয়ে
খুঁড়িয়ে হাঁটতাম।
..
একদিন কম্পিউটার ল্যাব থেকে বের
হয়ে ক্লাসরুমে
যাচ্ছিলাম তখন পিছন থেকে কে
জানি পিঠে একটা
হালকা-পাতলা থাবা মারলো।
প্রথমে মনে হয়েছিল কোন
স্যার বা মিস মেরেছেন এভাবে
হাঁটার জন্য। তাই কান
ধরে আস্তে আস্তে পিছনে
মোড়ছিলাম। চেয়ে দেখি
কোন স্যার মিস না, একটা মেয়ে।
মেয়েটা আমারই
ক্লাসমেট কিন্তু কোনদিন কথা হয়নি।
তখন আমি তার নাম
জানতাম না। সে দেখতে আবার খুবই
সুন্দরী ছিল।
কিন্তু,,,,, কিন্তু ওর মুখ বামপাশে অর্ধেক
ঝলসানো। লম্বা
চুল দিয়ে সে ওইগুলো ডাকছে। আমার
দেখে ভিষন ভয় হল।
যদি কেডসের ফিতে লাগানো
থাকত তাহলে দৌড়
দিতাম। কিন্তু সে উপায়ও তো নেই।
সে বুঝতে পারলো যে
আমি ওকে দেখে ভয় পাচ্ছি। তাই সে
নিজ থেকেই আমার
থেকে একটু দূরে অবস্থান করলো।
বিষয়টা দেখে আমার
কিঞ্চিত মন খারাপ হল। সে আমাকে
বললো;
--তুমি কি আমাকে দেখে ভয়
পাচ্ছো?
আমি আমতা আমতা করে বললাম,
--একটু একটু।
-- সবাই আমাকে দেখে ভয় পায়।
বলেই কাঁদতে লাগলো। আমি পকেট
থেকে টিস্যু বের
করে ওকে দিই। খেয়াল-ই ছিল না
আমার যে আমি ওকে
ভয় পাই। শুধু ওর চোখে জল দেখলাম আর
এগিয়ে গেলাম।
--এই নাও, জল মুছে ফেলো। নইলে স্যার
মনে করবে আমি
তোমাকে ডিস্টার্ব করছি।
সে আমার কথা শুনে মুচকি হাসলো।
আমি তাকে আবার
জিজ্ঞেস করলাম;
--তোমার চেহারা এমনভাবে
জ্বালানো কেন?
--খেলতে গিয়ে জ্বালিয়ে
ফেলেছি।
-- খেলতে গিয়ে মানে!
-- আমার আব্বু সাইন্টিস্ট। ঘরের উপরের
তলায় উনার ল্যাব
আছে। আমি একদিন খেলতে খেলতে
ল্যাবে ঢুকে
সেল্ফের সাথে ঢাক্কা খাই আর উপর
থেকে গরম পানি
পড়ে যায়। ব্যস, সেদিন থেকে আমার
মুখ এরকম।
-- গরম পানি পড়ে মুখ কিভাবে জ্বলে
যায়! আমি তো
রোজ গরম পানি দিয়ে গোসল করি।
-- বাবা বলেছে ওইটা অন্যরকম গরম
পানি ছিল।
-- ওহ। আর কোনদিন গরম পানি দিয়ে
খেলবা না। বুঝেছো?
-- খেলাই না তো এখন।
-- খুব ভালো।
-- আচ্ছা, তুমি এভাবে হাঁটো কেন?
তোমার পা কি ভাঙা?
-- না মানে, কিছুনা।
-- তোমার কেডসের ফিতে লাগাও
না কেন?
-- ওহ! ভুলে গিয়েছিলাম। এখনই
লাগাচ্ছি।
আমি সিঁড়িতে বসে ফিতে হাতে
নিয়ে এদিক-ওদিক
ঘুরাচ্ছিলাম। সে দেখলো আর বুঝতে
পারলো আমি ফিতে
লাগাতে পারিনা। তাই সে এগিয়ে
এসে লাগিয়ে দিল।
..
