বিষয়ঃ-হুজুর স্বামী~~Hedaet Forum~~


Email: Password: Forgot Password?   Sign up
Are you Ads here? conduct: +8801913 364186

Forum Home >>> Blogs, Variety >>> বিষয়ঃ-হুজুর স্বামী

Tamanna
Modarator Team
Total Post: 7276

From:
Registered: 2011-12-11
 

বিষয়ঃ-হুজুর স্বামী।

-------------------------------

হুজুর ছেলেটার বিয়ের বয়স হল এবং বিয়ে

করলেন এক

মেয়েকে।

:

বাসর রাতে ঘরে প্রবেশ করেই স্ত্রীকে

সালাম দিলেন।

:

কথা হচ্ছে তাদের মধ্যে।

স্বামী বলতেছেন, দেখ"" এখন থেকে তুমি

আমার বোশন

আর আমি তোমার।

(মানে তুমি আমার, আমি তোমার)

এভাবে অনেক্ষণ কথা বলার পর।

:

এবার স্বামী বলতেছেন।

আমার কিছু আদেশ তোমার মেনে চলতে

হবেঃ-

:

স্ত্রীঃ-হ্যা বলুন মেনে চলবো।

স্বামীর আদেশঃ-

→যখন আযান শুনতে পাবে সাথে সাথে

নামায আদায়

করে নিবে।

→রাতে তাহাজ্জুদ শেষে কোরআন পড়বে।

→তোমাকে যাতে পরপুরুষ না দেখতে

পারে।

→পায়ের নোখ থেকে হাতের নোখ পর্যন্ত

সম্পূর্ণ পর্দা

করবে।

→পর্দাবিহীন কোথায় যেতে পারবে না।

→রংঢং করে এবং অশ্লীল পোষাক

পরিধান করতে

পারবে না।

→আমার অনুমতি ছাড়া কিছুই করতে

পারবে না।

((আরো অনেক কিছুই বললেন))

:

এভাবে স্ত্রী ঠিক ৬-মাস চলতে থাকে।

আর নিজেকে বড়ই অসুখি/অস্বাধীন মনে

করতে থাকে।

:

পাশের বাড়ির এক ভাবি এসে কথা বলতে

থাকে।

কিরে......

এতদিন ধরে তোদের বিবাহ হল, কিন্তু

তুকে আজও

দেখিনি।

:

স্ত্রী স্বামীর আদেশ নামা বললেন।

পাশের মহিলা বলতে থাকে।

এ কেমন কথা........

দেখ তো চেয়ে, আমরা স্বাধীন হয়ে চলছি,

নিজের ইচ্ছায়

পোষাক পড়ছি।

নিজের ইচ্ছায় হাটে বাজারে

যাচ্ছি,,যেদিক মন চায়

সেদিকেই যাচ্ছি, যেটা মন চায় সেটাই

করছি।

:

ব্যাস.........

কুপরামর্শে পা দিলেন।

:

এবার স্বামী প্রত্যেক দিনের ন্যায়,

তাহাজ্জুদের সময়

মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন উঠু।

স্ত্রী এবার রেগে গিয়ে বললেন, একদিনও

তোমার জন্য

ঘুমাতে পারি না, আর কত কিছুই বলে

ফেললেন।

:

স্বামী মনে কিছুই নেননি, কারণ মানুষের

মন সবসময় এক

থাকে না তাই।

:

তো সকাল হতেই জগরা শুরু,, তোমার সাথে

বিবাহ হয়ে

আমার জীবনটাই শেষ।

জেল খানার মত লাগছে ইত্যাদি।

:

স্বামী বারে বার বলছেন, আমার দোষটা

কোথায়? কি

আমারর অপরাধ?

:

স্ত্রীর একটাই সূর তার সংসার করবে না।

:

বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল তাদের বন্ধন।

মেয়ের অন্য জায়গায় বিবাহ হয়ে যায়

এবং ছেলেও অন্য

একটি মেয়েকে জীবন সংগী করে নেয়।

:

ঠিক দু"বছর পর।

:

হুজুরের সাথে পর্দা করা একটি মেয়ে,

হাতে পায়ে

মোজা পরা একটি মেয়ে, হুজুরের হাত

ধরে হাঁসা হাঁসি

করছেন আর সাথে ফুটফুটে একটি ছেলে,,

দৃশ্যটা যেন এক

জান্নাতি পরিবারের মত।

:

এই দৃশ্যটা দেখছেন হুজুরের আগের স্ত্রী।

যখন কলসে করে নদী থেকে পানি নিয়ে

পথ দিয়ে

যাচ্ছিলেন,, আর হাউ মাউ করে কাঁদতে

লাগলেন, আজকে

এই স্থানে আমার থাকার কথা ছিল।

:

আর আফসোস করছেন।

আমার আগের স্বামী সকাল বেলা আমাকে

জাগিয়ে

তুলতেন নামায পড়ার জন্য, কোরআন পড়ার

জন্য।

:

হাটে বাজারে যেতে দিতেন না, ঘরে

বসে কিতাব পড়ার

জন্য বলতেন।

:

মাথার চুল ঠেকে রাখতে বলতেন,

পর্দার করে চলতে বলতেন।

আমার সেবা করতেন হুজুর স্বামীটা।



আর বর্তমান স্বামী আমাকে সকাল বেলা

ঘুম থেকে

উঠিয়ে ক্ষেতে পাঠান কাজ করার জন্য।

:

বাজারে পাঠান সদায় কিনার জন্য।

এখন চলতেছি অর্ধলঙ্গ হয়ে।

:

সারা দিন কাজ করতে করতে খাওয়া-

দাওয়ারই সময় নেই।

:

কি করলাম হুজুর স্বামীটা হারিয়ে।

হায় আফসোস।

হায় আফসোস।



মেয়েরা তোমরা যতই ফালা-ফালি

করোনা কেন।

হুজুরদের স্ত্রীদের মত শান্তিতে কেউই

নেই।