সেইদিন থেকেই ওর সাথে আমার
বন্ধুত্বের পথচলা শুরু হয়।
তারপর থেকে আমার আর ফিতে
লাগানো নিয়ে কোন
সমস্যা থাকলো না। যখনই লাগানোর
প্রয়োজন মনে করি
আফরীনা এসে লাগিয়ে দেয়।
..
এভাবে হাসতে হাসতে চলতে
লাগলো আমাদের বন্ধুত্ব।
রাতে সবসময় কথা হত। আমি আম্মুর ফোন
দিয়ে মেসেজ
করতাম আর সেও তার আম্মুর ফোন
দিয়ে রিপ্লাই দিত।
..
দেখতে দেখতে কিভাবে জানি
চার-পাঁচ মাস চলে গেল।
আমি আর সে এতটাই ক্লোজ হলাম যে
ভুলেই
গিয়েছিলাম আমি কে আর সে কে
বা আমরা কে!
আমাদের পরিচয় ছিল শুধু আমরা দুই সুঁতো
এক সুইয়ে গাঁথা।
..
প্রেম ভালোবাসায় ওইসব পাগলামি
গুলো কারোর থেকে
শিখিনি বা কেউ মাথায় ঢুকায়নি।
সালমান শাহরুখের
ফিল্ম দেখেও এতটা আয়ত্ত করতে
পারিনি যে হাঁটুর
বয়সী সাইজ নিয়ে কাউকে প্রপোজ
করবো। সেসময়
জানতাম লম্বা লম্বা ব্যাখা না
দিয়ে শুধু তিনটা শব্দ
বলে দিলেই ভালোবাসা হয়ে যায়।
তাই আমরাও একি
কায়দাকানুন মেনে তিনটা শব্দ আদান
প্রদান করে ফেলি।
সেসময় বুঝতাম এই শব্দগুলো শুধু শব্দই, আর
কিছুনা। কিন্তু
বড় হতে হতে বুঝতে পারলাম এই
তিনটা শব্দেই দুটো জীবন
এক আত্মায় পরিনত হয়।
..
কলেজ-ইউনিভার্সিটি শেষ করে আজ
প্রতিষ্টিত এক
চূড়ায় দুজন অবস্থা করলেও আফরীনা
সেই আগের মতই রয়ে
গেল। না, আমি এটা বলছিনা যে সে
প্রতিষ্টিত হয়নি,
বরং বলছি যে তার চেহারাটা আর
বদলাতে পারেনি,
সেই আগের মতই ঝলসানো রয়েছে।
ছোটবেলায় দেখতাম
সে বারবার ক্রিম ইউজ করত। সে মনে
করত ক্রিম
লাগালেই ওই দাগগুলো উঠে যাবে।
কিন্তু সে গুনাক্ষরেও
টের পেত না তাকে যে আরো
বিদঘুটে লাগত।
..
আস্তে আস্তে বয়স বাড়ার সাথে
সাথে তার চিন্তা-
ভাবনা বদলালো। সে আর আগের মত
ক্রিম ইউজ করে না।
সে মেনে নিয়েছে এটা তার ভাগ্য।
আর ভাগ্য ক্রিম বা
অন্যকিছু দিয়ে বদলানো যায় না।
..
যখন আমি তার সাথে থাকতাম বা
নাও থাকতাম সে ওড়না
দিয়ে একসাইড ঢেকে রাখতো। আর
বাতাস যখন দিত
তড়িগড়ি খেয়ে ওড়না শক্ত করে ধরে
রাখতো যেন মানুষ
নামে কেউ না দেখে আর চাপা
হাসে। যখন অবুঝ ছিল,
দুনিয়ায় গড়ে ওঠা মারাত্বক কিছু
নিয়মাদি বিষয়ে
জানতো না তখনও সে কাজটা করত।
তবে সে এটা বুঝতে
পারতো মানুষ তাকে অন্যচোখে
দেখে। কিন্তু তার কি-ই-
বা করার ছিল! নিয়তিকে মেনে
নিয়েই জীবন পার করতে
হবে।
..
আমিও এটা মনে করি যে কপালে যা
লিখা থাকবে
সেটাই হবে। সেজন্য অদ্ভুত কোনকিছু
করা বোকামী
ছাড়া কিছুই না। কিন্তু এটা করা যায়
যে মানবতা দিয়ে
তার ওইদাগগুলো তুলে ফেলতে। তাই
আমরা দুজনে বিয়ে
করার সিদ্ধান্ত নেই। প্রথমে মনে
করেছিলাম এসিডদগ্ধ
কোন মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে
আনলে লোকে কি বলবে!
লোকের হাসি-টাট্টা কেমন ভয়ংকর
হবে! কিন্তু সেসব
তো ঘরের বাইরের কথা, ভিতরের
কথা তো আরো
ভয়ংকরতম রূপ নিচ্ছে।
..
মা-বাবা বা পরিবারের বাকি সদস্য
কেউই আফরীনাকে
মেনে নিতে সম্মতি জানাচ্ছে না।
বরং আমাকে উলটো
গালি দিচ্ছেন আমি এই মেয়ে ছাড়া
অন্যকোন মেয়েকে
বাচাই করলাম না কেন! অন্তত হিন্দু
ধর্মের হলেও ঠিক
আছে কিন্তু ওকে কেন!
..
এই কথাগুলো যে আমি আজই শুনেছি
তা না, আরো অনেক
আগেই শুনেছি। আব্বু-আম্মু ওকে আমার
বন্ধু হিসেবে
মেনে নিয়েছেন ছোটকালেই কিন্তু
আমাদের যে
বন্ধুত্বের বাইরে একটা সম্পর্ক ঘটেছে
সেটা মানতে
নারাজ। আর সেটা নিয়ে প্রতিদিন-ই
কারোর না কারোর
সাথে আমার বাক-বিতন্ধতা হয়েই
থাকে। আফরীনা সব
বুঝত। আর সবদিন-ই আমাকে বকতো যে
পরিবারের
বিরুদ্ধে না যেতে। কিন্তু আমি
আমার সিদ্ধান্তে অটল
ছিলাম। সেজন্য তার সাথে
ঝগড়াঝাঁটি হত কিন্তু কম
সময়ের জন্য। সে নিজেই জানতো আর
বুঝতো আমাকে
ছাড়া সে একটা মুহুর্ত কাটাতে
পারবেনা কিন্তু সমাজের
দৃষ্টিকোণকে সে বাঘের মত ভয়
পেয়েও আবার ফিরে
আসতো।
..
একদিন আমি ঘরের সবাইকে এই সংবাদ
জানিয়ে দেই
আমি আর আফরীনা বিয়ে করতে
যাচ্ছি আর এ বিষয়ে
আমি কারোর মতামত শুনতে চাই না।
আব্বু আম্মু প্রথমত
অনেক কথা শুনালেন কিন্তু কোনটাই
রাখিনি। কাজি
অফিসে গিয়ে ওর সাথে বিবাহ
বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। ওর
পরিবারের সবাই ছিল আর আমার
কয়েক বন্ধ-বান্ধব।
বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার পর বাসায় ফিরে
জানতে পারি
আমার জন্য ঘরের দরজা হামেশা
হামেশা বন্ধ করে
দেওয়া হয়েছে। আমি হাসতে হাসতে
সেখান থেকে
আমার সব জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে
পড়লাম। আফরীনা
আমাকে বললো;
--তুমি আমার জন্য তোমার পরিবার
ছেড়ে দিবে?
--আমি ছাড়িনি, ওরাই আমায় ছেড়ে
দিয়েছে।
--তুমি তাদেরকে আবার বুঝাও,,,
--তারা মনে করে আমি সঠিক হয়েও
ভুল আর তারা ভুল
করেও সঠিক।
--তবুও তোমার এই ডিসিশন নেয়া ঠিক
হয়নি।
--ওহ! রিয়েলি! তোমারও মনে হচ্ছে
আমি ভুল করেছি!
-- নাহ, তা না, কিন্তু পরিবারবর্গ
ছেড়ে থাকা ঠিক হবে
না।
-- সেটা আমিও জানি কিন্তু তারা
আমার ফিলিংসটাকে
বুঝতে পারেনি। তবে আমি নিশ্চিত
ওরা একদিন তাদের
ভুল বুঝতে পারবে আর আমাদেরকে
মেনে নিবে। তুমি
দেখে নিও।
-- ইনশাআল্লাহ।
..
সেদিনের পর থেকে আমি আর
আফরীনা একটা ভাড়া
বাসায় উঠি আর সেখানেই
নিজেদের সংসার গড়ে তুলি।
প্রতিবারের মত এবারো আমরা একি
সাথে একটা
কোম্পানিতে যোগদান করেছি।
দুজনের ইনকামেই
আমাদের জীবন স্বচ্ছভাবে চলছিল।
..
কয়েকমাস পর সে আমাদের সুন্দর
বাগানে একটা নতুন ফুল
এনে দিল। দুজনের গড়া সংসারে এখন
নতুন একজন অতিথির
আগমন হল। আর সেদিন-ই মা-বাবা
আমার সিদ্ধান্তকে
আগের মত আর বয়কট করেননি। আমাকে
আবার আমার ঘরে
ফিরিয়ে নেয়ার জন্য এসেছেন। শুধু
আমি না, আমার স্ত্রী
আর বাচ্চাকেও নিয়ে যেতে
এসেছেন।
..
সেদিন আবার আমাদের বিয়ের মত
বিয়ে হয়। আম্মু অতি-
যত্নে উনার বউমাকে ঘরে তুলেন।
আফরীনা আজ প্রথম
আমার ঘরে ঢুকেছে। কলহ-বিবাদের
জেরে সে আগে
কোনদিনও আমার বাসায় আসার সাহস
পায়নি। কিন্তু আজ
হয়েছে।
..
বাচ্চাটাকে ঘুম পাড়িয়ে সে
বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে।
আমি পিছন থেকে গিয়ে ওকে
জড়িয়ে ধরলাম। সে
ছাড়ানোর চেষ্টা করছে কিন্তু আমি
আরো শক্ত করে ধরে
রাখছি। আমি তাকে বললাম,
--ওই আকাশের চাঁদ দেখো, দেখছো!
চাঁদে দাগ আছে
সেটা দেখতে পাচ্ছো!
--হ্যা, দেখতে পাচ্ছি। তো কি
হয়েছে?
--সবাই চাঁদকে ভালোবাসে। কারন
চাঁদ দেখতে অনেক
সুন্দর। কিন্তু ওরও যে দাগ আছে সেটা
কেউ খেয়াল করে
না। আর খেয়াল করলেও বলে ওটা বেশ
কিছুনা, ছোট-
খাটো দাগেই কোন কিছু কুৎসিত
দেখায় না। আর তুমি
হচ্ছো আমার সেই দাগকাটা চাঁদ।
হাজার ভুল থাকলেও
আমি তোমার ভালোবাসাটাকে
ওইসব ভুলের জন্য
অগ্রাহ্য করবো না। অবুঝ থাকাকালীন
সময়ে যতটুকু
ভালোবেসেছি আজ বুঝ হয়েও ততটুকু
ভালোবেসে যাচ্ছি।
সে উলটো ঘুরে আমার দিকে
তাকালো,,,
-- শান, তুমিই প্রথম মানুষ যে আমাকে
দেখে ভয় পেয়েও
পালাওনি। সেদিন থেকে আমাকে
যেরকম হাসিতে
খুশিতে রাখছো আজও তেমনটা
রাখছো। আমি কোনদিন
ভাবিওনি আমাকে তোমার পরিবার
মেনে নিবে আর
তুমিও। কিন্তু আমার সব ভাবনাকে তুমি
মিথ্যে প্রমানিত
করে আমাকে তাক লাগিয়ে দিলে।
এতটা যে তুমি
আমাকে ভালোবাসো এটা দেখে
স্বয়ং চাঁদও হিংসে
জ্বলে-পুড়ে মরবে।
--সে মরুক বা বাঁচুক তাকে আমার কি!
পুরো দুনিয়ার কাছে
সে একটামাত্র চাঁদ আর আমার কাছে
তার চেয়েও বেশি
সুন্দরতা নিয়ে তুমি-ই আমার চাঁদ।
বুঝেছো?
--জ্বী সাহেব বুঝেছি। চলুন এখন
ঘুমাবো।
--আজ ঘুমোতে ইচ্ছে করছে না।
--তাহলে বসে বসে আমাদের
পাহারা দাও।
-- ওকে, পেমেন্টটা কিন্তু অগ্রিম চাই।
-- যাহ ফাজিল একটা।
..
ও ঘুমোচ্ছে, আমি দেখছি। কতটা
মায়াবী হলে একটা
মেয়েকে এত সুন্দর দেখাবে সেই
হিসেব কষছি। বারান্দা
দিয়ে চাঁদের আলো সব ওর মুখের ওপরই
হুমড়ি খেয়ে
পড়ছে। আমার ভিষন ঘুম পাচ্ছিলো তবুও
দুটি আঁখিকে এক
করতে দিচ্ছিনা যদি না আমি তার
রূপবতী চেহারা
দেখতে না পারি। আমার জেগে
থাকা চোখে শুধুই তাকে
দেখতে চাই।
..
একদিন আফরীনা আমাকে জিজ্ঞেস
করলো,
--আচ্ছা শান, আমার সন্তান কি আমার
চেহারা দেখে ভয়
পাবে?
--সন্তানটা আমাদের, সে অন্যকারোর
মত হবে না যে তার
বাবা-মার মত নয়। আমি তোমাকে
যেমনি দেখি আমাদের
সন্তানও একিভাবে দেখবে। চারচোখ
হলেও দেখবে সে
এক অন্তর দিয়ে।
--আমি চাই আমাদের বাবুটা তোমার
মত নিরহংকারী
মনের হোক।
..
আমি তখন তার ললাটে একটা চুমু এঁকে
দেই। তাকে যে
আমি শুধু আমার স্ত্রী বলবো বা আমার
বাচ্চার মা বলবো
তা না, সে হল আমার বেঁচে থাকার
প্রান, আমার হাসির
কারন, আমার দুঃখের সাথী, আমার
পুরোটাই সে।
অর্ধেকটা কেন, পুরো মুখটাই যদি
ঝলসানো থাকত তবুও
তার হাত ছাড়তাম না। হাত ধরার
মানে শুধু হাত ধরাই না,
তাকে নিয়ে একটার পর একটা সমস্যা
সমাধান করে নতুন
গন্তব্যে পৌছাই এর সার্থকতা।


Do not be afraid of any acidic girl
Son's family
Will accept! They are wives in their house
What do they do with Asa?
As a blessing
Or damn
As well! What is the boy's choice?
Sabasi will give it
Or laugh at the face! All then
Held on luck.
..
Every mother and father want her son
For a standard-
A fair and beautiful girl is a wife
To lay out
Praise bears people in the mouth
Listen to life forever
Has been cut. But everything is okay
Even if you have seen it after
Goes to the mouth of the wife throws acid
Then,
Their front of the neighbor
Show clear face too
Tomorrow will stand.
..
A few years ago,
A few days are just mom's lap
Walking down from
Learned to walk and within that
A girl from a girl
Propose it. The incident happened at that time
Very rarely
Were filled. I understand how much or what has happened
That understands love
Love is not right or wrong. More
I am just then
Get only the results of class one
Class Touches
Have stepped in.
..
Yeah, I'm right. Class-II
First of all I am
Promos of Classmate Afina
Did it And he too
Expose it. Then maybe
We are modernity
I did not touch but love
Called a serious disease
I have been touched.
..
I and Afina are a private one
Schoolboy
The rules were as much as the sunshine came
Raining rain
Without the school can not come. If the foot
There are also breaks
Then the caps over the bandage
To be planted.
No objection to these rules
But it was not
There was a big problem. I am
Cadets buckle
Can not put it is mine
Was near impossible
A sky that I have in life
Touch or dominate
Can not do
..
Mom is out of the house
Dad shoes shoe
Would have planted. Come to school and in the classroom
Before going
Stay as it happens from home
Could come. But in the room
Open the doors to go and put it
I could not.
Blurred on lightweight
Open only after giving
Could I cry bitterly
Would have given My habit is
If there was nothing to do, then tears
To do so.
..
Dare to say sir or miss someone
Shoe that was not there
Please attach the bucket. More
Tears in front of them
If you want to get rid of the ghosts ghosts
Will be released.
So forced to lengthen the langar
Collapsed
..
One day out of the computer lab
Being in the classroom
I was going to the back of the who
I know one on the back
The light-thumb slit struck.
At first it seemed that no
Sir or Miss kills this way
For a walk. So ears
Hold back slowly
Was turning. Let's see
No sir miss, a girl
The girl is mine
Classmate but never talked.
Then I named her
I did not know. He looks very again
Was beautiful
But ,,,,, but half of his face left
Dazzle Tall
He is calling them with hair. Me
Seeing it, Fear is a fear.
If you have a cad size
If you had to run then run
Would have given But that's not the way.
She realized that
I'm afraid to see him. So she
Myself is mine
Stayed away from
Seeing the matter is mine
The appetite is so bad. She's me
Said;
Do you fear me?
Can you?
I said,
- A little bit.
- Everyone is afraid to see me.
It started crying. I pocket
To get the tissues out
Give it to him I did not care
That's me
Fear Only I saw the water in his eyes
I went ahead.
- Take this, remove the water. Otherwise, sir
I think I will
I'm dismissing you.
He smiled when he heard me.
I have him again
I asked;
- Your appearance in such a way
Why burn?
- Burning to play
Have dropped
- To play!
- My father Scientist. Top of the house
His lab on the floor
Have there. I play one day to play
Into the lab
Staying covered with shelf and over
Hot water from
Falls. Well, from that day to mine
The face is like that.
- How hot are the faces of hot water?
Goes! I am
Take a bath with hot water every day.
- The father said it was a bit hot
There was water.
-- Oh. And sometimes with hot water
Play or not. Do you understand
- Now do not play.
-- very good.
- Well, why do you walk like this?
Your legs are broken?
- No, nothing.
- Put your caddy's bucket
Why not
-- Oh! I forgot. Right now
I'm putting it.
I sit in the stairs and sit in the bucket
About this
Turning around He saw it and realized
I could latch
Can not put So he's ahead
Come on.


Let's laugh like this
It was our friendship.
Always talk at night. I am my phone
Message by
I used to do that and his mother's phone
Reply with
..
Know how to see it
Four or five months have passed.
I and she are so close to me that
Forget it
I went to who I am
Or who we are!
We were just identical to our two threads
A swipe
..
Those madness love love, those madness
Somebody from
Shekhinna or someone did not enter the head.
Salman Shahrukh
Seeing the film, so much control
I did not have that knee
Propose somebody on the old size
Will do At that time
I did not know a long long explanation
Just three words with
If you say it is love.
So we are the same
Kaidakanoon admit three words
Give it
At that time I realized that these words are just words, and
nothing. But then
I understand this to be bigger
Two lives in three words
One becomes a soul.
..
College-University today ends today
One of the protagonists
Afridi has two situations, but Afridi
It remained the same as before
Gone No, I'm not saying that he's
Not to be reproduced,
Rather than saying that his face is no longer
Could not change,
It's just like before.
I used to see my childhood
He used cream repeatedly. He thinks
Gourd cream
The stains will be raised in the beginning.
But he's screaming
That's not even more to him
It seemed weird.
..
Gradually with increasing age
With his thoughts-
The idea changed. She's just like before
Do not use cream.
He admitted that it was his fate.
And fate cream or
Can not change with anything else.
..
When i was with him or
I do not want to wear it
They used to cover the ausoid. More
When the wind would have been
Tighten the scarf and hold it tight
Would have been like a man
No one is seen and pressed
Laugh When it was foolish,
There are some serious developments in the world
Regarding the rules
Did not know that even then he did the job.
But she understood it
Could the man see him
Look at But its key-
Or had to do! Follow the rules
To live life with it
Will be
..
I also think that it is on the forehead
Will be written
That will be. That's something weird about
Been fooling
Nothing except. But it can be done
With that humanity
To remove his stomach. So
We both get married
Decide to do. First of all remember
I did acid
Marry a girl in the house
What will people say!
How terrible is the smile of people
Will be! But those are
So outside the house, inside
More talk
Making a terrible appearance.
..
Parents or the rest of the family
None of the Afrinas
Do not agree to accept
Rather than reverse me
I am cursing except this girl
Any other girl
Why not save! At least Hindus
Although religion is right
But there is him!
..
These words that I heard today
It does not, much more
I already heard it. My father is my son
As a friend
Admittedly, in the childhood itself
That's us
There was a relationship outside of friendship
Accept that
Displeasure And every day with that
No one else's
I am confused with my speech
Remains. Afreena all
Understand And all day, that would scold me
Family
Do not go against But i
My decision is steady
I was That's why with him
There were quarrels but fewer
For the time. He knew himself and then
I understand
Except he spent a moment
But not in the society
The viewpoint he feared like a tiger
Get it back again
Came in
..
One day I got this news from everyone in the house
Let me know
I am going to marry Afina
I'm going to do this
I do not want to hear anybody's opinion.
Dad Mom first
He listened a lot but nothing
Did not Qazi
Go to the office and marry her
I got bound in bondage. Her
Everyone in the family was there and me
A few off-friendly
Return to home after the marriage is complete
May i know
Houses of the house for me
Hammas stopped
Has been given I smile laugh
From there
Get out of my baggage
I read. Afreena
Told me;
You're your family for me
Leave it?
- I did not leave them, they left me
Has given
- You understand them again,
- They think I'm right
Wrong and they are wrong
Nevertheless correct.
However, you have to take this decision
Not done.
--Oh! Really! You seem to be too
I'm wrong
- No, it's not, but the family
It's OK to leave
No
I know that too but they
My philington
Did not understand But I'm sure
They one day theirs
You will understand the mistake and us
Accept it You are
Take a look.
- InshaAllah
..


Since that day I am no longer
Afina is a rental
Come home and there
Build your own family.
This time we are all like this once
With one
I've joined the company.
Two inkmen
Our life was transparently running
..
After a few months, she is our beautiful one
A new flower in the garden
Got it. Now in the cortex of two people
A new guest
Arrival is the hall. And on the day-mother-father
My decision
And did not boycott like before. Me
Again in my house
Came back to take it. Just so
I'm not my wife
And to take the baby too
Came out
..
On that day we again like our wedding
Is married. Mummy super-
Carefully brought his wife home.
Afreen is the first one today
I got into my house. Conflicts
He is before he
Any time I dare to come home
Did not get But today
Has been
..
She sleeps with the baby
There are standing in the verandah.
I go from behind to the back
Hugging. She
Trying to leave but I
Hold it harder
Keeping it I told him,
- See the moon in the sky, you see!
There are no signs of the moon
Can see that!
- Yeah, I can see. So what
Have been?
- Everyone loves the moon. Because
A lot to see the moon
Beautiful But the stain is the same
Nobody noticed
No And even if you notice it is pretty
Something, small-
In short, something ugly
Does not show And you
It's my dagacata moon.
Although there are thousands of mistakes
I love your love
For those mistakes
Do not override While incomprehensible
At the time
I love it today but it is understandable
I'm going to love.
He turned around me towards me
Looked at,
- Shane, you're the first man to me
Seeing Fear
Do not run From me that day
As laughing
Keeping it happy today is still the same
Keep you I someday
I do not think I'm your family
Will accept it again
You too But all my thoughts are you
False proof
If you put me on the shelf.
So much that you
Love me, see it
The moon itself is in jeopardy
Burns burns.
- Do not kill him or save him!
Near the whole world
He's on the moon and me in one place
More than that
You are my moon with beautifulness.
Do you understand
- Hey, I understand. Let's now
Sleep on
- I do not want to sleep today.
- Then sit down and si